Author: bangladiganta

  • ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায়, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে দেশের বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। দেশের হিসেবে এর পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকার হিসাব অনুযায়ী)। এই হিসেবে এটি নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এই তথ্যসমৃদ্ধ হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। তুলনায় দেখতে গেলে, আগের অর্থবছরের একই সময়ের মধ্যে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ বেড়েছে ৬৯ কোটি ডলার, যা প্রায় ৩১ শতাংশ বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২২০ কোটি ডলার, যা এই সময়ের মধ্যে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ১৮ শতাংশের বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ, বিভিন্ন প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও স্বস্তি ফিরে এসেছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ছিল এভাবে: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর থেকে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, এবং নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

    গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল নতুন রেকর্ড—এটি মোট ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। সেই অর্থবছরে রেমিট্যান্স আসছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার।

  • বছরের প্রথম দিনেই সোনার দাম ভরিতে কমেছে ১৪৫৮ টাকা

    বছরের প্রথম দিনেই সোনার দাম ভরিতে কমেছে ১৪৫৮ টাকা

    নতুন বছরের শুরুর দিন দেশের বাজারে আবারো সোনার দাম কমেছে। বিশেষ করে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা, যার ফলে নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এই দাম পরিবর্তনটি দেশের জুয়েলার্স ও স্বর্ণবাজারে নতুন মূল্য হিসেবে কার্যকর হবে আজ থেকেই।

    অতীতে, ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এর স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে সোনার বর্তমান দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর ওই কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়।

    নতুন নির্ধারিত দামে, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের ভরির দাম হবে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটে হবে ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকা।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এই দামেব সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে এই মজুরির পার্থক্য থাকতে পারে।

    উল্লেখ্য, গত ৩১ ডিসেম্বর, দেশের স্বর্ণ বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করে বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা মূল্য হ্রাস করে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারিত হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। অন্য শাখায়, ২১ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা।

    বর্তমানে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় হয়েছে, যার মধ্যে ৬৪ বার মূল্য বাড়ানো হয়েছে, আবার ২৯ বার কমানো হয়েছে।

    এছাড়াও, এই প্রথমবারের মতো দেশের বাজারে রুপার দামও কমানো হলো। ধοι ভরিতে ৫২৫ টাকা মূল্য হ্রাস করে ভরির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। অন্য ক্যাটাগরিতে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এটি দেশের বাজারে প্রথম রুপা দামের সমন্বয়। গত বছর, দেশের স্বর্ণ বাজারে ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছিল ১০ বার এবং কমানো হয়েছিল ৩ বার।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পরিবর্তন বাতিল, আগের হারই বহাল থাকবে

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পরিবর্তন বাতিল, আগের হারই বহাল থাকবে

    সরকার সম্প্রতি সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে আগের হারগুলোকে পুনরুদ্ধার করেছে। এতে রোববার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। এর মাধ্যমে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যে হারে মুনাফা দেওয়া হচ্ছিল, আগামী ছয় মাসও সেই একই হার বজায় থাকবে। গত বৃহস্পতিবার সরকার প্রথমে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, কিন্তু সমালোচনার দীর্ঘ সুরে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে তারা আগের হারগুলোকে কার্যকর রাখে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণি ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা যারা মূলত সঞ্চয়পত্রের উপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এই হার গুরুত্বপূর্ণ।

    জানা যায়, রোববার অফিস খুলার পর উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে এই প্রজ্ঞাপন বাতিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং নতুন করে আগের হারগুলোকে কার্যকর করতে অনুমোদন দেওয়া হয়। ফলস্বরূপ, বর্তমানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ চার ধরনের সঞ্চয়পত্র এবং পোস্ট অফিসের ফিক্সড ডিপোজিট স্কীমে পুরোনো হারগুলি বহাল রাখা হয়েছে। এসব স্কীমে নির্ধারিত সর্বোচ্চ বিনিয়োগ amount হলো ৫০ লাখ টাকা। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছুটা কম মুনাফা দেওয়া হয়, তবে মূলত সবকিছুরই হার আগের মতোই থাকবে।

    বিশেষ করে পরিবার সঞ্চয়পত্রে, যেখানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচবছর মেয়াদ পূর্ণ হলে Mুনাফার হার ছিল ১১.৯৩ শতাংশ, এবার সেটি পুনরায় ১০.৪৪ শতাংশে নামায়। অন্যদিকে, ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১.৮০ শতাংশ থেকে ১০.৪১ শতাংশে ফিরে এসেছে। এর ফলে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আগের মতোই স্থায়ী থাকবে।

    এছাড়াও, গত বছরের জানুয়ারির পর থেকে সঞ্চয়পত্রের হার ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদহার অনুযায়ী নির্ধারিত হচ্ছে। ৫ বছর ও ২ বছরের ট্রেজারি বন্ডের সর্বশেষ নিলামের ভিত্তিতে গড়ে উঠা সুদ হার এই হার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার কমার কারণে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হারও সম্প্রতি হ্রাস পায়। প্রাথমিকভাবে এই হার পরিবর্তনের ঘোষণা ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুনের জন্য বলেছিল সরকার।

    প্রধানভাবে, দেশের সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সঞ্চয়পত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস। তারা বিপদের সময় এই সঞ্চয় ভাঙেন, আবার নিজেদের মাসিক খরচ মেটানোর জন্য এই থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন। দীর্ঘ সময় উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি বাহ্যত ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে থাকায়, এসব বিনিয়োগের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার কমানোর সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেক অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ নাগরিকরা, বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষজনের জন্য এই হারের অবনমন উপকারী নয় বলে মতামত রয়েছে।

  • দু-এক দিনের মধ্যে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হচ্ছেন: মির্জা ফখরুল

    দু-এক দিনের মধ্যে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হচ্ছেন: মির্জা ফখরুল

    দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার সন্ধ্যায় সিলেটে হযরত শাহজালাল রাহমতুল্লাহ আলাইহির মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকlerle কথা বলেন তিনি।

    মির্জা ফখরুল জানান, ২০১৮ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দী হওয়ার পর তারেক রহমানকে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এখন সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে দলের চেয়ারপারসনের পদে বসানোর প্রস্তুতি চলছে।

    তিনি আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সিলেট থেকে প্রচার অভিযান শুরু করবে বিএনপি। এই নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দীর্ঘ দিন ধরে মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত। বিএনপির প্রধান লক্ষ্য, সেই অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।

    বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও তাঁর অবদান স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, গণতান্ত্রিক সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি সম্মানের সঙ্গে রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েছেন। ভবিষ্যতে তিনি যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটি বাস্তবায়নে দেশে নতুন ভিত্তি গড়ে উঠবে এ প্রত্যাশা রাখি।

    অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি তিনি আহ্বান জানান, বর্তমান সুযোগগুলো কাজে লাগাতে এবং শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও কার্যকরি গণতান্ত্রিক সংসদ গঠনে সবাই একসঙ্গে কাজ করতে। গণতন্ত্র একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয় না, এটি প্রতিষ্ঠিত করতে দীর্ঘ সাধনা ও সংগ্রাম দরকার।

    এছাড়াও, ভূপৃষ্ঠে একজন শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    পশ্চিমবঙ্গের সিলেট সফরকালে ব্যক্তিগতভাবে তিনি রোববার হযরত শাহজালাল ও শাহপরান রাহমতুল্লাহ আলাইহিমার মাজার জিয়ারত করেন।

