Author: bangladiganta

  • এনবিআর এর ৪১ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বদলি

    এনবিআর এর ৪১ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বদলি

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ৪১ জন অতিরিক্ত কর কমিশনারকে একযোগে নতুন কর্মস্থলে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই বদলি কার্যক্রমটি দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে, যাতে কর্মকর্তারা অবিলম্বে নতুন পরিবেশে যোগদান করতে পারেন। মঙ্গলবার এনবিআর কর প্রশাসন থেকে প্রকাশিত এক চিঠিতে এই বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এত সংখ্যক কর্মকর্তাদের একসঙ্গে স্থানান্তর এর আগে দেখা যায়নি।

    বদলির এই প্রক্রিয়ায় ঢাকার বিসিএস (কর) একাডেমির পরিচালক হাফিজ আল আসাদকে ঢাকার কর অঞ্চল-২০ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ বদলি করা হয়েছে। একইভাবে, শেখ শামীম বুলবুল নরসিংদী কর অঞ্চল, ছায়িদুজ্জামান ভুঞা নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চল, বেগম হাসিনা আক্তার খান গাজীপুর কর অঞ্চল, মর্তুজা শরিফুল ইসলাম ঢাকার কর অঞ্চল-৬, মোহাম্মদ আব্দুস সালাম ঢাকার কর অঞ্চল-১সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিভিন্ন কর অঞ্চলে বদলি করা হয়েছে।

    এছাড়াও, মোঃ নাসেরুজ্জামান ঢাকার কর অঞ্চল-২, মোঃ মিজানুর রহমান চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-১, মোঃ নাঈমুর রসুল চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-২, ফখরুল ইসলাম খুলনা কর অঞ্চল, আশরাফুল ইসলাম ঢাকার কর অঞ্চল-৩, মোহাম্মদ শাহ্ আলম ঢাকার কর অঞ্চল-৪, মির্জা মোহাম্মদ মামুন সাদাত ঢাকার কর অঞ্চল-১১, মোহাম্মদ আব্দুল­াহ খুলনা কর আপিল অঞ্চল, মিজানুর রহমান ঢাকার কর অঞ্চল-১৫, মোঃ মঈনুল হাসান এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে, ইভানা আফরোজ সাঈদ ঢাকার কর অঞ্চল-৮, তাহমিনা আক্তার ঢাকার কর আপিল অঞ্চল-৩, শামীমা পারভীন এনবিআরের সিআইসি, সাহেদ আহমেদ চৌধুরী বড় করদাতা ইউনিটে, ফারজানা সুলতানা ঢাকার কর অঞ্চল-১৪, শামীমা আখতার ঢাকার কর অঞ্চল-১০, মৌসুমী বর্মন কর পরিদর্শন অধিদপ্তরে, মোঃ আবদুর রাজ্জাক ঢাকার কর অঞ্চল-১৬, মোঃ জসীমুদ্দিন আহমেদ ঢাকার কর অঞ্চল-১২, তারিক ইকবাল ঢাকার কর অঞ্চল-৭, মোঃ ফারুকুল ইসলাম ঢাকার কর অঞ্চল-২, মাসুম বিল্লাহ ঢাকার কর অঞ্চল-২১, সারোয়ার মোর্শেদ ঢাকার কর অঞ্চল-২৩, মাসুদুল করিম ভূঁইয়া ঢাকার কর অঞ্চল-১৮, মেহেদী হাসান ঢাকার কর আপিল অঞ্চল-১, হাছিনা আক্তার চট্টগ্রাম কর আপিল, শান্ত কুমার সিংহ ঢাকার কর অঞ্চল-১৭, রিগ্যান চন্দ্র দে’কে বিসিএস (কর) একাডেমি, ফারজানা নাজনীন কুমিল্লা কর অঞ্চল, সুমন দাস এনবিআর এর প্রথম সচিব, শেখ মোঃ কামরুজ্জামান কর পরিদর্শন পরিদপ্তর, তাপস কুমার চন্দ বৃহৎ করদাতা ইউনিট, মোঃ মোশাররফ হোসেন দিনাজপুর কর অঞ্চল, মোঃ আব্দুল মালেক ঢাকার কর অঞ্চল-৫ এবং আরিফুল হক রাজশাহী কর অঞ্চলে বদলি করা হয়েছে।

