প্রখ্যাত পর্দার অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয়। তিনি তার ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো শেয়ার করেন, সঙ্গে কিছু পরিস্থিতি বা অনুভূতি প্রকাশ করেন। এবার তিনি এক পোস্টে অভিযোগ করেছেন, তাকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নানাভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। রোববার সকালে ফেসবুকে এক পোস্টে মেহজাবীন লিখেছেন, কিছুদিন ধরে তিনি লক্ষ্য করেছেন, এক বিশেষ মহল তাঁকে হয়রানি করছে। এর আগেও এক মিথ্যা মামলায় তার হয়রানি হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেছেন, যেখানে আদালত তার পক্ষের পক্ষে রায় দিয়েছে। তিনি বলেন, যখন তিনি নতুন করে কাজ শুরু করেছেন, তখনই তাকে মানহানি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতির জন্য তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা ছবি ও ভিডিওর কারণে অনেক শিল্পীই বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তিনি মনে করেন, নারীদেরই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি টার্গেটে থাকা হচ্ছে, তবে এর পেছনে কারা নেই, তা তিনি জানেন না। মেহজাবীন আরও বলছেন, তিনি শুধুমাত্র তার কাজের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে চান, এবং চান তার কাজগুলোই আলোচিত হোক। তিনি সকলের সমর্থন কামনা করেন। তার এই বক্তব্যের পর ভক্ত এবং সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে; কেউ তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, আবার কেউ এর তদন্তের দাবি তুলেছেন। উল্লেখ্য, কিছু মাস আগে তিনি পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার হিসেবে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে আইনি ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন, তবে আদালত থেকে তার মুক্তি মিলেছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে খবর আসে, ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার সময় মেহজাবীন ও তার স্বামী মদের বোতলসহ আটকা পড়েন। যদিও এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়নি। এই সব বিষয় তাকে ব্যক্তিগত মাঠে মানহানি করার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
Author: bangladiganta
-

রাশমিকা-মন্দানার বিয়ে সম্পন্ন, কোথায় হচ্ছে অনুষ্ঠান
দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও বিখ্যাত অভিনেতা বিজয় দেবারাকুন্ডার বিবাহের খবর অনেক দিন থেকেই আলোচনা চলছিল। অল্প কিছু মানুষ ছাড়া সাধারণ শরীরে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন তারা। অবশেষে, নিজেদের প্রাকৃতিক প্রেমের বন্ধনকে স্বীকার করে নিলেন এই জুটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, রাশমিকা ও বিজয় তাদের আসন্ন বিবাহের জন্য একটি বিশেষ নাম রাখছেন—‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’। ভক্তরা বহু বছর ধরেই তাদের এই অনুরূপ নাম ব্যবহার করে আসছিল, যা এই দুটি তারকার মধ্যকার সম্পর্কের প্রতি সম্মান হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি, রাজস্থানের ঐতিহ্যবাহী শহর উদয়পুরে এই বিবাহ অনুষ্ঠান বেশ ঘরোয়া পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
বিবাহের ঘোষণা দিতে এক আন্তরিক বার্তায় তারা লিখেছেন, “প্রিয় বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরা, আমাদের জন্য কিছু পরিকল্পনা করার আগে আপনি们 আমাদের জন্য একটি নাম দিয়েছেন—‘বিরোশ’। তাই আজ, আমাদের এই বিশেষ দিনটির জন্য আপনারা যে ভালোবাসা দেখাচ্ছেন, সেই ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে, এটি ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ হিসেবে ঘোষণা করছি। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি আমরা সবসময় আমাদের জীবনজুড়ে থাকবেন, এই বিশ্বাসে আমরা আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।”
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিয়ের পরে রাশমিকা ও বিজয় তার হায়দরাবাদ ও মুম্বাইয়ে দুটি আলাদা রিসেপশনের কথা পরিকল্পনা করেছেন, যেখানে তাদের কাছের মানুষেরা উপস্থিত থাকবেন।
-

কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি ভাইরাল
আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সিনেমা তারকা শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’। সিনেমাটির শুটিং নিয়ে বর্তমানে শাকিব খান কলকাতায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি কলকাতার বিভিন্ন স্থান—বৌবাজার, হাওড়া, আলিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এই ছবির দৃশ্যধারণ চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি কিছু ছবি প্রকাশ পেয়েছে যেখানে দেখা যায় শাকিব খানের নতুন লুকের উত্তেজনাপূর্ণ ফুটেজ। এসব ছবি ভারতীয় বাংলা গণমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে।
ছবিগুলোতে দেখা যায়, শাকিব খানের চরিত্র নব্বই দশকের বিখ্যাত গ্যাংস্টার ‘কালা জাহাঙ্গীর’এর মতো দৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে। অগোছালো চুল, ঘন দাড়ি-গোঁফ, বুক খোলা জ্যাকেটের নিচে শার্ট—সব কিছুর মধ্যে তিনি পুরোপুরি ভিন্ন এক রূপ ধারণ করেছেন। এই নতুন লুকে তিনি যেন এক কঠোর গ্যাংস্টারের চরিত্রে ফুটে উঠেছেন, যা পরিচালকের নির্দেশনায় নির্মিত হয়েছে। সিনেমাটিতে দেখানো হবে, সাধারণ মানুষের জীবনে ছোট থেকে বড় হয়ে দুর্ধর্ষ দস্যু হয়ে ওঠা ‘কালা জাহাঙ্গীরের’ জীবনযাত্রার গল্প।
আনন্দবাজারের খবর অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কলকাতার হাওড়ার শালিমারে একটি পুরোনো কারখানায় রাতভর এই ছবির অ্যাকশন ও মারপিটের দৃশ্যের শুটিং শুরু হয়। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি বৌবাজারের মাধো ভবনে সিনেমার দৃশ্যধারণ সম্পন্ন হয়, যেখানে শাকিব খানের বাইক চলাকালীন দৃশ্যের শুটিং চলছিল। এই দৃশ্যের সময় স্থানীয় কিছু মানুষের কৌতূহলও চোখে পড়ে। এই ধাপের কাজ শেষে পুরো ইউনিট এখন ভারতের হায়দরাবাদে গিয়ে শুটিং চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বলা হচ্ছে, এই সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ ও পশ্চিমবঙ্গের জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন বাংলাদেশের শরীফ সিরাজ, মাহমুদ, পাশাপাশি কলকাতার লোকনাথ দে, পিয়ন সরকার ও মৃত্যুঞ্জয় ভট্টাচার্য।
সিনেমাটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশের শুটিংয়ের জন্য বাংলোডের প্রখ্যাত সিনেমা নির্মাতা অমিত রায় ও শৈলেশ অবস্থী দায়িত্বে আছেন। জানা গেছে, শুটিং শুরুর এই প্রথম অংশে শ্রীলঙ্কায় শুটিং শেষ হওয়ার পরে দ্বিতীয় লটের কাজ চলছে। এই প্রজেক্টটি ‘ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস’ এর ব্যানারে শিলিন সুলতানা প্রযোজনায় নির্মিত, আর এটি চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির জন্য প্রস্তুত।
-

কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার
বিতর্কিত কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে আটকে রেখে হেনস্তাและ আপত্তিকর ছবি তৈরির চেষ্টার অভিযোগে তার গ্রেপ্তার হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকায় ডেমরা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
ডিএমপির ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন বলেন, নোবেলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে আটকে রাখার এবং তার সঙ্গে হেনস্তা করার অভিযোগে মামলা রয়েছে। এই মামলার আদালত থেকে ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পর, সেই ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো জানিয়েছেন, বর্তমানে নোবেল থানায় রয়েছেন এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
প্রথম দিকে জানা যায়, নোবেল একজন তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিজস্ব স্টুডিওতে একদিনের জন্য আটকে রাখেন। এ সময় জোরপূর্বক তার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তৈরির চেষ্টা করেন।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী তরুণী ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের জন্য আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে দায়িত্ব দেয়। ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিবিআই এর একজন এসআই নুরুজ্জামান তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে, আদালত ওই দিনই নোবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন। subsequently, ডেমরা থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয় তাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত আদালতের মাধ্যমে সোপর্দ করার।
-

