Author: bangladiganta

  • গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণের সঙ্গে নেয় বিএনপি নেতৃত্ব

    গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণের সঙ্গে নেয় বিএনপি নেতৃত্ব

    বিএনপি এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল যা সব সময় জনগণের সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম ও সাম্প্রতিক গণআন্দোলন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিএনপির ভুমিকা ছিল ঐতিহাসিক। রোববার নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের আপাম্পরা মহলদের সঙ্গেআয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    রকিবুল ইসলাম বকুল জানান, স্বাধীনতা সংগ্রামে মূল ভুমিকা ছিল শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং অস্ত্র হাতে নিয়ে সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া, গত ২৪ জুলাই আন্দোলনে জনগণের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের জন্য তিনি বলেন, এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “জনগণের সঙ্গে থাকুন, জনগণকে সঙ্গে রাখুন।” বর্তমান সময়ে চলমান ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে তিনি বলেন, এসব ষড়যন্ত্রের ফল কিছু হবে না, ইনশাল্লাহ, জনগণের শক্তি এগিয়ে থাকবে।

    খুলনা-৩ আসনে উন্নয়নের জন্য তিনি উল্লেখ করেন, “আল্লাহর রহমত হলে আমি নির্বাচিত হলে খালিশপুর শিল্পাঞ্চলের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, কর্মসংস্থান ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে আমার অঙ্গীকার।”

    মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর আবু সালেক, ফজলে হালিম লিটন, লিয়াকত হোসেন, আফরোজা জামান, মোজাফফর মাতুব্বরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। একই দিনে খালিশপুর থানাধীন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন। উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক নেতাকর্মী, যারা বলেন, মানবতার জন্য কাজ করতে হলে মানবিক নেতৃত্বের প্রয়োজন। বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও জনগণের ন্যায্য দাবিদাওয়ার জন্য সবাই একযোগে কাজ করতে হবে।

  • খুলনায় এনসিপির শ্রমিক নেতা গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় এনসিপির শ্রমিক নেতা গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় এক শ্রমিক নেতা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় নেতাকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, খুলনা এখন অচল হয়ে পড়ছে সন্ত্রাসের কবলে। রবিবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে সোনাডাঙ্গা এলাকায় এনসিপি’র খুলনা বিভাগের প্রধান এবং শ্রমিক সংগঠক মোতালেব শিকদারকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে এনসিপি’র যুগ্ম মুখপাত্র ডা. মাহমুদা মিতু জানান, প্রকাশ্যে গুলি চালানোর পর মোতালেব শিকদারকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার কানে গুলির ক্ষত রয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তার অবস্থা গুরুতর। সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) অনিমেষ মন্ডল এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়েছে, এবং প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গুলির শিকার ব্যক্তি মোতালেবের কানে গুলি লেগেছে। পরবর্তীতে তার মাথার সিটি স্ক্যানের জন্য শেখপাড়া সিটি ইমেজিং সেন্টারে নেওয়া হয়। এনসিপি’র খুলনা জেলা ও মহানগর সংগঠক সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন, খুলনা এখন সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি এখানে অপ্রীতিকর ঘটনা যেমন গোলাগুলি, লাশের মিছিল যোগায় আরও বেশি আঘাত। তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের নীরবতা আমাদের জন্য উদ্বেগজনক, কারণ সন্ত্রাসীরা ভয়ঙ্করভাবে উঠেপড়ে লেগেছে। বিভিন্ন সন্ত্রাসী চক্র শেখ বাড়ি, আওয়ামী নেতাদের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে খুলনাকে অস্থির করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। সাধারণ মানুষ মনে করে, পুলিশের গোপন নীতির কারণে these অপরাধীরা সহজেই জামিন নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতির নেপথ্যে রয়েছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের মদদ, যারা খুলনাকে খুনোখুনির নগরে পরিণত করেছেন। এলাকাবাসী বলেন, তারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে চায়, কারণ জীবন ঝুঁকির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

  • নি:শেষ বিদায়: সময়ের খবর সম্পাদক তরিকুল ইসলামের শাশুড়ীর ইন্তেকাল

    নি:শেষ বিদায়: সময়ের খবর সম্পাদক তরিকুল ইসলামের শাশুড়ীর ইন্তেকাল

    দৈনিক সময়ের খবরের সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ তরিকুল ইসলামের শাশুড়ি হামিদা বেগম বার্ধক্যজনিত কারণে গতকাল রোববার বিকেল ৫টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। মরহুমার বিদেহী আত্মার জন্য আমরা দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করছি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি দুই ছেলে, চার মেয়ে, নাতী-নাতনীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ সোমবার ভোরে নগরীর পূর্ব বানিয়াখামার জামে মসজিদে মরহুমার প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাগেরহাটের কচুআই পৈতৃক বাসস্থানে স্বামীর কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন হবে।

    সময়ের খবর সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলামের শাশুড়ির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সময়ের খবর পরিবার। শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন বার্তা সম্পাদক মাসুদুর রহমান রানা, মফস্বল সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবলু, সিনিয়র রিপোর্টার আশরাফুল ইসলাম নূর, নিজস্ব প্রতিবেদক আবদুল্লাহ্ আল মামুন, আল মাহমুদ প্রিন্স, নূর ইসলাম রকি, রামিম চৌধুরী, ফটো সাংবাদিক আর জি উজ্জল, এইচ ডি হেলাল ও অনলাইন ইনচার্জ মোঃ ইমরান খানসহ সাংবাদিক ও কর্মচারীরা।

    খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকেও শোক প্রকাশ ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল ও অন্যান্য সদস্যরা মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

    এছাড়াও, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনা এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) পক্ষ থেকেও শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে। এমইউজের সভাপতি মোঃ রাশিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ নূরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা ও অন্য নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।

  • তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৭৩৪ জন

    তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৭৩৪ জন

    বাংলাদেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের তুলনায় জুনে এই সংখ্যায় দেখা গেছে অন্তত ৫ হাজার ৯৭৪টি বৃদ্ধি। এরপর অর্থাৎ জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ৭৩৪টি নতুন কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যোগ হয়েছে। যদিও কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়লেও জমা অর্থের পরিমাণ কিছুটা কমে গেছে। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন শেষের হিসাব অনুসারে ব্যাংকগুলোতে মোট অ্যাকাউন্ট ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি, যেখানে সেপ্টেম্বর শেষে তা বেড়ে হয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টি। অর্থাৎ, তিন মাসে নতুন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৯টি। একই সময়ে ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণ বেড়ে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা থেকে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১২০ কোটি টাকায়। ফলে, তিন মাসে আমানত মোট ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোটিপতি হিসেবে গণ্য হওয়া অ্যাকাউন্টের সংখ্যা এ সময়ে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০টি, যা মার্চের শেষের ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুন শেষে কোটিপতি অ্যাকাউন্টগুলোতে জমা ছিল ৮ লাখ ৯০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, আস্তে আস্তে তা কমে সেপ্টেম্বরের শেষের হিসাবে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি। অর্থাৎ তিন মাসে মোট ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা কমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, কোটিপতি হিসাব বলতে শুধুমাত্র ব্যক্তির হিসাব বোঝানো হয় না। একজন ব্যক্তির বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে, এবং তারা সরকারি, বেসরকারি বা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানেরও হয়ে থাকতে পারে। এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট থাকায় এটি প্রকৃত কোটিপতি সংখ্যা দেখানোর ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুসারে ১৯৭২ সালে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৫ জন, যা সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৭৫ সালে ৪৭, ১৯৮০ সালে ৯৮, ১৯৯০ সালে ৯৪৩, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭ এবং ২০০৮ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ হাজার ১৬৩টি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সংখ্যা আরও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ২০২০ সালে ৯৩ হাজার ৮৯০, ২০২১ সালে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬, ২০২২ সালে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮ এবং ২০২৪ সালে তা পৌঁছেছে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি কোটিপতি অ্যাকাউন্টে। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি বাংলাদেশের ব্যাংক সার্কেল ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর অনেক কিছুই প্রতিফলিত করে।

  • সোনার দাম ভরিতে বাড়লেন ৩৪৫৩ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে বাড়লেন ৩৪৫৩ টাকা

    দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম, যা মোটেই ছোট পরিবর্তন নয়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) ঘোষণা অনুযায়ী, ভরিতে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। তাতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে দুই লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকায়, যা আগের値 ছিল দুই লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকায়। নতুন দাম তাৎক্ষণিকভাবে আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে জানানো হয় এবং এটি আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে। এছাড়া, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা, এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য এক লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকায়।

    অপরদিকে, এর আগে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকায়।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে অবশ্যই যোগ করতে হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভিন্নতার কারণে মজুরি কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

    অন্যদিকে, রুপার মূল্যও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা।

    এর আগে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ছিল ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ২ হাজার ৬০১ টাকায় বিক্রি হতো।

  • দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দাম নির্ধারণ

    দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দাম নির্ধারণ

    দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় সোনার দামের উর্ধ্বগতি চলল। ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা, যা এখন পর্যন্ত সব চেয়ে বেশি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে। নতুন এই দাম সোমবার (২২ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি সোনার দাম কিছুটা কমলেও, অন্যান্য ধরণের সোনার দাম বাড়ার কারণে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অতীতে, ১৫ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় দেশের বাজারে সোনার দাম আরও সমন্বয় করা হয়। ওই সময় ১ হাজার ৪৭০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয় ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৭ টাকায়।

    নতুন দাম অনুযায়ী, এখন দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার মূল্য দাঁড়াবে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম পড়বে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ টাকা।

    তবে, সোনার দাম বেড়ে গেলেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের রুপার এক ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকায়। অন্যান্য ক্যারেটের জন্য রুপার দাম হচ্ছে: ২১ ক্যারেটে ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৩ হাজার ৭৩২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ৭৯৯ টাকায়।

  • দেশ ও বিদেশে ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    দেশ ও বিদেশে ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    বিদেশে পাচারকৃত অর্থের বিশাল এক অংশ উদ্ধার করতে দেশের আদালত ও আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিসহ বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এর সঙ্গে আরও ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি যুক্ত করে মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ এখন সংযুক্ত এবং অবরুদ্ধ রয়েছে। এই তথ্য মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভা শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়। মূল লক্ষ্য হলো মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করা এবং এর জন্য আইন সংশোধনসহ নীতি গ্রহণ। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এই সময় বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে ব্যবহৃত আইনগুলো যুগোপযোগী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া, বিদেশে পাচারের অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১১টি কেসের জন্য গঠিত দল দ্রুত কার্যকর করছে। ইতিমধ্যে ১০৪টি মামলা দায়ের, ১৪টিতে চার্জশিট দাখিল এবং ৪টি মামলার রায় দেওয়া হয়েছে। দেশ ও বিদেশে সংযুক্ত সম্পদগুলো সংরক্ষণ ও অবরুদ্ধের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ চলমান। সব মিলিয়ে, দেশের ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি এবং বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ হয়েছে, যা মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা। এই অজুহাতে আরও ২১টি হাতিয়ে নেওয়া মামলার তদন্ত ও বিচারের জন্য বিভিন্ন দেশে অনুমোদিত মারফত পাঠানো হয়েছে। সভায় নির্দেশ দেওয়া হয় যে, পরিস্থিতি যত দ্রুত সম্ভব নিরীক্ষা, চার্জশিট দাখিল, মামলার নিষ্পত্তি ও সংশ্লিষ্ট দেশে তদন্ত কার্যক্রম চালাতে হবে। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশ তার আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা পালন করছে, যার অংশ হিসেবে অগাস্ট ২০২৭-এ এশিয়া পাসিফিক গ্র“প অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) এর ৪র্থ পর্যায়ের মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন অনুষ্ঠিত হবে। সভায় এই কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। এছাড়াও, সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সদস্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রধানরা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনেছে ১৩ ব্যাংকের কাছ থেকে

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনেছে ১৩ ব্যাংকের কাছ থেকে

    চলতি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রবাসীদের কাছ থেকে বৈদেশিক আয় (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলस्वরূপ ব্যাংকগুলোতে ডলার উদ্বৃত্তের অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং দেশের মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আজ (সোমবার) ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে মোট ১৪ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে।

    মুল্য নির্ধারণে একাধিক দামে বিক্রির (এমপিএ) পদ্ধতিতে চলে এই ডলারের ক্রয়, যেখানে ডলারের বিনিময় হার ছিল প্রায় ১২২ টাকা ২৯ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মোট ২ হাজার ৮০৪ মিলিয়ন ডলার বা আনুমানিক ২.৮ বিলিয়ন ডলার ডলার কেনা হয়েছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, ডিসেম্বর মাসের প্রথম দশ দিনে দেশের প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ১২৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি। গত বছরের এই সময়ে প্রবাসী আয় ছিল ১০৯ কোটি ১০ লাখ ডলার।

    অর্থাৎ, জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সময়ে প্রবাসী আয় মোট ১ হাজার ৪৩৩ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৭ শতাংশ বেশি। ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিসহ ব্যাংকিং খাতের উন্নতিতে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও স্বস্তির অবস্থানে আছে।

    উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে থেকে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যার অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা।

  • প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্যে হাদির বিচারবিষয়ক নীরবতা মহলের হতাশা

    প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্যে হাদির বিচারবিষয়ক নীরবতা মহলের হতাশা

    শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজায় প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে বিচারবিষয়ক স্পষ্ট কোনো ঘোষণা না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। রোববার (২১ ডিসেম্বর) মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওসমান বিন হাদির শাহাদাতের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    পরওয়ার বলেন, গত জুলাই মাসে সংঘটিত হাদির হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ‘প্যাকেজ প্রোগ্রাম’। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এমন পরিকল্পিত হামলা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। তিনি সরকারকে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান।

