Author: bangladiganta

  • তামিমকে নিয়ে ধারাবাহিক পোস্ট, মিঠুনের মন্তব্যের ব্যাখ্যা

    তামিমকে নিয়ে ধারাবাহিক পোস্ট, মিঠুনের মন্তব্যের ব্যাখ্যা

    বিসিবি পরিচালক ও বোর্ডের অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম সম্প্রতি নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে তামিম ইকবালের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তাকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলে আখ্যা দেন। এই মন্তব্যের কারণে ক্রিকেটাঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। জাতীয় দলের ক্রিকেটারা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এ নিন্দার প্রতিবাদ প্রকাশ করছেন।

    শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব থেকেও এই ঘটনার বিরোধিতা ও প্রতিবাদে বিবৃতি দেওয়া হয়। তবে কিছু মানুষ এই ধারাবাহিক পোস্ট ও বক্তব্যের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করছে।

    এ পরিস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনে এসে কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন তার অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ক্রিকেটারদের স্বার্থ দেখার জন্য এই সংগঠন। তবে এখন দেখানো হচ্ছে যেন আমাদের উদ্দেশ্য বা দৃষ্টি ভিন্ন খাতে নেওয়া হচ্ছে।’ এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, সাইফ হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মুমিনুল হক, সাব্বির রহমান, শামীম হোসেন পাটোয়ারীসহ অন্যান্য ক্রিকেটাররা।

    মিঠুন আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের ক্রিকেটারদের স্বার্থ দেখব। এটি যেন রাজনৈতিক বা অন্য কোন উদ্দেশ্য দিয়ে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, এ নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’

    সংবাদ সম্মেলনে মেহেদী হাসান মিরাজ বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা চাই যেন ক্রিকেটের স্বার্থে সুষ্ঠু সমাধান হয়। ক্রিকেট যেন আলাদাভাবে রাখা হয়। বিসিবি আমাদের গার্ডিয়ান হিসেবে_ASSUME তারা সঠিক পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করছি।’

  • বিগ ব্যাশে রিশাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, সাকিবের রেকর্ড ছুঁয়েছেন

    বিগ ব্যাশে রিশাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, সাকিবের রেকর্ড ছুঁয়েছেন

    অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের প্রথম কৃতিত্ব ছিল সাকিব আল হাসানের। তিনি দুই মৌসুমে দুটি দলের হয়ে মোট ৬টি ম্যাচ খেলেছেন। দেশের জন্য এটি একটি গর্বের বিষয়। তবে চলমান আসরে এখন নতুন একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার নিজের ছাপ ফেলেছেন, তিনি রয়েছেন তরুণ লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তিনি প্রথমবারের মতো বিগ ব্যাশে অভিষেকের পর থেকেই দারুণ আলোচিত হচ্ছেন। তার ঝনঝন করিয়ে দেখানো পারফরম্যান্সে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন।

    গতকাল (শুক্রবার) অ্যাডিলেডের বিয়েলিভে ওভালে হোবার্ট হারিকেন্সের মুখোমুখি হয়েছিল রিশাদের দল, হোবার্ট স্ট্রাইকার্স। ম্যাচে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে হোবার্ট হারিয়েছিল ৬ উইকেটে, ও তারা স্কোর করে ১৭৮ রান। এই দিন রিশাদ মাঠে নামেননি ব্যাটিংয়ে, তবে তিনি বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন। ৪ ওভারে ২৬ রানের খরচায় শিকার করেন ৩ উইকেট। তার এই কার্যক্রমের ফলে হোবার্ট স্ট্রাইকার্সকে ৩৭ রানে হারিয়ে দেন অ্যাডিলেডের এই দলটি, আর এই জয়ে তারা উঁচু অবস্থানে চালিয়ে যাচ্ছেন চলমান টুর্নামেন্টে।

    উইকেটের দেখা পাওয়ার জন্য দারুণভাবে লড়াই করেছেন রিশাদ, কারণ এর আগে তার দুই ম্যাচে উইকেটের দেখা ছিল না। এ পর্যন্ত ৮ ম্যাচে তার মোট উইকেট সংখ্যা হয়েছে ১১। এর আগে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারির রেকর্ড ছিল সাকিব আল হাসানের, তিনি ৬ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়েছিলেন। এই রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছেন নতুন তারকা রিশাদ। এই দারুণ পারফরম্যান্সের জন্য নিয়মিত একাদশে সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

    বিগ ব্যাশের স্পিনারদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উইকেটসংখ্যা রিশাদের, তিনি যৌথভাবে এই তালিকায় রয়েছেন অ্যাডিলেডের লেগ স্পিনার লয়েড পোপের সাথে, যাদেরও রয়েছে ১১টি উইকেট। রিশাদের অভিষেক ম্যাচে উইকেট ছিল না, তবে পরবর্তী কয়েকটি ম্যাচেও তিনি উইকেট পাননি। এরপর কয়েকটি ম্যাচে কার্যকরী পারফরম্যান্স করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে দুটি ম্যাচে ৩টি করে এবং অন্য দুটি ম্যাচে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। এই পারফরম্যান্সের জন্য তিনি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকদের তালিকায় ষষ্ঠ স্থান দখল করে আছেন। তার থেকে বেশি উইকেট নিয়েছেন ইংল্যান্ডের পেসার জেমি ওভটন, যিনি ১১ উইকেট শিকার করেছেন। সর্বোচ্চ উইকেটের শীর্ষে আছেন জ্যাক এডওয়ার্ডস ও গুরিন্দর সান্ধু, যারা কেড়েছেন ১৪টি করে উইকেট। এছাড়াও, পিটার সিডল ও হারিস রউফ ১৩টি করে উইকেট এবং নাথান এলিস ১২ উইকেট শিকার করেছেন। এলিস ও রিশাদ দুজনেই হোবার্টের হয়ে খেলছেন এবং তাদের দল বর্তমানে ১২ পয়েন্ট নিয়ে এই মৌসুমের শীর্ষে রয়েছেন।

