Author: bangladiganta

  • ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ চাকরিপ্রার্থীর চাকরি বাতিল

    ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ চাকরিপ্রার্থীর চাকরি বাতিল

    নজিরবিহীন শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক। চাকরিবিধি লঙ্ঘন এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একসঙ্গে আরও ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে। এই দ্বিতীয় দফার ছাঁটাই কার্যক্রমের ফলে চলতি সপ্তাহে মোট ৪০০ কর্মীর চাকরি চলে গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তার মতে, এই জাতীয় ছাঁটাই ঘটনার ঘটনা নজিরবিহীন। তবে ব্যাংকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এ উদ্যোগ সম্পন্ন হয়েছে দক্ষতা যাচাই এবং ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষার অংশ হিসেবে। সম্প্রতি ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যান্ডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) পরিচালিত ‘বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা’ এর মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ওই পরীক্ষায় অংশ নেয়ো ৪১৪ জন কর্মী, যাদের মধ্যে ৮৮ শতাংশ বা ৩৬৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। অবশিষ্ট ৫০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া হবে। এছাড়া, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করা প্রায় ৫ হাজার কর্মীকে আপাতত ওএসডি (বিশেষ দায়িত্বে সংযুক্ত) করে রাখা হয়েছে।

    ব্যাংকের একাধিক সূত্র জানায়, চাকরি হারানো কর্মীরা শুধুমাত্র অযোগ্যতার কারণে নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, সহকর্মীদের বাধা দেওয়া ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়াসহ অন্যান্য তারিখকাজে জড়িত ছিলেন।

    ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, চট্টগ্রামের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তখন থেকেই অনেকে সরাসরি সিভি জমা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন, যেখানে বেশিরভাগ নিয়োগ ছিল চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে। এর ফলে বর্তমানে ব্যাংকের প্রায় অর্ধেক কর্মীই ওই অঞ্চল থেকে।

    ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড. কামাল উদ্দীন জসীম গণমাধ্যমে বলেন, আমাদের লক্ষ্য কাউকে ছাঁটাই করা নয়, বরং দক্ষতা যাচাই এবং প্রমাণিত করা।

  • সোনার ভরি দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায়

    সোনার ভরি দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায়

    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নতুন সব রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের প্রিমিয়াম মানের ২২ ক্যারেট গোল্ড প্রতি ভরি এখন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় ২১৯২ টাকা বেশি। এই দামের পরিবর্তন সংক্ষিপ্তসারে দেশের স্বর্ণ বাজারে সবচেয়ে বেশি মূল্য এটি। এর আগে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকায় বিক্রি হত এই মূল্যবোধ।

    শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এমন ঘোষণা দেন, যা রবিবার থেকে কার্যকর হবে। এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনার দাম বাড়ার প্রভাব রয়েছে বলে জানান।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯১০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৬১ হাজার ৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিষয়টি আগের দামের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, আগে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৫ টাকা।

    অপরদিকে, রুপার দাম কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ২২৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

  • রিজভীর অভিযোগ: নতুন ইস্যু সৃষ্টি করে জনগণের বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা

    রিজভীর অভিযোগ: নতুন ইস্যু সৃষ্টি করে জনগণের বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নতুন ইস্যু তৈরি করে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-অ্যাবের নতুন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তিনি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যান। এ সময় তিনি বলেন, মিথ্যা পরিসংখ্যান ও ভ্রান্ত কথার মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে কিছু ষড়যন্ত্রকারী। তিনি সতর্ক করেন, যারা অহংকার করে মিথ্যাচার করে তারা মানুষ চিনতে পারা উচিত। রিজভী আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে একটি ধর্ম ভিত্তিক দলের অনুগত ব্যক্তিরা বসানো হচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগের বিষয়। তিনি বলেন, এ ধরনের প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তিনি আরও জানান, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মানুষ এখনই প্রস্তুত, তারা আর ডামি নির্বাচন বা কারচুপির পক্ষে নয়। এদিকে, ভারতের পূজামণ্ডপে ডক্টর ইউনূসের ব্যঙ্গচিত্রের প্রসঙ্গ টেনে তিনি কার্যক্রমটির দেশটির নিম্নমানের অবস্থা প্রতিফলিত বলে মন্তব্য করেন।

  • ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, একসঙ্গে থাকতে চায় জামায়াতে ইসলামী

    ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, একসঙ্গে থাকতে চায় জামায়াতে ইসলামী

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী দেশে ৯০.৮ শতাংশ মানুষ মুসলমান। অন্যরা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের অনুসারী। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্মের ভিত্তিতে জাতিকে বিভক্ত করার পক্ষে কেউ নয়। তিনি সম্মেলনে বলেছেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন।

    আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) বেলা ১১টায় মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় উলামা কমিটির উদ্যোগে দেশি-বিদেশি উলামা ও দাঈদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডা. শফিকুর রহমান এই মন্তব্য করেন।

    জামায়াতের এই নেতা বলেন, বাংলাদেশে আমরা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলমান হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে বাস করছি। বিশ্বে কয়েকটি দেশ রয়েছে যেখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বেশ উল্লেখযোগ্য, তার মধ্যে বাংলাদেশ বিশেষ স্থান অধিকার করে। তিনি যোগ করেন, আমরা সবাই আল্লাহর ইচ্ছায় এই দেশে জন্ম নিয়েছি। ধর্মের ভিত্তিতে আমাদের বিভাজন হয় না; বরং আল্লাহ মানুষকে বিচার-বিবেক দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেক মানুষ ভাবনায় ও বিবেকের দিক থেকে ধর্ম গ্রহণ করে।

    তিনি আরও বলেন, দাঈদের দায়িত্ব হলো আল্লাহর শাশ্বত বিধান ও নবী মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনদর্শন অনুসরণ করে সমাজে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণমুখী পরিবর্তনের জন্য কাজ করা। মানুষের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে ইসলাম থেকে পাওয়া সত্যিকারের মূল্যবোধের বিকশিত করতে হবে।

    ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, আল্লাহ তায়ালার দেওয়া নির্দেশনা ও নবী মুহাম্মদ (সা.) এর দাওয়াতই মূলত মুসলমানের দায়িত্ব। সকল মুসলমান ও ধর্মপ্রাণ মানুষকে অবশ্যই এই দিশা অনুসরণের অনুরোধ জানান, যেন আমরা সবাই একটি সুস্থ, শান্তিপূর্ণ ও সহিষ্ণু সমাজ গড়ে তুলতে পারি।

  • জামায়াতের অংশগ্রহণে আন্দোলন ও ২০২৪ সালের নির্বাচন: সত্যতা ও ভূমিকা

    জামায়াতের অংশগ্রহণে আন্দোলন ও ২০২৪ সালের নির্বাচন: সত্যতা ও ভূমিকা

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, যারা জামায়াতের সাথে যুক্ত হয়ে এখন আন্দোলন করছে, তাদের ২০২৪ সালের নির্বাচনে কী ভূমিকা ছিল, তা জাতি স্পষ্টভাবে জানতে চায়। সোমবার (০৪ অক্টোবর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্ন্স ইনস্টিটিউটে এনডিপির ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, যারা হীন রাজনীতি করতে চায়, তাদের দেশবাসীর স্বার্থে সঠিক পথে ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। তার মতে, রাজনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পিআর ভিত্তিক আন্দোলন চালাচ্ছে কিছু চিহ্নিত দল, যারা এর মাধ্যমে নির্বাচন বিলম্ব করতে বা পুরো প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। তিনি warning দিয়ে উল্লেখ করেন, যদি নির্বাচন ধাক্কা খায় বা বিলম্ব হয়, তাহলে দেশের ভিতরে অন্ধকার অন্ধকার ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে তারা কার ইশতেহার গ্রহণ করবে বা কোন পথে যাবে।

    এছাড়াও, সালাহউদ্দিন আহমদ গাজা উপক্রমণি নৌবহরে ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানান এবং এ ব্যাপারে কঠোর প্রতিবাদ জানান। তিনি জাতিসংঘের ওপর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্যও আহ্বান জানান। পাশাপাশি, তিনি বলেন, জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের দাবির পেছনে গণতান্ত্রিক চর্চা রয়েছে, তবে প্রকৃত সিদ্ধান্ত জনগণের হাতে। তিনি আরো বলেন, দেশের শান্তি এবং স্থিতির জন্য সকল পক্ষের দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন।

  • খেলাফত মজলিসের সম্ভাব্য ২৫৬ প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত

    খেলাফত মজলিসের সম্ভাব্য ২৫৬ প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫৬ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে খেলাফত মজলিস। শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (আইবি) ভবনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় দলের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এই তথ্য জানান। এই নির্বাচনের জন্য মোট ২৫৬ প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হয়েছে। বাকি প্রার্থীর নাম আগামী দিনগুলোতে ঘোষণা করা হবে। এছাড়া, যদি জোটের সঙ্গে আসনভিত্তিক অঙ্গীকার হয়, তবে প্রার্থীতেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে তিনি জানান।

    অতিরিক্তভাবে, আহমদ আবদুল কাদের ইসরায়েলি গণহত্যায় গাজাবাসীদের ওপর বৈশ্বিক অবরোধের কঠোর নিন্দা জানান। তিনি বলেন, গাজায় মানবাধিকার কর্মীদের ওপর ইসরায়েলি সেনাদের হামলা, তাদের আটক এবং সুমুদ ফ্লোটিলার করেন ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতা বন্ধের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ দরকার। তিনি আটক মানবাধিকার কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান। একই সাথে, গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধ করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কঠোর উদ্যোগের আহ্বান করেন।

    সংগঠনটির যুগ্ম-মহাসচিব মুনতাসির আলী বলেন, আগামীর নির্বাচনে মূল লক্ষ্য হবে বাতেল বিরুদ্ধে ইসলামের স্বতন্ত্র প্রার্থিতা। তিনি বলেন, সংগঠনটি দেয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ভোটারদের মধ্যে জনমত গড়ে তুলতে কাজ চালিয়ে যাবে, যাতে ভোটপ্রদানের মাধ্যমে দুর্নীতি বন্ধ করা যায়। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা ভোট জালির বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে উৎসাহিত করবেন।

    মতবিনিময় সভাটি সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আবদুল বাছিদ আজাদ। এতে সংগঠনের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতিনিধি তালিকা অনুযায়ী, সম্ভাব্য ২৫৬ প্রার্থীর মধ্যে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের প্রার্থীদের নাম উল্লেখ করা হলো: খুলনা বিভাগের মধ্যে মেহেরপুর-১ আসনে অধ্যাপক আবদুল হান্নান, মেহেরপুর-২ আসনে হোসাইন বাদশাহ, কুষ্টিয়া-১ আসনে মাওলানা শরীফুল ইসলাম, কুষ্টিয়া-২ আসনে মুফতি আবদুল হামিদ, কুষ্টিয়া-৩ আসনে অধ্যাপক সিরাজুল হক, কুষ্টিয়া-৪ আসনে মাওলানা আলী আশরাফসহ অন্যান্য প্রার্থীরা রয়েছেন। বাকি আসনের প্রার্থীর তালিকা খুব দ্রুত ঘোষণা করা হবে।

    বরিশাল বিভাগে প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে: বরিশাল-১ আসনে অধ্যাপক মোঃ সাইদুর রহমান শাহীন, বরিশাল-২ আসনে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বরিশাল-৩ আসনে অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ মুয়াজ্জেম হোসাইন, ও অন্যান্য প্রার্থী। এই তালিকায় যোগ হয়েছেন আরও বিভিন্ন জেলা থেকে প্রার্থীর নাম।

  • তরুণ নির্বাচনী জোটের জন্য অক্টোবরের মধ্যে আলোচনা চূড়ান্ত হতে পারে

    তরুণ নির্বাচনী জোটের জন্য অক্টোবরের মধ্যে আলোচনা চূড়ান্ত হতে পারে

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যমান বিভিন্ন বাম জোটগুলোকে আরও শক্তিশালী ও একত্রিত করার জন্য আলোচনা শুরু হয়েছে, যার ফলে চলতি অক্টোবরের মধ্যেই নতুন একটি বৃহৎ নির্বাচনী জোট গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ইসলামী ব্যাংকে অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন

    ইসলামী ব্যাংকে অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন

    ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপের অবৈধভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত অদক্ষ কর্মকর্তাদের অবিলম্বে বহিষ্কারের জন্য নতুন করে আন্দোলন শুরু করেছে সচেতন ব্যাংকার সমাজ। রোববার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। একই সময়ে, ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামও একই দাবিতে জনসাধারণের সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।

    সমাবেশে অংশ নেওয়া ব্যাংকাররা জানান, পটিয়া ও এস আলম গ্রুপের দখলদার চক্রের কারণে ব্যাংকের পরিবেশ অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে নিয়োগপ্রাপ্ত অদক্ষ কর্মকর্তাদের কারণে ব্যাংকের স্থিতিশীলতা লুণ্ঠিত হচ্ছে এবং এতে ব্যাংকের সম্পদ ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের হয়রানির শঙ্কা জোরদার হচ্ছে।

    বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকের ফেসবুক পেজ দুবার হ্যাক হয়েছে, যা দখলদার চক্রের ছত্রছায়ায় ঘটেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁরা জানিয়েছেন, আর কোনো অরাজকতা সহ্য করা হবে না এবং পটিয়া সন্ত্রাসী বা এস আলমের অদক্ষ কর্মকর্তাদের দ্রুত বহিষ্কার করতে হবে।

    বিক্ষোভে ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের নেতাকর্মী ও সাধারণ গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন।

    অতিসতর্ক করে বক্তারা বলেন, আর দেরি নয়। দখলদার এবং অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের মাধ্যমে ব্যাংক যেন আর কোনো অঘটন না ঘটে, সে জন্য দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এ ছাড়া, এস আলম গ্রুপসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক খাতে বড় অঙ্কের অর্থলোপাত, পাচার ও সম্পদ বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে।

    তাদের মতে, এই অর্থপাচার ও ঋণলোপাটের কারণে ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা বিপন্ন হয়েছে, এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, বিশেষ করে ডলারের সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। ভুয়া ঋণ দেয়া, স্বচ্ছতা হীন লোনের কারণে বৃহৎ ক্ষতির পরিমাণও বেড়েছে।

    গ্রাহক ফোরাম জানিয়েছে, যারা অর্থপাচার ও ঋণচুরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাদের সম্পদ দ্রুত উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করার জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। ব্যাংকের নিয়োগ প্রক্রিয়া, অডিট ব্যবস্থা ও কোরগভর্নেন্সের সার্বিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম রোধ করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক, তদন্ত সংস্থা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও এই ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে এবং ফলাফল জনসাধারণকে জানাতে হবে।

    আমরা দৃঢ়ভাবে দাবি জানাচ্ছি, এই অনিয়ম ও অভিযোগের দৃষ্টান্তমূলক তদন্ত করে দোশিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ব্যাংকের বিশ্বস্ততা এবং দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

  • আ.লীগের বিচার 위해 আনুষ্ঠানিক তদন্ত শিগগির শুরু হবে: চিফ প্রসিকিউটর

    আ.লীগের বিচার 위해 আনুষ্ঠানিক তদন্ত শিগগির শুরু হবে: চিফ প্রসিকিউটর

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্তের কাজ খুব দ্রুত শুরু হবে। আজ রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

    চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে ইতিমধ্যেই অভিযোগ দিয়েছে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) নামে একটি সংগঠন। সেই ভিত্তিতে এখন আমরা তদন্ত কাজ চালাচ্ছি। অর্থাৎ, বর্তমানে আমরা বলতে পারি যে, দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রথম ধাপের কাজ শুরু করতে চলেছি। যদি এই তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় এবং সেটি অগ্রসর হয়, তবে বলতে পারবো যে, এই দলটির বিপক্ষে বিচারের নির্দেশনা কত দূর পর্যন্ত পৌঁছেছে। তবে তদন্তের এই পর্যায়ে আমরা এখনই অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে যাচাই-বাছাই করছি, এবং খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্তের কাজ শুরু হবে।

    তাঁর আরো বলেন, চলতি মাসেই আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখতে পাবো। বেশ কিছু মামলার ট্রায়াল বর্তমানে চলমান এবং কিছু মামলার ট্রায়াল শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ ছাড়া, মামলার বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটবে, এবং বেশ কিছু বড় বড় মামলার চার্জশিট দাখিল হবে। আমরা আশা করছি, বেশ কিছু মামলার আনুষ্ঠানিক চার্জও দাখিল করতে পারবো।

    অতিরিক্তভাবে, জুলাই-আগস্টে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনের সময় ছয়জন হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। শুনানির পর, এই চারজনের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগকে আমলে নেওয়ার জন্য আগামীকাল সোমবার (৬ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল আদেশ দেবে বলে জানা গেছে।

  • স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট ও পাশের দেশ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট ও পাশের দেশ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশে ও পাশের দেশ থেকে ফ্যাসিস্টদের দোসর ও শত্রু শক্তিগুলো পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ভোপালে বাংলাদেশে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিকৃতি এবং অসুরের মুখে দাড়ি বানানোর ঘটনা একই ষড়যন্ত্রের অংশ। এই সব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেছিলেন, দেশের ভেতর ও বাইরে থেকে বিভিন্ন গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চেয়েছে। তবে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসাধারণের সহযোগিতায় এ ষড়যন্ত্রগুলো রুখে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তিনি এই ব্যাপারে দেশের জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্বের কথা আবারো তুলে ধরেন।

    আজ রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেলে, আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠকের পর সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি। বৈঠকটি এই প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচন, পাশাপাশি দেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়।

    উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, পূজামণ্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি লাগিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়। এর আগে, পাশের দেশে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিকৃতি বানানো এবং দেশে অসুরের মুখে দাড়ির অবতারণাও একই ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন তিনি। এর উদ্দেশ্য ছিল সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করে অস্থিতিশীলতা তৈরি করা। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা বিভাগের নজরদারি এবং পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সহযোগিতায় এসব চক্রান্ত ব্যর্থ হয়েছে।

    অপরদিকে, খাগড়াছড়িতে এক কিশোরীর ধর্ষণের অভিযোগে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার জন্য অন্য এক চক্রান্তের চেষ্টা চালান হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে পার্বত্য এলাকায় ওই ঘটনায় মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্টে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকার কঠোর নির্দেশনা দিয়ে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করে খাগড়াছড়ির পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, জনজীবন স্বাভাবিক রয়েছে এবং পরিস্থিতি এখন শান্তিপূর্ণ।