Author: bangladiganta

  • ব্রুকের শতকে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

    ব্রুকের শতকে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

    সুপার ৮ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হার মানে পাকিস্তান। তবে এই ম্যাচের মূল কেন্দ্রে ছিলেন হ্যারি ব্রুক, যিনি দারুণ এক সেঞ্চুরি করে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দেন। সাহিবজাদা ফারহানের হাফসেঞ্চুরি এবং পাকিস্তানের শাহীনের চার উইকেটের পর, ব্রুকের ৫১ বলে ১০০ রানের অসাধারণ ইনিংসে ইংল্যান্ড দুই উইকেটে জয় লাভ করে। এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে, তারা এক ম্যাচ হাতে রেখে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। বর্তমানে তাদের পয়েন্ট হয়েছে মোট চার, আর পাকিস্তান এই রাউন্ডে একমাত্র ম্যাচেই হেরে বাদ পড়েছে।

    প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের সূচনাটা ছিল საკმაოდ অপ্রত্যাশিত। প্রথম বলেই আফ্রিদির বোল্ড করে ফিল সল্ট ফিরে যান, যার পর ক্যাচ দিয়ে আউট হন জশ বাটলার। পাকিস্তানের পেসাররা এই সময় কঠোর চাপ সৃষ্টি করেন। এরপর ব্রুক শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক, যদিও দলের অন্য ব্যাটাররা তার পাশে দাঁড়াতে পারেননি। জ্যাকব বেথেল এবং টম ব্যান্টন দ্রুতই আউট হওয়ার কারণে কিছু চাপ পড়ে। তবে, ব্রুকের সাথে উইল জ্যাকসের দুর্দান্ত জুটি ম্যাচের মোড় বদলে দেয়। ৫০ বলে সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ব্রুক ২৩ বলে ২৮ রান করে ফেরেন, তবে তার অভাব কেউ অনুভব করেননি, কারণ জ্যাকস তার পরের ওভারে ভারসাম্য রক্ষা করেন।

    শেষের দিকে ম্যাচের নাটকীয়তা জমে উঠে। জফরা আর্চার প্রথম বলে চার মারা দিয়ে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন। পাকিস্তানের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা ছিল আফ্রিদির চারটি উইকেট। অপরদিকে, পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে বেশ কিছু ধাক্কা খায়, যার মধ্যে অন্যতম ছিল সাহিবজাদার ৬৩ রানের স্মার্ট ইনিংস। তার এই দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের স্কোর ১৬৪ পর্যন্ত পৌঁছায়। তবে প্রথম দিকে বেশ কিছু দ্রুত উইকেট হারানোর ফলে চাপ তৈরি হয়েছিল। বাবর আজম এবং ফারহান দুজনেই শান্তিপূর্ণ ব্যাটিং করেন, তবে বাবরের আউট হওয়া ও তার স্ট্রাইক রেটের সমালোচনাও হয়ে তোলপাড়। শেষ পর্যন্ত, উসমান খান এবং শাদাবের ছোট ছোট ইনিংসের মাধ্যমে পাকিস্তান তাদের স্কোর বড় করতে সক্ষম হয়, তবে জয়ের জন্য পর্যাপ্ত হয়নি। ইংল্যান্ডের ডাউনসন, ওয়ার্টন, এবং আর্চার ধারাবাহিক সুইং ও ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের প্রতিপক্ষ হয়।

  • নারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে

    নারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে

    জুন-জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই মহাযজ্ঞে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই নিশ্চিত হয়ে গেছে, বাছাইপর্বে সাতটি ম্যাচের সবকটিতেই জয়লাভ করে তারা অপরাজিত থেকে টিকিট তুলে নিয়েছে। এই প্রথমবারের মতো ১২ team এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। তাদের দুটি গ্রুপে বিভক্ত করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। মোট ম্যাচের সংখ্যা হবে ৩৩টি, যেখানে প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১২ জুন। ২৪ দিন ধরে চলে এই রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতার সমাপ্তি হবে ৫ জুলাই লর্ডস ক্রিকেট গাউন্ডে অনুষ্ঠিত ফাইনালের মাধ্যমে।

