Author: bangladiganta

  • মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুললেন, চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন

    মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুললেন, চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ বা তথ্য দেখাতে না পারার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার এক লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এ সব কথা বললেন।

    বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, গতকাল এবং আজ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটরের বরাতে তাঁর সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বলেন, এসব বক্তব্যের কোন ভিত্তি নেই এবং কোনো প্রমাণ দেখা যায়নি।

    তাজুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁর ও প্রসিকিউশন দলের সব ধরনের পদক্ষেপ ছিল স্বচ্ছ ও আইনি। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা ষড়যন্ত্রের অংশ।

    তিনি আরও জানান, পতিত স্বৈরাচার ও গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে চলমান ও চলতীয় বিচারপ্রক্রিয়া থেকে দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য কিছু মহল সুপরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে, যাতে বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

    দায়িত্ব পালনকালে তিনি পরিষ্কারভাবে বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কোনো প্রশ্ন তুলতে পারেনি। বিদায় নেওয়ার পর কিছু মহল গণহত্যাকারীদের সুবিধা দিতে বিনা ভিত্তিতে অভিযোগ তুলে বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    তাজুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের মিথ্যাচার ও অপপ্রচার থেকে সকল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সতর্ক থাকা দরকার। তিনি সবাইকে এই ধরণের অপপ্রচারের হাত থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানান।

    উল্লেখ্য, সরকার ক্ষমতায় আসার পর কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন আনা হয়। এর অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের পদ থেকে মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে সরিয়ে দিয়ে নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলামকে।

  • বরিশালে আদালতভুক্ত আইনজীবীদের হট্টগোল ও অশান্তি

    বরিশালে আদালতভুক্ত আইনজীবীদের হট্টগোল ও অশান্তি

    বরিশাল জেলা আদালতের অডিটোরিয়ামে ঘটে এক বেশ জটিল ও উত্তপ্ত ঘটনা, যেখানে আইনজীবীরা আদালতে ঢুকে মারাত্মক হট্টগোল ও ধাক্কাধাক্কি চালিয়েছেন। মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে আওয়ামী লীগের নেতাদের জামিনের ঘটনা, যা নিয়ে বিশদ আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, কিভাবে আদালতের ডেস্কে ও আদালতকক্ষে আইনজীবীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন।
    প্রতিবেদনে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও আদালত সূত্র বলছেন, তখন আদালত বলপ্রয়োগ ও উত্তেজনার মধ্য দিয়ে চলে যায়। এদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন বিএনপি পন্থী আইনজীবীরা,কিন্তু পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়। সেই সময় তারা বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানান এবং বিচারক ও বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন।
    ভিডিওতে দেখা যায়, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরীয়তউল্লাহ একজন মামলার শুনানি চলার সময়, আদালতের ভেজানো দরজা থেকে একজন আইনজীবী চিৎকার করে প্রবেশ করেন। তাঁর পেছনের আরও বেশ কয়েকজন আইনজীবী তাকে অনুসরণ করেন। তারা আদালত কক্ষে বেঞ্চগুলোতে আঘাত করে আইনগত কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেন এবং বিচারকের সামনে গিয়ে অশোভন ভাষায় অভিযোগ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা বেঞ্চগুলো ধাক্কা দেয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
    আইনজীবীদের সূত্র জানায়, প্রথম প্রবেশকারী আইনজীবী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকন। তিনি জানান, আদালত থেকে ৩০-৪০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে অপ্রত্যাশিতভাবে জামিন অনুমোদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসের জামিনে এক ধরনের দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। অবিশ্বাস্য হলেও এটা সত্যি।” তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একাধিকবার জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করবো এবং পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে চাই।’
    অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব আহমেদ জানান, ‘ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা চলছে, আমি এখন আর বিস্তারিত বলতে পারছি না।’
    প্রতিদ্বন্দ্বী দল ও আইনজীবীদের মধ্যে এই উত্তেজনার ঘটনা পাল্টা ক্ষোভ ও প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছে। বরিশালের এই পরিস্থিতির মধ্যে, আদালত থেকে জামিনপ্রাপ্ত কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নে তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, এর আগে ১৭ ফেব্রয়ারি বরিশালের বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠনের সদস্য জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। তার মধ্যে রয়েছে, সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন ও যুবলীগের নেতা মাহমুদুল হক খান। এই ঘটনা আরও একটি বার্তা হিসেবে প্রতীয়মান হলো যে, বরিশালের বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক চলাচল কোথাও কোথাও অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।

