Author: bangladiganta

  • আ.লীগ ও জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ এই নির্বাচনে সম্ভব নয়: আখতার

    আ.লীগ ও জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ এই নির্বাচনে সম্ভব নয়: আখতার

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি উভয়কেই অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি জানান, বিগত সময়ে তারা আওয়ামী লীগের সহযোগী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। এর ফলে দেশের স্বাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে তারা খুনির পক্ষে সাফাই গাইছে এবং জরুরি সময়ে সহানুভূতি প্রকাশ করছে। এ কারণেই তিনি মনে করেন, এ দুই দলকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে হবে, কারণ তারা আবার ক্ষমতায় আসলে দেশের পরিস্থিতি ভারতের মতো করদরাজ্যে পরিণত হবে।

    আখতার হোসেন আরও বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া সরকারের নিজস্ব সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগের অধীন। তিনি দাবি করেন, সরকার এ বিষয়ে ইতিমধ্যে যুক্তিতর্ক ও স্বাক্ষর সম্পন্ন করলেও, এখনো স্পষ্টভাবে বিষয়টি পরিষ্কার করেনি। তিনি মনে করেন, দ্রুত এই সনদের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে, নয়তো দুর্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে। যদি একটি রাজনৈতিক দল কাগুজে সিদ্ধান্তের মধ্যে থাকলে আবার রাজপথে আন্দোলনে নামতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

    তিনি বলেন, কিছু তখনকার রাজনীতির উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনী সংঘাত, কিন্তু আমরা এখন সংস্কার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এটা সম্ভব হয়েছে মূলত আমাদের দাবির কারণে, যা ঐকমত্যের মাধ্যমে সংস্কার কমিশনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

    আখতার হোসেন আশঙ্কা প্রকাশ করেন, কোনো একটি দলের একান্ত সিদ্ধান্তের কারণে আরপিও সংশোধন করতে চাইলে, মনে করেন এর সাথে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির লন্ডনে বৈঠক বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর যোগসূত্র রয়েছে। অতীতের মতো এবারও তিনি আন্দোলনে যেতে চান না।

    তিনি বলেন, দেশের মানুষের মানবিক মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষজনের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তিনি দলবাজি রাজনীতি ও ব্যক্তিগত স্বার্থের বাইরে থাকবার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। জনগণের জন্য কাজ করতে চান, যাতে দেশের জন্য উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সুদৃঢ় হয়।

    আখতার আরও বলেন, সম্প্রতি একজন ইমাম গুমের ঘটনা ঘটেছে, যা আমরা দেখতে চাই না। তিনি ঘোষণা দেন, এনসিপি দেশের সকল মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করবে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে। নতুন বাংলাদেশের السياسية বিনির্মাণের জন্য তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতার পরিবর্তে যোগ্যতার ভিত্তিতে মনোযোগ দিতে চান।

    সমন্বয় সভায় বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ, এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব নাহিদা সারওয়ার নিভা। তবে, সভায় দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম উপস্থিত থাকলেন না।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহত

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহত

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন নাসিরউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি, যার বয়স ৬৫ বছর। ঘটনার সময় Saturday, ২৫ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে, চঞ্চল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় যখন সাচ্চু ও হারুন গোষ্ঠীর সমর্থকেরা অস্ত্রসহ মুখোমুখি হন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, এই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে দুই পক্ষের মধ্যে চলছিলো বিরোধ, যা আজকের সংঘর্ষের কারণ। সকালে উত্তেজনা বেড়ে গেলে তারা মাথায় হেলমেট, লাইফ জ্যাকেট পরা এবং দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষে নাসিরউদ্দিন গুরুতর আহত হন, দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মৃত্যু বরন করেন।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং পরিস্থিতি এখন সাধারণ রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং নিরাপত্তা বজায় রাখা হচ্ছে।

  • আবারও সাগরে লঘুচাপ, নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা স্বাভাবিক বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে

    আবারও সাগরে লঘুচাপ, নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা স্বাভাবিক বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে

    বাংলাদেশের আকাশে আবারও নতুন এক লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা পূর্ববর্তী কিছু দিনের মধ্যে দৃশ্যমান ছিল। কয়েক দিন আগে তৈরি হওয়া একটি লঘুচাপ দুর্বল হয়ে গিয়ে বিলীন হয়ে যায়। তবে, গতকাল শুক্রবার সকালে আবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ গঠন হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, এই লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে আসন্ন সময়ে নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।

    এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না যে, এই লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে কিনা। তবে, সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এর প্রভাব প্রধানত ভারতের উড়িষ্যা উপকূলে পড়বে। পাশাপাশি বাংলাদেশে আংশিক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সামনের সপ্তাহের শেষ দিকে দেশের বিভিন্ন অংশে বৃষ্টির সৃষ্টি করতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, “নতুন গঠিত এই লঘুচাপটি বর্তমানে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারার সম্ভাবনা আছে। তবে, এর মূল প্রভাব ভারতের উপকূলে দেখা যাবে। বাংলাদেশের উপকূলেও আংশিকভাবে এর প্রভাব থাকতে পারে, যা বুধবারের দিকে বৃষ্টির কারণ হতে পারে।”

    এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টি নেই, এর ফলে তাপমাত্রা গরম আরও বেড়ে গেছে। কয়েক দিন আগে সাগরে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টি হলেও দ্রুত দুর্বল হয়ে বাংলাদেশে প্রভাব ফেলেনি।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ উল্লেখ করেন, “এই লঘুচাপের কারণে ২৯, ৩০ ও ৩১ আগস্ট বাংলাদেশের আকাশে হালকা থেকে মাঝারি স্তরের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে এই বৃষ্টিপাত বেশি হতে পারে।”

    আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, “এই লঘুচাপটি ভারতের আন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাڑু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। স্থলভাগে ওঠার পরে কিছুটা উত্তর দিকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। পশ্চিমা বাতাসের ধাক্কায় এর অংশ বাংলাদেশের দিকেও মেঘ আকারে পৌঁছানর আশঙ্কা রয়েছে।”

    প্রথমিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এবারের লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়ার সম্ভাবনা কম। তবে, যদি এটি নিম্নচাপে পরিণত হয়, তবে উপকূলীয় এলাকায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞ আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, “লঘুচাপটির গতি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে। এর পরে, স্থানীয় স্থলভাগ দিয়ে বাংলাদেশের দিকে কিছু অংশ আসতে পারে, ফলে ২৯ অক্টোবর দেশের পশ্চিমাঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।”

  • প্রতিবাদকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শেখ হাসিনা: প্রেস সচিব

    প্রতিবাদকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শেখ হাসিনা: প্রেস সচিব

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কখনোই প্রতিবাদ করাকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেননি। তিনি মনে করেন, ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরশাসনকালীন সময়ে সব গণমাধ্যম এক সুরে কাজ করেছে এবং একই ধরনের তথ্য প্রচার করেছে।

  • চাকরিচ্যুত ১৪ কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাননি

    চাকরিচ্যুত ১৪ কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাননি

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনপ্রশাসন বিষয়ে মতামত প্রকাশের কারণে আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন পর্ষদভুক্ত ২৫ ক্যাডারের ১৪ জন কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগটি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী অবসরপ্রাপ্ত ২৫ ক্যাডার সমন্বয় পরিষদ।

    শনিবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিযোগ উঠে আসে।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক কৃষিবিদ আহমেদ আলী চৌধুরী ইকবাল। তিনি বলেন, আমরা গভীর উদ্বেগে লক্ষ্য করছি যে, সামাজিক মাধ্যমে দেশের জনপ্রশাসন নিয়ে মতামত প্রকাশের জন্য আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন পর্ষদভুক্ত ২৫ ক্যাডারের ১৪ কর্মকর্তা খসড়া অভিযুক্ত ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। অথচ একই সামাজিক মাধ্যমে অশালীন ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করে পোস্ট শেয়ার কিংবা লিখলেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ হয়নি। এই ধরনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর আপত্তি জানাচ্ছি।

