Author: bangladiganta

  • দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন স্থগিত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সিদ্ধান্ত

    দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন স্থগিত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সিদ্ধান্ত

    খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের আগামী ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠানের কথা ছিল নির্বাচন। এর জন্য আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) মনোনয়ন ফরম বিতরণের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু হঠাৎ কাজের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যক্ষ মনিরুল হক বাবুল কোনও আলোচনা বা ঘোষণা ছাড়াই ফরম বিতরণের কার্যক্রম ও নির্বাচনের তারিখ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছেন বলে মৌখিকভাবে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে স্থগিতের কোনও কারণ স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।

    প্রেসক্লাবের সদস্যরা মনে করছেন, একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের দিকে লক্ষ্য করে নির্বাচনের ধারাবাহিকতাকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলা স্তরের সাংবাদিক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলও এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার মৌখিকভাবে জানান, অনিবার্য কারণবশত ফরম বিতরণ এবং নির্বাচনের কার্যক্রম আগামী সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তবে এই স্থগিতের কারণের বিস্তারিত ব্যাখ্যা না মেলার কারণে সংশ্লিষ্টরা হতাশ হলেও, তারা আশা করেন যে, খুলনা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রেসক্লাবের পরিবেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখতে সকলের প্রত্যাশা রয়েছে।

  • অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবর মাসের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসী পাঠানো অর্থের পরিমাণ reaching ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২১.৭৫ টাকায় গণনা)। এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর। চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসী আয় পুরানো বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় ছিল ১৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। যদিও, সেপ্টেম্বরের তুলনায় এই মাসে সামান্য কম রেমিট্যান্স এসেছে; সেপ্টেম্বরে প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসী আয় ছিল ১৬১ কোটি ১৫ লাখ ডলার। একই সময়ে, জুলাই থেকে অক্টোবরের প্রথম ১৮ দিনে, মোট প্রবাসী আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩.৬ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় এসেছে ৯১৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যেখানে গত বছর একই সময়ে ছিল ৮০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সাম্প্রতিক এই ধারা অব্যাহত থাকায় দেশে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী হচ্ছে।

  • কার্গো টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি খাতে ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    কার্গো টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি খাতে ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেশের রপ্তানি খাতে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক ধারনা অনুযায়ী, এই ঘটনায় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা অর্থাৎ বারো হাজার কোটি টাকার পণ্যের ক্ষতি হয়েছে। আজ (২০ অক্টোবর, সোমবার) রপ্তানি ও শিল্পখাতের নানা সংগঠনের মিলিত প্ল্যাটফর্ম, এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি), এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করে। এই সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে শুধু ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, বরং সরকারের আকারেও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা নষ্ট হয়েছে এবং মূল বাজার হারানোর আশঙ্কা গড়িয়ে আসছে। মোহাম্মদ হাতেম আরও বলেন, আমরা চাই এই ঘটনার সুষ্ঠু ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন করে সরকার ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করে দ্রুত পুনরুদ্ধারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। শাহজালাল বিমানবন্দর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের হৃদয়ের কেন্দ্রবিন্দু—এখানে এমন অঘটন ফের বলতে চাই না। সংবাদ সম্মেলনে ইএবি নেতারা বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং অঞ্চল দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। এখানে প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের পণ্য ওঠানামা করে। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতার ঝলকানি। তারা প্রশ্ন তোলে—এখানে কি কোনো স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন বা ফায়ার প্রোটেকশন সিস্টেম ছিল? অগ্নিকাণ্ডের সময় বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং টিম কী অবস্থানে ছিল? বাইরে থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে এতটা সময় কেন লেগে গেল? নেতারা অভিযোগ করেন, সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ (সিএএবি), কাস্টমস হাউস ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স—এই তিন সংস্থা বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালের দেখভাল অভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এই অগ্নিকাণ্ডে পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, ফলমূল, ওষুধের কাঁচামালসহ বিভিন্ন ধরনের রপ্তানি পণ্য পুড়ে গিয়েছে। অনেক ক্রেতা তাদের অর্ডার বাতিল করেছেন এবং বিদেশি ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি জানানো হয়, যার মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত বিমা দাবি নিষ্পত্তি, বীমার আওতার বাইরে থাকা পণ্যগুলোর জন্য বিশেষ সরকারি তহবিলের ব্যবস্থা, বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং আধুনিক ও নিরাপদ করার উদ্যোগ, রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়নের পদক্ষেপ, আধুনিক স্ক্যানার ও মনিটরিং সিস্টেমের স্থাপন, কার্গো ব্যবস্থাপনার ডিজিটালাইজেশন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার। তারা আরও দাবি করেন, এই অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ—সিভিল এভিয়েশন, কাস্টমস ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করা দরকার। এতে এই ধরনের দুর্ঘটনা ভবিষ্যতে আর যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করার প্রত্যাশা রয়েছে।

  • রেকর্ডের পর স্বর্ণ-রুপার দাম কমলো

    রেকর্ডের পর স্বর্ণ-রুপার দাম কমলো

    বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবার কমানো হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দামের পতন। দেশের স্বর্ণের বাজারে এ মূল্য কমার ফলে আমদানিকারক, বিক্রেতা এবং সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এটি সুখবর। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন দরের কার্যকর হবে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    বাজারে স্বর্ণের দাম এই প্রথমবারের মতো এত বেশি কমলো, যার ফলে মানুষ আরো বেশি স্বর্ণ কেনার উৎসাহ পাচ্ছেন। এই দাম কমানোর সিদ্ধান্তটি বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠক শেষে নেওয়া হয়, যেখানে এই মূল্যস্খাৎ নিশ্চিত করা হয়েছে। আবারও এটা জানানো জরুরী যে, এর আগে ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল, যার ফলে স্বর্ণের দাম সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছিল। সেই মুহূর্তে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা।

    নতুন দরে, বিশেষ করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক ভরি কমে দাঁড়ালো ২ লাখ ৮ হাজার ৩৮২ টাকা। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা, যা আগে ছিল ২ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়াও, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৪ টাকায় দাঁড়িয়েছে, আর সনাতন পদ্ধতিতে এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ১৪২,২২৯ টাকা।

    উল্লেখ্য, এর আগেও ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা বেড়েছিল। তবে এই নতুন পরিবর্তনের মাধ্যমে বাজারে স্বর্ণের মূল্য আরও স্বস্তির জোড়ালো বার্তা পাঠিয়েছে।

    অন্যদিকে, রুপার দামের ক্ষেত্রেও এই মূল্যস্খাৎ দেখা গেছে। ২২ ক্যারেটের রুপার দাম এক ভরি কমে ৫ হাজার ৪৭০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫,২১৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৬৭ টাকা আর সনাতন পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৩৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, ২০ অক্টোবর ৬ হাজার ২০৫ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্যারেটের রুপার দাম বাড়ানো হয়েছিল, কিন্তু এখন মোট মূল্য ফের কমেছে।

    সার্বিক পরিস্থিতিতে, এই দাম কমানোর ফলে ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনাকাটার সুযোগ আরও সুগম হচ্ছে এবং বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে।

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত কয়েক মাসের ধারাবাহিক উন্নতির ফলস্বরূপ বর্তমানে ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শক্তিশালী রিজার্ভের এই প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে রেমিট্যান্স প্রবাহের বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালিত ডলার বিক্রির নিলাম কার্যক্রম।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.১১ বিলিয়ন ডলার। এফএমএফের অর্থনৈতিক ফরমুলা অনুযায়ী (আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি) গণনায় রিজার্ভের পরিমাণ বর্তমানে ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, গত ৯ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলার, আর আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী তা ছিল ২৭.১২ বিলিয়ন ডলার।

    রিজার্ভের এই বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, দেশের উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার বিক্রির নিলামে কার্যক্রম। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার কিনেছে, যা ১৩ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে।

    বর্তমানে এই সব অভিন্ন কার্যক্রমের ফলস্বরূপ বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রস রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে, এবং আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ২৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এই শক্তিশালী রিজার্ভ বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে দাঁড়ানো।

  • বাংলাদেশে ৫০ হাজার মোবাইল ব্যাংকের জোয়া ও প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত

    বাংলাদেশে ৫০ হাজার মোবাইল ব্যাংকের জোয়া ও প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত

    বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জননিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) জুয়া ও প্রতারণায় জড়িত থাকা ৫০ হাজারেরও বেশি মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছে। এই অ্যাকাউন্টগুলো ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি মাস পর্যন্ত সময়ে ফ্রিজ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত ‘অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক এক সভায় বিএফআইইউর প্রতিনিধির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    সভায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, ডিজিএফআই (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স), এনএসআই, এনটিএমসি, সিআইডি, বিএফআইইউ, মোবাইল অপারেটরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। একজন বিএফআইইউ কর্মকর্তা নাম প্রকাশের শর্তে জানান, জুয়া ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম রোধে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টগুলো ব্লক করে বার্তা প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের অ্যাকাউন্টগুলো থেকে একে অপরের মধ্যে টাকা লেনদেনের বিষ্ময়কর বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নির্ভর করে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাদের কাছে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

    অতিরিক্ত ডিবেঙ্গু কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনলাইন জুয়া ও আর্থিক প্রতারণার জন্য বেনামি সেনের ব্যবহার বাড়ছে। ভুয়া সিম বিক্রি, মানুষের আঙুলের ছাপের ব্যবহার, বিকাশের নকল অ্যাপ, এবং ডার্ক ওয়েবে ব্যক্তিগত ডেটা উপলব্ধ হওয়ার মতো নানা অপরাধের খবরও উঠে এসেছে।

    সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, বলেন, সরকার বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়েও এখনো কিছু গণমাধ্যমের অনলাইন পোর্টাল জুয়া ও অনিরাপদ কনটেন্ট প্রচার করছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি আর چنین অপরাধমূলক বিজ্ঞাপন প্রচার চলতে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট মিডিয়া পোর্টালগুলো অচিরেই বন্ধ করে দেওয়া হবে। গত ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত জুয়া বিজ্ঞাপন বন্ধের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল, তবে অনেক মিডিয়া এতে complied করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, গত মে মাস থেকে এই পর্যন্ত সরকার মোট ৪,৮২০টি এমএফএস নম্বর এবং ১,৩৩১টি ওয়েব পোর্টালের লিংক শনাক্ত ও বন্ধ করেছে। তবে, নতুন করে সিগন্যাল বা আইপি পরিবর্তন করে এই চক্রগুলো আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। নম্বর বা ওয়েবসাইট ব্লক করলেও তারা নতুন অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল গ্রুপ গঠন করে আবার জুয়া ও প্রতারণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক টেকনোলজি ব্যবহারের মাধ্যমে এ ধরনের প্রতারণার মোকাবেলার জন্য স্বতন্ত্র চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয় সরকার। এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই প্রতারণা এক উপায়ে বন্ধ করলেও নতুন উপায়ে আবার চালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। তবুও, সরকারের অঙ্গীকার এই ধরনের জাল ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম কঠোর ব্যবস্থায় নিষিদ্ধ ও বন্ধ করার।

  • নভেম্বরে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান

    নভেম্বরে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান

    আগামী নভেম্বরের মধ্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি একটি বৃহৎ জোট গঠনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর অংশ হিসেবে তিনি আলোচনা করে যাচ্ছেন ন্যাশনাল কনসোলিডেশন পার্টি (এনসিপির) সঙ্গে। তবে, এ জোটে যুক্ত হওয়া বা না হওয়ার বিষয়ে কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সেটি দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    আরপিও (নির্বাচনী আচরণবিধি) সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, বেশ কিছু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তবে, ২০/১ উপধারার অধীনে জোটভুক্ত দলগুলো অন্য দলের নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে—এমন পরিবর্তনের বেশ কিছু দল সম্মত ছিল। তারা আশঙ্কা করেছিলেন, যদি এই সংশোধনী পাস হয়, তবে ছোট দলগুলো আর বেশি সুবিধা পাবেন না। এর ফলে, ছোট দলগুলোর নেতাদের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি হবে না বলে তিনি মত ব্যক্ত করেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, এই আরপিও সংশোধনী একতরফাভাবে পাস হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি চাইছে বহুদলীয় একটি সমৃদ্ধ সংসদ। এজন্য তিনি পুনর্বিবেচনার জন্য আহ্বান জানান। এরপর দলটি চিঠি দিয়ে আপত্তি জানাবে বলে জানানো হয়।

    তারেক রহমান ২০০৭ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন এক-এগারোর সেনা সমর্থিত সরকার ক্ষমতায় আসার পরে গ্রেফতার হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে জরুরি অবস্থার সময় কারামুক্ত হয়ে তিনি যুক্তরাজ্যে চলে যান পরিবারসহ। তখন থেকে তার অনুপস্থিতিতে বিভিন্ন মামলা হয়, যার মধ্যে পাঁচটি সাজা হয় এবং শতাধিক মামলার প্রক্রিয়াও চলমান থাকে। এসব মামলা ও তার বক্তব্যের প্রচার নিয়ন্ত্রণে আবদ্ধ ছিল।

    তবে, গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দাবিতে ছাত্র-জনতা আন্দোলন শুরু হলে পরিস্থিতি বদলে যায়। তারেক রহমান দেশে ফেরার জন্য প্রস্তুতি নেন। সব মামলা থেকে তিনি ইতোমধ্যে খালাস পান, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে দেশে ফিরেননি।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিবিসি বাংলাকে বলেন, তিনি শিগগিরই দেশে ফিরবেন। এরপর থেকে ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনের তফসিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার আগে তিনি দেশে ফিরবেন। আনুষ্ঠানিকভাবে মূল নেতৃত্ব ও প্রার্থী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে ধারণা। নিজে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারেও তিনি আগেই আশ্বাস দিয়েছেন।

    অন্তর্দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, আগামী নির্বাচনে তারেক রহমান অংশ নেবেন। নির্বাচিত হলে তিনি হয়তো খালেদা জিয়াকেই প্রধানমন্ত্রী করবেন—এটি এখনো স্পষ্ট নয়। দলের তথ্যানুযায়ী, যদি খালেদা জিয়া সুস্থ ও সক্ষম হন, তবে তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন। অন্যথায়, সম্ভাব্য হিসেবে তারেক রহমানই হতে পারেন প্রধানমন্ত্রী বলে মনে করা হচ্ছে।

  • এনসিপিতে আছি, সরকার গঠন পর্যন্ত দলের সাথেই থাকবো: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    এনসিপিতে আছি, সরকার গঠন পর্যন্ত দলের সাথেই থাকবো: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রধান সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মনে করেন যে তিনি পদত্যাগের গুজবের কোনও সত্যতা লক্ষ্য করেননি। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, তিনি এখনো এনসিপির সাথে আছেন এবং সরকার গঠন পর্যন্ত দলের সঙ্গে থাকবেন। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। কেউ কেউ অনুসন্ধানে নামে বলে পরিচিত থাকলেও, তারা ভুল পথে এগোচ্ছেন। তিনি আরও জানান, সত্যি বলতে গেলে দেশের দুর্নীতির ধারা এখনও অব্যাহত রয়েছে। আগে যেখানে বিভিন্ন দুর্নীতির ঘটনা ঘটত, এখনো তারই অবস্থা দেখা যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের আমলাতন্ত্র থেকে শুরু করে সচিবালয়, প্রতিটি স্তরেই এই দুর্নীতির অব্যাহততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, কোথায় দুর্নীতি হচ্ছে, সে বিষয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আরও বেশি প্রয়োজন।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ব্যক্তিগতভাবে বলেছেন, রাতের মধ্যেই অপপ্রচার ও গুজব ছড়িয়ে পড়ছে, যা অপসাংবাদিকতার শামিল। তিনি আরও জানান, এই ধরণের অপপ্রচার থেকে বেরিয়ে আসা গুরুত্বপূর্ণ।

    তিনি অভিযোগ করেন, একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, যাদের নিজস্ব পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেল রয়েছে, তারা যেন সত্যিকার সাংবাদিকতায় বাধা সৃষ্টি করছে। তিনি দেশের সুস্থ ও স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য সকল প্রকার অপছাত্রতা ও অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানান।

    এদিকে, গতকাল রাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় যে, এনসিপির এই নেতা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সেই খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দেওয়া হয় এবং স্পষ্টভাবে জানানো হয় যে, তিনি এখনও দলের সঙ্গে আছেন এবং কোনও পদত্যাগের বিষয়টি সত্য নয়।

  • বিএনপির ৭ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    বিএনপির ৭ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    বিএনপি তাদের দলের আদর্শ ও শৃঙ্খলা বিপর্যয়কারী কার্যকলাপের কারণে সম্প্রতি বহিষ্কার হওয়া সাত নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে। শুক্রবার দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

  • মির্জা ফখরুলের Everyone should participate in elections to restore democracy

    মির্জা ফখরুলের Everyone should participate in elections to restore democracy

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জানান, সংস্কার সনদে স্বাক্ষরকারী দলগুলোর ঐক্যের মাধ্যমে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই। গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারে সবাইকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

    শনিবার (২৫ অক্টোবর) শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়া দিগন্তের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, নয়া দিগন্ত আমাদের জন্য এক সংগ্রামের নাম। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে এই পত্রিকার সাংবাদিক, সম্পাদক, প্রকাশক ও কর্মীরা অক্লান্ত নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তারপরও তারা ধৈর্য্য, সতর্কতা এবং বিচক্ষণতার সঙ্গে সত্যের সংবাদ পরিবেশন করে গেছেন।

    তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে এই পত্রিকার সাংবাদিকদের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ দমন-পীড়ন। তবুও তারা গণমানুষের চেতনা ও সত্যের পক্ষে আওয়াজ তুলে গেছেন। এই সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের জন্য তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রকামী শক্তিগুলোর ওপর ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়নের কথা যুগে যুগে জাতি ভুলে যায়নি। ষাট লাখের বেশি শ্রমিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, বিশ হাজারের বেশি নেতাকর্মীর হত্যাকাণ্ড ও গুমের শিকার হওয়া হলো এর নজির। জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নয়া দিগন্তের মালিক মীর কাসেম আলী, সালাউদ্দিন কাদেরসহ অনেকে আলেম-ওলামাকে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এসব মানবতার ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়।

    তিনি বলেন, দেশের আমজনতা স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চায়— এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে বিদেশি শক্তির দখলে নয়, জনগণের ইচ্ছা অনুসারে চলে। নয়া দিগন্ত এই লক্ষ্য ও লক্ষ্যক্রমে গণমানুষের স্বর হয়ে কাজ করে চলেছে।

    ১৯৭৫ সালের বাকশাল শাসনের সময় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণের দুঃস্বপ্নের স্মৃতি উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ওই সময় সাংবাদিকরা বেকার হয়ে পড়েছিলেন, কেউ কেউ রাস্তায় হকারি করতে বাধ্য হয়েছিলেন। পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনর্বসিত করেন।

    তিনি বলেন, নয়া দিগন্ত সবসময় সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে অর্ধশতকও বেশি সময়ে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দলের পক্ষ থেকে সম্পাদক, প্রকাশক, রিপোর্টার ও সকল কর্মীদের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

    বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সকল নয়া দিগন্ত পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান।