Author: bangladiganta

  • আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু, ট্রাইব্যুনালে কর্মকর্তা নিয়োগ

    আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু, ট্রাইব্যুনালে কর্মকর্তা নিয়োগ

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে। এই খবর নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে, দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং এরপরই তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে, গত রোববার (৫ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালের প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে बातचीतকালে প্রধান প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগকে অপরাধী সংগঠন হিসেবে আইনীভাবে তদন্তের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। দলটির পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে, যা আমরা গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরুর আগে আমাদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তবে এটি নিশ্চিত যে, অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে।’

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে বরিশালে এক অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইন উপদেষ্টা বলেছিলেন rằng, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটি দ্রুতই প্রত্যাহার হবে না। পাশাপাশি, দলটির বিরুদ্ধে বিচার সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হবে বলে ঘোষণা দেন।

  • নির্বাচনে মূল প্লেয়ার রাজনীতিবিদরা: সিইসি

    নির্বাচনে মূল প্লেয়ার রাজনীতিবিদরা: সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন একার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে, বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতাদের, কারণ তারা নির্বাচনের মূল খেলোয়াড়। আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সংলাপে এ কথা বলেছেন তিনি। ঐ সংলাপের শুরুতে বক্তব্য রাখছিলেন সিইসি, যেখানে উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য চার নির্বাচন কমিশনার এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

    সিইসি বলেন, আমরা নির্বাচনের বিষয়ে সংলাপ শুরু করেছি, যদিও কিছুটা দেরিতে। এর পেছনের কারণ হলো, সংবিধান সংস্কার কমিশন (কনসেন্স কমিশন) স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বহু আলোচনা করে একটি সুপারিশমালা তৈরি করেছে, যার অনেক কিছু আমরা ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করেছি।

    তিনি আরও বলেছেন, এখনই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে যাব না কারণ তারা বর্তমানে কনসেন্স কমিশনের সঙ্গে ব্যস্ত। ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আমরা চাই অসুবিধা ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে। এর জন্য আমরা পরে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করব।

    সিইসি আবির্ভাবের সময় মন্তব্য করেন, মাঠপর্যায়ে কাজ করা নির্বাচনী বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা জানা খুব জরুরি। তিনি জানান, আমাদের লক্ষ্য হলো কীভাবে সুন্দর, জবাবদিহি মূলক এবং জালিয়াতিমুক্ত নির্বাচন সম্ভব, তা বুঝতে আগ্রহী।

    তিনি এই উদ্যোগের মাধ্যমে নির্বাচন ম্যানিপুলেট করার সুযোগ খুঁজে ফেলা জায়গাগুলো চিহ্নিত করে বন্ধ করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন, যেখানে পরামর্শ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রবাসীদের ভোটাধিকার বিষয়েও আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেন সিইসি। তিনি বলেন, প্রবাসীরা ভোট দিতে চান কারণ তারা দেশের জন্য রেমিট্যান্স পাঠায়। তাদের জন্য একটি হাইব্রিড মডেল আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা পোস্টাল ভোটের মতো, তবে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে আইটি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এছাড়া, প্রবাসী ও নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রায় ১০ লাখ কর্মকর্তাকে ভোটাধিকার দেওয়ারও উদ্যোগ রয়েছে।

    তাঁর আরও জানান, কারাগারে থাকা নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    সিইসি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, আমরা একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন সম্পন্ন করতে চাই। এজন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং দেশের জনগণের সহযোগিতা। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে তিনি অঙ্গীকার করেন।

  • ত Goodmanঙের পানির অধিকার চাই, ফেলানীর ঝুলে থাকা আর নয়: তারেক রহমান

    ত Goodmanঙের পানির অধিকার চাই, ফেলানীর ঝুলে থাকা আর নয়: তারেক রহমান

    সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও পানির অধিকার নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেছেন, আমরা আমাদের পানির অধিকার চাই এবং ফেলানী হত্যাকাণ্ডের মতো নিরীহ প্রাণের ক্ষতি আর দেখতে চাই না। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এই একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক, আঞ্চলিক কূটনীতি এবং স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে তার গভীর মনোলোক প্রকাশ করেন।

