Author: bangladiganta

  • মোংলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন সাবেক কাউন্সিলর ইমান হোসেন রিপন

    মোংলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন সাবেক কাউন্সিলর ইমান হোসেন রিপন

    মোংলা পৌর যুবদলের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর ও যুবদল নেতা ইমান হোসেন রিপন। তিনি সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন এবং এর আগে মোংলা পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয় কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের সম্মতিতে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইমান হোসেন রিপন বলেন, দল আমাকে যে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছে, আমি তা সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে পালন করব। আমি মোংলা পৌর যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করে গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে কাজ করব।

    তার এই নতুন দায়িত্ব পেয়ে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন পৌর বিএনপির সভাপতি জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মানিক, মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহজালাল সাব্বির ও সদস্য সচিব নুরুদ্দিন টুটুলসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    অতীতে ইমান হোসেন রিপন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলেন। তিনি সাবেক পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বাধা-প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলেও তিনি দলের জন্য অবদান রেখে এসেছেন। তার এই নতুন দায়িত্ব পাওয়াকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দলের জন্য এক ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

    বিনা প্রত্যাশিত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, সংগঠনটির আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করা। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নতুন করে জেলা, উপজেলা এবং পৌর কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেন। তবে মোংলা পৌর এলাকায় ওয়ার্ড কমিটি গঠনের সময় কিছু নেতাকর্মী ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি চেষ্টা করেন, যার কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পুরনো কমিটির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। এই ঘটনার কিছুদিনের মধ্যেই পৌর যুবদলের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ পদ থেকে সরে দাঁড়ান। তার স্থানে ইমান হোসেন রিপনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

  • ফকিরহাটে গাছ থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ফকিরহাটে গাছ থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ফকিরহাটে শুকুরণ বেগম (৩২) নামে এক নারী গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলায় কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি বাগানে, যেখানে গাছে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত শুকুরণ বেগম উপজেলার লখপুর পঁচাখাল এলাকার শ্রমিক মাহবুব নিকারীর স্ত্রী।

    স্থানীয়রা জানান, শনিবার (10 জানুয়ারি) সকাল 9টার দিকে স্থানীয় লোকজন এক মাঠে গাছের ঘের কাটার সময় গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় শুকুরণ বেগমের মরদেহ দেখতে পান। এলাকায় সংকেত ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।

    ওসি (তদন্ত) মো: আলমগীর হোসেন জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সঠিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    অপরদিকে, এই হত্যা কি না বা এটি আত্মহত্যা কি না — তা নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। স্থানীয়রা এই ঘটনার তদন্ত ও যথাযথ বিচারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, যাতে প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হয়।

  • খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক উন্নয়ন অপরিহার্য: সমাজকল্যাণ সচিব

    খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক উন্নয়ন অপরিহার্য: সমাজকল্যাণ সচিব

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ বলেছেন, সাংস্কৃতিক বিনোদনের পাশাপাশি খেলাধুলার গুরুত্ব শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশে অনেক বেশি। তিনি মনে করেন, তরুণদের মধ্যে খেলাধুলাকে জনপ্রিয় করে তুললে মাদকের মতো মারাত্মক সমস্যা দূর করা সম্ভব, যা সমাজের জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

    আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালকে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো সমাজসেবা অধিদপ্তরাধীন খুলনা বিভাগের আবাসিক প্রতিষ্ঠানসমূহের নিবাসীদের দুই দিনব্যাপী বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

    আফিসে বক্তৃতা করেন ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, তিনি বলেন, সরকারের ৯৬টি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মধ্যে ২৯টি সরাসরি সমাজসেবা অধিদপ্তর দ্বারা বাস্তবায়িত হচ্ছে, যার উপকারভোগীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি ২৩ লক্ষ। প্রতিবারের মতো এ বারও সমাজসেবা অধিদপ্তর আয়োজন করে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, যেখানে শিশুরা খুবই আগ্রহের সাথে অংশগ্রহণ করে।

    সচিব আরও বলেন, এই শিশুদের জন্য প্রাপ্ত সুবিধাগুলো এখনও পর্যাপ্ত নয়, তাই এর পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা চলমান। তিনি উল্লেখ করেন, তাদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু শুধুমাত্র লেখাপড়া হয়ে গেলে হবে না, মনের খোরাক পূরণে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা আরো বেড়ে যায়। আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কিছুটা হলেও শিশুদেরকে স্কুলের বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে, যা তাদের মনোভাব বিকাশে সহায়ক।

    খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: কামাল উদ্দিন বিশ্বাস, খুলনা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো: মনজুর আলম ও জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন খুলনা বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়।

    দুই দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ১৫টি শিশু পরিবার অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে শিশুদের কুচকাওয়াজ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।

    অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ মহেশ্বরপাশা ছোটমনি নিবাস পরিদর্শন করেন, যেখানে তিনি শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আরও উন্নতির জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ঐতিহাসিক ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ঐতিহাসিক ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    দিন দিন দেশের প্রবাসী আয়ের প্রবাহ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন করে আরও স্পষ্ট হলো ডিসেম্বর মাসে দেশের বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশিরা তাদের পরিশ্রমের ফল হিসেবে দেশে পাঠিয়েছেন। দেশের মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে গণনা করা হয়েছে)। এটি গত নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এ পরিমাণে ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার এই খতিয়ন প্রকাশ করে এ তথ্য জানিয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, এই অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। অতীতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের শীতলতা লক্ষণ দেখিয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের হুন্ডি প্রতিরোধে নেওয়া কৌশল, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতি, প্রণোদনা ও নিয়ন্ত্রণে থাকা নানা উদ্যোগের কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি এসেছে।

    অর্থবছরে প্রতি মাসে প্রবাসীরা কোন পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, তা যদি প্রতিটি মাসের হিসাব দেখি, তবে জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, এবং নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। এই প্রবাহের ধারাবাহিকতায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ছিল ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার কমানোর সিদ্ধান্ত সরকার বাতিল করে আগের হারে পুনঃস্থাপন করেছে। রোববার, এই বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থমন্ত্রী কার্যালয়, যা ভবিষ্যত ছয় মাসের জন্য সেই একই হার বহাল রাখে। এর ফলে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার নির্ধারিত ছিল, আগামী ছয় মাসেও তা অপরিবর্তীত থাকবে। গত বৃহস্পিতবার সরকার প্রথমে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর প্রস্তাব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, কিন্তু এ সিদ্ধান্ত তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। উল্লেখ্য, মধ্যবিত্ত শ্রেণী, বিশেষ করে অবসরে যাওয়া ব্যক্তিরা এই সঞ্চয়পত্রের উপর নির্ভরশীল, তাই এই হারে পরিবর্তন বেশ চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

    জানা যায়, রোববার অফিস খোলার পর উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় এই প্রজ্ঞাপন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং আগের হারই বজায় রাখতে সম্মত হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুমোদন নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে আগের মতোই হার নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন ধরণের সঞ্চয়পত্র এবং পোস্ট অফিসের ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম রয়েছে। এই স্কিমে এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে সাত লাখ পর্যন্ত বিনিয়োগ করলে বা এর বেশি হলে আলাদা আলাদা মুনাফা দেওয়া হয়। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, কিছুটা কম মুনাফা দেওয়া হয়। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। মেয়াদ শেষে বা ভাঙালে, নির্ধারিত হারে মুনাফা দেওয়া হয়। একইভাবে, পরিবারের জন্য বিশেষ সঞ্চয়পত্রে সাড়ে সাত লাখ টাকার নিচে বিনিয়োগের জন্য পাঁচ বছরের মেয়াদে মুনাফার হার ছিল ১১.৯৩ শতাংশ, যা নতুন প্রজ্ঞাপনে আগের মতোই রক্ষা পেয়েছে। সাড়ে সাত লাখের বেশি বিনিয়োগে হার ১১.৮০ থেকে ১০.৪১ শতাংশে নামানো হয়েছিল, তবে এখন সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের জন্য পুরনো হারই চালু থাকবে।

    গত বছর জানুয়ারি থেকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ট্রেজারি বন্ডের সঙ্গে সমন্বয়ে নির্ধারিত হয়, যেখানে ৫ ও ২ বছরের ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদ হার অনুযায়ী এই হার নির্ধারিত হয়। সম্প্রতি, ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার কমার কারণে, গত বৃহস্পতিবার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে হার কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়, যা ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন কেনা সঞ্চয়পত্রে কার্যকর হবে।

    সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এই সঞ্চয়পত্রের সবচেয়ে বড় গ্রাহক। দুর্যোগ বা জরুরি মুহূর্তে এই সঞ্চয়পত্র ভেঙে অর্থ সংগ্রহ করেন তারা। পাশাপাশি, প্রতিমাসে খরচ চালাতে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে অর্থ আসে। বর্তমানে, দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে, দুই বছর বা তার বেশি সময় ধরে মূল্যবৃদ্ধি চলমান থাকায়, এই হার কমানোর সিদ্ধান্ত চাইলেও মালিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অর্থনীতিবিদরাও এ বিষয়ে বিশেষ বিবেচনার পর, কম আয়ের মানুষজনের জন্য এই হার কমানো উচিত নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।

  • শেষদিকে সোনার দাম ভরিতে কমল ১৪৫৮ টাকা, রুপার দামও কমেছে

    শেষদিকে সোনার দাম ভরিতে কমল ১৪৫৮ টাকা, রুপার দামও কমেছে

    নতুন বছর শুরু হওয়ার সাথে সাথে দেশের বাজারে আবারও সোনার মূল্যে পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে, দেশের সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমে গেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা। ফলে এখন একটি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা ২২ ক্যারেটের সোনার দাম কমে যাওয়ার পর নতুন দাম ঘোষণা করা হয়েছে। এই দাম কার্যকর হবে আজ, শুক্রবার ২ জানুয়ারি থেকে।

    বাজুস বলেছে, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এবং প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে সোনার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে, এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যা সংগঠনের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের স্বাক্ষরিত।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির গ্রাহকদের জন্য প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির পার্থক্য থাকতে পারে।

    উল্লেখ্য, গত বছর ৩১ ডিসেম্বর দেশের বাজারে শেষবারের মতো সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা কমিয়ে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ধার্য করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। অন্যান্য ক্যাটেগরির দাম ছিল, ২১ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা। এ দাম কার্যকর হয়েছিল ১ জানুয়ারি থেকে।

    ২০২৫ সালে, মোট ৯৩ বার সোনার দাম দেশের বাজারে সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৬৪ বার, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

    সাম্প্রতিক সময়ে, রুপার দামও কমানো হয়েছে। ভরিতে ৫২৫ টাকা হ্রাস পেয়ে, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। অন্যান্য ক্যারেট অনুসারে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    এটি দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো রুপার দামের সমন্বয়। গত বছর, রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম বেড়েছে ১০ বার এবং হ্রাস পেয়েছে মাত্র ৩ বার।

  • একদিনে ফের সোনার দামে বড় উর্ধ্বগতি

    একদিনে ফের সোনার দামে বড় উর্ধ্বগতি

    বাংলাদেশের বাজারে একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে দেশীয় জুয়েলার্স সমিতি, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২৯১৬ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে মানসম্পন্ন সোনার দাম এখন দুই লাখ ২৭ হাজার ৮০০ টাকার ওপরে পৌঁছেছে।

    বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন দামের কার্যকরী তারিখ ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হবে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দামের বৃদ্ধি মূল কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, যার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।

    বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইসডটওআরজি সূত্রে জানা গেছে, এ সময়ের জন্য স্বর্ণের দাম বেড়ে বর্তমানে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৪৫ ডলার।

    নতুন দামে স্বর্ণের ভরি মূল্য হিসেবে দেখা যায়, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন প্রথায় গোনা হলে ভরি দামে স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    তার পাশাপাশি, রুপার দামেরও বৃদ্ধি হয়েছে। ২২ ক্যারেটের ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৮৪১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা। এই দাম বৃদ্ধির ফলে বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম এখন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

  • ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

    ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা এক চতুরতা করে গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভার চারদিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, যারা ধারণা করেছিলেন যে এলপিজির দাম বাড়বে, তাদের জন্য বোঝা যাচ্ছে বিইআরসি ৫৩ টাকা বা তার বেশি দামে তা নির্ধারণ করেছে। এ ব্যাপারে অনেক ব্যবসায়ী এই সুযোগ নেওয়ার চেষ্ঠা করছে। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে জেলা পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং কেবিনেট সেক্রেটারিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে এই অস্বাভাবিক দাম বাড়ানোর পেছনে কারসাজির বিষয়টি উঠে এসেছে। তিনি বলেন, এই অপ্রত্যাশিত দাম বেড়ে যাওয়ার পেছনে মূলত খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধভাবে যুক্ত। সরকারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ এই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে এবং কারসাজি করার অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বিপদের মোকাবেলা না করলে বিএনপি ব্যবস্থা নেবে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে

    বিপদের মোকাবেলা না করলে বিএনপি ব্যবস্থা নেবে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, দলের মধ্যে বিদ্রোহীরা যদি তফসিল ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করেন, তাহলে দল কঠোর ব্যবস্থা নেবে। শুক্রবার বিকেলে শেরেবাংলা নগরে দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ওপর একটি চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দলের মধ্যে যারা সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন, দল সেটি নজরে রাখছে। আমাদের এত বড় দলের জন্য প্রচুর যোগ্য প্রার্থী রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, যদি তাদের মনোনয়ন দেওয়া হতো, তাহলে আরও ভালো হতো। তারা এ জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যাহারের সময় এখনও শেষ হয়নি। আমরা তাদের অনুরোধ জানিয়েছি যে, দয়া করে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করুন। আমরা আশাবাদী, তারা এই আহ্বান মানবেন। ইতোমধ্যে অনেকেই প্রত্যাহার করার বিষয়টি জানিয়েছেন। আশা করি, সময়ের মধ্যে সবাই নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবেন, Otherwise, দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।’ শক্তিশালী মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে, বিএনপির কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, শেরে বাংলা নগরে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান নিহত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জীবনের নানা দিকের উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। তিনি বহুবার দলের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য তারেক রহমানের নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া তার সন্তানজনৈক জনাব তারেক রহমানকে রেখে গেছেন, যিনি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী নেতা। মানুষ তার মাধ্যমে বাংলাদেশের পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে। তিনি তার পিতা শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং মা বেগম খালেদা জিয়ার দর্শন ধরে এগিয়ে যাবেন।’ তিনি যোগ করেছেন, ‘আমরা আশা করি, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য, দেশের স্বার্থে, এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান।’ নির্বাচনের পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা বিবেচনায় নজরুল ইসলাম খান উল্লেখ করেন যে, গত ফেব্রুয়ারি বিএনপির অঙ্গসংগঠনের একজন নেতাকে গুলি করে হত্যা করার বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘গণতন্ত্রের পথে সব বাধা ও শত্রু থাকতেই পারে। এই হত্যাযজ্ঞ ও অপ্রতিকূলতা দেশের স্বার্থে কাজ করার পথে বাধা নয়। দেশের জন্য যারা আত্মবিশ্বাসী ও দেশপ্রেমিক, তারা এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেই।’ তিনি বলেন, ‘সরকারকে আরও কৌশলী হতে হবে। যাতে সুষ্ঠ নির্বাচন প্রায় সম্ভব হয়, তার জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। সবাই জানে, এই সময়ে যারা নির্বাচন চায় না, বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়, তারা বিভিন্ন চালাকিপনা ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তবে আমরা বিশ্বাস করি, সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে এবং পরিস্থিতি উন্নত হবে।’ নির্বাচনী ইশতেহার প্রসঙ্গে তিনি জানান, একটি কমিটি দ্রুতই এর প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের ফলাফল বিষয়ে তিনি বলেন, অনেক বছর ধরে ছাত্র সংগঠনগুলো ঠিকঠাক কাজ করতে পারেনি। বর্তমানে সফল সংগঠনগুলো মূলত গোপনভাবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংযোগ রেখে কাজ করছে, যা আমাদের পছন্দ নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘এমন কৌশল ভবিষ্যতে ফলপ্রসূ হবে না। তবে, আমরা আমাদের কার্যক্রম ও পরিকল্পনার উপর বিশ্বাস রাখি, যা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচনের ফলাফল ও দেশের স্বার্থের উপর নির্ভর করবে।’ অবশেষে, তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন শেষ নয়। এটি একটি ট্রানজিশনাল, অর্থাৎ পরিবর্তনের জন্য প্রাথমিক ধাপ। যখন স্থিতিশীলতা আসবে, তখন আমরা মনে করি ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের আধুনিক ও বৈচিত্র্যময় চিন্তা-ভাবনা দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।’ শেষে, বিএনপি চেয়ারপারসনের কবর জিয়ারত করতে গিয়ে, নজরুল ইসলাম খান খালেদা জিয়ার জীবন শ্রমের সাথে সম্পর্কিত নানা দিকের ওপর আলোকপাত করেন ও দেশের জন্য তাঁর অবদান স্মরণ করেন।

  • দলমত নির্বিশেষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জামায়াতের আমিরের আহ্বান

    দলমত নির্বিশেষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জামায়াতের আমিরের আহ্বান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশের ও জাতির স্বার্থে সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আসন্ন গণভোটে তিনি সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। তিনি বলছেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও আলোকজ্জ্বল বাংলাদেশ নিশ্চিত করা। শনিবার (১০ জানুয়ারি) জামায়াতের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেছেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজ আমরা ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছি। গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সরাসরি মতামত নেওয়া হয়, অর্থাৎ জনগণই নিয়ন্ত্রক। এ ভোটের মাধ্যমে আমরা অন্যায়, স্বৈরাচার ও জুলুমের বিপরীতে লড়াই করে ন্যায়, ইনসাফ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাই।’

    তিনি আরও বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়ানো, জুলাই সনদকে সমর্থন করা, ন্যায়বিচার ভিত্তিক একটি রাষ্ট্র গড়ার জন্য এগিয়ে যাওয়া এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ নিশ্চিত করার প্রতিজ্ঞা।

    জামায়াতের এই আমির সকল রাজনৈতিক দল ও মতের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে ভোটদান করার। তিনি বলেন, ‘একটি মাত্র ভোটও হতে পারে সত্য ও ন্যায়ের বিজয়ের মূল হাতিয়ার।’ সব মিলিয়ে, তিনি বলছেন, দেশের স্বার্থে সকলে একত্রে এসে এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নেওয়ার জন্য।