Author: bangladiganta

  • প্রথমবারের মতো ছুটির দিনে তেজগাঁওয়ে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    প্রথমবারের মতো ছুটির দিনে তেজগাঁওয়ে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    প্রশাসনকে আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবারও অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সরকারের গঠনের পর প্রথম তিন দিন তিনি সচিবালয়ে অফিস করেছেন এবং এবার শনিবার তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো অফিস শুরু করেন তিনি।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি কার্যালয়ে এসে স্বর্ণচাঁপা গাছ ফলক রোপণ করেন, যা এক ধরনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মানসিক প্রশান্তির সূচক।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, সকাল নয়টায় তিনি তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছেন এবং কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাঁকে স্বাগত জানান হয়।

    এরপর তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং বেশ কয়েকটি সাম্প্রতিক প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। সকাল থেকেই তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক ও বিশেষ একাধিক সভায় অংশ নেন।

    দুপুর বারোটায় তিনি ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি উন্নয়নে, বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয়ে নেতৃবৃন্দের জন্য প্রণীত নতুন প্রশিক্ষণ ও কল্যাণব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

    সন্ধ্যাবেলা, তিনি শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের জন্য আয়োজিত অন্যান্য বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেন।

    ২০ বছর আগে, ১৯৯১ সালে ঢাকা শহরের তেজগাঁওয়ে অবস্থিত পুরনো জাতীয় সংসদ ভবনটি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তখন থেকে এখানেই সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং মন্ত্রিসভার বেশির ভাগ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে অফিস করতেন এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকও হতো। ১৯৯১ সালের আগে এটি ছিল রাষ্ট্রপতির সচিবালয়।

    ২০ বছরের বেশি সময় ধরে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই স্থানে অফিস করে আসছেন, যা দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

  • প্রথম দিন তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর, বৃক্ষরোপণ ও স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন

    প্রথম দিন তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর, বৃক্ষরোপণ ও স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন

    সরকারি কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সরকার গত বছরের আগে থেকেই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, সপ্তাহের ছুটির দিনেও অফিস পরিচালনা করা হবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনই তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) রয়েছেন তারেক রহমান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০:১০ মিনিটে তিনি রাজধানীর তেজগাঁওয়ে কার্যালয়ে পৌঁছান।

    কার্যালয়ে প্রবেশের আগে তাঁকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। এর আগে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে পতাকাবিহীন সাধারণ গাড়িতে করে তিনি অফিসের উদ্দেশে রওনা দেন। কোনো জাঁকজমকপূর্ণ প্রটোকল মোকাবেলা না করে শান্ত এবং সহজ সরল উপায়ে তিনি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।

    কার্যালয়ে প্রবেশের মুহূর্তে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে এক উচ্ছ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তারেক রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলে দায়িত্বে থাকা কর্মচারীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কুশল বিনিময় করেন। তিনি কার্যালয়ের পুরোনো অনেক কর্মকর্তাকে নাম ধরে ডেকে কথা বলেন, যা উপস্থিত সবাইকে গভীর আবেগে মুহূর্তের মধ্যে আবদ্ধ করে তোলে। দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এত কাছ থেকে দেখার এই সৌভাগ্য পেয়ে কর্মকর্তারা অত্যন্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

    প্রথম দিনের কর্মসুচনার অংশ হিসেবে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবেশের আগে তিনি কার্যালয় চত্বরে একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা রোপণ করেন। এরপর তিনি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়ে বিশেষ একটি মোনাজাতের আয়োজন করেন। এই সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি’সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সেই প্রাকৃতিক পরিবেশে জাতির জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি একটি বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। ডকটিকিট অবমুক্ত করার জন্যও তিনি নিজ হাতে স্ট্যাম্পটি উন্মুক্ত করেন। এদিন তিনি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ এর স্মারক ডাকটিকিটও উন্মোচন করেন।

    প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এরপর বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে জানানো হয়, সরকারি কার্যক্রমের গতি বাড়াতে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে, এজন্য অ প্রয়োজনীয় জাঁকজমক এড়িয়ে সপ্তাহের ছুটির দিনেও অফিস চালু থাকবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে, এখন থেকে শনিবারও অফিস করবে সরকার।

  • শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য: বেকারত্ব বাড়ানোর শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিলের দাবি

    শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য: বেকারত্ব বাড়ানোর শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিলের দাবি

    শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় যে ধরনের শিক্ষা পদ্ধতি বেকারত্ব বাড়াচ্ছে, তা বাতিল করতে হবে। তার পরিবর্তে কার্যকরী ও দক্ষ শিল্প-নির্ভর শিক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুরে মাতৃভাষা দিবসের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বললেন, বাংলা ভাষাকে সর্বত্র গুরুত্ব দিতে হবে এবং বিশ্ব দরবারে দেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষার পাঠদান পদ্ধতিকে আরও যুক্তিযুক্ত করে শিশুদের হাতে-কলমে শিক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, যে শিক্ষাব্যবস্থা বেকারত্ব বাড়ায়, সেটি পরিবর্তন করে কার্যকরী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষক যদি ক্লাসে সময়ানুযায়ী শিক্ষা দায়িত্ব পালন না করেন বা কেবল সময় কাটান, তা দুর্নীতির মতোই। স্কুলে থাকাকালীন বেশিরভাগ সময়ে যদি ঠিকভাবে পাঠদানে মনোযোগ না দেন, তাহলে সেটি অনেকটাই দুর্নীতির সমতুল্য। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এক্ষেত্রে কি সেটি দুর্নীতি নয়?

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তন আনতে হলে শিক্ষাক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। নিজ সন্তানের মতো করে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে গড়ে তুলতে হবে। তিনি দেখেছেন, অনেক শিক্ষক নিজের সন্তানকে অন্য স্কুলে পড়ান, যা কি באמת একজন শিক্ষক হিসেবে উপযুক্ত? এটা তাদের পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

    শিক্ষকদের জন্য তিনি বললেন, নিজেদের অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে ভাবতে হবে তারা কী করতে চান এবং তাদের লক্ষ্য কী। সাধারণত আমাদের ভিতরে এইসব দিক উপেক্ষা করে খাওয়ার সময় হালাল-হারাম নিয়ে ভাবি, কিন্তু দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো ভাবা হয় না।

    দুর্নীতির প্রসঙ্গে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আমি পাঁচ বছর এই দায়িত্বে রয়েছি, আমার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির মামলা হয়নি। সবারই উচিত নিজেদের সততার মাধ্যমে নিজের অবস্থান থেকে দুর্নীতি থেকে দূরে থাকা।

    তিনি বলেন, প্রাথমিক স্তরে যত্নের সঙ্গে শিক্ষাদান করলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমে আসবে।

    আগামী বাংলাদেশ গড়ার কেন্দ্রীয় অংশীদার হিসেবে শিক্ষকরা তাদের দায়িত্ব আরও আন্তরিকভাবে গ্রহণ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন।

    প্রান্তিকে এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা।

    শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, যদি শিক্ষাব্যবস্থা ঠিকমত না হয়, তাহলে দেশের গঠন সম্ভব নয়। সমস্ত স্কুলে গুণগত মানের শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, শিক্ষার প্রতিটা দফতর দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ হওয়া জরুরি।

  • পানিসম্পদ মন্ত্রীর ঘোষণা: শপথের প্রয়োজন নেই, ‘হ্যাঁ’ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে

    পানিসম্পদ মন্ত্রীর ঘোষণা: শপথের প্রয়োজন নেই, ‘হ্যাঁ’ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে

    পানি সম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। নির্বাচনের ফলাফলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়লাভ করেছে, তাই এখন বিপুল স্বাভাবিকভাবেই পার্লামেন্টে সংবিধান অনুযায়ী বিল উঠবে। এই ক্ষেত্রে, ‘হ্যাঁ’ শপথের কোন প্রয়োজন নেই, কারণ এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে। এটাই হবে জুলাইয়ের সংবিধান। তিনি আরও বলেন, যেখানে ‘না’ ভোট হয়েছে, সেই সব বিষয়েও আলোচনা হবে এবং আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যেসব कानून বা সিদ্ধান্ত তৈরি হবে। যেখানে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া হয়েছে, সেগুলোও বৈধভাবে নির্ধারিত হবে। আইনসভা বিষয়ক ব্যাখ্যাকারীরা এসব বিষয় পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। জানাতে চাই, এটাই প্রক্রিয়া বলে মনে করি।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মদ্যপান নিয়ে তিনি বলেন, যারা মদপানের বিকল্প খুঁজছেন, তাদের উচিত সেগুলি থেকে সরে আসা। মদপান বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, যা বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গৌরবের জন্য হুমকি। সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে যাতে মদসহ অবৈধ কর্মকাণ্ড কমে আসে। সরকার ও দেশের উন্নতিতে সহযোগিতা করতে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসা জরুরি। কেউ যদি এ প্রক্রিয়ার বাইরে কিছু করতে চান, তবে তার জন্য তাদেরই দায়ভার থাকবে।

    এ্যানি চৌধুরী আরও বলেন, সরকারের সাথে কিভাবে সহযোগিতা করা যায় ও দেশের সম্মান ও উন্নয়ন কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায়—এমন বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে ভাবতে হবে। মতপথ ভিন্ন হতে পারে, তবে বিরোধিতা কমিয়ে সবাই যেন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের জন্য কাজ করতে পারে, সেজন্য আন্তরিকতা প্রয়োজন।

    উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. এমরান, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনসহ অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

  • ঈদের আগে শুরু হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প: ত্রাণমন্ত্রী

    ঈদের আগে শুরু হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প: ত্রাণমন্ত্রী

    সরকার ঈদুল ফিতরের আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। এই উদ্যোগটি দেশজুড়ে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে, এটি মাত্র ৮টি উপজেলার পাইলট প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়িত হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সোমবার লালমনিরহাটে গোকুণ্ডা বাজারে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই তথ্য জানান। এটি তার নিজ জেলা লালমনিরহাটে মন্ত্রীর প্রথম সফর।

    মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত এই ১৮০ দিনের বিশেষ প্যাকেজের বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভায় বেশ কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মূলত, হতদরিদ্র ও প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে এই কার্ডের পরিকল্পনা কার্যকর করা হবে। পর্যায়ক্রমে সকল উপকারভোগীকে এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এর আওতায় আনা হবে।

    এ সময় রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ইফতার ও সেহরিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ঘরমুখো মানুষের জন্য নির্বিঘ্ন যাতায়াতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করাকে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    উন্নয়ন সংক্রান্ত কাজের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, খাল খনন ও সংস্কার কাজের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি, দেশের বৃক্ষ রোপণ বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে চলতি বছর ৫ কোটি গাছের রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মোট পরিকল্পনা হলো ২৫ কোটি গাছ রোপণ করা।

  • অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

    অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

    বাংলা ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি সম্প্রতি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হন। তাকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তার সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এই খবর প্রথম তিনি নিজেই জানান তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

    গত শুক্রবার তিনি একটি ফেসবুক পোস্টে জানান, অসুস্থতার কারণে তিনি শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল। তিনি ভক্তদের কাছে দোয়াতে বলেছিলেন, ‘আমাদের সবার প্রিয় তানিয়া বৃষ্টি বর্তমানে শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। এখন তার সম্পূর্ণ বিশ্রাম এবং চিকিৎসা জরুরি। অনুরোধ করছি, শুটিং বা কাজ সম্পর্কিত কোনো আলোচনা বা যোগাযোগ আপাতত এড়িয়ে চলুন। সুস্থ হয়ে উঠলে নিজেরাই সবাইকে জানাবো। আপনারা দোয়া ও ভালোবাসাই এখন আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।’ এর কিছুক্ষণ পর তিনি আরও একটি পোস্টে বলেন, ‘ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে ফুল। ভালোবাসি। কাল (রোববার) আমার মাথায় অস্ত্রোপচার হবে, দোয়া করবেন সবাই। আমার ব্রেন টিউমার ہے।’

    জানা গেছে, গতকাল বিকেলে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে তার মাথার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। পরিচালক রাশেদ মামুন অপু জানান, তানিয়া বৃত্তির ব্রেন টিউমারের অপারেশন সফলভাবে হয়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, বিকেল সাড়ে ৪টায় অপারেশন শুরু হয় এবং রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে শেষ হয়। বর্তমানে তাকে পোস্ট অপারেটিভ ইউনিটে রাখা হয়েছে এবং তার জ্ঞান ফিরেছে। আগামীকাল (সোমবার) তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে কেবিনে স্থানান্তর করা হতে পারে।

    পরিচালক সকাল আহমেদ বলেছেন, বেশ কিছুদিন ধরে তানিয়া শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করছিলেন। কখনো তীব্র মাথাব্যথা, কখনো জ্বর-ঠান্ডা অনুভব করতেন তিনি। এই পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে না নেয়ার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে দাঁড়ায়। কিছুদিন আগে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, তার ব্রেন টিউমার ধরা পড়েছে। এরপর তাকে আরও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং রোববারের অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই তার শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। বিশেষ করে মাথাব্যথা ও জ্বর-ঠান্ডা অনুভব করছিলেন তিনি। পরে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয় যে, তার ব্রেন টিউমার হয়েছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তার অঙ্গার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

  • বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন

    বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন

    বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব ৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলার দীর্ঘক্রমে চলা আইনি লড়াই শেষে অবশেষে অন্তর্বতী জামিন পেয়েছেন। সোমবার দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত রাজপালকে জামিনের শর্ত হিসেবে দুপুর ৩টার মধ্যে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে ১.৫ কোটি টাকা জামানত হিসেবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এই শর্ত পূরণ করার পরই তার জামিন অনুমোদিত হয়। এর আগে, চেক বাউন্সের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করে দিল্লির তিহার জেলে বন্দি ছিলেন তিনি। তবে তার এই দুর্দিনে অনেক বলিউড তারকা তাকে সহযোগিতা করেছেন। সোনু সুদ, গুরমিত চৌধুরী, মিকা সিং, অনুপ জালোটা, বলিউডের তারকা সালমান খান, অজয় দেবগন, বরুণ ধাওয়ান, ডেভিড ধাওয়ান ছাড়াও নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি এবং আরও অনেকেই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজপাল যাদবের একটি পুরানো ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে তাকে জামিন পাওয়ার পর সালমান খানকে বড় ভাই বলে সম্বোধন করে ধন্যবাদ জানাতে দেখা গেছে। তবে এই ভাইরাল ভিডিওটি আসলে সম্প্রতি নয়, এটি ২০১৮ সালের একটি পুরনো ক্লিপ। তখন তিনি প্রায় তিন মাস জেলে ছিলেন।

  • সেলিম খানের গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    সেলিম খানের গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    খান পরিবারের জন্য এই সময়টা খুবই কঠিনের মুখে পড়েছে। গত বছর থেকেই সালমান খানকে ঘিরে একের পর এক হত্যার হুমকি ও হুমকি বার্তা তৈরি হয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হামলার পর থেকে এর নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয় এই বলিউড তারকার জন্য। এর মধ্যে কিছু দিন আগে তার বোনের স্বামী এবং তার সহঅভিনেতা আয়ুষ শর্মাকেও হুমকি বার্তা পাওয়া গেছে।

    এমনই এক গভীর উদ্বেগের মুহূর্তে নতুন খবর আসে, জানা যায় বলিউডের এই জনপ্রিয় এবং প্রিয় চিত্রনাট্যকার সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত তাকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। এই মুহূর্তে তার ছেলে সালমান খান নিজে দ্রুত হাসপাতালে যান বাবার খোঁজ নিতে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো না হয়েও জানা গেছে, বয়সজনিত রোগের কারণে সেলিম খান এই অসুস্থতায় ভুগছেন। হাসপাতালে যাওয়ার পথে তিনি কোনও কথা বলেননি, শুধুমাত্র কালো টি-শার্ট ও প্যান্ট পড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দ্রুত বেরিয়ে যান। এই ঘটনা ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং ভক্তদের মধ্যেও উদ্বেগের সৃষ্টি করে।

    প্রখ্যাত বলিউডের স্বর্ণযুগের অন্যতম সফল চিত্রনাট্যকার সেলিম খান। তিনি জাভেদ আখতারের সঙ্গে যৌথভাবে অনেক জনপ্রিয় সিনেমা লিখেছেন, যাদের মধ্যে শোলে, জঞ্জির, দিওয়ার এবং ডন উল্লেখযোগ্য। তাদের লেখা সিনেমাগুলি বলিউডের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মুহূর্তের যে কারণে আজও স্মরণীয়।

    বিশেষ করে তার অসুস্থতার খবর প্রকাশের পরে বলিউডের তারকারা ও ভক্তরা তার দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন। সবাই আশা করছেন, খুব দ্রুত তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আবারও সুখকর সময় কাটাবেন।

  • বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে হিরো আলম গ্রেপ্তার

    বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে হিরো আলম গ্রেপ্তার

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, যিনি হিরো আলম নামে পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে তাকে হাজির করা হয়।

    গবেষণাটি ঘটে বগুড়ায়, বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি। এর আগে ১০ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আনোয়ারুল হক তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে হিরো আলমের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলে তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার সহযোগী পরিচালক রবিন খান। তিনি জানান, বগুড়ার বনানী এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

    একটি সূত্র বলছে, হিরো আলম নিজ এলাকা থেকে স্বাভাবিকভাবে অবস্থান করছিলেন। তবে যখন পুলিশ তার খোঁজে যায়, তখন তিনি ঢাকায় পালানোর চেষ্টা করেন। শেষমেশ গাড়ি চালিয়ে শাজাহানপুর থানার কাছাকাছি এলাকায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

    বগুড়া সদর থানার পুলিশ সূত্র জানায়, গত বছরের ৬ মে এক নারীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন। ওই সময় অভিযোগকারিনী বগুড়ার নারী ও শিশুশিল্প নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলায় অন্তর্ভুক্ত হন। আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করে তদন্তের জন্য পিবিআইয়ের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়। তবে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    অভিযোগের বিশদে জানা গেছে, হিরো আলম বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং নায়িকা বানানোর আশ্বাসে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পাশাপাশি তিনি একজন মৌলভী ডেকে তাঁর স্বীকারোক্তি করান এবং বিয়ের কথা বলে নানা স্থানে বাসা ভাড়া করে একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। এ সময় মহিলার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে, গত বছরের ১৮ এপ্রিল তার নিজ বাড়িতে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি রাজি না হলে, ২১ এপ্রিল হিরো আলম ও অন্যান্য অভিযুক্ত তাকে মারধর করে। ঘটে গুরুতর রক্তক্ষরণ, ফলে তাকে শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় এবং গর্ভপাত সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।

    অন্য এক অভিযোগে বলা হয়, সিনেমা তৈরির কথা দিয়ে হিরো আলম ওই নারীর কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা দর করেন।

  • স্বামীসহ নায়িকা রুবিনা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    স্বামীসহ নায়িকা রুবিনা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    চিত্রনায়িকা রুবিনা আক্তার নিঝুম, তার স্বামী মামূনুর রশীদ রাহুল এবং তার ভাই নান্নু মিঞা ও বোন মহিমা বিবির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই নির্দেশনা দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে। বাদী পক্ষের আইনজীবী কায়েশ আহমেদ অর্ণব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    অভিযোগ মতে, মোছাম্মৎ সুরভী বেগম নামের এক নারী ২৯ জানুয়ারি এই মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে আদালত সেই দিনই আসামিদের ১৯ ফেব্রুয়ারি হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করে। তবে, অর্ণব জানান, আজ তারা আদালতে হাজির হননি, তাই তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

    মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সুরভী বেগম ও নিঝুম পূর্ব পরিচিত। রুবিনা ও রাহুল সুরভীর বিশ্বাসযোগ্য ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তারা বিভিন্ন সময়ে সুরভীর কাছ থেকে অর্থ ধার নিয়ে সেগুলো সময়মতো ফেরত দেন। ২০২০ সালের ১অক্টোবর থেকে তারা সুরভীর কাছ থেকে মোট সাড়ে ১২ লাখ টাকা ধার করে। ওই টাকা তিন দফায়, ১১ থেকে ২০ অক্টোবর, সুরভীর কাছ থেকে নেন। চুক্তি অনুযায়ী, দুই মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেয়ার কথা ছিল, এবং রাহুলের টাকা ফেরত দিতে অক্ষম হলে তার ভাই নান্নু টাকার ভার নেবেন বলে চুক্তি হয়।

    পরবর্তীতে, সুরভী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অর্থের চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছরের ১ মে, জরুরি প্রয়োজনের জন্য, আবার টাকা ফেরত চান। কিন্তু রুবিনা ও রাহুল টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ২২ সেপ্টেম্বর, সুরভীর সমর্থনে রামপুরার বনশ্রীস্থ রুবিনার বাসায় গিয়ে টাকা ফেরত দাবি করলে, তাদের সঙ্গে ঝগড়া বাধে। টাকার দাবি অস্বীকার করে রুবিনা ও অন্যরা সুরভীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনার কারণে সুরভী রামপুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।