  • স্বার্থ রক্ষা হলে জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি বজায় থাকবে: হুমায়ুন কবির

    স্বার্থ রক্ষা হলে জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি বজায় থাকবে: হুমায়ুন কবির

    দায়িত্বের শেষ পর্যায়ে জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সদ্য বিদায়ী সরকার। যদি এটি দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে চুক্তিটি অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করেন। তবে, যদি দেশের স্বার্থের বিপরীতে হয়, তাহলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

    মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্তে তিনি এসব কথা বলেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতে যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তা নিয়ে নতুন সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাওয়া হয়। তিনি জানিয়েছেন, জাপানের রাষ্ট্রদূত স্বয়ং বলেছেন, সরকার অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে কী চুক্তি করেছে, তা দেখার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখব, অন্তর্বর্তী সরকার কী চুক্তি করেছে, সেটার ভিত্তিতে আমাদের সিদ্ধান্ত নেব। যদি দেশের স্বার্থে থাকে, তাহলে চুক্তি চালিয়ে যেতে পারে। আর যদি দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধ হয়, তবে বিবেচনা করে দেখব।’ তিনি সংযোজন করেন, ‘আমরা এখনো জানি না, অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের জন্য কী রেখে গেছে। এজন্য এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।’

    জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়টি আমি পরিষ্কার ভাবে তুলে ধরেছি। চুক্তি যেন সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে, সেটাও বলেছি।’ তিনি আরও জানিয়ে দেন, জাপান বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, ‘দক্ষ শ্রমিক সুবিধার্থে আমরা আলোচনা করেছি।’

    রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ইন্দো-প্যাসিফিক নীতি, কৌশলগত অংশীদারিত্ব, মাতারবাড়ি প্রকল্পসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিন (প্রতিমন্ত্রীর সমমান), পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া।

  • নগদে বড় বিদেশি বিনিয়োগ আসছে, সমন্বয় করছেন ব্যারিস্টার আরমান

    নগদে বড় বিদেশি বিনিয়োগ আসছে, সমন্বয় করছেন ব্যারিস্টার আরমান

    ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদে বড় ধরনের বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া এখন চলছে, এবং এ বিষয়ে তিনি তার নিজস্ব দিক থেকে সমন্বয় কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রাথমিক যোগাযোগের অধিকাংশটাই তার মাধ্যমেই হচ্ছে।

    মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে একটি জরুরী বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। এই বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে নিজের মতামত ব্যক্ত করেন।

    ব্যারিস্টার আরমান জানান, প্রস্তাবিত বিনিয়োগকারীরা বিদেশী এবং তারা নগদে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিনিয়োগে আগ্রহী। তিনি তাদের দেশের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে এই প্রক্রিয়ার সমন্বয় করছেন। বলেন, তারা যখন দেশে আসবে, তখন মূল আলোচনা শুরু হবে। তবে তিনি কোন দেশের বা কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাজ করছেন—এ বিষয়ে এখনো স্পষ্ট করেননি।

    অপরদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, নগদের বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর জন্য বড় পরিমাণে বিনিয়োগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, দেশের বা আন্তর্জাতিক উৎস থেকে যে কোনও বিনিয়োগ এলে তা স্বাগত জানানো হবে।

    তিনি আরও বলেন, এক সময় নগদ বড় ধরনের সংকটে পড়েছিল। বিশাল গ্রাহকভিত্তির কথা বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি প্রশাসক দল নিয়োগ করেছিল। দীর্ঘ সময় তারা দায়িত্ব পালন করায় বিভিন্ন আর্থিক সূচক ও লেনদেনে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

    তবে এসবই স্থায়ী সমাধান নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, নগদ বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান। এটি টিকিয়ে রাখতে না পারলে বাজারে একচেটিয়া পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা গ্রাহকদের জন্য ক্ষতিকর হবে।

    তিনি আরও জানান, অতীতে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্রের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঐ উদ্যোগের সঙ্গে একমত ছিল, তবে সরকারের অন্তর্বর্তী সময়ের কারণে তা চূড়ান্ত হয়নি। এখন নতুন সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    পাশাপাশি, নগদের মালিকানার সঙ্গে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সম্পৃক্ততা থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সরকারের মতামত জরুরি—এ বিষয়ে মুখপাত্র উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সরকারকে পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেবে।

    উল্লেখ্য, নগদে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে ইতোমধ্যে তিন থেকে চারটি আবেদন পাওয়া গেছে। এসব আবেদন একসঙ্গে মূল্যায়ন করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • বাংলাদেশের শ্রমবাজার খুলতে উদ্যোগের ঘোষণা, প্রবাসী কল্যাণে নতুন পরিকল্পনা

    বাংলাদেশের শ্রমবাজার খুলতে উদ্যোগের ঘোষণা, প্রবাসী কল্যাণে নতুন পরিকল্পনা

    সরকার মালয়েশিয়া, ওমানে এবং বাহরাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালুর জন্য সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর লক্ষ্য হলো আগামী তিন মাসের মধ্যে অন্তত দুইটি বন্ধ হয়ে যাওয়া শ্রমবাজার খুলে দেওয়া এবং শ্রম বাজারগুলি পুনরূদ্ধার করা। পাশাপাশি, অভিবাসন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি প্রতারক রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এ কথা জানান। তিনি বলেন, অভিবাসন ব্যয় নির্দিষ্ট করতে, প্রতারণার সঙ্গে জড়িত রিক্রুটিং এজেন্সির নিবন্ধন স্থগিত করতে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ বা সীমিত থাকায় শ্রমবাজারগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে অন্তত একটি বা দুটি শ্রমবাজার পুনরায় চালু করা হবে। একইসঙ্গে, কিছু দেশের জন্য অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করে কার্যকর করার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশে প্রায় তিন হাজার রিক্রুটিং এজেন্সি লাইসেন্সকর্তা রয়েছেন, কিন্তু অনেকেই সঠিকভাবে কাজ করছে না। সাব-এজেন্সির মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার শিকার করা হচ্ছে এবং ফলে দেশের আন্তর্জাতিক চিত্রের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সেই সঙ্গে, যেসব এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রতারণা বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়, তাদের নিবন্ধনও স্থগিত করা হবে।

    শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের ১০টি শর্ত পূরণের জন্য সক্ষম রিক্রুটিং এজেন্সি ও কোম্পানির তালিকা পাঠানো হয়েছে। এখন এই বিষয়টি কূটনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে পর্যবেক্ষণে রয়েছে। এ ছাড়াও, বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোতে লেবার উইং বাড়ানোর জন্য আলোচনা চলমান।

    অন্যদিকে, জাপানে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বললেন, বাংলাদেশ থেকে আগামী পাঁচ বছরে এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর জন্য সরকারি প্রশিক্ষণ ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনাটি এক লাখের বেশি কর্মী পাঠানোর দিকে এগোচ্ছে এবং সরকার সেটি ১০ লাখে উন্নীত করার চিন্তাভাবনা করছে।

    প্রবাসীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, বিদেশে মারা যাওয়া শ্রমিকদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনার ব্যবস্থা পুনরায় চালুর আলোচনা। আরও দুটি নতুন ফ্রিজিং গাড়ি যোগ হয়ে গেছে, যা মরদেহ পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হবে।

    অপরদিকে, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়, যা সম্ভবত বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অভিবাসন ব্যয় অনেক ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়, যা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এজন্যই এই ব্যয় হ্রাস করে একটি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার লক্ষ্য রয়েছে।

    মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জার্নালিস্টস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পার্থ সারথি দাস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রায়হানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মেহজাবীন: নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে আমাকে

    মেহজাবীন: নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে আমাকে

    প্রখ্যাত পর্দার অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় খুবই সক্রিয় একজন। নিজের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও অনুভূতি তিনি শেয়ার করেন, কখনো ভালো লাগা বা মন্দ লাগা বিষয়গুলো প্রকাশ করেন। এবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি গুরুতর অভিযোগ করে জানিয়েছেন, তিনি একটি বিশেষ মহলের দ্বারা টার্গেট হয়ে আছেন।

    রবিবার সকালে ফেসবুকের একটি পোস্টে মেহজাবীন লিখেছেন, ‘কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে।’ তিনি আরও জানান, কিছু সময় আগে একটি ভিত্তিহীন মামলায় তাকে হয়রানি করা হয়েছিল, যেখানে আদালত তাকে ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন এবং সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু যখন তিনি আবার নতুন করে কাজের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন, ঠিক তখনই তার বিরুদ্ধে মানহানি ও হয়রানির চেষ্টা অব্যাহত থাকছে।

    অভিনেত্রী আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে AI (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিওর কারণে অনেক শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এসব ফেক ছবি ও ভিডিও অনেক ক্ষেত্রেই বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, নারীরা আজকাল সহজেই টার্গেট হয়ে যান, তবে কারা এই কাজের পেছনে রয়েছে তা তার জানা নেই।

    মেহজাবীন উল্লেখ করেন, তিনি শুধুমাত্র নিজের কাজের প্রতি মনোযোগ দিতে চান এবং চান, তার work আলাদাভাবে প্রশংসিত হোক। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নিজের পাশে সবাই থাকবেন। এই পোস্টের পর তাঁর ভক্তদের মধ্যে কিছু সমর্থন জানিয়েছেন, আবার অসংখ্য সমালোচনাও এসেছে, কেউ কেউ এর তদন্তের দাবি তুলেছেন।

    উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে তিনি পারিবারিক ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেওয়ার অভিযোগে জটিলতার মধ্যে পড়েছিলেন। তবে আদালত তাকে অব্যাহতি দিয়েছে।

    অবশ্য, সম্প্রতি একটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়, যেখানে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফিরতের পর তিনি ও তার স্বামী মদের বোতলসহ আটকা পড়েছেন। বিষয়টির যথাযথ সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তিনি সরাসরি তার মানহানি দাবি করেছেন।

  • রাশমিকা ও বিজয় বিবাহের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, কোথায় হবে অনুষ্ঠান

    রাশমিকা ও বিজয় বিবাহের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, কোথায় হবে অনুষ্ঠান

    দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা জুটি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবারাকুন্ডার বিবাহের খবর পুরো ক্যামেরার আগে উঠে এসেছে। যদিও অনেক দিন থেকেই ফাঁস হচ্ছিল যে এই দুই তারকা আগামীতে বিবাহবার্ষিকীতে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তবে তারা স্বীকার করেননি। তবে অবশেষে তারা নিজেদের বিবাহের কথা স্বীকার করে নিলেন।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই তারকা জুটি তাদের আসন্ন বিয়ের নাম রেখেছেন ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’, যা আসলে ভক্তদের অনেক বছর ধরে তাদের জন্য তৈরি করা নামে সম্মান জানিয়ে করা হয়েছে। বিজয় ও রাশমিকা নিশ্চিত করেছেন যে, এই নাম তারা তাদের বিবাহের জন্য গ্রহণ করেছেন। বিয়ের স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে রাজস্থানের উদয়পুর, যেখানে ২৬ ফেব্রুয়ারি একটি ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হবে।

    বিবৃতিতে তারা বলেছেন, “প্রিয় সকল, আমরা যখন নিজেদের জন্য কিছু পরিকল্পনা করছিলাম, ঠিক তখনই আপনাদের কাছ থেকে ভালোবাসা এবং সমর্থন পেয়ে আমাদের জন্য একটি বিশেষ নাম—‘বিরোশ’ তৈরি হয়। আজ আমরা এই বিশেষ দিনটিকে আমাদের প্রিয়জনদের সম্মানে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ নামে ঘোষণা করছি। আপনাদের এত ভালোবাসায় আমরা আচ্ছন্ন। আমাদের জন্য এই ভালোবাসা ও সমর্থন যেন চিরকাল আমাদের begeleiden করে। ধন্যবাদ আমাদের এতটা ভালোবাসার জন্য।”

    প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এই বিয়ের পর রাশমিকা ও বিজয় তাদের হায়দরাবাদ ও মুম্বাইয়ে আলাদা আলাদা রিসেপশনের আয়োজন করবেন। এই অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যরা, বন্ধুবান্ধবরা এবং ভক্তরা অংশগ্রহণ করবেন। আশা করা হচ্ছে, এই বিশেষ উপলক্ষ্যে তাদের বিভিন্ন পেজে থাকবে আনন্দের উৎসব ও স্মৃতিময় মুহূর্ত।

  • কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি

    কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি

    আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাচ্ছে বাংলা সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খান আন্তর্জাতিকে পরিচিত চলচ্চিত্র ‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’। এই সিনেমার শুটিং এখন কলকাতায় ব্যাপক উৎসাহের সাথে চলছে। সম্প্রতি বিভিন্ন সিনেমাটির দৃশ্যধারণের জন্য কলকাতার বৌবাজার, হাওড়া, আলিপুুড়সহ বিভিন্ন এলাকায় শুটিং সেট তৈরি হয়েছে। এই শুটিং সম্প্রচারে শাকিব খানের নতুন একটি দৃষ্টিনন্দন লুকের ছবি প্রকাশ পেয়েছে ভারতীয় বাংলা সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনে।

  • কণ্ঠশিল্পী নোবेल গ্রেপ্তার

    কণ্ঠশিল্পী নোবेल গ্রেপ্তার

    বিএনসিসি: বিতর্কিত কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে আটকিয়ে রাখার এ ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ওই তরুণীর উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালান, পাশাপাশি জোরপূর্বক তার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তৈরি করার চেষ্টা করেন।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন বটতলা এলাকায় এ অভিযান চালিয়ে ডেমরা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ ব্যাপারে ডিএমপির ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন বলেন, নোবেলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীর উপর ব্যাপক হেনস্তার অভিযোগে একটি মামলা রয়েছে। সেই মামলার ভিত্তিতে আদালত থেকে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে নোবেল থানায় আটক আছেন এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে আদালতে হাজির করা হবে।

    জানানো হয়, ভুক্তভোগী তরুণীকে নিরুপায় হয়ে একদিনের জন্য নিজের স্টুডিওতে আটকে রাখেন নোবেল। সেখানে তিনি জোরপূর্বক তার কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তৈরির চাপে পড়ে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট ওই তরুণী আদালতে একটি মামলা রের্কড করেন। মামলার তদন্তে একাধিক দুর্ব্যবহার ও ভয়ভীতির বিষয় উঠে আসে। তদন্তের জন্য আদালত পিবিআইকে দায়িত্ব দেয়। পিবিআই এসআই নুরুজ্জামান ওই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। এরপর আদালত নোবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন। পরে ডেমরা থানা পুলিশ তাদের আইনের আওতায় এনে আদালতশূলীতে উপস্থাপন করবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।

  • আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন মেহজাবীন চৌধুরী

    আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন মেহজাবীন চৌধুরী

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন যে তিনি অবৈধ কোনো পণ্যসহ আটকের খবরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছেন। সোমবার দুপুরে নিজে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি জানান, সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে আমদানি-রফতানি, অবৈধ পণ্য সহ আটক হওয়ার খবর একেবারে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এমন দাবির পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

    অভিনেত্রী বলেন, এই ধরনের অপপ্রচার চালানো একদম অপ্রয়োজনীয় এবং দুঃখজনক। তিনি নিশ্চিত করেন যে, তাকে বিমানবন্দরে কখনো থামানো হয়নি, তার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগ থেকে কোনো অবৈধ বস্তু উদ্ধার হয়নি। এমন কোনো ঘটনা কখনো ঘটনি, যেখানে তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ তোলা হয়েছে বা কোনও জিজ্ঞাসাবাদ হয়েছে।

    মেহজাবীন আরও প্রশ্ন তুলে বলেন, এই দাবি বা খবরের সত্যতা কী? কি প্রমাণ দেখানো হয়েছে যেন বোঝা যায় যে তার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে? তিনি উল্লেখ করেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজকাল মানহানি খুবই সাধারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ভিত্তিহীন খবরের উপর ভিত্তি করে তার ছবি এবং নাম ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

    তিনি স্পষ্ট করেন, এই ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক। এই অভিযোগগুলো অমূলক এবং তার কোনও সম্পর্ক নেই এমন ক্ষতিকর খবরের সাথে। এর আগেও কয়েক মাস আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনি জেলে ছিলেন, যদিও আদালত শেষে তিনি মুক্তি পায়েন।

    প্রতিষ্ঠানটির সূত্র জানায়, বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল একটি খবরের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল তিনি ও তার স্বামী কয়েকদিন আগে ব্যাংকক থেকে ফিরতেই বিমানবন্দরে মদের বোতলসহ আটক হন। তবে এই তথ্যের কোন সঠিকতা পাওয়া যায়নি। এর ফলে, নিজের মানহানি রোধে তিনি আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন এবং এই জন্য অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।