    এছাড়াও, তিনি সন্ত্রাসী হামলার পর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ছয় ঘণ্টা সীমান্ত সীলগালা রাখার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেন। বলেন, গুলির ঘটনার পরে এত দীর্ঘ সময় কেন সীমান্ত বন্ধ রাখা হলো? কি কারণে গোয়েন্দা মহলে লুকিয়ে থাকা উগ্রপন্থী ও আধিপত্যবাদীরা খুনিকে পালানোর সুযোগ দিয়েছে, এ নিয়েও ভাবনা চিন্তার দরকার রয়েছে।

    তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, আগামী নির্বাচনে ‘রিফাইন আওয়ামী লীগ’ নামে কোনো ফ্যাসিস্ট সংগঠনকে পুনর্বাসন করতে দেওয়া হবে না।

    শহীদ ওসমানের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে পরওয়ার বলেন, জীবিত ওসমানের চেয়ে শহিদ ওসমানের পরিবারকে সম্মান অনেক বেশি। এ কথা বলেও তিনি মনে করিয়ে দেন, শহিদদের মর্যাদা বঞ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই।

  • হাদির স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না ওমর বিন হাদি

    হাদির স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না ওমর বিন হাদি

    শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে ভালোবেসে থাকলে, তার হত্যার বিচারের দাবি করলে, শাহবাগকে ফ্যাসিবাদমুক্ত ও ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করতে চাইলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার বড় ভাই ওমর বিন হাদি। তিনি বলেন, আমি কখনো শহীদের ভাই হতে চাইনি, আমি চাইতাম রাজপথে বিপ্লবী ওসমান বিন হাদির পাশে থেকে এই দেশকে স্বৈরাচার ও আধিপত্যবাদ মুক্ত করে ইনসাফের দেশ গড়তে। যতদিন পর্যন্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গঠন হয় না, আমি আন্দোলন থেকে সরে যাব না।최근 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে ইয়াদে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির শাহাদত উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, মহাস্থান, অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ নানা পর্যায়ের নেতারা। দোয়া ও স্মৃতিচারণের সময় তার বড় ভাই ওমর বিন হাদি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, আমি ওসমানের ভাই হিসেবে এখানে আসিনি, আমি ছিলেন তার সহযোদ্ধা। যখন হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন, আমি তার পাশে ছিলাম। ওসমান ডান পাশে বসে থাকাকালীন সময়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সে আহত হয়। আমার এই ক্ষুদ্র ভাইয়ের জন্য আমরা রাজপথে নামিনি, তবে হাদির অসাধারণ সাহস ও মূল্যবোধ আমাদের অনুপ্রেরণা। ওসমান যখন জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন, তখন তাঁর সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবুও তিনি বলতেন, আমার আল্লাহই আমাকে রক্ষা করবেন, আমি নিজের জীবন বিপদে ফেললেও দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব। তিনি বলতেন, ‘আমি যদি রবের ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যাই, আপনারা আমার পরিবারকে দেখবেন। আমি সেটাই চেয়েছি।’ ওমর বিন হাদি আরও বলেন, আমি কখনো শহীদ ভাই হতে চাইনি, আমি চাইতাম বিপ্লবের পাশে থেকে এই দেশের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। তিনি বলেন, আজ আমার ভাই চলে গেছেন। ওসমান জোহর নামাজ পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে ইন্তেকাল করেন। আমাদের পরিবার ও ইনকিলাব মঞ্চের ভাই-ব্রাদাররা এই দুঃখের সময়ে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছেন, এখনও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। আমরা স্বীকার করি, এই সংগ্রাম এবং শহীদ ওসমানের আন্দোলন আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি বলেন, আমরাও ওসমানের স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নিজের সবকিছু ছাড়িয়ে যাব। আমরা কোনো পারিবারিক আর্থিক অনুদান চাই না, শুধু চাই আন্দোলন অব্যাহত থাকুক। ওসমান হাদির শাবাগে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওমর বিন হাদি বলেন, ওসমান শাহবাগে দাঁড়িয়ে বলতেন, এই শাহবাগ থেকে ফ্যাসিবাদ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে, এই স্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে এই দেশের স্বাধিকার ও গণতন্ত্র সফল হয়। তিনি মহান দোয়া ও প্রার্থনা করেন যে, হাদির স্ত্রীর, সন্তান ও পরিবারের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আরও উল্লেখ করেন, ওসমানের ছোট বোন সম্পূর্ণভাবে অসহায় হয়ে পড়েছে, মানসিকভাবে দুর্বল। দেশপ্রেমে উদ্বুব্ব হওয়া এই পরিবারের সদস্যদের জন্য সবাই দোয়া কামনা করেন। শেষত, তিনি বলেন, এই সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সকল অংশকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যেন এ দেশের যুবসমাজ সত্যিকার দেশপ্রেমে উদ্বেলিত হয়।