Author: bangladiganta

  • সৌদিতে এক সপ্তাহে ২২ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেফতার

    সৌদিতে এক সপ্তাহে ২২ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেফতার

    মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে সম্প্রতি অভিযান চালানো হয়েছে তাদের আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে। শুধুমাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে, ১৪ থেকে ২০ আগস্ট, বিভিন্ন প্রান্তে নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারি সংস্থাগুলোর যৌথ উদ্যোগে মোট ২২ হাজার ২২২ জন প্রবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অভিযানটি মূলত আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে পরিচালিত হয়। সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    অভিযানের সময় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন তাদের আইন অনুযায়ী অসংগতির কারণে। আবাসন আইন লঙ্ঘনের জন্য ১৩ হাজার ৫৫১ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভঙ্গের দায়ে ৪ হাজার ৬৬৫ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের জন্য ৪ হাজার ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি, গ্রেফতারকৃত প্রবাসীদের মধ্যে ২০ হাজার জনকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার জন্য তাদের নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ১২ হাজার ৯২০ জনকে সৌদি আরব থেকে ফিরে আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    অতিরিক্তভাবে, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১ হাজার ৭৮৬ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ইথিওপিয়ান ও ইয়েমেনি নাগরিকের সংখ্যা বেশি। আবার, অবৈধ উপায়ে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টায় আরও ৩৩ জন প্রবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এছাড়াও, অবৈধ প্রবেশ ও প্রবেশের চেষ্টাকারীদের পরিবহন ও আশ্রয় দেওয়ায় ১৮ জন ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রবাসীর বিরুদ্ধে প্রক্রিয়া চলমান, যার সংখ্যা প্রায় ২৫,৯২১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৩,৪১৯ জন এবং নারী ২,৫০২ জন।

    সৌদি আরবে অবৈধ উপায়ে প্রবেশ বা অবস্থানের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ১৫ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়মিত এসব বিষয়ের ওপর সতর্কতা জারি করছে।

    প্রায় ৩ কোটি ৪৮ লাখ মানুষের বসবাসের এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষই শ্রমিক বা অন্য সম্প্রদায়ের সদস্য। বিশ্ববাখ্যাত এই দেশটি নিয়মিত আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে আসছে।

  • চীনকে পর্যাপ্ত চুম্বক সরবরাহের কথা না মানলে ২০০ শতাংশ শুল্কের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    চীনকে পর্যাপ্ত চুম্বক সরবরাহের কথা না মানলে ২০০ শতাংশ শুল্কের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীনকে পর্যাপ্ত পরিমাণে চুম্বক ও অন্যান্য দুর্লভ খনিজ সরবরাহ করতে হবে। যদি তারা তা না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে বা অন্য কোনো কড়া পদক্ষেপ নেবে। এই মন্তব্য তিনি সোমবার (২৫ আগস্ট) সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে দেন, খবর রয়টার্সের ভিত্তিতে।

    ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, চীন যদি আমাদের প্রচুর চুম্বক না দেয়, তাহলে আমাদের তাদের ওপর কঠোর শুল্ক চাপাতে হবে। এই হুঁশিয়ারি বিশেষ করে তখন এসেছে, যখন বাণিজ্য যুদ্ধের মধ্যে চীন বিরল খনিজ ও চুম্বকের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি আরোপ করছে। এপ্রিলে চীন বিরল খনিজ ও চুম্বকের একাধিক পণ্য রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে, যা যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়ানোর পাল্টা জবাব।

    অন্যদিকে, আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চীন দুর্লভ খনিজের ব্যাপারে খুবই সংবেদনশীল। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে চীন রফতানিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে, যা বিশ্ব বাজারে চুম্বকের সরবরাহের প্রায় ৯০ শতাংশের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখে। এই উপাদানগুলো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পণ্য, যেমন সেমিকন্ডাক্টর চিপে, ব্যবহৃত হয় এবং স্মার্টফোনের মতো প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে অপরিহার্য।

    ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি ইন্টেল কর্পোরেশন তাদের শেয়ার ১০ শতাংশ কিনেছে, যা এই কোম্পানির অর্ধেকেরও বেশি নির্ভরশীল দুর্লভ খনিজের ওপর। এর ফলে, এই বিষয়ে জোড়ালো বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    অন্যদিকে, চীনের বিরল খনিজের রফতানি জোরালোভাবে বাড়ছে, যা চীনা কাস্টমসের তথ্য থেকে জানা গেছে। জুলাই মাসে এই খনিজের রপ্তানি জুনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৪,৭০০ টনের বেশি হয়েছে।

    বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে এই চলমান শুল্ক বিরোধ মোকাবেলা করতে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ও পদক্ষেপগুলো আরো জটিল পরিস্থিতি তৈরি করছে। চলতি মাসের শুরুশতেই উভয় পক্ষের মধ্যে কিছুটা সমঝোতার আভাস থাকলেও, ট্রাম্পের নতুন হুমকি পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলছে।

    সম্প্রতি, ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে চীনা পণ্যের উপর শুল্কের সময়সীমা ৯০ দিন বাড়িয়েছেন, যার মাধ্যমে তারা আলোচনার জন্য আরও সময় পাবে। যদি এই সময়সীমা না বাড়ানো হতো, তাহলে শুল্কের হার ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারত।

    এর আগে, মে মাসে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়, যেখানে শুল্ক হার ১২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে আনা হয়েছিল, এবং যুক্তরাষ্ট্র শুল্কের ওপর ৩০ শতাংশ আঘাত হানা নিয়ে চাপ সৃষ্টি করেছিল। এখন পরিস্থিতি আবার জটিল হয়ে উঠছে, কারণ এই বাণিজ্য বিরোধের কারণে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে।

  • গাজায় একদিনে নিহত ৮৬, মোট প্রাণহানি ছাড়াল ৬২ হাজার ৭০০

    গাজায় একদিনে নিহত ৮৬, মোট প্রাণহানি ছাড়াল ৬২ হাজার ৭০০

    রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর গোলাবর্ষণে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় কমপক্ষে ৮৬ জন নিহত হয়েছেন, আর আহত হয়েছেন আরও ৪৯২ জন। এ তথ্য সোমবার সন্ধ্যার পর গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতি জানিয়েছে।

    নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন, আর বাকিরা খাদ্য সংগ্রহের সময় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে মারা গেছেন। মন্ত্রণালয় বলছে, সোমবারের এই ঘটনায় গাজার হাসপাতালগুলোতে ৮৬ মরদেহ আনা হয়েছে এবং আহত ৪৯২ জনকে চিকিৎসায় পাঠানো হয়েছে। তবে প্রকৃত সংখ্যাটি আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও ব্যক্তিপ্রচেষ্টার অভাবে তাদের উদ্ধার সম্ভব হয়নি।

    ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযান চলাকালে গাজায় এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা ৬২,৭৪৪ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া, আহত হয়েছেন প্রায় ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ২৫৯ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক।

    উল্লেখ্য, গাজার উপত্যকায় বন্দি ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির জন্য গত ১৯ জুন যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দুই মাসের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু ১৮ মার্চ সেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে ফের গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি সেনারা। এর পর থেকে চলছে ব্যাপক সংঘর্ষ, এ ঘটনায় গত পাঁচ মাসে মৃতের সংখ্যা ১০,৯০০ এবং আহত হয়েছেন ৪৬,২১৮ জন।

    আগের মাসে গাজায় ত্রাণ ও খাদ্য সংগ্রহে যাওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি সেনারা হামলা চালাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ মে প্রথম গাজায় ত্রাণ সংগ্রহের জন্য যাওয়ার সময় গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে, যা এখনো নিয়মিত ঘটছে। এ পর্যন্ত এই হামলায় নিহতের সংখ্যা ২,১২৩ এবং আহত হয়েছেন ১৫,৬১৫ জন।

    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় হামাসের সৈন্যরা ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে জঙ্গি হামলা চালায়। গুলির মাধ্যমে তারা এক হাজার ২০০ জনের বেশি নিহত এবং ২৫১ জনের অধিককে জিম্মি করে নেয়। এর জবাবে ১৫ মাস ধরে গাজায় ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় উদ্যোগের চাপের কারণে ২০২৪ এর জানুয়ারিতে গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও, হামাসের জিম্মি ও সংগঠনকে দুর্বল করতেই অভিযান অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

    জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বারবার ইসরায়েলে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানালেও, অপরদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামাসকে দুর্বল ও জিম্মিদের মুক্ত করার লক্ষ্যেই এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, যতক্ষণ না লক্ষ্য অর্জিত হয়, অভিযান চালানো চলবে।

    সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

  • গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২০০ জনের বেশি, অন্যান্য সামগ্রিক পরিস্থিতি ভয়াবহ

    গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২০০ জনের বেশি, অন্যান্য সামগ্রিক পরিস্থিতি ভয়াবহ

    ফিলিস্তিনের গাজা অঞ্চলের দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসের আল-নাসের হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে পাঁচজন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক, যারা মূলত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার হয়ে কাজ করছিলেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়। সাংবাদিকদের মধ্যে রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), আল জাজিরা এবং মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিনিধিরা ছিলেন।

    বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে—প্রথম আঘাতের পর যখন উদ্ধারকর্মীরা আহতদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন, ঠিক তখনই আবার নতুন করে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়। এতে শুধু সাংবাদিকরাই নয়, আরও চারজন স্বাস্থ্যকর্মীও প্রাণ হারিয়েছেন বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদরোস আধানম ঘেব্রেইসাস নিশ্চিত করেছেন।

    ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে এটি এক “দুর্ভাগ্যজনক ভুল” বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, সামরিক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালাচ্ছে।

    এই ঘটনার পর থেকে চলমান সংঘাতের মধ্যে গাজায় নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা এখন প্রায় ২০০। আন্তর্জাতিক সংস্থা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) জানিয়েছে, গাজার এই পরিস্থিতি ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাতের একটি হিসেবে পরিণত হয়েছে, যেখানে গত দুই বছরে আরও বেশি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এদিকে, ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য গাজায় প্রবেশের উপর কঠোর restriction আরোপ করেছে, ফলে বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সাংবাদিকরাই পরিবেশন করে থাকেন।

    বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, “এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড শুধু আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, চিকিৎসাকর্মী এবং সাংবাদিকরা সংঘাতের মাঝেও কতটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।” তিনি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানান এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি করেন।

    জাতিসংঘের ফিলিস্তিন শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর প্রধান ফিলিপ লাজারিনি বলেছেন, “আরও সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দুনিয়া থেকে সেই শেষ কণ্ঠগুলোকে স্তব্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, যারা দুর্ভিক্ষে মারা যাওয়া শিশুদের খবর বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছিল।” ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি এই হামলায় গভীর মর্মাহত বলে জানান। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোও বলেন, এই ঘটনা “অসহনীয়”।

    এদিকে, মাত্র দুই সপ্তাহ আগে গাজার আল-শিফা হাসপাতালের কাছে ইসরায়েলি হামলায় ছয়জন সাংবাদিক নিহত হন, তাঁদের মধ্যে চারজন আল জাজিরার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫৮ জনের মরদেহ গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অসংখ্য মরদেহ আটকা পড়েছে বলে জানানো হয়। নিহতের মধ্যে ২৮ জন খাদ্য সহায়তা কেন্দ্র থেকে খাবার সংগ্রহ করতে গেলে হামলার শিকার হন।

    অপুষ্টিজনিত কারণে আরও ১১ জন মৃত্যুবরণ করেছেন, যাতে রয়েছে দুই শিশু। এভাবে মোট মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ৩০০-এ, যাদের মধ্যে ১১৭ জনই শিশু। এর পাশাপাশি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২,৭৪৪ জন, যা আন্তর্জাতিক মহলের বিশ্বাস অনুযায়ী সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য।

  • অতীতের শক্তিশালী ধাক্কা দিতে চলেছে কাজিকি ঘূর্ণিঝড়

    অতীতের শক্তিশালী ধাক্কা দিতে চলেছে কাজিকি ঘূর্ণিঝড়

    ভিয়েতনাম উপকূলে বছরের অন্যতম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় কাজিকি ইতিমধ্যে আঘাত হানা শুরু করেছে। সোমবার বিকেল থেকে এর প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে বলে বিবিসির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘণ্টায় ১১৮ থেকে ১৩৩ কিলোমিটার বেগে বইতে থাকা প্রবল বাতাসে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাতাসের গতি এখনও বিপজ্জনক পর্যায়েই রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এই ঝড়টি গত বছরের ভয়াবহ টাইফুন ইয়াগির মতোই শক্তিশালী হতে পারে। ইয়াগি ছিল গত ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী ঝড়, যার কারণে প্রায় ৩০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। ঝড়ের মোকাবিলায় প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে হা তিঙ্ঘ উপকূলীয় প্রদেশ থেকে প্রায় ৬ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি থান হোয়া, কোয়াং ত্রি, হুয়ে ও দা নাংসহ বেশ কয়েকটি মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশে ব্যাপক সুরক্ষার জন্য সর্তকতা ও পরিবহন ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস উদ্বোধন ও নবীনবরণ

    খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস উদ্বোধন ও নবীনবরণ

    সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর গল­ামারীস্থ এম এ বারী রোডে হয় খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন এবং নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগতম। এ অনুষ্ঠানে আড়ম্বরপূর্ণ র‌্যালি, ফলক উন্মোচন, পতাকা উত্তোলন এবং পায়রা ওড়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ডেজিগনেট ও অনারারি) প্রফেসর ড. মোঃ আনিসুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট ও কেকেবিএইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। বিশেষ অতিথির ভাষণে ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও বোর্ড সদস্য প্রফেসর ড. আবু তৈয়ুব আবু আহমেদ এবং কোষাধ্যক্ষ ডা. এম এ জলিল। অনুষ্ঠান শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ও অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। বক্তরা এই অনুষ্ঠানে আহছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা হযরত খান বাহাদুর আহছানউল্লা (রঃ) এর জীবন ও কর্মের আলোকপাত করেন। তিনি তার জীবন উজাড় করে সৃষ্টির ইবাদত ও সেবা কাজে নিবেদিত ছিলেন। ঢাকা আহছানিয়া মিশন তার দর্শন অনুযায়ী শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ও সমাজসেবার মাধ্যমে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই ধারায় দক্ষিণবঙ্গের উচ্চশিক্ষার বিস্তারে খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এক সুদীর্ঘ পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম আতিয়ার রহমান। এছাড়াও বক্তৃতা করেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. মোঃ মউন উদ্দিন ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন রথীন্দ্র নাথ মহালদার। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক মেহেদী হাসান এবং ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক সাদিয়া সুলতানা।

  • বটিয়াঘাটায় অবৈধ ইউরিয়া সার জব্দ ও তিনজন আটক

    বটিয়াঘাটায় অবৈধ ইউরিয়া সার জব্দ ও তিনজন আটক

    বটিয়াঘাটার কিসমত ফুলতলা স্লুইসগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে সরকারি ইউরিয়া সার বিক্রি ও পরিবহন সংক্রান্ত একটি চক্রের বিরুদ্ধে এক(Map) ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে তিনজন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়, পাশাপাশি প্রায় ৫ থেকে ৬ টন ইউরিয়া সার এবং একটি মালবাহী ট্রলার জব্দ করা হয়। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে বটিয়াঘাটা থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও এসআই জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একটি সঙ্গীয় ফোর্স এই অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃত ব্যক্তিরা হচ্ছেন পিরোজপুর জেলার কাউখালি উপজেলার বিজয়নগর এলাকার মৃত মোখলেস মোল্লার ছেলে কুদ্দুস মোল্লা (৬৫), বেকুটিয়া এলাকার আল আমিন হাওলাদারের ছেলে রাজু হাওলাদার (২২), এবং ছিপাড়া এলাকার মৃত সোবহান শেখের ছেলে আসলাম শেখ (২৯)। উদ্ধারকৃত সারগুলো বর্তমানে থানার হেফাজতে রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রক্রিয়া চলমান। পুলিশ জানিয়েছে, এই সারা কারবারির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে যাতে ভবিষ্যতে একই ধরনের অপরাধ না ঘটে।

  • সাতক্ষীরায় পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল, দাম কমেছে কাঁচা মরিচের

    সাতক্ষীরায় পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল, দাম কমেছে কাঁচা মরিচের

    সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড়বাজারের পাইকারি পেঁয়াজের আড়ৎ ঘুরে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজের বস্তা কাটা হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা, আর মাটিতে ঢেলে বিক্রি হচ্ছে ৬৭ টাকা কেজিতে। লাল জাতের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। অন্যদিকে, ভারতীয় নাসিক জাতের পেঁয়াজ বস্তায় কাটা হচ্ছে ৬০ টাকা, আর মাটিতে ঢালে এর দাম ৬২ টাকা। খুচরা বাজারে এই পেঁয়াজের দাম আরও একটু বেশি, ৫ থেকে ৭ টাকা কেজি। তবে পুরোপুরি নিশ্চিত করে বলা যায়, ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকলেও বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনো কমে যাওয়ার দিকে, কারণ সরবরাহ বেড়ে গেছে। বাজারের মালিক আব্দুল আজিজ বলেন, সরকারের অনুমতি না থাকলেও প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা মুনাফার লোভে গুদামে পেঁয়াজ জমা রাখলেও, আমদানি বন্ধ থাকায় দাম অস্থির থাকেনি। কিন্তু এখন আমদানির পুনরায় শুরু হওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী ও চাষিরা পেঁয়াজ বিক্রি করতে ভয় পেয়ে থাকেন, যার ফলে দাম এখনও স্বাভাবিক। ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে এটাই শেষ আমদানি ২৭ মার্চ, এরপর কয়েক মাসের জন্য বন্ধ ছিল। গত ১৭ আগস্ট আবার আমদানি শুরু হয়। প্রথম দিনে সাতটি ট্রাকে ২০২ মেট্রিক টন, দ্বিতীয় দিনে ১৩ ট্রাকে আরও ৩১০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আনা হয়। মোট এই পাঁচ দিনে প্রায় ৩ হাজার ৬৫০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। তবে সরকার ১৯ আগস্ট থেকে নতুন করে পেঁয়াজ আমদানি অনুমতি বন্ধ করে দেওয়ায়, এখন কেউ নতুন করে আদানপ্রদান করছেন না, ফলে সরবরাহে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। ব্যাংক ও বন্দরের সহযোগিতা থাকলে দ্রুত বাজারে সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • লুটেরা আওয়ামী সরকার খুলনাকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে

    লুটেরা আওয়ামী সরকার খুলনাকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে

    মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে লুটেরা আওয়ামী সরকার দেশ শাসন করছে। তারা নানা ধরণের দুর্নীতি, দালালী ও লুটপাটের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। খুলনা, একসময়কার শিল্পনগরী, আজ ক্রমশ মৃত নগরীতে পরিণত হয়ে গেছে। এখানে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, বেকারত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের অভাব বেড়েছে। পাটকলসহ বেশ কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠান পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে, যার ফলে হাজার হাজার শ্রমিক পরিবার অনাহারি ও অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। এ শহরের অর্থনীতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তিনি জানান, খুলনা এখন আর কর্মচাঞ্চল্যে ভরপুর নয়, বরং জনশূন্যতা, অবহেলা ও অচলাবস্থা তার চিহ্ন। সরকারের দায়িত্বহীনতা ও অবহেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত, তারা কেউই এই দুর্দশার জন্য দায়বদ্ধ নয়। বরং ক্ষমতা ধরে রাখারিহতে দমন-পীড়ন চালানো, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের উপর মামলা-হামলা ও দমননীতি চালানোর মাধ্যমে তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করছে। আওয়ামী লীগের লুটপাট ও স্বেচ্ছাচারিতার ফলে খুলনাবাসী এখন দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে আছেন।

    আলোচ্য অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খুলনার অর্থনীতি এখন আর গতিশীল নয়, বরং জনশূন্যতা ও অবহেলার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনগণের কষ্টের প্রতি সরকারের কোনো দায়িত্ব নেই। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী ও বিএনপি নেতারা খোলা মাঠে শফিকুল আলম তুহিনের নেতৃত্বে ধানের শীষের প্রচার মিছিল বের করেছেন। এই মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে তেঁতুলতলা মোড়ে পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। এতে অংশ নেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ জনগণ। বক্তারা বলেন, একদিকে সরকারের অপাঙ্খিত কর্মকাণ্ডের আওতায় খুলনা ধ্বংসের পথে, অন্যদিকে জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

  • নগরীতে সড়ক দুর্ঘটনায় রিকশাচালকের মর্মান্তিক মৃত্যু

    নগরীতে সড়ক দুর্ঘটনায় রিকশাচালকের মর্মান্তিক মৃত্যু

    নগরীর নুরনগর এলাকায় বাংলাদেশ বেতারের সামনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক দুর্ভাগ্যজনক সড়ক দুর্ঘটনায় রিকশাচালক মনিরুল ইসলাম গাজী নিহত হয়েছেন। তিনি নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া মহিরবাড়ি ছোটখালপাড় এলাকার বাসিন্দা এবং কুরমান আলীর ছেলে।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই সময় একটি রিকশার সামনে একটি সিএনজি ট্রাক ঠেলে দেয়, যার ফলে রিকশাটি নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং চালকটি পড়ে যান। এর পর থেকে পেছন থেকে আসা সার বোঝাই ট্রাকটি তাদের উপর দিয়ে চলে যায়।

    উপ-পরিদর্শক আব্দুল হাই বলেন, ট্রাকটি প্রথমে ওই সিএনজির সামনে আচমকা ধাক্কা দেয়। এরপর চালকটি পড়ে গেলে, অন্য ট্রাকটি তাকে চাপা দেয়। অভিযুক্ত ট্রাকটি আটক করা হলেও, চালক দ্রুত পালিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা ট্রাকটি আটক করতে সক্ষম হলেও চালক ফেরারি হয়ে যায়। পরে উদ্ধার করে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার লাশ মর্গে পাঠানো হয়। पुलिस বর্তমানে ঘটনার বিভিন্ন দিক তদন্ত করছে।