Author: bangladiganta

  • ১১টি শূন্যপদের লিখিত পরীক্ষার জন্য ৫ সদস্যের কমিটি গঠন

    ১১টি শূন্যপদের লিখিত পরীক্ষার জন্য ৫ সদস্যের কমিটি গঠন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত কমিটির ১১তম সভা গতকাল বুধবার নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রশাসক মোঃ মোখতার আহমেদ। কেসিসি’র কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই কমিটি স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর ধারা ২৫(ক)(২) মোতাবেক স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক গঠিত বলে সভায় জানানো হয়।

    সভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ওয়াসা কর্তৃক স্যুয়ারেজ লাইন স্থাপনের ফলে নগরীর রাস্তা খনন কাজকে আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ পর্যন্ত, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং খননকৃত রাস্তার মেরামতের জটিলতা নিরসনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে উভয় সংস্থার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি উপস্থিত রেখে আলোচনা করার অনুরোধ পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    দুদকের তদন্তাধীন সাতটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কিত বিল পরিশোধ বিষয়ে দুদকের মতামত গ্রহনের সিদ্ধান্ত নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নেয়। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জামানতের অর্থ পরিশোধ করার অনুমোদন দেয়া হয়।

    কেডিএ কর্তৃক নির্মাণাধীন সড়কে (খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রায়েরমহল পর্যন্ত) কেসিসি’র মালিকানাধীন জমি ব্যবহারের বিষয়ে অনাপত্তি না দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। রূপসা ঘাট নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র সঙ্গে চলমান মামলার কারণে ঘাটের পন্টুন মেরামত নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আইন উপদেষ্টার মাধ্যমে আদালতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    মশক নিধনে বিমান বাহিনী কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০২৫ অনুসরণ করে জিটুজি পদ্ধতিতে ২ হাজার লিটার এডাল্টিসাইড ও ২ হাজার লিটার লার্ভিসাইড ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নগর ভবনের প্রবেশ পথের পশ্চিম পাশে খুলনা সিটি এরিয়ার ম্যাপ স্থাপন, অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কেসিসি’র বিভিন্ন আবেদন ফরমের মূল্য সমন্বয় এবং কেসিসি পেট্রোল পাম্পকে অটোমেশনের আওতায় আনার সিদ্ধান্তও সভায় গৃহীত হয়।

    মিস্ত্রিপাড়া বাজারের বাতিলকৃত ১৪টি মাছ পট্টির বরাদ্দের বিরুদ্ধে জমাকৃত সেলামীর অর্থ ফেরত প্রদান করার এবং নতুনভাবে বরাদ্দ প্রদানের উদ্যোগ নেয়ার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। সর্বশেষ, কেসিসি’র ১১টি শূন্য পদে জনবল নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রতিনিধি প্রদানের অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    সভায় কেসিসি’র সচিব আরিফুল ইসলাম সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান। এছাড়া কেএমপি, খুলনা ওয়াসা, কেডিএ, সড়ক ও জনপথ, এলজিইডি, বিভাগীয় স্বাস্থ্য, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স, বিআইডব্লিউটিএ ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা কার্যালয় এবং ওয়ার্ডের সক্ষম কর্মকর্তাগণ সভায় অংশ নেন।

    সভায় আরও জানা যায় যে প্রশাসক মোঃ মোখতার আহমেদ সভাপতি হিসেবে উপস্থিত অতিথিদের হাতে নতুন বছরের জন্য কেসিসি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ডায়েরী হস্তান্তর করেন।

  • চাঁদাবাজমুক্ত খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রকিবুল বকুল

    চাঁদাবাজমুক্ত খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রকিবুল বকুল

    খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, জনগণের ভোট পেলে খুলনার পবিত্র মাটিতে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের কোনো স্থান থাকবে না। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত একটি পথসভায় তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।

    বকুল বলেন, বিগত বছরগুলোতে খুলনাবাসী নানাভাবে শোষণ ও চাঁদাবাজির শিকার হয়েছে। সাধারণ ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করতে পারেনি, এবং সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিঘ্নীত হয়েছে। তাই খুলনার উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি চাঁদাবাজদের সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলবেন বলে প্রত্যাশা ও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

    বুধবার বিকেলে পাবলা সবুজ সংঘ মাঠে অনুষ্ঠিত সবুজ সাথী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপি ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান, জনগণের আমানত হিসেবে নির্বাচনে জয়লাভ করে সংসদে গেলে তিনি একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত খুলনা উপহার দেবেন।

