Author: bangladiganta

  • কর্মসূচির সময় পরিবর্তন করলো জামায়াত

    কর্মসূচির সময় পরিবর্তন করলো জামায়াত

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্মসূচির সময় পরিবর্তন করে ঘোষণা দিয়েছে যে, আগামী ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বরের তাদের পাঁচ দফা দাবির জন্য নির্ধারিত কর্মসূচি এবার সকালে নয়, বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। এই পরিবর্তনের ঘোষণা তারা তাদের ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিসিএস পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে, যাতে কোনও সমস্যা না হয় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে, জামায়াত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে সংবিধানের ভিত্তিতে সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনার জন্য তারা এই কর্মসূচি ঘোষণা করে। উল্লেখ্য, ওই দিনগুলোর মধ্যে ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা পরীক্ষার পরিবেশের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং অতএব, বিকেলে কর্মসূচি পালন করলে পরীক্ষার কোনও ব্যাঘাত ঘটবে না বলে তারা আশ্বাস দেয়। তাই তারা সারা দেশের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে, যে, ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল বেলা কোনো ধরনের বিক্ষোভ বা কর্মসূচি সামনে আনা যাবে না; কর্মসূচি শুধুমাত্র বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তারা পরীক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

  • ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট: তারেক রহমান

    ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট: তারেক রহমান

    আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এবার শারদীয় দুর্গোৎসবের সময় সর্তকতা ও প্রস্তুতি নিতে হবে যেন কোন অপচেষ্টা যেন কার্যকর না হয়। স্বৈরশাসনের সুবিধাভোগীরা অতীতে এই উৎসবের সময় বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেছে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালিয়েছে। যদিও স্বৈরশাসনের পতন হয়েছে, তাদের ষড়যন্ত্র থেমে যায়নি, যা তাজা উদাহরণ। তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেন, এই সময় আমাদের সবাইকে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যাতে ধর্মীয় ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় থাকে। তিনি বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে সমন্বয় করে সব শ্রেণির জনগণের সহযোগিতায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় আমাদের দৃঢ় অবস্থান রয়েছে এবং অপচেষ্টাগুলো প্রতিহত করার জন্য সবসময় প্রস্তুত।

  • প্রধান উপদেষ্টার নিউইয়র্ক সফরে চার সমমনা রাজনীতিবিদের সঙ্গে ফখরুল ও তাহের

    প্রধান উপদেষ্টার নিউইয়র্ক সফরে চার সমমনা রাজনীতিবিদের সঙ্গে ফখরুল ও তাহের

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য ২১ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্কে রওনা দেবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন চারজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা। তাঁরা হলেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুলাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন, এবং বিএনপি’এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

    বুধবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার নিউইয়র্ক সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই চারজন নেতার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বেন এবং ২২ সেপ্টেম্বর সে শহরে পৌঁছাবেন। ফেরার কথা রয়েছে ২ অক্টোবর।

    ২৬ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধান উপদেষ্টা ভাষণ দেবেন, যার মাধ্যমে তিনি গত এক বছরে দেশে হওয়া বিভিন্ন সংস্কার ও আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার নিজস্ব প্রত্যয় বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    পররাষ্ট্র উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, এ বছরের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির নেতৃত্বে ‘হাই লেভেল কনফারেন্স অন দ্য সিচুয়েশন অব রোহিঙ্গা মুসলিমস এন্ড আদার মাইনোরিটিস ইন মিয়ানমার’ শীর্ষক একটি উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে, যা এই বিষয়ক প্রথমবারের মতো। এই সভায় রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত সমাধানে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তাগিদ রয়েছে। আর তার অংশ হিসেবে, গত মাসে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা সংক্রান্ত অংশীদার সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।

  • ভোটারদের আস্থা নিশ্চিত করাই বিএনপির প্রধান দায়িত্ব: তারেক রহমান

    ভোটারদের আস্থা নিশ্চিত করাই বিএনপির প্রধান দায়িত্ব: তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি জন্য আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো দেশের প্রতিটি ভোটারের আস্থা আরও শক্তিশালী এবং নিশ্চিত করা। এটি আমাদের মূল লক্ষ্য, কারণ গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের বিশ্বাস ও সমর্থন।

