Author: bangladiganta

  • বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

    বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

    বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু সংবাদটি বিএনপি মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও একই তথ্য জানানো হয়, যেখানে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা, আমাদের দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের প্রার্থনায়ের পরে ইন্তেকাল করেছেন। আল্লাহ তার আত্মাকে শান্তি দান করুন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করছি।’ তার জীবনের শেষ সময়টিতে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর থেকে সেখানে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছিলেন, এবং তার অবস্থা সংকটময় বলে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা জানিয়ে ছিলেন। খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে। তার বাবা ছিলেন ইস্কান্দার মজুমদার, মা তাহিয়া মজুমদার। তরুণ বয়সে তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পরবর্তীতে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৬০ সালে তার বিবাহ হয় জিয়াউর রহমানের সঙ্গে। বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তিনি ছিলেন ফার্স্ট লেডি এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের মৃত্যু শোকাবহ পরিস্থিতিতে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৮২ সালে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি দলের ভাইস-চেয়ারম্যান ও ১৯৮৪ সালে চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। আটের দশকে তৎকালীন সামরিক স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন, যা তাকে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে খ্যাতি এনে দেয়। দীর্ঘ সংগ্রামে তিনি সাতবার শিরচ্ছেদ ও গৃহবন্দী হয়েছেন। ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। সরকারের প্রথম অবদান ছিল দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করা, বিশেষ করে শিক্ষাখাতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা, যেখানে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা বাস্তবায়িত হয়। ১৯৯৬ সালে বিএনপি নির্বাচনে হেরে গেলেও, তিনি বিরোধী দলের নেত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০০১ সালে অন্যান্য দলের সঙ্গে জোট গঠন করে আবার প্রধানমন্ত্রী হন। এরপর বিশ্বস্ততা উপরে তুলে ফোর্বস ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাশালী নারীদের মধ্যে স্থান দেয়। নির্বাচনী ইতিহাসে তিনি পরাজয়হীন, প্রায় সব নির্বাচনে জয়লাভ করেন। ২০১১ সালে তাকে নিউ জার্সি স্টেটের সিনেট ‘গণতন্ত্রের যোদ্ধা’ হিসেবে সম্মানিত করে। ২০১৮ সালে একটি বিতর্কিত মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নের মুখে পড়ে। তবে বিভিন্ন দেশের ও দেশের অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষকদের মতে, এই বিচারের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। প্রায় তিন বছর পর, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময় এসব মামলায় তাঁকে অব্যাহত দৃষ্টান্তে খালাস দেওয়া হয়, ও তার বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ থেকে মুক্তি পান তিনি। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রয়াসী, এই মানবতাবাদী নেত্রী আজ আমাদের মাঝে নেই, তবে তার প্রতীকী অবদান ও সংগ্রাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

  • খুলনায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে আহ্বান জানিয়েছেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    খুলনায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে আহ্বান জানিয়েছেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    আমরা মনে করি, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা। এই গণতান্ত্রিক স্বপ্নকে সামনে রেখে আমরা দীর্ঘ দিন ধরে জীবন উৎসর্গ করে লড়াই করে এসেছি। বাংলাদেশের মানুষও শত শত বছর ধরে তাদের স্বাধিকার অর্জনের জন্য নিরলস সংগ্রাম করে আসছে। এই গণতান্ত্রিক সংগ্রামে আরও এগিয়ে যেতে এবং দেশের সার্বিক গণতান্ত্রিক অবস্থা সুদৃঢ় করতে, খুলনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে বিশেষ এক দোয়ায় অংশ নেন, যেখানে তিনি দেশবাসীর জন্য শান্তি, মুক্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। এ সময় তিনি বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। এছাড়াও তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা এবং স্বস্তি কামনাও করেন। পরে খুলনা চানমন্ডল কবরস্থানে গিয়ে তার পিতামাতা ও পরিবারের জন্য দোয়া করেন, যা পরিচালনা করেন মাওলানা জাহিদুল ইসলাম।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু এরপর নির্বাচন কমিশনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, গণ্যমান্য নেতৃবৃন্দ ও কর্মী সমর্থকরা। আরও ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, এড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, কাজী মোহাম্মদ রাশেদ, এড. আকরাম হোসেন, আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু সহ অনেক নেতাকর্মী।

    অন্যদিকে, গতকাল সন্ধ্যায় সাউথ সেন্ট্রাল রোডে হাজী কল্যাণ ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে দেশ ও দলের জন্য শান্তি কামনা করা হয়। এই দোয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন জাকির হোসেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন জুয়েলারী ব্যবসায়ী সমিতির শংকর কর্মকার, শিবনাথ ভক্ত, পরিতোষ চন্দ্র রায়, বাসুদেব কর্মকার, শেখ শওকত আলী, আজিজুর রহমান ও আক্তার দেওয়ানসহ আরো অনেকে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি গুলজার ফাউন্ডেশনের সদস্য মরহুম ডাঃ সাঈদ এর রুহের মাগফিরাত ও দেশের সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন। সভায় আলোচনা ও দোয়া পরিচালনা করেন জাকির হোসেন, যেখানে গ্রাম-শহর থেকে আগত নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা অংশ নেন।

  • খুলনায় বিএনপির শোক প্রকাশে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু

    খুলনায় বিএনপির শোক প্রকাশে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু

    খুলনায় বিএনপি নেতাকর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে। শোকের খবর শোনার সাথে সাথেই বিএনপি কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং সকল নেতাকর্মী কালো ব্যাজ ধারণ করে। পাশাপাশি, দলের কার্যালয়ে কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং পালন করা হচ্ছে শোকসভা।

    আমিন, খুলনা জেলা বিএনপি ৭ দিনের কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—৭ দিন কালো ব্যাজ ধারণ, দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং কালো পতাকা উত্তোলন।

    নগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, আজ দেশের জন্য বড় ক্ষতি হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের একজন মহান নেত্রী, যিনি জাতির জন্য প্রয়োজনীয় ছিলেন। গত সরকার তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে জেলে পাঠিয়েছে, যার ফলে তিনি আস্তে আস্তে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে গেছেন।

    নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছি। তিনি একজন সাহসী নেত্রী, যিনি দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তিনি দ্রুত চলে যাওয়ার কারণে সবাই শোকে ভেঙে পড়েছেন। আগামী নির্বাচনে বিএনপি জয়ের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

  • রমজানে খেজুরের আমদানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক কমালো সরকার

    রমজানে খেজুরের আমদানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক কমালো সরকার

    আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে খেজুরের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আবেগ ও চাহিদার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে খেজুরের আমদানি সহজ করতে বড় ধরনের শুল্ক ছাড় দিয়েছে সরকার।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, খেজুরের আমদানিতে মুল চার্জ হিসেবে এর কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এই সুবিধা আগামী ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে শুরু করে ৩১ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

    এছাড়া, গত বাজেটের আওতায় আমদানির ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর সংক্রান্ত বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমে খেজুরসহ সব ফলের আমদানিতে প্রযোজ্য অগ্রিম আয়কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, গত বছর খেজুর ও অন্যান্য ফলের জন্য যা ৫০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর ছাড় দেয়া হয়েছিল, সেটাও চলতি বছরে বহাল থাকবে।

    নিয়মিত এই ছাড়ের ফলে রমজান মাসে খেজুরের আমদানি বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করছে এনবিআর। এতে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হবে এবং খুচরা বাজারে খেজুরের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    রমজান মাসে ইফতারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসেবে খেজুরের চাহিদা দ্রুত বাড়ে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোক্তাদের পাশাপাশি আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

  • সোনার দামে রেকর্ড বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় পৌঁছালো মূল্য

    সোনার দামে রেকর্ড বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় পৌঁছালো মূল্য

    দেশের বাজারে সোনার দাম আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বেড়ে গেছে ১৫৭৪ টাকা। এর ফলে এখন এক ভরি সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা, যা আগে কখনো হয়নি। এই দাম বৃদ্ধির পেছনে স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনার দামের বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে যে, এই নতুন দাম শনিবার থেকে কার্যকর হবে। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, আগের রেকর্ড দাম ভেঙে গত ২৪ ডিসেম্বর এক ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা। মূলত সেই সময়ে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। এর আগে, ২৩ ডিসেম্বর ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা, ২২ ডিসেম্বর ১ হাজার ৫০ টাকা, ১৬ ডিসেম্বর ১ হাজার ৪৭০ টাকা, ১৪ ডিসেম্বর ৩ হাজার ৪৪২ টাকা এবং ১২ ডিসেম্বর ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হয়। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধির ফলে, বর্তমানে মূল্য সব রেকর্ডকে হারিয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে। একই সময়ে, ২১ ক্যারেটের সোনার দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, যেখানে ১ হাজার ৫১৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের সোনার মূল্য ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকায়, ১ হাজার ২৮৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে; এবং সনাতন পদ্ধতির বা সাধারণ মানের সোনার দাম বেড়ে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকায় পৌঁছেছে, যেখানে ১ হাজার ১০৮ টাকা যোগ হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৪ ডিসেম্বর সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি দাম ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা। এর আগে, বিভিন্ন সময়ে অন্য ক্যারেটের সোনার দামও বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দর বৃদ্ধির ফলে সোনা এখন বিশ্বের রেকর্ড দামের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্যই নয়, ব্যবসায়ীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট।

  • পাকিস্তানের প্রথম নারী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মৃত্যু

    পাকিস্তানের প্রথম নারী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মৃত্যু

    পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র নারী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর শামশাদ আখতার মারা গেছেন। তিনি দেশের অর্থনীতি ও পুঁজিবাজারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন এবং দুই দফা তত্তবধায়ক সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। শনিবার দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় এ খবর নিশ্চিত করেছে।

    মৃত্যুর আগে তিনি পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন, যেখানে তিনি দেশের মুদ্রানীতি, রাজস্ব ও পুঁজিবাজারের বিষয়গুলোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান স্টেট ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন। পরে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে গঠিত তত্তবধায়ক সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

    অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব শামশাদ আখতারকে দেশের অর্থনীতির একজন নীতিবান ও মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তার সততা, পেশাদারিতা এবং দীর্ঘকালীন পরিষেবার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, শামশাদ আখতার দেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করেছেন। অর্থমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও সহকর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের মতে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন।

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে, শামশাদ আখতার পাকিস্তানের অন্যতম অভিজ্ঞ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক হিসেবে পরিচিত। তিনি বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএন ইএসক্যাপ) নির্বাহী সচিবের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। এর আগে তিনি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকেও কাজ করেন।

    জন্ম হায়দরাবাদে, তবে পড়াশোনা করেছেন করাচি ও ইসলামাবাদে। তিনি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়, কায়েদে আজম বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স এবং যুক্তরাজ্যের পেইসলি কলেজ অব টেকনোলজি থেকে ডিগ্রি লাভ করেন। শামশাদ আখতার তার দীর্ঘ পেশাদার জীবন ও দেশসেবার জন্য শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ হবে।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার কিনল

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার কিনল

    শক্তিশালী প্রবাসী আয় এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছর ব্যাপকভাবে ডলার কিনছে। প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর কাছে অতিরিক্ত ডলার জমা হয়েছে, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এরপর থেকে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে চাপ কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে ডলার ধার দিচ্ছে। রোববার, তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে বিশেষভাবে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যেখানে ডলারের মূল্য ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর অনুযায়ী, চলতি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ৯২ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে। অর্থবছরজুড়ে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এখন পর্যন্ত মোট ডলার কেনা হয়েছে ৩ হাজার ৫৬ মিলিয়ন বা ৩.৫ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, এ মাসে ১ থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১৭ কোটি ২১ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯.৫ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের সাত মাসে (জুলাই থেকে ডিসেম্বর) বাংলাদেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১ হাজার ৫২১ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৩১২ কোটি ডলার। অর্থাৎ, এই সময়ে প্রবাসী আয় তুলনামূলকভাবে ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৌশল, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা উন্নত করার ফলেই এই রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও সচল হচ্ছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী ও স্বস্তির মধ্যে রয়েছে। উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসে দেশের প্রবাসীরা মোট ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যার পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে গণনা করে)।

  • টানা ৮ দফা বাড়ার পর এবার সোনার দাম কমলো

    টানা ৮ দফা বাড়ার পর এবার সোনার দাম কমলো

    দেশের বাজারে দীর্ঘ আট দফা মূল্যবৃদ্ধির পর অবশেষে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। আজ (২৯ ডিসেম্বর, সোমবার) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন দাম আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, বিভিন্ন কারণে দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গুল্ডের মূল্য কমে গেছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) নতুন মূল্য অনুযায়ী হবে ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। এছাড়াও অন্যান্য ক্যারেটের জন্য মূল্য নির্ধারিত হয়েছে যথাক্রমে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ওই তারের জন্য ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৩ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, সোনার বিক্রয় মূল্য নির্ধারণের সময় অবশ্যই সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে মজুরির পরিমাণে পার্থক্য থাকতে পারে।

    এর আগে, অর্থাৎ ২৮ ডিসেম্বর, বাজুস সোনার দাম নতুন করে সমন্বয় করে ডেকেছে যেখানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, যা এখন পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ দামে ছিল। সেই সময়ে অন্যান্য ক্যারেটের দাম ছিল ২১ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩১ টাকা।

    এ পর্যন্ত চলতি বছরেই মোট ৯২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৪ বার এবং কমেছে ২৮ বার। ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার দাম সমন্বয় হয়েছে, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমানো হয়েছে।

    অন্যদিকে, দেশের বাজারে রুপার দাম এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৬৫ টাকায়। অন্যান্য ক্যারেটের জন্য মূল্য হলো ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৯৫০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ৩ হাজার ৭৩২ টাকা।

    চলতি বছরে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছে এবং ৩ বার কমেছে। গত বছর রুপার দাম সমন্বয় ছিল মাত্র ৩ বার।

  • জামায়াত আমিরের কদর্য দৃঢ়কন্ঠে বললেন, খালেদা জিয়ার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে

    জামায়াত আমিরের কদর্য দৃঢ়কন্ঠে বললেন, খালেদা জিয়ার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক শোকবার্তায় তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, ভোটাধিকার অর্জন ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যে অসামান্য ভূমিকা পালন করেছেন, তা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দৃঢ় রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে বেগম খালেদা জিয়া দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অদ্বিতীয় স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বের দৃঢ়তা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান জাতি গর্বের সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং প্রার্থনা করেন আল্লাহ তাআলা যেন তাঁর যাবতীয় ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। এছাড়াও তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনসহ সকলের জন্য ধৈর্য্য ও տոկামের দোয়া করেন, যেন এই কঠিন সময়ে তাঁদের ধৈর্য্য ও সাহস বাড়ে। এমতাবস্থায়, তিনি মরহুমার জন্য আল্লাহর কাছে রুহের মাগফিরাত ও জান্নাতের মর্যাদা কামনা করেন।”}}}## Additional Instructions? Let me know if you’d like any further adjustments or another version.“`#END_OF_RESPONSE#}]]}

  • খালেদা জিয়া: এক অনুপ্রেরণাদায়ক নেতৃত্বের պատմা

    খালেদা জিয়া: এক অনুপ্রেরণাদায়ক নেতৃত্বের պատմা

    চার দেয়ালের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির কঠিন সময়গুলোতে উঠে এসেছিলেন একজন সাহসী নারী, তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। খালেদা জিয়া তার আপসহীন নেতৃত্ব, দৃঢ়তা এবং স্বীয় স্বার্থের ওপরে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মনোভাবের জন্য ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি ইন্তেকাল করেছেন, এই দুঃখজনক খবর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    জেল, জুলুম, নির্যাতন—সবকিছুকেই উপেক্ষা করে, গণতন্ত্রের প্রশ্নে অবিচল থাকতে তিনি কখনও পিছপা হননি। তার এই সংগ্রামী জীবনই তাকে জনসম্মুখে ‘আপসহীন নেত্রী’ নামে খ্যাতি দিয়েছে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে, এক সামরিক অভ্যুত্থানে শহীদ হন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তখনকার রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান। এই ব্যথা ও শোকের মুহূর্তে দলটি নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়লেও, সেই বিপর্যয় মোকাবেলা করে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেন খালেদা জিয়া। স্বামীর শূন্যতা দৃষ্টিতে নিয়ে তিনি দায়িত্ব নেন একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের জন্মদান ও উন্নয়ন।

    অতঃপর, ১৯৮১ সাল থেকে তিনি দলকে পুনর্গঠনে কাজ শুরু করেন এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপসহীন দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বন করেন। সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে একযোগে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। শহীদ জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতির পথই তারা ধরে এগিয়ে যান, যেখানে কোনও আপসের স্থান নেই।

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, খালেদা জিয়ার দৃঢ়তা এবং সাহসের কারণে ১৯৯০ সালে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচার এরশাদের পতন সাধিত হয়। এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান কাণ্ডারি ছিলেন তিনি। এর ফলশ্রুতিতে ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এই অর্জন তাকে ইতিহাসের পাতায় অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

    খালেদা জিয়া দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয়তাবাদ এবং স্বাধীনতার পক্ষে ছিলেন অটুট। ভয় বা লোভের কাছে কখনও হস্তান্তর হননি। দীর্ঘ সময়কার কারাবরণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও কঠিন অসুস্থতার সময়েও তিনি দেশের জন্য তার আদর্শের লড়াই চালিয়ে গেছেন। গণতন্ত্রের জন্য তার আত্মদান সাম্প্রদায়িক মূল্যবোধের প্রশ্নে তার অবিচল ও দৃঢ়চেতা মনোভাবকে আরও স্পষ্ট করে দেয়। তার জীবন আমাদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস, তিনি সত্যিই বাংলাদেশের রাজনীতির এক অবিস্মরণীয় নেত্রী।