    বকুল বলেন, ধানের শীষ শান্তির প্রতীক; এই প্রতীক জয়ী হলে সাধারণ মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধার হবে। তিনি অভিযোগ করেন যে, কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠী খুলনার সম্পদ লুটছে এবং জনসাধারণকে ভয়ভীতি দেখিয়ে শাসন করছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে জয়ী করার আহ্বান জানালেন।

    তিনি বলেন, খুলনার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় শান্তি ফিরিয়ে আনাই হবে তার মূল লক্ষ্য। নির্বাচিত হলে কোনো দলের পরিচয়েই কেউ চাঁদাবাজি বা দখলদারিত্ব করতে পারবে না—এ বিষয়ে তিনি কঠোর হুশিয়ারি দেন।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সবুজ সাথী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ শাহীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মুশাররফ হোসেন, দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি মুর্শিদ কামাল, বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির, পাবলা সবুজ সংঘের সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, খুলনা মহানগর জাসাসের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু এবং পাবলা সবুজ সংঘ মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব এইচ এ রহিম।

    এছাড়া মোঃ মতলেবুর রহমান, মিতুল, প্রফেসর সাইফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, শেখ আনসার আলীসহ দৌলতপুর থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে মোস্তাফিজ — পেলেন সুখবর

    আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে মোস্তাফিজ — পেলেন সুখবর

    বছরের শুরুটা মোটেই সুখকর হয়নি মোস্তাফিজুর রহমানের জন্য। আইপিএলে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে সংগ্রহ করার পরই কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে ছেঁটে ফেললে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা জাগে। কীর্তি আজাদ, রবীচন্দ্রন অশ্বিনসহ বহু বিশিষ্ট ভারতীয় খেলোয়াড়ও তাঁর বাদ পড়ার বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কৌশলে মোস্তাফিজ কিছুটা পুনরুদ্ধার করেছেন—আইসিসি-র সাপ্তাহিক র‍্যাঙ্কিংয়ে উনি উন্নতি করে সুখবর পেয়েছেন।

    আইসিসি সাপ্তাহিক হালনাগাদে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বোলার র‍্যাঙ্কিংয়ে মোস্তাফিজ এক ধাপ উঠে এখন সপ্তম স্থানে। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬৬৫। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন গত বছরের ডিসেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে। গত বছর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মোস্তাফিজ খেলেছেন ২০টি ম্যাচ, নিয়েছেন ২৬ উইকেট এবং তাঁর ইকোনমি ছিল ৬.০৯।

    মোস্তাফিজের সঙ্গে সঙ্গে আরেক তরুণ বোলার রিশাদ হোসেনেরও র‍্যাঙ্কিংয়ের উন্নতি হয়েছে। রিশাদ এখন এক ধাপ এগিয়ে সপ্তরহণ করে ১৭ নম্বরে উঠে এসেছেন; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬১৯। গত বছর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রিশাদই বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৩ উইকেট নিয়েছিলেন।

    আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকায় পাকিস্তানের লেগস্পিনার আবরার আহমেদ এখন চতুর্থ স্থানে; সমান ৬৯১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফির সঙ্গেও তিনি যৌথভাবে চতুর্থ। আফগানিস্তানের স্পিনার মুজিব উর রহমান পাঁচ ধাপ এগিয়ে এখন নবম স্থানে পৌঁছেছেন; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬৫৬। মুজিব সাম্প্রতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন—সিরিজে মোট ৬ উইকেট নিয়েছেন এবং একটি ম্যাচে হ্যাটট্রিকও করেছেন।

    আজ বিশাখাপত্তনমে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি। সিরিজের মাঝেই আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে আরও কিছু বড় নামের স্থান পরিবর্তন হয়েছে—জসপ্রীত বুমরা চার ধাপ এগিয়ে এখন ১৩ নম্বরে দাঁড়িয়ে; নিউজিল্যান্ড সিরিজে দুই ম্যাচে তাঁর ইকোনমি ৬.৫৭ এবং মোট ৩ উইকেট আছে। আরো একটি চোখে পড়া নাম বরুণ চক্রবর্তী; ৭৮৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বোলারদের মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন।

    টি-টোয়েন্টিতে অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে হার্দিক পান্ডিয়া এক ধাপ এগিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠেছেন; নিউজিল্যান্ড সিরিজে টানা তিনটি টি-টোয়েন্টিতে তিনি মোট ৪ উইকেট নিয়েছেন এবং ব্যাটিংয়ে করেছেন ২৫ রান, হার্দিকের রেটিং পয়েন্ট ২৪৮। জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা ২৮৯ পয়েন্ট নিয়ে অলরাউন্ডার তালিকায় শীর্ষে আছেন। পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবও অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ২৭৭।

    ব্যাটারদের তালিকায় অভিষেক শর্মা ৯২৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। ফিল সল্ট ও তিলক ভার্মা যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন—তাদের রেটিং পয়েন্ট ৮৪৯ ও ৭৮১। ভারতের ব্যাটসম্যান সূর্যকুমার যাদব টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংয়ে পাঁচ ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছেন; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৭১৭। নিউজিল্যান্ড সিরিজে সূর্যকুমার দুইটি ফিফটি করেছেন এবং সিরিজে সর্বোচ্চ ১৭১ রান সংগ্রহ করেছেন। অভিষেক শর্মাও সিরিজে ১৫২ রান করেছেন, যার মধ্যে ২৫ জানুয়ারি গুয়াহাটিতে ১৩ বলেই একটি ফিফটি ছিল।

    ভারত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে প্রথম তিনটি টি-টোয়েন্টি জিতে সিরিজ নিশ্চিত করেছে; এখনো দুটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। মোস্তাফিজসহ বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীরা অবশ্য আশা রাখছেন, সামনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও পারফরম্যান্সে আরও স্থায়ীত্ব এসে তাঁরা আরও ওপরে উঠবেন।

  • ঢালিউদের কিংবদন্তি অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

    ঢালিউদের কিংবদন্তি অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

    ঢালিউডের সোনালী যুগের জনপ্রিয় নায়ক ও উজ্জ্বল নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পরে ৮২ বছর বয়সে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    মৃত্যুর সংবাদ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। পরিচালক-মঞ্চ ও রুপালি পর্দার বহু স্মরণীয় образ করে রাখা এই তারকা ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পরিবার পাঞ্জাবে গেলে, পরে কর্মজীবন তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে টেনে আনে।

    পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ইলিয়াস জাভেদ ক্যানসারে ভুগছিলেন এবং নানা শারীরিক জটিলতায় পড়ছিলেন। গত বছরের এপ্রিলেও তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানিয়েছেন, আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থা হঠাৎ মারাত্মকভাবে খারাপ হয়। কিছুদিন ধরে বাসায় চিকিৎসক ও দুই নার্স এসে তার সেবা করছিলেন; আজ সকালে নার্সরা এসে জানান তাঁর শরীর ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ইলিয়াস জাভেদের চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু হয় নৃত্য পরিচালনায়; পরে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে ১৯৬৪ সালের উর্দু ছবি ‘নয়ী জিন্দেগি’ দিয়ে। কিন্তু সত্যিকারের খ্যাতি আসে ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’ ছবির মাধ্যমে, যেখানে তিনি বিশিষ্ট অভিনেত্রী শাবানার বিপরীতে অভিনয় করেন। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

    তার পরবর্তী কয়েক দশকে একের পর এক জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকদের মনে তিনি ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে বিশেষ জায়গা করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বাস্তবে তাঁর নাম ছিল রাজা মোহম্মদ ইলিয়াস। ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন।

    সত্তর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল ঝড়ো নাচ আর অ্যাকশনের এক অনবদ্য মিশ্রণ। তাঁর প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক যুগের সমাপ্তি হিসেবে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন গোপনে চিকিৎসা নিলেও তিনি সিনেমাপ্রেমীদের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থেকে যাবেন।

    জাভেদের উল্লেখযোগ্য কিছু চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে: ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’ ও ‘আবদুল্লাহ’।

    শোকাহত পরিবার ও চলচ্চিত্র সম্প্রদায়ের প্রতি সমবেদনা। detail জানবার ক্ষেত্রেঃ পরিবারের বিবৃতি ও শিল্পী সমিতির আনুষঙ্গিক তথ্য অনুসরণ করা হচ্ছে।

  • ওশিওয়ারায় গুলি ছোড়ায় বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ারায় গুলি ছোড়ায় বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গুলি ছোড়ার ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান (কেআরকে)কে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাকে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আদালতে পাঠানোর কথা জানা গেছে।

    পুলিশ সূত্রে and ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকায় চারটি গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতেই মুম্বাই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ধাপে ধাপে আলামত সংগ্রহ করে কেআরকে-কে নিশানায় আনে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কেআরকে স্বীকার করেছেন যে গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে তার দাবি, কাউকে আঘাত করার মনোভাব ছিল না। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন যে বন্দুকটি পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে বাড়ির সামনের ম্যানগ্রোভের দিকে গুলি ছোড়েন। কেআরকে বলেছে বাতাসের কারণে গুলিগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের একটি আবাসিক ভবনে এসে লেগেছে।

    পুলিশ এখন ঘটনার সঠিক কারণ পর উৎপাতের পরিপ্রেক্ষিতে আরও প্রমাণ-তদন্ত করছে এবং কী ধরণের আইনগত গঠন দেখা হবে তা নির্ধারণ করবে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা সিসিটিভি ফুটেজ, শোল্ডার-টু-শোল্ডার সাক্ষ্য ও উদ্ধারকৃত আলামত বিশ্লেষণ করছেন।

    কামাল আর খানকে বলিউডে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে চেনা যায়। ২০২২ সালে তিনি একটি যৌন হেনস্তার মামলায় গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে কটাক্ষ ও উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি এবং আইনি মামলা রয়েছে। এই প্রেক্ষিত মাথায় রেখে পুলিশ ও আদালত কী পদক্ষেপ নেবেন তা এখন নজরদারি রাজস্ব।

  • ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা প্রার্থী বা এজেন্ট থেকে কোনো সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে না

    ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা প্রার্থী বা এজেন্ট থেকে কোনো সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে না

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ। তিনি নিশ্চিত করেছেন, এই নির্বাচনে প্রার্থী, নির্বাচনি বা পোলিং এজেন্ট, কর্মী বা সমর্থকসহ কেউই কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে খাবার, পানীয় বা অন্য কোনো সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না। বিষয়টি स्पष्ट করে তিনি বলেন, নির্বাচন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এ ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তাহমিদা আহমদ এসব কথা বলেন। এই সভায় নির্বাচনের জন্য অনুষ্ঠিতব্য ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি ও কর্মাবলির পর্যালোচনা করা হয়। তিনি জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্র এবং ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষে মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি, তারা কঠোর প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন, যা নির্বাচন থেকে ৪ থেকে ৫ দিন আগে শেষ করতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ভোটগ্রহণে যোগ্য ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নির্বাচন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ থাকে। প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হলো ভোটের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ব্যালট পেপার ব্যবস্থাপনা, ভোট গণনা ও ফলাফলের সঠিক প্রেরণার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান।

    তিনি নির্দেশ দেন, বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের বাদ দিয়ে স্বচ্ছ প্যানেল প্রস্তুত করতে হবে। তবে, কোথাও প্রয়োজন অনুযায়ী যাচাইবাছাই সাপেক্ষে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে এই বিষয়টি পুরোপুরি স্বচ্ছ ও নিয়ম মাফিক করতে হবে।

    উল্লেখ্য, ভোটগ্রহণের আগের দিন ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে আনুষ্ঠানিক প্রচার, এবং ভোটগ্রহণ হবেন ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সকল কর্মকর্তাকে এই সময়ের মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করতে বলা হয়েছে, যাতে তাঁরা নির্বাচন আইনের নির্দেশনা, আচরণবিধি ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে পারেন।

  • যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সব দলের সঙ্গে কাজ করতে চায়: রাষ্ট্রদূত

    যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সব দলের সঙ্গে কাজ করতে চায়: রাষ্ট্রদূত

    ঢাকায় নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, তিনি বাংলাদেশের সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালেই মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

    রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, তিনি আজকের বৈঠকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের মতামত শুনেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অগ্রগতির মূল অংশীদার হিসেবে তারা দেশের উন্নয়নে সক্রিয় সহযোগিতা করতে চান।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সকাল ৮টায় রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াতের কার্যালয়ে ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কনসোলার মি. এরিক গিলম্যান, পাবলিক অফিসার মিস মনিকা এল সাই, পলিটিক্যাল অফিসার মি. জেমস স্টুয়ার্ট ও পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট ফিরোজ আহমেদ।

    বৈঠকে তারা বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, শিল্প ও বাণিজ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

    অতিথিরা উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করছেন। তারা ভবিষ্যতেও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    বৈঠকে জামায়াতের আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন এবং জামায়াতের আমিরের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান।