  • প্রতারণার অভিযোগে এনসিপি থেকে বিদায় নিলেন নীলিমা দোলা

    প্রতারণার অভিযোগে এনসিপি থেকে বিদায় নিলেন নীলিমা দোলা

    জুলাই মাসে বিপ্লবী তরুণদের গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বর্তমানে পদত্যাগের স্থৈর্যশীল ঢেউয়ে ভরপুর। এই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা, নীলিমা দোলা। তিনি বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগ তুলে দলের কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে তারপ আপত্তি প্রকাশ করে দল ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

  • ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তারেক রহমানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও সমস্যার সমাধানে প্রতিশ্রুতি

    ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তারেক রহমানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও সমস্যার সমাধানে প্রতিশ্রুতি

    একটি ব্যাপক আলোচনা ও সমঝোতার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত হন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে। এই বৈঠকে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংস্হার প্রতিনিধিরা, যারা নিজেদের সম্মুখীন বিভিন্ন উদ্যোগের প্রতিবন্ধকতা, চাঁদাবাজি, ব্যাংকের উচ্চ সুদ, আমলাতান্ত্রিক হয়রানি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি gibi সমস্যাগুলোর কথা তুলে ধরেন।

  • তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রার্থিতা বাতিলের অভিযোগ স্বইচ্ছায় হচ্ছে না: গোলাম পরওয়ার

    তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রার্থিতা বাতিলের অভিযোগ স্বইচ্ছায় হচ্ছে না: গোলাম পরওয়ার

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয় সময় কিছু রিটার্নিং অফিসার ব্যক্তিগত ইখতিয়ারে বা নিজস্ব বিবেচনায় তুচ্ছ বিষয় ধরে প্রার্থিতা বাতিল করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীুর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, তথ্য-প্রমাণ ও কাগজপত্র দাখিলের পরও কিছু রিটার্নিং অফিসার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা না করে ভিন্ন মাপকাঠি দিয়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাতিল করছেন। এটি নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক ও উদ্বেগের বিষয়।

    গেল রোববার এক বিবৃতিতে তিনি এ সব কথা জানান। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সারাদেশে ভোটের জন্য মনোনয়ন দেওয়ার পর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলমান থাকলেও কিছু জেলার রিটার্নিং অফিসাররা ভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। বিশেষ করে, ছোটখাটো বিষয় দেখিয়ে বা ব্যক্তিগত ইচ্ছায় অনেক যোগ্য প্রার্থী নিজেদের প্রার্থিতা হারাচ্ছেন। কেউ কেউ এমন ক্ষেত্রেও কঠোরতা দেখাচ্ছেন যেখানে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ছাড় দিতে পারতেন। এমন পরিস্থিতিতে অনেক প্রার্থীর প্রার্থিতা উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাতিল করা হচ্ছে বলে তাঁদের ধারণা।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় কিছু অঘোষিত বিষয় ধরে বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক উপেক্ষা করে প্রার্থিতা বাতিলের ঘটনা বেড়ে গেছে। এটা দেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য হতাশাজনক এবং অস্বস্তিকর। কিছু মহলের ইন্ধনে এ ধরনের অপকর্ম সংঘটিত হচ্ছে বলে আমাদের মনে হয়। সেই সঙ্গে, যেসকল প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল হচ্ছেন, তাদের প্রার্থিতা অবিলম্বে বৈধ ঘোষণা করা উচিত।’

    গোলাম পরওয়ার এও উল্লেখ করেন, যদি এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে কিভাবে হবে নির্বাচনের স্বচ্ছতা, অবাধতা ও নিরপেক্ষতা, তা এক বড় উদ্বেগের বিষয়। তিনি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, রিটার্নিং অফিসারদের উচিত গুরুত্বহীন ও অপ্রয়োজনীয় বিষয় ধরে প্রার্থীদের বাতিল না করে, সকলের জন্য সমান সুযোগ ও সুবিচার নিশ্চিত করে নির্বাচন সম্পন্ন করতে। পাশাপাশি, নির্বাচনের মাঠটি যেন হয় সমতল, সেটাও তিনি গুরুত্ব দেন। তিনি অপপ্রয়াসে অভিযুক্ত রিটার্নিং অফিসারদের দ্রুত সতর্ক করে দিয়ে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সব প্রার্থী যেন আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ পায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে এবং অবাধ, সুসংহত ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • খালেদা জিয়ার প্রতি জাতির অকুণ্ঠ সম্মান ও গভীর শ্রদ্ধা

    খালেদা জিয়ার প্রতি জাতির অকুণ্ঠ সম্মান ও গভীর শ্রদ্ধা

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হলো। এই সময়ের মধ্যে দেশজুড়ে এবং বিদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন স্তরের শুভানুধ্যায়ী, নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের কাছ থেকে যে ভালোবাসা, সমবেদনা ও দোয়ার বার্তা পেয়েছি, তা আমাদের পরিবারের জন্য গভীর প্রত্যয় ও আর্থিক শক্তির উৎস হয়ে উঠেছে। শনিবার বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এসব অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন।

    তিনি উল্লেখ করেছেন, এই তিন দিনে তিনি মা খালেদা জিয়ার বিভিন্ন দিক ও মূল্যবোধের গভীরতা উপলব্ধি করেছেন। বিভিন্ন মানুষের কাছে তিনি ছিলেন আপসহীনতার প্রতীক, সাহসের প্রতীক, বিশ্বাসের পক্ষে অটল দাঁড়ানোর প্রেরণা। রাজনৈতিক জীবন ছাড়িয়ে এ প্রেরণা বহু দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এবং মানুষকে আবেঁকা করেছে নিজস্ব পরিচয়, আদর্শ ও অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে।

    তারেক রহমান আরো জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আন্তঃসরকারি সংস্থা, অর্থনীতিবিদ ও আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের দ্রুত সমন্বিত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের ফলেই এত দ্রুত এই দেহান্তর ও শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি দেশের গণ্ডির বাইরেও দেশের স্বার্থে কাজ করা বিভিন্ন দেশের সরকার, কূটনীতিক, ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, তাদের সমবেদনা ও সংহতির বার্তা আমাদের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, মিশন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ, সমবেদনার চিঠি ও বার্তা—প্রতিটি ঘটনা যেন বাংলাদেশের মানুষের গভীর শ্রদ্ধা এবং অনুভূতির প্রকাশ।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা অগণ্য। তাঁদের দায়িত্ববোধ ও সম্মানজনক সহযোগিতায় এই মর্যাদাপূর্ণ শেষ বিদায় সম্ভব হয়েছে। বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে, যারা সম্মানসূচক গার্ড অব অনার ও শেষ সালাম দিয়ে মায়ের চিরবিশ্রাম নিশ্চিত করেছেন। তাদের এই আচরণ গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহি:প্রকাশ।

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, অনেক নিঃশব্দ ও নির্মোহ মানুষ এই পুরো প্রক্রিয়ার নীরব সহযোগিতা দিয়েছেন, যারা দায়িত্ব সামলে চলেছেন পিছু ছবি বা জনসম্মুখে না এসে। সেই সকল ব্যক্তির প্রতি অকুণ্ঠ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। আলহামদুলিল্লাহ, তাদের প্রচেষ্টায় পরিবার ও জাতি মর্যাদার সঙ্গে মায়ের স্মৃতি রক্ষা করতে পেরেছে।

    সর্বোপরি, তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এ বর্বর ও গভীর শোকের সময়ে আসা অসংখ্য মানুষের উপস্থিতি ও আনুগত্য আমাদের পরিবারের জন্য অসীম গর্বের বিষয়। এই দৃশ্য মানুষের মানবিক আবেগ ও সহমর্মিতার পরিচয়। বিএনপি ও পরিবারের পক্ষ থেকেও জানাই বিশেষ কৃতজ্ঞতা, যারা এই শোক ও স্মরণ মুহূর্তে পাশে ছিলেন। আপনারা যে ভালোবাসা ও একতা দেখিয়েছেন, তা আমাদের জন্য সম্পদ ও শক্তির উৎস। ইনশাআল্লাহ, এই সকল মূল্যবোধ নিয়ে আমরা আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।

  • ফারুক ই আজম: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের শনাক্তে অবিরত কাজ চলবে

    ফারুক ই আজম: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের শনাক্তে অবিরত কাজ চলবে

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের মধ্যে যারা এখনও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, তাদের সনাক্তের জন্য আমরা অবিরত কাজ করে যাবো। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কবরস্থানে এ সংক্রান্ত অনুসন্ধান ও শনাক্তকরণ কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    ফারুক ই আজম জানান, এরই মধ্যে আটজন শহীদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন শহীদ ফয়সাল সরকার, পারভেজ বেপারী, রফিকুল ইসলাম (৫২), মাহিম, সোহেল রানা, আসানুল্লাহ, কাবিল হোসেন এবং রফিকুল ইসলাম (২৯)। তবে এখনো অনেকের মরদেহের পরিচয় জানা যায়নি, এবং ভবিষ্যতেও যা সম্ভব, সেই অনুযায়ী তাদের শনাক্তের কাজ চালিয়ে যাবে প্রতিষ্ঠান।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান, সিআইডির প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

    উল্লেখ্য, রবিবার (৭ ডিসেম্বর) থেকে মরদেহ উত্তোলন ও শনাক্তকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা এখনও চালিয়ে যাবার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • রায়েরবাজারে দাফন হওয়া ১১৪ মরদেহের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

    রায়েরবাজারে দাফন হওয়া ১১৪ মরদেহের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

    ২০২৪ সালে জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের সময় রায়েরবাজার কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ে দাফন করা ১১৪ জনের মরদেহের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করছে পুলিশ। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান সিআইডির প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ।

    সিআইডির প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলমান গণঅভ্যুত্থানের সময় এই ১১৪ জন মরদেহ রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরবর্তীতে শহীদ পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে মরদেহগুলোর শনাক্তকরণ ও প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত বছরের ডিসেম্বরের ৭ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যে এই মরদেহগুলো উদ্ধার, ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের কার্যক্রম সম্পন্ন করে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এই প্রসেসো আন্তর্জাতিক মান ও মিনেসোটা প্রটোকল অনুসারে পরিচালিত হয়, যেখানে মান্যতা পেয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন ও আন্তর্জাতিক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে।

    সিআইডির প্রধান জানান, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ৯ জনের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় আর খুঁজে পাওয়া গেছে তাদের পরিবারের কাছে। বাকি এক জনের সন্ধানে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এই উদ্যোগ শহীদদের মর্যাদা রক্ষা, নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যত বিচার তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ সুরক্ষায় এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    মো. ছিবগাত উল্লাহ আরো বলেন, “আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে এ ধরনের সংবেদনশীল কার্যক্রম পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে। এর ফলে নিখোঁজ শহীদদের পরিচয় নির্ধারণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং ভবিষ্যতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।”

    আজ এই পরিচয় শনাক্ত হওয়া আটজন শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে মো. সোহেল রানার মা রাশেদা বেগম মরদেহ বুঝে পাওয়ার পর আবেগে কাঁদলেন, তিনি বলেন, “আমার সন্তান সোহেলকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি, বিভিন্ন হাসপাতালে খুঁজেছি। অবশেষে সিআইডি আমার সোহেলকে খুঁজে দিয়েছে, তাঁদের ধন্যবাদ জানাই।”

    অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বুঝে পেয়ে কবরের পদ্ধতি জানিয়ে দেন এবং আবেগঘন মুহূর্তে তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। অনুষ্ঠান শেষে এই পরিবারের সদস্যদের কবর বুঝিয়ে দেওয়া হয়, এ সময় স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীর প্রতীক ফারুক ই আজম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; শিল্প মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান।