Author: bangladiganta

  • সালমান খানের বাড়িতে হামলার ঘটনায় দিশা পাটানির বাড়িরও আতঙ্ক

    সালমান খানের বাড়িতে হামলার ঘটনায় দিশা পাটানির বাড়িরও আতঙ্ক

    বলিউডের জনপ্রিয় দুই তারকার বাড়িতে ঘটমান গুলির ঘটনায় ভারতের উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। প্রথমে সালমান খানের ভবনে গুলির ঘটনা ঘটার পরে, এখন তারই অংশ হিসেবে দিশা পাটানির বাড়ির সামনে গুলি চালানো হয়েছে। এই ভয়ংকর ঘটনায় কেউ আহত না হলেও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

    গতকাল ভোর ৩টার দিকে, বরেলীর ওই এলাকায় অজ্ঞাত দুইজন মোটরবাইকে করে এসে প্রায় ১০ থেকে ১২ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। আক্রমণে কোনও ব্যক্তির হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনাটির দায় স্বীকার করেছে গ্যাং কালচার সম্পর্কিত গ্যাংরা—গোল্ডি ব্রার ও লরেন্স বিষ্ণোই। তারা জানিয়েছে, দিশার বাড়িতে গুলি চালানোর মূল কারণ হলো ‘হিন্দু ধর্মকে অপমান করা’।

    তবে এই গ্যাং দাবি করেছে যে, তারা দিশার ওপর নয়, তার বোন খুশবু পাটানিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে। গোল্ডি ব্রার বলেছে, খুশবু পাটানি আধ্যাত্মিক গুরু প্রেমানন্দ মহারাজ ও অনিরুদ্ধ আচার্যকে অপমান করেছেন। তাদের দাবি, এটি সনাতন ধর্মের মহাদেবের অবমাননা এবং এজন্য এই হামলা।

    অভিযোগের ভিত্তিতে দিশার পরিবার দ্রুত পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, বাড়ির নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং বাইরেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

    এদিকে, খুশবু পাটানি সম্প্রতিকালে এক বিতর্কিত সাক্ষাৎকারে আচার্য অনিরুদ্ধের ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে মন্তব্য করেন। এই মন্তব্যে তিনি ‘দেশদ্রোহী’ ও ‘নপুংসক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন অনিরুদ্ধকে। খুশবু বলেন, ‘যারা এই ধরনের ব্যক্তিদের অনুসরণ করেন, তারা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।’

    পুলিশ এই ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। এ ঘটনার পেছনে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের যোগসাজশ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসলে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করছে সংশ্লিষ্টরা।

  • প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

    প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

    প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী ও সংগীতের অক্ষরে অক্ষরে আলোকবর্তিকা ফরিদা পারভীন এক নীরব আর্তনাদে আমাদের মাঝে না-অক্সিজেনের মতো নিঃসৃত হয়ে উঠলেন। আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি প্রাণের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার umur ছিল ৭৩ বছর। তিনি চার সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও ভক্ত-অনুরাগীদের হৃদয়ে আজ গভীর শোকের ছায়া জা centবিশ্বের প্রিয় এই শিল্পীর বিদায়ের খবরে বাংলার সাংস্কৃতিক অঙ্গন গভীর শোকের সুরে সুর তোলে।

    তার ছেলে ইমাম জাফর নোমানী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘আম্মা (ফরিদা পারভীন) আজ রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ঢাকায় ইন্তেকাল করেছেন। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের এই প্রিয় শিল্পীর সমস্ত ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।’

    ফরিদা পারভীন দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকায় তার চিকিৎসা চলছিল নিয়মিত। গত ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ডায়ালাইসিসের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু এর পর থেকে তার শারীরিক পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে, ফলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে আইসিইউতে রাখা হয়।

    বুধবার তার অবস্থা আরও সংকটপূর্ণ হলে লাইফ সাপোর্ট বা ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়। এরপরই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    ফরিদা পারভীন বাংলাদেশের লোকসংগীতের অমুল্য সম্পদ ছিলেন। তার জীবনদর্শন, গানের জগতে অনন্য ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনা তাকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে। তার মৃত্যু বাংলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয়া ক্ষতি, যা সহজে পূরণ হওয়া সম্ভব নয়। তার বিদায়ে পুরো জাতি শোকস্তব্ধ, আরও এক কিংবদন্তির হারানোর দুঃখে আপ্লুত।

  • ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবির নায়িকা বনশ্রী আর নেই

    ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবির নায়িকা বনশ্রী আর নেই

    বিনোদন অঙ্গনে আবারও গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঢাকাই সিনেমার পর্দায় স্বতন্ত্র এক উপস্থিতি, জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাহিনা শিকদার বনশ্রী মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

    পরিবার থেকে জানা যায়, মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার শিবচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা সব রকম চেষ্টা চালিয়েছেন, তবে শেষ পর্যন্ত তার জীবন রক্ষা সম্ভব হয়নি। তিনি স্ত্রী-সন্তানসহ পথচলা শুরু করেছিলেন ১৯৭৪ সালের ২৩ আগস্ট শিবচর উপজেলার শিকদারকান্দি গ্রামে।

    ১৯৯৪ সালে ‘সোহরাব-রুস্তুম’ সিনেমার মাধ্যমে তার সিনেমায় অভিষেক ঘটে। এই ছবিতে তিনি ঢালিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন। শুরুতে ইলিয়াস কাঞ্চনের বিপরীতে কাজ করে দর্শকদের মনে আলাদা স্থান করে নেন বনশ্রী, শেষ পর্যন্ত এই জুটির অনুরাগ ছিল দর্শকের হৃদয়ে গভীর।

    শৈশব ও তরুণ জীবন কাটানোর পর তিনি মূলত কাজ করে গিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায়। ইলিয়াস কাঞ্চনের পাশাপাশি তিনি অভিনয় করেছেন মান্না, আমিন খান, রুবেল, মত অভিনেতাদের সঙ্গেও। নব্বইয়ের দশকে ‘সোহরাব-রুস্তম’, ‘মহা ভূমিকম্প’সহ বেশ কয়েকটি নাটকীয় সিনেমায় তার অভিনয় ছিল গৌরবের।

    জীবনের বিভিন্ন সময় অসংখ্য ওঠাপড়া পার করে তিনি তার কর্মজীবনে একটি শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা করেন। শেষপর্যন্ত তিনি নিজ এলাকায় ফিরে যান মাদারীপুরের শিবচরে, নানা বাঁধা-প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আশ্রয়ণের একটি ঘরে থাকতেন। সেখানে থাকতেন তার ছেলে মেহেদী হাসান রোমিওর সঙ্গে। নিজস্ব জীবনযাত্রায় টিকে থাকার জন্য নানা সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন এই অভিনেত্রী।

  • বলিউড তারকা সোনু সুদের বিরুদ্ধে জুয়া-কাণ্ডের অভিযোগ, ইডির তলব

    বলিউড তারকা সোনু সুদের বিরুদ্ধে জুয়া-কাণ্ডের অভিযোগ, ইডির তলব

    বিশ্বপ্রিয় বলিউড অভিনেতা এবং মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত সোনু সুদ আবারো আলোচনায়। মানুষের পাশে সবসময় দাঁড়ানোর জন্য তিনি প্রশংসা পেয়ে থাকেন, তবে এবার তাঁর বিরুদ্ধে জুয়া সংক্রান্ত একটি মামলায় তদন্ত শুরু হয়েছে। ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তাকে অনলাইন জুয়া অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ডেকেছে।

    প্রতিবেদনে জানা গেছে, তদন্তকারীরা জানতে চাচ্ছেন, এই বিনোদন ও জুয়া অ্যাপের সঙ্গে অভিনেতার কী ধরনের চুক্তি হয়েছিল, কত টাকার বিনিময়ে তিনি এই অ্যাপের প্রচারে যুক্ত হয়েছিলেন এবং এই চুক্তির διάρκ্য কোথাও কত বছর ছিল। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে গোয়েন্দারা এসব তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছেন, যাতে কাগজে-কলমে ঠিকঠাক তদন্ত সম্পন্ন হয়।

