Author: bangladiganta

  • সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রদান করা হলো রাষ্ট্রীয় সম্মাননা

    সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রদান করা হলো রাষ্ট্রীয় সম্মাননা

    বাংলাদেশের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হলো। গত রোববার সন্ধ্যায় এটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় জাতীয় নাট্যশালার মিলনায়তনে এই মহানগরীতারা সম্মাননা প্রদান করেন। বাংলাদেশে সংগীতের জগতে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

    সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সাবিনা ইয়াসমিনের হাতে উত্তরীয় পরিয়ে ও ক্রেস্ট দিয়ে তাকে সংবর্ধনা দেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘আজকে যাকে আমরা সম্মাননা দিচ্ছি, তিনি আমাদের গর্বের একজন কিংবদন্তি, সত্যিকার অর্থে আমাদের গৌরব।’এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    সাবিনা ইয়াসমিনের সংগীত জীবনের দীর্ঘ ছয় দশকের পথচলা। যদিও কিছু অসুস্থতার কারণে তিনি দীর্ঘ সময় কিছুটা গান থেকে দূরে ছিলেন, তবে রোববারের এই বিশেষ আয়োজনে তিনি যেন তার পুরোনো চেহারায় ফিরে আসেন। এই সন্ধ্যাটি ছিল তার একক সংগীতানুষ্ঠান, যেখানে তার ভক্তরা গভীর আগ্রহে তার গান উপভোগ করেন ও স্মৃতিচারণায় মেতে ওঠেন।

    অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে প্রদর্শিত হয় সাবিনা ইয়াসমিনের জীবনীচিত্র ঐ ডকুমেন্টারি ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, যা তার জীবন ও সংগীতের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের জন্য এক অপূর্ব সন্ধ্যা হয়ে উঠে।

  • মাদককাণ্ডে এক বছর পর মুখ খুললেন সাফা কবির

    মাদককাণ্ডে এক বছর পর মুখ খুললেন সাফা কবির

    মাদকর অভিযোগে গত বছর ১৭ অক্টোবর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র অরিন্দম রায় দীপকে গ্রেফতারের পর থেকেই আলোচিত হয় এই কাণ্ড। তার জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে দেশের জনপ্রিয় কিছু অভিনেত্রী—সাফা কবির, তিশা, টয়া এবং সুনিধির নাম। মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে তৎকালীন সময়ে ব্যাপক তদন্ত শুরু করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (নারকোটিক্স)। এ মামলায় তানজিন তিশা, টয়া এবং অন্যান্যরা নিজেদেরকে সরাসরি জড়িত উল্লেখ করে সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেন। প্রায় এক বছর পরে, ছোটপর্দার অভিনেত্রী সাফা কবির এই মামলার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বললেন, “ঘটনার খবর প্রকাশের পর আমি খুবই হতবম্ব ও বিপর্যস্ত ছিলাম। রোববার একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি করবার কথা ছিল, কিন্তু এই খবরের কারণে তারা সেটি বাতিল করেছে। আমি বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম যে আমি এই ঘটনায় কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই, কিন্তু কিভাবে প্রমাণ করব?” সাফা যোগ করে বলেন, “প্রমাণ করার কিছু আমার কাছে নেই, বরং বোঝানো ছাড়া উপায় ছিল না। আমার সিনিয়র অভিনেত্রীসহ শোবিজের অনেক বন্ধু আমার সঙ্গে কাজ বাতিল করেন। এই পরিস্থিতিতে আমি মানসিকভাবে খুবই চাপের মধ্যে ছিলাম। তবে এ সময়ে কিছু ভালো বন্ধু পাশে দাঁড়িয়েছিল। তৌসিফ মাহবুব বলেছিল, আমি সাফার সঙ্গে কাজ করব। জোভান ও সিয়ামও আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ এই বন্ধুদের জন্য, যারা এই কঠিন সময়ে আমাকে সমর্থন দিয়েছেন।” এর আগে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অরিন্দম রায় দীপের মোবাইলের কললিস্ট ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট পরীক্ষা করে দেখা যায়, এতে কিছু জনপ্রিয় অভিনেত্রীর মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে তাদের কিছু অর্ডার ও যোগাযোগের হোয়াটসঅ্যাপ রেকর্ড থেকে বিষয়টি স্পষ্ট হয়। নারকোটিক্সের সহকারী পরিচালক রাহুল সেন বলেন, “দীপকে গ্রেফতারের পর আমরা অনেকের প্রতিটি খুঁজে পেয়েছি, যার মধ্যে সাফা কবির, টয়া, তিশা ও সুনিধির নাম উল্লেখ্য। তাদের মোবাইলের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবগুলো নম্বরই তাদের নামের সঙ্গে সংযুক্ত। তবে তিশার নম্বরের রেজিস্ট্রেশন তার মায়ের নামে। তদন্ত চলমান থাকায়, পরে বিস্তারিত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এই ঘটনায় আরও জানা গেছে, নারকোটিক্সের অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, দীপের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাফা, টয়া, তিশা ও সুনিধি নামের নম্বর থেকে নিয়মিত মাদকের অর্ডার দেয়া হতো। এই নম্বরগুলো যাচাইকার্যক্রমে দেখা গেছে, সেগুলো সরাসরি সাফা কবির ও টয়ার নামে রেজিস্টার হয়েছে। অন্যদিকে, তিশার নম্বরটি তার মায়ের নামে নিবন্ধিত। এই তথ্যগুলো কিছু विवाद এবং তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে, যেখানে অঘটনের গভীরতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

  • বিশ্বের ১২ শতাধিক শিল্পী-নির্মাতা ইসরায়েলবিরোধী বর্জনের ডাক দিলেন

    বিশ্বের ১২ শতাধিক শিল্পী-নির্মাতা ইসরায়েলবিরোধী বর্জনের ডাক দিলেন

    বিশ্বজুড়ে শিল্পীরা এখন আরও কঠোর موقف নিলেন ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা ও গণহত্যার প্রতিবাদে। ‘ফিল্ম ওয়ার্কার্স ফর প্যালেস্টাইন’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে, প্রায় ১২ শতাধিক অভিনয়শিল্পী, নির্মাতা এবং কলাকুশলী ইসরায়েলি কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা সাংস্কৃতিক উৎসবের সঙ্গে আর কাজ করবেন না, এমন ঘোষণা দিয়েছেন।

    সোমবার এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে তারা জানিয়েছেন, এখন থেকে তারা ইসরায়েলে নির্মিত বা প্রযোজিত কোনও চলচ্চিত্রে অংশ নেবেন না। এমনকি, দেশটির কোনও চলচ্চিত্র উৎসবেরও অংশগ্রহণ করবেন না।

    এই তালিকায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান অনেক ব্যক্তিত্ব। অস্কার, বাফটা, এমি, ও পাম দ’অর পুরস্কার জয়ী পরিচালকদের মধ্যে রয়েছেন ইয়র্গোস ল্যান্থিমোস, আভা ডুভার্নে, অ্যাডাম ম্যাককে, বুটস রিলে, এমা সেলিগম্যান, যশুয়া ওপেনহাইমার, মাইক লেইসহ বেশ কয়েকজন।

    অভিনেতাদের মধ্যে আছেন এমা স্টোন, অলিভিয়া কোলম্যান, আয়ো এডিবেরি, লিলি গ্ল্যাডস্টোন, মার্ক রাফেলো, রিজ আহমেদ, সিনথিয়া নিক্সন, টিল্ডা সুইনটন, জেভিয়ের বারডেম, জো অয়েলউইন, জশ ও’কনরসহ আরও অনেকে।

    বিবৃতিতে তারা বলেন, ইসরায়েলি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা পরিবেশকরা কখনোই ফিলিস্তিনের মানুষের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়নি। বরং, বেশিরভাগই নৃশংসতার পক্ষে নীরব থেকে সহায়তা করে যাচ্ছে। তাই, তারা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো পেশাগত সম্পর্ক রাখবেন না।