    অতিরিক্তভাবে, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিতেও প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্য ক্যাডারদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা জানান, স্বৈরশাসনাধীন সময়ে বৈষম্য দূর করতে অন্তর্বর্তী সরকার কিছু উদ্যোগ নেয়। সেই সময়ে ৭৭৮ জন কর্মকর্তা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পান, যেখানে পদোন্নতির ক্রম উল্লেখ করে সব ধরনের আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হয়। পরে অন্যান্য ক্যাডারদের পক্ষ থেকে দাবিগুলো উঠলে, আবেদন আহ্বান করা হলে যাচাই-বাছাইয়ের পর ৭২ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়া হয়।

    কৃষিবিদ আহমেদ আলী চৌধুরী বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের নামে অনেক কর্মকর্তাকে বৈধ কারণ ছাড়াই বাদ দেওয়া হয়েছে। ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির আদেশে বৈষম্য চালু রেখে বকেয়া মূল বেতন, গ্রাচ্যুইটি ও পেনশনের জন্য আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বাকি আটক থাকা কর্মকর্তাদের আবেদন পুনর্বিবেচনা করে, তাদেরকেও অর্থনৈতিক সুবিধা এবং উচ্চ গ্রেড দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। সেইসঙ্গে যারা তৃতীয় বা চতুর্থ গ্রেডে আটকা পড়েছেন, তাদের দ্রুত উচ্চ গ্রেডে উন্নীত করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও বিসিএস ইনফরমেশন অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি স ম গোলাম কিবরিয়া, ঢাকা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আইকে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার, বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান, গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মাহফুজ আহমেদ, এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

  • বাবাকে হত্যা, মা ও ছেলেকে ছিনতাইকারীর নাটক সাজানোর চেষ্টা

    বাবাকে হত্যা, মা ও ছেলেকে ছিনতাইকারীর নাটক সাজানোর চেষ্টা

    রাজধানীর একটি এলাকায় ১৪ বছর বয়সী এক ছেলের হাতে তার বাবা খুন হয়েছেন। এই ঘটনাকে অন্যদিকে ঘোরাতেই সন্তানকে বাঁচানোর জন্য মা একটি ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, তাঁরা প্রথমে ঘর থেকে উচ্চস্বরে চিৎকার ও কান্নার শব্দ শুনতে পান। এর কিছু সময় পর দেখতে পান, ছেলে হাতে বঁটি ও ছুরি নিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘর থেকে বেরিয়ে আসছে।

    পরে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে ছেলে তার বাবাকে ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে বাবাকে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়, जिससे তিনি গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় বাবাকে দ্রুত রিকশায় করে একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়, কিন্তু সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় একজনের কাছে মনে হয়েছিল, বাবার শ্বাসপ্রশ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, ছেলে জানায়, বাবা তাকে কাজ না করার জন্য বকাঝকা করছিলেন। এক সময় একটি ঘড়ি নিয়ে ঝগড়া শুরু হলে বাবা ইট দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করেন। নিজ হাতে থাকা বঁটি দিয়ে সেই আঘাত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে, সেটি বাবার মাথায় গিয়ে লাগে বলে সে দাবি করে।

    তবে, বাবার মৃত্যুর পর মা ও ছেলে পুলিশকে ভিন্ন গল্প বলার চেষ্টা করেন। তাদের দাবি, ছিনতাইকারীরা সিএনজিতে করে এসে বাবাকে হত্যা করেছেন।

    তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়, মা ও ছেলে হত্যার ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নিতে এবং রক্ষা পেতে এই গল্পগুলো সাজান। পরবর্তী জবানবন্দি ও তদন্তের মাধ্যমে পুরো সত্যতা জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    সূত্র: DBC NEWS

  • সাকিবের ইচ্ছা দেশের মাটিতে বিদায় নেওয়ার

    সাকিবের ইচ্ছা দেশের মাটিতে বিদায় নেওয়ার

    বাংলাদেশ থেকে দূরে যুক্তরাষ্ট্রে মাইনর লিগ ক্রিকেটে খেলতে গিয়ে নিজেকে আবারও পুরনো স্মৃতিতে মুক্তি পেয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ক্রিকবাজ’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি তার বর্তমান ক্রিকেট জীবন, অবসর পরিকল্পনা এবং তার বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া নানা গুজবের বিষয়ে খোলামেলাভাবে কথা বলেছেন।

    অস্ট্রেলিয়ায় খেলোয়াড় হিসেবে খেলার অভিজ্ঞতাকে অত্যন্ত উপভোগ্য বলে উল্লেখ করে সাকিব বলেন, ‘আসলেই এটা খুবই আনন্দের বিষয়। আমার সঙ্গে অনেক স্থানীয় খেলোয়াড়ের পরিচয় হয়েছে। ইতিমধ্যে কিছু খেলোয়াড়ের সাথেও দেখা হয়েছে যাদের সঙ্গে আমি আমার ক্যারিয়ারের শুরুতেই খেলেছি। এই অভিজ্ঞতা আমার জন্য অনেক স্মরণীয়। আমি কখনও ভুলবো না সেই দিনের কথা, যখন আমার ছোটবেলার পরিবেশকে মনে পড়ে আমার হৃদয় ভরে উঠত। এই মুহূর্তগুলো আমাকে আবারও নিজের আগের দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।’

    বাংলাদেশে নিজের জনপ্রিয়তা ও বিরুপ মন্তব্য নিয়ে সাকিব তার মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষ বিভিন্ন সময় আমাকে অর্থকেন্দ্রিক বা শোরুম আল হাসান বলে সমালোচনা করেছে, যা আমি মনে করি অনেকটাই সাংবাদিকদের তৈরি গল্প। এগুলো হলো কিছু মিডিয়া এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালের আনা কল্পকাহিনী, যা বলে মানুষ ভাবতে থাকে আমি অন্যরকম। সত্যি বলতে, আমি জানি বাংলাদেশে আমি যা করেছি, তা অন্য কেউ করেনি। আমার এসব কীর্তি তাদের জন্য নতুন, আর সেই জন্য তারা আমাকে সমালোচনায় ভরিয়ে দেয়। তবে আমি মনে করি, এই সব কিছুই এক সময় সবাই বুঝে যাবে।’

    নিজেকে কেন্দ্র করে গুজব বা নেতিবাচক মন্তব্যের ব্যাপারে তিনি বিতরণ করিছেন কোনো দুশ্চিন্তা না থাকাও। তিনি বলেন, ‘মানুষের নিজের ভাবনা থাকতে পারে, আমি সেটা নিয়ে কোনও চিন্তা করি না। আমার আগের দিনগুলো বা ভক্তরা কী ভাবছে, তা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ আমার কাছের মানুষরা কী ভাবছে। আমি নিশ্চিত, তারা এমন ধারণা পোষণ করে না।’

    ২০২৪ সালে যখন দেশে গণ-আন্দোলনের সময় তিনি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করেননি বলে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন, সে প্রসঙ্গে সাকিব স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘এটি কেবল এক মুহূর্ত ছিল যা খুবই অসুবিধাজনক হয়ে পড়েছিল। হয়তো তারা অন্য কিছু প্রত্যাশা করেছিল, আমি সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি, বা আমি পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন ছিলাম না। এই সময়ে আমি বাড়ি থেকে অনেক দূরে ছিলাম, আর এই কারণেই হয়তো তারা আমার বিরুদ্ধে গিয়েছিল। আমি এটির কোনও অনুশোচনা করছি না বরং আমি মনে করি, মানুষ এখন বুঝে উঠতে শুরু করেছে।’

    সাক্ষাৎকারে তিনি অবসর সংক্রান্ত জল্পনায় স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘না, আমি কোনো ফরম্যাট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নিইনি।’ তবে, তিনি যেনাকেন দারুণ একটি ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, ‘দেশের মাটিতে যেন শেষবারের মতো ভক্তদের সামনে বিদায় জানাতে পারি। আমি মনে করি, এটা আমার জন্যে নয়, বরং তাদের জন্যে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদি সেটা ঘটে, তা একদম সবার জন্য একটা সুন্দর মুহূর্ত হবে।’

  • পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন বাবর আজম

    পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন বাবর আজম

    অবশেষে পাকিস্তান টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বাবর আজম পুনরায় মাঠে ফিরেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ খবর নিশ্চিত করে বাবর আজমের ক্রিকেটে ফেরার খবরটি ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

    বাবর সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে, যা সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর তাঁকে বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দেশের সঙ্গে খেলানো হয় নি এবং চলতি বছরের এশিয়া কাপেও তাঁকে বিশ্রামে রাখা হয়েছিল।

    পিসিবি নতুন এই সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের টি-টোয়েন্টি দলে ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি, ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের স্কোয়াডও প্রকাশিত হয়েছে। যদিও সালমান আলি আগের মতোই অধিনায়কত্বের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে, তবে টি-টোয়েন্টিতে নেতৃত্বের ব্যাটন এখনও তার হাতে। অপরদিকে, ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব পেয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

    এছাড়াও, টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন আবদুল সামাদ এবং নাসিম শাহ। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন তরুণ ক্রিকেটার উসমান তারিক, যারা সবাই এখন চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হবে।

    তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তান মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার। ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ২৮ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরে। এরপর, ৪ থেকে ৮ নভেম্বর ফয়সালাবাদে হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর ১১ থেকে ১৫ নভেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ। অবশেষে, নভেম্বরের ১৭ থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত পাকিস্তান আয়োজন করবে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ, যেখানে অংশ নেবে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং জিম্বাবুয়ে।

    পাকিস্তানের বিভিন্ন স্কোয়াডের মূল সদস্যরা হলেন:

    টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবদুল সামাদ, আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, হাসান নওয়াজ, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, মোহাম্মদ সালমান মির্জা, নাসিম শাহ, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আয়ুব, শাহিন শাহ আফ্রিদি, উসমান খান (উইকেটকিপার), এবং উসমান তারিক।

    ওয়ানডে স্কোয়াড: শাহিন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফয়সাল আকরাম, ফখর জামান, হ্যারিস রউফ, হাসিবুল্লাহ, হাসান নওয়াজ, হুসাইন তালাত, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, নাসিম শাহ, সাইম আয়ুব, সালমান আলি আগা।

  • ১৭ মাস পর ওয়ানডে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

    ১৭ মাস পর ওয়ানডে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়ে শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে সুপার ওভারে হেরে বসে বাংলাদেশ। আজকের তৃতীয় ও সিদ্ধান্তমূলক ম্যাচটি ছিল সিরিজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে দুর্দান্তনৈপুণ্য দেখিয়েছে টাইগাররা। ব্যাটিংয়ে প্রথমে শুরু করে সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকারের রেকর্ড জুটিতে দলের স্কোর বোর্ডে ওঠে ২৯৬ রান। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের স্পিনাররা ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানদের ঘূর্ণিতে ৩০.১ ওভারে ১১৭ রানেই অলআউট করে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এজন্য তারা বড় জয় লাভ করে ১৭৯ রানের ব্যবধানে। এটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এক বিশেষ দিন, কারণ এটি একদিনের ক্রিকেটে ১৭ মাস পর তাদের প্রথম সিরিজ জয়। শেষবার টাইগাররা এমন জিতেছিল মার্চ ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে।

    কলেজের বিরুদ্ধে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৬ রানেই তাদের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে যায়। নাসুম আহমেদ তাঁর বলেই অলীক আথানেজকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন। অতো কিছু করার আগেই তিনি করেন ২১ বলের মধ্যে ১৫ রান। এরপর বাকী দুই উইকেটও তুলে নেন নাসুম। ২৮ রানে আউট হন আকিম অগাস্টে, ৩৫ রানে ব্র্যান্ডন কিং। এরপরই অন্যদের ওপর চাপে পড়ে ক্যারিবীয়রা, কারণ তারা ৬৩ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। এর পর তাদের ব্যাটসম্যানরা কিছু সংগ্রাম করে, তবে বড় সংগ্রহ করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান হয় ১১৭, যা বাংলাদেশের জন্য বিশাল জয়। এটি ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জয়, প্রথমটি ছিল ১৬০ রানের জয় ২০১২ সালে খুলনায়।

    টাইগার স্পিনাররা আজ বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে। রিশাদ হোসেন ও নাসুম আহমেদ তিনটি করে উইকেট নেওয়ার মাধ্যমে দলকে বিপদে ফেলাönen। মিরাজ ও তানভীর ইসলাম দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। ব্যাটিংয়ে শুরুতেই সাইফ ও সৌম্যর রেকর্ড ১৭৬ রানের উদ্বোদনী জুটিতে বাংলাদেশের স্কোর বিশাল ২৯৬ রানে পৌঁছে। দলের ওপর মোস্তাফিজুর রহমানের অনুপস্থিতি ছিল, কারণ তিনি খেলতে আসেননি। সব ওভারই স্পিনাররা করেন, এখন বাংলাদেশ সফলভাবে এই সিরিজ জিতল।

  • এলপিএল স্থগিতের কারণে বিপিএলের সম্ভাবনা উজ্জ্বল

    এলপিএল স্থগিতের কারণে বিপিএলের সম্ভাবনা উজ্জ্বল

    শ্রীলঙ্কায় এলপিএল স্থগিত হওয়ায় দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য নতুন এক আশার আলো দেখিয়েছে। এবারের বিপিএল ঘিরে সৃষ্টি হওয়া বিদেশি ক্রিকেটার সংকটের ঝামেলা কিছুটা কমবে বলে প্রত্যাশা জাগিয়েছে। মূলত, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) ঘোষণা করেছে, এলপিএলের আসর এখন নভেম্বর-ডিসেম্বরের পরিবর্তে অন্য কোনো সময় অনুষ্ঠিত হবে। আগের পরিকল্পনায় ছিল, ২৭ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কলম্বো, ক্যান্ডি ও ডাম্বুলায় এই টুর্নামেন্ট হবে। তবে এখন বলা হচ্ছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ও ভেন্যুগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন কাজে বেশি মনোযোগ দিতে চাইছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। বিশ্বকাপের জন্য ভেন্যুগুলোতে সময়মতো প্রস্তুতি নেওয়া খুব জরুরি, তাই এলপিএল পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কা বোর্ডের মতে, ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বিশ্বকাপের, যেখানে ভেন্যু প্রস্তুতিতে প্রয়োজনীয় সময়ের বিকল্প নেই। আইসিসির নির্দেশনা অনুসারে, ভেন্যুগুলোর সুবিধা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন তুলনামূলকভাবে সময় সাপে গিয়েছে। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজও বর্তমানে স্থগিত রয়েছে, যা মূলত নারী ও মেয়েদের ওভর্স ও বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য। গত দুই বছর এলপিএল অনুষ্ঠিত হয়েছিল জুলাই-আগস্টে, কিন্তু এবার নভেম্বর-ডিসেম্বরে ফের আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। অপরদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই ডিসেম্বরে বিপিএলের আয়োজন করতে চায়, যা প্রায় একই সময় অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টি ও দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সঙ্গে থাকছে। এ সব টুর্নামেন্টের কারণে এমনিতেই বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য প্রতিযোগিতা ও মানের প্রশ্ন উঠছিল। একদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ঘোষণা করছে, পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের দেশের বাইরে এখন অন্য লিগে খেলার অনুমতি দেবে না। এই পরিস্থিতিতে এলপিএলের পিছিয়ে যাওয়াটা বিপিএলের জন্য এক ধরনের স্বস্তির খবর বলেই মনে করা হচ্ছে। ব্যস্ত এই মৌসুমে বিদেশি খেলোয়াড় সংগ্রহের ক্ষেত্রে বর্তমানে কিছুটা হলেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা যায়।