    আইসিসি মঙ্গলবার বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত এবং পাকিস্তান। অন্য গ্রুপ ‘বি’-তে আছে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাতটি ঐতিহাসিক এবং আধুনিক ভেন্যুতে—লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্রাফোর্ড (ম্যানচেস্টার), হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), হ্যাম্পশায়ার বোল (সাউদাম্পটন), দ্য ওভাল (লন্ডন) এবং ব্রিস্টल।

    বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুন, এজবাস্টনে, যেখানে তারা প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে সকাল সাড়ে দশটায়। একই ভেন্যুতে বাংলাদের মুখোমুখি হবে ভারতও, যা অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুন। এরপর ১৭ জুন হেডিংলিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তিন দিন পর, হ্যাম্পশায়ারে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে নজরুল স্বতন্ত্র টিম। একদিকে বিরতির পর, ২২ জুন ওল্ড ট্রাফোর্ডে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। 마지막 ম্যাচ হবে ২৮ জুন, লর্ডসের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

    এখন পর্যন্ত, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ছয়টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচের মধ্যে মাত্র তিনটি জিতেছে। এই আসরে তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রতিভা ও সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ গ্রহণ। এতে সফল হওয়ার জন্য তারা মরিয়া।

  • বিশ্বকাপে না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

    বিশ্বকাপে না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

    অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না থাকলেও দেশের তিনজন জনপ্রিয় ব্যাটার—পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান এবং জাকের আলি অনিক—র‍্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই বছর বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেনি, তবে এর প্রভাব তাদের পারফরম্যান্সে দেখা যায়নি। বরং আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে তারা নিজেদের স্থান শক্ত করে তুলেছেন।

    বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক আপডেটে দেখা যায়, দেশের ক্রিকেটাররা ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে।

    বিশেষ করে, পারভেজ হোসেন ইমন টোয়েন্টি ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৪১ নম্বর স্থান পেয়েছেন। তার রেটিং পয়েন্ট ৫৪২, যা তার ক্যারিয়ারের সব থেকে ভালো অবস্থান।

    অন্যদিকে, সাইফ হাসান দুই ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৪২ নম্বরে ও জাকের আলি অনিকও একইভাবে দুই ধাপে এগিয়ে ৭২তম স্থানে অবস্থান করছেন।

    তবে কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। তানজিদ হাসান তামিম ২১তম থেকে পিছিয়ে যান, লিটন দাস ৫৪তম মূল্যায়নে থাকলেও অবনতি হয়েছে। অপর দিকে, তাওহিদ হৃদয় তার স্থানে স্থির আছেন।

    বোলারদের মধ্যে, মোস্তাফিজুর রহমান বজায় রেখেছেন তার ৯ নম্বর অবস্থান। অন্য বোলারদের মধ্যে, শেখ মেহেদি (২১), রিশাদ হোসেন (২৭), নাসুম আহমেদ (৩৫) ও তানজিম সাকিব (৪৯) র‍্যাংকিংয়ে বড় পতন ঘটেছে।

    অলরাউন্ডারদের তালিকায় বাংলাদেশের কেউ শীর্ষ চল্লিশের মধ্যে থাকলেও, শেখ মেহেদি kini ৪৫ নম্বরে নেমে গেছেন।

    বিশ্বকাপে আলোচিত পারফরম্যান্সের জন্য অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠে এসেছেন পাকিস্তানের সিকান্দার রাজা, তিনি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে টপকে এক নম্বর স্থান অর্জন করেছেন।