    তারেক রহমান বলেন, বিএনপির মূল লক্ষ্য হলো দেশের স্বার্থ রক্ষা করা। অন্যান্য দেশের সাথে সম্পর্ক তৈরীর সময় অবশ্যই দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সিদ্ধান্ত আসলে দেশের সার্বভৌমত্বের স্বার্থের উপর ভিত্তি করে নিতে হবে।

    বৈঠকটিতে তিনি বলেন, বিএনপি আঞ্চলিক কূটনীতিতে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করে, তবে দেশের স্বার্থের ওপরে কখনোই আপোস করবে না। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি জুলাই-আগস্টে যে গণঅভ্যুত্থান হয়, সেখানে জনসমর্থনের মুখে অবৈধ শাসক শেখ হাসিনাকে আড়াল করতে ভারতের আশ্রয় নেওয়া হলে, বিএনপির কিছু করার থাকবে না। কারণ বাংলাদেশীরাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তারা নিজের দেশের স্বার্থে থাকবেন। তাই বিএনপি নেতা হিসেবে আমি আমার দেশ ও দেশের মানুষের পাশে থাকবো।

  • অন্তর্বর্তী সরকার পেল নতুন দুটি টিভি চ্যানেলের অনুমোদন

    অন্তর্বর্তী সরকার পেল নতুন দুটি টিভি চ্যানেলের অনুমোদন

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নতুন দুইটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই দুই চ্যানেল হলো ‘নেক্সট টিভি’ এবং ‘লাইভ টিভি’। নেক্সট টিভির লাইসেন্স লাভ করেছেন মো. আরিফুর রহমান তুহিন, আর লাইভ টিভির জন্য লাইসেন্স পেয়েছেন আরিফুর রহমান নামে একজন প্রবাসী।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা জানান, নতুন টিভি অনুমোদনের প্রক্রিয়া পুরোদমে শুরু হয়েছে। তবে চ্যানেল দুটির অনুমোদনের জন্য নির্ধারিত নীতিমালা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি এবং এখনো প্রক্রিয়াধীন।

    নেক্সট টিভির লাইসেন্সপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান তুহিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক। তিনি ২০২৪ সালে ডিসেম্বরে এই দলের সঙ্গে যুক্ত হন। এর আগে তিনি একজন ইংরেজি দৈনিকের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন। এনসিপি গঠিত হওয়ার পর তিনি দলের যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্বে আসেন।

    অপরদিকে, লাইভ টিভির লাইসেন্সপ্রাপ্ত আরিফুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন প্রায় ছয় বছর আগে। ছাত্রজীবনে তিনি একটি ইংরেজি দৈনিকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি এনসিপির সদস্য ছিলেন, তবে দলের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন না।

    তাদের টিভি চ্যানেল চালানোর জন্য আর্থিক সক্ষমতা আছে কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। তবে কতটা যোগ্যতা বা রূপায়ন হয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চ্যানেল দুটির অনুমোদনের পেছনের কারণ জানতে চাওয়া হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

    অতীতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালীন সাড়ে ১৫ বছরে প্রায় ২৮টি টেলিভিশন লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। এসব চ্যানেলের মালিকেরা প্রায়ই সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সেই ধারা অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারও নতুন দুটি টিভির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।

    নেক্সট টিভি কর্তৃপক্ষের কাছে এই অনুমোদন দেয়া হয় গত ২৪ জুন। এই চ্যানেলটি ‘৩৬ মিডিয়া লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন এনসিপির যুগ্ম চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান তুহিন। অফিসের অবস্থান পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার করাতিটোলা লেনে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই চ্যানেলের পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন বগুড়ার বিএনপি নেতৃত্বাধীন সাবেক সংসদ সদস্য এ.কে এম. হাফিজুর রহমানের ছেলে এ.কে এম গোলাম হাসনাইন, যিনি সৌদি আরবের প্রবাসী এবং সেখানে বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা।

    অন্যদিকে, লাইভ টিভির অনুমোদন পেয়েছে ১৪ জুলাই। এর মালিকানা ‘মিনার্ভা মিডিয়া লিমিটেড’ নামক প্রতিষ্ঠানের। অফিসের ঠিকানা গুলশান ১ নম্বর সড়কের ১৪৩ নম্বর ভবন।

    আরিফুর রহমান জানান, তার কাছ থেকে আরও কিছু কাগজপত্র ও কাজ বাকি থাকায় তিনি আশা করছেন, আগামী বছর থেকেই সম্প্রচারে যেতে পারবেন। তিনি যোগ করেন, তার সঙ্গে রয়েছেন এক বিনিয়োগকারী, যিনি টেলিভিশন চালানোর জন্য অর্থের যোগান দিচ্ছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন চ্যানেল দুটির পরিচালনায় একজন প্রভাবশালী সাংবাদিক কাজ করছেন, যিনি একে অপরাধ ও বাণিজ্যিক দিক থেকে বেশ অভিজ্ঞ। মূলত এই ব্যক্তি টেলিভিশন দুটির স্বপ্ন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

    এছাড়াও, অন্তর্বর্তী সরকার অনুমোদন দিয়েছে একটি আইপি টিভি ‘চেঞ্জ টিভি প্রেস’ নামে। এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন সাংবাদিক আমিরুল মোমেনীন।

    বর্তমানে দেশে অনুমোদিত ৫০টির বেশি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে। তার মধ্যে শুধুমাত্র ৩৬টি পূর্ণ সম্প্রচারে রয়েছে, আর বাকিগুলো সম্প্রচারে আসার অপেক্ষায়। এছাড়া ১৫টি আইপি টিভি এখন সক্রিয় রয়েছে, যেগুলোর অনুমোদনও চলমান। ভবিষ্যতে আরও কিছু টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য অনুমোদনের আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের মুখে মেহজাবীন-আরশ খানের সমালোচনা

    ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের মুখে মেহজাবীন-আরশ খানের সমালোচনা

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইয়াশ রোহান তার অভিনয় দিয়ে সবসময় দর্শকদের মন জয় করে আসছেন। সিনেমা আর নাটকে তার উপস্থিতি দর্শকদের মাঝে খুবই প্রশংসিত। সম্প্রতি তার এক পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। গত বৃহস্পতিবার, বিজয়া দশমির দিনে তিনি কপালে সিঁদুর তিলক দিয়ে দুর্গার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছবি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘শুভ বিজয়া।’ এই ছবিটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং সেটি নিয়ে মন্তব্যের ঝড় শুরু হয়। অনেক নেটিজেন সেখানে তার ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং বিদ্রুপমূলক মন্তব্য করে, যেমন—‘মুসলমান ভেবে ভুল করেছি’, ‘আপনি এতদিন মুসলিম ভেবেছি নাটকগুলোও তাই ভাল লাগতো’, ‘তাহলে এখন থেকে আর দেখব না আপনার নাটক’। এই ধরনের অসংখ্য কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্যে ভরপুর হয় তার পোস্ট। এমন পরিস্থিতি বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের জন্য সহজ নয়। তারা এসব দেখে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সমালোচকদের ঠেসে ধরেন। তার মধ্যে অন্যতম আছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও আরশ খান। মেহজাবীন নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কারো পোস্টে বাজে মন্তব্য করা, স্ল্যাং ব্যবহার করা কিংবা ভুয়া প্রোফাইল দিয়ে কথা বলা আপনাকে সাহসী না করে বরং আপনার মানসিকতার গভীরতা প্রকাশ করে। এই ঘৃণা ও অহেতুক বিদ্বেষ কীভাবে আপনি রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন?’ অন্য দিকে, অভিনেতা আরশ খান বলেছেন, ‘ইয়াশ রোহান বাংলাদেশের অন্যতম একজন স্বনামধন্য অভিনেতা। তার অভিনয় আর ব্যক্তিত্বই তার পরিচয়। তিনি তার ধর্ম বা কোন অঞ্চলের মানুষ হিসেবে পরিচিত নন। তিনি শুধুমাত্র তার শিল্পকর্মের মাধ্যমে এইদেশের মানুষ ও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ধর্ম তো সবারই, দেশ সবার।’ এই বিভাজনকে অতিক্রম করে ইয়াশ রোহান মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি খুবই সরল ও মানসিকতায় এগিয়ে থাকেন। তার মন্তব্যের ঘরে কটাক্ষের জবাবেও সরলতা ও শ্রদ্ধার ছাপ দেখা গেছে। তবে সব প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক নয়, কিছু মানুষ তার জন্য ভালোবাসাও প্রকাশ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘আজকে জেনেছি যে রোহান ভাই হিন্দু। ভাল লেগেছে, ভালোবাসা অবিরাম ভাই।’ আরেকজন বলেছেন, ‘কমেন্টগুলো দেখে বোঝা যায় মানুষের মানসিকতা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে।’ ইয়াশ রোহান বরেণ্য অভিনেতা নরেশ ভূঁইয়া ও শিল্পী সরকার অপুর ছেলে। তিনি গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমার জগতে পা রাখেন। তিনি বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় তারকা ও শক্তিশালী অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

  • বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে জুবিনকে, দাবি ব্যান্ড সদস্যের

    বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে জুবিনকে, দাবি ব্যান্ড সদস্যের

    প্রখ্যাত ভারতীয় গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যু নিয়ে দেশের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এবার তার ব্যান্ডের সদস্য এবং প্রধান সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী অভিযোগ করেছেন, জুবিনকে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তার ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা ও ইভেন্ট ম্যানেজার.sh্যামকানু মহন্ত।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রিমান্ডের নোটে গোস্বামী দাবি করেছেন, জুবিনের মৃত্যু ছিল একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এই হত্যাকাণ্ডের চেষ্টা ছিল যাতে এটিকে দুর্ঘটনা বলে চালানো যায়। এজন্য সিঙ্গাপুরের প্যান প্যাসিফিক হোটেলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল, যেখানে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ৫২ বছর বয়সি জুবিন গার্গ ভারতীয় ও আঞ্চলিক পর্যটন উদযাপনের সময় ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি আরেকটি দ্বীপের কাছাকাছি সাঁতার কাটার সময় ডুবে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন, যা প্রাথমিক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    রিমান্ডের বরাতে নিউজ ১৮ জানিয়েছে, মূল সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী গুরুতর কিছু অভিযোগ করেছেন। তিনি আরও বলছেন, যখন জুবিনের মুখ ও নাক দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল, তখন তার ম্যানেজার শর্মাকে চিৎকার করে বলতে শুনেছেন, “যাব দে, যাব দে”। তখন শর্মা কোনও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না করে কেবল বলেছিলেন এটি ‘অ্যাসিড রিফ্ল্যাক্স’। সাক্ষীরা মনে করছেন, এই অবহেলা জুবিনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    গোস্বামী আরও দাবি করেছেন, জুবিন একজন দক্ষ সাঁতারু ছিলেন, ফলে স্বাভাবিকভাবে ডুবে যাওয়ার কোনও কারণ ছিল না। তিনি আরও বলেছেন, শর্মা কিছু ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করতে বারণ করেছিলেন যাতে ইয়টের দুর্ঘটনার প্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যায়।

    বর্তমানে এই ঘটনায় মোট চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জুবিনের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, ইভেন্ট ম্যানেজার শ্যামকানু মহন্ত, ব্যান্ডের একজন সদস্য ও প্রধান সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী এবং আরেকজন সহশিল্পী রয়েছেন।

  • রুশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার গোপন বাগদান

    রুশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার গোপন বাগদান

    দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত অভিনেত্রী রুশমিকা মান্দানা এবং জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা শেষ পর্যন্ত তাঁদের বহু বছরের প্রেমের সম্পর্কের সম্পর্কে নতুন একটি পরিধি যোগ করলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই দুই তারকা আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান সম্পন্ন করেছেন।

    এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে, এই আবেগময় ঘটনার সময়ে তাঁদের পরিবারের নিকটজন এবং কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। গত শুক্রবার (৩ অক্টোবর) এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে এই বাগদান সারেন তারা। তবে এখনো দম্পতি নিজ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেননি।

    আনুমানিক সংবাদ অনুযায়ী, এই প্রেমের জুটি আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। ভক্তরা এই সংবাদে বেশ উচ্ছসিত ও উত্তেজিত হয়ে উঠছেন, কারণ এই সম্পর্কের দীর্ঘ দিনের গুঞ্জন বেশ দিন ধরেই চলছিল।

    সম্প্রতি রুশমিকা তার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি শেয়ার করে এই জল্পনাকে নতুন করে জোরদার করেছেন। দোলের দিন তিনি ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে, কপালে তিলক লাগানো একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবি ক্যাপশনে লেখেন, ‘শুভ দোলার প্রিয়জন… এই বছর আমি সত্যিই খুব কৃতজ্ঞ। কারণ, “তাম্মা” ট্রেলার এবং আমাদের গানের জন্য আপনি যে ভালোবাসা দেখাচ্ছেন, সেটা আমার জন্য অনেক বড় উৎসাহের। আপনারা যে উত্তেজনা এবং সমর্থন দেখাচ্ছেন, তা আমার কাজের অভিগমন আরও উজ্জ্বল করে তোলে। খুব শিগগিরই সিনেমার প্রচার শুরু হবে, আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি অপেক্ষা করতে পারছি না।’

    তিনি এই পোস্টের মাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে কিছু বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে মনে করছে অনুরাগীরা।

    শিল্পী হিসেবে রুশমিকা মান্দানাকে দেখা যাবে পরিচালক আদিত্য সারপোতদার পরিচালিত ভৌতিক-কমেডি ছবি “তাম্মা”য়। এটিতে তাঁর বিপরীতে রয়েছেন আয়ুষ্মান খুরানা। এই ছবিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী, পরেশ রাওয়ালসহ অন্যরা। ছবিটি ২১ অক্টোবর মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

    অন্যদিকে, বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গৌতম তিন্নানুরির তেলুগু স্পাই অ্যাকশন-থ্রিলার “কিংডম” (২০২৫) ছবিতে।

  • অভিনেত্রী বাঁধনের অনুভূতি: আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী বাঁধনের অনুভূতি: আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন। তিনি সরব হয়ে রাজপথে নেমেছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি এখনও উঠে আসা বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি নিজের মনোকথাও শেয়ার করেন। হঠাৎ করে তিনি জানালেন, তিনি সত্যিই ব্যর্থ হয়েছেন।

    রোববার তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি এমন এক মেয়ের স্বপ্ন দেখতাম, যে সবাইকে খুশি করতে পারে— যে অনুগত, বাধ্য এবং শান্তিপূর্ণভাবে সব কিছু মানিয়ে নিতে পারে। কিন্তু আমি সেই ধরণের মানুষ হতে পারিনি। আমি চেষ্টা করছিলাম, পরিবারের প্রত্যাশিত মেয়ে হওয়ার, সমাজের তৈরি ‘নারী’ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে। তবে আমি ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যর্থতার জন্য আমি নিজেকেই ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি কারও নিয়ন্ত্রিত স্ক্রিপ্টে বাঁচার জন্য জন্মিনি। আমার কথা অনেকের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে, আমার কাজ অনেকের জন্য সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ নই, তবে নির্মমও নই। আমি কাউকে আঘাত দেই না বা অসম্মান করি না, যদিও কেউ আমার প্রতি তা করে।’

    অভিনেত্রীর কথায়, এই মাসের শেষের দিকে তার জন্মদিন। তিনি বলেন, ‘চল্লিশের পর আমি নিজের সঙ্গে শান্তিতে আছি। এখন আমি নিজের মতো করে বাঁচি— স্বাধীনভাবে, সত্যি বলি, কোন ক্ষমাপ্রার্থনা না করেই। যদি কেউ এটা পছন্দ না করে, উপেক্ষা করুক, ব্লক করুক বা ঘৃণা করুক— আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, যাদের আমি অস্বস্তিতে ফেলি, তাদের পাশাপাশি আমার অনেক ভালোবাসে, বোঝে এবং আমার সত্যে শক্তি খুঁজে পায়। সবচেয়ে বড় কথা, আমি নিজেকে ভালোবাসি।’

