Author: bangladiganta

  • ছাত্রী হোস্টেলে মিলল বালতিতে ভরে যৌন সুরক্ষাসামগ্রী, সুপার ও বিভাগের প্রধানকে অব্যাহতি

    ছাত্রী হোস্টেলে মিলল বালতিতে ভরে যৌন সুরক্ষাসামগ্রী, সুপার ও বিভাগের প্রধানকে অব্যাহতি

    সুনামগঞ্জের এক সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে বালতিতে ভরে থাকা যৌন সুরক্ষাসামগ্রী (কনডম) পাওয়ার ঘটনা সেখানকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবল অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর শিক্ষার্থীরাbě protest প্রদর্শন করলে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে হোস্টেল সুপার ও ইতিহাস বিভাগের প্রধানকে অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিনভর চলা বিক্ষোভের পাশাপাশি প্রশাসন বিবৃতি দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়। এই ঘটনা ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করে সামগ্রিক পরিস্থিতি শান্ত করতে প্রশাসন দ্রুত বিকল্পসমূহ গ্রহণ করে।

    কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এই বিষয়ে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে হোস্টেল সুপার ও ইতিহাস বিভাগের প্রধানকে ছাত্রী হোস্টেলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ও বিস্তারিত তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে, বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কলেজের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অভিযোগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভ করেন। তারা দাবি করেন, নানা অনিয়ম, দুর্নীতি এবং হোস্টেলে অশ্লীল কার্যকলাপের মত অভিযোগের পাশাপাশি সম্প্রতি বালতিতে ভরে থাকা কনডম পাওয়ার ঘটনাও আলোচনায় আসে। শিক্ষার্থীরা বলেন, এই পরিস্থিতি স্বার্থান্বেষী দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকতে পারে।

    বিক্ষোভের সময় শিক্ষার্থীরা প্রধান সড়ক দিয়ে মিছিল করে আবার কলেজ প্রাঙ্গণে ফিরে এসে অবস্থান নেন। তারা অনিয়মের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের কড়া শাস্তি ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর মাধ্যমে পরিস্থিতি কিছুটা সামলানো হয়, তবে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানানো হলেও তারা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেরি করেন বা কিছুই করেননি। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া অপরিহার্য, যাতে দোষী ব্যক্তিরা চিহ্নিত হয়ে যথাযথ শাস্তি পায়।

  • সরকারের ঘোষণা: ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

    সরকারের ঘোষণা: ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

    বাংলাদেশ সরকার নতুন এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে, যা কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সরকার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ঘোষণা বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সরকারী মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সরকারের এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের শক্তিমত্তা বাড়ানো।

    অর্থনৈতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে কৃষকদের কাছ থেকে প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা সুদসহ ঋণ পাওয়া গেছে। এই ঋণের মধ্যে মওকুফের আওতায় আসবে অনেক।

    যদি এই ঋণ মওকুফ করা হয়, তাহলে প্রায় ১২ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ঋণের দায় থেকে মুক্তি পাবেন, যা তাদের জন্য একটি নতুন উৎসাহের সৃষ্টি করবে। তারা এই অর্থ দিয়ে উন্নত মানের বীজ, আধুনিক সেচ ব্যবস্থার প্রযুক্তি বা অন্যান্য উন্নত উপকরণে বিনিয়োগ করতে পারেন। এর ফলে তারা পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন এবং তাদের উৎপাদন বাড়বে।

    এছাড়া, ঋণের বোঝা উঠলে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড উন্নত হবে এবং তারা ব্যাংক থেকে পুনরায় কম সুদে ঋণ পেতে পারবেন। এটি তাদের মহাজনী ঋণের উচ্চ সুদ থেকে রক্ষা করবে এবং বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো বলেন, ঋণের এই উদ্যোগের ফলে কৃষকরা শস্য, মাছ ও পশুপালন খাতে বেশি উৎসাহিত হবেন। এর ফলে দেশের মোট কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং প্রয়োজনের তুলনায় আমদানি কমে আসবে। এছাড়াও, এই সিদ্ধান্তের ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে দেখা যাচ্ছে, গ্রামাঞ্চলে থেকে শহরের দিকে মানুষজনের চলাচল কমবে, এবং গ্রামীণ মূল্যস্ফীতিও হ্রাস পাবে।

    প্রতিষ্ঠানিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ১৯৯১-১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের সময়ও কৃষিঋণের সুদ-আসল ৫ হাজার টাকার মধ্যে মওকুফ করা হয়েছিল, যা কৃষকদের জন্য অনেক সহায়ক হয় এবং কৃষির উৎপাদন বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এই পুরানো অভিজ্ঞতা থেকেই বোঝা যায়, বর্তমান উদ্যোগও কৃষকদের জন্য স্বস্তি আনবে এবং দেশের কৃষি উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

  • নিয়োগ পরীক্ষায় জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় সব প্রার্থী ফেল

    নিয়োগ পরীক্ষায় জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় সব প্রার্থী ফেল

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) নিয়োগের জন্য অনুষ্ঠিত বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৮ জন প্রার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। কারণ, লিখিত পরীক্ষার সময় বাংলার জাতীয় সংগীতটি শুদ্ধভাবে লিখতে পারেননি কেউই। এই ফলাফলে সবাই ব্যর্থ হন এবং পাসের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই নিয়োগ পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তিরনইহাট, তেঁতুলিয়া, শালবাহান ও দেবনগর ইউনিয়নের পাঁচটি মহল্লাদার পদে গ্রাম পুলিশ নিয়োগের জন্য এই পরীক্ষা আয়োজন করা হয়। এসব পদে দরখাস্ত করেছিলেন মোট ৩৮ জন প্রার্থী।

    পরীক্ষার শুরুতে প্রথমে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষা নেওয়া হয়। এরপর, নিয়োগ কমিটির নির্দেশনায় মেধারূপে প্রার্থীদের বাংলা ও সাধারণ জ্ঞানের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এই পরিক্ষার অংশ হিসেবে তাদের জন্য ১৫ মিনিটের সময় নির্ধারিত করা হয় যেখানে তারা বাংলায় জাতীয় সংগীতের লেখাটি লিখতে পারতেন। কিন্তু সময়ের মধ্যে কেউই শুদ্ধভাবে তা লিখতে সক্ষম হননি। ফলে, কেউই উত্তীর্ণ ঘোষণা করা যায়নি এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এমন ঘটনা এই প্রথম। ঘটনাটি জানতে পেয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। কিছু স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, গ্রাম পুলিশের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগের জন্য কমপক্ষে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সাধারণ জ্ঞান থাকা আবশ্যক। অন্যদিকে, কঠোর মেধা পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের প্রশংসা করেছেন নিয়োগ কমিটির সদস্যরা।

    নিয়োগ বাছাই কমিটির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, তেঁতুলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আকাশ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যানরা।

    তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নিয়োগ কমিটির সভাপতিযে বলেন, ‘শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে যখন প্রার্থীদের মেধা পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছিল, তখন খুবই দুঃখজনক ভাবে দেখা যায়, কেউই জাতীয় সংগীতের পাণ্ডিত্য দেখাতে পারেননি। চাকরির জন্য সাধারণ জ্ঞান ও দেশের প্রতি প্রেম থাকা অত্যন্ত জরুরি। এমন অজ্ঞতার বিষয়টি আমাদের সবাইকে হতবাক করে দেয়।’

    উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই পরীক্ষায় সবাই উত্তীর্ণ না হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে পুনরায় নিয়োগের জন্য নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তবে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরও কঠোর মানদণ্ডে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনার উপায় ভাবা হচ্ছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: বইমেলা হোক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের কেন্দ্র

    প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: বইমেলা হোক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের কেন্দ্র

    অমর একুশে বইমেলাকে শুধু বই কেনাবেচার উৎসব হিসেবে না দেখে, বরং এটি শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের অন্যতম মূল সূতিকাগার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জোর দিয়ে নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশে বইমেলা ও বিশেষ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী মুহূর্তে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বললেন, ‘বই শুধু বিদ্যা ও জ্ঞানের উৎস নয়, এটি অবসরের সঙ্গী ও মস্তিষ্কের জন্য এক ধরনের ব্যাংক। নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মানুষকে স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আলজাইমার বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমায়।’

    তরুণ প্রজন্মের ইন্টারনেটে আসক্তি এবং বইবিমুখতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেটে বই পড়া সম্ভব হলেও কাগজের পাতায় কালো অক্ষরের গভীরতা অনন্য। গবেষকেরা বলছেন, অতি ইন্টারনেট আসক্তি শিক্ষার্থীদের বই পড়ার আগ্রহ হ্রাস করে দেয়। তাই আমাদের অবশ্যই এমন উপায় খুঁজে বের করতে হবে যাতে তরুণরা বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়।’

    এছাড়া, তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জরিপের তথ্য উল্লেখ করে জানান, ১০২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশে বই পড়ার প্রবণতা ৯৭তম। দেশে প্রতি বছর গড়ে মাত্র ৩টি বই পড়ে মানুষ। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য অমর একুশে বইমেলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে কাজ করতে তিনি আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যত পরিকল্পনা হিসেবে ঘোষণা করেন, আগামী বছরগুলোতে অমর একুশে বইমেলাকে ‘অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা’ হিসাবে আয়োজনের প্রস্তাব। এতে বিশ্ব সাহিত্যের পরিচিতি ও ভাষা শেখার সুযোগ বাড়বে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। এছাড়াও, বাংলা ভাষার জন্য জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষার স্বীকৃতি পাওয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

    দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং জবাবদিহি করা সরকার দেশকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায়। বইমেলা যেন শুধু বাংলা একাডেমি বা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং সারা দেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে, এ জন্য সরকারের ও প্রকাশকদের অবশ্যই উদ্যোগ নিতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বাংলা একাডেমি তরুণ লেখকদের প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে অনুবাদ কার্যক্রম জোরদার করছে। তিনি সবাইকে একটি মানবিক, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দল-মত নির্বিশেষে সহযোগিতা কামনা করেন।

    উপসংহারে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে ধারণ করে সব ধরণের অন্ধকার ও পশ্চাৎপদতা নির্মূলের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং ২০২৬年的 বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

  • রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক ছাত্রীয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানায়, সিভিল পোশাকধারীদের সহায়তায় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়ার পরে রাতের মধ্যে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় মরদেহ।

    নিহত ছাত্রীটির নাম মাহমুদা আক্তার জেরিন। তিনি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের তৃতীয় বছর শিক্ষার্থী। তার বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার বাসিন্দা।

    বসুন্ধরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল ওয়াদুদ জানান, নিহতের রুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া গেছে। তদন্তের প্রক্রিয়াতে দেখা গেছে, ওই সময়ে তিনি একাই ছিলেন। মরদেহ উদ্ধার শেষে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পুলিশ এখনও মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি, তবে এটি আত্মহত্যা বলে প্রাথমিক ধারণা করছে।

  • কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি বাজিয়েছেন ভক্তদের মন

    কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি বাজিয়েছেন ভক্তদের মন

    আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাবে মেগাস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’। এই ছবির শুটিং বর্তমানে কলকাতায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে চলমান। ঢালিউডের এই সুপারস্টার বিভিন্ন শহর ও এলাকা যেমন বৌবাজার, হাওড়া ও আলিপুরে সিনেমার দৃশ্যধারণের জন্য ছুটে যাচ্ছেন। সম্প্রতি ভারতের জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজারের নজরে এসেছে শাকিব খানের নতুন বেশে কিছু ছবি, যেখানে তিনি গ্যাংস্টার চরিত্রে আউটফিটে হাজির হয়েছেন।

  • কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার

    কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার

    বিতর্কিত কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একটি তরুণীকে আটকে রেখে হেনস্তা ও আপত্তিজনক ছবি তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি অভিযোগে ভিত্তি করে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার বটতলা থেকে ডেমরা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