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর আইনি ব্যবস্থা
অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সম্প্রতি বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তিনি জানান, সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ পোস্টে এই বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, তাকে জড়িয়ে যে মানহানিকর প্রচার চালানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে তিনি ইতোমধ্যে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন উল্লেখ করেন, সম্প্রতি যে ঘটনার উপর ভিত্তি করে তাকে অপপ্রচার চালানো হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি স্পষ্ট করেন, কখনোই বিমানবন্দরে তাকে থামানো হয়নি, তার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগ জব্দের কোনও ঘটনা ঘটেনি। এমনকি তার লাগেজে বা হ্যান্ডব্যাগে অবৈধ কোনও সামগ্রী পাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। ঘটনার সময়ে তিনি বিমানবন্দরে ছিলেন না এবং কোনো কর্মকর্তা তার কাছ থেকে কোনো জিজ্ঞাসাবাদ করেননি।
অভিনেত্রী প্রশ্ন করেন, নির্দিষ্ট কোনও ছবি, ভিডিও বা প্রমাণ রয়েছে কি, যেখানে দেখা যায় তার লাগেজ থেকে কিছু অবৈধ মালামাল জব্দ হয়েছে? তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব সাধারণ ও স্বাভাবিক ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। যেসব খবর ছড়ানো হয়েছে, তার মধ্যে একটিও প্রমাণ Present করেনি যে তার লাগেজে কোনও অবৈধ কিছু ছিল। এর পরিবর্তে, তার ছবি ব্যবহার করেই অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
মেহজাবীন আরো বলেন, এই ধরনের ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক এবং কারো জন্যই কাম্য নয়। তিনি আবারও স্পষ্ট করেন, তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অমূলক এবং এসব অপপ্রচার এবং দোষারোপের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই।
এর আগে রোববার সকালে তিনি নিজের পোস্টে জানান, কিছুদিন ধরে তিনি বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও হুমকির মুখোমুখি হচ্ছেন। উল্লেখ্য, তিন মাস আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন, তবে পরে আদালত থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে একটি সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার সময় বিমানবন্দরে তাকে ও তার স্বামীকে মদের বোতলসহ আটক করা হয়। তবে এই খবরের সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ের প্রেক্ষিতে, মেহজাবীন স্পষ্ট করে জানান, এই অভিযোগের কোনও সত্যতা নেই এবং তিনি এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবেন।
-

খুলনায় ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হলো ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের শুভ উদ্বোধন। রবিবার সকাল সাড়ে আটটায় খুলনা জেলার স্টেডিয়াম মাঠে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বাগেরহাট ও মেহেরপুর মুখোমুখি হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোঃ জুলফিকার আলী খান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যরা শাহ আসিফ হোসেন রিংকু, জাকির হোসেন রিপন, এম সাইফুল ইসলাম এবং শাহনাজ খাতুনসহ আরও অনেক প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ও সিনিয়র ডিভিশন ক্রিকেট লীগ কমিটির চেয়ারম্যান মোল্লা খায়রুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা একুশে প্রতিযোগিতার সফলতা কামনা করে বলেন, দেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন ও বিকাশে এই ধরনের আয়োজন অপরিহার্য। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই প্রতিযোগিতা তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করবে, ফলে বাংলাদেশের ক্রিকেট আরো সমৃদ্ধ হবে।
-

