Author: bangladiganta

  • শব্দমাত্রা ছাড়লে হর্ন বাজানোর জন্য জরিমানা আদায় হবে

    শব্দমাত্রা ছাড়লে হর্ন বাজানোর জন্য জরিমানা আদায় হবে

    সরকার হর্ন বাজানোর ক্ষেত্রে আরও কঠোর হচ্ছে। এখন থেকে অনুমোদিত শব্দমাত্রার বেশি শব্দ উৎপন্নকারী হর্ন ব্যবহার করলে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা করতে পারবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালে প্রকাশিত ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা’ এর আওতায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভা, বিধি-৬ অনুযায়ী, কেউ অনুমোদিত শব্দমাত্রার বেশি শব্দের হর্ন ব্যবহার বা স্থাপন করতে পারবে না। এছাড়া নিশিযাপিত এলাকা ও আবাসিক এলাকায় রাতে হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে, বিধি-২০ অনুযায়ী, এসব বিধি লঙ্ঘন করলে পুলিশ আইন অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করতে পারবে। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অতিরিক্ত শব্দদূষণ এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ সময় উচ্চ শব্দের সংস্পর্শে থাকলে কানে কম শোনা, আংশিক বা পুরোপুরি বধির হওয়া, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, মনোযোগে সমস্যা হওয়াসহ নানা শারীরিক ও মানসিক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের জন্য এই শব্দদূষণের প্রভাব আরও ভয়াবহ। এতে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে ও গর্ভস্থ শিশুর বধিরতা বা প্রতিবন্ধী হিসেবে জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা থাকে। মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, শব্দদূষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন হাসপাতালের রোগী, শিক্ষার্থী, ট্রাফিক পুলিশ, রিকশা ও গাড়িচালক, পথচারী এবং এমন সব বাসিন্দা যাদের আশপাশে উচ্চ শব্দের উৎস রয়েছে। এর প্রভাব দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে সতর্ক করেছে সরকার।

  • চালন্ত বাসে অগ্নিকা-ণ্ড, নিহত ৪

    চালন্ত বাসে অগ্নিকা-ণ্ড, নিহত ৪

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ভয়ঙ্কর آگুনল লাগার ঘটনা ঘটেছে। সিনজি ও মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায় গাড়িটি, ফলে এক বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে বাসে আগুন ধরে যায়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, এর মধ্যে দুইজন শিশু, একজন নারী এবং একজন পুরুষ রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ থেকে ১২ জন।

    শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। দুর্ঘটনার স্থান দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার আওতাধীন বিখ্যাত মহাসড়কের পাশে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ত্রিমুখী সংঘর্ষের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের ফলে বাসে অগ্নিকা-ণ্ড ছড়িয়ে পড়ে, যা সম্ভবত বাসের জ্বালানির ট্যাংকার থেকে শুরু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত আগুন নিবিয়ে দেবার কাজ চালিয়ে যান। এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা বেশ চাপের সৃষ্টি করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবারগুলোর মধ্যে।

  • জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির জন্য অধ্যাদেশ কার্যকর করছে সরকার

    জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির জন্য অধ্যাদেশ কার্যকর করছে সরকার

    সরকার জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে একটি পৃথক আইন অধ্যাদেশ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে আইন মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে, যা পরবর্তী উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশকে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন। তাদের এই সাহসী ভূমিকার জন্য দায়মুক্তির আওতায় আনার প্রয়োজন রয়েছে। July গণঅভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার খুনিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন তারা, তাই তাদের দায়মুক্তি প্রয়োজন। ইতিহাসেও বিভিন্ন দেশে similar দায়মুক্তি আইনের উদাহরণ দেখা যায়। বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে এই ধরনের দায়মুক্তির বৈধতা স্বীকৃত, এবং ১৯৭৩ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পরে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দায়মুক্তি আইন প্রণীত হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘এসব নজির ও আইনের ভিত্তিতেই, আইন মন্ত্রণালয় একটি খসড়া অধ্যাদেশ তৈরি করেছে। আশা করি, খুব শিগগিরই এটি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন হবে। আমাদের দায়িত্ব JULY কে নিরাপদ রাখা।’ এর আগে, ৬ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, যাতে জুলাই যোদ্ধাদের আইনগত সুরক্ষা দেওয়া যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে, তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    ওমরাহ হজ পালন করতে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন জনপ্রিয় টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি প্রিন্স মামুন নামে পরিচিত। তবে দেশের মাটিতে তার জন্য অপেক্ষা করছে দুঃখজনক সংবাদ। লক্ষ্মীপুরের লায়লা আখতার ফরহাদকে বাসায় ঢুকেও মারধরের অভিযোগে মামলার আসামি হিসেবে তার জামিন বাতিল করা হয় এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এই আদেশ দেন ঢাকা আদালতের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ শনিবার।

    বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ছিল অভিযোগ গঠনের জন্য। তবে মামুন ওমরাহ পালনের কারণে আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন করেন, কিন্তু বাদী পক্ষের আইনজীবী সরকার সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) আদালতে উপস্থিত ছিলেন ও মামুনের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেন। তিনি জানান, আসামির বিরুদ্ধে অন্য আদালতে ধর্ষণের মামলাও চলমান রয়েছে। এই মামলার বিচারাধীন প্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন।

    শুনানি শেষে আদালত তার জামিন বাতিল করেন এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৫ মার্চ তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, ফেসবুকের মাধ্যমে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে লায়লার পরিচয় হয়। গত ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস-এর বাসায় যান। সেখানে সে লায়লার পূর্বের অভিযোগ ও জিডি তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দেয়। লায়লা অস্বীকৃতি জানালে, মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে লাইভ বন্ধ করে, মামুন তাকে মারধর করেন। এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যাচেষ্টাও করেন। লায়লা হাত দিয়ে ঠেকানোর সময় আহত হন। এই ঘটনায় ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত আদালতে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    বর্ষবরণের রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। এই ঘটনা তাদের জন্য খুবই হতবাক ও উদ্বেগজনক, কারণ উন্মত্ত জনতার বিশাল একটি শিবির তাদের সঙ্গে অপ্রত্যাশিতভাবে হিংসাত্মক আচরণ করে। সুরক্ষার জন্য তাদের গাড়ি রক্ষা পেলেও, জনতার উন্মাদনা গাড়িটিকে ভেঙে চুরমার করে দেয়।

    নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বালুরঘাটের এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এই দুই শিল্পী, যেখানে তারা এক জমকালো কনসার্ট উপভোগ করেন। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে ঘটে বিপত্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, শিল্পীদের গাড়ির চারপাশে শতশত মানুষ জড়ো হয়ে পড়ে। তারা চলন্ত গাড়ির গ্লাসে একের পর এক কিল-ঘুষি মারতে থাকেন এবং গাড়ির পেছনের কাঁচ ভেঙে যায়। ভিডিওতে সাচেতকে ভয়ভাগ্রস্ত অবস্থায় ‘ওহ শিট’ বলতে শোনা যায়। পাশাপাশি পরম্পরা আতঙ্কিত হয়ে জনতাকে শান্ত করার জন্য বলছেন, ‘গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।’ তবে উন্মত্ত জনতার কাছে এই গাড়িটি রক্ষা পাননি।

    আহত ও হতবুদ্ধি শিল্পী জুটি এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিবৃতি দেননি। তবে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।

    এই ঘটনায় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বেশিরভাগেই মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গে বলিউডের এই দুই তারকা শিল্পীর ওপর হামলা দেশের আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলে। এটি দেখিয়ে দেয় কারওয়ানাপুরের মতো কিছু স্থান এখনো ঠিকভাবে সুরক্ষিত নয়। এর আগে কিছুদিন আগেই কৈলাস খেরের কনসার্টে উন্মত্ত জনতাদের তাণ্ডবের ঘটনা ঘটেছে, যা অনেকের মনে গভীর আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে মাঝপথে মঞ্চ থেকে নিজেকে সরাতে হয় শিল্পীকে, কারণ পরিস্থিতি এতটাই ঘোলাটে হয়ে দাঁড়ায়।

  • প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু

    প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু

    প্রসিলিত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পী সমিতির সাবেক সভাপতি আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ সক্রিয় না থাকায় আমাদের মাঝে নেই। তিনি রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    চলচ্চিত্র নির্মাতা কবিরুল ইসলাম রানা এই দুঃখজনক খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল বিকেলে তিনি তার সাথে ফোনে কথা বলেছেন, কিন্তু আজ দুপুরে খবর পেলাম তিনি আর আমরা নেই।

    কবি রানা আরও জানান, কয়েক মাস আগে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরবর্তীতে পরিস্থিতির অবনতি হলে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানকার চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন ছেলেকে জনক। তার ছেলেরা সবাই প্রবাসে থাকেন, মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

  • ‘কোভি খুশি কোভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কোভি খুশি কোভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছর উপলক্ষে আবারও হলিউড এবং বলিউডের দর্শকদের জন্য এক আকর্ষণীয় চমক নিয়ে ফিরছেন বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক করণ জোহর। আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল তিনি একটি পারিবারিক ছবি নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন। এই ছবি হবে এক আবেগঘন এবং হৃদয়স্পর্শী পারিবারিক ড্রামা। তবে কেউ হয়তো কল্পনাও করতে পারেননি যে সেটি হতে যাচ্ছে তার বিখ্যাত মাইলস্টোন এটি — ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল। যা উপস্থিত হবে নতুন উদ্যমে, আবারো দর্শকদের মন জয় করতে প্রস্তুত।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা আলাদা কেন, হেমা মালিনী মুখ খুললেন

    ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা আলাদা কেন, হেমা মালিনী মুখ খুললেন

    প্রয়াত বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী। এই উদ্যোগের কারণ নিয়ে অনেকের মধ্যে గুঞ্জিশীল ছিল বোঝা যায়, সাধারণত এক পরিবারের মধ্যে এই ধরনের বিভাজন দেখা যায়। এ নিয়ে নানা গুঞ্জন উঠলেও হেমা মালিনী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাদের মধ্যে পারিবারিক কোনও ভাঙন বা বিরোধ নেই।

    বিশ্লেষক ও গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, এটি আসলে তাদের পারিবারিক অপ্রকাশিত বা ব্যক্তিগত বিষয় নয়। আমি নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে করছে় যার জন্য দিল্লিতে আমার সহকর্মী এবং বন্ধুদের জন্য একটি আলাদা স্মরণসভার আয়োজন করেছিলাম। তাছাড়া, মথুরার সাধারণ মানুষ যেমন ধর্মেন্দ্রর জন্য বিশেষ অনুভব করেন, তাদের আবেগের প্রতিফলন হিসেবে সেখানে আলাদা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, ধর্মেন্দ্রর পরিবারের সদস্যরা একে অন্যের সঙ্গে ভাল ও বন্ধুত্বপূর্ণ। সবাই অবাধে প্রিয় অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন এবং কোনও দ্বৈরত্বর পরিবেশ নেই।

    গত বছর ২৪ নভেম্বর ধর্মেন্দ্র আর নেই, তার মৃত্যুর পর ৩ ডিসেম্বর তার অস্থি বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে হরিদ্বারে। তবে দেড় মাস কাটার পরও, দুই পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন না ধর্মেন্দ্রর শেষকৃত্য এবং অন্যান্য ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে, বলে কথেছে বলিউড মহলে।

    বিয়ের গুঞ্জন ও বিভেদবিষয়ক গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে হেমা মালিনী বলেন, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি ধরে রাখতে এবং তার জীবনকে সম্মানিত করতে সানি দেওল একটি বিশাল উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। এই পরিকল্পনায় মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় অবস্থিত তার ১০০ একর জায়গায় নির্মিত ফার্মহাউসটি একটি মিউজিয়াম বা জাদুঘরে রূপান্তরিত করার কাজ চলছে। এটি নিশ্চিতভাবেই ধর্মেন্দ্রর অনুরাগীদের জন্য এক বিশেষ উপহার বলে তিনি আশা করেছেন।

  • ভারতীয় ‘এসজি’ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সাথে চুক্তি নবায়ন করবে না

    ভারতীয় ‘এসজি’ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সাথে চুক্তি নবায়ন করবে না

    লিটন কুমার দাসের ব্যাটের স্পন্সর ছিল এসজি (সানস্পাইরেলস গ্রিনল্যান্ডস), যারা বড় একটি ক্রিকেট সরঞ্জামের কোম্পানি। এই স্পন্সর থেকে তিনি পছন্দের ব্যাট তৈরি করে নিতে পারতেন, পাশাপাশি লোগো ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক উপার্জনের সুযোগও ছিল। তবে এখন এই আয় আর থাকবে না। কারণ, এসজি তাদের স্টিকার অব্যাহতভাবে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে, লিটনের ব্যাটে আর কোনো স্পন্সর স্টিকার থাকছে না। জানা গেছে, ভারতীয় এই কোম্পানি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করবেন না।

    তাদের মধ্যে ইয়াসির আলী রাব্বি ও মুমিনুল হকের সঙ্গেও এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে চলেছে। উল্লেখ্য, এজেন্টরা জানিয়েছেন, এসজি চুক্তি নবায়নের জন্য পাকা কথা দিয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ করে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত আসায় তারা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কোম্পানি কোনো কারণ না জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    ইতিমধ্যে, বাংলাদেশ-ভারত রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব ক্রিকেটে পড়েছে। ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে মুস্তাফিজুর রহমানকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলার সুযোগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) তাকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে নিলামে নেয়। এই ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বড় ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে, কারণ বাংলাদেশের সাতজন ক্রিকেটার নিলামে ছিলেও কেবল মুস্তাফিজকেই চূড়ান্তভাবে দলে নেওয়া হয়।

    সরকার এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশ যদি ভারতের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেয়, তখন আরও বিক্ষোভ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এর মধ্যেই, ভারতের স্পন্সর বাতিল বা চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত যেন আগুনে ঘি ঢালছে। এর মধ্য দিয়ে পাল্টাপাল্টি আন্দোলন ও বয়কটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

    লিটনের ব্যাটের স্পন্সর চুক্তি বাতিল বা নবায়ন না করার কারণ জানার জন্য তাকে কল করা হলেও পাওয়া যায়নি। তবে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘শোনা গেছে, এসজি চুক্তি বাতিল করেছে। আমি এখনও কিছু জানাইনি। যদি আরও কিছু হয়, তখন জানিয়ে দেব।’

    বাংলাদেশে ভারতের ক্রীড়া সামগ্রীর বড় বাজার রয়েছে। ক্রিকেট ও হকির সরঞ্জাম মূলত দেশটি থেকেই আমদানি হয়। সাম্প্রতিককালে, সিএ ব্যাটের বাজারও বিস্তার লাভ করেছে। তামিম ইকবাল, যিনি এই ব্যাটের ব্যবসায়ী, তিনি এই চুক্তি বাতিলের পর প্রতিবাদে উঠতে পারেন। এভাবে, ভারতের স্পন্সর না থাকায় বাংলাদেশে কঠোর অচলাবস্থা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।

    অন্যদিকে, সিলেটে বিপিএল দলের বেশ কিছু ক্রিকেটার এসجی ব্যাটের ব্যবহার করেন। এই স্পন্সর থেকে সরে গেলে ঢাকায় এসজি ব্যাটের বিক্রিতে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এই স্থানটি দখল করতে পারে স্থানীয় অন্য কোম্পানি যেমন সিএ বা এমকেএস।

  • নাসিরের ঝড়ো ৯০ রানের ইনিংস দিয়ে ঢাকার সহজ জয়

    নাসিরের ঝড়ো ৯০ রানের ইনিংস দিয়ে ঢাকার সহজ জয়

    নাসির হোসেনের ব্যাট থেকে ঝুলন্ত ৫০ বলের অপরাজিত ৯০ রানের অসাধারণ ইনিংসের ফলে ঢাকা ক্যাপিটালস সহজে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে সাত উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা আরও তিনটি বল বাকি থাকতেই ম্যাচটি নিজের করে নেয়।

    ম্যাচের শুরুতে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকা দ্রুত দুই উইকেট হারায়। প্রথমে রহমানউল্লাহ গুরবাজ শূন্য রান করে আউট হন, এরপর আব্দুল্লাহ আল মামুন এক রান করে ফিরে যান। এই পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন নাসির ও ইরফান শুক্কুর। দুজনের মিলিত সংগ্রামে গড়ে ওঠে ৫৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

    ১১ বলে ১২ রানে ইরফান শুক্কুর আউট হলেও ঢাকার জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়নি। দলের জয় নিশ্চিতে অবদান রেখেছেন নাসির ও ইমাদ ওয়াসিম। নাসিরের ব্যাট থেকে আসে ১৪টি চার ও দুটি ছক্কার মার, যেখানে তার ইনিংসটা ছিলো ৫০ বলে ৯০ রান। ইমাদ ওয়াসিম ক্যামিও হিসেবে ১৬ বলে ২৯ রান করেন।

    অপর দিকে, নোয়াখালী ব্যাটিংয়ে শুরুতেই বিপদে পড়ে গেলে পাওয়ার প্লে’তেই তিন উইকেট হারায়। সাউম্য সরকার মাত্র এক রান করে ফিরে যান, এরপর হাবিবুর রহমান সোহানও ছয় রানে আউট হন। মুনিম শাহরিয়ারও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি, তিনি ছয় বলে দুই রান করে আউট হন। এই সব উইকেটের পতনে ১৮ রানেই ত্রিফলা দলের।

    ৪০ রানের মধ্যে আরও দুটি উইকেট পড়ে। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে ফিরিয়ে দেন জিয়া শরিফি, এবং মাজ সাদাকাতকে আউট করেন নাসিরের বলে। মোট ৪০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে নোয়াখালী সংগ্রহ করে ১৩৩ রান। শেষের দিকে মোহাম্মদ নবি ও হায়দার আলী দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তাঁদের অনবদ্য জুটিতে হয় ৯০ রানের পার্টনারশিপ।

    অবশেষে, ৩৩ বলে ৪২ রান করা নাবি আর হায়দার আলীর ব্যাটে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৩৩ রানের সংগ্রহ গড়ে নোয়াখালী। তবে এই চেলে তারা জিততে পারেনি, কারণ ঢাকার তিনজন বোলারই কার্যকরভাবে তাদের অল্প রানে আটকে রেখেছেন।