Author: bangladiganta

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াত আমির

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াত আমির

    আগামীকাল শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সকাল ১২টা ১ মিনিটে দিবসের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে তিনি শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এই সময় তিনি তার সঙ্গে দেশের ১১ দলের ঐক্য জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়েও উপস্থিত থাকবেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ডা. শফিকুর রহমান আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের সমাধিতে যাবেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাতের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করবেন। এই সব কার্যক্রমের বিষয়টি নিশ্চিত করে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

  • প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এবারই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বিরোধীদলীয় জোট পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তারা ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে মাতৃভাষার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনা করেন। এই দোয়ার মধ্য দিয়ে তারা ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্বীকৃতি এবং গুরুত্ব আবারও প্রমাণ করলেন।

    রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছান জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান নেতৃত্বাধীন ১১ দলের জোট। এরপর কিছুক্ষণ পর, ১২টা ১০ মিনিটের দিকে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধীদলের হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত, এটিএম আজহা সহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা শহীদ বেদিতে কিছুক্ষণ নীরব অবস্থায় দাঁড়িয়ে দোয়া করেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে কোরআন তেলাওয়াত এবং দোয়া পরিচালনা করেন জামায়াতের আমির নিজেই।

    অতীতে এমন মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধা জানানোর ঘটনা ঘটেনি, এটি প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির।

    এছাড়া, পুষ্পস্তবক অর্পণের পাশাপাশি জামায়াত নেতারা আজিমপুর কবরস্থানে যান ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করতে। সেখানে তারা শহীদদের রূহের জন্য দোয়া ও কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধানরা যথাক্রমে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান। একুশের প্রথম প্রহরে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা ভাষা শহীদদের স্মরণে বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। দিবসটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আজকের এই দিনে।

  • অবরুদ্ধ একুশ থেকে মুক্তি পেল বাংলা ভাষা ও সুবিধাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন

    অবরুদ্ধ একুশ থেকে মুক্তি পেল বাংলা ভাষা ও সুবিধাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ফ্যাসিস্ট শাসনের কারণে একুশের ভাষা শহীদ দিবসটি ছিল একপ্রকার অবরুদ্ধ। এবার সেই রুদ্ধদ্বার পর্দা সরিয়ে বাংলার মহান ভাষা ও স্বাধীনতার স্বপ্ন মুক্তির মুখ দেখলেও। এই পরিবর্তন আমাদের জন্য এক নতুন অনুভূতির সৃষ্টি করেছে।

    শুক্রবার রাতে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে তিনি এই কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, এই নতুন সরকার গঠিত হয়েছে বিএনপি নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে, এবং আমাদের আশার আকাশ এখন অনেক ঊর্ধ্বে। আমাদের প্রত্যাশা, দেশের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী, একটি সত্যিকার গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে যেখানে ন্যায্যতা, স্বাধীনতা ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, একুশের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশে একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। এই চেতনা আমাদের সামনে আলোকদীপের মতো উজ্জ্বল। ভবিষ্যতে আমরা এই মূল মূল্যবোধের ভিত্তিতে এগিয়ে যাবো। নতুন একুশের অনুপ্রেরণায় আমরা জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাবো, মাতৃভাষা ও সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করব। পাশাপাশি, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবো।”}

  • নিষিদ্ধ আ.লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন

    নিষিদ্ধ আ.লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জামালপুরের বকশীগঞ্জের বগারচর ইউনিয়নে একটি অসাধারণ ও বিতর্কিত ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা ‘নিষিদ্ধ’ ঘোষণা করা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিশেষ একটি দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই অনুষ্ঠানে তারা ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়েছিলেন, যা অনেকের কাছে উদ্বেগ ও প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এই কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, ইউনিয়ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা, তাঁতী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্ৰলীগের নেতাসহ বেশ কয়েকজন। পতাকা উত্তোলনের পর তারা ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগাফেরাত কামনায় মোনাজাত করেন। অনুষ্ঠান শেষে নেতাকর্মীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এ ঘটনার ফলে স্থানীয় মানুষের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বকশিগঞ্জের গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক শাহরিয়ার আহমেদ সুমন এই ঘটনার কঠোর সমালোচনা করেছেন, তিনি লিখেছেন, ‘নিষিদ্ধ দলে পতাকা উত্তোলন ও স্লোগান দেওয়ার জন্য দায়ী নেতাকর্মীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে, নাহলে ছাত্রজনতা নিজে উপযুক্ত জবাব দেবে।’ তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশও আশ্বাস দিয়েছে। বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন বলেছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও বিতর্কের ঝড় বইছে এবং বিভিন্ন মহল থেকে নানা ধরনের মতামত প্রকাশিত হচ্ছে।

  • বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা: পুনর্বিন্যাস ও সাংগঠনিক গতি বৃদ্ধি

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা: পুনর্বিন্যাস ও সাংগঠনিক গতি বৃদ্ধি

    আগামী তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল বৈঠকে নেওয়া হয়, যেখানে ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য নতুন নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে।

    নতুন কমিটিতে আবারও সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে চারজন নায়েবে আমির, সাতজন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, ৫৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা এবং ৮৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ গঠন করা হয়েছে।

    এছাড়াও, দলটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে দেশের ১৪টি সাংগঠনিক অঞ্চলে বিভক্ত করে প্রত্যেক অঞ্চলের জন্য পর্যাপ্ত অঞ্চল পরিচালক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রমের গতি আরো বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কমিটির মেয়াদ চলবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত।

    শুক্রবার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্যদের সাথে পরামর্শে দায়িত্বশীলদের নির্বাচন ও শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করেছেন। সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীগণ সশরীরে অংশগ্রহণ করেন।

    ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে ডা. শফিকুর রহমানকে দলের আমির নির্বাচিত করার প্রায় তিন মাস পরে এই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    নতুন কমিটিতে চার জন নায়েবে আমির হচ্ছেন— এটিএম আজহারুল ইসলাম (এমপি), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (এমপি), ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (এমপি) এবং মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম।

    সাত জন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের মধ্যে রয়েছেন— মাওলানা এটিএম মাছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (এমপি), ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান এবং অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

    কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট নেতাদের সমন্বয়ে ২১ জন সদস্য রয়েছেন, যারা সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। নারী সদস্য সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে— কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ২১ জন নারী রয়েছে, এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা বিভাগে ১৭ জন নারী সদস্য থাকবেন, যা সংগঠনে নারীর অংশগ্রহণের উন্নতি নির্দেশ করে।

    ডিপ্লোম্যাটিক কার্যক্রম ও নির্বাচন পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে, যার প্রধান হচ্ছেন মাওলানা এটিএম মাছুম।

    সারাদেশের সাংগঠনিক কার্যক্রমের আরও গতিশীলতা আনার জন্য বিভাগীয় স্তরে ১৪টি অঞ্চল নির্ধারণ করে প্রত্যেকের জন্য পরিচালক নিয়োগ করা হয়েছে। তারা রংপুর-দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহী, কুষ্টিয়া-যশোর, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, ঢাকা মহানগর, ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, ফরিদপুর, সিলেট, কুমিল্লা-নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের দায়িত্বে থাকবেন।

    সংগঠনের এই নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে সংগঠনটি তার সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করে আগামী নির্বাচনী আন্দোলন ও কর্মসূচির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, ২০২৮ সাল পর্যন্ত এই কাঠামো বজায় রেখে মাঠ পর্যায়ের পুনর্গঠন, কর্মসূচি সমন্বয় ও রাজনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

  • শপথের প্রয়োজন নেই, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘হ্যাঁ’ কার্যকর হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

    শপথের প্রয়োজন নেই, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘হ্যাঁ’ কার্যকর হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

    পানি সম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হয় হ্যাঁ-না ভোট, যেখানে দায়িত্বশীল সাধারণ ভোটাররা হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন। ফলে গণভোটে হ্যাঁ জয়লাভ করেছে। এই প্রক্রিয়ায়, পার্লামেন্টে বিল আনার জন্য কোনও আলাদা শপথের প্রয়োজন হয় না। হ্যাঁ ভোটের ফলাফল অটোমেটিকভাবে কার্যকরী হবে – এটাই এখন নিয়ম ও প্রক্রিয়া বললেন তিনি।

    শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, যেখানে না ভোট দেওয়া হয়েছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট বিল বা সিদ্ধান্তের উপর আলোচনা চলবে। এ ক্ষেত্রে, কোন সিদ্ধান্ত কিভাবে কার্যকর হবে, তা নির্ধারিত হবে আইন অনুযায়ী। যেখানে এমন কিছু নোট অব ডিসেন্ট জমা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বিষয়েও যথাযথ ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। এ সব কিছু জানতে, বুঝতে এবং স্বচ্ছভাবে বিষয়গুলো প্রকাশ করতে প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন এ্যানি।

    অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, যারা বিভিন্ন অসংগঠিত ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছেন, সেসব থেকে সরে আসা উচিত। বিশৃঙ্খলা ও মব কালচার বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রার জন্য বড় সর্তকতা। সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে সরকারের সহযোগিতা করতে হবে। কেউ যদি এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় ও অগ্রহণযোগ্য পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, তার দায়দায়িত্ব তারই।

    তিনি বলেন, সরকারের এগিয়ে নেওয়া পরিকল্পনা ও উন্নয়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে। মতপার্থক্য থাকলেও, সকল বিভেদ ভুলে গিয়ে একসঙ্গে দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করা জরুরি। সব ধরনের বিরোধিতা ও বিভাজন এড়িয়ে, দেশের স্বার্থে সবাই একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. এমরান, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীরা।

  • তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ঘোষণা করলেন, আগামী মাস থেকে শুরু হবে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ঘোষণা করলেন, আগামী মাস থেকে শুরু হবে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্ন অনুযায়ী দেশের গরীব ও অন্নপূর্ণ পরিবারের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। এই কার্যক্রম ভবিষ্যতের মাস থেকে শুরু হবে। প্রথম ধাপে এই কার্ডের মাধ্যমে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে দেশের ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের নারী সদস্যরা এই সুবিধার আওতায় আসবেন।

    শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভা, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলার মানুষ নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কখনোই আপোস করেনি। ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে ২৪’এর গণঅভ্যুত্থান এই সংগ্রামেরই প্রমাণ। ভাষা দিবসের মূল চেতনা ছিল ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। এখন সময় হয়েছে, দেশে আর কোনো অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা দখল সম্ভব নয়। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসাই হলো শান্তিপূর্ণ ও বৈধ পথ।

    গণমাধ্যমের বিষয়ে তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে সঠিকভাবে কাজ করতে দিতে হবে এবং তাদের স্বাধীনতা অবারিত রাখতে হবে। কোনো গোষ্ঠী যেন গণমাধ্যমে হস্তক্ষেপ না করে, সেটা নিশ্চিত করতে আমি দায়িত্ব নেওয়া। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য কোনো অপ্রয়োজনীয় চাপ বা হস্তক্ষেপ চলবে না।

    মন্ত্রী আরও বলেন, দেশটিতে কিছু মহল মব কিডন্যাপ ও অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রশ্রয় দিচ্ছে এবং কিছু প্রশাসনিক কর্মকর্তা সেসবের সঙ্গে যোগ দিয়ে থাকেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে যেন আর কোনভাবে সমর্থন না দেয়া হয়, সে বিষয়ে কঠোর মনোভাব নেওয়া হয়েছে। সবাই মিলে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে, এবং যারা স্বার্থান্ধ হয়ে ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য প্রশাসনকে ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন, তারা সতর্ক থাকবেন।

    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে বলেন, আন্দোলন ধরনের পেশা নয়। আমাদের অনেকের ওপর চাপ ছিল, আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়েছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে যেন আমাদের বিরুদ্ধে নতুন করে কোন আন্দোলন সৃষ্টি না হয়।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন। এ ছাড়াও বক্তব্য দেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মঞ্জুর মোর্শেদ আলী, জেলাপ্রশাসক ফারজানা ইসলাম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আবদুল হান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম ফরিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবায়দুল হক চাঁন এবং কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম।

  • প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুরনো কর্মচারীদের ডেকে আলোচনা করেন তারেক রহমান

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুরনো কর্মচারীদের ডেকে আলোচনা করেন তারেক রহমান

    শনিবার সকালেই প্রধানমন্ত্রী তার তেজগাঁও কার্যালয়ে পৌঁছে পুরনো কর্মচারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, লীগে ১৯ বছর আগে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে মোটামুটিভাবে কিছু কর্মচারী এখনও কার্যালয়ে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বয়স হয়েও তাদের নাম ধরে ডেকে তাদের সঙ্গে আন্তরিকতা ও স্নেহের সঙ্গে কথা বলেন। এই মুহূর্তটি ছিলো খুবই স্মরণীয় ও আবেগাপ্লুত করার মতো।

    প্রথমে তিনি অফিসের বাগানের বৃক্ষের রোপণ করেন। এরপর তিনি কার্যালয়ে প্রবেশের সময় লক্ষ্য করেন যে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একসঙ্গে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সালাম জানাচ্ছেন। সেই সময় একজন কর্মচারী তাকে দেখামাত্রই নাম ধরে ডেকে বলেন, তারপর তিনি দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অতিক্রম করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান, তাঁর সঙ্গে হাত মেলান এবং পরিবারের খবর নেন। স্থানীয় কিছু কর্মচারীকে ও এই দিনটাই তাদের জন্য বিশেষ মনে হয়।

    ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সরকার গঠনের পর সেবাকালীন এই কার্যালয়েই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছিলেন খালেদা জিয়া।

    অতিরিক্ত প্রেস সচিব বললেন, যারা খালেদা জিয়ার সময় কাজ করেছেন, তারা ১৯ বছর ধরে এই কার্যালয়ে আছেন। এখন তারা বৃদ্ধ হয়ে গেছেন, তবে প্রধানমন্ত্রী তাদের চিনতে ভুল করেননি। তিনি নাম ধরে ডাকেন এবং তাদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন। এই কারণে তারা আবেগপ্রবণ, আবার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিস্মিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মানবিক মনোভাব দেখে।

    এরপর প্রধানমন্ত্রী রেড ব্লকে প্রবেশ করেন, যেখানে তাঁর চেম্বার বা কক্ষ অবস্থিত। তিনি সেখানে নিজের চেয়ারে বসে দেশের মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসের স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন করেন।

    পরে তিনি মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেন বলে জানানো হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এসে পৌঁছানোর পর, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন তাঁকে স্বাগত জানান।

    অতীতে, ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শপথ নেওয়ার পর থেকে এই প্রথম তিনি সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে অফিস করছেন। এই দিনই তিনি প্রথম অফিস করেছেন।

  • ঈদের আগেই ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের জন্য বিশেষ ভাতা দেবে সরকার

    ঈদের আগেই ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের জন্য বিশেষ ভাতা দেবে সরকার

    সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের জন্য সম্মানী ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এই ভাতার অঙ্ক এখনো নির্ধারিত হয়নি। সরকার জানিয়েছে, ঈদের আগে কয়েকটি এলাকায় এই প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা হবে।

    আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গেটে তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

    স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে সঙ্গে নিয়ে মাহদী আমিন বলShares, নির্বাচনের আগে বিএনপি একাধিক প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবসহ ধর্মগুরুদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা। ক্ষমতায় এসে এই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকার ঈদুল ফিতরের আগে প্রাথমিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু করবে। ধাপে ধাপে এটি সারা দেশে বিস্তার ঘটাবে।

    ভাতা কত টাকা দেওয়া হবে জানতে চাইলে মাহদী আমিন বলেন, এ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, আজ তারেক রহমানের তিন দিনের কর্মদিবসের প্রথম দিন ছিল। নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি আরও বলেন, আজ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো অফিস করেছেন তারেক রহমান। অফিসে প্রবেশের আগে ব্রিফিং করেন এবং পুরোনো কর্মীসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিভিন্ন পলিসি ও কার্যক্রম নিয়েও আজ আলোচনা করেন।

  • শহীদ মিনারে ডাকসুর একাংশের শ্রদ্ধা, নিস্তব্ধতা অন্যদের অপ্রাপ্তিতে

    শহীদ মিনারে ডাকসুর একাংশের শ্রদ্ধা, নিস্তব্ধতা অন্যদের অপ্রাপ্তিতে

    শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনে শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। তবে উত্তেজনা ও অনীহার কারণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে দেখা যায়নি ডাকসুর অনেক পরিচিত মুখকে। এই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা ৪৮ মিনিটে বিটিভির সরাসরি সম্প্রচারণের মাধ্যমে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানের স্ক্রিনশট ফেসবুকে শেয়ার করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। ছবিতে দেখা যায়, ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদিক কায়েম, সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ ও অন্যান্য সদস্য। পাশাপাশি ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    সর্বমিত্র চাকমা ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জানলাম ডাকসু শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে যাচ্ছে—হাহা! হেমা চাকমা, ফাতেমা তাসনিম জুমা, রাফিয়া, উম্মে সালমা ও অন্যান্যরা। তবে অনেকেই অপেক্ষা করছিলেন এই ব্যাপারে কোন সুসংবাদ পাব কি না।’

    এদিকে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন, ‘ডাকসু আসলে কোন কাজে লাগছে না। সবাই নিজের রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত। এখন এই সংগঠনের কার্যকারিতার প্রয়োজনীয়তা দ্বারেড।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘ডাকসু অনেকগুলো সমস্যার মধ্যে আটকে রয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের একচেটিয়া আধিপত্যে পদে পদে বাধা আসে। প্রকল্পের বাজেটের বিষয়ে নানা অপ্রিয় বাস্তবতা থাকলেও, কিছু কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ পাওয়া পর্যন্ত খুবই কম। সদস্য আদালতে বা কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারছ না। শিবিরের সংগঠকরা এই সময় অনেক কাজ করছে। তবে, সবচেয়ে কাজ করছে সাবেক নেতা-নেত্রীরা। বাকিরা নানা ধরণের ধর্না ও টানাপোড়েনে ফেঁসে যাচ্ছে।’

    জুমা আরও যোগ করেন, ‘আমার ক্ষমতা বেশি নয়। আমি নিজের ব্যবসায়িক দিক দিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করি, অন্যের সাথে তদবিরের অভ্যাস নেই। আমি লম্বা তেজ নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করতে জানি। গালিগালাজের সঙ্গেও পরিচিত। তবে এর মাঝে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ডাকসুর সংহতি এবং নেতৃত্বের অভাব।

    প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার জন্য ডাকসু কখন যাবে—একাধিকবার জিজ্ঞেস করা হলে জানানো হয়, সিনেট সদস্যরা সরকারি প্রটোকলের অধীনে যাবেন। কিন্তু পরে দেখা যায়, এই সিলেক্টিভ পাস দিয়ে কিছু দলের ইউনিয়ন লেভেলের কর্মীরাই শহীদ মিনারে যেতে পারছেন। অথচ বাকিরা সেই সুবিধা পায়নি। এই গাফলতি নিয়ে অনেক প্রশ্ন উছেড়ে উঠছে এবং প্রভাতফেরীর অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুধু প্রধান নেতাদের জানানো হয়, অন্যদের জানানো হয় না। এছাড়া সভাগুলোয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা কম হয় বলে জানিয়েছেন জুমা।

    জুমা অভিযোগ করেন যে, যদি সিনেট সদস্যরা ফুল দিতে এগিয়ে যেতেন, তাহলে গ্রুপে জানানো হলে অন্য সদস্যরাও উপস্থিত থাকতেন। কিন্তু প্রশাসনিক কারণে সবাইকে একসাথে বা সময়মত জানানো হয়নি, ফলে অনেকেই পৌঁছাতে পারেননি। তিনি উল্লেখ করেন, ডাকসু শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, তাদের আমানত। তিনি বলছেন, শিক্ষার্থীরা যখন কিছু জানতে চান, তখন তার পক্ষে ব্যাখ্যা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এতে করে তার কাজ সহজ হবে। সামগ্রিকভাবে, ডাকসুর কার্যক্রমে অস্থিরতা ও স্ববিরোধিতা বোঝা যায় এইসব সমস্যা থেকে।

    অন্যদিকে, হেমা চাকমা প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা জানিয়ে তার ফেসবুক আইডিতে ছবি শেয়ার করেছেন। সেখানে বেশ কিছু পরিচিত মুখ উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো ব্যানারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেননি।

    রাত ১২টা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শুরু হয় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।