Author: bangladiganta

  • বাধ্যতামূলক ছুটিতে বিএফআইইউ প্রধান

    বাধ্যতামূলক ছুটিতে বিএফআইইউ প্রধান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান এ এফ এম শাহীনুল ইসলামকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) এই খবর নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। গভর্নর বলেন, বর্তমানে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান থাকায় শাহীনুল ইসলাম আপাতত ছুটিতে থাকবেন। তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • গভর্নর: ৭-৮ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ হবে ক্যাশলেস অর্থনীতির কেন্দ্র

    গভর্নর: ৭-৮ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ হবে ক্যাশলেস অর্থনীতির কেন্দ্র

    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ক্যাশলেস লেনদেনের ভিত্তি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে উঠছে, এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেছেন, আগামী ৭ থেকে ৮ বছরের মধ্যে দেশটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় প্রেক্ষাপটে পরিণত হবে যেখানে নগদে না যাওয়া লেনদেনই সাধারণ হবে।

    বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে রাজধানীতে একটি উন্নয়ন কৌশল বিষয়ক সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন। গভর্নর উল্লেখ করেন, নগদ লেনদেনের মাধ্যমে দুর্নীতি ও কর ফাঁকি বেড়ে যায়, তাই এই প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।

    তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যদি এটি সফল হয়, তবে সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ও स्थায়ী হয়ে উঠবে। এর পাশাপাশি, নতুন ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন চালু করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন, যাতে সমাজের সব স্তরই এর সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।

    গভর্নর মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ‘ন্যানো লোন’ এর প্রসার নিয়ে বলেন, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪ হজার মানুষ এই ধরনের ঋণ সুবিধা গ্রহণ করছে। এখন পর্যন্ত এ ধরনের ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার কোটি টাকা।”

  • ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত, আমানতকারীরা টাকা ফেরত পাবেন

    ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত, আমানতকারীরা টাকা ফেরত পাবেন

    বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন্ধ করতে নয়টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যাতে আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন। মূল কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোর অনিয়ম, লুটপাট এবং অব্যবস্থাপনা জানা গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে ‘অপরিচালনযোগ্য’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, কারণ তারা উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং মূলধনের ঘাটতি নিয়ে আটকে আছে। তাদের লাইসেন্স বাতিলের এই প্রক্রিয়া আগামী দিনগুলোতে শুরু হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ, অর্থাৎ রেজুলেশন ডিপার্টমেন্ট, ইতিমধ্যেই এই লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে এবং প্রয়োজনীয় সব তথ্য কেন্দ্রের গవర্নরের সম্মতিতে পাঠানো হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো ক্ষুদ্র আমানতকারীদের অর্থ দ্রুত ফেরত দেওয়া, পাশাপাশি তাদের চাকুরির বিষয়েও সকল সুবিধা নিশ্চিত করা।

  • তিন বছরে দারিদ্র্য হার বেড়ে ২৮ শতাংশে; খাবারের জন্য খরচ ৫৫ শতাংশে পৌঁছেছে

    তিন বছরে দারিদ্র্য হার বেড়ে ২৮ শতাংশে; খাবারের জন্য খরচ ৫৫ শতাংশে পৌঁছেছে

    তিন বছর আগের তুলনায় দেশের দারিদ্র্য হার বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে, যা বর্তমানে প্রায় ২৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এই তথ্য প্রকাশ করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিশিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি), যা জানিয়েছে, ২০২২ সালে দারিদ্র্য হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। সম্প্রতি, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি মিলনায়তনে এক গবেষণা ফলাফল প্রকাশের অনুষ্ঠানে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিলুর রহমান দারিদ্র্য, অতি দারিদ্র্য ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব বিষদভাবে বিশ্লেষণ করেন।

    গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, অতি দারিদ্র্যের হারও বাড়ছে, যা ২০২২ সালে ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে ২০২৫ সালে এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশে। অর্থাৎ, গত তিন বছরে দেশের দারিদ্র্যপ্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়কালে চলমান ৮ হাজার ৬৭টি পরিবারের মতামতের ভিত্তিতে এই গবেষণা চালানো হয়, যেখানে প্রায় ৩৩ হাজার ব্যক্তির জীবনমানের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

    বিশেষ করে, বর্তমান সময়ে কোভিড-১৯ মহামারি, মূল্যস্ফীতি ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এই সংকটগুলোকে আরও জটিল করে তোলে। পিপিআরসি বলেছে, গত আগস্টের আগে মানুষের মধ্যে ঘুষ দেওয়ার প্রবণতা ৮.৫৪ শতাংশ হলেও সে হার এখন কমে ৩.၆৯ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে, সবচেয়ে বেশি ঘুষের কার্যক্রম হচ্ছে সরকারি অফিসে, এরপর পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছে।

    অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনুসারে, শহরের পরিবারের মাসিক গড় আয় কমে যাচ্ছে, তবে খরচ বাড়ছে। শহরের গড় আয় এখন ৪০,৫৭৮ টাকা, যা ২০২২ সালে ছিল ৪৫,৫৭৮ টাকা। অন্যদিকে, গ্রামে পরিবারগুলোর গড় আয় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ২৯,০২০৫ টাকা, খরচ ২৭,১৬২ টাকা। সামগ্রিকভাবে জাতীয় স্তরে, গড় আয় ৩২,৬৮৫ টাকা, আর খরচ ৩২,৬১৫ টাকা, অর্থাৎ সামান্য সঞ্চয় বা অবশিষ্টাংশ থাকছে না।

    উল্লেখ্য, এক পরিবারের মাসিক খরচের প্রায় ৫৫ শতাংশ অর্থ খরচ হয় খাবার পূরণের জন্য। মাসে গড়ে এই পরিবারের খাবারে খরচ হয় ১০,৬১৪ টাকা। এছাড়া শিক্ষায় ১,৮২২ টাকা, চিকিৎসায় ১,৫৫৬ টাকা, যাতায়াতে ১,৪৭৮ টাকা ও আবাসন খাতে ১,০৮৯ টাকা করে খরচ হয়।

    নেতৃত্ববলে, হোসেন জিলুর রহমান বলেন, বর্তমানে সরকার ক্ষুদ্র অর্থনীতির তুলনায় সামষ্টিক অর্থনীতির গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, শুধু জিডিপির দিকে তাকিয়ে না থেকে সমতা, ন্যায়বিচার, বৈষম্যহীনতা এবং নাগরিকের কল্যাণের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পাঁচটি ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রের গুরুত্বও তুলে ধরেন, যেমন দীর্ঘস্থায়ী রোগের বৃদ্ধি, নারী প্রধান পরিবারের দুর্বলতা, ঋণের বোঝা, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং স্যানিটেশন সংকট।

    বিশেষ করে, দেশের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি বিবেচনায়, বেকারত্বের হার বেড়ে যাওয়ায় নতুন পরিকল্পনা ও দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তিনি উচ্চারণ করেন, এই সমস্যাগুলোর সমাধানে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে যেন দেশের অর্থনীতি ও জনগণের জীবন মান উন্নত হয়।

  • ২৩ দিনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পৌনে দুই বিলিয়ন ডলার

    ২৩ দিনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পৌনে দুই বিলিয়ন ডলার

    দেশে চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ পৌঁছেছে প্রায় ১৭৪ কোটি ৮৬ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২১ হাজার ৩৩২ কোটি ৯২ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকায় হিসাব করে)। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    এ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্টের প্রথম ২৩ দিনে মোট ১৭৪ কোটি ৮৬ লাখ ২০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ৩৯ কোটি ২৯ লাখ ডলার, বিশেষত দুই ব্যাংকের মধ্যে একটি কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২৪ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    অন্যদিকে, বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১০৯ কোটি ৭১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। পাশাপাশি, বিদেশি ব্যাঙ্কগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার। তবে, এ সময়ে ৯টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনও রেমিট্যান্স আসেনি। এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, আইসিডি ইসলামিক ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।

    এর আগে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। তবে, ওই মাসে ৮টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনও রেমিট্যান্স আসেনি।

    অতীতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স রেকর্ড হয়েছিল। সামগ্রিকভাবে, ওই অর্থবছর (২০২৪-২৫) প্রবাসী আয়ে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

    উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।

    বিশ্লেষকদের মতে, সরকার কর্তৃক ঘোষিত প্রণোদনা ও প্রবাসীদের জন্য আয়ের সহজ পথ সৃষ্টি করায় রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক ধারায় পরিচালিত হচ্ছে।

  • বিএনপি ও আরও ২২ দলের জুলাই সনদ পর্যালোচনা শেষে মতামত জমা

    বিএনপি ও আরও ২২ দলের জুলাই সনদ পর্যালোচনা শেষে মতামত জমা

    জুলাই সনদের ব্যাপারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামত নেওয়ার জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। এই বিষয়টি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হওয়ায় বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা করে শেষমেশ তারা নিজেদের মতামত জমা দিয়েছে। গত ১৬ আগস্ট রাতে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য প্রেরিত প্রথম খসড়ার মধ্যে কিছু ত্রুটি থাকায় তা সংশোধন করা হয় এবং সংশোধিত খসড়া আবার সকলের কাছে পাঠানো হয়। এরপর, গত ২০ আগস্ট কমিশনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়เพิ่มเติม করে ২২ আগস্ট বিকেল ৩টা পর্যন্ত মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে, মোট ২৩টি দল তাদের মতামত জমা দিয়েছে। দলগুলো হলো বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), খেলাফত মজলিস, আমার বাংলাদেশ পার্টি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, ১২ দলীয় জোট, আমজনতার দল, গণফোরাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), জাতীয় গণফ্রন্ট, মার্কসবাদী সমাজতান্ত্রিক দল, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), বাংলাদেশ লেবার পার্টি, জাকের পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। তবে, জানা গেছে যে এখনও পর্যন্ত সাতটি রাজনৈতিক দল তাদের মতামত দেয়নি। কমিটি পরিষ্কার করেছে যে, জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়ার জন্য আর কোনো সময় বাড়ানো হবে না। অর্থাৎ, এবারে সময় সীমা শেষ হলো। ফলে আশা করা হয়, শিগগিরই এই খসড়ার উপর সব দল মতামত পূর্ণাঙ্গভাবে জানিয়ে দেবে।

  • মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, এক বছরে সব কিছু সোজা হবে না

    মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, এক বছরে সব কিছু সোজা হবে না

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা এখন যেসব পরিবর্তনের কথা ভাবছি, সেটি একদিনে হবে না। দীর্ঘদিনের অনাচার, অবিচার, নৈরাজ্য ও দুর্নীতির মতো সমস্যা দ্রুত সারানো সম্ভব নয়। এক বছরের মধ্যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে—এমন আশা করা বাস্তবসম্মত নয়।

    সাবেক এই নেতা বলেন, বিগত ৫৩ বছর আমাদের ক্ষমতা বদলের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করতে পারেনি। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে, তবে হঠাৎ করে সবকিছু সুসংগঠিত হয়ে যাবে—এটা আমি মনে করি না। এই মতবাদ আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘সামাজিক সুরক্ষা কতটা সুরক্ষিত’ বিষয়ে আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, রাজনীতি হল বিচ্ছিন্নভাবে বা জোড়াতালি দিয়ে কাজ করা নয়। সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতার প্রয়োজন। বাংলাদেশে রাজনৈতিক দুর্নীতির অবনতির বিষয়টি তিনি তুলে ধরে বলেন, এই দুর্নীতি দেশের সংকটের অন্যতম কারণ। সবকিছুই নির্ভর করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ওপর, যারা ক্ষমতায় এসে দেশের পরিবর্তন নিয়ে ভাববে।

    বিএনপি মহাসচিব আরও জানান, ২০০৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল, কিন্তু গত ১৫ বছরে দলের নেতা-কর্মীরা দেশকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছেন। এক বছরে সব কিছু ঠিক করার জন্য এটা বাস্তবের নয়।

    তিনি বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ করে আমলারা। খুবই দুঃখের বিষয়, একজন স্কুলশিক্ষকের সমস্যা সমাধানে তাকে ঢাকায় যেতে হয়—এটি অপ্রয়োজনীয়। যদি সিস্টেমের কেন্দ্রীভূত অংশ সঠিকভাবে কাজ করে তবে ঘুষের মতো দুর্ব্যবহার বন্ধ হবে।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, খুব খারাপ লাগলেও বাস্তবতা হলো, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও নার্সিং মুহুর্তে নিয়োগ হয় দুর্নীতির মাধ্যমে। এই ধরনের অনিয়ম ও বৈষম্যের কারণে দ্রুত কিছু ফলাফল প্রত্যাশা করা কঠিন।

    বিপ্লবের স্বপ্ন দেখা এখন আমাদের জন্য বাস্তব নয়—এমন কথা জানান এই নেতারা। তিনি বলেন, একমাত্র কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যেতে হবে, যেখানে আমাদের জনপ্রতিনিধিরা ন্যূনতম ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে। সেই ন্যায়বিচারই হবে প্রকৃত সমাজের ভিত্তি।

  • সম্পর্ক উন্নয়নে একাত্তরের ইস্যু সমাধান জরুরি: এনসিপি

    সম্পর্ক উন্নয়নে একাত্তরের ইস্যু সমাধান জরুরি: এনসিপি

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের গভীরতর উন্নতি করতে গেলে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো গুরুত্ব সহকারে সমাধান করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ঢাকা সফরে থাকা পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা তুলে ধরা হয়। এই বিরোধপূর্ণ ইস্যুগুলোর সমাধান ছাড়াই দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের পূর্ণ উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মনে করেন এনসিপির নেতারা।

    শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এতে এনসিপির সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নিয়েছিল। বৈঠকের পরে আখতার হোসেন বলেন, আমরা বাংলাদেশের জনগণের ঢাকা ও পাকিস্তানের মধ্যে নানা গোঁড়া ধারণার ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা দিয়েছি। এনসিপি বিশ্বাস করে, অতীতের শত্রুতা কাটিয়ে আমরা সম্পর্কের ইতিবাচক দিকগুলো উন্নয়ন করতে পারি। তবে এর জন্য একাত্তর নিয়ে বিবাদগুলো অবশ্যই সমাধান করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের শিক্ষা, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য অনেক সুযোগ রয়েছে। সেই সঙ্গে কোনো বড় ভাইসুলভ বা আক্রমণাত্মক মনোভাব যেন সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সেটাও আমাদের আলোচনায় এসেছিল। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে ভাইচার্য্য ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    ইসহাক দারের সাথে বৈঠকে পাকিস্তানের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলোচনা হয়েছে। দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী জানিয়েছেন, দুই দেশের নদী ও পানি সমস্যা, ঐতিহ্যগত সহঅভিযোগ, ওষুধ শিল্পে সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক বিনিময়, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম এবং প্রতিরক্ষা খাতে উন্নয়নের মতো বিষয়গুলো আলোচিত হয়েছে। এর পাশাপাশি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও বিগত গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তীতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    সার্ক সংকট নিয়ে ও সম্মেলনকে সক্রিয় করতে ধর্ম ইসরায়েলি সম্পর্কগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নাসিরউদ্দীন বলেন, ভারতের কারণে সার্কের কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে গেছে। আমাদের লক্ষ্য, এই সংস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা। পাকিস্তানও পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    অবশেষে, একাত্তরের বিরোধ সমাধানে ইসহাক দার কি বলেছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, আমরা তাদের বলেছি, এই বিষয়ে দ্রুত সমাধান জরুরি। তারা বলেছেন, তারা এ ব্যাপারে প্রস্তুত। এনসিপি মনে করে, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের বিষয়গুলো বিবেচনা করে এই ইস্যুগুলোর নির্মূল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে ভবিষ্যতে সুসম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।

  • বিএনপির শোকজে ফজলুর রহমানের লাগামহীন বক্তব্যের প্রতিবাদ

    বিএনপির শোকজে ফজলুর রহমানের লাগামহীন বক্তব্যের প্রতিবাদ

    বিএনপি রাজনৈতিক নেত্রী ও দলীয় নেতা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের বেপরোয়া ও আড়াআড়ি মন্তব্যের প্রতিবাদে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে দলটি। সম্প্রতি তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ইসলামপন্থী দলসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে অপ্রতিক্রিয়ামূলক ও বিভ্রান্তিকর কথা বলে সমালোচনার মুখে পড়েন। এরপরই রোববার (২৪ আগস্ট) বিকেলে বিএনপির প্রেস উইং এই শোকজ নোটিশ পাঠায়।

    নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফজলুর রহমান সমাজের প্রতি আহতকর বক্তব্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থান ও শহীদে সম্মানও লংঘন করেছেন। দলের বিরুদ্ধে ক্ষতিকর ও বিভ্রান্তিকর এই মন্তব্য যে কীভাবে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে, তা তুলে ধরে, দলের নেতাদের নির্দেশে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    বিএনপির দপ্তর থেকে পাঠানো শোকজ নোটিশে বলা হয়, আপনি জুলাই-আগস্ট期间 অনুষ্ঠিত গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী ছাত্র-জনতার প্রতি অসম্মানজনক বক্তব্য দিয়ে আসছেন। এইবিষয়ে আপনার উক্তি সম্পূর্ণভাবে দলের আদর্শ ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনাবিরুদ্ধ। গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের মর্যাদা অমান্য করা এই মতবাদের মাধ্যমে আপনি নীতি পরিপন্থী বক্তব্য প্রকাশ করেছেন। এতে সবার আন্দোলন ও শহীদদের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ পেয়েছে বলে দল মনে করে।

    নোটিশে আরও বলা হয়েছে, এই গণঅভ্যুত্থানে সাড়ে চারশোরও বেশি নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন এবং দেড় হাজারের বেশি সাধারণ মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের বীরোচিত ভূমিকা অস্বীকার বা অবজ্ঞা করা সম্পূর্ণ অন্যায়। দল এই অবস্থায়, এই ধরনের মন্তব্যের জন্য আপনি কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব না, তার কারণ দেখতে দল আপনাকে লিখিত জবাব দিতে বলেন।

    আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে আশ্রয় নেওয়া অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান গত বছর ৫ আগস্টের পর থেকে বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে চলেছেন। সর্বশেষ তিনি বলেছেন, ৫ আগস্টের আন্দোলনের মূল চালিকা শক্তি ছিলেন বাংলাদেশের ইসলামী ছাত্রশিবির, যারা দীর্ঘদিন ধরেই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে। তিনি মন্তব্য করেন, এই সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্তিকর ও destructive কৌশল অবলম্বন করে আসছে।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের আন্দোলনে শীর্ষ ভূমিকা ছিল ইসলামপন্থী ওই সংগঠনের। তিনি সাধারণ মানুষকে বলছেন, যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তারা কেবল নাটক pilotos, তাদের আসল স্বার্থ কিছু নয়; তারা এখনো দেশের রাজনীতিতে অন্ধকার ছায়া ফেলছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশের পরিশুদ্ধ নির্বাচন হলে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরবে।

    ফজলুর রহমান অভিযোগ করেন, জামায়াত ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলি এখনো শক্তিশালী রকমের সংগঠিত; তাদের সাংগঠনিক শক্তি, অর্থনৈতিক অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি দাবি করেন, তারা সরকারী বিভিন্ন দপ্তর—প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংস্থা থেকে ব্যাংক, বাজার, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার করছে।

    অবশেষে তিনি বলেন, জামায়াতের জনপ্রিয়তা এখন আরও কমে গেছে, প্রায় ৭ শতাংশের নিচে। তবে তারা নিজেদের ছায়া-প্রভাব শক্তিশালী করে রাখতে সচেষ্ট, যা বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে এক নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

  • জনগণের হাতে প্রার্থী নির্বাচনের সুযোগ থাকবে না: রিজভী

    জনগণের হাতে প্রার্থী নির্বাচনের সুযোগ থাকবে না: রিজভী

    বহুল আলোচিত সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি নিয়ে বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্পষ্ট করে বলেছেন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া হলে সাধারণ মানুষের জন্য প্রার্থী নির্বাচনের সুযোগ থাকবে না। ভোট দিতে হবে দলীয় প্রতীক অনুযায়ী। তিনি মনে করেন, পিআর পদ্ধতির নাম করে যদি কোনও রাজনৈতিক দল নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করে, তাহলে তা আরও কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির পথে ধাবিত হবে। রিজভী জানান, দেশের জনগণ এই পদ্ধতি সম্পর্কে খুব বেশি সচেতন নয় কারণ, আগে কখনো তারা এর ব্যবহার বা প্রক্রিয়া দেখেননি। এখন হঠাৎ করে কিছু রাজনৈতিক দল এই পদ্ধতির কথাবার্তা বলছে, যা দেশের স্বাভাবিক নির্বাচনি প্রক্রিয়ার জন্য আতঙ্কের বিষয়।

    শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের লোকনাথ ট্যাংকের পাশে জেলা বিএনপি’র নবায়ন ও প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, কিছু কিছু দল পিআর ও সংশোধনের কথা বলে নির্বাচনের জন্য দেরি করানোর অপচেষ্টা করছে, যাদের উদ্দেশ্য বিএনপি গভীরভাবে বুঝতে পারে। তিনি আরো বলেন, দেশের শিক্ষিত ও ভদ্র সমাজের মানুষই বিএনপির সদস্য হবে, কোনো চাঁদাবাজ বা দখলকারী দলীয় সদস্য নয়। যারা গণতন্ত্রের নামে হিংস্রতা চালিয়ে দেশের সুবর্ণ ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে, তারা বিএনপি’তে যোগ দিতে পারবে না। বরং সমাজের প্রগতিশীল গুণীজনেরা এই দলে যোগ দেবে।

    রিজভী বলেন, এই দেশের জন্ম ৩০ লাখ মা-বোনের বিনিময়ে। সারা পৃথিবীতে হাজারো বছর ধরে মানবতার বিরুদ্ধে নানা অত্যাচার চালিয়ে গেছে। শেখ হাসিনার আমলে এই রক্তচক্ষু চালাচ্ছিল, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তাকে পরাস্ত করে নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে আবারো গড়ে তোলার জন্য সকলের একসঙ্গে প্রতিজ্ঞা নিতে হবে।

    সভায় কেন্দ্রীয় বিএনপি’র অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কুমিল­া বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল­া বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, সহ-সভাপতি এ বি এম মোমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মনসুর মিশন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    প্রথমে প্রধান অতিথি নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রমের জন্য ফর্ম বিতরণ করেন। এই কর্মসূচি কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ সমাবেশে যোগ দেয় এবং উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করে।