    শেষে তিনি বলেন, ‘আমি ভাঙা নই। আমি শুধু সেই পৃথিবীর বিরুদ্ধে আছি, যেখানে এখনো আসল নারীকে ভয় করে। তোমায় ভালোবাসি, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলে, শেষ পর্যন্ত সেই নারীই হয়ে উঠেছো।’

  • শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূনের জীবনের নানা স্মৃতি এবং মনোভাব প্রকাশ

    শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূনের জীবনের নানা স্মৃতি এবং মনোভাব প্রকাশ

    প্রয়াত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ থেকে এক হৃদয়স্পর্শী অংশ নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। নিউইয়র্কে ক্যানসারের চিকিৎসার সময়ে লেখক এই বইটি লিখেছিলেন, যেখানে তিনি তার মানসিক দুর্বলতা এবং বিকৃত মানসিকতার মানুষের নির্মমতা তুলে ধরেছেন।

    রোববার, ৫ অক্টোবর, নিজের ফেসবুক পেজে শাওন প্রকাশ করেছেন কিভাবে তার স্বামী হুমায়ূন আহমেদ অসুস্থতার সময় কিছু বিদ্রুপ মন্তব্যের শিকার হয়েছিলেন। একজন ব্যক্তি লিখেছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে শিক্ষা দিলেন।’

    একদিন শাওন লক্ষ্য করেন, তার স্বামী কম্পিউটারে বসে ফেসবুকে দেখছিলেন, চোখে অশ্রু জমে রয়েছে। তিনি জানতে চান সমস্যা কী। স্বামী বলেন, মন খারাপ, কিছু বলতে চান না। পরে শাওন জানতে পারেন, ফেসবুকে একজন ব্যক্তির দেওয়া মন্তব্যে তার মন আঘাতপ্রাপ্ত। সেখানে লেখা ছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে শিক্ষা দিলেন।’ এমন মন্তব্য শাওনের মেয়ের মৃত্যুর সময়ও বহু মানুষের কাছ থেকে এসেছিল। তাদের একটিতে লেখা ছিল, ‘তোমার কঠিন শাস্তি হওয়ায় আমরা খুশি। আরও শাস্তি হবে।’ এই ধরণের কথা শুনে শাওন ভেঙে পড়লেও, তার স্ত্রী তাকে সাহস দেন এবং বলেন, ‘আমরা মানসিক অসুস্থ অনেক মানুষকে বুঝতে পারি। তাদের নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। তোমার জন্য বিশ্বাস রাখো, অসংখ্য মানুষ তোমাকে ভালোবাসে ও শুভকামনা করে।’

    শাওনের লেখা অনুযায়ী, এক পর্যায়ে তিনি এই বোধের উন্নতি করেন যে, এই ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য সাধারণ মানুষের হয়তো অপ্রাপ্তি বা মানসিক অস্থিরতার ফল। তিনি বলেন, কেবল ইতিবাচক মানুষকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একবার তিনি দেখলেন একজন ব্যক্তি কাবা শরিফ থেকে এসেছেন এবং বললেন, ‘আমি স্যারের জন্য দোয়া করতে এসেছি।’ এরপরই তিনি জানতে পারলেন, এই ব্যক্তি তার জন্য শুভকামনা জানিয়ে যাচ্ছেন। এভাবেই তিনি হাসি হাসতে শিক্ষিত হন।

    অতসার জীবনে হুমায়ূন আহমেদ বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষকে দেখেছেন, যারা বিকৃত মানসিকতার শিকার। তার একটি অভিজ্ঞতাও তিনি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, তখন গেটের সামনে এক যুবক হঠাৎ হঠাৎ বলে উঠল, ‘তোমার লেখা আমার জঘন্য লাগে’। এই কথা শুনে তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘এই কথাটা বলার জন্য এত ঝামেলা কেন?’ ওই যুবক জবাবে বলল, ‘কারণ কারোর সাহস নেই আপনাকে সরাসরি এসব বলতে। সবাই আপনার পিছনে চামচা’। সেই সময় একটি ইংরেজি কথাও বললেন যুবক, ‘আই ওয়ান্ট ইউ টু ডাই সুন’ (আমি চাই আপনি শিগগির মারা যান)। এর উত্তরে হুমায়ূন বলেন, ‘আমি আশা করি, তোমার জীবন দীর্ঘ ও meaning-full হবে।’ এই ঘটনা বর্তমান সমাজে বিকৃত মানসিকতার মানুষের বেড়ে ওঠার দিকটি ফুটিয়ে তোলে।

  • বিসিবি নির্বাচনের পেছানোসহ তিন দাবিতে সংগঠকদের প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি

    বিসিবি নির্বাচনের পেছানোসহ তিন দাবিতে সংগঠকদের প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন আগামীকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা আরও বাড়েনি, বরং নির্বাচন ঘিরে অস্বস্তি ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। গত শনিবার সংগঠকরা এক সংবাদ সম্মেলনে তফসিল পরিবর্তন, নির্বাচন পেছানোর দাবি ও তিন দফা দাবিতে পুনরায় আন্দোলনের সূচনা করেন। তারা এখন বৃহত্তর আলোচনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করেছেন।

    আজ রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষ থেকে সংগঠকদের পক্ষে এই স্মারকলিপি পাঠানো হয়, যেখানে তারা চলমান সংকটের সমাধানে তিনটি মূল প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। প্রথমত, বিসিবির বর্তমান নির্বাহী পর্ষদ সময় বাড়িয়ে পুনঃতফসিলের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন, কাউন্সিলরশিপ সংক্রান্ত বিতর্ক এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিদ্যমান নির্বাচন প্রক্রিয়া পুনঃনির্ধারণ। দ্বিতীয়ত, বিকল্প হিসেবে অ্যাডহক কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ এবং শেষ পর্যন্ত নতুন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোটগ্রহণের প্রস্তাব।

    সংগঠকেরা অভিযোগ করেন, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হস্তক্ষেপ করে বিষয়টি জটিল করে তুলছে। তারা জানান, প্রথমে ১৫টি ক্লাবের অনুমতি প্রদান করলেও, বর্তমান সভানেতা আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বার্থান্বেষী মহলশাসিত পরিবেশের কারণে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। গত কয়েক দফা বৈঠক হলেও কোনও সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে সংগঠকরা তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বড় ক্লাবগুলোকে প্রভাবিত করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নির্বাহী পরিষদে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় রয়েছে কিছু কর্মকর্তা, যা গঠনতন্ত্রের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের প্রিমিয়ার ও বিভাগের ক্লাবগুলো দেশের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে, তারা দেশের উন্নয়নে ব্যয় করে থাকে কোটি কোটি টাকা। তবে, এই মূল্যবান অবদান রয়েছে সংকটে। সংগঠকদের দাবি, বিভাগের ও জেলা পর্যায়ের কাউন্সিলর তালিকা সরকারের হস্তক্ষেপে ভয়ঙ্করভাবে আক্রান্ত হয়েছে। শীর্ষ ক্লাবগুলো যেমন মোহামেডান ও আবাহনী এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সন্দিহান। পাশাপাশি, বর্তমান সভাপতির সময়ে ১৫টি তৃতীয় বিভাগীয় ক্লাবের টুর্নামেন্ট আয়োজনের শেষ বা ক্ষতি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্লাব সংগঠকদের অনেকে নিজেদের প্রত্যাহার করার চিন্তাভাবনা করছেন।

    আরও অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের জন্য ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থায় ১২ পরিচালক পূর্বেই নির্বাচিত হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার সৃষ্টি করছে। সব মিলিয়ে, দেশের ক্রিকেট উন্নয়ন ও স্বচ্ছতার স্বার্থে এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার জন্য সকল পক্ষের সমঝোতা ও উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে।