Author: bangladiganta

  • বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বিশিষ্ট Bangla চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ সোমবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি রাজধানী ধানমন্ডির এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    চলচ্চিত্র পরিচালকের বন্ধু এবং দুইজনের সহকর্মী কবিরুল ইসলাম রানা নিশ্চিত করেছেন, শুক্রবার বিকেলেও তার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। রোববার দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যুর খবর পৌঁছায়।

    কবিরুল ইসলাম রানা আরও জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়েছিল চিকিৎসার জন্য। সেখানে তিনি সফল চিকিৎসা নিয়ে ফিরে এসেছিলেন এবং সুস্থ ছিলেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বাংলার চলচ্চিত্রে অসংখ্য কাজ করেছেন। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন ছেলের জনক, যারা সবই এখন আমেরিকায় থাকেন।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছর উপলক্ষে বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক করণ জোহর একের পর এক চমক নিয়ে ফিরছেন দর্শকদের জন্য। প্রথমে জানা গিয়েছিল, তিনি একটি পারিবারিক ছবি নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন, যা মূলত একটি আবেগপূর্ণ ফ্যামিলি ড্রামা। কিন্তু ভক্তরা ধারণা করেননি যে, এই সিনেমার মধ্যে থাকবে জনপ্রিয় সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল।

    পিঙ্কভিলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, করণ জোহর এখন তার পরবর্তী সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা তার রক্ষণমুক্ত রোমান্টিক কমেডি ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’র পরবর্তী প্রজেক্ট। নতুন ছবি ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হবে এবং প্রি-প্রোডাকশনের কাজ ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হবে। শুটিংয়ের কাজ শেষ হবে এই বছরের শেষের দিকেই বলে জানা গেছে।

    এছাড়াও, সিনেমাটির কাস্টিং প্রক্রিয়া খুব দ্রুত শুরু হবে যেখানে দুজন নায়ক ও দুজন নায়িকা থাকবেন। কাস্টিংয়ের ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে শিগগিরই এ ব্যাপারে ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রতিবেদনটি আরও জানিয়েছে যে, এই নতুন সিনেমার নাম ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’ হতে পারে, তবে এই বিষয়ে কিছু অফিসিয়াল নিশ্চিতকরণ এখনো হয়নি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা যায়নি।

    প্রায় ২৫ বছর আগে, অর্থাৎ ২০০১ সালে, করণের সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ মুক্তি পায় এবং তা তার ক্যারিয়ারে একেবারে সুপারহিট হয়ে ওঠে। এখন সেই হিট সিনেমার দ্বিতীয় অংশের কাজ শুরু বা তার সম্ভাব্য সূচনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    এছাড়াও, করণের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলির মধ্যে রয়েছে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কভি খুশি কাভি গাম’, ‘কভি আলবিদা না কেহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘আয়ে দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’ এবং ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহিনী’।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সংরণের জন্য আলাদা স্মরণসভা কেন, জেলা জানালেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সংরণের জন্য আলাদা স্মরণসভা কেন, জেলা জানালেন হেমা মালিনী

    প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী পৃথক একটি স্মরণসভা আয়োজন করেছেন। এর কারণে ভারতের 娱乐 জগতে বিভিন্ন জল্পনা বাড়তে থাকলেও হেমা মালিনী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই আলাদা আয়োজনের পেছনে কোনো পারিবারিক বিভেদ বা দ্বন্দ্ব নেই। তিনি বলেছেন, এটি একান্ত পারিবারিক বিষয় নয়, বরং তার নিজের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বলেন, আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলেই বলিউডের বাইরেও আমার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জন্য আলাদাভাবে এই স্মরণসভা করি। বিশেষ করে, আমার নির্বাচনি এলাকা মথুরায় মানুষের আবেগ ও অনুভূতির কথা ভেবে সেখানে আমি আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিবারে কোনো ধরনের ভাঙন বা মনোমালিন্য হয়নি এবং সবাই নিজ নিজ রীতিনীতি অনুসারে ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।

    প্রসঙ্গত, গত বছর ২৪ নভেম্বর বলিউডের ‘হিম্যান’ খ্যাত অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। তাঁর মৃত্যুর পর ৩ ডিসেম্বর হরিদ্বারে মরদেহের অস্থি বিসর্জন সম্পন্ন হয়। তবে, এই দাফন ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে দেখা যায়নি, যা ঘিরে বেশ কিছু গুঞ্জন দেখা যায় বলিউড মহলে।

    হেমা মালিনী এই গুঞ্জনগুলোকে نাকেশ করেছেন এবং বলেছেন, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সংরক্ষণে সানি দেওল বড় পরিকল্পনা নিচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন, মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় অবস্থিত ধর্মেন্দ্রর ১০০ একর জমির ওপর নির্মিত ফার্মহাউসটিকে ভবিষ্যতে একটি জাদুঘর বা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। হেমা মালিনী আরও বলেন, এই উদ্যোগটি ধর্মেন্দ্রর ভক্ত ও অনুরাগীদের জন্য একটি বড় উপহার হবে এবং তার স্মৃতি চিরদিন অম্লান থাকবে।

  • অ্যাশেজের শেষ দিনে রোমাঞ্চ, বিদায়ী টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়

    অ্যাশেজের শেষ দিনে রোমাঞ্চ, বিদায়ী টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়

    অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের প্রিয় তারকা উসমান খাজার একক বৈচিত্র্যপূর্ণ ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে গেল সিডনিতে। চলতি ঐতিহাসিক অ্যাশেজের শেষ দিনটি ছিল রোমাঞ্চের แอড়াও। ১৫ বছর আগে সিডনিতে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু হওয়ার পর, অবশেষে তিনি শেষ ম্যাচটিও খেললেন এই ঐতিহাসিক মঞ্চে। যদিও ব্যাট হাতে তিনি ম্যাচের রূপ বদলে দিতে পারলেন না, তবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য এ ছিল এক দারুণ স্মৃতি। স্বাগতিক দল ৫ উইকেটের জয়ে সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে জিতে নিলো এই প্রতিবাদী সিরিজের আয়োজনে নতুন ইতিহাস গড়ে।

    অ্যাশেজের ফল আগেই নির্ধারিত ছিল কারণ অস্ট্রেলিয়ার টানা তিন ম্যাচ জয়ে সিরিজের ভাগ্য দৃঢ়ভাবে তাদের পক্ষে গড়ে উঠেছিল। মেলবোর্নের চতুর্থ টেস্ট জিতে ইংল্যান্ড কনট্রাক্ট হোয়াইটওয়াশের হাত থেকে রক্ষা পেল। এই চতুর্থ ম্যাচটি বিশেষ হয়ে উঠেছিল খাজার কারণে। এছাড়াও ছিল সহজ বাড়তি আগ্রহ কি এই ম্যাচটি আর পঞ্চম দিন পর্যন্ত গড়াতে পারবে কি না, কারণ আগের চারটি টেস্ট ১৩ দিনে শেষ হওয়ায় আয়ের ক্ষতি ও উইকেটের সংকট তৈরি হয়েছিল। সিরিজের সমাপ্তি এই উদ্বেগের কিছুটা হলেও মিটিয়ে দিল।

    সিডনি টেস্টের প্রথম চার দিনই দেখিয়েছিল ইংল্যান্ডের হার খুব কাছাকাছি। দিন শেষে তাদের লিড ছিল মাত্র ১১৯ রান, যেখানে ২ উইকেট হাতে রেখে ব্যাট করছিলেন সেঞ্চুরিয়ান জ্যাকব বেথেল। আশা ছিল, তার ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ তৈরি হবে। কিন্তু বিয়ের দিন শেষ করে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ১৬০ রানে। এর মধ্যে ৬২ রানের ওপেনিং জুটিতে ট্রাভিস হেড ও জ্যাক ওয়েদারল্ড পাওয়া গেলো স্বস্তির সূচনা। এরপর ম্যাচে নাটকতা ফিরে এলো যখন অস্ট্রেলিয়া ৫৫ রানের ব্যবধানে তাদের ৫ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লো। এরপর ধৈর্য্য ও সামনের দিনগুলো সুসংহত ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে গেল।

    অংলীগের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ফুটে ওঠে আরও উত্তেজনা। জ্যাকব বেথেল শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ১২ রানে, আর বেশ কিছু তারকা ব্যাটসম্যানদের ব্যাট এসবের মধ্যে ভর করেছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ দিনে তাদের জয়ের জন্য দরকার ছিল সামান্য খানেক। দলটির জন্য ছিল উদযাপনের দিন, যখন খাজার বিদায়ের স্মৃতি তিনি অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুললেন। ৩৯ বছর বয়সী এই বাঁ-হাতি ক্রিকেটারকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। সবুজ গালিচায় গিয়ে মাথা নোয়ে বিদায় জানানো, কোলাহলপূর্ণ গ্যালারির করতালিতে তিনি বিদায়ের স্বীকৃতি পেলেন।

    অস্ট্রেলিয়ায় তিনি খেলেছেন মোট ৮৮টি টেস্ট, ৪০টি ওয়ানডে এবং ৯টি টি-টোয়েন্টি। ক্যারিয়ারে তিনি ডাবল সেঞ্চুরি, ১৮টি সেঞ্চুরি এবং ৪১টি হাফসেঞ্চুরি সহ মোট রান করেছেন ৮০২৪। তার এই অবদান ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরজাগরুক হয়ে থাকবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনের অবসান ঘটলো, যেখানে তিনি স্মৃতি হয়ে রইলেন সকলের জন্য।

  • উসমান খাজার বিদায়: শেষবার মাঠে সিজদায় অবনত

    উসমান খাজার বিদায়: শেষবার মাঠে সিজদায় অবনত

    সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে উসমান খাজার বিদায় অনুষ্ঠান ছিল আবেগপ্রবণ ও স্মরণীয় এক মুহূর্ত। তার এই শেষ টেস্টে দর্শকেরা চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি, đặcově তার স্ত্রীর চোখেও বিন্দু বিন্দু অশ্রু ঝরে পড়ে। ক্যামেরায় ধরা সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা সকলের হৃদয় স্পর্শ করে। ফুটে ওঠে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের শেষ পর্বে থাকা এক ক্রিকেটারের ত্যাগ, সংগ্রাম এবং প্রেমের গল্প।

    খেলার শেষ ইনিংসের শুরু ছিল আশাব্যঞ্জক। উইল জ্যাকসের ঘূর্ণি বলের ওপর দিয়ে সুন্দর একটি ফ্লিক করে চার মারেন খাজা, রানের খাতা খোলার জন্য। কিন্তু এরপর খুব বেশি দূর যায়নি গল্প। জশ টাংয়ের বলের চপ ডাইন হয়ে তিনি মাত্র ১৭ রান করে ফিরে যান।

    তবে মাঠ ছাড়ার সময় দর্শকরা তাকে সম্মান ও ভালবাসা জানাতে কুপোকাত ছিলেন। দাঁড়িয়ে করতালিতে ভাসিয়ে দেন তাঁকে। মাঠে হাঁটু গেড়ে চুমু খান ও ধন্যবাদ জানান সৃষ্টিকর্তাকে। বিদায়ের মুহূর্তে স্টেডিয়াম ভেসে ওঠে আবেগে। গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে থাকা র‌্যাচেল খাজার চোখের জলও ঝরতে দেখা যায়।

    খেলা শেষে নিজের শেষ টেস্ট ইনিংসের অনুভূতি প্রকাশ করেন খাজা। হতাশা, কৃতজ্ঞতা ও প্রেমের মিশ্র ভাষায় তিনি বলেন, “চপড অন হওয়ার কারণে একটু বিরক্তি হয়েছিল। সবসময় রূপকথার মতো শেষ হয় না। তবে কিছুক্ষণ পরে সেটা ভুলে গেলাম। তখন আমি তাকালাম র‌্যাচেলের দিকে ও ওর সাথে কিছু মুহূর্ত ভাগ করলাম। পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিল, ওদের দিকে চুমু দিয়ে আমি ধন্যবাদ জানাই।”

    স্ত্রীর অবদান স্বীকার করে তিনি বলেন, “ও না থাকলে আমি আজ এখানে থাকতাম না। মানসিক, আবেগিক ও ব্যক্তিগতভাবে ও আমার সবচেয়ে বড় ভরসা। এই শেষবার মাঠ ছাড়ার মুহূর্তে ওর কাছে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সবচেয়ে স্পেশাল মুহূর্ত ছিল এটি।” ৩৯ বছর বয়সী খাজা তার টেস্ট ক্যারিয়ার ৬,২২৯ রান করে শেষ করেছেন, গড় ৪৩.২৫। অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তিনি আছেন ১৪ নম্বরে।

    সিডনি মাঠে ক্যারিয়ার শেষ করার মধ্যে দিয়ে তার জন্য ছিল বিশেষ এক মুহূর্ত। এই মাঠই ছিল তার টেস্ট অভিষেকের স্থান, ২০১০-১১ অ্যাশেজ সিরিজে। ঐ ম্যাচে তিনি প্রথম ইনিংসে ৩৭ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২১ রান করেছিলেন। তার শান্ত, ধীরস্থির ব্যাটিং style পরবর্তীতে তার পরিচয় হয়ে ওঠে। ইসলামাবাদে জন্ম নেওয়া এই ক্রিকেটার ছোটবেলায় পাড়ি জমান অস্ট্রেলিয়ায়, যেখানে তিনি হয়ে ওঠেন অস্ট্রেলিয়ার প্রথম পাকিস্তান-জন্ম নেওয়া ও প্রথম মুসলিম টেস্ট ক্রিকেটার।

    অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মোট ৮৮টি টেস্টে ১৬টি সেঞ্চুরিসহ তিনি ছিলেন দলের মূল ভরসা। পাশাপাশি খেলেছেন ৪০টি ওয়ানডে ও ৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। মাঠের বাইরের জীবনেও তার আধ্যাত্মিকতা এবং ক্রিকেটে অবদান নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

  • বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নতুন চমক

    বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নতুন চমক

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের জন্য দল ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৫ সদস্যের প্রধান দলে ছাড়াও পাঁচজন স্ট্যান্ডবাই ক্রিকেটারকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে বাংলাদেশ মূলপর্বে উঠার জন্য লড়াই করবে। এই বাছাইপর্বটি শুরু হবে ১৮ জুন থেকে নেপালে। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, পাপুয়া নিউগিনি ও যুক্তরাষ্ট্র। মোট দশ দল দুটো গ্রুপে বিভক্ত হয়েছে। অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে জিম্বাবুয়ে, স্কটল্যান্ড, থাইল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও নেপাল। বাছাইপর্বের প্রথম দিন, অর্থাৎ ১৮ জানুয়ারি, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নামবে। এর পরে ২০ জানুয়ারি পাপুয়া নিউগিনি, ২২ জানুয়ারি নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে বাংলার মেয়েরা। ২৪ জানুয়ারি, গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। দুটি গ্রুপের শীর্ষ দলগুলো সুপার সিক্সে উঠবে, যেখানে তিনটি করে দল থাকব। এরপর সুপার সিক্স থেকে পয়েন্টের ভিত্তিতে সেরা চারটি দল সুযোগ পাবে আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশগ্রহণের জন্য। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সর্বশেষ সফরে নারী টি-টোয়েন্টি দলে থাকা লতা মণ্ডল ও তাজ নেহার এই বাছাইপর্বে জায়গা পাননি। তবে বড় চমক হিসেবে থাকছেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, যিনি একদম নতুন মুখ। ২০ বছরের এই উইকেটকিপার-ব্যাটার বিগত বছর বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন এবং এখানেও ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে মূল দলে সুযোগ পেলেন। বাংলাদেশ স্কোয়াডের মধ্যে আছেন: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার, সোবহানা মুস্তারি, ফারজানা হক, শারমিন আক্তার সুপ্তা, দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, রিতু মণি, ফাহিমা খাতুন, স্বর্ণা আক্তার, রাবেয়া খান, মারুফা আক্তার, ফারিহা ইসলাম, সানজিদা আক্তার মেঘলা ও সুলতানা খাতুন। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে থাকছেন: শারমিন সুলতানা, ফারজানা ইয়াসমিন, শরীফা খাতুন, ফাতেমা জাহান সোনিয়া ও হাবিবা ইসলাম পিংকি।

  • ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার ২০ ফুটবলার চূড়ান্ত, দেখুন কারা আছেন

    ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার ২০ ফুটবলার চূড়ান্ত, দেখুন কারা আছেন

    ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ এখনো অনেক দূরে, তবে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য স্কোয়াড নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা হাতে পাবো খুব শিগগিরই। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের প্রাথমিক দল ইতোমध्यেই তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ২০ জনের নাম অনেকটাই চূড়ান্ত। বাকিরা শেষ মুহূর্তের ফাইনাল সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।

    আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির দল মূলত গ্রুপ জে’ত খেলবে। এরশো ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযানের সূচনা হবে। এরপর ২২ জুন ডালাসে অস্ট্রিয়া এবং ২৭ জুন একই ভেন্যুতেই জর্ডানের বিপক্ষে খেলবেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    প্রায় নিশ্চিতভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন ২০ জন খেলোয়াড়। গোলরক্ষকের দলে প্রথম পছন্দ এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, যার সঙ্গে থাকবেন জেরোনিমো রুল্লি। রক্ষণভাগে থাকবেন নাহুয়েল মোলিনা, গঞ্জালো মন্টিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও নিকোলাস তালিয়াফিকো।