  • ২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এস আলমসহ ২৬ জন আসামি

    ২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এস আলমসহ ২৬ জন আসামি

    দুদক অর্থাৎ দুর্নীতি দমন কমিশন অভিযোগ তুলেছে যে, ঋণের নামে মোট ২০৭ কোটি ৪২ লাখ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন আসামিরা। অভিযোগ অনুযায়ী, এস আলম গ্র“পের মালিক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, পাশাপাশি ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক দুই পরিচালক রন হক শিকদার ও রিক হক শিকদারসহ মোট ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। যে মামলাটি মঙ্গলবার ঢাকাপ্রদর্শন করে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১)। সংস্থাটির মহাপরিচালক মোঃ আক্তার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা, কর্মকর্তাদের আত্মীয়-স্বজন ও ব্যবসায়ী যারা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে এই অর্থ হাতিয়ে নেন। এ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা আন্তর্জাতিক মানের জালিয়াতি ও অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন কৌশলে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ১১ কোটি ১০ লাখ টাকার ঋণ উত্তোলন করে। এরপর তারা এই অর্থের পরিমাণ সুদসহ এখন মোট ২০৭ কোটি ৪২ লাখ ২২ হাজার ৭৬৯ টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছেন। এই অর্থের মধ্যে কিছু অর্থ পরবর্তীতে অন্য ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তর করা হয়েছে, যা মানিলন্ডারিং কর্মকাণ্ডের অংশ। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ড বিধি ৪০৯, ৪২০, ১০৯, ১২০খ, এছাড়াও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহত ৪১৮ জন: রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের রিপোর্ট

    জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহত ৪১৮ জন: রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের রিপোর্ট

    জুলাই মাসে দেশে চলন্ত গাড়ি ও যানবাহনের দুর্ঘটনা ঘটে ৪৪৩টি, যেখানে নিহত হয়েছেন ৪১৮ জন এবং আহত হয়েছেন ৮৫৬ জন। এই তথ্য প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। তারা জানিয়েছে, নিহতের মধ্যে নারী রয়েছেন ৭২ জন (১৭.২২%) এবং শিশু ৫৩ জন (১২.৬৭%)। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে, এর মধ্যে নিহত ১০৯ জন, যা মোট মৃত্যুর প্রায় ২৬.০৮ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার এখন ২৯.৫৭ শতাংশ, যা সাধারণ দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। পথচারী হিসেবে নিহত হয়েছেন ৯২ জন, অর্থাৎ ২২ শতাংশ, আর যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৬ জন, যা ১৩.৪০ শতাংশ। এছাড়াও, এই সময়ের মধ্যে চারটি নৌ-দুর্ঘটনায় ৬ জনের প্রাণ হারিয়েছেন। রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮ জন এবং আহত ৭ জন।

    রোড সেফটি ফাউন্ডেশন প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে দেশের ৯টি প্রধান দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং তাদের নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়েছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, যার মধ্যে ২৬.০৮% ঘটেছে। এর পর রয়েছে বাস দুর্ঘটনা ৯.৮০%, ট্রাক-পিকআপআরোহী ৭.১৭%, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স ৪.৭৮%, তিন-হুইলার ২৫.৮৪%, স্থানীয় যানবাহন ২.৮৭%, বাইসাইকেল-রিকশা ১.৪৪%।

    পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দুর্ঘটনার বেশিরভাগই ঘটেছে দেশের স্বনামধন্য মহাসড়কগুলোতে, যেখানে মোট ৪৫.৮২% দুর্ঘটনা, আঞ্চলিক সড়কে ৩৩.৬৩% এবং গ্রামীণ সড়কে ১০.৮৩%। শহরাঞ্চলে দুর্ঘটনার হার ৮.৩৫%। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে ২৬.৪১% দুর্ঘটনা এবং ২৫.১১% প্রাণহানি। অপরদিকে, সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি হয়েছে বরিশাল বিভাগে। জেলাওয়ারীতে, ঢাকার জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা হয়েছে ৪৭টি, যার মধ্যে নিহত হয়েছেন ৩৪ জন। আর জয়পুরহাট জেলায় দুর্ঘটনার সংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ৩টি, যেখানে ১ জন নিহত হন।