জিম্বাবুয়ে উপর দিয়ে গেলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ, রেকর্ড জয়
আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ছিলো জিম্বাবুয়ের দল। তারা জানতে পেরেছে যে, গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দলদের হারিয়ে সুপার এইটে উঠেছে। এই তরফ থেকে আত্মবিশ্বাসের কমতি ছিলো না। অন্যদিকে, তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজও পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলো। কারণ, গ্রুপ পর্বে তারা সকল ম্যাচই জিতেছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা ভেবেছিলো, গ্রুপের এই দুই অপরাজিত দলের মুখোমুখি লড়াই হবে খুবই জমজমাট। কিন্তু দেখা গেলো পুরো ম্যাচটাই একপেশে, যা প্রত্যাশার সম্পূর্ণ ব্যত্যয়। প্রথমে ব্যাটিং করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশাল সংগ্রহ দ্বার করলো, যার চাপ পড়ে জিম্বাবুয়ের ওপর। ২৫৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে মাত্র ১৪৭ রানে অলআউট হয়ে যায়, এবং সেখানেই শেষ হয়ে যায় তাদের আশা-ভরসা। ফলে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বড় ব্যবধানে ১০৭ রানে জয় পায়।
শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। দলীয় পঞ্চাশের আগেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। এরপর ডিওন মেয়ার্স ২৮ এবং সিকান্দার রাজা ২৭ রান করে দলের কিছুটা পরিস্থিতি রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে অন্যদিকে উইকেটের পতন থামছিলো না, এবং তাদের আর ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ ছিলো না। শেষ দিকে ব্র্যাড ইভান্স ২১ বলে ৪৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের সংগ্রহ ১৪৭ পর্যন্ত নিয়ে যান।
জিম্বাবুয়ের ইনিংসে বেশ ধস নামায় গুরাকেশ মোতি ও আকিল হোসাইন। দুজনেই তুলে নেন মোট ৭ উইকেট, যেখানে মোতির ২৮ রানে ৪ উইকেট, হোসাইনের ৩ উইকেট ২৭ রানে। পাশাপাশি, ম্যাথু ফোর্ড ২৭ রানে ২ উইকেট নেন, এবং জেসন হোল্ডার একটি উইকেট পান। এই ম্যাচে এই জুটি নিয়েই গ্রুপ ওয়ান সুপার এইটের এক ম্যাচে জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এবং আগের ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাও জয়ী হয়।
অধিনায়ক সিকান্দার রাজার সিদ্ধান্তে টস জিতে প্রথম বোলিং করার মাধ্যমে শুরু হয় ম্যাচের। রিচার্ড এনগারাভা শুরুতে ব্র্যান্ডন কিংকে আউট করেন, যিনি ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর শাই হোপ ও হেটমায়ার দলের ধাক্কা সামাল দেন। হোপ ১২ বলে ১৪ রান করে আউট হন, তার পরে হেটমায়ার ও পাওয়েল মিলে ১২২ রানের দারুণ জুটি গড়েন। এই জুটির সুবাদে বড় সংগ্রহের ভিত তৈরি হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের। হেটমায়ারকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙ্গেন গ্রায়েম ক্রেমার, যা হারানো সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে। তিনি ৭ ছক্কা ও ৭ চারে ৩৪ বলের ঝড়ো ইনিংস খেলে ৮৫ রান করেন। পাওয়েলও শেষ পর্যন্ত টিকে যান নয়, ৩৫ বলে ৫৯ রান করে আউট হন।
এরপর শেরফানে রাদারফোর্ড ১৩ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন, জেসন হোল্ডার ৪ বলে ১৩ রান করে আউট হন। ম্যাথিউ ফোর্ডও ১ বলে ১ রান করে অবিচ্ছিন্ন থাকেন। এই কার্যক্রমের মধ্যে, ক্যারিবীয় এই ক্রিকেটাররা তাদের ইনিংস বেশ সুন্দরভাবে পরিচালনা করে, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
-

বিসিবিতে নতুন গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান হিসেবে আসিফ আকবর নিযুক্ত
তবে, এখনো পর্যন্ত বিসিবি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। অন্যদিকে, নতুন পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর আসিফ আকবর বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের দায়িত্বও গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে, তিনি দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দিক নিয়েই কাজ করছেন। এই পরিবর্তনগুলো বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যত পরিকল্পনা এবং উন্নয়নের জন্য এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে দিচ্ছে।
-

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে
জুন-জুলাই Month of excitement for Bangladesh as they prepare to participate in the 10th Women’s T20 World Cup. Bangladesh secured their spot in the tournament by winning all seven matches in the qualifiers, making them undefeated and confident. This edition marks the first time that 12 teams compete in the Women’s T20 World Cup, divided into two groups, facing off in a total of 33 matches. The tournament kicks off on June 12 and runs for 24 days, culminating in the final at Lord’s Cricket Ground on July 5.
The International Cricket Council (ICC) announced the complete schedule for the Women’s T20 World Cup on Tuesday. Bangladesh is placed in Group A, where they will face strong opponents including the Netherlands, Australia, South Africa, India, and Pakistan. Group B features New Zealand, England, the West Indies, Sri Lanka, Ireland, and Scotland. The matches will be held across seven historic and modern venues: Lord’s in London, Old Trafford in Manchester, Headingley in Leeds, Edgbaston in Birmingham, Hampshire Bowl in Southampton, The Oval in London, and Bristol.
Bangladesh’s first match is scheduled for June 14 against the Netherlands at Edgbaston, starting at 10:30 AM. Following this, they will face India and Pakistan at the same venue. On June 17, they will play against Australia in Headingley. Three days later, they will face Pakistan at Hampshire Bowl. After a five-day break, Bangladesh will meet India at Old Trafford. Their final group match will be against South Africa at Lord’s on June 28. Since their participation in the tournament, Bangladesh has played 25 matches across six World Cups from 2014 to 2024, winning three. This year presents a significant challenge for Bangladesh to showcase their talent on the world stage and make a mark in the prestigious tournament.
-

ব্রুকের অর্ধশতক ও সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালে পৌঁছানো
সুপার এইটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হয়েছে হ্যারি ব্রুকের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের জন্য। সাহিবজাদা ফারহানের হাফ সেঞ্চুরি এবং শাহীন শাহ আফ্রিদির চার উইকেটের জমজমাট পারফরম্যান্সের মধ্যেও, ব্রুকের ৫১ বলে ১০০ রানের ম্যারাথন ইনিংসের মাধ্যমে ইংল্যান্ড ২ উইকেটের বড় জয় হাসিল করে। এই জয়ে তাদের পয়েন্ট এখন চার, এবং এক ম্যাচ বাকি থাকতেই তারা সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে। অন্যদিকে, এই রাউন্ডে পাকিস্তান একমাত্র ম্যাচেই হেরেছে।
ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ডের আশপাশে ঝড় বয়ে যায়। প্রথম বলেই ফিল সল্টের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। আফ্রিদির দুর্দান্ত সুইপে ক্যাচ হয়ে তিনি ফিরে যান। এরপর প্রথম ১৭ রানে ইংল্যান্ডের আরো দুই ওপেনার জশ বাটলার ও সাইম আইয়ুবও প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। বাটলার ৩ রানে এবং আইয়ুব ৭ রানে আউট হন।
তবে, এরপরেই ব্রুকের ঝড় শুরু হয়। তিনিই শুরু করেন আক্রমণ, যদিও তার সঙ্গ দিতে পারেননি জ্যাকব বেথেল ও টম ব্যান্টন। বেথেলকে আফ্রিডি ফিরিয়ে দেন এবং ব্যান্টন ওয়ারিক ক্যাচে পড়েন। এরপর, ব্রুকের সঙ্গে যোগ দেন উইল জ্যাকস। ৫০ বলে ১০০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ব্রুকের একমাত্র শট দিয়ে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হয়। ব্রুকের বিপরীতে জেসেমি ওভারটন ও মোহাম্মদ নওয়াজ যথাক্রমে দুটি ওভারে ছয় রানের মধ্যে প্রতিপক্ষে শিকারে পরিণত হন। শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৩ রান, যেখানে জফরা আর্চার ধৈর্য্য নিয়ে চার মারেন এবং ম্যাচের সেরা জয় নিশ্চিত করেন।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের জন্য ব্যাপারগুলো ছিল বেশ কঠিন। ব্যর্থতার ছায়া যেন পুরো ম্যাচজুড়ে লেগে ছিল। সাহিবজাদা ফারহান ৪৫ বলে ৬৩ রান করে দলকে টেনে নিয়ে যান। তবে, ওপেনার সাইম আইয়ুব খুব দ্রুত ফেরত যান, আর সালমান আলী আঘারা এবং বাবর আজমও ব্যর্থ হন। বাবর ২৪ বলে ২৫ রান করে স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন।
দলের মধ্যে জুটি গড়ে তুললেও রান তোলার গতি কম থাকায় ম্যাচটি কঠিন হয়ে পড়ে। ফারহানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ১৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। ডাওসন ও আর্চার কার্যকর কিছু উইকেট নিলেও, তাদের সংগ্রামী চেষ্টা স্বার্থক হয়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই হারে পাকিস্তান এখন টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে। তবে, খেলায় ছিলো কিছু ভালো দিক যেমন ফারহানের প্রত্যাশিত ভালো পারফরম্যান্স আর ফখর জামানের সুবিধাজনক ইনিংস।
