Author: bangladiganta

  • ভারতে নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ দলের IPL ও বিশ্বকাপ প্র silhou মেয় দ্রুত সিদ্ধান্তের আশঙ্কা

    ভারতে নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ দলের IPL ও বিশ্বকাপ প্র silhou মেয় দ্রুত সিদ্ধান্তের আশঙ্কা

    প্রাকৃতিক রাজনীতি এবং অস্থির পরিস্থিতির ছায়া পড়েছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর। সম্প্রতি ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল ২০২৬ থেকে মুক্তি দিতে। এই ঘটনা যেখানে ক্রিকেটের মাঠের বাইরেও রাজনীতি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।

    এদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিশ্বকাপ এবং আইপিএলে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আজ আইসিসিকে একটি চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়, পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দুই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে তারা ঝুঁকি দেখছে। বিসিবি উল্লেখ করে, আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে, ফলে তারা সরাসরি খেলোয়াড় পাঠানোর পরিবর্তে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছে। অর্থাৎ, বিশ্বকাপের ভেন্যু অন্য কোথাও স্থানান্তর হলে, বাংলাদেশ সেটিতে অংশগ্রহণ করতে বিবেচনা করবে।

    বিসিবি মনে করে, বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার আগে সতর্কতার সঙ্গে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তবে, এখনো আইসিসি আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি।

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হবে। ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের অভিযান, এরপর ইংল্যান্ড ও ইতালি দলের সঙ্গে ম্যাচ। অন্যদিকে, শেষ ম্যাচটি হবে মুম্বাইয়ে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নেপাল।

    বিসিবি ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ক্রিকেটারদের মধ্যে অধিনায়ক লিটন দাসের পাশাপাশি সহ-অধিনায়ক হিসেবে সাইফ হাসান থাকছেন। জাকির আলী, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের মতো খেলোয়াড়রা দলে থাকছেন না। তবে, ফর্মে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তকে দলে রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে। অন্যদিকে, বল হাতে দারুণ ফর্মে রয়েছেন রিপন মন্ডল ও আলিস ইসলাম। বিপিএলে যা ভালো করেছেন, তাদের দলে রাখার জন্য নির্বাচকরা নজর দিচ্ছেন।

    এভাবেই, সেপ্টেম্বরজুড়ে চলা এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসন দ্রুত করণীয় নির্ধারণ করছে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই অনুশীলন বা স্কোয়াডে পরিবর্তন করা যাবে। যদি কোনো প্রয়োজন হয়, তবে আইসিসির টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদনও নিতে হবে।

  • ৩৭তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    ৩৭তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    খুলনার বিভাগীয় কমিশনার অতিরিক্ত সচিব মোঃ মোখতার আহমেদ বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে শুধুমাত্র শিক্ষাই নয়, খেলাধুলাকে igualmente গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের সন্তানদের মানসিক ও শারীরিক উত্কর্ষের জন্য ক্রীড়ার গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বলেন, যে মাঠে শিশুরা দৌড়ায়, সেখান থেকেই জন্ম নেয় শক্তি, শৃঙ্খলা এবং নৈতিকতা। খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি সমাজ গড়ার সবচেয়ে শক্তিশালী উপকরণ। আজকের প্রজন্মের মধ্যে নানা ধরনের আসক্তি থেকে মুক্তি দিতে এবং তাদের সুকুমার বৃত্তির বিকাশে সঠিক পথপ্রদর্শন অত্যন্ত জরুরি।

  • শান্ত-জাকেরকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

    শান্ত-জাকেরকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

    বাংলাদেশের ক্রিকেট দল ভবিষ্যত বিশ্বকাপের জন্য ঘোষণা করা হলেও ভারতের প্রতি অংশগ্রহণের বিষয়ে অনিশ্চয়তা এখনও জেঁকে বসেছে। মুস্তাফিজুর রহমানের ইস্যুতে, দেশের লিগ পর্বের চারটি ম্যাচের ভেন্যু শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবিও উঠছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বাংলাদেশ Cricket Board (বিসিবি) ১৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছে।

    তবে এই দলে নেই জাকের আলি অনিক, যিনি মূল দলে সুযোগ পাননি। একইভাবে নির্বাচকদের নজরে আসেনি মাহামুদুল ইসলাম অঙ্কনের নামও। অন্যদিকে, দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

    উল্লেখ্য, বিপিএলের প্রথম কয়েক ম্যাচে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফর্মেন্স দেখিয়ে আলোচনায় এসেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার পাশাপাশি বল হাতে বেশ কিছু ম্যাচে ভালো পারফরমেন্স দেখিয়েছেন রিপন মন্ডল এবং আলিস ইসলাম। এই সব তরুণ ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক পারফরমেন্সের ওপর নজর রাখছে নির্বাচকরা। তবে, ঘোষিত প্রাথমিক দলে যেকোনো পরিবর্তন আনতে চাইলে বিসিবি ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এরপর যদি কোনো পরিবর্তন প্রয়োজন হয়, তবে আইসিসির টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদন নিতে হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে খেলবে। এরপর কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে দুটি ম্যাচ, যেখানে বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ও ইতালির বিপক্ষে লড়বে। শেষ ম্যাচে নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ মুম্বাইয়ে।

    প্রাথমিক স্কোয়াডের খেলোয়াড়রা হলেন: অধিনায়ক লিটন দাস, সহঅধিনায়ক সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান, সাকিব আল হাসান, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম।

  • ভেনেজুয়েলায় নতুন সরকার গঠনের দাবি জানালেন নোবেল বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো

    ভেনেজুয়েলায় নতুন সরকার গঠনের দাবি জানালেন নোবেল বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো

    ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলের নেত্রী ও নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত মারিয়া কোরিনা মাচাদো দেশটির বর্তমান সরকার পরিবর্তনের জন্য কঠোর আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর এই প্রথমবারের মতো তিনি জাতির উদ্দেশ্যে সরাসরি ভাষণ দেন। মাচাদো মন্তব্য করে বলেন, এখন সময় এসেছে জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত করার। তিনি বিশেষ করে নির্বাচনে জয়ী হওয়া গonzalo গঞ্জালেজ উরুতিয়াকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য উত্সাহিত করেন। একটি চিঠির মাধ্যমে তিনি ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “নিকোলাস মাদুরো আজ (শনিবার) আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার মুখোমুখি হচ্ছেন। ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষ এবং অন্যান্য দেশের নাগরিকদের ওপর তিনি যে ভয়ঙ্কর অপরাধ করেছেন, তাকে জবাব দিতে হবে।” তিনি আরো বলেন, “আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে অস্বীকৃতি জানিয়ে মার্কিন সরকার আইন প্রয়োগের জন্য যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, তা বাস্তবায়িত হয়েছে। এখন আমাদের সময়, জনগণের শাসন ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার।” মাচাদো বলেন, “অতীতে দেশকে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনব, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেব এবং একটি সুন্দর, সাধারণ দেশ গড়ে তুলব। আমাদের সন্তানদের আবার তাদের পরিবারে ফিরিয়ে আনব।” তিনি দাবি করেন, গঞ্জালেজ ভেনেজুয়েলার অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও বৈধ প্রেসিডেন্ট, কারণ ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করেছিলেন। তবে ঐ নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ থাকায়, চলতি বছরের শুরুর দিকে মাদুরো আবারো প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গঞ্জালেজকে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য মাচাদো স্পষ্টভাবেই কূটনৈতিক ও সাংবিধানিক পথ মেনে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “এখন সময় এসেছে গঞ্জালেজকে দায়িত্ব গ্রহণের, সেনা কর্মকর্তাদের যেন তাকে প্রধান সেনাপতি বলে স্বীকৃতি দেয়। আমরা এই দায়িত্ব পালন ও ক্ষমতা গ্রহণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। যতদিন পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততদিন আমাদের সবাইকে সতর্ক, সচেতন ও একসঙ্গে থাকতে হবে। এই পরিবর্তনের লড়াইয়ে আমাদের সবাইকে প্রয়োজন।” মাচাদো তার এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টে গঞ্জালেজের সঙ্গে একটি বার্তা শেয়ার করে বলেন, “ভেনেজুয়েলার নাগরিকগণ, এখনই সময় আমাদের পার করার। জানিয়ে রাখি, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।” সূত্র: সিএনএন।

  • ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে কমপক্ষে ৪০ জনের মৃত্যু, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন

    ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে কমপক্ষে ৪০ জনের মৃত্যু, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন

    ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চালানো একটি সামরিক অভিযানে অন্তত ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক ও সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    নিউইয়র্ক টাইমসের সূত্রে জানা যায়, ভেনেজুয়েলার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নাম প্রকাশ না করে বলেছেন, এই হামলায় বহু সাধারণ মানুষ ও সৈন্য নিহত হয়েছে। এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, বন্দুকযুদ্ধের সময় পার হওয়া এই অভিযানটি খুবই লক্ষ্যভেদী এবং সংঘর্ষপ্রধান ছিল।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের প্রথম দিকে ভেনেজুয়েলার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে বিশাল আকারের বিমান অভিযান চালানো হয়। এই অভিযান চলাকালে, ১৫০টিরও বেশি মার্কিন বিমান ভেনেজুয়েলার আকাশে মোতায়েন করা হয়েছিল যাতে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টারগুলো প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর অবস্থানস্থলে সেনা নামাতে পারেন।

    এদিকে, এই অভিযানের জন্য নিহতের সংখ্যা, পরিধি বা পরিস্থিতি নিয়ে হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনের কাছ থেকে এখনো কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার ভোরে একটি নাটকীয় অভিযান চালানো হয়েছিল, যেখানে মার্কিন বাহিনী মাদুরো ও তার স্ত্রীর ওপর অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ব্যাপারে ঘোষণা দেন, ভেনেজুয়েলায় যতক্ষণ পর্যন্ত একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, ততক্ষণ দেশটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

    অপরদিকে, নিউইয়র্কের একটি বিজ্ঞ আদালত মাদুরো দম্পতির বিরুদ্ধে নতুন একটি অভিযোগপত্র দাখিল করে, যেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে টন টন কোকেন পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    তবে এই অভিযানের ব্যাপক সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে উল্লেখ করেছেন যে, এই পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন না নিয়ে এই অপারেশন বাস্তবায়িত হয়েছে। এর ফলে, ভেনেজুয়েলাসহ পুরো অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতা ও অশান্তি ছড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে।

  • ট্রাম্পের হুমকির পরে সীমান্তে কলম্বিয়ার সেনা মোতায়েন

    ট্রাম্পের হুমকির পরে সীমান্তে কলম্বিয়ার সেনা মোতায়েন

    ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে শনিবার অপহরণের পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে সতর্ক করেন। এর পরেই কলম্বিয়ার সীমান্তে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট। খবর এএফপি ও সিএনএন।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ভেনেজুয়েলার নেত্রী নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে, যা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার এই দাবিের প্রেক্ষিতে, পেত্রো ভেনেজুয়েলাবিরোধী চাপের মুখে অবস্থান নিয়েছেন এবং নিজ দেশের নিরাপত্তা জোরদার করতে সীমান্তে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেন।

    পেত্রো এ সতর্কতার মাধ্যমে বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই হস্তক্ষেপ লাতিন আমেরিকার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। তার ভাষায়, এর ফলে মানবিক সংকট আরও গভীর হতেই পারে। তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধান সম্ভব হলেও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, নিরাপত্তা বলয় আরও জোরদার করতে দিশা দেখানো হয়েছে।

    অপরদিকে, মাদুরো আটক হওয়ার বিষয়ে কিছু না বললেও, তিনি অঞ্চলটিতে তার সরকারের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। সার্বিক পরিস্থিতিতে, কলম্বিয়ায় মার্কিন সেনা অভিযান চালানোর আভাসও দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতোমধ্যেই ভেনেজুয়েলার নেতাকে গ্রেফতারের জন্য শক্তিশালী সতর্কবার্তায় দিয়েছেন।

    ট্রাম্পের ভাষায়, কলম্বিয়ায় অনেক কারখানা রয়েছে, যেখানে কোকেন তৈরি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা হচ্ছে। তাই, কলম্বিয়াকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এই সকল ঘটনা লইয়ে আন্তর্জাতিক জলতরঙ্গের গভীর উদ্বেগ ও সতর্কতা বাড়ছে।

  • ভয়ঙ্কর কারাগারে নিকোলাস মাদুরো, ফার্স্ট লেডির খোঁজ এখনো নেই

    ভয়ঙ্কর কারাগারে নিকোলাস মাদুরো, ফার্স্ট লেডির খোঁজ এখনো নেই

    ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত মেট্রোপোলিটন ডিটেনশন সেন্টারে (এমডিসি) নিয়ে আসা হয়েছে। এই কারাগারটি পূর্বে ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল ও পিডিডির মতো হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের আটক স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সময় শনিবার ভোরে একটি সামরিক ঘাঁটিতে তাকে স্থানান্তরিত করা হয়। এরপর থেকে তাকে হেলিকপ্টারে করে ব্রুকলিন ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়ার জন্য রওনা করা হয়। এই সময়ের মধ্যে প্রথমে তাকে নিউইয়র্কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ডিইএ) কার্যালয়ে হাজির করা হয়। মাদুরো বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে মাদক পাচার এবং অস্ত্র চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে। তবে তিনি পূর্বে থেকেই এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন, বলছেন তিনি কোনো মাদক চক্রের অংশ নন। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তাকে এবং তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হবে, তবে এখন পর্যন্ত তাদের উপস্থিতির দিনক্ষণ নিশ্চিত হয়নি। জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে ‘এমডিসি’ কারাগারেই তাকে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে, যতক্ষণ না তিনি মাদুরো ও অস্ত্র ও মাদক চুরির মামলায় শুনানির মুখোমুখি হন। মাদুরোসহ তার স্ত্রীর বর্তমান অবস্থা বা কোথায় রাখা হয় তা নিয়ে কোন স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এই কারাগারটি নিউইয়র্কের একমাত্র ফেডারেল কারাগার হিসেবে পরিচিত ও অত্যন্ত ‘ভয়ঙ্কর’ বলে মনোযোগ লাভ করেছে। পরিবেশের অবস্থা খারাপ, সহিংসতা প্রবণতা এবং কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে এই ডিটেনশন সেন্টার বিষয়ে। হোয়াইট হাউসের র‌্যাপিড রেসপন্স অ্যাকাউন্টের পক্ষ থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে দেখা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তারা ভেনেজুয়েলার নেতাকে একটি করিডোরে escort করছেন। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, মার্কিন সেনারা শোবার ঘর থেকে এসে মাদুরো ও তার স্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি চালান করে তুলে নিয়ে যান।

  • ভেনেজুয়েলার নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ

    ভেনেজুয়েলার নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ

    মার্কিন বাহিনীর অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট Nicolás Maduroকে আটক করার ঘটনার জের ধরে, ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্ট দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার প্রকাশিত এই আদেশে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট Maduroর অনুপস্থিতিতে সরকার চালাতে এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রদ্রিগেজকে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ঘটনায় দেশটির আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়।

    সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে এবং দেশটির সার্বভৌমত্ব নিরাপদ রাখতে এই আইনি ব্যবস্থা জারি করা হয়। আদালত আরও জানায়, কতদিন এই দায়িত্ব থাকবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার।

    উল্লেখ্য, মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, ভেনেজুয়েলার সরকার যুক্তরাষ্ট্রে মাদক ও গ্যাং সদস্য পাঠাচ্ছে। এই অভিযোগের জের ধরে, গতকাল ভেনেজুয়েলে মার্কিন সেনারা অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট Maduro এবং তার স্ত্রী, ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে। তাদেরকে ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে ‘আমেরিকান বিচারকার্যের মুখোমুখি’ করার প্রস্তুতি চলছে, জানিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    মাদুরোর আটক শতӯш পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, শনিবার জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের এক সভায় ডেলসি রদ্রিগেজ মাদুরো আটক হওয়ার ঘটনায় ইসরায়েলকে কিছুটা দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সরকারগুলো এই হামলার ঘটনায় হতবাক, এটি নিঃসন্দেহে জায়নিস্ট ইঙ্গিত রয়েছে। এটা সত্যিই লজ্জাজনক।’

    অপর দিকে, হোয়াইট হাউসের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিইএ) এর ভেতর দিয়ে মাদুরোকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ভেনেজুয়েলার জন্য ‘লেভেল–৪: ভ্রমণ করবেন না’ সতর্কতাও জারি করেছে।

    ডেলসি রদ্রিগেজ সম্পর্কে জানা যায়, তিনি ভেনেজুয়ের সমাজতান্ত্রিক সরকারের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘদিন ধরেই মাদুরোর কাছাকাছি ছিলেন, আর মাদুরো তাকে ‘টাইগার’ বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি তার ভাই হোর্হে রদ্রিগেজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন, যিনি বর্তমানে জাতীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট।

    ডেলসি রদ্রিগেজ ১৯৬৯ সালের ১৮ মে ক্যারাকাসে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লিগা সোশ্যালিস্তা নামে বামপন্থী গেরিলা ও বিপ্লবী দলটির প্রতিষ্ঠাতা জর্জে আন্তোনিও রদ্রিগেজের মেয়ে। পেশায় তিনি একজন আইনজীবী, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়েছেন।

    ২০১৩-২০১৪ সালে তিনি যোগাযোগ ও তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৪-২০১৭ সালে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও কাজ করেছেন। ২০১৭ সালে কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি’র প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান, যা মাদুরো সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০১৮ সালে তাকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

    বর্তমানে, ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি অর্থ ও তেলখাতের দায়িত্বে রয়েছেন, এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে সরকারের সমন্বয়ক হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালের আগস্টে তাকে তেল মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

  • সাত জেলায় মৃদু শীতের শৈত্যপ্রবাহ চলমান

    সাত জেলায় মৃদু শীতের শৈত্যপ্রবাহ চলমান

    সারা দেশে শীতের অনুভূতি কড়া হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সাতটি জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে এবং আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়াও, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কেমন করে শীত পড়বে, তারও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    আজ রোববার ভোরে প্রকাশিত আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার ও সিলেটের উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি চলমান থাকতে পারে। এ সময় দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, আর দিনভর তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েও যেতে পারে। এছাড়া, কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের মাত্রা এখনো বেশ গোড়ায় রয়েছে, ফলে সারা দেশে শীত অনুভূতি বজায় থাকবে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকছে।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বিস্তৃত অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তার সংলগ্ন এলাকার ওপর অবস্থান করছে। অন্যদিকে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে এবং এর একটি অংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    অতিরিক্তভাবে, আজ সকাল ৬টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে, যেখানে তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র বিএনপি’র নেতা নন, দেশের মানুষের নেত্রী: বকুল

    বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র বিএনপি’র নেতা নন, দেশের মানুষের নেত্রী: বকুল

    খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রাকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি দলের নেত্রী হিসেবে না, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের একজন সংগ্রামী নেত্রী হিসেবে দেশের মানুষের হৃদয়ে intricately স্থান করে নিয়েছেন। তিনি চাইলে বিদেশের আরাম-আয়েশে থাকতে পারতেন, কিন্তু তিনি নির্বাচন ও গণতন্ত্রের স্বার্থে রাজপথে থেকে অবিচলভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার এই আন্দোলনে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরেই নিরবে লড়াই করে যাচ্ছেন এবং অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছানো সত্ত্বেও কখনো অপশক্তির সাথে মতবিরোধ করেননি। গতকাল শনিবার বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অটল নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের শান্তির জন্য দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    বকুল আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন কোনো আপসের ইতিহাস বহন করে না। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যারা নির্বাচনে অংশ নেবে তারা মনে করবেন না তারা সত্যিকার দেশপ্রেমিক। বাংলার জনগণ তখন দেখেছিল কারা সত্যিকারভাবে দেশপ্রেমে বিশ্বাসী এবং কারা রাজনীতির নামে বেঈমানি করেছে। নেত্রীর কাছ থেকে আমরা শিখেছি কিভাবে জনসেবার জন্য সংগ্রাম করতে হয়। তিনি বলেন, ভোট হলো মানুষের এক মূল্যবান অধিকার, এই অধিকার রক্ষা করতে দেশের নেতাকর্মীরা হারিয়েছেন অনেক আত্নীয়-স্বজন, ঘরবাড়ি, তবে তিনি কখনো পিছু হটেননি। সকলকে সতর্ক করে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সংগতভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য সবাই দায়িত্বশীল হতে হবে যেন দেশের মানুষ নির্ভয়ে এবং নিরপেক্ষভাবে ভোট প্রদান করতে পারে।
    বিএনপি প্রতিষ্ঠার আগে ও পরে জিয়া পরিবার যে অমানুষিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে, তা বাংলাদেশে আর দ্বিতীয়টি নেই বলে মন্তব্য করেন বকুল। নিজে ছাত্রজীবনে ও এলাকার সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের উল্লেখ করে আবেগের সঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে আমি এই এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচনের ফল যাই হোক, আমি আগের মতোই জনগণের পাশে থাকবো এবং সবার কাছে একজন আদর্শ সন্তান ‘বকুল’ হিসেবে থাকতে চাই।
    উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, খালিশপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি এডভোকেট মোঃ মোহাম্মদ আলী বাবু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান বিশ্বাস সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা। অনুষ্ঠান শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত ও দেশের উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও তিনি সকালে খালিশপুরের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন, বিকেলে খানজাহান আলী থানার কিবরিয়া মেম্বারের বাড়িতে স্থানীয়দের সাথে সাক্ষাৎ করেন। রাত সাড়ে ৮টায় দৌলতপুর থানার বিএনপির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রকিবুল ইসলাম বকুল। অনুষ্ঠানে দৌলতপুর থানার বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।