Author: bangladiganta

  • অগণিত রেকর্ড ভেঙে এবার নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বড় প্রাইজমানি ঘোষণা

    অগণিত রেকর্ড ভেঙে এবার নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বড় প্রাইজমানি ঘোষণা

    নারী ক্রিকেট দ্রুতই এগিয়ে চলেছে বিশ্বজুড়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবার নতুন করে অসামান্য এক উদ্যোগ নিল। ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, যার জন্য আইসিসি ঘোষণা করেছে একটি রেকর্ড পরিমাণ অর্থপ্রাপ্তি, যা আগের আসরটির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই সিদ্ধান্ত নারী ক্রিকেটে বিনিয়োগ ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    আসন্ন এই টুর্নামেন্টটি ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মোট প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ১০৮ কোটি বাংলাদেশি টাকা)। এর আগে ২০২৪ সালে এই অর্থ ছিল প্রায় ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ডলার, অর্থাৎ এ যাবৎকালের মধ্যে প্রাইজমানির বৃদ্ধি প্রায় ১০ শতাংশ। এই বৃদ্ধি শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ার সাথে সঙ্গে নারীদের খেলার গুরুত্ব বাড়ার সুসংবাদ দিচ্ছে।

    চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার (প্রায় ৩০ কোটি টাকা), আর রানার্স-আপ দল পাবার সম্ভাবনা ১১ লাখ ৭০ হাজার ডলার (প্রায় ১৫ কোটি টাকা)। সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দুই দল প্রত্যেকে পাবেন ৬ লাখ ৭৫ হাজার ডলার (প্রায় ৯ কোটি টাকা)। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে জয়ী দলের জন্য প্রতিটি ম্যাচে পুরস্কার হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে ৩১,১৫৪ ডলার (প্রায় ৪০ লাখ টাকা)। এই অর্থের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১২টি দলই ন্যূনতম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ ডলার বা প্রায় ৩.৫ কোটি টাকা নিশ্চিতভাবে পাবে।

    এবারের টুর্নামেন্টে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তনের জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো ১২টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে, যা প্রতিযোগিতাকে আরও জৌলুসময় ও চ্যালেঞ্জিং করে তুলবে। আগে যেখানে দলসংখ্যা কম থাকাতে সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিযোগিতার মাত্রা সীমিত ছিল, বর্তমানে আরও বেশি দেশের নারী ক্রিকেটাররা এই মহাযজ্ঞে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    আইসিসির প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্তা বলেন, “নারী ক্রিকেটের বিকাশ এখন দ্রুতগামী। দলসংখ্যা বাড়ানো এবং রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানি আমাদের বৈশ্বিক ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলছে।” তিনি আরও আখেরগেছেন, বিনিয়োগের এই বৃদ্ধি নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে উপস্থিতি ও প্রভাবও অনেক বাড়িয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই বিশ্বকাপ দর্শকসংখ্যা ও সম্প্রচারের ক্ষেত্রেও নতুন রেকর্ড করবে।

    প্রতিযোগিতাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য আইসিসি ইতিমধ্যে ট্রফি ট্যুরের সূচনা করেছে। লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ট্রফির প্রদর্শনী দিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়, এরপর ট্রফি নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে যাবে। মে মাসজুড়ে ইংল্যান্ডের লিডস, ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম, ব্রিস্টল, সাউথাম্পটন ও লন্ডনের বিভিন্ন শহরে দর্শকদের জন্য ট্রফি দেখার সুযোগ থাকবে। এর মাধ্যমে টুর্নামেন্টের উত্তেজনা আরও বাড়বে।

    অঘোষিত ঘোষণা অনুযায়ী, এই বিশ্বকাপ শুরু হবে ১২ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে। উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ড মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কার। পুরো টুর্নামেন্টে মোট ৩৩টি ম্যাচ হবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ভেন্যুতে, যার মধ্যে ফাইনালও থাকবে।

  • নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে পহেলা বৈশাখের ঘুড়ি উৎসব

    নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে পহেলা বৈশাখের ঘুড়ি উৎসব

    নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে বিশেষ ঘুড়ি উৎসব ও প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকল সদস্যরা অংশ নেন। সোমবার বিকালে সোনাডাঙ্গা বাইপাস রোডের ময়ূরী আবাসিক পার্কে এ আয়োজনের শুভ উদ্বোধন করেন নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর কানাই লাল সরকার। তিনি তার ভাষণে নববর্ষের প্রাণময়তা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করতে এই ধরনের উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. মোঃ ইমজামাম-উল-হোসেন, ডিন ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ, ড. মোঃ রউফ বিশ্বাস, অধ্যাপক ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক, ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ও সদস্য সচিব, রেজিস্ট্রার ড. শেখ শফিকুর রহমান, প্রক্টর শকীল আহমদসহ বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষকদের, ছাত্র-ছাত্রীদের এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    এই ঘুড়ি উৎসবটি চারটি প্রধান পর্বে সম্পন্ন হয়, যার মধ্যে ছিল সুন্দর ঘুড়ি প্রদর্শনী, সর্বোচ্চ উচ্চতায় ঘুড়ি উঠানো, ঘুড়ি কাটাকাটি এবং ঘুড়ি দৌড়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা ও দক্ষতা প্রদর্শন করেন। সুন্দর ঘুড়ি প্রদর্শনীতে প্রথম স্থান অর্জন করে ইইই বিভাগের আবু উবাইদা সায়মন। সর্বোচ্চ উচ্চতায় ঘুড়ি উঠানোর চ্যাম্পিয়ন হন সিএসই বিভাগের সাইফ, আর রানার্স আপ হন শুভ্র দুবে। ঘুড়ি কাটাকাটিতে বিজয়ী হন সিএসই বিভাগের ক্যালভিন অয়ন। দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন আইন বিভাগের নাইমুর, এবং ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের নাইফুল রানার্স আপ হন।

    শেষে, অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে পুরস্কার বিতরণ করা হয়, যা তাদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বাড়িয়েছে। এ আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সংস্কৃতি চর্চা এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ পান।

  • চৈত্র সংক্রান্তিতে খুলনায় ঘুড়ি উৎসবের প্রাণবন্ত ধারা

    চৈত্র সংক্রান্তিতে খুলনায় ঘুড়ি উৎসবের প্রাণবন্ত ধারা

    বাংলা বর্ষপঞ্জির শেষ দিন চৈত্র সংক্রান্তিকে উপলক্ষ করে রবিবার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক রঙিন ও ব্যাপক আকারের ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে এই উচ্ছ্বাসপূর্ণ উৎসবের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, চৈত্র সংক্রান্তির এই ঘুড়ি উৎসব বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। এর মাধ্যমে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। তিনি উল্লেখ করেন, এমন সাংস্কৃতিক আয়োজন কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এই উৎসবের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্মান ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। পাশাপাশি, শিক্ষার পাশাপাশি এই ধরণের সাংস্কৃতিক পরিবেশ জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রেও সমৃদ্ধি আনে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসা প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. রুমানা হক, কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, বিভিন্ন বিভাগীয় শিক্ষক, সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালকবৃন্দসহ একাধিক শিক্ষার্থী ও অতিথি। এই ঘুড়ি উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনায় ভরপুর। আকাশে উড়তে দেখা যায় নানা রঙ এবং বিভিন্ন আকৃতির ঘুড়ি, যার মধ্যে প্রজাপতি, সাপ, চিল, ঈগল ও মাছের আকারের ঘুড়িগুলো ছিল বিশেষ আকর্ষণীয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মিলিত অংশগ্রহণে এই উৎসব চৈত্র সংক্রান্তির ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়েছে এবং নতুন বাংলা বছরকে বরণ করে নেয় উৎসবের আবহে।

  • পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নিষেধাজ্ঞা, জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটারকে পিএসএলে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নিষেধাজ্ঞা, জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটারকে পিএসএলে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

    পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে আইপিএলে খেলার জন্য জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার ব্লেজিং মুজারাবানিকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হচ্ছে, মুজারাবানি মাঝপথে আইপিএলে অংশ নিতে পিএসএল ছেড়ে চলে যাওয়াকে পেশাদারি মানসিকতার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। পিএসএল এক বিবৃতিতে বলেছে, “ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগগুলোতে অংশগ্রহণকারীদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখা দরকার। কোনও খেলোয়াড় যদি এক ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকায় অন্য কোনো দলে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তা সম্পূর্ণ অনুচিত। এই ধরণের আচরণ পেশাদারিত্বের ব্যাপারে প্রশ্ন তোলে। দুই বছরের নিষেধাজ্ঞাই প্রমাণ করে, মুজারাবানির আচরণবিধি লঙ্ঘন কতটা গুরুতর ছিল।”

    ২০২৬ সালে পিএসএল ও আইপিএলের নিলামেও মুজারাবানি দল পাননি। তবে, পরে ইসলামাবাদের ইউনাইটেডের হয়ে শামার জোসেফের বদলি হিসেবে সুযোগ পান তিনি। এরই মধ্যে, মুজারাবানির আইপিএলের সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। মোস্তাফিজকে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) জানিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে ফেব্রুয়ারিতে কিনে নেয়। ইতোমধ্যে, জিম্বাবুয়ের পেসাররা পিএসএল ছেড়ে আইপিএলে গেছেন।

    এবারের আইপিএলে, মুজারাবানি এখন পর্যন্ত দুটি ম্যাচ খেলেছেন এবং ১০.৭১ অর্থনীতিতে ৪টি উইকেট নিয়েছেন। তার মধ্যে এক ম্যাচে তিনি ৪ উইকেট নিয়েছেন। ৪ এপ্রিল, ইডেন গার্ডেনসে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৪১ রানে ৪ উইকেট অর্জন করেন। তবে, কলকাতা নাইট রাইডার্স দল বর্তমানে টেবিলের তলানিতে রয়েছে, মাত্র ৪ ম্যাচে পেয়েছে ১ পয়েন্ট। আজ তারা প্রথম জয় সাধারণত খুঁজছে, বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে কলকাতা বনাম চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচ scheduled।

    এছাড়া, এর আগেও, দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ এক বছর পিএসএল থেকে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। তিনি গত বছর পেশোয়ার জালমির জন্য খেলতেন, কিন্তু মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের উইলিয়ামসের প্রতিস্থাপন হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় তাকে নিষিদ্ধ করা হয়। মুজারাবানির সাথে, জনসন ও দাসুন শানাকেও পিএসএল ছেড়ে আইপিএলে যোগ দিতে দেখা গেছে, যদিও শানাকা ও জনসনের শাস্তির বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

  • ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ খুবই কাছাকাছি : ট্রাম্প

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ খুবই কাছাকাছি : ট্রাম্প

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধের অবস্থা বর্তমানে খুবই কাছাকাছি এসে পৌঁছেছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, যদিও মার্কিন সেনা এখনও ইরানে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়নি।

    গতকাল মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমার মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবস্থা শেষের দিকে। আমি দেখছি যে, খুব কাছাকাছি এসে গেছে এই সংঘর্ষ।” তিনি আরও যোগ করেন, “যদি এখনই আমরা ইরানের থেকে সমস্ত কিছু প্রত্যাহার করি, তাহলে তাদের পুনর্গঠন করতে অন্তত উনিশ থেকে বিশ বছর লাগবে। আমাদের অভিযান এখনও শেষ হয়নি। আমরা দেখব কি হয়। আমার মনে হয়, তারা শক্তভাবে একটি চুক্তিতে আসার স্বপ্ন দেখছে।”

    বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান চালায়। প্রায় ৪০ দিন যুদ্ধের পর, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি শুরু হয়, যা চলমান ছিল।

    এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তির পথে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে, ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানের কর্মকর্তারা এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে একটি সম্পর্ক স্থাপন করে একটি চূড়ান্ত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করা। কিন্তু দীর্ঘ ২২ ঘণ্টার আলোচনার পর, কোনো চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়।

    তবে, ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, শীঘ্রই তারা ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফায় আলোচনা করে আরও বিস্তারিত চুক্তি সম্পাদনে যাবেন। এই বিষয়ে আরও আপডেটের জন্য কিছুটা অপেক্ষা করে দেখতে হবে।

    সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

  • ট্রাম্পের হুমকির পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে ২০ জাহাজ চলাচল শুরু

    ট্রাম্পের হুমকির পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে ২০ জাহাজ চলাচল শুরু

    ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌপথে অবরোধের মধ্যেও, গত ২৪ ঘণ্টায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে ২০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ সচল হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (ডব্লিউএসজে) সূত্রে জানা গেছে, এই পাথে় ২০টির বেশি জাহাজ চলাচল করেছে, যার মধ্যে আটটি জাহাজকে এই জলপথ অতিক্রম করতে বাধা দেওয়া হয়। এই ঘটনাটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি সরবরাহ পথের স্বাভাবিক চলাচল ধীরে ধীরে ফিরছে দেখাচ্ছে, যদিও তৎকালীন পরিস্থিতির তুলনায় জাহাজের সংখ্যায় কমতি রয়েছে।

    ডব্লিউএসজের তথ্য বলছে, মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চয়তা দিয়েছেন যে পারস্য উপসাগর থেকে আসা-যাওয়া কার্গো, ট্যাঙ্কার ও কন্টেইনারবাহী জাহাজগুলো এই প্রণালী দিয়ে চলাচল করছে। তবে, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার কারণে আতঙ্ক ও নিরাপত্তা জোগানোর প্রয়োজনে অনেক জাহাজই তাদের চলাচল সীমিত করে দিয়েছে। কিছু জাহাজের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, এবং সমুদ্রের মাইন ও হামলার আশঙ্কায় বেশ কিছু কোম্পানি এই পথে চলাচলে অসুবিধা অনুভব করছে।

    মার্কিন সেনা এখন হরমুজ প্রণালী থেকে সমুদ্রের মাইন সরানোর জন্য অভিযান চালাচ্ছে। এ সপ্তাহের শুরুর দিকে দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এই মিশন শুরু করে, যাতে এই পথের উপর আস্থা পুনরুদ্ধার ও নৌচলাচলের স্বাধিকার নিশ্চিত করা যায়।

    বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল এই পথে পরিবহন হয়, তাই এই বাহিরে যে কোনও অপ্রত্যাশিত বাধা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় আঘাত হানতে পারে।

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই সপ্তাহের শুরুর দিকে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করা হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী স্পষ্ট করেছে যে, এই অবরোধ শুধু বন্দরে প্রবেশকারী বা বন্দর ত্যাগকারী জাহাজের জন্য প্রযোজ্য।

    ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের বাইরের গন্তব্যে যাওয়া জাহাজগুলো এখনও এই প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে পারছে। মার্কিন বাহিনী হরমুজের চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং বলছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এই নির্দেশনা মান্য করে ফিরে গেছে।

    সাম্প্রতিক ট্র্যাকিং ডেটা অনুসারে, অবরোধ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে অন্তত তিনটি জাহাজ এই প্রণালী অতিক্রম করেছে, এর মধ্যে একটি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী বাল্ক ক্যারিয়ার এবং একটি কোমোরোসের পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ছিল।

    এদিকে, উত্তেজনা প্রশমনের জন্য дипломатিক চেষ্টাও চলছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা আবার শীঘ্রই শুরু হতে পারে। একইসঙ্গে, সৌদি আরব, মিশর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা তেহরানের কাছে উপস্থাপিত প্রস্তাবগুলো নিয়ে তুর্কি পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    অবশেষে, মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দ্বিতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১৮০ কিশোরীকে অশ্লীল ভিডিও ধারণ, তরুণ গ্রেপ্তার

    প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১৮০ কিশোরীকে অশ্লীল ভিডিও ধারণ, তরুণ গ্রেপ্তার

    মহারাষ্ট্রের অমরাবতী শহরে এক তরুণের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে তিনি অন্তত ১৮০ কিশোরীর অন্তর্দ্দৃষ্টিপূর্ণ ভিডিও ধারণ করেছেন, পাশাপাশি ৩৫০টিরও বেশি অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করেছেন। এই ঘটনার সত্যতা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তকে আটক করে। স্থানীয় এক এমপির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এই দ্রুতগতিতে কাজ করে তাকে গ্রেপ্তার করে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রের পরতওয়াদা শহরের বাসিন্দা মোহাম্মদ আয়াজ ওরফে তানভীর বিভিন্ন কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাদের মুম্বাই ও পুনেতে নিয়ে যেতেন। সেখানে তারা মেয়েদের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করতেন। পরে এই ভিডিওগুলো ব্যবহার করে এক বিশেষ কৌশলে তাদের ব্ল্যাকমেল করা হতো এবং দেহব্যবসায় বাধ্য করা হতো। জানা গেছে, এই সব ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।

    ভারতীয় রাজ্যসভার সদস্য অনিল বোন্ডে পুলিশ সুপার বিশাল আনন্দের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ এবং স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে এই নাবালিকাদের লক্ষ্য করে একটি পরিকল্পিত আক্রমণ চলছিল। তিনি সতর্ক করেছেন, যদি কোনও বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন না হয়, তবে তিনি পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে বিক্ষোভ করবেন।

    এছাড়াও, মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য থানায় গিয়ে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি করেন। তারা বলেন, ব্যক্তির অপকর্মের কারণে পুরো সম্প্রদায়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হোক, তা যেন না হয়। এই ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ আয়াজকে গ্রেপ্তার করে। আজ বুধবার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তার মোবাইল ফোনটিও জব্দ করেছে, যেখানে অনেক আপত্তিকর ভিডিও পাওয়া গেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত যুবক এই ভিডিওগুলো বন্ধু বা অন্য অপরাধী চক্রের সঙ্গে ভাগ করে নিতেন কি না, তা তদন্ত করছে পুলিশ। সাইবার সেলের সহায়তায় ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওগুলোর বিষয়েও তদন্ত চলছে।

  • চীনের গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ব্যবহারে ইরানের নতুন সক্ষমতা

    চীনের গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ব্যবহারে ইরানের নতুন সক্ষমতা

    ব্রিটিশ দৈনিক ফিনান্সিয়াল টাইমস-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরান গোপনে চীনের একটি আধুনিক গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর নজরদারি চালাচ্ছে এবং লক্ষ্য নির্ধারণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে। এই খবর বুধবার, ১৫ এপ্রিল প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটির স্থান নির্ণয় ও পর্যবেক্ষণ আরও নিখুঁতভাবে করতে সক্ষম হয়েছে।

    আরও জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই চীনের মনিটরিং প্রযুক্তিসহ গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিগুলোর অবস্থান শনাক্ত ও সম্ভাব্য আঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারছে। এর ফলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও নজরদারি ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বার হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

    পশ্চিমা বিশ্লেষকদের মতে, চীন-ইরান দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কের বৃদ্ধি, বিশেষ করে স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে আকর্ষণীয় অগ্রগতি, এই নতুন শক্তি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতির জন্যএক নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। এই উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে কঠিন করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • ভারতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিস্ফোরণে ১১ নিহত

    ভারতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিস্ফোরণে ১১ নিহত

    মধ্যাঞ্চলীয় রাজ্য ছত্তিশগড়ের সিক সাক্তি জেলায় একটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যেখানে এখন পর্যন্ত ১১জন কর্মচারী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২২ জন। এই ঘটনা ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে। ভারতের অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সক্তি জেলায় অবস্থিত এবং এর মালিকানা বেদান্ত শিল্পগোষ্ঠীর কাছে। এই কেন্দ্রটি ২০২৫ সাল থেকে সম্পূর্ণভাবে চালু হয়েছে এবং এর ক্ষমতা ১২শ মেগাওয়াটের বেশি।

    পুলিশ ও প্রশাসনের সূত্র মতে, বিস্ফোরণের খবরটি পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং উদ্ধার কাজ শুরু করেন। জেলাপ্রকাশ ও পুলিশ সুপার প্রফুল্ল ঠাকুর জানান, ঘটনার সময় চার জন কর্মচারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। আরও সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। আহত ২২ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    শিল্পগোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লার ইউনিটটি তারা সরাসরি পরিচালনা করেন না। অন্য একটি কোম্পানি, এনটিপিসি জিই পাওয়ার সার্ভিসেস লিমিটেড (এনজিএসএল), এই ইউনিটের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিল।

    নিহতদের পরিবারকে সহায়তা ও আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য বেদান্ত কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার হলো নিহতের পরিবারকে সহায়তা প্রদান এবং আহতদের সুচিকিৎসা সুনিশ্চিত করা।’

    বিশেষ করে, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাই এই দুঃখজনক দুর্ঘটনাকে ‘অত্যন্ত মর্মান্তিক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে আছে। ঘটনাটির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এই নির্দেশনা এবং তদন্তের মাধ্যমে পুরো ঘটনা প্রকৃতভাবে জানার আশা প্রকাশ করেছেন।

  • চিতলমারীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত

    চিতলমারীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে বৈশাখি উৎসবের অংশ হিসেবে আনন্দ-উল্লাসের মধ্যে দিয়ে বর্ষবরণের উৎসব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ভোর ৯টায় বকুলতলা থেকে শুরু হয় পত্রিকার এই শোভাযাত্রা। এটি শহীদ মিনার ও সরকারি মহিলা কলেজের রোড হয়ে চলে এসে শেষ হয় বকুলতলায়।

    শোভাযাত্রার পরই অফিসার্স ক্লাবের সামনে দেশীয় ঐতিহ্য ও লোকজ সাংস্কৃতিক মেলার উদ্বোধন করা হয়। সকালে সাড়ে নয়টার দিকে বকুলতলায় শুরু হয় লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান।

    চালাকোতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তারের সভাপতিত্বে, এবং উপজেলা প্রকৌশলী মো: সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র, থানার ওসি মো: নজরুল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা মো: সিফাত আল মারুফ, চিকিৎসক এম আর ফরাজী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো: হাফিজুর রহমান, পল্লী বিদ্যুতের ডি জি এম আব্দুল অদুদ, জেলা বিএনপির সদস্য রুনা গাজী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব ঠান্ডু, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গাজী মুনিরুজ্জামান, বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. ফজলুল হক, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শেখ আসাদুজ্জামান আসাদ, এবং ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি শেখ কামরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।

    বৈশাখি উপভোগের অংশ হিসেবে শিশুরা চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে, হাসপাতাল ও এতিমখানায় ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়, পাশাপাশি গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সব অনুষ্ঠানে জনসাধারণের উপস্থিতি ছিল উচ্ছ্বাসে наполн।