  • শাহ মখদুমের মাজারে জিয়ারত করলেন তারেক রহমান রাজশাহী পৌঁছেছেন

    শাহ মখদুমের মাজারে জিয়ারত করলেন তারেক রহমান রাজশাহী পৌঁছেছেন

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ রাজশাহীতে এসে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিকেল পৌনে দুইটার দিকে তিনি হযরত শাহ মখদুমের (রহ.) মাজারে জিয়ারত করেন। এর আগে দুপুর ১২টার পর রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে তার বহনকারী ফ্লাইট অবতরণ করে।

    বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, আজকের নির্বাচনী জনসভায় রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৩টি নির্বাচনী এলাকার নেতা ও দলের কর্মীরা অংশ নেবেন। ওই অনুষ্ঠানে দুপুর ২টায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন বলে জানা গেছে। এই জনসভাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি দেখা গেছে এবং তারা ইতিমধ্যে রাজশাহীতে উপস্থিত হয়েছেন।

    ২০০৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের এক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে রাজশাহীতে আসার পর দীর্ঘ ২২ বছর পর তারেক রহমানের এই প্রথম শহরে এলো। তার এই আগমনে প্রায় চারদিকে ব্যাপক আতশবাজি, শোভাবর্ধন ও নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার ভারি ধোঁয়া দেখা গেছে, যা জেলাজুড়ে উৎসাহের সৃষ্টি করেছে।

  • শেখ হাসিনা, কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, শুনানি ৮ ফেব্রুয়ারি

    শেখ হাসিনা, কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, শুনানি ৮ ফেব্রুয়ারি

    রাজধানীর কল্যাণপুর এলাকার জাহাজবাড়িতে পরিচালিত এক প্রতিষ্ঠিত ‘জঙ্গি নাটক’ সাজানোর ঘটনা নিয়ে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। একইসঙ্গে এ মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি শুনানি ধার্য করা হয়েছে।

    অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক আইজিপি শহীদুল হক, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আসাদুজামান মিয়া, সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম, এবং ডিএমপি মিরপুর বিভাগের সাবেক উপকমিশনার জসীম উদ্দীন মোল্লাসহ মোট ছয়জনের অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- এ কে এম শহীদুল হক, আসাদুজামান মিয়া ও জসীম উদ্দীন মোল্লা।

    আধिकारिक অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই রাজধানীর কল্যাণপুরের ‘জাহাজবাড়ি’ নামে একটি বাড়িতে ৯ তরুণকে আটক করে রাখা হয়। পরে সোয়াট ও সিটিটিসি টিম সেখানে প্রবেশ করে গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমেই জঙ্গি হামলার নাটক সাজানোর প্রক্রিয়া চালানো হয়।

    অভিযোগে আরও জানা যায়, এই ঘটনা দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টিকে থাকতে ও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করতে পুলিশ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিকল্পিতভাবে এই নাটক সাজানো হয়। নিহত ৯ তরুণ বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়, কেউ কেউ ডিবি হেফাজতে দুই থেকে তিন মাস ধরে থাকেন। রাতের বেলায় ব্লক রেডের আড়ালে তাদের জাহাজবাড়িতে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।

    প্রসিকিউশনের ভাষ্যে, এই ‘জঙ্গি নাটক’ একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলামিক মতাদর্শে বিশ্বাসীদেরকে ‘জঙ্গি’ হিসেবে চিহ্নিত করে হত্যা করার মাধ্যমে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়, যা মূলত সরকারের রাজনৈতিক স্বার্থে পরিচালিত হয়।

  • ইসির নির্দেশ: ভোটের পোস্টার না মুদ্রণে প্রিন্টিং প্রেসকে অনুরোধ

    ইসির নির্দেশ: ভোটের পোস্টার না মুদ্রণে প্রিন্টিং প্রেসকে অনুরোধ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে দেশের সব প্রিন্টিং প্রেসকে দ্রুত এই ধরনের পোস্টার মুদ্রণ না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো। এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন সকল রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মনির হোসেন এই চিঠি পাঠান। এতে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রার্থী নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন। তবে, নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী, নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করার অনুমতি নেই।

    বিধি-৭(ক) অনুযায়ী বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহৃত হবে না।’ সংগত কারণেই, নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে যেন তারা পদক্ষেপ নেন এবং এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে, প্রিন্টিং প্রেসগুলোরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে যাতে তারা কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করতে না পারেন।

    এভাবে, নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ প্রতিদ্বন্দ্বীদের আচরণ বিধিমালা মানায় উৎসাহ প্রদান করছে এবং নির্বাচনি পরিবেশে সুষ্ঠুতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।