Author: bangladiganta

  • ওয়াইসির অদ্ভুত দাবি: আপনার বোনকে আগে বাংলাদেশে পাঠান, মোদিকে বলে দিন

    ওয়াইসির অদ্ভুত দাবি: আপনার বোনকে আগে বাংলাদেশে পাঠান, মোদিকে বলে দিন

    ভারতে শরণ নেওয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া মজলিশে ইত্তেহাদুল মুসলেমিনের সভাপতি ও কংগ্রেস দলের সংসদ সদস্য আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। এ মন্তব্য তিনি সম্প্রতি একটি জনসভায় প্রকাশ করেন।

    ইকোনমিক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াইসি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বোন যে বর্তমানে দিল্লিতে বসে আছেন, তাকে প্রথমে বাংলাদেশে পাঠানো উচিত। তিনি আরও বলেন, মহারাষ্ট্র ও মুম্বাইয়ের জনগণের কাছ থেকে শুনেছি, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বলাহচ্ছেন। তাহলে মোদির বোনকে প্রথমে বাংলাদেশে ফিরে যেতে হবে।

    ওয়াইসির এই বক্তব্যের সময় উপস্থিত জনতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। তিনি জনতাকে স্লোগান দিতে উৎসাহিত করলে তারা খুশির সঙ্গে সাড়া দেয়। এরপর ওয়াইসি মোদিকে উদ্দেশ করে বলেন, শুনুন, এই অস্ত্রের আওয়াজ শুনছেন? তাঁকে সেখানে থেকে বের করে দিন, বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিন।

    এর আগে, ওয়াইসি শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ার জন্য সমালোচনা করেছিলেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে বিহারের পূর্ণিয়ায় এক নির্বাচনী সমাবেশে মোদি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ও বিজেপি সরকার বিহারে বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে। এর জবাবে ওয়াইসি বলেন, বিহারে কোনো বাংলাদেশি অবশিষ্ট নেই, বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা where যেখানে তাঁর দল আগের নির্বাচনে ভালো ফল করেছে।

    ওয়াইসি মন্তব্য করেন, মোদিজি দাবি করলেন যে, বিহারে বাংলাদেশের অনেক মানুষ রয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেখানে বা সীমান্তের কাছাকাছি কোনও বাংলাদেশি নেই। বরং দিল্লিতে বসে আছেন একজন বাংলাদেশি, যাকে সীমান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশে পাঠানো হলে ওই লোকটি সেখান থেকে বাংলাদেশে পৌঁছে যাবে।

    এ ধরনের বক্তব্যে স্পষ্ট মনে হচ্ছে, ওয়াইসি মূলত শেখ হাসিনাকেই টেক্কা দিতে চাচ্ছেন। ২০২৪ সালের আসন্ন নির্বাচন যত সামনে আসছে, তার আগেই জনমনে প্রশ্ন উঠছে, শেখ হাসিনা নিজ দেশে থাকা দেশের নেতাদের সঙ্গে কি এই ধরনের অদ্ভুত দাবির জবাব দেবেন। এর মধ্যে, শেখ হাসিনা ২০২৩ সালের আগস্টে ক্ষমতা ছাড়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন এবং দিল্লিতেই রয়েছেন।

  • মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও কিউবা কে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

    মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও কিউবা কে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

    অবমানবিক আচরণ ও আক্রমণ বন্ধ না করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না—এমন সতর্কবার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করে দেশকে দখলের চেষ্টা শেষে, এবার তিনি মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও কিউবার প্রতি হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। ট্রাম্প ছাড়ছেন না, এই তিন দেশের জন্য সতর্কতা প্রকাশ করে বলেছেন যে, ভেনেজুয়েলার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে তাদের দেশগুলোতে যদি পরিস্থিতি উত্তরণ না ঘটে। মাদক চোরাকারবারি ও সন্ত্রাস মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় যে কোনো পদক্ষেপ নিতে তিনি প্রস্তুত, এবং এই ক্ষেত্রে কাউকেই তার নীতি থেকে বিচ্যুত করতে দেবেন না। বেশ কয়েকটি বিশ্ব শক্তি যেমন চীন, রাশিয়া ও ইরান, ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। বেইজিং উল্লেখ করে, মার্কিন এই অভিযানে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং এতে ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বাড়বে। একই সঙ্গে, রাশিয়া ও ইরানও এই সামরিক পদক্ষেপটিকে অজনপ্রিয় ও বৈধতার বিরুদ্ধে বলে নিন্দা জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক দিকে মাদুরোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পর, অন্য দিকে মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও কিউবার প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতেও তিনি পিছপা হবেন না। তিনি বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে আমেরিকা প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হবে এবং কেউ তার শক্তিকে ঠেকাতে সক্ষম হবে না। ট্রাম্পের শাসনামলে বিশেষ করে মেক্সিকো ও আমেরিকার সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছে। শরণার্থী অনুপ্রবেশ ও শুল্কনীতি নিয়ে চলমান বিরোধের পাশাপাশি, মেক্সিকোকে নানা হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প বারবার সতর্ক করে বলেছেন, মেক্সিকো যদি শরণার্থী ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে তার ফল ভুগতে হবে। এই পরিস্থিতিতে, ট্রাম্প মেক্সিকো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ও সংঘর্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি, কলম্বিয়াকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন যে, তাদের মাদক তৈরির কারখানাগুলি মার্কিন শত্রুদের জন্য ভয়ঙ্কর বিপদ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, কলম্বিয়ায় মাদক উৎপাদন করছে পেত্রো এবং তার কারখানাগুলি অত্যন্ত সক্রিয়। তাঁর ভাষায়, এই মাদক চোরাচালান আমেরিকার অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতেই হবে। এরইমধ্যে ভেনেজুয়েলার ঘটনার ফাঁকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিউবার জন্যও সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি কিউবার নেতৃস্থানীয় ব্যর্থ শাসক মিগুয়েল দিয়াজু-কানেলকে ‘ব্যর্থ’ বলে আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, কিউবার পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত খারাপ। রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ভেঙে পড়ার কারণে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ বেড়েছে। তিনি দাবি করেন, বহু বছর ধরে কিউবার মানুষ এই দুঃশাসনের কারণেই বিপদে রয়েছে এবং তাদের মুক্তির জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন অভিযান। রাজধানী করাকাসে একদিকে নিরবচ্ছিন্ন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা অবধি, অন্যদিকে বিভিন্ন প্রদেশে প্রচুর আঘাত হানে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই আঘাতের পিছনে আসল কারা তা শুরুতে স্পষ্ট ছিল না। তবে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে জানিয়ে দেন, ভেনেজুয়েলা ও তার নেতাকে বড় ধরনের সফল অভিযান চালানো হয়েছে। তা ছাড়া, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীর বন্দি করা হয়েছে। এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রে এসে দাঁড়িয়েছে ওভেহ, পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করছে।

  • ভয়ঙ্কর কারাগারে নিকোলাস মাদুরো, খোঁজ মিলছে না স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের

    ভয়ঙ্কর কারাগারে নিকোলাস মাদুরো, খোঁজ মিলছে না স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের

    Venezuelan leader Nicolás Maduro has been transferred to the Metropolitan Detention Center (MDC) in Brooklyn, New York. This facility has previously housed high-profile prisoners such as Ghislaine Maxwell and PDD officials.

    On Saturday morning, Maduro was taken to a military base in the United States. From there, he was first taken to the Drug Enforcement Administration (DEA) office in New York before being transferred by helicopter to the Brooklyn detention center. He faces charges of drug trafficking and arms smuggling, although Maduro has consistently denied any involvement in drug syndicates.

    According to court sources, Maduro and his wife, Silia Flores, are expected to appear before a New York court. However, the exact date of their court appearance has not yet been announced.

    It has been reported that until their appearance in Manhattan Federal Court next week regarding the drug and arms case at MDC, Maduro will remain in this detention center. The current status or location of Maduro’s wife, Silia Flores, remains unclear, with no specific information available.

    The MDC is known as New York City’s only federal prison and has a reputation for being extremely dangerous. It has been the subject of numerous complaints about unsanitary conditions, violence, and neglect by authorities.

    A video posted by the White House Rapid Response account shows drug enforcement officers leading the Venezuelan leader through a corridor. Earlier, former US President Donald Trump stated that Maduro and his wife were forcibly taken out of their residence by US forces.

  • মঞু: মরতে হলে দেশের মাটিতে, বাঁচতে হলে দেশের মাটিতে

    মঞু: মরতে হলে দেশের মাটিতে, বাঁচতে হলে দেশের মাটিতে

    বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের অবিসংবাদিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হারিয়ে দেশের জনগণ গভীর অভুক্তিতে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তখন বলেছেন, আমার দেশের বাইরে কোনো ঠিকানা নেই। মরতে হলে দেশের মাটিতে মরব, আর বাঁচতে হলে দেশের মাটিতে বাঁচব। দেশের মানুষের প্রতি অবিচল আনুগত্য এবং দেশের স্বার্থে তিনি কখনো দেশের বাইরে যাননি।

    গতকাল রোববার নগরীর মিয়াপাড়া পাইপের মোড়ে কায়েমিয়া জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পরে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন, যেখানে দেশের জন্য গৌরবজনক কৃতি ফুটবলার ও খুলনা জেলা ফুটবল দলের কোচ মোঃ দস্তগীর হোসেন নীরার নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন, যার সভাপতিত্ব করেন জনপ্রিয় নেতা হোসেন-আল-আহসান।

    বিএনপি, অঙ্গ সংগঠন ও বিভিন্ন বিশিষ্টজনের অংশগ্রহণে এই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু, যিনি খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এছাড়াও দোয়া পরিচালনা করেন হাজী মালেক জামে মসজিদের পেশ ইমাম আজিজুল ইসলাম আইয়ুবী। অন্য এক স্মরণ সমাবেশটি হয় আলিয়া উড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাঙ্গণে, যেখানে সভাপতিত্ব করেন শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল। সেখানে বক্তৃতা করেন মঞ্জু এবং দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল গফ্ফার।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, তারা হলেন আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, সাদিকুর রহমান সবুজ, ইকরামুল হক হেলাল, শেখ আকিরুল ইসলাম, আমির হোসেন বাচ্চু, শেখ জাহিদুল ইসলাম খোকন, শরিফুল ইসলাম বাবু, গোলাম মোস্তফা, রিয়াজুর রহমান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, নূরুল ইসলাম লিটন, মাসুদ খান বাদল, তরিকুল আলম তুষার, আবু দাউদ খান, সাখাওয়াত হোসেন, বজলুর রহমান আবু হানিফ, নজমুল হাসান নাসিম, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, ঢালী আব্দুর রউফ, নজরুল ইসলাম ঢালী, হুমায়ূদ হোসেন, কামরুল আলম, শেখ জাকির হোসেন, আবু তালেব, সেলিম বড় মিয়া, জাহান আলী, রোকেয়া ফারুক, মামুনুর রহমান, কামরুল আলম খোকন, মিজানুর রহমান, হারুন মোল্লা, মহিউদ্দিন, শেখ মোতাহার আলী, মোঃ মোহন, মোঃ রফিক, আসলাম মোল্লা, মুশফিকুর রহমান অভি, মাসুদ রুমি, শুকুর আলী, জাহিদুল ইসলাম, ইয়াকুব পাটোয়ারী, হাসুয়ানুজ্জামান, আমির হোসেন মেহেদী, ডাঃ মহিউদ্দিন, মামুনুর রহমান রাসেল, শামীম রেজা, নাজমুল ইসলাম নজু, ছিদ্দিকুর রহমান, মতিউর রহমান, আলাউদ্দিন, মাসুম হোসেন, মান্নান গাজী, ডাঃ শেখর, আজিজুল গাজী, দোলোয়ার হোসেন, আনোয়ারা বেগম, পারভেজ আহমেদ, আশিকুর রহমান, হানিফ জাহাঙ্গীর, শামীম রেজা, আশিকুর রহমান সেলিম, কাজী আমির, বেল্লাল হোসেন, সুলতান হাওলাদার, লুৎফর রহমান, বিনা আক্তার, জাহেদা খাতুন, হেলাল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, পারভেজ মোড়েল, সুমন হোসেন, শফিকুল ইসলাম, আজিজুল ইসলাম, জমসেদ আলী, লাভলী ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, মোঃ গালিব, আইনুল ইসলাম, শামীম শেখ, এজাজ মোল্লা, সোলাইমান হাওলাদার, হোসনে আরা চান্দনী, মোঃ মফিজ, শফি ঢালী প্রমুখ।

  • খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রামে অবিচল

    খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রামে অবিচল

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এবং ডায়াবেটিস সমিতি খুলনার আহ্বায়ক এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একনিষ্ঠভাবে সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি সময়ে দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা, জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দৃঢ় পদক্ষেপ লক্ষণীয়। রোববার বিকালে ডায়াবেটিক সমিতি খুলনার উদ্যোগে নগরীর ডায়াবেটিক সমিতির সভাকক্ষে আয়োজিত দোয়ায় তিনি এসব কথা বলেন, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