    মিডফিল্ডে স্কালোনির নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়রা হলো রদ্রিগো ডি পল, লিয়েন্দ্রো পারেদেস, এনজো ফার্নান্দেস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও জিওভানি লো সেলসো। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে গুরুত্ব পাচ্ছেন জুলিয়ানো সিমেওনে ও তরুণ নিকোলাস পাজ।

    অক্রমণভাগে সবচেয়ে বড় নাম তিনি লিওনেল মেসি। যদি তিনি খেলতে আগ্রহী থাকেন, তবে তার বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনাও উজ্জ্বল। তার সঙ্গে থাকবেন লাউতারো মার্টিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ, নিকোলাস গঞ্জালেস ও থিয়াগো আলমাদা।

    শেষ ছয়টি জায়গার জন্য কয়েকজন ফুটবলার মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। তৃতীয় গোলরক্ষক হিসেবে এগিয়ে থাকছেন ওয়াল্টার বেনিতেজ। রক্ষণে আলোচনায় আছেন হুয়ান ফয়েথ, লিওনার্দো বালের্দি, ফাকুন্দো মেদিনা ও মারকোস সেনেসি। অভিজ্ঞতার কারণে মারকোস আকুনিয়া এখনো অগ্রগামী, তবে তরুণ ক্লোদিও এচেভেরি ও ভ্যালেন্তিন কার্বোনি নজরে আছেন।

    মিডফিল্ডে এজাকুয়েল পালাসিওস ও ফ্রাঁকো মাস্তান্তুয়োনো দলে জায়গা পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফরোয়ার্ড পজিশনের জন্য আলোচনা চালাচ্ছেন হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ।

    অন্যদিকে চোট বা ধারাবাহিকতার অভাবে আপাতত জাতীয় দলে নেই পাউলো দিবালা। মেতিয়াস সুলে, আলান ভারেলা ও ফাকুন্দো কাম্বেসেসও এখনো নিজেদের প্রমাণ করার বাকি রয়েছে। তরুণ খেলোয়াড় ক্লোদিও এচেভেরি, ভ্যালেন্তিন কার্বোনি ও ভ্যালেন্তিন গোমেসের এখনো সময় রয়েছে নিজেদের সক্ষমতা দেখানোর জন্য।

    বিশেষ পরিস্থিতিতে আছেন আলেহান্দ্রো গার্নাচো। বড় ক্লাবে খেলে গেলেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে তার ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিয়মিত আলোচনা থাকলেও আনহেল কোরেয়া এখনো স্থায়ী স্থান পাননি। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সময় রয়েছে, তাই স্কালোনির চূড়ান্ত স্কোয়াডে পরিবর্তনের সুযোগও উন্মুক্ত।

  • বিসিবির নতুন চিঠি আইসিসিকে: বিস্তারিত জানালেন বোর্ড

    বিসিবির নতুন চিঠি আইসিসিকে: বিস্তারিত জানালেন বোর্ড

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আজ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসিকে), যেখানে বিষয়টির বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই চিঠি বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। এতে বোর্ড স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে কেন বাংলাদেশ দলের জন্য ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া এখনও অনুকূলে নয়। সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও রেফারেন্সগুলো সংযুক্ত করা হয়েছে, যা বোর্ডের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে এই ইমেইলের জবাব এখনো পাওয়া যায়নি; আশা করা হচ্ছে ১০ জানুয়ারি আইসিসির সিদ্ধান্তে এই ব্যাপারে স্পষ্টতা আসবে।

    গত রোববার বিসিবি আইসিসিকে জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে খেলা চালিয়ে যেতে পারবে না। এর পেছনে মূল কারণ ছিল আইসিসি-প্রতিষ্ঠিত বোকিং অ্যাণ্ড অ্যালার্মি (বাউন্স) সংক্রান্ত ঝুঁকি। তখন বিসিবি মনে করেছিল, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়, যা তার জন্য অযোগ্যতা সৃষ্টি করে।

    অভিযোগের পক্ষে উঠে আসে, আইপিএলের গত ডিসেম্বরের নিলামে কেকেআর তাকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেয়। এরপর, বিসিসিআই নির্দেশনা অনুযায়ী কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এই ঘটনাটিই মূলত বিসিবির সিদ্ধান্তে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

    তারপর, মঙ্গলবার আইসিসি একটি ফিরতি মেইল পাঠায়, যেখানে তারা বোর্ডের কাছে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ ও বিশদ জানার অনুরোধ জানায়। আজকের এই নতুন চিঠির মাধ্যমে বিসিবি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে এবং তাদের মতামত ও প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ প্রদান করেছে।

  • ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ, দেশের সব এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন

    ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ, দেশের সব এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন

    জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভটি এখন সহিংস রূপ নিয়ে তুলেছে পুরো ইরানজুড়ে। এরই মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার বিভিন্ন ডিজিটাল সেন্সরশিপ ব্যবস্থা চালু করেছে এবং সব ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। এই তথ্য দিয়েছে অনলাইন পর্যবেক্ষক গ্রুপ নেটব্লকস, যাদের মতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে দেশজুড়ে ইন্টারনেট সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট চলছে। বিচ্ছিন্নকরণের আগে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের দমন করতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সেন্সরশিপ আর নজরদারি। তাদের ভাষায়, এই সময়ে সাধারণ মানুষের যোগাযোগের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে, যা একটি সংকটের মতো।

  • জার্মান প্রেসিডেন্টের কড়া সমালোচনা: যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী বৈদেশিক নীতি বর্বরতা

    জার্মান প্রেসিডেন্টের কড়া সমালোচনা: যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী বৈদেশিক নীতি বর্বরতা

    জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ভাল্টার স্টাইনমায়ার যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির প্রতি কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন আর বিশ্ব ব্যবস্থার রক্ষক নয়, বরং তা ধ্বংসকারী শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে অভিযানের ঘটনা এবং গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এ ধরণের actions বা অপরাধগুলো বিশ্বকে একটি অস্থির পরিস্থিতিতে ঠেলে দিচ্ছে। স্টাইনমায়ার বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, এ ধরনের চরম দখলবাদী শক্তির হাতে পৃথিবী রাখা যাবে না। তিনি বলেন, নীতিহীন বৃহৎ শক্তিগুলো যা ইচ্ছে তাই করতে পারে, আর পুরো বিশ্বকে তারা নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করে—এ ধরনের অবস্থা মানা হবে না। সাবেক এই জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন আচরণকে ইতিহাসের দ্বিতীয় ‘মর্মান্তিক ভাঙনের’ মতো উল্লেখ করে বলেন, রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখল ও ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন এই দুটি ঘটনা প্রথম ঐতিহাসিক ধাক্কা হিসেবে দেখা যায়। তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়া বিশ্ব ব্যবস্থা যেখানে অনেকটাই স্থিতিশীল ছিল, সেখানে এখন মূল্যবোধের অবক্ষয় ও আগ্রাসনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বড় বিপর্যয় ডেকে আনছে। এর ফলে বিশ্বে গণতন্ত্র প্রকৃতপক্ষে বেশ বিপদে পড়েছে। প্রেসিডেন্টের এই কড়া অবস্থান মূলত গত কয়েক দিনের অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতিরই প্রতিফলন। ইউরোপীয় নেতারা মনে করেন, মার্কিন অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে অপহরণের ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। এরই ধারাবাহিকতায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ডের দখলের হুমকি ন্যাটো জোটে গভীর বিভাজন সৃষ্টি করেছে। জার্মান প্রেসিডেন্ট মনে করেন, বর্তমান সঙ্কট কাটাতে কেবল ইউরোপ যথেষ্ট নয়; বিশ্বের অন্যান্য বড় শক্তিগুলোকেও, যেমন ব্রাজিল ও ভারতের মতো দেশগুলোকে, সক্রিয়ভাবে বৈশ্বিক আইনের জন্য কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “স্থিতিশীলতার স্বার্থে এসব দেশকে বৈশ্বিক আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।” উল্লেখ্য, যদিও জার্মানে প্রেসিডেন্টের পদটি মূলত সৌন্দর্য্যগত, তবু স্টাইনমায়ারের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক গুরুত্ব পাচ্ছে। বার্লিন এখন ওয়াশিংটনের নীতিমালা থেকে নিজেদের দূরত্ব বজায় রাখার পাল্টা বার্তা দিচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স।