  • সাগরীয় নিম্নচাপ দুর্বল হতে শুরু করেছে

    সাগরীয় নিম্নচাপ দুর্বল হতে শুরু করেছে

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই নিম্নচাপটি বর্তমানে উপকূলীয় ওড়িশা এবং তার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, এটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়বে। এটি প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তিত হতে পারে বলে Meteorological Department এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক বলেছেন, এই নিম্নচাপটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশার উপকূলের কাছে অবস্থিত। এটি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকার দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে ওড়িশার উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। তিনি আরও জানান, এটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকবে।

    আবহাওয়া অফিসের মতে, এই নিম্নচাপের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের পার্থক্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাসহ উত্তর বঙ্গোপসাগরে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এই ঝড়ো হাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে।

    মৎস্যজীবীদের জন্য আগেই সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অবিলম্বে সতর্ক থাকতে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি চলাচল থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

  • স্থায়ী নির্বাচন থেকে দলীয় প্রতীকের সরানো, অধ্যাদেশ জারি

    স্থায়ী নির্বাচন থেকে দলীয় প্রতীকের সরানো, অধ্যাদেশ জারি

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন থেকে এখন থেকে দলীয় প্রতীকের ব্যবহারroch হবে না। এ জন্য সরকার সম্প্রতি জনপ্রিয়তা বাড়ানো অধ্যাদেশ জারি করেছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট ধারা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সেটি গত ১৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষর করেন এবং এরপর ১৯ আগস্ট এটি সাধারণের কাছে প্রকাশ করা হয়।

    এর আগে, ১ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চারটি পৃথক অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায়। এরপর ২৪ জুলাই এর অনুমোদন পেয়ে এগুলো গেজেটে প্রকাশিত হয়।

    এটি মনে করা হচ্ছে, ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক কার্যকর হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই সেই সময় থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবস্থার পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন এবং স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনও এই প্রক্রিয়ায় দলের প্রতীক বাদ দেওয়ার পক্ষে সুপারিশ করেছিল।

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই পরিবর্তনের ফলে রাজনৈতিক দলের সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকা বহু যোগ্য ব্যক্তিও স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করবেন। এই উদ্যোগ যাতে সাধারণ নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরো বেশি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সমতামূলক করে তোলে, সেটাই লক্ষ্য।

  • কারিগরি ভুলের কারণে বিমানে বদলি, শাস্তি ও শোকজ কার্যক্রম শুরু

    কারিগরি ভুলের কারণে বিমানে বদলি, শাস্তি ও শোকজ কার্যক্রম শুরু

    সম্প্রতি দেশের বিমানের কিছু ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটি দেখা যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বিভিন্ন দ্রুত ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) এ বি এম রওশন কবীর এই বিষয়ে গণমাধ্যমে জানান, পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঢাকা-আবুধাবি ফ্লাইটে টয়লেটের ফ্ল্যাশের ঘটনাটি তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, এই বছরের ১ জুলাই থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত কারিগরি সমস্যা গুলোর বিস্তারিত পর্যালোচনার জন্য চার সদস্যের একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি প্রতিটি ফ্লাইটের রেকর্ড ও অপারেশনাল ডেটা বিশ্লেষণ করে মূল সমস্যার কারণ সনাক্ত করবে। যদি কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবহেলা বা গাফিলতি প্রমাণিত হয়, তবে দায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিমান বলেছে, এই ধরণের সমস্যা পুনরায় না ঘটতে এর্তেথে করণীয় নির্ণয়ে কমিটি সুপারিশ দেবে। এই জন্য দশ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দাখিলের পরিকল্পনা রয়েছে। একতরফা দায়িত্ব নির্ধারণের জন্য ইতোমধ্যে জনবল পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দুজন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে, আর আরো কয়েকজনের বদলির সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও একজন প্রকৌশলী কর্মকর্তাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে, এবং অন্য একজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