    আজকের ও ভবিষ্যতের তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষা সম্পন্ন করে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতেই বিএনপি কাজ করছে। এজন্য দলটি তৃণমূল থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের কাছে দারুণভাবে পৌঁছে দিচ্ছে সংগঠনের শক্তিমত্তা ও গণতান্ত্রিক মূলমন্ত্র। এই ধরনের সমন্বিত প্রচেষ্টা আমাদের লক্ষ্য—to স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনসমর্থন ধরে রাখা।

    বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এসব কথা লিখেছেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে দলের সাত হাজারেরও বেশি সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, এবং অসদাচরণের জন্য কেউ শাস্তি পেয়েছেন, আবার কেউ বহিষ্কৃত হয়েছেন। এই কঠোর পদক্ষেপের মাঝেও সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়নি, তবে বাস্তবতার দিক দিয়ে এগুলো অপরিহার্য ছিল। তিনি বলেন, শৃঙ্খলা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এটি আমাদের শক্তির উৎস। দলের সদস্যদের দায়বদ্ধ করে আমরা আবারো প্রমাণ করলাম বিএনপি সততার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    তারেক রহমান আরও বলেন যে, ক্ষমতাসীনদের কৃত মানদণ্ডের মতোই আমাদেরও উচিত নিজেদের মানদণ্ড স্থাপন করা, যাতে জন আস্থা পুনরুদ্ধার হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে—a যারা রাজনীতিকে শুধুমাত্র ক্ষমতার খেলা হিসেবে দেখে না, বরং একটি সমাজের জন্য গড়ে তোলা মহৎ সংগ্রামের অংশ হিসেবে দেখে।

    রাজনীতির আধুনিক চাহিদা মেটাতে বিএনপি স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে নিজেকে আধুনিক করে চলছে—এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও লিখেছেন, জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ ও যোগাযোগ আরও জোরদার করছি। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, তরুণদের কর্মসংস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন, ডিজিটাল উদ্ভাবনসহ ৩১ দফা কর্মসূচি আমাদের নীতির মূল ভিত্তি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলকই নয়, বরং আরও বেশি নারী, তরুণ ও পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই, যাতে জাতির উন্নয়ন তরান্বিত হয়। আমাদের লক্ষ্য, বিএনপি যেন সেবার, ন্যায়বিচারের এবং দক্ষতার প্রতীক হয়ে উঠে—not বিভাজন বা সুবিধাভোগের প্রতীক।

    তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো আলাদা, তাই আমাদের পদক্ষেপগুলোও হতে হবে নতুন ভাবনা, ভিত্তি করে। তবে আমাদের ইতিহাসকে অস্বীকার না করেই অগ্রসর হতে হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে জনগণের আশার আলো দেখিয়েছিলেন, এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই প্রতিষ্ঠা সংগ্রামকে অটুট রেখে দেশ এখন নতুন যুগের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

    নিজের ঐতিহ্যকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বিএনপি এক শৃঙ্খলাবদ্ধ, ভবিষ্যতনির্ভর ও আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণের পথে কাজ করছে—এটাই তারেক রহমানের প্রত্যয়। তিনি বলেছেন, তরুণরা বাস্তব সুযোগ চায়, তারা ফাঁকা বুলি পছন্দ করে না। জনগণ চায় স্থিতিশীলতা, তারা বিশৃঙ্খলা চাই না। আর বিশ্ব চায় বাংলাদেশ হোক একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সম্মানিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এই প্রত্যাশাগুলো পূরণে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।

    শেষে, সহকর্মী ও নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি আহবান জানিয়েছেন, সবাই একযোগে কাজ করতে, এক সঙ্গে শৃঙ্খলা ও ঐক্য বজায় রাখতে এবং জনগণের সেবা করতে। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন, আপনারা যেমন আমার ওপর আস্থা রাখেন, আমি তেমনি আপনাদের ওপর আস্থা রাখি। এই সাফল্যের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করবো, বাংলাদেশে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং মানুষের প্রত্যাশিত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সক্ষম—ইনশাআল্লাহ।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচনের প্রস্তাব এনসিপির