    প্রসঙ্গত, গত বছর থেকেই বিভিন্ন বলিউড ও দক্ষিণী সিনেমার তারকা, ও কিছু ক্রিকেটার এই অনলাইন বেটিং অ্যাপের মাধ্যমে জুয়া প্রচার ও লেনদেনের জন্য জড়িত থাকার অভিযোগে জড়িয়ে পড়েছেন। তালিকায় রয়েছে বিজয় দেবেরাকোন্ডা, রানা ডগ্গুবতী, প্রকাশ রাজের পাশাপাশি হরভজন সিং, উর্বশী রাওতেলা, সুরেশ রায়না সহ অন্য বেশ কয়েকজন।

    অভিনেতা সুরেশ রায়না, হরভজন সিং এবং অন্যান্য তারকারা গত জুন মাসে কড়া জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিয়েছেন। তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে হয়, যেখানে এই অনলাইন জুয়া প্ল্যাটফর্মের প্রচার নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। এ সবের মধ্যে এখন সোনু সুদও ডেকে পাঠানো হয়েছে, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁর হাজিরা বাধ্যতামূলক।

    অন্যদিকে, এর আগে ইডির ডাকে সাড়া দিয়ে টলিিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী হাজিরা দিয়েছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলা জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সব কথা দিয়ে সম্পূর্ণ সহায়তা করেছেন এবং এতে সন্তুষ্ট হয়েছেন তদন্তকারীরা। এই পুরো ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য তারকাদের মতো, সোনু সুদও হয়তো এই তদন্তের কেন্দ্রে থাকবেন আশু ফলাফলের জন্য।

  • প্রিয় সংগীতশিল্পী দীপুলির মৃত্যু

    প্রিয় সংগীতশিল্পী দীপুলির মৃত্যু

    র‍াস্টফ ব্যান্ডের প্রখ্যাত ভোকালিস্ট আহরার মাসুদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি গতকাল সোমবার রাতে সাড়ে ১০টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ভক্তরা তাকে সাধারণত দীপ নামেই জানতেন। তার মৃত্যুর কারণ এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি।

    এক শোকবার্তায় ব্যান্ড র‍াস্টফ তাদের দু:খ প্রকাশ করেছে। তারা লিখেছেন, ‘এমন দুঃখজনক মুহূর্তে সঠিক শব্দ খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন। প্রিয় ভোকালিস্ট, বন্ধু ও সহযাত্রী আহরার “দীপ” মাসুদ এর মৃত্যু আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা শোকে ভেঙে পড়েছি, কিছুক্ষণ অবিশ্বাসের মধ্যে আছি। গত রাতেই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।’

    ব্যান্ডটি আরও জানিয়েছে, ‘তার পরিবারের, বন্ধু ও প্রিয়জনের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা ও প্রার্থনা। আমাদের সকলেরই চেষ্টা হলো দীপের অসাধারণ প্রতিভার মর্যাদা দিতে। মানুষের মতো মূল্যবান এই ব্যক্তিকে স্মরণ করতে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’

    সবশেষে তারা সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে, ‘এই কঠিন সময়ে দয়া করে পরিবার ও কাছের ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত পরিসর সম্মান করুন। দীপের আত্মার শান্তি কামনা করে সকলেই প্রার্থনা করুন। শান্তিতে ঘুমান, দীপ। তোমার শূন্যতা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেদনাময় হয়ে থাকছে।’

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ‘ডি রকস্টার’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সংগীতজগতে পরিচিতি লাভ করেন ব্যান্ড ‘এক্লিপস’-এর ভোকালিস্ট দীপ। তাদের জনপ্রিয় গানের মধ্যে ছিল ‘সুদূর কল্পনা’, ‘আহ্বান’, ‘পৃথিবীর প্রহর’ — যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

    তারপরের সময়ে তিনি ‘ক্রাল’, ‘কেলিপসো’ ও ‘র‍াস্টফ’ ব্যান্ডের প্রধান একজন। সর্বশেষ তিনি ‘র‍াস্টফ’ ব্যান্ডের ভোকালিস্ট হিসেবে কাজ করে থাকলেও, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যান্ডগুলো— ‘মেটালিকা’, ‘সিস্টেম অব আ ডাউন’, ‘প্যান্টেরা’, ‘এলিস ইন চেইনস’— এর গানের কভারে রকসংগীতপ্রেমীদের মনে অধীর প্রশংসা অর্জন করেন। তার এই অবদান বাংলা সংগীতাঙ্গনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • নতুন করে কিছুদিনের জন্য স্থগিত এনসিএল টি-টোয়েন্টি