    ফলে, জেরুজালেম ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, হাইফা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ডোকাভিভ, তেলআবিব ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং টিএলভি ফেস্টের মতো বড় উৎসবগুলোতেও এই শিল্পীরা তাঁদের কাজ ও উপস্থিতি এড়াবেন।

    এই সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা কারণ ব্যাখ্যা করে ইহুদি বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেত্রী হান্না আইনবাইন্ডার বলেন, “দুই বছর ধরে গাজায় যা ঘটছে, তা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে খুবই গভীরভাবে নাড়া দেয়। একজন ইহুদি আমেরিকান হিসেবে আমি মনে করি, এই গণহত্যা বন্ধ করার জন্য আমাদের সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। যখন রাজনীতিবিদরা ব্যর্থ, তখন শিল্পীরাই এগিয়ে এসে অবস্থান নিতে হবে।”

    সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী সরকারগুলো যখন এই সহিংসতায় নীরব সমর্থন দেখাচ্ছে, তখন শিল্পীরা নিরপেক্ষ থাকতে পারেন না। মানুষের মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

  • চলন্ত ট্রেনে লাফ দিয়ে গুরুতর আঘাত পেলেন অভিনেত্রী কারিশমা

    চলন্ত ট্রেনে লাফ দিয়ে গুরুতর আঘাত পেলেন অভিনেত্রী কারিশমা

    শিল্পী এবং জনপ্রিয় ছোটপর্দার অভিনেত্রী করিশমা শর্মা সম্প্রতি এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন। শুটিংয়ে যাওয়ার পথে তিনি চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এই দুর্ঘটনার বিষয়ে তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বিস্তারিত জানিয়েছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

    অভিনেত্রী লিখেছেন, “গতকাল (বুধবার) চার্চগেটের উদ্দেশ্যে শুটিংয়ে যাওয়ার সময় আমি শাড়ি পরে ট্রেনে উঠেছিলাম। ট্রেনে ওঠার সময়ই পড়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু তখন লক্ষ্য করলাম যে আমার বন্ধুরা ট্রেনে উঠতে পারেনি। ট্রেনটি তখন গতিান্বিত হচ্ছিল। মানসিকভাবে আতঙ্কে আমি ভাবলাম ঝুঁকি নিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিই। দুর্ভাগ্যবশত আমি উল্টো হয়ে পড়ি, যার ফলে আমার মাথায় তীব্র আঘাত লাগে।”

    তিনি আরও জানান, ট্রেন থেকে লাফ দেওয়ার কারণে পিঠে আঘাত লেগেছে এবং মাথার অংশ ফুলে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি এমআরআই করাতে বাধ্য হন এবং একদিনের জন্য তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়, যাতে মাথার চোটের severity নির্ণয় করা যায়।

    অভিনেত্রী তাঁর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করে বলেছেন, “আমি এখন খুব যন্ত্রণায় আছি, তবে সাহস হারাচ্ছি না। আপনার সকলে আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।”

    করিশমা বিভিন্ন জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘রাগিনী এমএমএস’, ‘উজরা চমন’, ‘হাম’ এবং ‘প্যায়ার কা পঞ্চনামা’। তার এই পরিস্থিতির খবর পেয়ে তার ভক্তরা বেশ উদ্বিগ্ন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে।

  • ফরিদা পারভীরের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক, স্বামী জানালেন

    ফরিদা পারভীরের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক, স্বামী জানালেন

    একুশে পদকপ্রাপ্ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন বর্তমানে জীবনের সন্ধিক্ষণে। তার শারীরিক অবস্থা দিনদিন খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার স্বামী, গায়ক ও বংশীবাদক গাজী আবদুল হাকিম। তিনি বললেন, ‘ফরিদা পারভীরের অবস্থা খুবই গুরুতর। তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন এবং এখনকার পরিস্থিতিতে কিছু বলার মতো অবস্থা নেই। সবাই দোয়া করুন, যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হন।’

    এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর একটি ফেসবুক পোস্টে জানানো হয় যে, ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থা বেশই অবনতি হয়েছে। সেখানে প্রকাশ করা হয় যে, গত বুধবার বিকালে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে তার স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস স্তব্ধ হয়ে যায় এবং তার রক্তচাপ নিঃশেষে।

    ঢাকাই এই সংগীতশিল্পীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডাক্তারের পরামর্শে কৃত্রিমভাবে তার রক্তচাপ ফিরিয়ে আনার জন্য সর্বোচ্চ স্তরের ওষুধ দিয়ে চিকিত্সা চলছে। পাশাপাশি মেশিনের সাহায্যে তার ফুসফুস কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। তবে দুঃখের বিষয়, এই পরিস্থিতিতে তার শারীরিক উন্নতির কোনো আশা বা আশ্বাস এখনো তৈরি হয়নি। এই বিলম্বে তাঁকে আরো কিছু সময় ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ফরিদা পারভীন দীর্ঘ বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছেন। গত ৫ জুলাই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুদিন চিকিৎসা চলার পর ২২ জুলাই বাসায় ফিরে আসেন তিনি। এরপর, ২ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে প্রাথমিক অবস্থায় রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। থাকছেন সেখানে আইসিইউতে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

    ফরিদা পারভীন ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতার থেকে স্বরবর্ণ শুরু করেন। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে। তিনি লালন সংগীতের প্রশিক্ষণও নিয়েছেন সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে। সংঙ্গীতাঙ্গনে তার বিশেষ অবদান স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৮৭ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। এর পাশাপাশি অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। ২০০৮ সালে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে ‘ফুকুওয়াকা এশিয়ান কালচার’ পুরস্কারও তিনি গ্রহণ করেন। এছাড়াও, ১৯৯৩ সালে তিনি দেশের সেরা প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

  • বিশাল বিজয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    বিশাল বিজয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    ২০২৫ এশিয়া কাপের টি-টোয়েন্টি মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তান দারুণ প্রচুর আভিজাত্য দেখিয়েছে। হংকংকে ৯৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তারা টুর্নামেন্টের শুভ সূচনা করেছে। আবুধাবিতে প্রথমে ব্যাট করে আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রানের মারকুটে স্কোর তৈরি করে। জবাবে হংকং পুরো ২০ ওভার খেলেও মাত্র ৯৪ রানের বেশি করতে সক্ষম হয়নি। এতে তারা ২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়। চার ব্যাটারের মধ্যে দুজন রানআউটের কারণে খেলার ধারায় বাধা পড়ে। বাবর হায়াত এবং অধিনায়ক ইয়াসিম মোর্তজাই কিছুটা লড়াই করলেও বেশির ভাগ ব্যাটাররা দ্বিশতক ছুঁতে পারেননি। বল হাতে আফগানিস্তানের গুলবাদিন নাইব ৮ রান দিয়ে ২ উইকেট লাভ করেন, ফজলহক ফারুকি ১৬ রানে ২ উইকেট শিকার করেন। এর আগে, আফগান ব্যাটসম্যান সেদিকুল্লাহ অতল প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে খেলেছেন, শেষে ব্যাটিং ঝকমকিয়ে উঠেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। দুজনের ফিফটির ওপর ভর করে আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রানের দুর্দান্ত স্কোর সংগ্রহ করে। আবুধাবিতে টসে জিতে আফগানরা আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে অতলের ব্যাটে উন্নত সূচনা পাওয়া গেলেও এরপর টানা দুই ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে তারা কিছুটা চাপের মধ্যে পড়ে যায়। প্রথম ওভারে মেইডেন দেন হংকং পেসার। এরপর তৃতীয় ওভারে আয়ুশ শুক্লার প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তারপরই রহমানুল্লাহ গুরবাজ (৫ বলে ৮) আউট হন। পরের ওভারে আতিক ইকবাল উইকেট কিপার ক্যাচ নিয়ে ফিরে যান। এই ওভারেও মেইডেন যান হংকং। প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ৪১ রান করে ২ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। পরে, তৃতীয় উইকেটে অতল ও মোহাম্মদ নবি ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১০ ওভারে ৭৭ রান নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আফগানিস্তান বেশ কিছু সময় ধরে স্থির থাকলেও ১১তম ওভারে গুলবাদিন নাইব ২৬ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন। দ্বিতীয় ওভারে কিনচিত শাহ ২৬ বলে ৩৩ রান করে নিয়েছেন। অতল ৪১ বলে ফিফটি পূরণ করেন এবং অপরাজিত থাকেন ৫৩ বলে ৭৩ রানে, যেখানে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ইনিংস সাজিয়েছেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাই এক জায়গায় এসে ঝড় তুলেন এবং ২০ বলে ৫৩ রান করেন। এই দুর্দান্ত ইনিংসের মধ্যে চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা ছিল। তার পর, তিনি ৫২ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন। হংকংয়ের কিনচিত শাহ ও আয়ুশ শুক্লা দুইজন করে উইকেট নেন।

  • বিশ্বকাপে সকল ম্যাচই নারী অফিসিয়াল, একা বাংলাদেশি জেসি উপস্থিত

    বিশ্বকাপে সকল ম্যাচই নারী অফিসিয়াল, একা বাংলাদেশি জেসি উপস্থিত

    ক্রিকেটে নারীর ক্ষমতায়নে এক ঐতিহাসিক দৃষ্টি আকর্ষণীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আইসিসি। নারী ক্রিকেটের জন্য এই প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নারী ম্যাচ অফিসিয়ালসদের একটি দল দায়িত্ব পালন করবে আন্তর্জাতিক আসরে। এর ফলে এই ঘটনাকে ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। চলমান নারী বিশ্বকাপে ম্যাচ অফিসিয়ালসদের তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে, সামনের বিশ্বকাপে নারীদের এই ভূমিকা আরও শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে জানানো হয়েছে।

    বিশ্বকাপের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ১৪ জন আম্পায়ারের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো প্রতিনিধিত্ব করছেন সাথিরা জাকির জেসি। এ ছাড়া, ক্লেয়ার পোলসাক, জ্যাকুলিন উইলিয়ামস এবং সু রেডফার্ন এই ত্রয়ীর তৃতীয়বারের মতো দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, লরেন এগেনব্যাগ ও কিম কটন তাদের দ্বিতীয় নারী বিশ্বকাপে আম্পায়ার হিসেবে কাজ করবেন। এই দুই নারী আম্পায়ার ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম শিরোপা জয়ের সময় দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    ম্যাচ রেফারি দলের মধ্যে রয়েছে ট্রুডি অ্যান্ডারসন, শান্দ্রে ফ্রিটজ, জি.এস. লক্ষ্মী ও মিশেল পেরেইরা। তারা ভারতের শীর্ষস্থানীয় নারী ক্রিকেটের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন।

    আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ এই ঐতিহাসিক ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, নারীদের জন্য এই পূর্ণাঙ্গ অফিসিয়াল প্যানেল একটি নতুন দিগন্তের সূচনা। এটি লিঙ্গ সমতা অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যতে নারী ক্রিকেটের উন্নয়নে সাহস জোগাবে। তিনি বলেন, ‘এটি একটি মাইলফলকের মুহূর্ত, যা ক্রিকেটের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই আরও অনেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। নারী ম্যাচ অফিসিয়ালসদের অন্তর্ভুক্তি আইসিসির লিঙ্গ সমতা ও সমান সুযোগের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।’

    প্রতিবেদনে জানা গেছে, এই তালিকায় রয়েছে নারায়ণ জননী, নিমালি পেরেরা, গায়ত্রী ভেনুগোপালান ও নারায়ণ জননীসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রখ্যাত মহিলা আম্পায়ার। বাংলাদেশ থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে আছেন সাথিরা জাকির জেসি, যিনি এই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রিকেট বিশ্বে নারীর অবস্থান আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশ

    ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশ

    হংকংয়ের বিপক্ষে একমাত্র প্রতিপক্ষের সাথে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দল বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেছে। এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের সংগ্রামরত শত্রু হংকংয়ের বিরুদ্ধে মাঠে শক্তিশালী উপস্থিতি দেখিয়েছে। আবুধাবির আবু জায়েদ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে হংকংয়ের দেয়া ১৪৪ রানের লক্ষ্য সহজেই অর্জন করে টাইগাররা।

    ম্যাচের শুরুতেই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন উড়ন্ত ইনিংস শুরু করেছিলেন। তবে কিছুক্ষণ পরই তিনি ১৪ বলে ১৯ রান করে আয়ুশ শুকলার বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর তানজিদ তামিমের সাথে লিটন দাস দলের পরিস্থিতি সামাল দেন। তামিমের বিদায়ের পরে তানজিদ ১৪ রান করার পরে ফিরে যান, তবে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় দলের জন্য পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে থাকেন।

    দলের ৫০ রানের জুটি গড়ে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন অধিনায়ক লিটন দাস, যার জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৪ রান। হৃদয় দলের জয় নিশ্চিত করতে সহায়তা করেন এবং অবসান ঘটান ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ টস জিতে আগে বল করতে চয়ন করে, যেখানে হংকংয়ের দল নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান তোলে। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন নিজাকাত খান, ৪২ রান। বাংলাদেশের জন্য সেরা বোলার ছিলেন তানজিম সাকিব, যিনি ২ উইকেট নেন।

    তাসকিন আহমেদ তার প্রথম ওভারেই প্রতিপক্ষে ব্যাটসম্যান অংশুমান রাথকে ক্যাচ ধরিয়ে ফেরান। এরপর তিনি আরও দু’টি উইকেট লাভ করেন, যার মধ্যে বাবর হায়াত ও জিসান আলীর গুরুত্বপূর্ণ উইকেট রয়েছে। তানজিম সাকিব আরও দুটি উইকেট নেন, একেবারে শেষ ওভারে আইজাজ খানকে আউট করেন।

    পরবর্তী ম্যাচে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার সাথে মুখোমুখি হবে, যা আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। এই জয় দিয়ে বাংলাদেশি দল এশিয়া কাপের শুভ সূচনা করেছে, সতেজ আত্মবিশ্বাসের সাথে পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত হচ্ছে।

  • বাংলাদেশের সামনে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর সুযোগ, সুপার ফোরে যেতে পারবে কি?

    বাংলাদেশের সামনে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর সুযোগ, সুপার ফোরে যেতে পারবে কি?

    সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটে এশিয়ার এক রাইভালরি হিসেবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার লড়াই আরও উত্তেজনাময় হয়ে উঠেছে। এশিয়া কাপে একই গ্রুপে থাকায় এই দুটি দলের মধ্যে ম্যাচের প্রত্যাশা করছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। হংকংয়ের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করে টাইগাররা এখন পরের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান ও ক্রিকেট বিশ্লেষক ওয়াসিম জাফর মনে করেন, শ্রীলঙ্কাকে হারাতে পারলেই বাংলাদেশ সুপার ফোরের পথে এগিয়ে যাবে।

    অতীতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচগুলি ছিল উত্তেজনাময় পরিস্থিতি তৈরি করে। বিশেষত ২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফির পর থেকে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালে আচমকাই হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, যখন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের টাইমড আউটের ঘটনা ঘি ঢেলে দেয়। এশিয়া কাপের সুপার ফোরে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার জয় খুবই জরুরি।

    বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে সহজেই হংকংকে হারিয়েছে। পরবর্তীতে তাদের মুখোমুখি হবে আফগানিস্তানের সঙ্গে। এর অর্থ, শ্রীলংকার বিপক্ষে জয়টি দলের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ইতিমধ্যেই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের জন্য একটু দেরিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসেছে, এর আগে জিম্বাবুয়েতে সিরিজও খেলেছে তারা।

    শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে ১৩ সেপ্টেম্বর, যেখানে প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। অন্যদিকে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশকে এক ধরণের সুবিধা দিচ্ছে বলে মনে করেন ওয়াসিম জাফর। তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, এই সূচি বাংলাদেশকে অনেকখানি সুবিধা দিয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই এক জয় পেয়েছে এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারেও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তাই এই ম্যাচটি শ্রীলঙ্কার চেয়ে বাংলাদেশের জন্য অনেক সহজ।’

    তবে, কন্ডিশনের সুবিধা হলেও তরুণ লিটন দাসদের জন্য যেখানে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অপার পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যানও গুরুত্বপূর্ণ। তবুও জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর সেই চেহারা খানিকটা বদলে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ সুপার ফোরে যেতে পারে যদি তারা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো করার সুযোগ নিতে পারে।

    উল্লেখ্য, ওয়াসিম জাফর মনে করেন, ‘বাংলাদেশকে কখনই আপনি সুপার ফোরের হিসেবের বাইরে রাখতে পারবেন না। তারা ইতিমধ্যে কন্ডিশন জানে, এক ম্যাচ খেলেছে। শ্রীলঙ্কা প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে। যদি বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে এই ম্যাচে হারিয়ে দেয়, তাহলে তারা স্বয়ং সুপার ফোরের প্রবেশের পথ খুলে যাবে।’

  • পাকিস্তানের দাপুটে বোলিংয়ে ওমানের উড়ন্ত পারফরম্যান্স শেষ

    পাকিস্তানের দাপুটে বোলিংয়ে ওমানের উড়ন্ত পারফরম্যান্স শেষ

    এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান শক্তির ঝাঁঝ দেখিয়েছে। ব্যাটিং আর বোলিংয়ে দারুণ পারফরম্যান্স করে ওমানের প্রতিরোধভঙ্গ করে তারা ৯৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় লাভ করে। সালমান আগার দল শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠে।

    পাকিস্তান প্রথমে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা করে। ওপেনার সাইম আইয়ুব দ্রুত আউট হয়ে গেলে কিছুটা শঙ্কায় পড়ে দল। তবে সাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ হারিসের মধ্যে ৮৫ রানের উল্লেখযোগ্য জুটি গড়ে ওঠে। হারিস ছিলেন আক্রমণাত্মক, ৬৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে দলের অর্ধেক স্কোরে পৌঁছে দেন। ফারহান আরও ২৯ রান যোগ করেন।

    একপর্যায়ে পাকিস্তানের স্কোরে ধস নামে। অর্ধেক দলের মধ্যে ১20 রানে তাদের ছয় উইকেট পড়ে যায়। তবে শেষ মুহূর্তে ফখর জামান ২৩ রানের আর মোহাম্মদ নেহাজের ১০ বলে ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস পাকিস্তানকে ১৬০ রান ডাকে, যেখানে ২০ ওভারে তারা ৭ উইকেটে পৌঁছে।

    অন্য দিকে ওমানের হয়ে শাহ ফয়সাল ও আমির কলিম তিনটি করে উইকেট নেন, তবে পাকিস্তানের ধারাবাহিক বোলিং আক্রমণে তুলে নেন তাদের বিরাট ক্ষতি। ব্যাটসম্যানদের কঠোর দাপটে ওমানের ইনিংস শেষ হয় মাত্র ৬৭ রানে গুটিয়ে। সাইম, মুকিম ও ফাহিম দুটি করে উইকেট নেন, আর শাহীন শাহ আফ্রিদি, আবরার আহমেদ ও নেওয়াজের ঝুলিতে যায় একেকটি উইকেট।

    সর্বশেষ, পাকিস্তানের এই উজ্জ্বল জয় এশিয়া কাপের প্রথম দিনেই দর্শকদের মন মাতিয়ে সর্বত্র প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাদের এই শক্তিশালী পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহ যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।