Author: bangladiganta

  • যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত লন্ডনে গ্রেফতার

    যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত লন্ডনে গ্রেফতার

    লন্ডন পুলিশ সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনকে সরকারি পদে অসদাচরণের সন্দেহে গ্রেফতার করেছে। তাকে এই গ্রেফতারির মধ্যে রয়েছে গভীর সম্পর্কের সংশ্লেষ যেনো যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তাতে নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে যুক্তরাজ্যে। খবর রয়টার্সের।

    গত সেপ্টেম্বরে ম্যান্ডেলসনকে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে প্রকাশ পায়, তার এবং এপস্টেইনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের গভীরতা এবং দাপট। এপস্টেইনের সঙ্গে তার কাছাকাছি সম্পর্কের বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশের পর, ব্রিটিশ সরকার এই পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেয়।

    চলতি মাসের শুরুর দিকে, ব্রিটিশ সরকার এপস্টেইনের সঙ্গে ম্যান্ডেলসনের যোগাযোগের তথ্য দেশের গোপন নথির সঙ্গে সম্পর্কিত উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়। এরই ফলস্বরূপ, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করে।

    লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, সরকারের একজন সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তের অংশ হিসেবে ৭২ বছর বয়সি এই ব্যক্তিকে অসদাচরণের সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    জানুয়ারির শেষে মার্কিন বিচার বিভাগ দ্বারা প্রকাশিত ই-মেইলগুলোর মাধ্যমে জানা যায়, ম্যান্ডেলসন ও এপস্টেইনের মধ্যে ছিল অতি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন এর সরকারে থাকা অবস্থায়, এপস্টেইনের সঙ্গে তথ্যের আদান-প্রদান করেছিলেন তিনি।

    চলতি মাসের মধ্যে, তিনি স্টারমার লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন এবং পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের সদস্যপদ ছেড়ে দেন। অতীতে এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের জন্য তিনি গভীরভাবে অনুতপ্ত বলে মন্তব্য করেছিলেন। তবে, এপস্টেইনের ফাইলসের সর্বশেষ কিস্তিতে প্রকাশিত তথ্য নিয়ে তিনি এখনো প্রকাশ্যে কোন কথা বলেননি।

    এদিকে, গত সপ্তাহে রাজা দ্বিতীয় চার্লসের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুককে এপস্টেইনের সঙ্গে গোপন নথি পাঠানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়, যা আরও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • মসজিদে আগুন দিলো ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা পালিয়ে গেল

    মসজিদে আগুন দিলো ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা পালিয়ে গেল

    অধিকৃত পশ্চিম তীরে পবিত্র রমজান মাসের অশান্তির মধ্যেই একটি মসজিদে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে উগ্রপন্থী ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা। ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান সহিংসতা ও দমন-পীড়নের ধারাবাহিকতায়, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটে।

    ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার বরাতে জানা গেছে, পশ্চিম তীরের নাবলুসের কাছাকাছি সররা ও তাল শহরের মাঝে অবস্থিত ‘আবু বকর আস-সিদ্দিক’ মসজিদে এ হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা মসজিদের দেয়ালে মহানবী (সাঃ)-কে অবমাননা করে বর্ণবাদী স্লোগান লিখে দেয়।

    সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, ফজরের নামাজের জন্য মুসল্লিরা যখন মসজিদে আসেন, তখন তারা প্রবেশপথে ধোঁয়া ও আগুনের আলামত দেখতে পান। মসজিদটির প্রবেশদ্বারের কাঁচ ভাঙা এবং পোড়া দাগ দেখা যায়।

    পাশের বাসিন্দা মুনির রামদান জানালেন, ‘আমি দরজা খুলতেই দেখলাম সব কিছু অগ্নিগর্ভ। সেখানে আগুন জ্বলছে এবং জানালার কাঁচ ভাঙা ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, দুইজন ব্যক্তি পেট্রোল ও স্প্রে পেইন্ট নিয়ে মসজিদে যাওয়ার পথে ছিল এবং কয়েক মিনিট পরে পালিয়ে যায়।’

    হামলাকারীরা দেয়ালে ‘প্রতিশোধ’ ও ‘প্রাইস ট্যাগ’ শব্দগুলো লিখে গেছে। প্রাইস ট্যাগ শব্দটি সাধারণত কট্টরপন্থী ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি ও তাদের সম্পত্তির ওপর হামলার সময় ব্যবহার করে থাকেন। স্থানীয় বাসিন্দা সালেম ইশতায়েহ বলছেন, ‘তারা আমাদের ধর্মবিশ্বাস ও ইসলামের ওপর আঘাত দিয়ে উসকানি দিতে চাইছে, বিশেষ করে রমজানের এই পবিত্র সময়ে।’

    ফিলিস্তিনি সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত বছর পশ্চিম তীরে অন্তত ৪৫টি মসজিদে হামলা চালানো হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিম তীরেও সহিংসতা বেড়েছে। জাতিসংঘের সর্বশেষ রিপোর্ট বলছে, এই সময়ে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনা ও বসতিস্থাপনকারীদের হাতে কমপক্ষে ১,০৯৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

    জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল এক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলেছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের এই পদ্ধতিগত বলপ্রয়োগ ও ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করার নীতি ‘জাতিগত নিধন’ এবং ‘যুদ্ধাপরাধ’ এর পর্যায়ে পড়ে।

    ইসরায়েলি সেনা ও পুলিশ জানিয়েছে, তারা এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং সন্দেহভাজনদের খুঁজছে। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে ভিন্ন কথা। ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা ‘বি-তসেলেম’ অভিযোগ করে জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূমি দখলের অংশ হিসেবেই ইসরায়েলি সার্বভৌমত্বের মধ্যে এই ধরনের সহিংসতায় উসকানি দিচ্ছে। জাতিসংঘও আগের রিপোর্টে জানিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই এই হামলার সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী জড়িত।

  • কারাগার থেকে হাসপাতালেও ইমরান খান

    কারাগার থেকে হাসপাতালেও ইমরান খান

    পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার চোখের চিকিৎসার দ্বিতীয় ধাপ সফলভাবে শেষ করেছেন। মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি), তিনি ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস)-এ পৌঁছে সেখানে তার চোখের উন্নত চিকিৎসা চালানো হয়। এই সফরে তাকে অ্যান্টি-ভিইজিএফ ইনট্রাভিট্রিয়াল ইনজেকশনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়।

    পিআইএমএসের নির্বাহী পরিচালক ডা. ইমরান সিকান্দার জানান, ৭৪ বছর বয়সী এই ব্যক্তিকে মূলত সেন্ট্রাল জেল আদিয়ালা থেকে পুনরায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়। প্রক্রিয়ার সবাই দৃঢ়ভাবে অনুশীলনে রক্ষিত হয়, যা তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকাকালীন সম্পন্ন হয়। প্রথম ডোজের পর তার দৃষ্টিশক্তি উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসকরা নিশ্চিত করে দ্বিতীয় ডোজ নির্ধারিত সময়ে প্রদান করেন। তারা আরও জানিয়েছেন, এতে তার দৃষ্টিশক্তির আরও উন্নতি হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আনুষ্ঠানিক প্রথম ইনজেকশনটি ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি রাতের দিকে একই অপারেশন থিয়েটারে দেওয়া হয়েছিল। এক মাসের ব্যবধানের পরে, আজ দ্বিতীয় ডোজটি সম্পন্ন হয়েছে।

    চিকিৎসা প্রক্রিয়ার সময় মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে আল-শিফা আই ট্রাস্ট হাসপাতালের কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ আরিফ ও ভিট্রিও-রেটিনাল সার্জন ডা. নাদিম কুরেশি ইনজেকশনটি পেশ করেন। সবচেয়ে কঠোর মান অনুসরণ করে এটি ডে-কেয়ার ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়, যেখানে প্রক্রিয়া শুরু করার আগে রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

    একজন কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্ট তার ইসিজি ও ইকোকার্ডিওগ্রাফি করেন, যার ফলাফল স্বাভাবিক আসে। পাশাপাশি একজন ফিজিশিয়ানও তাকে পরীক্ষা করেন। এরপর তাকে ক্লিনিক্যালি স্থিতিশীল এবং চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করা হয়। একটি সফল ও নিরাপদ মেডিকেল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইমরান খান আবার তার চোখের উন্নতির পথে এগোচ্ছেন।

  • ইরানে বিরোধী বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা

    ইরানে বিরোধী বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা

    ইরানে গত জানুয়ারির সরকার বিরোধী বিক্ষোভ ও সহিংসতায় জড়িত এক নাগরিকের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। তেহরানের একটি বিপ্লবী আদালত মঙ্গলবার এই রায় কার্যকরে ঘোষণা করে। যদি এই রায় বহাল থাকে, তবে এটি হবে জানুয়ারির গণবিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রথম মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা। এই তথ্যের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংযোগ রয়েছে, কারণ ওই ব্যক্তির পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এক সূত্র জানিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের মাধ্যমে জানা যায়, ইরানের বিচার বিভাগ এখনো এই রায় ঘোষণা করেনি এবং দেশের শীর্ষ আদালতও এটির অনুমোদন দেয়নি। সূত্রের মতে, অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি মেহম্মদ আব্বাসির বিরুদ্ধে একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত। তবে আব্বাসির পরিবারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, ইরানে সাআপ্রতিক সরকার বিরোধী বিক্ষোভে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী দমন-পীڑন চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই অভিযানে হাজার হাজার মানুষ জীবন হারিয়েছেন। ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর এই জানুয়ারির বিক্ষোভই ছিলো এ যাবতকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতা বলে ধারণা করা হয়। বিক্ষোভের সময়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, যদি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে জবাবদিহি করা হয়, তাহলে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিতে পারেন। ওই সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মোহাম্মদ আব্বাসির মেয়ে ফাতেমেহ আব্বাসিকেও ২৫ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে, অভিযুক্তরা নিজেদের পছন্দের আইনজীবীর কাছে যাওয়ার সুযোগ পাননি, বরং রাষ্ট্রীয় আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।স্থায়ীভাবে, এই তথ্যসমূহ রয়টার্স থেকে আনা হয়েছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর প্রস্তুতি

    যুক্তরাষ্ট্রের এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর প্রস্তুতি

    মধ্যপ্রাচ্যের দিকে নতুন করে যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, কয়েকদিন ধরেই যুক্তরাজ্যের একটি ঘাঁটিতে অবস্থানরত এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমানগুলো আজ মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের দিকে উড়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই ফ্লাইটের ট্র্যাকিং তথ্য দেখাচ্ছে যে, রয়্যাল এয়ারফোর্সের লেকেনহেথ ঘাঁটি থেকে এফ-২২ বিমানগুলো উড্ডয়ন করছে, সঙ্গে আছে কেসি-৪৬ রিফুয়েলার বিমান, যা যুদ্ধ বিমানের জ্বালানি সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়। গত সপ্তাহে এই বিমানগুলো লেকেনহেথে পৌঁছায় এবং সেখানে কিছু দিন অবস্থান করে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, জ্বালানি খরচ ও প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য এই বিমানগুলোকে পরে অন্যত্র পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী, যুদ্ধজাহাজ এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে বিশাল বাহিনী জড়ো করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক এফ-৩৫, এফ-২২, এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। বিমান ট্র্যাকিং দল জানিয়েছে, মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে এই যুদ্ধবিমানগুলো আসছিল এবং জ্বালানি ট্যাংকারসহ বিভিন্ন কার্গো বিমানও এই অঞ্চলে উড়ে গেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ রণতরী, ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড, গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের সুদা বে নৌঘাঁটিতে এসে পৌঁছেছে। এই যুদ্ধজাহাজ বর্তমানে ইরান থেকে মাত্র আড়াই হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। গত কয়েক দিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়তে থাকায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরান শর্ত মানলে পরিস্থিতি শান্ত হবে; অন্যথায়, তাদের পরমাণু কর্মসূচি বাতিল, মিসাইলের রেঞ্জ কমানো ও হিজবুল্লাহ বা হামাসের মতো proxy বাহিনীকে সহায়তা বন্ধ করার শর্ত জুড়ে দিয়েছে। ট্রাম্প বহুবার হুমকি দিয়েছেন, ইরান না মানলে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে একটি রণতরীসহ বিশাল সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করেছে, যেখানে যোগ দিচ্ছে ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। এই পরিস্থিতিকে উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

  • খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর যোগদান

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর যোগদান

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও দুই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে তিনি এই পদে যোগদান পত্র তুলে দেন। একই সময়ে দেশের অন্যান্য পাঁচ নগরীর প্রশাসক ও যোগদান পত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

    যোগদান শেষে সাংবাদিকদের কাছে মন্তব্য করে নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে গণতান্ত্রিক সরকারের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়েছে, যা তিনি অত্যন্ত স্বস্তির ও ইতিবাচক খবর হিসেবে দেখছেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা অকার্যকর ছিল এবং দলীয় স্বার্থে নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াকাঠি চলত। এখন থেকে জনগণের স্বার্থে সত্যিকার অর্থে ষড়যন্ত্র মুক্ত ও স্বচ্ছ নির্বাচন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

    মঞ্জু আরও বলেন, জনগণের মৌলিক সেবাগুলো নিশ্চিত করতে না পারাটা একটি বড় ক্ষতি ছিল। নতুন সরকার আসার পরে এই খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনা যায়। তিনি জানান, নিজেকে দায়িত্বশীল হিসেবে মানিয়ে নিতে শুধুমাত্র নগরীর উন্নয়নে কাজ করবেন না, বরং জনগণের প্রত্যাশা ও চাহিদাগুলো সরকারের নজরে আনবেন এবং সহযোগিতা নিয়ে সেই সব সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট হবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, জনগণের অধিকার এবং নাগরিক সুবিধার ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া, মশা নিধন, মোছা সমস্যাসহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ জোরদার করতে তিনি একাদিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু এই দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও দলের প্রধান তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, খুলনাবাসীর উন্নয়নের জন্য সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবেন। সকল সুখ-দুঃখে তারা তাদের পাশে থাকবেন এবং খুলনাকে মাদকমুক্ত ও দখলমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাবেন।

  • কালীগঞ্জে মোটরসাইকেলের সিটের ভেতর বিষধর সাপ উদ্ধার

    কালীগঞ্জে মোটরসাইকেলের সিটের ভেতর বিষধর সাপ উদ্ধার

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে একটি মোটরসাইকেলের সিটের ভেতর থেকে বিষধর একটি সাপ উদ্ধার করেছেন বন বিভাগ। ঘটনাটি ঘটে ২৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে কালীগঞ্জের মেইন বাসস্ট্যান্ডের পাশে মনসুর প্লাজা সংলগ্ন এলাকায়। প্রথম মুহূর্তে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হলেও বন বিভাগের দ্রুত প্রশিক্ষিত ও কার্যকর উপস্থিতির ফলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঈদ বাজারের জন্য কেনাকাটার সময় একজন ব্যক্তি তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি মার্কেটের সামনে পার্কিং করেন। কিছুক্ষণ পরে আশপাশের পথচারীরা লক্ষ্য করেন, সিটের ভেতর থেকে একটি বিষধর সাপ মাথা বের করে দেখাচ্ছে। বিষয়টি বুঝে তারা দ্রুত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং আশেপাশের মানুষকে সতর্ক করেন। ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে জনসমাগম বাড়তে থাকে।

    লোকজনের অনেকেরই ধারণা, সাপটি মোটরসাইকেলের সিটের ভিতরই আশ্রয় নেয়া। মাঝেমধ্যেই তার মাথা দেখা যাচ্ছিল, যা দেখে উপস্থিত সবাই খুবই আতঙ্কিত হন। পরে, মোটরসাইকেল মালিক বন বিভাগের জরুরি খবর দেন।

    খবর পেয়ে বন বিভাগের ট্রেইনার আদনান মীম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করে মোটরসাইকেলের সিট খুলে সাপটিকে শনাক্ত করেন এবং খুবই দক্ষতার সঙ্গে তাকে উদ্ধার করেন। ধারণা করা হয়, উদ্ধারকৃত সাপটি বিষধর।

    আনন্দদায়ক খবর হলো, আদনান মীম ও তাদের দলের তৎপরতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। তিনি জানান, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ নিজেদের সাপ ধরা বা হাতের কাছে থাকা কোনও কিছু দিয়ে সাপ ধরানোর চেষ্টা না করে, অবিলম্বে পেশাদার বন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষিত ব্যক্তিদের খবর দেওয়া উচিত। এভাবে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

    উদ্ধারকৃত সাপ পরে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরে নিয়ে যায়।

    অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা বলছেন, এত বড় ও জনবহুল এলাকায় এই ধরনের ঘটনা খুবই বিরল। তারা বন বিভাগের দ্রুত ও পেশাদারী পদক্ষেপের জন্য প্রশংসা করে।

    সম্পূর্ণ ঘটনাটি আশপাশে অল্প সময়ের জন্য আতঙ্ক এবং কৌতূহলের সৃষ্টি করলেও, বন বিভাগের দ্রুত উপস্থিতি ও কার্যকর পদক্ষেপের ফলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসে।

  • গোপালগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে দুই স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

    গোপালগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে দুই স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

    গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে দুই তরুণ স্কুল ছাত্রের প্রাণ হারানোর ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের উপজেলার রিশাতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন, মুকসুদপুর পৌরসভার দক্ষিণ চন্ডিবরদী এলাকার জাহিদ শেখের ছেলে ও সরকারি এস জে উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র রাফসান রাফি, এবং টেংরাখোলা গ্রামের শিশির মজুমদারের ছেলে ও একই ক্লাসের শিক্ষার্থী অনুজ কর্মকার। দুর্ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাকের সাথে সংঘর্ষের পর মোটরসাইকেলটি সড়কের উপর ছিটকে পড়ে and পড়ে। এতে দুই আরোহী আহত হয়। অন্যদিকে, ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা খায়। স্থানীয়রা আহত দুজনকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাঁদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসকরা রাফসান রাফিকে মৃত ঘোষণা করেন ও অনুজকে ঢাকা নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন। মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, ঢাকা যাওয়ার পথে দুজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তারা দুজনের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করছে পুলিশ। ঘটনাটি হাইওয়েতে ঘটায় ভাঙ্গা হাইওয়ে থানাকে অবহিত করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হলে মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

  • সুন্দরবনে দস্যু আতঙ্কে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু

    সুন্দরবনে দস্যু আতঙ্কে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু

    সুন্দরবনে বনদস্যুদের তাণ্ডব, অপহরণ ও মারধরের ঘটনার কারণে সাধারণ জেলেদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহে অন্তত ৫০ জন জেলে অপহৃত হওয়ার ঘটনায় অনেক জেলেই এখন সাগর ও নদীতে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে জিম্মি জেলেদের রক্ষা ও দস্যু দমনের জন্য সুন্দরবনে বৃহৎ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে যৌথ বাহিনীর বিশেষ কম্বিং অপারেশন।

    কোস্ট গার্ড ও জেলে মহাজনরা জানিয়েছেন, বনদস্যুপত্রনেএবং অপহরণের ঘটনাগুলো সাধারণ জেলেদের জীবনে চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করেছে। দস্যুদের দ্বারা অপহরণ, মারধর, এবং মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে, যা না দিতে পারায় অনেক জেলেকে নৈরাশ্যকর নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। এই আতঙ্কে দুবলার চরসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার ট্রলার ও নৌকা বর্তমানে তীরে বন্ধ অবস্থায় রয়েছে।

    সুন্দরবনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই দ্ববলা, হারবাড়িয়া, কোকিলমনি, নন্দবারা ও জোংড়াসহ বিভিন্ন গহীন খালে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালানো হয়। এই বিশেষ কম্বিং অপারেশনে র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশ একযোগে অংশ নিয়েছেন।

    দিনভর বনের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হলেও এখনো পর্যন্ত অপহৃত জেলেকে উদ্ধার বা দস্যুদের আটক করতে সক্ষম হয়নি। তবে বাহিনী জানিয়েছেন, জেলেদের উদ্ধার ও সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত না করা পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাগরে মাছ ধরা শেষ মৌসুমে দস্যু আতঙ্কের কারণে জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন, যার ফলে কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা উঠেছে। উপকূলীয় এলাকাগুলো এখন উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। জেলেরা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।

  • বাগেরহাটে জমি বিরোধে মারামারিতে একজন নিহত

    বাগেরহাটে জমি বিরোধে মারামারিতে একজন নিহত

    বাগেরহাটে জমি সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধের জের ধরে ভাইয়ের ছেলেদের সাথে মারামারির ঘটনায় মোঃ ইদ্রিস আলী Sheekh (৫০) প্রাণ হারিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    এ ঘটনার আগের দিন সকালে, একই এলাকার কালিপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে ইদ্রিস ও তার ভাই সিদ্দিকের ছেলেদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে ইদ্রিসসহ তার ছেলে এমরান, মামুন, শামীম এবং এনামুল গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় ইদ্রিসকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত ইদ্রিস আলী কালিপুর গ্রামের হাশেম আলীর ছেলে।

    স্থানীয়রা জানান, সকালে বিরোধপূর্ণ জমির উপর নির্মাণের জন্য সিদ্দিকের ছেলে আলী শেখ, নিজাম শেখ, নাজিমউদ্দীন শেখ ও রুবেল শেখসহ কয়েকজন যায়। সেখানে বাঁধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ঘর নির্মাণের চেষ্টা রুখতে গেলে উভয় পক্ষের মাঝে মারামারি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এই ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত হন।

    বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাসুম খান বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এই মারামারিতে মোঃ ইদ্রিস আলী গুরুতর আহত হন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখনো কেউ কোন অভিযোগ করেননি, তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হামলাকারীদের শনাক্ত ও আটক করতে পুলিশ অভিযানে নেমেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।