    বিমান আরও জানিয়েছে, কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে তারা বিভিন্ন গন্তব্যের (যেমন–জেদ্দা, দুবাই, মদিনা, দাম্মাম, আবুধাবি ও শারজাহ) আউটস্টেশনে অতিরিক্ত চাকা মজুত রাখা হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চাকা প্রতিস্থাপন সম্ভব হয়। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় চাকা সংগ্রহের জন্য ক্রয় আদেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, জেদ্দায় বিমানের চাকা ফেটে যাওয়ার ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেখানে পরিচালক (ফ্লাইট অপারেশন) তদারকি করছেন। প্রকৌশল ও ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধানও তদারকিতে জোর দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (১৮ আগস্ট) থেকে রাত্রিকালীন বিশেষ রক্ষণাবেক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চালু হয়েছে। একইসঙ্গে বিমানের ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বিস্তারিত অডিট ও পুনরায় মূল্যায়ন চলমান রয়েছে। এই প্রসঙ্গে বোয়িংয়ের সঙ্গে আলোচনা করে কম্পোনেন্ট সার্ভিসেস প্রোগ্রাম (সিএসপি) তালিকা আবার পর্যালোচনা হচ্ছে, পাশাপাশি রেকমেন্ডেড স্পেয়ার পার্টস লিস্ট (আরএসপিএল) অনুযায়ী যন্ত্রাংশের মজুতের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করছে। যন্ত্রাংশের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করতে টেইলরড পার্ট প্যাকেজ (টিপিপি) ব্যবস্থাও পর্যালোচনার মধ্যে।

    আরও দীর্ঘমেয়াদি সমর্থন ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রকৌশলীদের জন্য রিকারেন্ট প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। তাছাড়া, নতুন অ্যাপ্রেন্টিস মেকানিক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করে প্রযুক্তিগত জনবল বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষতাগুলো উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • আন্দোলনে আহতরা মারাত্মক মানসিক দুঃখে ভুগছেন

    আন্দোলনে আহতরা মারাত্মক মানসিক দুঃখে ভুগছেন

    জুলাইয়ে বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানে আহতদের মধ্যে বড় সংখ্যক মানুষ মারাত্মক মানসিক বিষণ্নতায় ভুগছেন এবং বেশির ভাগই তীব্র আঘাতের পর মানসিক চাপের সাথে লড়ছেন। বাংলাদেশের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) পরিচালিত এক গবেষণায় এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণার তথ্য জানানো হয় সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে, যেখানে বলা হয়, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি মনোস্তাত্ত্বিক সমস্যা মোকাবেলার জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ওই সেমিনারটি ছিল ‘বিয়ন্ড দ্য হেডলাইনস: মেন্টাল হেলথ কন্সিকোয়েন্স অব দ্য জুলাই আপরাইজিং এ্যান্ড মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি’ শীর্ষক কেন্দ্রীয় আলোচনাসভা, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল সেমিনার সাব-কমিটির আয়োজন করে। সেমিনারটি দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল—প্রথম ভাগে ‘মেন্টাল হেলথ ইম্প্যাক্ট অব ভায়োলেন্স এ্যান্ড ট্রমা’ বিষয়ের উপস্থাপনায় সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ শামসুল আহসান জানান, আহত ২১৭ জনের মধ্যে বিষণ্নতার হার ৮২.৫ শতাংশ এবং পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারে ভোগা মানুষের সংখ্যা ৬৪ শতাংশ। অন্য অংশে ‘ইম্প্যাক্ট অব ট্রমা ও ভায়োলেন্স এ্যান্ড চাইল্ড এ্যান্ড অ্যাডোলোসেন্ট পপুলেশন’ শিরোনামে অধ্যাপক ডাঃ নাহিদ মাহজাবিন মোর্শেদ তুলে ধরেন, শৈশবের ট্রমা ও সহিংসতা কিভাবে শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশে গভীর প্রভাব ফেলে। তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে দ্রুত শনাক্তকরণ ও মানসিক সহায়তা দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক রোগ ও আচরণগত সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব। এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ডাঃ আফজালুন নেসা এবং সঞ্চালক ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ খালেদ মাহবুব মোর্শেদ মামুন। মনোরোগবিদ্যায় অবদান রাখা বিশেষজ্ঞেরা বলেন, আহতদের মধ্যে অনেকেরই বিষণ্ণতা ও তীব্র মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার রোগীদের মধ্যে বেশি দেখা যাচ্ছে উদ্বেগ। তারা মনে করেন, হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার পরও অনেকের মনোভাব সন্দেহজনক বা উদ্বিগ্ন থাকছে। এজন্য রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মানসিক চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং কেন্দ্র চালুর প্রয়োজন। ডাঃ আহসান আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিএমইউ, ডিএমসিএইচ, এনআইএমএইচ, সাজেদা ফাউন্ডেশন ও ব্র্যাকের সমন্বয়ে ‘বিশেষ মানসিক স্বাস্থ্য টিম’ গঠন করা হয়েছে, যারা প্রাথমিক প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নে কাজ করছে। এই টিমের মাধ্যমে যাদের মানসিক সমস্যা এখনো গজিয়েছে না, তাদের রক্ষায় মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। তারা কাউন্সেলিং, গ্রুপ সেশন এবং প্রয়োজনে কিছু ওষুধের ব্যবহার করছেন। গুরুতর আহতদের জন্য মনোস্তাত্ত্বিক অবস্থা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালানো হচ্ছে। আগে থেকেই যাদের মানসিক সমস্যা রয়েছে, সেই সমস্যা আর বাড়তে না পারে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। মানসিক স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছানোর জন্য হটলাইন চালু করা হয়েছে, যেখানে বিএমইউর ডাক্তাররা সহায়তা প্রদান করবেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করে, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, শিশুর মানসিক অবস্থা মূল্যায়ন, সাইকোলজিক্যাল ফার্স্ট এড, প্রমাণভিত্তিক থেরাপি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করে পরিবার, শিক্ষক ও সমাজের সঙ্গে সমন্বয় করে যথাযথ সহায়তা প্রদান। পারিবারিক সহানুভূতি, সচেতন শিক্ষক ও নিরাপদ সমাজের সাথে যৌথ উদ্যোগ শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে। অভিভাবকদের অনুরোধ, শিশুর মানসিক কষ্ট বা পরিবর্তন শনাক্ত করলে দেরি না করে মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ নিন কারণ দ্রুত পদক্ষেপ ভবিষ্যতের জটিলতা রোধে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, বিএমইউসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থা এই ব্যাপারে হটলাইন চালু করেছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া হচ্ছে। ডাঃ মাহজাবিন মোর্শেদ বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের মানসিক অবস্থা মূল্যায়ন করে, সাইকোলজিক্যাল থেরাপি, ওষুধ ও অন্যান্য চিকিৎসা ব্যবস্থা সমন্বয় করে থাকেন। পরিবার, শিক্ষক ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে একসাথে কাজ করলে শিশুদের মানসিক সুরক্ষা আরও শক্তিশালী হয়। শিশুর মানসিক কষ্ট বা পরিবর্তন লক্ষ্য করলে দেরি না করে মনোবিজ্ঞানীর সহায়তা নেওয়া জরুরি। তারা বলে থাকেন, দ্রুত হস্তক্ষেপ ভবিষ্যতের জটিলতা কমানোর মূল চাবিকাঠি। এই পেশাজীবীরা শুধু চিকিৎসকই নন, তারা শিশুর জন্য সহায়ক, পথপ্রদর্শক এবং ভবিষ্যৎ রক্ষাকারী। বিএমইউর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ নাহরীন আখতারও উল্লেখ করেন, ট্রমা, সহিংসতা ও মানসিক অস্থিরতা রোধে পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সবাই যৌথভাবে দায়িত্বশীল ও যত্নশীল হতে হবে।

  • ইউটিউবার এলভিস যাদবের বাড়িতে গুրման হামলা

    ইউটিউবার এলভিস যাদবের বাড়িতে গুրման হামলা

    ভারতের জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতা ও বিখ্যাত বিগ বস বিজয়ী এলভিস যাদবের বাড়িতে আতঙ্কের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার ভোরে, ১৭ আগস্ট, তার বাড়ির বাইরে মুখোশধারী তিনজন তালগোল করার মতো করে গুলি চালায়। ভারতীয় গণমাধ্যমে এই ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে।

    প্রাথমিক তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা পালানোর আগে তার বাসভবনের কাছে দুই রাউন্ড গুলি চালায়। গুরুগ্রাম পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার জানান, এলভিস যাদব তখন বাড়িতে ছিলেন না। তিনি হরিয়ানা রাজ্যের বাইরে ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

    পুলিশের এক সূত্র বলছে, হামলার সময় পরিবারের কয়েকজন সদস্য বাসায় উপস্থিত ছিলেন, তবে কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছে।

    এলভিসের পরিবারের একজন ঘনিষ্ঠের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, এই ঘটনায় তিনি কোনো হুমকি পেয়েছেন বলে তাদের জানানো হয়নি। বর্তমানে তিনি হরিয়ানার বাইরে আছেন।

    পুলিশ আরও বলেছে, পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত পরিচালনা হবে। এর আগে প্রায় একই ধরনের ঘটনা ঘটে যখন কৌতুকশিল্পী কপিল শর্মার কানাডার ক্যাফেতে গুলির ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনা পুনরাবৃত্তি হওয়ার সাথে সাথে বলিউডে শঙ্কা দেখা দিয়েছে যে, এই হামলার পিছনে সালমান খানের ঘনিষ্ঠদের ওপর আঘাত করতে চাইছে⋯

    তবে পুলিশ জানিয়েছে, তাদের আনুসঙ্গিক তদন্ত চলছে এবং তারা এই সরঞ্জামগুলোকে খুঁজে বের করার জন্য চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে। কিছু জল্পনা রয়েছে যে, এই হামলার পিছনে পাশবিক সংগঠন লরেন্স বিষ্ণোই চক্রের হাত থাকতে পারে, যারা আগে স্বীকার করেছে হিন্দি বিনোদন জগতের বিভিন্ন তারকার ওপর হামলার দায়িত্ব। বিশেষ করে, এলভিস যাদবের মতো সালমান অনুসারীদের ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • মুজিবের ছবি নিয়ে পোস্টের বিনিময়ে অর্থ দেওয়ার গুজব বিভ্রান্তি: রিউমার স্ক্যানার নিশ্চিত

    মুজিবের ছবি নিয়ে পোস্টের বিনিময়ে অর্থ দেওয়ার গুজব বিভ্রান্তি: রিউমার স্ক্যানার নিশ্চিত

    গতকাল ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল। এ দিনটিতে দেশের বিভিন্ন অংশে বিনোদন অঙ্গনের তারকারা সামাজিক মাধ্যমে শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়ে poster ও পোস্ট শেয়ার করেছেন। তবে এরই মধ্যে একটি গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয় যে কিছু জনপ্রিয় তারকাকে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পোস্ট দেওয়ার জন্য অর্থ দেয়া হয়েছে। এই ভুয়া তথ্যের সত্যতা খুঁজে বের করতে উদ্যোগ নেয় আন্তর্জাতিক স্বীকৃত ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা রিউমার স্ক্যানার বাংলাদেশ।

    গুজবের অংশ হিসেবে একটি ভাইরাল হয়েছে একটি কথিত ব্যাংক স্টেটমেন্টের ছবি। সেখানে দেখা যায়, একজন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের নামে এসসিবি (স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক) এর অ্যাকাউন্ট থেকে ১৩ ও ১৪ আগস্টের মধ্যে নয়জনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রায় ২০ হাজার টাকা করে ট্রান্সফার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। প্রকৃতপক্ষে, এই ছবি ও তথ্যের ভিত্তিতে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হলে রিউমার স্ক্যানার বিস্তারিত তদন্ত চালায়। তারা নিশ্চিত করে যে, এই স্টেটমেন্ট সম্পূর্ণ ভুয়া।

