Author: bangladiganta

  • অগ্নিনিরাপত্তা পরিদর্শন সপ্তাহ পালনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    অগ্নিনিরাপত্তা পরিদর্শন সপ্তাহ পালনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনিরাপত্তা প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে এক সপ্তাহব্যাপী অগ্নিনিরাপত্তা পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশ দেন তিনি প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে (সিএও) আয়োজিত এক উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে। শফিকুল আলম, প্রেস সচিব, বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা দেশের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে অগ্নিনিরাপত্তার দুর্বলতা বা ত্রুটি চিহ্নিত করতে এ পর্যাপ্ত সময়ের জন্য অগ্নিনিরাপত্তা প্রস্তুতি পরিদর্শন চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।’ এই সিদ্ধান্তের কথা তিনি বিকেলে, পররাষ্ট্রসেবা একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, যেখানে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. নাজরুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। শফিকুল আলম আরো বলেন, অধ্যাপক ইউনূস দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা সরকারের উপদেষ্টা ও সরকারি সংস্থাগুলোর অগ্নিরক্ষা ব্যবস্থা সরেজমিনে পর্যালোচনা করার জন্য আহ্বান জানান। এর আগে, বৈঠকের সময়ে বাণিজ্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন সম্প্রতিক বিমানবন্দর অগ্নিকাণ্ড পরিস্থিতি বিস্তারিত ব্রিফ করেন। তিনি জানান, কার্গো ও ফ্লাইট পরিচালনা দ্রুতই স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে এসেছে, তবে ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো ভবনটি এখনও পরিদর্শনাধীন। বুয়েটের ড. ফখরুল আমিনের নেতৃত্বে একটি কারিগরি দল ভবনের দ্রুত ব্যবহারযোগ্যতা মূল্যায়ন করছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে সরকার যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডসহ অস্ট্রেলিয়া, চীন ও তুরস্কের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও ফরেনসিক সহায়তা চেয়েছে বলে প্রেস সচিব জানিয়েছেন। তিনি আরো বলেছিলেন, বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ সদস্যদের জন্য বডি-ক্যামরা ও ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনের বিষয়ও আলোচনায় এসেছে, যাতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা যায়। এ বিষয়েও আইনি প্রক্রিয়া এবং ব্যবস্থাপনার কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়।

  • সালমান শাহ খুনের মামলায় ১২ লাখ টাকায় হত্যার সম্ভাবনা ও নতুন জবানবন্দি

    সালমান শাহ খুনের মামলায় ১২ লাখ টাকায় হত্যার সম্ভাবনা ও নতুন জবানবন্দি

    নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যু আজও অনেকে আলোচনায় রেখেছে। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু ঘটলেও, তখন זאת শুধুমাত্র আত্মহত্যা বলে ধরা হয়। তখনকার সময়ে তার সাবেক মেয়ে বন্ধুর বাবা-মা, বিশেষ করে তার শাশুড়ি লতিফা হক লুসি, এই মৃত্যুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা বলে দাবি করেছিলেন। কিন্তু পরিচিত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য নিশ্চিত হয়নি।

    তবে, দীর্ঘ ২৯ বছর পরে এক বিভ্রান্তির অবসান ঘটানোর জন্য মামলা নতুন মোড় নেয়। গত ২০ অক্টোবর আদালত সালমান শাহর মৃত্যুর মামলাকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করার নির্দেশ দেয়। এর একদিনের মধ্যেই রমনা থানায় সালমানের মামা আলমগীর কুমকুম নতুন করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    এই মামলার প্রমাণ হিসেবে উঠে এসেছে এক নতুন জবানবंदी, যা ১৯৯৭ সালে একই সঙ্গে আসামি রেজভীর দেওয়া। এ জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, সালমান শাহকে হত্যার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং এটি আসলে একটি হত্যাকাণ্ড। তিনি জানান, এই খুনের সঙ্গে তাঁর পরিবারসহ আরও অনেকে জড়িত।