    নতুন করে কিছুদিনের জন্য স্থগিত এনসিএল টি-টোয়েন্টি

    প্রথম আসরের সফলতার পর, এবার এনসিএল টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় আসর নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বেশ উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। বিশেষ করে রাজশাহী ও বগুড়ায় এই টুর্নামেন্টের ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে দর্শকদের জন্য ছিল এক অন্যরকম উত্তেজনা। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে, চরম আবহাওয়ার কারণে সব আনন্দের মুখোশ ভেঙে গেছে। বৃষ্টির কারণে এখন এই আসরটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

    ১৪ সেপ্টেম্বর এটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দ্বিতীয় আসর শুরু হয়। প্রথম দিন রাজশাহীর ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে খুব বেশি ছাড়াই শেষ হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। শেষ পর্যন্ত, পরিস্থিতির কারণে ওইদিন ৫ ওভার করে একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন বগুড়ার ম্যাচটিও আবহাওয়ার কারণে পরিত্যক্ত হয়।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলেছিল, পরবর্তী দুই দিনও বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। তাই বগুড়ার ম্যাচগুলো রাজশাহীতে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নিলেও লাভ হয়নি। বৃষ্টির কারণে রাজশাহী স্টেডিয়ামে স্থানান্তর করা ম্যাচগুলোও বিভিন্ন দিন পরিত্যক্ত হয়। টানা তিন দিনের বৃষ্টির কারণে, মোট ছয়টি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি মাঠে অনুষ্ঠিত হতে পেরেছে; বাকি পাঁচটি বাতিল হয়েছে।

    আবহাওয়ার এই অবস্থা দেখে টুর্নামেন্টের কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হতে পারেনি, কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ফলে, সব আশা-আকাঙ্ক্ষা ভেঙে, অবশেষে এই প্রতিযোগিতা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

  • আইসিসির হ্যান্ডশেক বিতর্কে পাকিস্তানের দাবি খারিজ

    আইসিসির হ্যান্ডশেক বিতর্কে পাকিস্তানের দাবি খারিজ

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হ্যান্ডশেকের জন্য সৃষ্টি হওয়া বিতর্কের মধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বলেছিল, ম্যাচ রেফারি হিসেবে অ্যান্ডি পাইক্রফটকে এশিয়া কাপ থেকে সরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, পাইক্রফট এশিয়া কাপের ম্যাচে ছিল এবং তার কোনও অস্বাভাবিক ভুমিকা ছিল না। ম্যাচ রেফারি হিসেবে থাকবেন তিনি, এমন সিদ্ধান্তই কার্যকর থাকবে। ক্রিকবাজ নামে একটি ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। আইসিসি এখনও পর্যন্ত কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি দেয়নি, তবেছেন তারা পাকিস্তান বোর্ডকে এই সিদ্ধান্তের খবর দিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে, জাতির নেতৃত্বদানকারী জয় শাহর মাধ্যমে।

    গত রোববার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টসের সময় করমর্দন না করাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক শুরু হয়। পিসিবির অভিযোগ ছিল, রেফারি পাইক্রফট পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আঘাকে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে হাত মেলাতে বাধা দেয়। তবে আইসিসি জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে পাইক্রফটের কোনো স্বাধীন ভূমিকা ছিল না। সংস্থাটি বলেছে, এএসসি কর্মকর্তারা আগে থেকেই পাইক্রফটকে এই বিষয়ে জানিয়েছিলেন, তিনি কেবল সেই নির্দেশ পালন করেছিলেন।

    চিঠিতে নিশ্চিত করা হয় যে, পাইক্রফট ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে কাজ করেননি বা কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। ফলে পিসিবির অভিযোগ প্রমাণিত নয় বলে স্পষ্ট করে দেয় আইসিসি। অনুমানিক, পাকিস্তান বোর্ড যদি পাইক্রফটকে সরায় না, তবে তারা বুধবারের পাকিস্তান-সংযুক্ত আরব আমিরাত ম্যাচে অংশ নাও করতে পারে। এই ম্যাচেও তাদের কর্তৃপক্ষ হিসেবে পাইক্রফটকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে আইসিসির এই সিদ্ধান্তের খবর প্রকাশ্যে এলেও, পিসিবি বলছে, তারা এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা বার্তা পায়নি।

    অন্যদিকে, ম্যাচের ৪৮ ঘণ্টা পরে বিসিসিআই থেকে প্রতিক্রিয়া এসেছে। অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি না দিলেও, পিটিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সূর্যকুমার যাদব ও তাদের দলের অন্য ক্রিকেটাররা যা করেছেন, তা একদম সঠিক। তিনি বলেন, ক্রিকেটে সাধারণত ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করা হয়; এটি একটি সম্মান প্রকাশের রীতি। তবে এর কোনও আইন বা বাধ্যবাধকতা নেই। এ ক্ষেত্রে সূর্য ও দলের অন্যরা যা করেছেন, সেটার কোনও Gil আইন মানা হয়নি।

    অতিরিক্তভাবে, তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে যে এখন শত্রুতা প্রকট, সেখানে ভারতীয় ক্রিকেটাররা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলালে সেটাই অস্বাভাবিক। আমাদের ক্রিকেটাররা যে উচিত কাজ করেছেন, সেটিই ঠিক। যদি কোনও নিয়ম না থাকে, তাহলে সূর্যরা মনে করেছিলেন, বাবদ শত্রুতার মধ্যে থাকাকালীন পাকিস্তানিদের সঙ্গে হাত মেলানো সমীচীন নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে, ক্রিকেট খেলাটা সম্মানের মতো মনে হয় না। তারা বলছেন, সূর্য যেভাবে খেলেছেন, তা সঠিক, এবং এখন আর কোনওAdditional শর্মান দেখানোর প্রয়োজন নেই।

  • বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা

    বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা

    আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকায় এসে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। Initially চিন্তা ছিল, এই সিরিজ তিন শহরে আয়োজন করা হবে, তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে যে দুই ফরম্যাটের ম্যাচগুলো মিরপুর ও চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) মঙ্গলবার এই আসন্ন সিরিজের সূচি নিশ্চিত করেছে।

    সিরিজের প্রথম ওয়ানডে হবে ১৮ অক্টোবর মিরপুরের শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরপর ২০ ও ২৩ অক্টোবর যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ গড়াবে একই স্থানে। এই ৫০ ওভারের ম্যাচগুলো দর্শকদের জন্য বড় একটি ট্রেলার হতে চলেছে কারণ এটি হবে দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি মহোর্ষে, কারণ স্পষ্টতই এটি ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির অংশ। এই বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারতে, যেখানে শক্তিভুক্ত হবে ভারত নিজের হয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে।

    তারপর, টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দুই দল চট্টগ্রামে উড়াল দেবে। বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে (পূর্বে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম) অনুষ্ঠিত হবে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ, যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ অক্টোবর এবং ১ নভেম্বর।

    উভয় দলের জন্যই এই সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের জন্য ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের বড় সুযোগ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের শেষবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর হয়েছিল ২০২৪ সালের ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে, যেখানে তারা তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ক্যারিবিয়ান দলকে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশ করেছিল। এই সিরিজের মাধ্যমে বাংলাদেশের টাইগাররা ২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডের পর প্রথমবার কোনও সিরিজে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচই জিতল। তবে, ওই সফরে ওয়ানডে সিরিজে তারা হোয়াইটওয়াশ হয়ে ফিরে এসেছিল। এর আগে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ সমতায় শেষ হয়।