    শফিকুল আলম মনা আরও বলেছিলেন, একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলেও বেগম খালেদা জিয়া কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থকে প্রাধান্য দেননি। তিনি সর্বদাই রাষ্ট্রের স্বার্থ, সংবিধান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন। স্বৈরশাসন ও একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রাম দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়েছে। তিনি সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

    তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ, সাহস ও আদর্শ আমাদের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পথচলার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে আমাদের একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও ন্যায্য প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, ফেরদৌস আলম, ডাঃ মোস্তফা কামাল, কে এম হুমায়ুন কবির, মুজিবুর রহমান, বদরুল আনাম খান, শফিকুল ইসলাম শফি, সজীব তালুকদার, তছলিমা খাতুন ছন্দা, মনজুর হাসান অপু, জাহাঙ্গীর আলম, কাজী সান্টু, জিয়াউর রহমান জিয়া, ডাঃ আক্তারুজ্জামান, ডাঃ এম বি জামান, ডাঃ মেহেদী হাসান, ডাঃ নাজমুল সাদাত, ডাঃ সালাউদ্দিন আহমেদ, ডাঃ জগবন্ধু দাস, ডাঃ ফাওমিদা সুলতানা, ডাঃ এফ এম মনিরুজ্জামান, ডাঃ শাবমাজ সরোয়ার, ডাঃ নাকিব উদ্দিন, ডাঃ আবিদাতুস সুমাইয়া, মোঃ নুরুজ্জামান শেখ, মোঃ আমিরুল ইসলাম, মোঃ আরিফ, রাব্বি, আপন ও আব্দুল্লাহ আল মুজাহিদসহ ডায়াবেটিক হসপিটালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অনুষ্ঠান শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

  • চিতলমারীতে সার বরাদ্দে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, আবেদন-নিবেদন উপেক্ষিত

    চিতলমারীতে সার বরাদ্দে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, আবেদন-নিবেদন উপেক্ষিত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ডিলার ভিত্তিক নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দে ব্যাপক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। জানুয়ারী মাসে এক বিসিআইসি সার ডিলারকে ৯৯ মেট্রিক টন নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দ দেওয়া হলেও একই সময় বিএডিসি সার ডিলারকে শুধুমাত্র ২০ মেট্রিকটন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অসম সার বরাদ্দ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, যা কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এই বৈষম্য দূর করতে উপজেলা কৃষি বিভাগে বারবার আবেদন ও প্রতিবেদন দিয়েছেন চিতলমারীর একমাত্র বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার ফেরদাউস শেখ, তবে কোনো ফল পাননি।

    সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে ফেরদাউস শেখ জানান, তিনি উপজেলার একমাত্র বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার হিসেবে দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তাদের ব্যবসা চিতলমারী উপজেলা সদর বাজারে মেসার্স শেখ ব্রাদার্স নামে। তিনি বলেন, কৃষি, মাছ ও ফসল উৎপাদনের জন্য রাসায়নিক সারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু উপজেলা কৃষি অফিসের বরাদ্দের সময় পক্ষপাতিত্বের কারণে তিনি প্রয়োজনীয় সার সরবরাহে বাধা পাচ্ছেন। আশেপাশের জেলা ও উপজেলার মধ্যে বিএডিসি ও বিসিআইসি ডিলাদের মাঝে সমানভাবে সার বিতরণ হলে তার সমস্যা এতটা হতো না।

    তবে একমাত্র বিসিআইসি সার ডিলারকে ৯৯ মেট্রিকটন দেওয়া হলেও নিজের বরাদ্দ মাত্র ২০ মেট্রিকটন। এভাবে মাসের পর মাস সার বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি। এতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেন, বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করার পরেও কোন ফল পাওয়া যায়নি।

    এ প্রসঙ্গে চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব মোঃ সিফাত-আল-মারুফ বলেন, “এ উপজেলায় সাত জন বিসিআইসি ও এক জন বিএডিসি সার ডিলার রয়েছেন। বিএডিসি সার ডিলারকে বেশি বরাদ্দ দিলে কিছু বিসিআইসি সার ডিলার ক্ষিপ্ত হন। আমি অন্য জেলার বণ্টনের বিষয় সম্পর্কে বিশেষ করে জানি না।”

  • সুন্দরবনে ডাকাতের হাতে জিম্মি পর্যটকরা উদ্ধার, আটক ৫

    সুন্দরবনে ডাকাতের হাতে জিম্মি পর্যটকরা উদ্ধার, আটক ৫

    সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে নৌবাহিনী, পুলিশ এবং র‌্যাবের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত দলের হাত থেকে জিম্মি থাকা পর্যটক ও রিসোর্ট মালিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ঘটনা শুরু হয় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার সময়, যখন গোলকানন রিসোর্ট থেকে কাঠের বোটযোগে ভ্রমণে বের হয়েছিল পাঁচ পর্যটক, এক মাঝি ও রিসোর্টের মালিক। চারটি ডাকাত দল, যার নেতৃত্বে মাসুম মৃধা, এই পর্যটক, মাঝি ও রিসোর্ট মালিককে ধরে নিয়ে জিম্মি করে। ডাকাত দলের মনোভাব ছিল মুক্তিপণ দাবির। তারা তিন পর্যটক ও মাঝিকে ছেড়ে দিলেও, দুই পর্যটক এবং রিসোর্টের মালিককে সুন্দরবনের অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় এবং এ ব্যাপারে মুক্তিপণ চায়। পরে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার দিকে গুরুত্ব দিয়ে কোস্টগার্ডকে জানায়।

    প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান শুরু হয়। এরই মধ্যে, গত ৩ জানুয়ারি, ডাকাত মাসুমের সহযোগী কুদ্দুস হাওলাদার (৪৩), সালাম বক্স (২৪) ও মেহেদী হাসান (১৯) সুন্দরবনের গোলকানন রিসোর্ট সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক করা হয়। আরও পরে, রোববার (৪ জানুয়ারি), কৈলাশগঞ্জ এলাকা থেকে অন্যান্য সহযোগী আলম মাতব্বরকে (৩৮) গ্রেফতার করা হয়। একই দিন, রূপসা থানাধীন পালেরহাট এলাকা থেকে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে উদ্ধার করে বিকাশের মাধ্যমে মুক্তিপণ হিসেবে সংগৃহীত ৮১,৪০০ টাকা নগদসহ ডাকাত মাসুমের মা, জয়নবী বিবি (৫৫), এবং ব্যবসায়ী অয়ন কুন্ডুকে (৩০) আটক করা হয়।

    সন্ধ্যায়, ড্রোন সার্ভিলেন্সের মাধ্যমে সুন্দরবনের গাজী ফিশারিজ সংলগ্ন এলাকায় দুই পর্যটক ও রিসোর্টের মালিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে, প্রধান ডাকাত মাসুম মৃধার খোঁজে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, উদ্ধার করা বিকল্প পর্যটকদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর ও আটকদের থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে। ভবিষ্যতেও সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলে পর্যটক ও সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • বিএনপি ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়বে

    বিএনপি ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়বে

    বিএনপি সিলেবাসে উল্লেখিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুধু উন্নয়নই সম্ভব নয়, বরং তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ে তোলাই লক্ষ্য। এটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন প্রকৃত অর্থে এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন বিএনপি কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় খুলনার খালিশপুরের ১২নং ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও রুহের মাগফিরাত কামনায়। তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে বিএনপির কর্মসূচি ও কাজের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হলে ভোটাররা বিভ্রান্তি ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে চোখ খোলার জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি একথাও উল্লেখ করেন যে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল নানা মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে যেমন— নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যায়— যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইসলাম ধর্মে এমন কিছু বলতে নেই, এমন অপপ্রচার ও ভ্রান্ত ধারণার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। এফকোলে তিনি বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখন থেকেই নারী উন্নয়ন ও সামাজিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু খাদ্য উৎপাদনে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেননি, পাশাপাশি দেশের খাদ্য রপ্তানি সক্ষমতাও বাড়িয়ে তুলেছিলেন। শিক্ষার মান উন্নয়নে বিএনপি প্রথমে দেশে নকলমুক্ত পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিশুদের জন্য ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ মত প্রকল্প শুরু করেন। এছাড়া, সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযোজন, ইসলাম প্রচার-প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা ও আলেম সমাজের সম্মান রক্ষায় বিএনপি সবসময় সক্রিয় রয়েছে। দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী এবং সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল হোসেন। খালিশপুর থানার বিএনপি’র সভাপতি এড. মোহাম্মদ আলী বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুসসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষে, বিএনপি ও দেশের উন্নয়ন কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয় যাতে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও স্বাস্থ্যের জন্যও বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