    জবানবন্দিতে রেজভী স্বীকার করেন, হত্যার পেছনে ছিল ১২ লাখ টাকা। এর মূল হোতা ছিল সালমানের শাশুড়ি লতিফা হক লুসি। দৃঢ় অভিযোগ আছে যে, খুনের পরিকল্পনায় ছিলেন বাংলা সিনেমার প্রভাবশালী কিছু খলনায়ক- ডন, ডেভিড, ফারুক ও জাভেদ।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর গুলিস্তানের একটি বারেতে ডন, ডেভিড, ফারুক, জাভেদ ও রেজভী প্রথম মিলিত হয়েছিলেন। তখন ফারুক উল্লেখ করেন, তার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা, এবং পরবর্তীতে আরো ৪ লাখ টাকা নেওয়া হয়। এই টাকা মূলত সালমান শাহর হত্যার জন্যই পাঠানো হয়েছিল।

    বর্ণনা অনুযায়ী, ঘটনার রাত আড়াইটার দিকে সালমানের বাড়িতে পৌঁছায় একদল গুপ্তচর। ঘুমন্ত সালমান শাহর ওপর নারকীয়ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে হত্যাকারীরা। সঙ্গে ছিলেন সালমানের প্রেমিকা সামিরা, তার মা লুসি ও একক আত্মীয় রুবি।

    সামিরা ক্লোলোফর্ম দিয়ে সালমানের জ্ঞান হারানোর পর, শুরু হয় ধস্তাধস্তি। সালমানের শরীরে ইনজেকশন পুশ করে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর তার লাশ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

    সালমান শাহের মৃত্যু আজও রহস্যের ঘেরা, অথচ ওই সময় বিভিন্ন তদন্ত কমিটি চেষ্টা করেও প্রকৃত কারণ খুঁজে পেল না। বহু বছর ধরে এ ঘটনাকে একাধিকবার অপমৃত্যু হিসেবে ঘোষণা করা হলেও, আসল সত্য প্রকাশিত হয়নি। ২৯ বছর ধরে চলমান এই মামলার মোট ১১ জন নামের তালিকায় রয়েছে সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম। দ্বিতীয় আসামির তালিকায় রয়েছেন প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, তার শাশুড়ি লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ।

  • জয়া আহসান: পরিচালকের বান্ধবী বা স্ত্রীর মতো সম্পর্ক সম্ভব নয়

    জয়া আহসান: পরিচালকের বান্ধবী বা স্ত্রীর মতো সম্পর্ক সম্ভব নয়

    অভিনয় দিয়ে মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন জয়া আহসান। ঢাকার মেয়ে হয়েও তিনি কলকাতার চলচ্চিত্র জগতে বিস্তৃত দাপট দেখাচ্ছেন এক যুগেরও বেশি সময় ধরে। তবে এই সময়ে বাংলাদেশে তার উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখা গেছে, কারণ অনেকেই তার কারণ খুঁজতে চেষ্টা করেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন জয়া।

    তিনি বলেছেন, ‘তখন বাংলাদেশে আমি যত ধরনের কাজ করতে চেয়েছিলাম, সেই ধরণের কাজগুলো পেতাম না। সেই হতাশার সময় থেকেই আমি কলকাতায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। কারণ আমার শিল্পের প্রতি গভীর সম dedication এবং প্রফেশনাল স্বপ্ন ছিল। আমি বুঝতে পারি, অভিনয় ছাড়া আমার অন্য কিছু করতে পারি না বা ইচ্ছুকও নই।’

    বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কাজ করার জন্য পরিচালকের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক থাকা দরকার বলেও উল্লেখ করেন জয়া। তিনি বলেন, ‘আমি যে পরিচালকদের জন্য সব সময় তৈরি ছিলাম, তারা আমাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করেননি। বাংলাদেশে সাধারণত দেখা যায়, পরিচালকের বান্ধবী বা স্ত্রী থাকলে তার পক্ষে কাজ পাওয়া বা এগোতে পারা সহজ। আমি এসবের সঙ্গে জড়াতে চাই না, চাই না আমার কেরিয়ার এভাবে বাঁধা থাকুক। আমি এসব পরিস্থিতি থেকে নিজেকে বিহ্বল না করেও থাকতে পারি।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘কলকাতায় আমিও একজন আউটসাইডার হয়েছি, তারপরও ভালো চরিত্র দিয়েছেন। ওখানে অনেক নির্মাতাই আমার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন, গল্পের কেন্দ্রবিন্দু করে আমাকে দেখেছেন।’

    এছাড়া জয়া বলেন, ‘অজস্র বাংলাদেশি নির্মাতা এখনো নারীকেন্দ্রিক গল্প বা চরিত্রের ক্ষেত্রে অস্বস্তি বা ভয় পান। সেখানে যদি নারীকে কেন্দ্র করে কিছু কাজ হয়, তবে বা তো সেই নারী তার বান্ধবী বা স্ত্রী হতে হবে, নয়তো বড় তারকা বা সুপারস্টার। একজন সাধারণ শিল্পীর জন্য এই ধরনের বাজি ধরার সুযোগ কম। এগুলোর বাইরেও অনেক ডায়নামিক নির্মাতা কাজ করছেন, আমি তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তবে বলছি, অনেক গুণী নির্মাতা আছেন, যাঁরা আমার বা অন্যান্য উন্নত অভিনেতাদের দিয়ে আরও ভালো কাজ করাতে পারতেন, কিন্তু করেননি।’

    আখ্যানে, জয়া শেষবারের মতো দেখা গিয়েছিল ‘ফেরেশতে’ সিনেমায়। বাংলাদেশ-ইরানের যৌথ প্রযোজনা এই ছবির পরিচালনা করেন ইরানি পরিচালক মোর্তজা অতাশ। সেখানে জয়া ছাড়াও দেখা যায়-shahiduzzaman Selim, শাহেদ আলী, রিকিতা নন্দিনী, শিমু ও সুমন ফারুককে।

  • উপস্থাপক সমৃদ্ধিকে ‘আয়না’ পডকাস্ট থেকে অব্যাহতি

    উপস্থাপক সমৃদ্ধিকে ‘আয়না’ পডকাস্ট থেকে অব্যাহতি

    বিতর্কিত উপস্থাপক সমৃদ্ধি তাবাসসুমকে বেসরকারি টেলিভিশন কোম্পানি একুশে টিভির জনপ্রিয় পডকাস্ট অনুষ্ঠান ‘আয়না’ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে টেলিভিশনের কর্তৃপক্ষ। একুশে টিভির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, ‘‘গুরুতর অসদাচরণের কারণে সমৃদ্ধি তাবাসসুমকে ‘আয়না’ থেকে বিদায় জানানো হয়েছে।’’

    সমৃদ্ধি তার উপস্থাপক ক্যারিয়ার শুরু করেন নাগরিক টিভির একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। এরপর তিনি বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল ও টেলিভিশন শোয়ে উপস্থাপনা করেছেন। তবে তার নামের সঙ্গে কখনো বিতর্কও জড়িয়েছে। তিনি অশোভনীয় প্রশ্নের কারণে অতিথিদের অপ্রস্তুত করে তোলার অভিযোগ উঠেছে, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক चर्चा ও সমালোচনার কারণ হয়েছে।

    অভিনেত্রী ও মডেল পিয়া জান্নাতুলও সমৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘আয়না’ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে সমৃদ্ধি অপ্রত্যাশিত ও অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে থাকলে তিনি বিব্রত বোধ করেন। এসব আলোচনা ও অভিযোগের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • বালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবর্ধন আসরানি ইন্তেকাল করেছেন

    বালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবর্ধন আসরানি ইন্তেকাল করেছেন

    প্রখ্যাত জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা গোবর্ধন আসরানি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন, এবং অবশেষে ৮৪ বছর বয়সে সোমবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে তিনি প্রয়াণ করেন। তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় সান্তাক্রুজের শ্মশানে। ভারতের অন্যতম মূলধারার সংবাদ সংস্থা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

    গোবর্ধন আসরানি ১৯৪১ সালে জানুয়ারি ১ তারিখে জয়পুর, রাজস্থানে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই নাটক ও অভিনয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল তার। পড়াশোনা শেষ করে তিনি অল ইন্ডিয়া রেডিওতে ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে সাহিত্যের শিক্ষক কলাভাই ঠাক্কর থেকে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নেন এবং ১৯৬২ সালে স্বপ্ন নিয়ে মুম্বই চলে আসেন। প্রথমদিকে তার সুযোগ খুব একটা মেলে না, তবে তিনি ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন, যেমন হাম কহাঁ জো রহে হ্যায়, হরে কাঁচ কি চূড়িয়াঁ, উমং ও সত্যকাম ছবিতে। জীবিকার জন্য কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন, যা পরে তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

    ১৯৭১ সালে গুলজার ধন্যবাদ দিয়ে হৃষিকেশ মুখার্জির ‘গুড্ডি’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান। এই ছবিতে জয়া ভাদুড়ীকে নায়িকা হিসেবে নেওয়ার জন্য তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। প্রথম ছবি ‘গুড্ডি’তে তার পারফরম্যান্স দর্শকদের মন জয় করে নেয়, আর এর ফলস্বরূপ তার ক্যারিয়ার দ্রুত এগিয়ে যায়। বলিউডে ‘গোবর্ধন আসরানি’ নামে একজন নতুন মুখের জন্ম হয়। এরপর থেকে তার অভিনয় সুড়ঙ্গের মতো এগিয়ে যায়। বাবার্চি, নমক হারাম, চুপকে চুপকে, অভিমান, চালা মুরারি হিরো বননে, পতি পত্নী অউর ওহ, খুন পসিনা, আমদাবাদ নো রিকশাওয়ালা, একের পর এক ছবি দিয়ে তিনি দর্শকদের হাস্যরঞ্জক করে তুলেছেন।

    তবে তার জীবনের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রটি হল শোলে সিনেমার জেলারের ভূমিকাটি, যেখানে তিনি হাস্যকর আর স্মরণীয় উপস্থাপনায় এক অনন্য চরিত্র তৈরি করেন। এর সুপরিকল্পনা, হাস্যরঙ আর timing এর মাধ্যমে তিনি একচেটিয়া চরিত্র গড়ে তুলেছিলেন, যা আজও ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অমর বন্দরে অবস্থিত।

    অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও ছয়টি সিনেমা পরিচালনা করেছেন। তাকে সর্বশেষ পর্দায় দেখা যায় ২০০৩ সালের কমেডি ছবি ‘নন স্টপ ধামাল’-এ। তার সাফল্যে সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও অভিনেত্রী মঞ্জু আসরানি। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের সান্তাক্রুজের শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এক যুগের হাসির রাজা, বলিউডের চিরপ্রিয় হাস্যকর ব্যক্তিত্ব গোবর্ধন আসরানির মৃত্যুর মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগৎ এক মহৎ প্রতিভাকে হারাল।

  • ৩৫ বছর বয়সে চলেছেন জনপ্রিয় ভারতীয় সংগীতশিল্পী ঋষভ ট্যান্ডন

    ৩৫ বছর বয়সে চলেছেন জনপ্রিয় ভারতীয় সংগীতশিল্পী ঋষভ ট্যান্ডন

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা ঋষভ ট্যান্ডন শরীরের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার মৃত্যু বুধবার (২২ অক্টোবর) দিল্লিতে ঘটে। বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৫ বছর। ভাইরাল ভবানি নামে একটি জনপ্রিয় ইনস্টাগ্রাম পেজে তার মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে দিল্লিতে গিয়েছিলেন সেই সময়ই হঠাৎ তার মৃত্যু হয়।

    ভাইরাল ভবানি লেখে, ‘বিনোদন জগতে এই খবর শিশিরের মতো দুঃখজনক। অত্যন্ত নম্র ও দয়ালু প্রকৃতির এই অভিনেতা ও গায়ক ঋষভ ট্যান্ডন গত রাতে দিল্লিতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মতে, তিনি কিছুদিন ধরে নতুন প্রকল্পে কাজ করে যাচ্ছিলেন এবং বেশ কিছু অসমাপ্ত গানের চিত্রায়ন শেষ করার প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। গান ছিল তার জন্য শুধু পেশা নয়, বরং এক ধরনের আধ্যাত্মিক সাধনা।

    শ্রোতাদের মধ্যে তিনি ফকির নামে পরিচিত ছিলেন। সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও ছিলেন পারদর্শী। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ইয়ে আশিকি’, ‘চাঁদ তু’, ‘ধু ধু করকে’ এবং ‘ফকির কি জুবানি’। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে ‘ইশক ফকিরানা’ গানটি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছিল। তিনি অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘ফকির – লিভিং লিমিটলেস’ ও ‘রাশনা: দ্য রে অফ লাইট’। তার এই অকালপ্রয়াণে ভারতীয় বিনোদন জগতে শোকের ছায়া পড়েছে।’

  • নগর বাউল জেমস ফের বিয়ে করলেন

    নগর বাউল জেমস ফের বিয়ে করলেন

    জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা এবং নগর বাউলের খ্যাতি অনুযায়ী বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী মাহফুজ আনাম জেমস আবারও বিয়ে করেছেন। তার এই নতুন জীবনের জীবনসঙ্গী তিনি আমেরিকা প্রবাসী নামিয়া আমিন। এখন থেকে তার নাম হয়ে গেছে নামিয়া আনাম। ঢাকা মেইলকে নিশ্চিত করেছেন জেমসের ব্যক্তিগত সহকারী রবিন ঠাকুর। এটি তার তৃতীয় বিবাহ।

    জেমস ও নামিয়ার পরিচয় শুরু হয় ২০২৩ সালে, যখন তারা লস অ্যাঞ্জেলেসে এক অনুষ্ঠানে একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হন। তখন জেমসের আমেরিকা ট্যুর চলছিল। লস অ্যাঞ্জেলেসের সেই শো-তে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে, যা সময়ের সঙ্গে প্রেমে পরিণত হয়। ট্যুরের পর জেমস ফিরে আসেন বাংলাদেশে। কিছু দিন পরে, মনের টানে তারা আবার একে অপরের কাছে ছুটে আসেন। শেষ পর্যন্ত, ২০২৪ সালের ১২ জুন, তারা গাঁটছড়া বাঁধেন।

    পরবর্তীতে তারা ঢাকার বনানীর বাসায় একটি সুখী দাম্পত্য জীবন যাপন করছেন। এরই মধ্যে, তাদের জীবনে এক দারুণ সুখবর এসেছে। ২০২৫ সালের ৮ জুন, নিউ ইয়র্কের হান্টিংটন টং হসপিটালে তাদের প্রথম সন্তান, ছেলেজীবনের আনন্দে ভরা, জিবরান আনাম জন্মগ্রহণ করেন।

    জেমস ও নামিয়ার মধ্যে বোঝাপড়া বেশ দৃঢ়। জানা গেছে, নামিয়ার পিতা নুরুল আমিন ও মা নাহিদ আমিন আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। নামিয়াও যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে উঠেছেন এবং একজন প্রশংসিত নৃত্যশিল্পী হিসেবে তার খ্যাতি রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, জেমস আগে চিত্রনায়িকা রথির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তাদের দুটি সন্তান—পুত্র দানিশ ও কন্যা জান্নাত—প্রাপ্ত হয়েছেন। তারা বর্তমানে নিজেদের ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এজন্য জেমসের জীবনে এই নতুন যোগ্যতার গুরুত্ব অনেক। সাধারণত, এই মুহূর্তে তিনি একজন গায়ক হিসেবে তার ক্যারিয়ার উপভোগ করে চলছেন।

    অন্যদিকে, তার প্রথম বিবাহের সন্তান দানিশ ও জান্নাতও নিজেদের পড়াশোনা শেষ করে জীবনযাত্রায় ব্যস্ত। তবে এই নতুন জীবনে জেমসের জন্য এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট বলে মনে করছেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব।

    নতুন জীবন নিয়ে জেমস বলেন, আল্লাহর অশেষ কৃপায় আমি ভালো আছি। আমি চাই যেন সবসময় গান দিয়ে মানুষকে আনন্দ দিতে পারি। আমি সবাইকে প্রার্থনা ও দোয়া করতে অনুরোধ জানাচ্ছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

  • খুলনা ফাইটার কারাতে ক্লাবের অসাধারণ সাফল্য

    খুলনা ফাইটার কারাতে ক্লাবের অসাধারণ সাফল্য

    খুলনা ফাইটার কারাতে ক্লাবের অর্জন বছর ঘুরে বছর আরও বিস্ময়কর হয়ে উঠছে। প্রতিষ্ঠানটি তার প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই জনপ্রিয়তা ও সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি বছরই এখানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও টুর্নামেন্টে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক অর্জিত হচ্ছে, যা এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে।

    তাজা উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়, ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ প্রতিযোগিতা ‘ষষ্ঠ ইন্টারন্যাশনাল ওপেন কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৫’। ওই প্রতিযোগিতায় খুলনা ফাইটার কারাতে ক্লাবের খেলোয়াড়রা বিশাল সাফল্য লাভ করে। তারা মোট ৮টি স্বর্ণ, ১৭টি রৌপ্য এবং ২৩টি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে। এই প্রতিযোগিতা যশোরের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়রা হলেন – সিয়াম, সামিন, সাজিম, ফারহান, রাফি, মাতিন, রিমি ও তানিয়া। এর পাশাপাশি, রৌপ্য পদকপ্রাপ্তরা হলেন – ওয়ালিদ, আহনাফ, শেখর, জিতু, মুগ্ধ, নাজিফা, মারজিয়া, এঞ্জেল, ফারিয়া, জেনান, ইরা, সুফী, জারা, অথৈ, মাতিন আহসান, রেজোয়ান ও তাবাছ্ছুম। ব্রোঞ্জ পদক বিজয়ীরা হচ্ছেন – তাসফিয়া তাহিয়া, রোজা, মারসা, মাহি, সৌরভ, অঙ্কুশ, জিতু, অরিন, রাহিল, মেহরাজ, অওরা, মরিয়ম, ফারজুন, ইসরাত জাহান, রারোই, জ্যোতির্ময়ী, ফিরোজা, রইফু, জয়, মেহেদী হাসান, তাসনিম বিনতে শরিফ ও জাহিদ হাসান।

    খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে দীর্ঘদিন ধরে এই কারাতে প্রশিক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন মোঃ রফিকুল ইসলাম, যিনি মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে খেলোয়াড়দের পারফরমেন্সে অবদান রেখে আসছেন। তাঁর প্রশিক্ষণে ধীরে ধীরে এই ক্লাবের পারফরমেন্স উন্নতি হচ্ছ এবং নতুন নতুন স্বর্ণ পদক জেতা খেলোয়াড় তৈরি হচ্ছে।

    বাংলাদেশ সোতোকান কারাতে এসোসিয়েশনের খুলনা বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কোচ সিহান মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘৮০’র দশক থেকে খুলনায় কারাতে প্রশিক্ষণের সূচনা হয়। তখন থেকেই এগিয়ে আসার পথ চালিত হয়ে আসছে। তবে কিছুটা হতাশা ব্যক্ত করেন, কারণ রেফারির মান ভালো না থাকার কারণে কিছু সিদ্ধান্তে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। যথাযথ রেফারিং থাকলে আরও বেশি পদক অর্জিত হতে পারত। তিনি আশাবাদী, ভবিষ্যতে এই খাতে আরও উন্নতি হবে এবং আমাদের খেলোয়াড়রা আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে।’

    এসব সফলতা কল্যাণে, খুলনা জেলা ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো নতুন প্রেরণা পায়, যাতে করে ভবিষ্যতেও আরও অনুপ্রেরণামূলক কর্মসূচী ও পর্যায়ক্রমে অর্জন লক্ষ্য করা যায়।

  • মুক্তিপণ না দিতে পেরে প্রাণ গেল গোলরক্ষকের

    মুক্তিপণ না দিতে পেরে প্রাণ গেল গোলরক্ষকের

    সেনেগালের ১৮ বছর বয়সী তরুণ গোলরক্ষক শেখ তোরে ফুটবল ক্যারিয়ার গড়ার আশায় বিদেশি ক্লাবের ট্রায়ালে অংশগ্রহণের জন্য যান। তখন স্বপ্ন দেখছিলেন একদিন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেকে হাজির করবেন। তবে সেই স্বপ্নই এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে তিনি অপহরণের শিকার হন এবং তারপর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

    শেখ তোরে ছিলেন সেনেগালের ‘এস্প্রী ফুট ইয়েমবেল’ ফুটবল একাডেমির একজন পরীক্ষানিপুণ ভবিষ্যত ফুটবল তারকা। উন্নত প্রশিক্ষণের প্রত্যাশায় তাকে একটি প্রতারকচক্র ঘানা নামে পরিচিত এক দেশে নিয়ে যায়। কিন্তু ঠিক পৌঁছানোর পরই তাকে অপহরণ করে এই চক্র এবং পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে।

    দুর্ভাগ্যবশত, তোরের পরিবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মুক্তিপণের অর্থ জোগাড় করতে না পারায়, তারা নির্মমভাবে তাকে হত্যা করে। এই শহীদ جوانের মুক্তিপণের জন্য বঞ্চিত হয়ে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    সেনেগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনা নিশ্চিত করেছে, এবং জানানো হয়েছে যে, দুই দেশের সরকার যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। এছাড়াও, শেখ তোরের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সকল প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান। এই মর্মান্তিক ঘটনায় ক্রীড়াজগতে শোকের সুবাতাস বইছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না তা নিশ্চিত করতে চলছে নিরাপত্তা ও সতর্কতা বাড়ানোর প্রস্তুতি।

  • ভারতীয় দল ট্রফি গ্রহণে নাকভির শর্তে বিতর্ক

    ভারতীয় দল ট্রফি গ্রহণে নাকভির শর্তে বিতর্ক

    এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ভারতের জয়োৎসব চলার মাঝেই শুরু হয় ট্রফি বিতর্ক। ফাইনালের পরে পাকিস্তানকে হারানোর পরও, ভারতীয় খেলোয়াড়রা মহসিন নাকভি, পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেননি। ম্যাচের এক ঘণ্টা পরে নাকভি নিজেই মাঠ ছেড়ে ট্রফি সরিয়ে নেন, ফলে ভারতীয় দল আসল ট্রফি ছাড়াই দেশে ফিরে যায় এবং প্রতীকীভাবে শিরোপা উদযাপন করে। অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মহসিন নাকভি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে সমর্থনের অভিযোগ রয়েছে, এ কারণেই ভারতীয় খেলোয়াড়রা তার হাত থেকে ট্রফি নিতে চাননি। এই বিতর্কের কারণে ভারত এসিসিকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে, যেখানে জানানো হয়েছে যে, ১০ নভেম্বর দুবাইয়ে একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে ট্রফি হস্তান্তর করার জন্য আলোচনা চলেছে। উল্লেখ্য, এবারের এশিয়া কাপের তিনটি ম্যাচের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে হয়েছে তিনটি, যার প্রতিটিতেই ভারত জয়লাভ করে। তবে, কোনো খেলোয়াড় একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাননি। প্রথম ম্যাচের জয়টি উৎসর্গ করা হয় কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ভারতীয় সেনাদের উদ্দেশে, যার জন্য অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদবকে আইসিসি ৩০ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা করে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পেসার হারিস রউফ রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শনের জন্য দ্বিতীয় ম্যাচে জরিমানা 받고, এই বিষয়টি নিয়ে বিসিসিআই ভবিষ্যত আলোচনা করতে পারে আইসিসি ও এসিসি বোর্ড সভায়।