    ডিএমপির ডেমরা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন নিশ্চিত করেছেন যে, নোবলের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার বিচারাধীন রয়েছে, যেখানে অভিযোগ করা হয় তিনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে আটকে রাখেন এবং তার মানসম্মান ক্ষুণ্ণ করার জন্য হেনস্তা করেন। সেই মামলার ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি থানা হেফাজতে আছেন এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণীকে নোবেল তার নিজস্ব স্টুডিওতে একদিন আটকে রাখেন, একটি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে। এসময় তার অনুমতি ছাড়া জোরপূর্বকভাবে অসামাজিক ছবি ও ভিডিও তৈরির চেষ্টা করেন।

    পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনা সম্পর্কিত অভিযোগ তিনি ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট আদালতে দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার পিবিআইকে দেওয়া হয়, যারা ২৬ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর আদালত ৪ জনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে। বর্তমানে মামলার অনুসারে, ডেমরা থানার পুলিশ তাদের আইনের আওতায় এনে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে পাঠানোর প্রক্রিয়া underway।

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছেন। গত সোমবার দুপুরে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি বিস্তারিত পোস্ট করেন, যেখানে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানহানিকর প্রচার চালানো হচ্ছে, যার বিরুদ্ধে তিনি ইতোমধ্যেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

    পোস্টে মেহজাবীন স্পষ্টভাবে বলেন, সম্প্রতি যেসব খবর ছড়ানো হয়েছে, সেগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। তিনি বলেন, কখনোই বিমানবন্দরে তার কোনও হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজ বা কোনও কিছু আটকানো হয়নি, এবং তার বিরুদ্ধে কোনও ধরনের অবৈধ পণ্য পাওয়ার প্রমাণও নেই। এমনকি, কোনো বিমানবন্দর কর্মকর্তার কাছ থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ বা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়নি।

    অভিনেত্রী প্রশ্ন করেন, এই সমস্ত অভিযোগের প্রমাণ কি কোথাও আছে? তিনি কড়াকড়ি করে উল্লেখ করেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজকাল মানহানি বেশ সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা সংবাদ ছড়ানো হয়েছে, তার কোনও সত্যতা নেই এবং তার লাগেজ বা ব্যক্তিগত জিনিসের মধ্যে কোনও অবৈধ বিষয় পাওয়া যায়নি। কিন্তু তবুও তার ছবি ব্যবহার করে এই অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

    মেহজাবীন এই ঘটনাটিকে খুবই উদ্বেগজনক বলেও উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, এই ধরণের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া খুবই দুঃখজনক। তিনি আবারও স্পষ্ট করে বলতে চান, তিনি এইসব অভিযোগের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে অসংলগ্ন এবং তার কোনও ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই।

    এর আগে রোববার সকালে তিনি একটি পোস্টে উল্লেখ করেন যে, কিছু দিন ধরেই তার উপর নানা ধরনের অপ্রত্যাশিত আক্রমণ ও টার্গেট করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, তিন মাস আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনি কিছু আইনি জটিলতার মধ্যে ছিলেন, তবে পরবর্তীতে আদালত থেকে তিনি সুষ্ঠু অব্যাহতি পান।

    বিতর্কের সূত্রপাত হয় এক সংবাদে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে, ১৭ আগস্ট ব্যাংককে ফেরার পথে মেহজাবীন ও তার স্বামী মদের বোতলসহ বিমানবন্দরে আটক হয়েছেন। তবে এই তথ্যের কোনও সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই অসত্য অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই সমস্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তিনি আদালতের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং আইনি পথে হাঁটবেন।

  • ইত্যাদির মঞ্চে দর্শকদের সঙ্গে অভিনয় করলেন মোশাররফ করিম

    ইত্যাদির মঞ্চে দর্শকদের সঙ্গে অভিনয় করলেন মোশাররফ করিম

    ঈদ মৌসুমে বাংলাদেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ প্রতি বছরের মতো এবারও বর্ণিল ও রঙিন আয়োজনে সাজানো হয়েছে। বিশেষ এই পর্বে দর্শকদের আনন্দ দিতে বিভিন্ন চমক নিয়ে হাজির হয়েছে অনুষ্ঠান। এবারের পর্বে দ্যুতিময় উপস্থিতিতে অতিথি হিসেবে দেখা যাবে জনপ্রিয় এবং বহুমুখী অভিনেতা মোশাররফ করিমকে। জানা গেছে, নির্বাচিত চারজন দর্শকের সঙ্গে মঞ্চে সরাসরি অভিনয় করে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

    হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’ সব সময়ই সমৃদ্ধ হয় নানা রঙে। এবারেও তারা নিশ্চিত করেছেন দর্শকদের জন্য অপ্রত্যাশিত এক অভিজ্ঞতা। নির্বাচিত দর্শকদের সঙ্গে মোশাররফ করিম তাত্ক্ষ্ণিক প্রস্তুতিতে নাটকীয়ভাবে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যা পুরো অনুষ্ঠানকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে। এই অভিনয়ই শুধু নয়, এতে সমাজের বিভিন্ন অস্পষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    অতিরিক্ত জানা গেছে, সাধারণত ‘ইত্যাদি’ র মনোযোগী দর্শকদের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে নির্বাচন চালানো হলেও, এবারের বিশেষ পর্বে বিভিন্ন উপকরণ এবং ইন্টারেক্টিভ মাধ্যমে দর্শকদের বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে নির্বাচিত চারজন দর্শক এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    উল্লেখ্য, এই বিশেষ পর্বটি ঈদের পরদিন রাত ৮টায় বাংলা সংবাদের পরে বিটিভিতে প্রচারিত হবে। ‘ইত্যাদি’র এই অসাধারণ আয়োজনের রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা পরিচালক হানিফ সংকেত নিজেই করেছেন। অনুষ্ঠানটির নির্মাণ করেছে ‘ফাগুন অডিও ভিশন’।

  • প্রথমবারের মতো টেলিভিশনে আসছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘উৎসব’

    প্রথমবারের মতো টেলিভিশনে আসছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘উৎসব’

    প্রথমবারের মতো টিভির পর্দায় দেখা যাবে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের পছন্দের সিনেমা ‘উৎসব’। এই আলোচিত সিনেমাটি এ বছর ঈদুল ফিতরে মাছরাঙা টেলিভিশনে সবার জন্য উপভোগযোগ্য করে তুলবে। ঈদের দিন দুপুর ২:২০ মিনিটে এটি প্রচারিত হবে, যেখানে থাকছে তারকাসমৃদ্ধ এক জাঁকজমকপূর্ণ নাট্য শিল্পকর্ম।

    এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন তরুণ পরিচালক তানিম নূর। এতে অভিনয় করেছেন দেশের দুর্বার তারকারা—জাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসান, অপি করিম, আফসানা মিমি, তারিক আনাম খান, আজাদ আবুল কালাম, ইন্তেখাব দিনার, সুনেরাহ বিনতে কামাল, সৌম্যজ্যোতি, সাদিয়া আয়মানসহ আরও অনেকেই।

    ২০০৮ সালে মুক্তি পায় ‘উৎসব’, যা দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা লাভ করেছে। এটি শুধু দেশের নয়, ইউরোপ ও আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহেও দর্শকের ভিড় উপভোগ করেছে।

    এছাড়া, সিনেমাটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’তে মুক্তি পেলেও, টেলিভিশনে হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। অবশেষে, মাছরাঙা টেলিভিশন এই ব্যবস্থাকে আরও সহজ করে তুলল।

    সিনেমাটি নব্বইয়ের দশকের সময়কালে নির্মিত হওয়া একটি গভীর হাস্যরস ও নাটকীয়তায় ভরা 작품। এটি মূলত কিংবদন্তি ইংরেজ ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত গল্প ‘এ ক্রিস্টমাস ক্যারল’ এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। সিনেমাটির গল্পের মধ্যে রয়েছে মানবিক মূল্যবোধ, হাস্যরস ও মানবেতর পরিস্থিতির মোড়। দর্শকদের জন্য এই ঈদে উপভোগ্য এক নতুন অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে ‘উৎসব’ সিনেমাটি।