  • পাকিস্তানি কিংবদন্তি সূর্যকুমারকে ‘শূকর’ বললেন

    পাকিস্তানি কিংবদন্তি সূর্যকুমারকে ‘শূকর’ বললেন

    ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের মধ্যে সবসময়ই ছিলো কঠিন টানটান উত্তেজনা, আর এবার সেই উত্তেজনার সূত্র ধরেছে নতুন এক বিতর্কের সৃষ্টি। সম্প্রতি দুবাইয়ে এশিয়া কাপের ক্রিকেট ম্যাচে ভারতের জয় হয় শক্তিশালী পাকিস্তানকে দুয়ারে হঠাৎই উড়িয়ে দিয়ে। এই ম্যাচের নায়ক ছিলেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তবে ম্যাচের পরের ঘটনা যেন এই জয়ের উত্তেজনাকে ছাপিয়ে গেছে, সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আলোচনার ঝড়।

    জয়ের পর কোনও প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলাননি সূর্যকুমার। এমনকি টসের সময়ও পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগার সঙ্গে করমর্দন বা কুশল বিনিময় করেননি তিনি। অনেকের কাছে এটি অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ বলে প্রশংসিত হলেও কিছুজনের সমালোচনায় পড়েছে।

    কিন্তু এই বিতর্কের সবচেয়ে বড় বিস্ফোরক ঘটনা ঘটে পাকিস্তানের প্রখ্যাত সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফের হাত ধরে। এক টিভি আলোচনায় সূর্যকুমারকে নিয়ে আলোচনায় বসে তিনি একাধিকবার তাকে ‘শূকর’ বলে গালি দেন। সঞ্চালক বারবার তাকে থামানোর চেষ্টা করলেও ইউসুফ যেন নিজেই থামতে রাজি নন। তিনি বলেন, ‘ভারত সিনেমার দুনিয়া থেকে বের হতে পারছে না। আম্পায়ার আর ম্যাচ রেফারির মাধ্যমে জেতা হচ্ছে। এটা লজ্জাজনক!’ এরপর তার গালাগাল বন্ধ হয়নি, চলতে থাকে।

    এই মন্তব্য মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। ভারতের ক্রিকেটভক্তরা ইউসুফের এই আচরণে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।

    অবশ্য এই বিতর্কের পরে ইউসুফ এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্ট করে বলেছেন, ‘আমি কাউকে অসম্মান করতে চাইনি। আবেগের বশে কথাগুলো বলে ফেলেছি। তবে ইরফান পাঠান যখন আফ্রিদিকে ‘ঘেউ ঘেউ করা কুকুর’ বলে বলেছিল, তখন তো ভারতীয় মিডিয়া সেটাকে প্রশংসা করেছিল!’

    ইউসুফ যে ঘটনার কথা বলছেন, সেটি ইরফান পাঠানের এক পুরনো সাক্ষাৎকার থেকে নেয়া। সেখানে পাঠান জানান, ২০০৬ সালের পাকিস্তান সফরে আফ্রিদির আচরণে বিরক্ত হয়ে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেছিলেন, ‘আফ্রিদি তো অনেকক্ষণ ধরে ঘেউ ঘেউ করছে, নিশ্চয়ই কুকুরের মাংস খেয়েছে!’ এরপর থেকে আফ্রিদি আর কখনো তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করেননি বলে উল্লেখ করেন।

  • আফগানদের হারিয়ে সুপার ফোরে বাংলাদেশের স্বপ্ন বেঁচে রইল

    আফগানদের হারিয়ে সুপার ফোরে বাংলাদেশের স্বপ্ন বেঁচে রইল

    বাংলাদেশের জন্য বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি ছিল বেশ অনিশ্চিত। শুরুতেই চাপের মধ্যে পড়ে গেলেও, তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরিতে প্রথম ১০ ওভারে ৮৭ রান তুলে, দেশের দর্শকদের আশা জাগিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ব্যাটসম্যানরা.expected প্রস্তুত করা যায়নি, যার ফলস্বরূপ, ১৫৪ রানের বেশি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়নি। বাংলাদেশ দল মাঝারি লক্ষ্য তাড়ায় অনবরত উইকেট হারাতে থাকলে, আফগানিস্তানের দিক থেকে জয়ের আশা দুর είনায় যেড়ে। তবে, নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত স্পিনিং পারফরম্যান্সে আফগানিস্তানকে ১৪৬ রানে আটকে রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। ফলে, বাংলাদেশ ৮ রানে জয় লাভ করে এবং তাদের সুপার ফোরের স্বপ্নটি অক্ষত থাকলো।