  • টানা আট দফা বৃদ্ধির পরে সোনার দাম কমলো

    টানা আট দফা বৃদ্ধির পরে সোনার দাম কমলো

    দেশের বাজারে দীর্ঘ আট দফা মূল্যবৃদ্ধির পর বাংলাদেশ সরকার সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এখন থেকে ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার জন্য ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন এই দাম কার্যকর হবে আগামী মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) থেকে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য কমেছে। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দামে দেশের বাজারে বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম নিচের মতো নির্ধারিত হয়েছে: ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ উন্নান ১৯৫৬ ৫৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৩ টাকা।

    অতিরিক্তভাবে, বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকারি ধার্য ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২৮ ডিসেম্বর বাজুস সোনার দাম আবারো সমন্বয় করেছিল। তখন ভরিতে ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম। সেই সময়ে অন্যান্য ক্যারেটের দাম ছিল: ২১ ক্যারেট ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩১ টাকা।

    এ বছর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৯২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়িয়েছে ৬৪ বার, কমিয়েছে ২৮ বার। চলতি বছর ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার দাম সমন্বয় করা হয়, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে ও ২৭ বার কমেছে।

    বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকলেও, দাম কমেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৬৫ টাকায়। অন্যান্য ক্যারেটের দাম: ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৩ হাজার ৭৩২ টাকা।

    এ বছর এখন পর্যন্ত ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, এর মধ্যে ১০ বার বাড়ানো হয়েছে এবং ৩ বার দাম কমানো। গত বছর শুধুমাত্র ৩ বার রুপার দাম সমন্বয় হয়।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবার কমল

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবার কমল

    জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন সঞ্চয় পরিকল্পনার মুনাফার হার আবারও কমিয়ে আনছে সরকার। নতুন এই হার অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার হবে ১০.৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার হবে ৮.৭৪ শতাংশ। উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসেও মুনাফার হার হ্রাসের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা ১ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে। এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিনিয়োগের পরিমাণ অনুযায়ী মুনাফার হার পরিবর্তিত হচ্ছে। বিনিয়োগের পরিমাণ যত কম, ততই বেশি মুনাফার হার পাবেন বিনিয়োগকারীরা; আর বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হার কিছুটা কমে যাবে। বিনিয়োগের সীমা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই সীমার নিচে বা সমান পরিমাণ বিনিয়োগে মুনাফার হার বেশি হবে, আর এর বেশি হলে কমে যাবে।

    নতুন মুনাফার হার অনুযায়ী, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্রে চলতি নিয়মে ৫ বছরের মেয়াদ শেষে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১.৯৩ শতাংশ; এখন তা কমিয়ে ১০.৫৪ শতাংশ করা হয়েছে। একইভাবে, সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১.৮০ শতাংশ, সেটাও কমে ১০.৪১ শতাংশ হয়েছে।

    পেনশনধারী ব্যক্তিদের জন্য দেওয়া পেনশনার সঞ্চয়পত্রে, ৫ বছর পর বিনিয়োগের মুনাফা ছিল ১১.৯৮ শতাংশ; এখন তা ১০.৫৯ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে, যাদের ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে, তাদের জন্য মুনাফার হার এখন ১০.৪১ শতাংশ।

    বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের ৫ বছরের মেয়াদের জন্যও মুনাফার হার কমানো হয়েছে। সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে এই হার ছিল ১১.৮৩ শতাংশ, এখন তা ১০.৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে। এর পাশাপাশি, এই বিনিয়োগের জন্য আগের হার ছিল ১১.৮০ শতাংশ, এখন তা ১০.৪১ শতাংশে উন্নীত।

    তথাপि, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করলে আগের তুলনায় মুনাফার হার কমে গেছে। ওই সঞ্চয়পত্রে, সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের জন্য মুনাফার হার আগে ১১.৮২ শতাংশ ছিল, এখন তা ১০.৪৮ শতাংশ। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, আগে হার ছিল ১১.৭৭ শতাংশ, এখন কমে ১০.৪৩ শতাংশ হয়েছে।

    এছাড়াও, ১ জুলাই ২০২৫ এর আগে ইস্যু করা সব জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের জন্য, ইস্যুকালীন মেয়াদে তখনকার মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে। পুনর্বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, নতুন হার ওই তারিখের হারই কার্যকর থাকবে। তবে, ছয় মাস পর পর মুনাফার হার পুনর্নির্ধারিত হবে।