    তাদের পরীক্ষায় দেখা যায়, যে অ্যাকাউন্ট নম্বরটি দেখানো হয়েছে সেটি ১৩ সংখ্যার, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রকৃত অ্যাকাউন্ট নম্বর মূলত ১১ ডিজিটের। পাশাপাশি, এই নম্বরের সঙ্গে কোনো বাস্তব অ্যাকাউন্টের মিল পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, লেনদেন সংক্রান্ত তথ্যগুলো অস্বাভাবিক বলে মনে হয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে।

    এছাড়া, ভাইরাল হওয়া এই কৃত্রিম স্টেটমেন্টে গ্রহীতার নাম উল্লেখ থাকলেও আসল এসসিবি স্টেটমেন্টে ব্যাংকের কোনো অ্যাকাউন্ট নম্বর বা গ্রহীতার নাম প্রকাশ করা হয় না। রিউমার স্ক্যানার জানায়, অনলাইনে সহজলভ্য একটি টেমপ্লেটে এসসিবির লোগো বসিয়ে এই ভুয়া স্টেটমেন্ট তৈরি করা হয়েছে। অতীতে এই ধরনের টেমপ্লেট ব্যবহার করে অনেক ব্যাংকের ভুয়া স্টেটমেন্ট তৈরি করার ঘটনা দেখা গেছে। সংস্থাটির মূল্যায়নে, এই পোস্টগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়ানোর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

  • অভিনেত্রী জেসমিনের ভয়ঙ্কর যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতার গল্প

    অভিনেত্রী জেসমিনের ভয়ঙ্কর যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতার গল্প

    অভিনয় শিল্পে অনেকেই নানা ধরনের সমস্যা Facing করেন, বিশেষ করে নারীরা। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই যৌন হয়রানির শিকার হন। এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার গল্প সম্প্রতি শেয়ার করেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী জেসমিন ভাসিন। তিনি জানান, সিরিয়ালে কাজ করার পাশাপাশি তিনি বিগ বসের মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তবে অডিশন দেওয়ার সময় তার সাথে যা হয়েছিল, তা ছিল এক ভয়ঙ্কর ঘটনা।

    জেসমিনের ভাষায়, ঘটনাটি ঘটে মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায়। তিনি হোটেলে গিয়ে দেখলেন, আরও কিছু তরুণী অডিশনের জন্য অপেক্ষা করছে। প্রথমে সব কিছু স্বাভাবিক মনে হলেও কিছুক্ষণ পরে পরিস্থিতি তলানিতে পৌঁছে যায়। তিনি বলেন, ‘প্রেমিকের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় আমাকে একটি দৃশ্যে অভিনয় করতে বলা হয়, যেখানে আমাকে আটকাতে বলা হয়। আমি ভয়ে ভয়ে সেই বিষয়টি করছিলাম। কিন্তু পরিচালক সন্তুষ্ট হচ্ছিলেন না। হঠাৎ করে তিনি হোটেলের কক্ষে থাকা দরজা বন্ধ করে দিয়ে অন্য কিছু করার চেষ্টা করতে থাকলেন।’

    জেসমিন বললেন, ‘পরিচালক স্পষ্টতই মদ্যপ ছিলেন। আমি পরের দিন প্রস্তুতি নিয়ে আসতে চাইলাম, কিন্তু তিনি রাজি হননি। উল্টো জোর দিয়ে বলেন, “আজই অভিনয় করতে হবে।” তখন তিনি আরও খোলামেলাভাবে নির্দেশনা দিতে শুরু করেন এবং হুমকি-ধামকি দেন।’

    অভিনেত্রীটি এই পরিস্থিতি থেকে কৌশলে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। এরপর থেকেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন, কখনো আবার হোটেল রুমে একাই কোনো মিটিং করবেন না। তিনি অন্য শিল্পীদের জন্য সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, ‘অনেক সময় কাস্টিং কল বলে আসা সবোটাই সত্য নয়। বেশির ভাগই কিছু অসাধু মানুষের স্বার্থসিদ্ধির জন্য। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে যেন নিশ্চিত হয়েন এটি বৈধ এবং নিরাপদ।’

    সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস।