Author: bangladiganta

  • বেগম জিয়ার মৃত্যুতে দায় হাসিনা ও তার সরকারের, আইন উপদেষ্টা বলেন

    বেগম জিয়ার মৃত্যুতে দায় হাসিনা ও তার সরকারের, আইন উপদেষ্টা বলেন

    বাংলা politieke দুনিয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে। আইন উপদেষ্টার মতে, এই মৃত্যু সাম্প্রতিক সরকারের, বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট মুখোশ পরে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের প্ররোচনামূলক ও অন্যায় সিদ্ধান্তের ফল। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    আসিফ নজরুল বলেন, খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং ষড়যন্ত্রমূলক সাজানো রায় দিয়ে জেলখানায় আটকে রাখা হয়েছিল, যা নিঃসন্দেহে অহিংস ও নির্মম নির্যাতন। তার দেখানো বারবার আদালতের রায় ও সংবিধানের প্রতি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দ্ব্যর্থকতা এই সত্যকে আরও স্পষ্ট করেছে। তিনি দাবি করেন, অবিচার ও নিপীড়নের এই পরিস্থিতিতে দেশের ইতিহাসের এই নেত্রীর মৃত্যুর জন্য পুরোপুরি দায়ী বর্তমান সরকারের প্রধান ব্যক্তি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, সরকার খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য সম্ভব সবকিছুই করেছে। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে সবসময় খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। যদি তার অবস্থা কিছুটা ভালো হতো, তাহলে হয়তো তাকে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হতো। তবে, ভাগ্যক্রমে তিনি আমাদের ছেড়ে গেলেও, দেশের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিয়ে বিদায় নিলেন।

    শীঘ্রই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আদালত ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে এক জরুরি বৈঠক করবে, যেখানে খালেদা জিয়ার জানাজার অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, জানাজার স্থানসহ সব ধরনের সহযোগিতা অন্তর্বর্তী সরকার দিয়ে পাওয়া যাবে।

    অতিরিক্তভাবে, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় জানানো হয়, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা ও সকল আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করা হবে। এর আগে, বাংলার এই বড় নেত্রীর সঙ্গে শেষবারের মতো কথোপকথন হয়েছিল সশস্ত্র বাহিনী দিবসে, যেখানে তিনি দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন।

    আসিফ নজরুল বলেন, এই মুহূর্তে দেশের মানুষের হৃদয়ে খালেদা জিয়ার স্থান অটুট ও অক্ষয়। তার পাপড়ির মতো স্থায়িত্ব, তার জন্য দেশের প্রতিটি মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ভবিষ্যতেও অম্লান থেকে যাবে। তার জানাজার নামাজ যথাযথভাবে, শৃঙ্খলার সঙ্গে, ভাবগম্ভীর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

    সুরক্ষা ও শোকের স্মারক হিসেবে জানানো হয়, ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন দিন সারাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এছাড়া, এ সময়ে সরকারি সব ধরনের অনুষ্ঠান ও সরকারি কর্মসূচি বন্ধ থাকবে।

    মঙ্গলবার ভোর ৬টা দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, কিন্তু তার স্মৃতি, মূল্যবোধ এবং নেতৃত্বের প্রভাব চিরদিন বাংলার মানুষের হৃদয়ে অম্লান থাকবেন।

  • তারেক রহমানের মাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট, দোয়া চান

    তারেক রহমানের মাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট, দোয়া চান

    সদ্য মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার। এই শোকাহত দেশের মানুষ অন্ধকারে ডুবে গেছে, বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে শোক প্রকাশ করছেন। সরকারও এই দুঃখের সময় শোকপ্রকাশে ঘোষণা দিয়েছে।

    বিপুল শোকের মধ্যেই তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আবেগময় পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, মা—বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, দেশের স্বার্থে সর্বশক্তিমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ (মঙ্গলবার) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    তারেক রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে উল্লেখ করেন, অনেকের কাছে তিনি গণতন্ত্রের মা, আপোষহীন নেত্রী, দেশের মূল নেতা। আজ দেশের জন্য গভীর শোকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন, এক এমন পথপ্রদর্শককে হারানো, যিনি গণতন্ত্রের পথে অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন এবং এর জন্য অক্লান্ত সংগ্রাম করেছেন।

    তিনি বলেন, আমার জন্য তিনি একজন মাতৃপ্রেমী মা, যিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশের উন্নয়ন ও মানুষের সেবায়। তিনি স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সবসময় লড়েছেন, দেশের স্বাধিকার, সুষ্ঠু শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।

    মাকে স্মরণ করে তিনি লিখেছেন, ত্যাগ ও সংগ্রামে পরিপূর্ণ এই মানবী পরিবারের একমাত্র খুঁটি, এমন একজন আলোকবর্তিকা, যাঁর অভিন্ন ভালোবাসা আমাদের সব শক্তি ও প্রেরণা জুগিয়েছে। তিনি বারবার গ্রেফতার হয়েছেন, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তারপরও তাঁর সাহস, সহানুভূতি ও দেশপ্রেমের মধ্য দিয়ে পরিবারকে তিনি শক্তিশালী করেছেন।

    পরিবারের বয়ান তুলে ধরে তিনি জানিয়েছেন, দেশের জন্য তিনি স্বামী-সন্তান হারিয়েছেন। সেই ত্যাগের মধ্য দিয়ে তিনি দেশের মানুষই became his extended family, his identity, his existence. তার কর্ম জীবন রেখে গেছেন এমন এক ইতিহাস, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    শেষে, তিনি দোয়া চেয়ে বলেছেন, সকলেই তাঁর মা-এর জন্য দোয়া করবেন। দেশের প্রতি তাঁর আস্থা, ভালোবাসা ও বিশ্বস্ততা তার পরিবারের প্রতি আজও অটুট, এবং আবেগময় এই শোকার্ত পরিবার সমস্ত দেশের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ।

    মঙ্গলবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। বিকেল ছয়টার দিকে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • খালেদা জিয়ার দাফন-জানাজা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় হবে: প্রেস সচিব

    খালেদা জিয়ার দাফন-জানাজা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় হবে: প্রেস সচিব

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এভারকেয়ার থেকে শুরু করে তার জানাজা ও দাফনের পুরো প্রক্রিয়ায় মোতায়েন থাকবে ১০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভার পরে এই তথ্য জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    প্রেস সচিব জানান, খালেদা জিয়ার মরদেহের দাফন ও জানাজা সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় থাকবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এটি পরিচালনা করার জন্য ১০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর পাশাপাশি, খালেদা জিয়ার জানাজায় উপস্থিত থাকবেন তার প্রধান উপদেষ্টা সহ সব উপদেষ্টা।

    এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সভায় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম উপদেষ্টা আ ফম খালিদ হোসেন, আইন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, নৌপরিবহন ও শ্রম বিভাগে উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, স্থানীয় সরকার, শিল্প ও গৃহায়ন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও রেলপথের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মুক্তিযুদ্ধ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।

    এছাড়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

  • হাদিকে নিয়ে পোস্টে চমক-ামানুমকে হত্যার হুমকি

    হাদিকে নিয়ে পোস্টে চমক-ামানুমকে হত্যার হুমকি

    সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফুল ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনায় পুরো দেশেই তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। আকস্মিক এই হামলায় গুরুতর আহত হন হাদির পরিবার ও অনুসারীরা, এবং তার সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর মধ্যে দোয়া ও সমবেদনা জানান বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ। জনপ্রিয় দুই শোবিজ তারকা, যারা হাদির জন্য দোয়া ও সমর্থন জানাচ্ছেন, তারা ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের হাতে বিচারের দাবিও তুলেছেন।

    এদিকে, হাদিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করার পর চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন, নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ ও ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই হুমকির মধ্যে রয়েছে চমকের ফোন নম্বর ফাঁসের ঘটনা এবং তাঁদের অবস্থান বা লোকেশনের ট্র্যাকিং করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

    নির্মাতা মামুন সামাজিক মাধ্যমে এই হুমকির বিষয়টি জানিয়ে লিখেছেন, ‘হাদিকে নিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর থেকে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা জানে না, হাদি আমার জন্য একটি ভালোবাসার নাম। আমি মৃত্যুভয়কে কখনও মানি না। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, আমার বিশ্বাস আমাকে আল্লাহই রক্ষা করবেন।’

    অন্যদিকে, ডাল্টন সৌভাতো হীরা নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এই হুমকি বাতচিত হচ্ছে, এর আগে শরিফুল ওসমান বিন হাদির অনুরূপ হুমকি দেওয়া হয়েছিলো এই অ্যাকাউন্ট থেকে।

    আলোচিত নির্মাতা অনন্য মামুন সম্পর্কে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘এ বাটপারের নাম উল্লেখ করতেও ভুলে গিয়েছিলাম। অনন্য মামুন—দ্য পিম্প। ও যেন শান্তিপূর্ণভাবে থাকুক। আর ওর চলচ্চিত্র যেন কেউ প্রডিউস না করে, এতে নিজেরই ক্ষতি হয়ে যাবে।’

    আর, বান্নাহ ও চমককে কাজে ডাকা বা না ডাকার বিষয়ে হুমকি দাতা লিখেছেন, ‘মাবরুর রশীদ বান্না ও রোকেয়া জাহান চমক, বঙ্গবন্ধুর ৩২ ভাঙার পর যারা কুৎসিত উল্লাস করেছে, যদি কেউ তাদের কাজে ডাকে, সেটি যেন নিজের দায়ে নেয়। এই নব্য রাজাকারের সঙ্গে কাজ করাটা আপনার নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কেউ যেন এই দুইজনের লোকেশন ট্র্যাক করে এবং প্রয়োজন অনুসারে তাদের কাছে পৌঁছে। এই তথ্য আমাদের আইটি টিমের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে, যাতে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।’

  • অভিনেত্রীর মধ্যে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তা, ওড়না ধরে টান

    অভিনেত্রীর মধ্যে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তা, ওড়না ধরে টান

    অনুরাগীরা সর্বদা তাদের পছন্দের তারকাদের সঙ্গে ছবি তুলতে উদগ্রীব থাকেন। অনেক সময় তারা প্রিয় অভিনেতাকে স্পর্শ করেন বা ফ্রেমবন্দি হওয়ার সময় কাছ থেকে আকর্ষণ দেখানোর চেষ্টা করেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই আবেগের অতিক্রম হয় সীমা লঙ্গন করে। সম্প্রতি দক্ষিণী জনপ্রিয় অভিনেত্রী নিধি আগরওয়ালের সঙ্গে এমন এক অসংগত ঘটনা ঘটেছে।

    ঘটনাটি ঘটে গতকাল বুধবার রাতে। এরই মধ্যে এর ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি দেখলে বোঝা যায়, প্রভাসের নেতৃত্বে থাকা দক্ষিণী সুপারস্টার অভিনেতা এবং নিধির নতুন সিনেমা ‘রাজা সাব’ এর গানের লঞ্চের পরে যখন তারা বেরোচ্ছিলেন, তখন একভূত হেনস্তার শিকার হন অভিনেত্রী। ভক্তরা নিরাপত্তা উপেক্ষা করে ছবি তুলতে পথ আটকান এবং অযত্নে দ্রুত এগোতে দেখা যায়। কেউ কেউ পেছন থেকে ধাক্কা দেন, আবার কেউ কেউ ভিড়ের মধ্যে নিধির ওড়না ধরার চেষ্টা করেন এবং টানাটানি করেন।

    অভিনেত্রীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা না থাকায় তাকে গাড়িতে ওঠা খুবই কঠিন হয় এবং তাকে ভিড়ের মধ্য দিয়ে হিমশিম খেতে হয়। এই ঘটনা দেখে অনেক নেটিজেনই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা মন্তব্যে বলেছেন, এই ধরনের বিশৃঙ্খল আচরণ মানায় না মানুষের। কেউ কেউ লিখেছেন, “মানুষের দল হায়নার চেয়েও খারাপ আচরণ করছে। পুরুষরা কেন এই ধরনের মারাত্মক হয়রানির জন্য দায়ী হতে পারে। ঈশ্বর তাদের সবাইকে অন্য কোথাও রাখেন কি না, এটি ভাবনার বিষয়।”

    তেলুগু ছবির এই জনপ্রিয় নায়িকা ‘মুন্না মাইকেল’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন। তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন টাইগার শ্রফ। সর্বশেষ তাকে বড় পর্দায় দেখা গেছে সানি দেওলের বিপরীতে ‘জাট’ সিনেমায়। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে তার জন্য সমর্থন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

  • প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    ব্রিটিশ কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ক্রিস রিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি আর জীবিত নন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তার পরিবার এক বিবৃতিতে জানায়, কিছুদিন অসুস্থ থাকার পর তিনি শান্তিপূর্ণভাবে বিদায় নিলেন।

    ক্রিস রিয়া, যিনি ১৯৫১ সালে ইংল্যান্ডের মিডলসবরোতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তিনি ব্লুজ, পপ ও সফট রক সংগীতের একজন কিংবদন্তি শিল্পী। তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ২৫টি স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন এবং বিশ্বজুড়ে ৩০ মিলিয়নের বেশি অ্যালবাম বিক্রি করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে ‘দ্য রোড টু হেল’, ‘অন দ্য বিচ’, ‘জোসেফিন’ এবং ‘লেটস ড্যান্স’।

    বিশ্বব্যাপী 그의 জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ ছিল তার ক্রিসমাস সংক্রান্ত গান ‘ড্রাইভিং হোম ফর ক্রিসমাস’। ১৯৮৬ সালে এই গানটি তিনি লিখেছিলেন, তখন তার কোনো রেকর্ড চুক্তিও ছিল না। এমনকি ট্রেনের টিকিটের টাকা না থাকায় তিনি স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে মিডলসবরো থেকে লন্ডনে ফিরছিলেন।

    ২০০১ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি জীবনের কঠিন সময় পার করেছিলেন, আর ২০১৬ সালে স্ট্রোকের পদর্শনে পড়েন। এই সব বাধা সত্ত্বেও, তার গানের প্রতি ভালোবাসা কমেনি। শেষের দিকে তিনি পপ সংগীত থেকে সরে গিয়ে ‘ডেল্টা ব্লুজ’ ব্যান্ডে মনোযোগ দেন।

    তার মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীত জগতের শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি সুরের মাধ্যমে কোটি ভক্তের মনে অমর হয়ে থাকবেন সর্বদা। তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রীর জোয়ান ও দুই মেয়ে জোসেফিন ও জুলিয়াকে রেখে গেছেন।

  • সালমান খানের ষাটে পা: এক জীবনযাত্রার নতুন অধ্যায়

    সালমান খানের ষাটে পা: এক জীবনযাত্রার নতুন অধ্যায়

    বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী এবং জনপ্রিয় তারকা সালমান খান আজ (২৭ ডিসেম্বর) তার ৬০তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন। এই বিশেষ দিনটির মধ্য দিয়ে তিনি পা রাখলেন ৬০ বছরে। দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা রীতিনীতির মতো এবারও তিনি জন্মদিনটি উদযাপন করেছেন ব্যক্তিগতভাবে, ঘরোয়া পরিবেশে—পরিবার, ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনের কাছের কিছু মানুষের সঙ্গে, পানভেলের ফার্মহাউসের পরিবেশে।

    প্রচুর জাঁকজমক বা বড় কোনো আয়োজনের পরিবর্তে এইবারের জন্মদিনটি উদযাপিত হচ্ছে একান্তে ও খুবই সহজভাবে। অতিথি তালিকা খুবই সীমিত রাখা হয়েছে, যেখানে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা, খুব কাছের বন্ধুরা এবং বিভিন্ন সময়ে তার সঙ্গে কাজ করা কিছু নির্বাচিত নির্মাতারা। ঘনিষ্ঠসূত্রের খবর, এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল আনন্দ, স্মৃতিচারণা এবং আন্তরিক সময় কাটানো—একটি বড় অনুষ্ঠানের চেয়ে এটি ছিল আনন্দের এক খাঁটি মুহূর্ত।

    জন্মদিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি বিশেষ তৈরি ট্রিবিউট ভিডিও। এতে সালমানের তিন দশকের ক্যারিয়ারে তার সঙ্গে কাজ করা অনেক নির্মাতা এবং শিল্পী ব্যক্তিগত বার্তা দিয়েছেন। তারা শেয়ার করেছেন তাদের কাজের অভিজ্ঞতা, স্মরণীয় ঘটনা, গল্প এবং সালমানের অভিনয়জীবনের বিবর্তন। এই ভিডিওটি একদিকে তার দীর্ঘ পথচলা এবং ভারতীয় সিনেমায় তার অসাধারণ প্রভাবের সাক্ষ্য বহন করে।

    ভক্তরা তাকে ‘ভাইজান’ বলে ডাকেন। এটা কেবলই একটি ডাকনাম নয়, বরং একটি সম্পর্কের প্রতীক। যেমন পরিবারে বড় ভাই দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসা বোঝায়, তেমনই সালমান খানের সঙ্গে যারা আছেন তারা জানান দেন তার দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতার ওপর। অনেক নতুন মুখ তার হাত ধরে বলিউডে জায়গা তৈরি করেছেন, আর এই ভাইজান নামে তিনি শুধু নায়ক নন, হয়ে উঠেছেন এক প্রজন্মের আদর্শ ও অভিভাবক সুলভ চরিত্র।

    এবারের জন্মদিনটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সালমান খান বলিউডের ‘খান’ পরিবারের মধ্যে শেষ ব্যক্তি যিনি ৬০ বছর বয়সে পা রাখলেন। এর আগে এই বছরই ৬০ পূর্ণ করেছেন আমির খান ও শাহরুখ খান। এই মুহূর্তটি বোঝায় বলিউডে এক দীর্ঘতম অধ্যায়ের সমাপ্তি, যা তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আধিপত্য বিস্তার করে এসেছে। সেই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে, বয়স বাড়লেও সালমানের প্রাসঙ্গিকতা ও জনপ্রিয়তা অটুট রয়েছে।

  • ফরিদপুরে কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, বললেন জেমস

    ফরিদপুরে কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, বললেন জেমস

    ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের শেষ দিনটি আনন্দের পরিবর্তে বিষাদের ছায়া নিয়ে এসেছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশের পরিচিত সংগীতশিল্পী জেমসের গান প্রত্যাশা করে স্কুলের হাজারো প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন, ঠিক তখনই হঠাৎ করেই শুরু হয় বিশৃঙ্খলা। এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির জন্য নেতৃস্থানীয়ভাবে আয়োজকদের অব্যবস্থা ও ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন ‘নগরবাউল’ জেমস নিজেও।

    সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের জন্য সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ফরিদপুরে পৌঁছান রুবাইয়াৎ ঠাকুর রবিন, যিনি জেমসের মুখপাত্র। তারা গেস্ট হাউসে থাকাকালে বিশৃঙ্খলার খবর পান এবং রাত সাড়ে দশটায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার কারণে তারা অনুষ্ঠান বাতিল করতে বাধ্য হন। ফলে তারা দ্রুত ঢাকায় ফিরে আসেন।

    জেমস নিজেও বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট করেছেন, বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ আয়োজকদের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতা।’ তার এই বক্তব্যের পাশাপাশি একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, কড়া মেজাজে অনুষ্ঠান স্থল থেকে তড়িঘড়ি বেরিয়ে যান তিনি, আর এ সময় তার সঙ্গে থাকা লোকেরা শিল্পীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থাকেন।

    অয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানা গেছে, মূলত অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র নিবন্ধিত দর্শকদের জন্য নির্ধারিত ছিল, তবে জেমসের উপস্থিতির খবর পেয়ে কয়েক হাজার অনিবন্ধিত দর্শক ভিড় জমান। গেট বন্ধ করতে গেলে তারা ভেতরে প্রবেশের জন্য দেয়াল টপকে এগিয়ে যান এবং এ কারণে স্কুল প্রাঙ্গণ ও মঞ্চে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এ ঘটনায় আয়োজক কমিটির আহ্বায়কসহ প্রায় ২৫-৩০ জন আহত হন এবং বেশ 몇জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। এই ঘটনায় রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা মন্তব্য আর প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

  • ঢাকার ব্যাটিং উল্লেখযোগ্য জয়ে রাজশাহীকে হারালো

    ঢাকার ব্যাটিং উল্লেখযোগ্য জয়ে রাজশাহীকে হারালো

    বিপিএলের ম্যাচে রাজশাহীকে হারিয়ে ঢাকার শুরু হলো অসাধারণ জয়ে। ইমাদ ওয়াসিমের মিতব্যয়ী ও ধারাবাহিক বোলিংয়ের সঙ্গে অভিজ্ঞ নাসির হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও সালমান মির্জারা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট শিকার করে নিজেদের দাপট দেখিয়ে যান। পূর্বের ম্যাচের নায়করা, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম, ভালো শুরু করলেও বড় ঝোড়ো ইনিংস খেলতে পারেননি। অন্যদিকে, রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা শুরুতে কিছুটা বিপদে পড়লেও শেষ দিকে মোহাম্মদ নাওয়াজের ব্যাটে ১৩২ রানের পুঁজি তৈরি করেন তারা। তবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকাও সহজে জয় করতে পারেনি। আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে নাসির, শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও সাব্বির রহমানের ব্যাটে দলটি জয় নিশ্চিত করে। ফলাফল: রাজশাহীর বিরুদ্ধে ৫ উইকেটে জিতে বিপিএল শুরু করল ঢাকার দল।

    প্রথম দিকে টস হারিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহীর আলশুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম বলেই সাহিবজাদা ফারহানকে হারায় তারা, এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও শান্ত জুটি গড়ার চেষ্টা করে। তানজিদ আক্রমণে যান নাসিরের বলে ১৫ বলে ২০ রান করে আউট হন। এরপর ইয়াসির আলী রাব্বি বেশিক্ষণ টেকেননি, ১৩ রান করে শামীমের হাতে ক্যাচ দেন। রাজশাহীর অধিনায়ক মেহেরব শুরুতেই শক্তিশালী শুরু করতে পারেননি, ২৩ বলে ২৪ রান করে উইকেট হারান। বিরতি শেষে শামিমের ইনিংসে ভিন্ন রূপ দেখা যায়; তিনি ২৮ বলে ৩৭ রান করেন। অন্যদিকে, মুশফিকুর রহিম ২৩ বলে ২৪ রান করে ব্যাটিংয়ে সুবিধা করতে পারেননি। শেষদিকে নাওয়াজের ২৬ বলে ২৬ রানের ইনিংসে রাজশাহীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩২ রান। ঢাকার জন্য এই লক্ষ্য কঠিন ছিল না। স্পিনার ইমাদের ৩ উইকেট ও নাসিরের ২ উইকেট এই জয়ের জন্য সফলতা এনে দেয়। তার আগে, রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা শুরুতেই ধাক্কা খেয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়লে, শেষ পর্যন্ত নাওয়াজের প্রত্যাঘাত ও দলের অন্যান্য স্পিনারদের শক্ততর দুর্ব্যবহার জয় নিশ্চিত করে।

  • ২১ শতকের শীর্ষ ক্রীড়াবিদ মেসি, শীর্ষ দশে অন্যরা

    ২১ শতকের শীর্ষ ক্রীড়াবিদ মেসি, শীর্ষ দশে অন্যরা

    নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে লিওনেল মেসি অসংখ্য শিরোপা ও পুরস্কার জিতেছেন। ২০২৫ সালের শেষপ্রান্তে এসে তাঁর মুকুটে যোগ হলো আরও একটি গৌরবময় পালক। জনপ্রিয় ফরাসি ভাষার কানাডীয় গণমাধ্যম লে জার্নাল কুইবেক ঘোষণা করেছে, ২১ শতকের প্রথম ২৫ বছরের মধ্যে সেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে শীর্ষে আছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি।

    বিশ্বক্রীড়ার নানা শাখায়—ফুটবল, অলিম্পিক, টেনিস, বাস্কেটবল ও অ্যাথলেটিক্স—বৈচিত্র্যময় খেলাগুলোকে এক ছাতার নিচে এনে তৈরি এই তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী খেলোয়াড়রা ঠাঁই পেয়েছেন। আর এশা তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন মেসি, যিনি তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্স ও অবদান দিয়ে ক্রীড়াজগতে এক অনন্য অবয়ব তৈরি করেছেন।

    ক্লাব ফুটবল হোক বা জাতীয় দল—সব ক্ষেত্রেই তাঁর সফলতা অনন্য। বার্সেলোনায় শুরু করে প্যারিস সেন্ট জার্মেই, ইন্টারন্যামিক, আবুধাবি ও আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি ট্রফি জিতেছেন। দীর্ঘ কষ্টার্জিত পরিশ্রমের ফলস্বরূপ বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রফিও জিতেছেন। ব্যক্তিগত অর্জনের ক্ষেত্রেও তিনি অসাধারণ—৮ বার ব্যালন ডি’অর পুরস্কার পেয়ে থাকেন, যা ফুটবল বিশ্বের রেকর্ড। বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনা দলের হয়ে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা, আর ক্লাব ও আন্তর্জাতিক লিগে জিতেছেন অসংখ্য শিরোপা।

    এছাড়াও, লে জার্নাল কুইবেকের তালিকায় শীর্ষ দশে থাকা অন্যান্য কিংবদন্তিদের মধ্যে আছেন টম ব্র্যাডি, যিনি নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টস ও টাম্পা বে বুকানিয়াসের হয়ে সাতটি সুপার বোল ট্রফি জিতেছেন—একেবারেই অপরাজেয় রেকর্ড। তৃতীয় অবস্থানে আছেন অলিম্পিক ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাঁতারু মাইকেল ফেলপস, যিনি ২০০৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে অলিম্পিকে ২৮টি পদক জিতেছেন, যার মধ্যে সোনা ২৩টি। ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিকে এক অনুষ্ঠানে ৮টি স্বর্ণপদক জিতে গড়েছিলেন একেবারে নতুন ইতিহাস।

    আরও কিছু খেলা ব্যক্তিত্বের মধ্যে রয়েছেন টেনিসের সেরেনা উইলিয়ামস, দৌড়বিদ উসাইন বোল্ট, বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমস, টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচ, জিমন্যাস্টিকসের সিমোন বাইলস, বাস্কেটবল কিংবদন্তি কোবি ব্রায়ান্ট এবং ফুটবলের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এই তালিকা শুধু ট্রফি বা পরিসংখ্যানের গল্প নয়—এটি প্রকাশ করে, কোন ক্রীড়াবিদ নিজের খেলাকে শুধু সফল নয়, বরং প্রভাবশালী করে তুলেছেন এক শতাব্দীতে। সুতরাং, আলাদা করে বলা যায়, লিওনেল মেসি কেবল ফুটবলেরই নয়, বরং পুরোটাই ক্রীড়াজগতের এক অনন্য আইকন, যিনি নিজের খেলাকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী করে তুলেছেন।