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচনের প্রস্তাব এনসিপির

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে আমরা দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা করছি। এই আলোচনা দুই ধরনের বিষয়ের উপর কেন্দ্রীভূত। প্রথমটি হলো, যে বিষয়গুলো সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, সেগুলোর জন্য অর্ডিন্যান্স বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব।
    তিনি আরও বলেন, তবে রাষ্ট্রের মূল কাঠামো’যা সংবিধানের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত—সেগুলো ব্যাপক পরিবর্তন এনে থাকলে সেগুলো শুধুমাত্র সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে কার্যকর করা সম্ভব কি না, সেটি আমাদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এই বিষয়গুলোকে সংবিধান সংশোধনের অনুমোদনযোগ্য বিপদসমূহ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
    রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আলোচনায় এসব কথা বলেন আখতার হোসেন। এ সময় কমিশনের সভাপতি ও মাননীয় সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন।
    এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশে ইতোমধ্যে হাইকোর্টে সংবিধান সংশোধনের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ও তার বাতিলের ঘটনা ঘটেছে। তাই, আমরা নতুন সংবিধান ও সংশোধনীকে টেকসই ও কার্যকর করতে চাই— এ জন্য আমাদের প্রয়োজন স্পষ্ট পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক ঐক্য।
    আখতার হোসেন মনে করেন, যদি গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংবিধান ও নতুন ধারা ও উপধারা প্রণয়ন করা হয়, তবে সেগুলো দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকরী হবে। এতে টেকসই পরিবর্তন সম্ভব হবে।
    এ জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রণয়ন জরুরি, যাতে সবাই এককথায় সমর্থন জানাতে পারেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবে।
    এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, এ জন্য তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে আবেদন রেখেছেন— যে, কমিশনের মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হোক, যাতে কার্যক্রম সময়মতো সম্পন্ন হয় এবং কোন বিরতি না আসে। এতে করে প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

  • প্রকল্প পরিচালক হওয়া নিয়ে কর্মকর্তাদের আগ্রহ কমে গেছে

    প্রকল্প পরিচালক হওয়া নিয়ে কর্মকর্তাদের আগ্রহ কমে গেছে

    প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার জন্য সরকার ব্যাপক পরিবর্তন ও স্বীকার করেছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতি রোধে আমাদের অধিকতর কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যার ফলে এখন অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রকল্প পরিচালক হওয়ার আগ্রহ কমে গেছে। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) সভার পর এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

    পরিকল্পনা উপদেষ্টা আরও বলেন, সব প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া এখন থেকে অনলাইনে পরিচালিত হবে। এরআগে, এই বিষয়টি শিগগিরই গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে যাতে পাশাপাশিসংক্রান্ত আইনের প্রণয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এর ফলে কুচক্রী মহলের কট্টর আধিপত্য ও অবৈধ প্রভাব বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রভাবের ভিত্তিতে নয়, বরং যোগ্য ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল্যায়ন করে কাজ দেওয়া হবে। এছাড়া, যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ঋণ খেলাপি বা কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকে, সেই প্রতিষ্ঠানকে দরপত্রে অংশগ্রহণের জন্য বিবেচনা করা হবে না।

    ওই ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক গৃহীত এসব পদক্ষেপের ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন স্তরে স্বচ্ছতার নতুন যুগ শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মরোধ সম্ভব হয়েছে। ফলে, সরকার এখনপ্রতিষ্ঠান ভিত্তিক প্রকল্প পরিচালনার জন্য আগ্রহ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।

    অন্যদিকে জানা গেছে, এখন থেকে কৃষি জমি বা খাস জমি অধিগ্রহণের পরিবর্তে সরকার অব্যবহৃত বা অপ্রয়োজনীয় জমি খুঁজে চিহ্নিত করবে। এর জন্য মন্ত্রণালয় ও উপদেষ্টাদের দ্বারা তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। তারা দেশের সব সরকারি খাস জমির পরিমাণ ও দখল দখলি বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে দ্রুত প্রতিবেদন দেবে।

    সেই সঙ্গে, নতুন সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত আইন সংশ্লিষ্ট পরিবেশের সঙ্গে মানানসই করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা দেশের বাইরে চলে যাওয়ায় এ ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকেনি। এই আইনের মাধ্যমে দেশীয় প্রকল্প ও ব্যবসায়ীদের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে।

    আরো জানানো হয়, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে ধীরগতি কেন হওয়া, তা পরবর্তীতে আলোচনা করে সমাধান করা হবে। তাছাড়া, এলডিসি দেশে উত্তরণের পর সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তির হয়রানি কমে যাবে। সরকার আগামী সপ্তাহে এসব বিষয়ে আলোচনা করতে একটি বৈঠক করবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে, সম্ভবিত খাতে দ্রুত ও সহজ শর্তে ঋণ নিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পন্ন করা, যাতে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকে।

  • নরসিংদীতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২৫

    নরসিংদীতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২৫

    নরসিংদীর দুর্গম চরাঞ্চল আলোকবালিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে এই সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ইদন মিয়া নামে একজন নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    এ সময় কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও অন্যান্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আলোকবালির সংরক্ষিত এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর এলাকায় ব্যাপক অশান্তির সৃষ্টি হয়। তখন আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী এলাকাটি ত্যাগ করেন।

    এর এক বছর পর, বৃহস্পতিবার সকালে পুনরায় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা গ্রামে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিএনপি সমর্থকদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষের সময় অতর্কিত গুলিবর্ষণ শুরু হয়, যার ফলে একটি প্রাণ হারান। হতাহতদের দ্রুত উদ্ধার করে সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

    নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পৌঁছেছেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য তৎপরতা চলছে। বিকেলে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা আশ্বাস দিয়েছেন।

  • নাহিদের জবানবন্দিতে জানা গেল নতুন সরকার গঠনের প্রস্ততি ও আলোচনা

    নাহিদের জবানবন্দিতে জানা গেল নতুন সরকার গঠনের প্রস্ততি ও আলোচনা

    গত বছরের ৪ আগস্ট নতুন সরকার গঠনের জন্য מראש প্রস্তুতির পরিকল্পনা চলছিল, এমনটাই জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি জানান, সেই সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা করা হয় এবং তাকে নতুন সরকারের প্রধানের দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তাবও দেওয়া হয়। বিএনসিপি-এর এই নেতার জবানবন্দি বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার পরিচালিত দুই সদস্যের বিচারপ্যানেলের কাছে প্রকাশ করেন।

    জবানবন্দির এক অংশে তিনি বলেন, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আমরা ২০২২ সালের ৪ আগস্ট শাহবাগে অবস্থান ও বিক্ষোভ করেছিলাম। এর পরের সময়, ৬ আগস্ট মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে, সেদিনই সরকার কারফিউ জারি করে এবং দেশব্যাপী ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালায়। আমি জানতে পারি, এই কর্মসূচি ব্যর্থ করতে সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে, যার মধ্যে মোবাইল ও ইন্টারনেট বন্ধ করার পরিকল্পনাও ছিল। এমনকি আমাদের হত্যা বা গুমের আশঙ্কাও ছিল। এই আশঙ্কা থেকে আমরা ৫ আগস্টের পরিবর্তে ৬ আগস্টের পরিবর্তে ৫ আগস্ট মার্চের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত করি।

    নাহিদ বলেন, এই কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় চালানো হয়। এর পাশাপাশি, নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতিকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে এই দায়িত্ব পালনের প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানান।

    সেই날 ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে শুনানি করেন মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম। গেল ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নাহিদের সাক্ষ্যগ্রহণ চালানো হয়, কিন্তু সম্পূর্ণ না হওয়ায় একে মধ্যবর্তী বিরতিতে রাখে ট্রাইব্যুনাল। আজ অবশিষ্ট সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল অবশেষে, দুপুরের পরে, নাহিদ ইসলামের বাকি সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করবেন। এছাড়া, শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রীয় আইনজীবী মো. আমির হোসেন আগামী দিনের জেরায় অংশ নেবেন।

  • সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বাংলাদেশি এজেন্ট আব্দুল আজিজ ও উৎপল গ্রেপ্তার

    সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বাংলাদেশি এজেন্ট আব্দুল আজিজ ও উৎপল গ্রেপ্তার

