Author: bangladiganta

  • শর্তসাপেক্ষে ভারতে ১২০০ টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয় সরকার

    শর্তসাপেক্ষে ভারতে ১২০০ টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয় সরকার

    আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার শর্তসাপেক্ষে ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের জন্য ভারতে মোট ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রফতানি-২ শাখার উপসচিব এস এইচ এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ মাছের রফতানি অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যা ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অনুমোদিত সংখ্যক প্রতিষ্ঠান হলো ৩৭টি, এবং রফতানির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে মোট ১,২০০ মেট্রিক টন।

    তবে, এই রফতানি সফলভাবে সম্পন্ন করতে কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে, যেমন রফতানি নীতিমালা ২০২৪-২০২৭ অনুসরণ বাধ্যতামূলক, শুল্ক কর্তৃপক্ষের যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা থাকা, এবং পরবর্তী আবেদনের সময় পূর্ববর্তী অনুমোদিত রফতানির তথ্যপ্রমাণ দাখিল করতে হবে। এছাড়া অনুমোদিত পরিমাণের বেশি মাছ রফতানি করা যাবে না, এবং রফতানি কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট শুল্ক ও ব্যবস্থাপনা সিস্টেমে পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে হবে।

    অতিরিক্তভাবে, এই অনুমোদন হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত কোম্পানি নিজে রফতানি করতে পারবে, সাব-কন্ট্রাক্ট দিতে পারবে না। সরকার প্রয়োজনে এ রফতানি অনুমতিপত্র বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

    এদিকে, গত ৮ সেপ্টেম্বর সরকার দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ইলিশের রফতানির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। আগ্রহী রফতানিকারকদের ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পর্কিত সব কাগজপত্র সহ হার্ড কপিতে আবেদন করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

    আবেদনকারীদের ট্রেড লাইসেন্স, ইআরসি, আয়কর ও ভ্যাট সার্টিফিকেট, বিক্রয় চুক্তিপত্র, এবং মৎস্য অধিদফতরের লাইসেন্স দাখিল করতে বলা হয়। প্রতি কেজি ইলিশের রফতানি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিম্ন ১২.৫ মার্কিন ডলার।

    উল্লেখ্য, গত বছর দুর্গাপূজার সময় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে ৩,০০০ মেট্রিক টন ইলিশের রফতানি অনুমোদন দেয়া হয়েছিল, যা পরে ২,৪২০ টনে হ্রাস পায়।

  • খেলাপি ঋণের পুনঃতফশিলা ও নতুন সুবিধা ঘোষণা

    খেলাপি ঋণের পুনঃতফশিলা ও নতুন সুবিধা ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি একটি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যেখানে বিভিন্ন শর্ত ও সুবিধার মাধ্যমে খেলাপি ঋণের নিষ্পত্তির পথ একশো শতাংশ সহজ ও কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলো এখন ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিল, পুনর্গঠন করতে পারবে, যার ফলে ঋণগ্রাহকরা সহজে ঋণ নিয়মিত করতে পারবেন। শুধুমাত্র দুই শতাংশ ডাউনপেমেন্টের মাধ্যমে এই সুবিধা পাওয়া যাবে, এর সাথে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড ও সংশ্লিষ্ট খাতের সাধারণ সুদের চেয়ে এক শতাংশ কম সুদ দেওয়া যাবে। ব্যাংকগুলো এই সুবিধাগুলো নিজ włas দায়িত্বে দিতে পারবে। প্রয়োজন হলে, ৩০০ কোটি টাকার বেশি ঋণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন সংক্রান্ত আবেদনও করতে পারবে ব্যাংকগুলো। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে বিশেষ অনুকুল পরিস্থিতিতে ঋণ পুনঃতফশিল ও পুনর্গঠন করে অঘোষিতভাবে খেলাপির পরিমাণ অনেক কম দেখানো হত। কিন্তু সরকার পতনের পর এখন এই পরিমাণ দুগুণের বেশি বেড়ে ৫ লাখ কোটি টাকার বেশি হয়ে গেছে। এর পাশাপাশি, গত জানুয়ারিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিশেষ কমিটি গঠন করে, যেখানে খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের সুযোগ চালু হয়েছিল। এখন এই সুবিধাগুলো ব্যাংকগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হলো।

    নতুন সার্কুলারে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে ব্রিমিত ঋণের হিসাব বিবেচনা করে ব্যাংকগুলো পুনঃতফশিলের জন্য আবেদন করতে পারবে, এবং এই আবেদনসমস্ত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে করতে হবে। আবেদনপত্রের ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। এছাড়াও, যদি দাখিলকৃত ডাউন পেমেন্ট ব্যাংকের মূলধন হয়, তবে তা নগদায়নের এক বছর পর থেকে গণনা শুরু হবে। বিশেষভাবে, একাধি তিন বা তার বেশি পুনঃতফশিলের ক্ষেত্রে আরো এক শতাংশ অতিরিক্ত ডাউনপেমেন্ট আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, এই প্রকল্পে নীতি সহায়তার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে না, তবে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে অনুমোদন থাকা বাধ্যতামূলক। একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণের বিপরীতে এই সুবিধা দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ঋণ মূল্যের ব্যাংক বা সম্মিলিত সিদ্ধান্তে বিষয়টি গ্রহণ করতে হবে। ৩০০ কোটি টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে যদি কোনো ব্যাংক নিজে সিদ্ধান্ত নিতে না পারে, তবে তা ব্যাংকের বাছাই কমিটির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

    শ্রেণিকরণ ও প্রভিশন সম্পর্কিত নিয়ম অনুসারে, বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ঋণের জন্য সাধারণ প্রভিশন প্রয়োগ করতে হবে। প্রকৃত অর্থের আদায় ছাড়া ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর বা আয় স্থানান্তর অসুবিধা হবে না, তবে শর্তসাপেক্ষে সাধারণ প্রভিশনের জন্য স্থানান্তর করা যেতে পারে। একই সঙ্গে, অতীতের লেনদেন ও সার্বিক পরিস্থিতি দেখেই ঋণের সুবিধা দেওয়া হবে। শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য গত বছর খোলা এলসি বা বাকিতে আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারজনিত ক্ষতিগুলোকেও হিসাবের আওতায় আনা হবে। গ্রাহক চাইলে, পুনর্গঠন বা এককালীন এক্সিট সুবিধাও নিতে পারবে।

    অন্যদিকে, জাল-জালিয়াতি বা অন্য কোনো প্রতারণামূলক কাজে সৃষ্টি হওয়া ঋণে এই সুবিধা দেওয়া হবে না। ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যথাযথ ক্ষতি মূল্যায়ন ও প্রতিষ্ঠানের পুনরায় ব্যবসায়িক সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নিয়ে পুনঃতফশিল বা পুনর্গঠন নিশ্চিত করা যেতে পারে।

    আদেশ অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের জন্য ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় স্পষ্ট কারণসমূহ উল্লেখ করতে হবে। সুবিধা দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে, ব্যাংক ও গ্রাহক একমত হয়ে চলমান মামলা বা আইনি প্রক্রিয়া স্থগিতের ব্যবস্থা নেয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে। প্রয়োজনে, সুবিধা ভোগী গ্রাহক যদি শর্ত লঙ্ঘন করে, তবে তার সকল সুবিধা বাতিল করা হবে এবং ব্যাংক আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবে।

  • স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে

    স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে

    মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারণী বৈঠকের আগে ডলারের দাম দুর্বল হয়ে পড়ায় মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম আবারও ইতিহাসের সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই বৈঠকে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে স্পট স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ৬৯৬ ডলার ০২ সেন্টে পৌঁছায়, যা পূর্বের দিনের তুলনায় ০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি। দিনের শুরুতে দাম ছিল ৩ হাজার ৬৯৭ ডলার ৭০ সেন্ট। যদিও বেশ কিছু অর্থনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, ২০২৬ সালে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ডলার অতিক্রম করার আগে এক দফা সংশোধন দেখা যেতে পারে। তারা এও বলছেন, ওয়াশিংটনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সপ্তাহে সুদের হার কমানোর ঘোষণা দিতে পারে, যেটি স্বর্ণ বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। ইউবিএস বিশ্লেষক জিয়োভান্নি স্টাউনোভো বলেছেন, ডলারের দুর্বলতার পাশাপাশি, মার্কিন ফেডের এই সপ্তাহে সুদের হার কমানোর প্রত্যাশাই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির মূল কারণ। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বাজারের প্রত্যাশা, বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুই দিনব্যাপী বৈঠকের ফলাফল হিসেবে ২৫ বেসিস পয়েন্ট বা আধা শতাংশের হার কমানো হবে, কিঞ্চিৎ সম্ভবত ৫০ বেসিস পয়েন্টও হ্রাস পাবে। এর পাশাপাশি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে ফেডের চেয়ার জেরোম পাওয়েলকে আরও বড় করে সুদের হার কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সুইসকোট ব্যাংকিং গ্রুপের বিশ্লেষক কার্লো আলবার্তো দে কাসা বলেন, ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ফেডারেল রিজার্ভ আগামী বছরেও সুদের হার কমিয়ে যেতে থাকবে, যা স্বর্ণের বাজারে আরও সমর্থন যোগাচ্ছে। স্টাউনোভো মতে, ফেডের বিবৃতি প্রকাশের সময় বাজারে অস্থিরতা বাড়বে, বিশেষ করে যদি তারা হ্রাসের পাশাপাশি কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে। তবে ট্রাম্পের প্রত্যাশায়, সামনে আসা মাসগুলোতে স্বর্ণের দাম আরও উঠবে বলেই তিনি মনে করেন।

  • পাঁচ ব্যাংক একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, পরিচালনায় আসবে প্রশাসক

    পাঁচ ব্যাংক একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, পরিচালনায় আসবে প্রশাসক

    সমস্যাগ্রস্ত শরিয়াভিত্তিক পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংককে একত্রিত করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য চলতি সপ্তাহে একটি পাঁচ সদস্যের প্রশাসক টিম গঠন করা হবে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ বোর্ড সভার পর মুখপাত্র মোঃ আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। এর আগে, গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে এই সভায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য বোর্ড মেম্বাররা উপস্থিত ছিলেন।জনপ্রিয় ব্যাংক ও বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই একীভূতকরণে সব পক্ষের সম্মতি রয়েছে, এবং এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রণীত ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ’ অনুসারে সম্পন্ন হবে।আরিফ হোসেন খান বলেন, মার্জার বা একীভূতকরণ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যার সম্পন্ন করতে সময় লাগবে প্রায় দুই বছর। তবে এর প্রথম ধাপের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত, এবং খুব শিগগিরই প্রক্রিয়াটি দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে।এক্রিয়াটি সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে পাঁচ সদস্যের একটি প্রশাসক টিম গঠন করা হবে, যা এই প্রক্রিয়ার পরিচালনা করবে। ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করবে বর্তমান ব্যবস্থাপনা দল, এবং প্রতিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাদের পদে অব্যাহত থাকবেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়ার সময় ব্যাংকের পর্ষদ বা বোর্ড বিলুপ্ত হবে না, তবে তারা ধীরে ধীরে কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। প্রশাসকের দল তাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং আপডেট বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাবে।আজকের বোর্ড সভায় আরও আলোচনা হয়েছে ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিন্যান্স, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার এবং খেলাপি ঋণের নিষ্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে।সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে গঠন করা হবে একটি নতুন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, যার নাম হবে ‘ইউনাইটেড ইসলামি ব্যাংক’। এই নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স ইস্যু করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন দিন ধরে এসব ব্যাংকের শুনানি শেষে, ফার্স্ট সিকিউরিটি, গ্লোবাল ইসলামি ও ইউনিয়ন ব্যাংকের পর্ষদ একীভূত হওয়ার পক্ষে মত দেয়। কিন্তু সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে।প্রক্রিয়াটির অংশ হিসেবে, সরকার ৩৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে মোট ২০ হাজার ২০০ কোটি টাকা মূলধন বরাদ্দ দিয়েছে, যা এই সংযোজনের অর্থায়নে সহায়ক হবে। এটি দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবনে সহায়তা করবে।

  • পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দু’ কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতে অর্থদণ্ড ও জরিমানা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দু’ কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতে অর্থদণ্ড ও জরিমানা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজি করে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মোট ৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে এই کارروকা বিভিন্ন ব্যক্তির এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে করা হয়েছে, যেখানে নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির জন্য চারজন ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান, এবং পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সসহ কোম্পানির শেয়ার কারসাজির জন্য দুই ব্যক্তি দণ্ডিত হয়েছেন। কমিশনের ৯৭২তম সভা বুধবার অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। সভা শেষে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিউ লাইন ক্লোথিংসের শেয়ার লেনদেনে কারসাজির অভিযোগে মোঃ রিয়াজ মাহমুদ সরকারকে ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা, আবুল বাসারকে ৪ কোটি ২ লাখ টাকা, সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিংকে ৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা, মোঃ সেলিমকে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং জামিলকে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই জরিমানার আদেশ ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সময়কালে তাদের কার্যকলাপের জন্য জারি হয়। অন্যদিকে, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার লেনদেনে কারসাজির জন্য এনআরবি ব্যাংকের তৎকালীন প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মোহাম্মাদ কামরুল হাসানকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানার পাশাপাশি পঞ্চাশ বছরের জন্য তার চাকরি এবং securities লেনদেনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, এই কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগে আদালত শেখ ফকরুল আহমেদকে ৩০ কোটি ৩২ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এই অর্থদণ্ডও ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর হয়েছে। আরও এক অংশে, ফরচুন সুজ লিমিটেডের শেয়ার লেনদেনে কারসাজির অভিযোগে নির্দিষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও, মোঃ আবুল খায়ের হিরু এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যারা এই কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই সব ঘটনাগুলোর মধ্যে ফিন্যান্স ও বাজারের স্বচ্ছতা ও সুরক্ষার জন্য বিএসইসির পদক্ষেপ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বলে জানানো হয়েছে।

  • ইসলামী আন্দোলনের থ্রি ডে অ্যান্ড কলের ঘোষণা ও বিস্তারিত কর্মসূচি

    ইসলামী আন্দোলনের থ্রি ডে অ্যান্ড কলের ঘোষণা ও বিস্তারিত কর্মসূচি

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই, সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুরানো পল্টনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার রক্তে অশুভ স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছে দেশ। সেই আন্দোলনের মাধ্যমে দেশকে স্থায়ীভাবে স্বৈরতন্ত্রের কবল থেকে মুক্তি দেয়া, ৫৪ বছরের জঞ্জাল দূর করা, ক্ষমতার ভারসাম্য সুস্থ করা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীন ও সক্রিয় করা, এবং দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির শুদ্ধতা আনয়ন করতে হবে। পাশাপাশি সব নাগরিকের ভোটাধিকার, মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করতে হলে প্রয়োজন মৌলিক সংস্কার। তিনি আরও জানান, জুলাইয়ে বাংলাদেশের জন্য ‘সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন’ এই পরিস্থিতি উত্তরণের একমাত্র পথ। তবে দুঃখের বিষয়, বর্তমান সরকার নির্বাচনকে গুরুত্ব না দিয়ে সংস্কার ও বিচারকে পেছনে ঠেলে দিয়ে অশুভ পথের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দেশকে পুরোনো অশুভ বন্দোবস্তে আবারো নিপতিত করবে বলে তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করেন।

    পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, যারা জীবন বাজি রেখে জুলাইতে আন্দোলন করেছেন, রক্ত দিয়েছেন, তাদের এই পরিস্থিতি মেনে নেওয়া সত্যিই সম্ভব নয়। এজন্য তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট কিছু দাবি নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সরকারের নীতি নির্ধারকদের সাথে আলোচনা হয়েছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলেও এখন রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে অনেক আলোচনা হলো, কিন্তু এখনও তাতে প্রয়োজনীয় আইনী সংস্কার ও স্বৈরতন্ত্র রোধে দৃঢ় অগ্রগতি হয়নি। শীঘ্রই আইনী ভিত্তি নিশ্চিত করতে হবে বা গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে আইনসম্মত করে দেশের স্বার্থে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

    মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম আরও বলেন, আওয়ামী লীগের অপরাধের মাত্রা কল্পনার বাইরে। বিচার প্রকরণ ও গতিও হতাশাজনক। দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি দাবি করেন, জেলা পর্যায়ে বিচার কার্যক্রম চালানো ও পালিয়ে যাওয়া অপরাধীদের আনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

    ফ্যাসিবাদী দোসরদের সম্বন্ধে তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে জাতীয় পার্টি ও অন‌্যান‌্য ফ্যাসিবাদী দলের অপতৎপরতায় দেশ বিষিয়ে উঠেছিল। তারা ফ্যাসিবাদের দোসর, ভোটের কারসাজিতে অংশগ্রহণ করে অবৈধ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। এখনো তারা আওয়ামী লীগের পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। সেই সমস্ত দোসরদের বিচারের আওতায় এনে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার জন্য তিনি কঠোর আহ্বান জানান।

    সরকারের পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে নির্বাচন ব্যবস্থা ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষতিগ্রস্ত বলে অভিমত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মনোভাব মাঠের প্রশাসনকে পক্ষপাতদুষ্ট করে তোলে, যা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। আইনী ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ করতে হবে, যাতে প্রত্যাশিত নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়।

    সাবেক সরকারী পদ্ধতিকে প্রত্যাখ্যান করে তিনি অব্যাহত করেন, এখনকার নির্বাচনী পদ্ধতি দেশকে ধীরগতির দিকে নিয়ে গেছে। দেশের উন্নয়ন ব্যক্তিগত উদ্যোগের ফল হলেও, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও দুর্নীতির কারণে প্রতিটি নির্বাচনই দেশের জন্য দূরবর্তী ভগ্নদশার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, আগামী নির্বাচনের জন্য পিআর (প্র্রোপোরশনাল রেজিস্ট্রেশন) পদ্ধতি চালু করতে হবে। এর সুবিধা πολλές, ও এই পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের স্বার্থে মুক্ত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব।

    অতঃপর, তিনি মূল দাবি উপস্থাপন করেন, যেমন—শীঘ্রই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, এর আইনী ভিত্তি প্রাপ্তি, ফ্যাসিবাদের বিচার ও দোসরদের নিষিদ্ধ করা, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের ব্যবস্থা এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা। এই দাবিগুলোর লক্ষ্যে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন, যেমন—১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় সমাবেশ ও বিক্ষোভ, ১৯ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় শহরগুলোতে বিক্ষোভ, এবং ২৬ সেপ্টেম্বর সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ।

    সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মো. গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মুহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, এটিকুর রহমান, খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মোস্তফা কামাল, সহ প্রচার দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক কেএম শরিয়াতুল্লাহ প্রমুখ।

  • জামায়াতের বিরুদ্ধে হেফাজতের ইসলামী আমিরের বক্তৃতার প্রতিবাদ

    জামায়াতের বিরুদ্ধে হেফাজতের ইসলামী আমিরের বক্তৃতার প্রতিবাদ

    জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সাধারণ সম্পাদক এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা মুহিব্বুল­াহ বাবুনগরীর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সোমবার এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, একটি দৈনিকে ১৫ সেপ্টেম্বরের সংখ্যার প্রথম পাতায় প্রকাশিত শিরোনাম—’জামায়াত সরকারে আসলে কওমি, দেওবন্দি ও সুন্নিয়াত মাদ্রাসার অস্তিত্ব থাকবে না’—সম্পর্কে তার বক্তব্য আদর্শ ও সত্যের কাছ থেকে বিচ্যুত। এ বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া ও অসত্য। একজন বরেণ্য আলেমের মুখ থেকে এমন ভিত্তিহীন মন্তব্য শোভা পায় না, বলে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে পরিচালিত রাজনৈতিক দল। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করে ইসলামি খেদমত করে আসছে। জামায়াতের বহু নেতা-কর্মী কওমি, দেওবন্দি এবং সুন্নিয়াত মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত, এবং এ সকল ধারার বিরোধিতা বা ক্ষতি করার কোন নজির নেই। অতীতে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জামায়াতের দুইজন মন্ত্রী ক্ষমতায় ছিলেন, তারা কওমি বা দেওবন্দি মাদ্রাসার বিরোধিতা করেনি বরং তাদের সহযোগিতা করেছে। তাই মাওলানা মুহিব্বুল­াহ বাবুনগরীর এ অমূলক ভয়ের ভাষ্য নিরসন এবং জনগণকে বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত করতে তিনি আহ্বান জানান। এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানাচ্ছি যে, জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে এই ধরনের অবান্তর ও মিথ্যা आरोप থেকে বিরত থাকুন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদকও যথাযথভাবে এই প্রতিবাদ প্রকাশ করে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করবেন।

  • বিএনপি পিআর পদ্ধতি চাইছে না: সালাহউদ্দিন আহমেদ

    বিএনপি পিআর পদ্ধতি চাইছে না: সালাহউদ্দিন আহমেদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বিএনপি উচ্চ কক্ষ বা নিম্ন কক্ষে যে কোনও ধরনের পিআর পদ্ধতি চায় না। তিনি মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিএনপি কোনও কক্ষেই পিআর পদ্ধতি শর্ত হিসেবে চাইছে না। তিনি আরও বলেন, কিছু দল বেশি আসন পাওয়ার লোভে দেশের জাতীয় স্বার্থের বিকল্প কিছু ভাবতে পারে, যা খুবই বিপজ্জনক। তাদের এই চিন্তা-ভাবনা যদি বাস্তবে রূপ পায়, তবে এর ভবিষ্যতে ভয়ঙ্কর পরিণতি হতে পারে। উল্লেখ্য, ঐকমত্য কমিশনের তালিকায় নিম্নকক্ষে পিআর পদ্ধতির কোনো উল্লেখ ছিল না। তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের চর্চা এক ধরনের ভয়ঙ্কর অপচেষ্টা, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য হুমকি স্বরূপ।

  • জামায়াতের কর্মসূচির সময় পরিবর্তন

    জামায়াতের কর্মসূচির সময় পরিবর্তন

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও নাগরিক স্বার্থের কথা думা করে কর্মসূচির সময়ে পরিবর্তন ঘোষণা করেছে। পূর্বে নির্ধারিত বারো-দফা দাবির স্মারক অনুযায়ী, আগামী ১৮ এবং ১৯ সেপ্টেম্বর জামায়াতের কর্মসূচি সকালবেলা অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। তবে মঙ্গলবার তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই দুই দিনকার কর্মসূচি সকাল বাদ দিয়ে বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। এটি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে বিসিএস পরীক্ষার্থীরা কোনো ভোগান্তিতে না পড়েন।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচনের প্রস্তাব এনসিপির

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচনের প্রস্তাব এনসিপির

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, আমাদের দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে জাতীয় ঐক্য কমিটির সঙ্গে। আলোচনায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথমটি হলো, কিছু কাজ সংবিধান পরিবর্তন না করে অর্ডিন্যান্স বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে পালন করা যেতে পারে। তবে, এমন অনেক বিষয় আছে যেগুলো সংবিধানের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত, যেখানে বড় ধরনের পরিবর্তন দরকার। এই পরিবর্তনগুলো শুধুমাত্র সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সম্ভব কি না, সে ব্যাপারে আমাদের মধ্যে কিছু আশঙ্কা রয়েছে। রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐক্য কমিটির সঙ্গে রাজনৈতিক দলের আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। এই বৈঠকে কমিটির সভাপতি এবং সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন। আখতার হোসেন জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের হাইকোর্টে সংশোধনীর চ্যালেঞ্জ দিয়ে বিভিন্ন পরিবর্তন বাতিল হয়েছে। তাই, আমরা যারা সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন এনেছি, সেগুলোর টেকসইতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছি। তিনি উল্লেখ করেন, একত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়া গেলে একটি গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংবিধান ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন সম্ভব। এই জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলো ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। এনসিপির এই নেতা বলেছিলেন, এর জন্য তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কমিশনের মেয়াদ বাড়ানো হয় এবং কার্যক্রমের সফলতা নিশ্চিত করতে পারি।