    বলবানদের মধ্যে ভারতের বরুণ চক্রবর্তী শীর্ষে থাকলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ তার দারুণ পারফরম্যান্সের কারণে ২১ ধাপ এগিয়ে ৩ নম্বর স্থান অর্জন করেছেন। এছাড়া, জাসপ্রিত বুমরাহ ৭ ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে উঠেছেন।

  • নিউজিল্যান্ডের জয়ে শ্রীলঙ্কার বিদায়, সেমিফাইনালের আশা জেগে উঠল

    নিউজিল্যান্ডের জয়ে শ্রীলঙ্কার বিদায়, সেমিফাইনালের আশা জেগে উঠল

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে এখনো টিকে থাকতে প্রয়োজন ছিল শ্রীলঙ্কার জন্য। তবে তাদের জন্য নির conveying เฆশেষের পথটা কঠিন হয়ে উঠেছিল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৬১ রানের হার স্বীকার করে। ফলে, এক ম্যাচ আগেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল লঙ্কান দলের। অন্যদিকে, এই জয় দিয়ে সুস্থভাবে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড, তারা এখন দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড, যার সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। পাকিস্তানের সংগ্রহ এক পয়েন্ট, আর শ্রীলঙ্কার ডানে ডুবে গেছে স্বাগতিক দলের রানরেটের চাপের নিচে। শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। যদি পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার কাছে হারে এবং নিউজিল্যান্ড আবার হারে, তাহলে কিউইরা সেমিফাইনালে উঠতে পারে। অন্যদিকে, যদি নিউজিল্যান্ড জেতে এবং ইংল্যান্ড হেরে যায়, তাহলে গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে তারা সেরা চারয়ে ঢোকে। রানরেটের ভিত্তিতেও ফল নির্ধারিত হতে পারে, যদি অন্যান্য ফলাফল একই হয়।

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬৯ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কার শুরুটা ভালো হয়নি। শক্তিশালী বোলিং করে নিউজিল্যান্ডের পেসার ম্যাট হেনরি প্রথম ওভার থেকেই চাপ সৃষ্টি করেন। প্রথম বলেই শূন্যরানে আউট করেন পাথুম নিশাঙ্কাকে। তৃতীয় ওভারে চারিথ আসালাঙ্কাকে ফিরিয়ে দিয়ে শ্রীলঙ্কার মানসিকতাকে ভেঙে দেন। আউট হওয়ার আগে তিনি ৯ বল খেলে ৫ রান করেন।

    এরপর, স্পিনে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন রাচিন রবীন্দ্র, যিনি একের পর এক লঙ্কান ব্যাটারদের সাজঘরে ফিরিয়ে দেন। আউট হয়েছেন কুশল মেংডিস, পাভান রতœায়েক, দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকা ও দুসান হেমন্ত। এদিকে, কামিন্দু মেংডিস লড়াই চালিয়ে যান, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলের জন্য ভরসা হয়ে উঠতে পারেননি। ২৩ বলে ৩১ রান করে আউট হন তিনি। ভেল্লালাগে শেষ পর্যন্ত ২৯ রান করেন। আর ছয় রান করে থিকসানা অপরাজিত থাকেন। শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৭ রান সংগ্রহ করে।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট পান রাচিন রবীন্দ্র, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার সেরা পারফর্ম। ম্যাট হেনরি আরও দুটি উইকেট লাভ করেন।

    বিরাট মাঠে এই ম্যাচের শুরুতেই টস জিতে শ্রীলঙ্কা ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ওপেনার ফিল অ্যালেন ঝোড়ো সূচনার ইঙ্গিত দেন, তবে চতুর্থ ওভারে থিকসানার বলে আউট হয়ে যান ২৩ বলে ১৩ রান করে। অন্য ওপেনার টিম সেথার্ট মাত্র ৮ রানে থামে।

    তৃতীয় উইকেট জুটিতে রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৪৩ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু তাদের আউটের পর ধীর হয়ে যায় দলের রান গতি। ১২তম থেকে ১৬তম ওভারে মাত্র ১৫ রান যোগ হয়। রাচিন ৩২, ফিলিপস ১৮, মিচেল ৩ ও চ্যাপম্যান শূন্য রানে আউট হন।

    শেষ চার ওভারে চাপ মোকাবেলা করে ব্যাট হাতে দলনেতা মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি। দুজন মিলে করেন ৮৪ রানের জুটি। স্যান্টনার মাত্র ২৬ বলে ৪৭ রান করেন, যেখানে ছিল দুটি চার ও চারটি ছয়। ম্যাককঞ্চি ২৩ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা, আর দুনিথ ভেল্লালাগে পান এক উইকেট।

    এদিকে, শান্তিপূর্ণ শুরু হলেও নিউজিল্যান্ডের বোলারদের উপর চাপ সৃষ্টি করে ঝড় তোলেন ওপেনার ফিল অ্যালেন ও টিম সেথার্ট। আলেন ২৩ রান করে ফিরেছেন চারিথ আসালাঙ্কার বলের শিকার হয়ে, এরপর দ্বিতীয় ওপেনার সেথার্ট মাত্র ৮ রান করেন। তবে, মধ্যেমুখে রাচিন রবীন্দ্র্র ও গ্লেন ফিলিপসের জুটি পরিস্থিতি বদলে দেয়। তারা ৪৩ রান যোগ করে দলকে পুনরায় শক্ত করে। তবে, বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন রবীন্দ্র ও কনিষ্ঠ বোলাররা। শেষ দিকে, মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি ব্যাটে ঝড় তুলে দলকে ১৬৯ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট পান রাচিন রবীন্দ্র, যা তার সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স। ম্যাট হেনরি দুটি উইকেট নেন। এই জয়ে নিউজিল্যান্ড এখন তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিশ্চিত করেছে তাদের জন্য, তবে এখনো অনেক কিছু নির্ভর করছে অন্যান্য ম্যাচের ফলের উপর।

  • ম্যাচের আগে বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করছে ভারত

    ম্যাচের আগে বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করছে ভারত

    চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে সন্ধ্যার পর শিশিরে ম্যাচের ফলাফল প্রভাব ফেলতে পারে খবর ছিল। তাই বাঁচা-মরার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতের ক্রিকেট প্রশাসন নতুন একটি উপায় গ্রহণ করেছে। তারা আমদানি করেছে বিশেষ এক রাসায়নিক যা আউটফিল্ডে স্প্রে করা হচ্ছে। এই রাসায়নিকের নাম ‘ডিউ কিউর’, যা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ বেসবলের ভেন্যুগুলিতে ব্যবহৃত হয়। তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানা গেছে, বিশ্বকাপের আগে তারা এই রাসায়নিকটি আমদানি করে আউটফিল্ডের উপর প্রয়োগ করেছে। সোমবার ও মঙ্গলবার সকালে মাঠে পানি মিশিয়ে স্প্রে করা হয়, যাতে ম্যাচের সময় এর কার্যকারিতা বজায় থাকে। সূত্র মতে, একবার স্প্রে করলে ঘাসের পাতায় আর্দ্রতা জমে না, ফলে ভেজা ভাব দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং শিশিরের প্রভাব কমে যায়। ভারতীয় ক্রিকেটাররাও অনুশীলনের সময় মাঠের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন, এবং তারা সন্তুষ্ট বলে জানা গেছে। আগামীতে সেমিফাইনাল ও ফাইনালেও এই রাসায়নিক ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও আনুষ্ঠানিক কিছু ঘোষণা এখনো হয়নি। ভারতের পরিকল্পনায় রয়েছে, আইপিএলের সব ভেন্যুতেই এটিকে বাধ্যতামূলক করে তোলা। অতীতে শিশিরের কারণে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বিশ্বে ২০২৫ সালে ১২৯ সাংবাদিক নিহত, ইসরায়েল দায়ী দুই-তৃতীয়াংশের জন্য

    বিশ্বে ২০২৫ সালে ১২৯ সাংবাদিক নিহত, ইসরায়েল দায়ী দুই-তৃতীয়াংশের জন্য

    গত বছর বিশ্বজুড়ে নজিরবিহীনভাবে ১২৯ জন সংবাদকর্মী মারা গেছেন। এর মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী করা হয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এই তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক ভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে), যারা প্রতিবছর সাংবাদিক হত্যা ও নিরাপত্তার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।

    ২০২৫ সালে এই সংস্থার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, একটানা দ্বিতীয় বছরও রিপোর্টের সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের হাতে নিহত বেশিরভাগ সাংবাদিকের ঘটনায় দেখা গেছে, এই বছরও দখলের জন্য দায়ী ছিল ইসরায়েল।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে ৮৬ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই গাজার। আবার ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের পরিচালিত গণমাধ্যম কার্যালয়ে ইসরায়েলি হামলা চালানোর ফলে ৩১ জন সংবাদকর্মী মারা গেছেন। এই ঘটনাগুলো এই সংস্থার ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানি ঘটানোর ঘটনা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

    সিপিজে জানিয়েছে, মোট ৪৭টি হত্যা বা লক্ষ্যবস্তু করে হত্যাকাণ্ডকে তারা ‘হত্যা’ হিসেবে নথিভুক্ত করেছে, যার মধ্যে ৮১ শতাংশের জন্যই দায়ী তারা মনে করে ইসরায়েল। গাজায় প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে হতাহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি, তবে মনে করা হয়, মূলত এর থেকেও অনেক বেশি হতাহত ঘটেছে।

    ইসরায়েলের পক্ষ থেকে অফিসিয়ালভাবে এই বিষয় সম্পর্কে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অতীতে ইসরায়েল বলেছে, গাজায় তারা শুধু যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে যুদ্ধক্ষেত্রে কাজ করার ঝুঁকি সব সময় থাকে বলে জানানো হয়েছে।

    ইসরায়েল গত সেপ্টেম্বরে ইয়েমেনের হুথিদের একটি গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলায় দায় স্বীকার করে, সেখানে ইসরায়েল তাদের হামলার উদ্দেশ্য হিসেবে বলেছে হুথিদের প্রচার শাখাকে লক্ষ্য করে তারা হামলা চালিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, নিহত সাংবাদিকদের সঙ্গে হামাসের কোনো আনুষ্ঠানিক সংযোগ ছিল না। গাজায় ইসরায়েলি প্রবেশের অনুমতি না থাকায়, সব নিহত সাংবাদিকই ছিলেন ফিলিস্তিনি।

    বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সাংবাদিক হত্যাকারী দেশ হিসেবে পরিচিত। তিন দশকের বেশি সময় ধরে সিপিজে প্রতিবেদন করে আসছে।

    বিভিন্ন অঞ্চলে হামলায় নিহত সাংবাদিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণ গিয়েছে সংঘাতের মধ্যে থাকা গাজা ও ইয়েমেনে। এছাড়া সুদান, যেখানে ৯ জন, মেক্সিকোতে ৬ জন, ইউক্রেনে রুশ বাহিনী দ্বারা চারজন এবং ফিলিপাইনে তিনজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

    রুশ বাহিনী রীতিমত সাংবাদিক-targeted হত্যা করছে বলে অভিযোগ উঠলেও রাশিয়া তা অস্বীকার করে জানিয়েছে, তারা মূলত ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। যদিও কিয়েভ এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। এই বিষয়ক বিষদ তথ্যের জন্য এখনো কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি ওয়াশিংটনের রাশিয়া দাপ্তরিক দূতাবাসের পক্ষ থেকে।

  • যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ৩০০-এর বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে

    যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ৩০০-এর বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে

    মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক আকারে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের জন্য ৩০০ এর বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। এই বিশাল সামরিকগুলি ইরানের সম্ভাব্য হামলার মোকাবিলা বা শক্তি প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করছে। ওপেন সোর্স গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, মূলত কাতারের আল-উদেইদ আকাশঘাঁটি, জর্ডানের মুওয়াফাক সালতি ঘাঁটি এবং সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি, পাশাপাশি সমুদ্রে মার্কিন বিভিন্ন রণতরী—ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড—থেকে এই বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারীর শুরু থেকে মার্কিন কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড (সেন্টকম) প্রায় ২৭০টি সি-১৭ ও সি-৫ লজিস্টিক বিমান পরিচালনা করেছে এই বহর একত্রিত করতে। এই ফ্লাইটগুলোতে প্যাট্রিয়ট ও থার্ড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের পাশাপাশি যুদ্ধ সামগ্রী পরিবহন করা হয়েছে।

    এই বিমান বাহরে প্রায় ৭০ শতাংশ আক্রমণাত্মক যুদ্ধবিমান ও ৩০ শতাংশ সহায়ক বিমান রয়েছে। এর মধ্যে ৮৪টি এফ-১৮, ৩৬টি এফ-১৫, ৪৮টি এফ-১৬ ও ৪২টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান থাকছে। পাশাপাশি ট্যাঙ্কার ও বিশেষ ভূমিকা পালনের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিমান সামিল। যেমন—ইএ-১৮জি ‘গ্রোলার’, ই-১০সি ‘থান্ডারবোল্ট’, ই-১১এ ব্যাটলফিল্ড এয়ারবর্ন কমিউনিকেশনস নোড এবং ই৩ ‘সেন্ট্রি’ ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম বিমান।

    উল্লেখ্য, গত জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জন্য ব্যবহৃত বি-২ বোমারু বিমান কোনো গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়নি।

    অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই বিপুল সামরিক উপস্থিতির খতিয়ান থাকলেও ইতিমধ্যে ইসরায়েলও ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের ৬৬টি এফ-১৫, ১৭৩টি এফ-১৬ ও ৪৮টি নতুন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান আগাম প্রস্তুত রয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য। এ ছাড়া তারা ১২টি মার্কিন স্টিলথ ফাইটার এফ-২২ও অর্জন করেছে, যা বিশ্বের শীর্ষ উন্নত যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত। এগুলো ইরানের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য ব্যবহার হতে পারে।

    এছাড়াও, এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, তারা আগামী দিনগুলোতেও মূলত কার্যকরভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সহায়তা চালিয়ে যাবে।

    উল্লেখ্য, আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তৃতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এর আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তিনি কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান চান, তবে প্রয়োজন হলে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারেও পিছপা হবেন না। স্টেট অব ইউনিয়নের ভাষণে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি অতীতের মতোই আবারও বলছি, আমি কখনোই ইরানের পারমাণবিক অস্ত্রের মালিকানা অনুমোদন দেব না।’ তিনি এই আশঙ্কাও প্রকাশ করেন যে, ইরান সম্ভবত তাদের মিসাইল সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করছে।

    ইরান অবশ্য এই দাবির সঙ্গে দ্বিমত ব্যক্ত করে বলছে, তারা তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে সৌজন্যের সম্মানে আলোচনা থেকে আবসান করতে চাইছে না। এখন সবাই আগামী বৃহস্পতিবারের বৈঠককেই সর্বাধিক লক্ষ্য করে রেখেছে, যেখানে সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।

  • অনিশ্চয়তার মাঝে ট্রাম্পের নতুন দাবি: আমি না থাকলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা যেতেন

    অনিশ্চয়তার মাঝে ট্রাম্পের নতুন দাবি: আমি না থাকলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা যেতেন

    আবারো ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী সম্ভাব্য সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার না থাকলে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মানুষ মারা যেতেন। এর পাশাপাশি, তিনি দাবি করেন যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের সময় মারা যেতেন। ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ‘বার্ষিক স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে। তিনি বলেন, দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রায় ১০ মাসের মধ্যে তিনি আটটি যুদ্ধ বন্ধ করে দিয়েছেন। তিনি জানান, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা ছিল, যা তার হস্তক্ষেপে রোখা গেছে। ট্রাম্প যোগ করেন, পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তাঁকে সতর্ক করে বলেছিলেন, তিনি না থাকলে ৩৫ মিলিয়ন মানুষের প্রাণ হতো। গত এপ্রিলে ভারতের অভিযোগ, পাকিস্তান কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার জন্য দায়ী। পাকিস্তান অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করে। এরপর ৭ মে ভোরে পাকিস্তানে ভারতের বিমান হামলা চালায়। পাকিস্তান পাল্টা বোমাবর্ষণ চালিয়ে অপারেশন ‘বুনিয়ান উল মারসুস’ সম্পন্ন করে। শেষ পর্যন্ত, ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘটে। তবে ভারতের দাবি, এই সংঘাতের সমাধিতে তারা কোনও মার্কিন কৃতিত্ব দেখায় না। ভারত বলেছে, তারা পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে পৌঁছেছিল, যেখানে কোনও তৃতীয় পক্ষের অংশগ্রহণ ছিল না। ট্রাম্প আবারও এই সংঘাতের কৃতিত্ব নিজে নেওয়ার ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালান। একাধিক সময় তিনি বলেন, পারমাণবিক শক্তিধর এই দুই দেশ মোট ১০টি বিমান ভূপাতিত করেছে। ২০২২ সালের মে মাসে বলেছিলেন, এই সংঘাতে ৫টি বিমান ভূপাতিত হয়। এরপর সময়ে সময়ে তিনি এই সংখ্যা বাড়িয়ে জানিয়েছেন, শেষমেশ নভেম্বরে ৮টিতে নিয়ে নেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেননি কতো বিমানভূত হয়েছে। পাকিস্তানও দাবি করে, তারা ভারতের ৫টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। তাতে রয়েছে তিনটি রাফাল, একটি সু-৩০ ও একটি মিগ–২৯। ভারতের সামরিক বাহিনী প্রথমে বিষয়টি গোপন রাখলেও এখন বিষয়টি স্বীকার করেছে।

  • খাইবার পাখতুনখোয়া ও বালুচিস্তানে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩৪ সন্ত্রাসী নিহত

    খাইবার পাখতুনখোয়া ও বালুচিস্তানে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩৪ সন্ত্রাসী নিহত

    পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তানে পৃথক নিরাপত্তা অভিযান চালিয়ে মোট ৩৪ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে দেশটির সেনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ খবর নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানের ডনের সূত্র।

    পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বেশ কজন দিন ধরে উচ্চ গতির গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযান চালানো হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য ছিল ভারতীয় প্রক্সি সন্ত্রাসী সংগঠন ফিতনা আল খারিজ এবং ফিতনা আল হিন্দুস্তানের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কগুলোকে দমন করা।

    বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, ফিতনা আল খারিজ নামে পরিচিত সংগঠনটি মূলত তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে যুক্ত। অন্যদিকে, বালুচিস্তানের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সম্পর্কে তাদের নাম হলো ফিতনা আল হিন্দুস্তান।

    আইএসপিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ফেব্রুয়ারি খাইবার পাখতুনখোয়ায় চারটি পৃথক অভিযানে ২৬ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়। পাশাপাশি, ঝোব জেলার সাম্বাজা এলাকায় বালুচিস্তানের এই সংগঠনের আট জন এবং নর্থ ওয়াজিরিস্তানের পাকিস্তান-আফগান সীমান্তের কাছাকাছি একটি অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী একটি সন্ত্রাসী দলের খোঁজ পেয়ে তাদের শনাক্ত করে। এই অভিযানে একজন আফগান নাগরিক সন্ত্রাসীও নিহত হন।