    আলোচিত সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের বাংলাদেশ থেকে দুবাই, তারপর যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে অর্থপাচারকারী এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন আরামিট গ্রুপের এজিএম উৎপল পাল এবং দেশের সম্পদ দেখাশোনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল আজিজকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গ্রেপ্তার করেছে।

    ২৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর), তাদেরকে চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাদের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন জানানো হয়, যা আদালত গ্রহণ করেন।

    জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া মো. আবদুল আজিজ ইম্পেরিয়াল ট্রেডিং নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি দুদকের এজাহারভুক্ত আসামি ও আরামিট পিএলসির এজিএম উৎপল পালকে জড়িয়ে আছেন। দুদকের সূত্রে জানানো হয়, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিদেশি সম্পদ অর্জন ও দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন উৎপল পাল। তিনি জাবেদের দেশ থেকে দুবাই ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে অর্থপাচারের গুরুত্বপূর্ণ খুঁটি। এমনকি, দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উৎপল পাল ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন, তার কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে দুটি ল্যাপটপ এবং দুটি মোবাইল। এসব ডিভাইস থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যার ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, আব্দুল আজিজ সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণে নিয়োজিত ছিলেন।

    এদিকে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং তার স্ত্রী রুকমীলা জামানের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জন্য.duদকের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে, যা এখন প্রক্রিয়াধীন। অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ১২৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এখন পর্যন্ত, দুদকের তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনুসন্ধান ও মামলা চলমান।

    বাংলাদেশের আদালত সাইফুজ্জামান ও তার স্ত্রীর নামে যুক্তরাজ্যে ৩৪৩টি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২২৮টি এবং অন্যান্য দেশে ৯টি সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছে। এছাড়া মার্চ মাসে ৩৯টি ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়, যার মধ্যে মোট ৫ কোটি ২৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা জমা রয়েছে।

    অপর দিকে, আদালত সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ১০২ কোটি টাকার শেয়ার এবং ৯৫৭ বিঘা জমি জব্দের নির্দেশ দিয়েছে। ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবরের মধ্যে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।

  • পাসপোর্টবিহীন ক্যাপ্টেন মুনতাসির জেদ্দায় আটকের পর হস্তান্তর

    পাসপোর্টবিহীন ক্যাপ্টেন মুনতাসির জেদ্দায় আটকের পর হস্তান্তর

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ক্যাপ্টেন মুনতাসির রহমান পাসপোর্ট ছাড়া জেদ্দায় একটি ফ্লাইট পরিচালনা করেছিলেন। জেদ্দা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তাকে আটকের পর হোটেলে নিয়ে যান। পরে বিমান কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সন্ধ্যার ফ্লাইটে তার পাসপোর্ট পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। জানা গেছে, এই পাইলট পাসপোর্ট না থাকলেও তার হাতে ছিল অন্য কারো পাসপোর্ট, যার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিমান কর্তৃপক্ষের দাবি, ক্যাপ্টেনটির মা’য়ের পাসপোর্ট ভুল করে তিনি নিজের পরিবর্তে ব্যবহার করেছেন বলে স্বীকার করেছেন। এর আগে আরও দুইবার একই ধরনের ঘটনার শিকার হয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলটরা, যেখানে তাদের জন্য বিভিন্ন দেশে জ্যামিতি বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। তবে এই ঘটনার ফলে বিমানের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দরে আটক থাকা সময় জানা যায়, ক্যাপ্টেন মুনতাসিরের কাছে একটি পাসপোর্ট ছিল, তবে সেটি তার নিজের নয়। কর্তৃপক্ষ বলছে, বিভ্রান্তিতে তড়িঘড়ি করে তিনি মায়ের পাসপোর্ট নিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করেন। ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় বিষয়টি ধরা পড়ে এবং পরে বিমান কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে তাকে হোটেলে রাখা হয়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে কোন স্পষ্ট মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো: সাফিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সফলতা মেলেনি। এর আগেও এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পাইলটরা পাসপোর্ট বা আইডি কার্ডের অনিয়মের কারণে জটিলতায় পড়েছেন। এরূপ ঘটনা আমাদের বিমানের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।