Author: bangladiganta

  • দেশের শান্তি ও অগ্রগতি সহানুভূতির মাধ্যমে অর্জিত: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    দেশের শান্তি ও অগ্রগতি সহানুভূতির মাধ্যমে অর্জিত: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    দেশের শান্তি ও অগ্রগতির জন্য সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি মনে করেন, সাম্প্রদায়িক শক্তি সমাজের জন্য ফ্যাসিবাদের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক। যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক শাসন মানুষকে দমন-পীড়ন করতে পারে, কিন্তু সাম্প্রদায়িক শক্তি দেশের অভ্যন্তরীণ সংহতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। এটি দেশের স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তিনি আবারো stressing করেন, দেশের শান্তি ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে ধর্মের পার্থক্য ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিভাজন ও বিদ্বেষ কখনো সমাধান আনতে পারে না। দেশের সঙ্কটময় মুহূর্তগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য যারা অপেক্ষা করে, তারা আসলে দেশের শত্রু। তারা সংকটের অপেক্ষায় থাকতেই পছন্দ করে।

    শুক্রবার জুম্মা বাদ নিরালা জামে মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া ও শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া পরিচালনা করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এছাড়া, বিকেলে শেরে বাংলা রোডের মোল্লাহাট উপজেলা কল্যাণ সমিতি ও আহত পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি, যেখানে সমিতির সভাপতি মোরশেদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাফর আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেমসহ আরও অনেকে।

    অপরদিকে, দোলখোলা শ্রীশ্রী শীতলাবাড়ি কালী মন্দিরের কার্যকরী সংসদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। বিজয় কুমার ঘোষের পরিচালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন সুজিত সাহা। রাত সাড়ে ৮টায়, স্যার ইকবাল রোডের আর্য ধর্মসভা মন্দিরে সভাপতিত্ব করেন চিত্ত সাহা ও সাধারণ সম্পাদক সমর কুন্ডু, উজ্জ্বল কুমার সাহাসহ কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, এড. এমদাদুল হক হাসিব, মুজবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি।

    অতিথিরা এই সময় বিভিন্ন শান্তি ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন। নজরুল ইসলাম মঞ্জু বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য সকল ধর্মের মানুষের ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে, যেখানে সকল ধর্মের মানুষ সুন্দরভাবে একত্রে থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, দেশের শত্রুরা সব সময়ই বিভ্রান্তি ও বিদ্বেষ ছড়ানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত, তাই প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে হবে। এভাবেই আমরা দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারব।

  • মোরেলগঞ্জে হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    মোরেলগঞ্জে হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে এলাকাবাসি মঙ্গলবার এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে, যাতে তারা দাবি করেন যে, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বেআইনি ভাবে অভিযোগ এনে সাধারণ অসহায় মানুষকে হয়রানি করছে। এই কল্যাণমূলক ঘটনা ঘটে বাগেরহাটের সুন্দরবনসংলগ্ন বান্দারবাজার এলাকায়, যেখানে শাহানুর রহমান শাহিন ওরফে কালু নামে একজন ব্যক্তি বিভিন্ন বেআইনি মামলা দায়ের করেছেন। এসব মামলার কারণে এলাকার মানুষজন, বিশেষ করে নিরীহ সাধারণ জনগণ খুবই ক্ষুব্ধ এবং জেলার উচ্চ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

    মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন যে, সম্প্রতি এলাকার কিছু ব্যক্তি নানাভাবে স্থানীয় সাধারণ মানুষদের হয়রানি করতে ধান কাটার মামলা, জালিয়াতি ও অন্যান্য অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন বৃদ্ধ, ইজিবাইক চালক এবং অন্যান্য সাধারণ মানুষ। তারা জানিয়েছেন যে, এই মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বেআইনিভাবে দায়ের করা হয়েছে, যাতে এলাকার শান্তিপ্রিয় বাসিন্দাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।

    অভিযোগকারীরা আরও বলেন, শাহানুর রহমান শাহিন নিজেকে ক্ষমতাধর জানিয়ে অবৈধভাবে এসব মামলা দায়ের করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বলেন, তাঁর ৬ একর ১৮ শতক পৈত্রিক জমি নিয়ে কিছু লোকজন ঝামেলা করছে, যাদের বিরুদ্ধে তিনি নিজেও অভিযোগ করেছেন। তবে, তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি কাউকে হয়রানি করার জন্য এই সব মামলা করেননি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, তারা اعلی প্রশাসন থেকে ন্যায়বিচার ও এর দ্রুত তদন্ত দাবি করছেন। তারা আশা করেন, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় এবং যাতে সবাই নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে। মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসি প্রশাসনের হস্তক্ষেপের জন্য আহ্বান জানান, যেন এই অন্যায় ও হয়রানি বন্ধ হয় এবং এলাকায় শান্তি ফেরে।

  • শহীদ ওসমান হাদীর ওপর গুলি মানে গণতন্ত্রের বুকে আঘাত

    শহীদ ওসমান হাদীর ওপর গুলি মানে গণতন্ত্রের বুকে আঘাত

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদীর ওপর গুলি চালানো মানে শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, বরং এটি মুনাফেকি ও অমানবিকভাবে গণতন্ত্রের মূলকেন্দ্রে আঘাত হানার মতো। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং জনগণের কণ্ঠরোধ করতে যারা অস্ত্রের মতো অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রকাশ্য পথ বেছে নেয়, তারা মূলত গণতন্ত্রকেই ভয় পায়। এই ধরনের হামলা দেশের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য এক গভীর চ্যালেঞ্জ, যা نشان করে দেশে এখনো কতটা ঝুঁকি ও অনিরাপদ হয়ে আছে। যারা ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না, তারা সহিংসতার আশ্রয় নেয়—এটাই তাদের রাজনীতির দেউলিয়াত্বের স্পষ্ট প্রমাণ।

    গতকাল শুক্রবার খানজাহান আলী থানাধীন মিরেরডাঙা ফুলবাড়ীগেট এলাকার প্রতিবন্ধী কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বকুল বলেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী কোনও করুণা বা দয়ার বিষয় নয়; তারা সমাজের অবিচ্ছেদ্য ও সম্মানিত অংশ। তাদের মর্যাদা, অধিকার ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্বের পাশাপাশি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। একটি সভ্য সমাজ কখনোই দুর্বল নাগরিকদের উপেক্ষা করে এগোতে পারে না। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে প্রতিবন্ধীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ নিতে হবে। সরকার ও সমাজ যদি এই জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের উন্নয়নের দাবি অর্থহীন হয়ে দাঁড়াবে।

    সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে বকুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নয়, তিনি গণতন্ত্রের প্রতীক। দেশের এই সংকটময় সময়ে তাঁর সুস্থতা ও নেতৃত্ব প্রয়োজন, যেন তিনি আবারও গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের পক্ষে দৃঢ় কণ্ঠে কথা বলতে পারেন। মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবন্ধী মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ সমন্বয়, দক্ষতা ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তার পরিসর বাড়ানোর দাবি জানান।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিবন্ধী কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংস্থার সভাপতি মমরেজ আলী বিশ্বাস। বক্তৃতা করেন সহ-সভাপতি দুলাল হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক লোকমান হাওলাদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক জাফর হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ মোশাররফ হাওলাদার ও মহিলা সম্পাদিকা জাহানারা বেগম। এ ছাড়া বক্তৃতা করেন জাহাঙ্গীর আলম ও ইসমাইল খা প্রমুখ।

  • তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪ লোক বৃদ্ধি পেয়েছে

    তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪ লোক বৃদ্ধি পেয়েছে

    দেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি গ্রাহকদের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষের তুলনায় জুনে এই সংখ্যা বেড়েছিল ৫ হাজার ৯৭৪টি। এরপর জুন থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে আরও ৭৩৪টি নতুন কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যুক্ত হয়েছে। যদিও কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়লেও জমা টাকার পরিমাণ কিছুটা কমেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জুন শেষে ব্যাংকিং খাতে মোট অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টিতে। অর্থাৎ তিন মাসে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৯টি। একই সময়ে ব্যাংকে আমানতের পরিমাণও সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। জুন শেষে আমানতের পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বরের শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকায়। ফলে তিন মাসে আমানত বৃদ্ধির পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা।

    কোটিপতি হিসাবের প্রবৃদ্ধি: জুন শেষে কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৩৬টি। তবে, সেপ্টেম্বরের শেষে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০টি। অর্থাৎ, তিন মাসে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে ৭৩৪টি। এর আগে, মার্চের শেষে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি।

    জুন শেষে কোটি টাকার অ্যাকাউন্টে জমা ছিল ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, তবে সেপ্টেম্বরের শেষে এই পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, তিন মাসে জমার পরিমাণ কমেছে ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, কোটিপতি হিসাব মানে শুধুমাত্র ব্যক্তির ক্রমশ ঊর্ধ্বে থাকা নয়। একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ব্যক্তি ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি, সরকারি ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো কোটি টাকার বেশি আমানত রাখে। এ ছাড়া এক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকাটা সাধারণ ব্যাপার। সরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানও এই তালিকায় যুক্ত থাকে।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে, ১৯৭২ সালে কোটিপতি আমানতকারী ছিল মাত্র ৫ জন। এরপর ১৯৭৫ সালে সংখ্যাটি বেড়ে হয়েছিল ৪৭ জন, ১৯৮০ সালে ৯৮টি, ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪টি, এবং ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি। পরের বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে এই সংখ্যাগুলি উন্নতি করেছে। ২০০৬ সালে ছিল ৮ হাজার ৮৮৭টি, ২০০৮ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ হাজার ১৬৩টি। ২০১০ সালের পরে আবার এই সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়তে থাকে। ২০২০ সালে কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৯৩ হাজার ৮৯০টি। ২০২১ সালে এটি বেড়ে হয়েছে এক লাখ ৯ হাজার ৭৬টি, ২০২২ সালে এক লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টি, ২০২৩ সালে এক লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি এবং ২০২৪ সালে এর সংখ্যা পৌঁছায় ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টিতে।

  • নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে হয়েছে ৮.২৯ শতাংশ

    নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে হয়েছে ৮.২৯ শতাংশ

    অক্টোবর মাসে মূলত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও, নভেম্বর মাসে তা পুনরায় বাড়ে এবং মোট ৮.২৯ শতাংশে এসে পৌঁছেছে। এর আগে অক্টোবর মাসে এই হার ছিল ৮.১৭ শতাংশ, আর গত বছরের নভেম্বরের তুলনায় এই হার ছিল significantly higher—১১.৩৮ শতাংশ। আজ রোববার, ৭ নভেম্বর, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) তাদের মাসিক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করে।

    বিবিএসের তথ্যানুসারে, নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭.৩৬ শতাংশ, যেখানে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি েই ছিল ৯.০৮ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য হলো, দুই মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে খাদ্য এবং অন্যান্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

    গত তিন বছর ধরে দেশবাসীর জন্য উচ্চ মূল্যস্ফীতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.০৩ শতাংশ। এটি দেখায় যে, অর্থনীতির এই কঠিন পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

    বিবিএস জানিয়েছে, গত নভেম্বর মাসে জাতীয় মজুরি ছিল ৮.০৪ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ, সাধারণ মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির তুলনায় কম। এতে বোঝা যায়, শ্রমিকদের আয় কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে এখনও মূল্যস্ফীতির হার এর চেয়েও বেশি।

    মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানেই অর্থাৎ সব জিনিসের দাম একদম কমে যায় না, বরং বোঝা যায় যে, কিছু কিছু পণ্যের দাম কিছুটা কমলেও সাধারণত দাম একই রকমই রয়েছে বা ধীরে ধীরে বাড়ছে।

    এক বছরের অধিক সময় ধরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নানা চেষ্টার মধ্যে দেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। সরকার অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সুদের হার বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি দিয়ে বাজারের পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। এর পাশাপাশি, এনবিআর প্রয়োজনীয় পণ্য যেমন তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিমের ওপর শুল্ক-কর কমানোর পাশাপাশি, আমদানি প্রসার নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে, যাতে বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ ঠিক থাকেদে পারে।

  • সোনার দাম ভরিতে বেড়েছে ৩৪৫৩ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে বেড়েছে ৩৪৫৩ টাকা

    দেশের বাজারে আবারও বেড়ে গেছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন দাম নির্ধারণ করে জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য এখন দুই লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা, যা আগের দামের সঙ্গে তুলনা করলে ৩৪৫৩ টাকা বেশি। এই পরিবর্তন আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এবং আগামীকাল রোববার থেকে এটি কার্যকর হবে। অন্যদিকে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে গেছে, ফলে নতুন দাম নির্ধারণে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।

  • দেশ ও বিদেশে ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    দেশ ও বিদেশে ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    বিদেশে পাচার করা অর্থের উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী সম্পত্তি সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার। এর মধ্যে দেশে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি এবং বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত। এর ফলে পাচারকৃত অর্থের সফল উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অগ্রগতি হয়েছে।
    বুধবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভার শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। এই সভা পরিচালনা করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা ও নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন বিষয়ে আলোচনা।
    সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বিদ্যমান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-তে কিছু ধারাকে যুগোযোগী করে সংশোধন করার। এছাড়া, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত ১১টি কেসে গঠিত হয়েছে যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্তদল। এই কেসগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১০৪টি মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে ১৪টিতে চার্জশিট দাখিল এবং চারটিতে আদালত রায় দিয়েছেন।
    অংখ্য অগ্রাধিকার কেসের জন্য ২১টি মাল্টিলেটারল্যারেল অ্যাাক্ট রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো হয়েছে। এই সব উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত চার্জশিট দাখিল, মামলার নিষ্পত্তি ও এমএলএআর পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
    আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশের অবস্থান মূল্যায়নে এশিয়া প্যাসিফিক গ্র“প অন মানিলন্ডারিং (অ্যাপিজি) আগামী ২০২৭-২০২৮ মেয়াদে চার্থ ইভ্যালুয়েশনের (মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন) ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংসদ ও লেজিসলেটিভ বিষয়ে সচিব, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপাক্ষিক), অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, সিআইডি প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ ও বিএফআইইউ এর প্রতিনিধিরা।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনলো ১৩ ব্যাংকের থেকে

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনলো ১৩ ব্যাংকের থেকে

    চলতি ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ের (রেমিটেন্স) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি ঘটছে। এই শ্রমের ফলস্বরূপ ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্তের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য, বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আজ (সোমবার) ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১৪ কোটি ডলার কিনেছে।

    এটি মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ডলার বিক্রির মূল্যের এক্সচেঞ্জ রেট ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ২৯ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। সামগ্রিকভাবে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনেছে মোট ২ হাজার ৮০৪ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২.৮ বিলিয়ন ডলার। সোমবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত দেশে প্রবাসী আয়ে (রেমিটেন্স) এসেছে মোট ১২৯ কোটি ডলার। comparesপূর্ববর্তী বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় ছিল ১০৯ কোটি ১০ লাখ ডলার, ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয়ে ১৮ শতাংশের বৃদ্ধি হয়েছে।

    অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত, এই সময়ে দেশে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৩৩ কোটি ডলার, যা গত বছরের সমান সময়ে ছিল ১ হাজার ২২৩ কোটি ডলার। এই হিসেবে, এই ছয় মাসে দেশের প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৭ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি বিরোধী অভিযান ও সরকারের উদ্যোগ, প্রণোদনা প্রদান এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির কারণে রেমিটেন্সের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অবস্থা স্বস্তিদায়ক।

    এছাড়াও, সদ্য সমাপ্ত নভেম্বরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা।

  • বিএনপির দুটি কর্মসূচি স্থগিত, রাতেই স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকা

    বিএনপির দুটি কর্মসূচি স্থগিত, রাতেই স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আজ শুক্রবারের পূর্বনির্ধারিত দুটি কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দেশের চলমান সা‌র্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়। নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, ‘আগে ঘোষণা করা দুটি কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে এবং রাতে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে।’

    শক্তিশালী হুমকি আর অস্থির পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে বিএনপি তাদের আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী আজ বিকেল ৩টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের সেচ ভবনে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এছাড়া, বিকেল ৪টায় কারওয়ান বাজারে রাষ্ট্রের পানীয় জল সংস্থার ভবনের সামনে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীরও একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। তবে দুটিই কর্মসূচি স্থগিত হয়েছে।

    শায়রুল কবির আরও জানিয়েছেন, জরুরি ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৮টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির একটি বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নেবেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সভাপতিত্ব করবেন তিনি। বৈঠকের নির্দেশনা ও সিদ্ধান্তের জন্য এই জরুরি সভার সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • জনতাকে উসকানিতে দেওয়ার জন্য আহ্বান না দেওয়ার apel আমিরের

    জনতাকে উসকানিতে দেওয়ার জন্য আহ্বান না দেওয়ার apel আমিরের

    আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহীদ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা শরীফ ওসমান হাদী। তাঁর এ আকস্মিক মৃত্যুতে সম্পূর্ণ দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, পাশাপাশি ক্ষোভ ও প্রতিবাদ আন্দোলন জোরালোভাবে দেখা যাচ্ছে।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) এ ঘটনার প্রেক্ষিতে এক গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দেন। তিনি বলেন, “আমরা সবাই মহান আল্লাহর কাছে শহীদ ওসমান হাদীর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। পাশাপাশি তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অস্পূর্ণতার জন্য গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের ঘটনায় ছাত্র-জনতার মধ্যে যে আবেগ এবং ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে, তা স্বাধীন ও ন্যায্য। তবে, এই ক্ষোভের অপব্যবহার করে কেউ যদি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য পরিস্থিতি ঘোলাটে করে দেয়, তা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, কেউ কেউ এই পরিস্থিতি ব্যবহার করে আন্দোলনকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যেতে চায়, যা স্বাভাবিক বিষয় নয়।

    গণমাধ্যমের ভূমিকা সম্পর্কে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ও মানুষের কণ্ঠস্বর। এজন্য গণমাধ্যমের ওপর হামলা মানে গণতন্ত্রের চর্চা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের বিরোধিতা।” তিনি জনসাধারণকে পরিষ্কারভাবে অনুরোধ করেন, শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক protest-ই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত, অন্যথায় আন্দোলনের লক্ষ্য আর অর্জন কষ্টকর হবে।

    শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, “এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত ও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।” তাদের দ্রুত বিচারে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    আলোচনার শেষ দিকে, আমির বলেন, দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে সংযম, দায়িত্বশীলতা ও জাতীয় ঐক্যই একমাত্র উন্নতির চাবিকাঠি। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করেই শহীদদের আত্মত্যাগের মান রাখার সম্ভব।

    অবশেষে, তিনি সকল দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা ও সাধারণ নাগরিকদের অনুরোধ করেন, কোনো উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য্য ও সচেতনতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে। এই শাস্তি ও কঠিন সময় মোকাবেলার একমাত্র পথ হলো একতায় থাকা ও দায়িত্বশীলতা।