    অভিযানে লাক্কি মারওয়াত জেলায় ৩ জন, বান্নু জেলার নারমি খেল এলাকায় ১০ জন এবং নর্থ ওয়াজিরিস্তানের মির আলিতে ১২ জন সন্ত্রাসী নিহত হন। সাম্বাজার এলাকায় আটজন ফিতনা আল হিন্দুস্তানের সন্ত্রাসী ধরা পড়ে, যাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে।

    আইএসপিআর বলছে, দেশের সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। এছাড়াও, অন্য জায়গাগুলোতে সন্ত্রাসী সংগঠনের অবশিষ্ট সদস্যদের নির্মূলের জন্য ‘স্যানিটাইজেশন অভিযান’ চালানো হচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি নিরাপত্তা বাহিনীর এই সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের নির্মূল ও অস্ত্র উদ্ধার তাদের পেশাদারিত্বের প্রমাণ। জারদারি আরও দাবি করেন, নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সাথে এই ধরনের অভিযান চালাতে হবে।

    অপর দিকে, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফও নিরাপত্তা বাহিনীর এই সাহসী কাজের জন্য তাদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, দেশের সকল সন্ত্রাসী সংগঠনকে চূড়ান্তভাবে দমন করা হবে এবং দেশকে সন্ত্রাস মুক্ত করার লক্ষ্যে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

  • রাশিয়ার পক্ষে লড়ছে ১৭৫০ এর বেশি আফ্রিকান সেনা: ইউক্রেন

    রাশিয়ার পক্ষে লড়ছে ১৭৫০ এর বেশি আফ্রিকান সেনা: ইউক্রেন

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতিতে রুশ বাহিনীর পক্ষে লড়াই করছে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন আফ্রিকার দেশের অন্তত ১৭৫০ এর বেশি সেনা। এই তথ্য জানান ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সাইবিহা। গতকাল বুধবার রাজধানী কিয়েভে ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যামুয়েল ওকুদজেতো আবলাকাওয়ার সঙ্গে বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।

    সাইবিহা বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করছি যে, রাশিয়া বিভিন্ন প্রতারণাপূর্ণ কৌশলে আফ্রিকার নাগরিকদের এই যুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে দিচ্ছে। আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আফ্রিকার ৩৬টি দেশের হাজারো যুবক রুশ বাহিনীর পাশে যুদ্ধ করছে।’ তিনি আরও জানান, এই সেনাদের অনেককেই চাকরি বা অন্য প্রলোভনে রাশিয়ায় আনা হয়েছে এবং পরে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এ ধরনের বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    এদিকে, সংবাদ সম্মেলনে ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওকুদজেতো আবলাকাওয়া বলেন, রুশ বাহিনীতে যেসব আফ্রিকান সেনা লড়াই করছে, তাদের কোনও পূর্বঅভিজ্ঞতা নেই। তারা সাধারণত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ায় নেয়া হয়েছে। এরপর তাদের সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ আফ্রিকান সেনার কখনও কোনো নিরাপত্তা বাহিনী বা সেনাবাহিনীতে কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই, কোনও প্রশিক্ষণও পায়নি। লোভে পড়ে তারা প্রতারণার শিকার হন এবং শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হন।’

    সংবাদ সম্মেলনে ওকুদজেতো আবলাকাওয়া আরও জানান, আফ্রিকার যুবকদের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অংশ হওয়ার থেকে বিরত রাখতে ঘানা ও এশিয়ার দেশের অন্যান্য সদস্য দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত আফ্রিকান ইউনিয়ন কাজ করে যাবে।

    উল্লেখ্য, রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির শেষে ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই স্বীকৃতি মানতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর থেকেই কিয়েভের সঙ্গে টানাপোড়েন চলতে থাকে। ওই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারিতে রুশ বাহিনী ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এই অভিযান শুরু করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।