  • অন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে সাকিনা আজাহার টেকনিক্যাল কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    অন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে সাকিনা আজাহার টেকনিক্যাল কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    খুলনা বিভাগের আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে চমকপ্রদ পারফরম্যান্স দেখিয়ে শিরোপা জিতেছে সাকিনা আজাহার টেকনিক্যাল কলেজ, বাগেরহাট। এই প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘটে খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে গত শুক্রবার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে। সেখানে সাকিনা আজাহার টেকনিক্যাল কলেজ মাগুরা আদর্শ কলেজকে ২-০ গোলে হারিয়ে ট্রফি ওঠানোর গৌরব অর্জন করে। চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বিশেষ করে ১০ নম্বর জার্সিধারী সেকেন্দার আলী আল আমিন ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। অন্যদিকে, টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নজর কেড়েছেন মাগুরা আদর্শ কলেজের রাশিদুল ইসলাম রাব্বি, জার্সি নম্বর ৯। এই বিজয়ে উৎসাহিত হয়ে খেলোয়াড়েরা ভবিষ্যতেও আরও আরও খেলাধুলায় মনোনিবেশ করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা। দুলুদপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলের হাতে ট্রফি, ট্রফি এবং প্রাইজমানি তুলে দেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ আসাদুল হক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ফিফা রেফারি ও খুলনা রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা এহসানুল হক, সাবেক ফুটবলার মোস্তাফিজুর রহমান পলাশ ও জিয়াউল ইসলাম এবং বিভাগীয় ফুটবল কোচ শেখ আশরাফ হোসেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান।

  • ১২ ঘণ্টায় ভারত ও পাকিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, কাঁপলো দক্ষিণ এশিয়া

    ১২ ঘণ্টায় ভারত ও পাকিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, কাঁপলো দক্ষিণ এশিয়া

    দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানে সম্প্রতি দফায় দফায় ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার ভোরে পাকিস্তানের পেশোয়ার ও তাজিকিস্তান-শিনজিয়াং সীমান্তবর্তী এলাকায় ৫.৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূকম্পন অনুভূত হয়। নিজেদের অবস্থানে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫৯ কিলোমিটার গভীরে। পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর (পিএমডি) জানিয়েছে, এই কম্পনটি অনুভূত হয় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে—প্রবল জোড়ালো কম্পন অনুভূত হয় রাজধানী ইসলামাবাদ ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ক্ষত্রে। এদিকে, ভারতের গুজরাট রাজ্যের রাজকোট শহরে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে ৯ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যা সাধারণত ‘মাইক্রো’ বা ‘মাইনর’ শ্রেণীতে পড়ে। তবে এই কম্পনগুলো খুবই স্বল্প সময়ের জন্য হলেও মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত রাজকোটে এই কম্পনগুলো ঘটে, যার উৎপত্তিস্থল ছিল শহরের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ২৭ থেকে ৩০ কিলোমিটার গভীরে। প্রথমবার ৮ জানুয়ারি রাত ৮:৪৩ মিনিটে অনুভূত হয় এবং শেষটি ঘটে ভোর ৮:৩৪ মিনিটে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরণের বেশি সংখ্যক কম্পনকে তারা ‘অস্বাভাবিক’ হিসেবে দেখছেন। সাধারণত কচ্ছ অঞ্চলে এই ধরনের ভূকম্পন বেশি হলেও রাজকোটে এই ধারাবাহিক ঘটনা বিশেষ যত্নআত্তির বিষয়। ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে পাকিস্তান তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে থাকায় এই দেশটি অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে যথাক্রমে ৩.২ ও ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল। অন্যদিকে, ভারতের গুজরাটের রাজকোটেও এই ধরনের ভূকম্পনের পরিমাণ বেশি দেখা গেছে। দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভূমিকম্পের প্রতিরোধ ও সতর্কতার ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরগুলো বলেছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতের কম্পন মোকাবিলার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে।

  • গাজায় চিকিৎসার অভাবে রোগীদের করুণ মৃত্যুর শঙ্কা

    গাজায় চিকিৎসার অভাবে রোগীদের করুণ মৃত্যুর শঙ্কা

    গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ এবং আগ্রাসনের কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, যার ফলে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুহার যুদ্ধের পূর্ব সময়ের তুলনায় তিনগুণ বেড়ে গেছে। গাজার একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল ‘টার্কিশ-প্যালেস্টাইনিয়ান ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল’ ইসরায়েলি বর্গাযুদ্ধে ধ্বংসের মুখে থাকায় প্রায় ১১ হাজার রোগী এখন কোনো চিকিৎসা সেবা না পেয়ে মৃত্যুর দণ্ডক্ষেতে দাঁড়িয়ে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গাজা থেকে রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির মতো জরুরি ওষুধের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এর ফলে, গাজায় এখন ক্যানসার শনাক্ত হওয়া মানেই মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার সমান। একজন ক্যান্সার চিকিৎসক মোহাম্মদ আবু নাদা বলেন, তারা চিকিৎসার সমস্ত সরঞ্জাম এবং সক্ষমতা হারিয়েছেন। বর্তমানে তারা নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হলেও সেখানে কোন নির্ণয়যন্ত্র বা কেমোথেরাপির ওষুধ নেই। তিনি আক্ষেপে বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির দোহাই দিয়ে কিছু বাণিজ্যিক পণ্য যেমন চকোলেট, চিপস বা বাদাম প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও, ক্যানসার বা দীর্ঘমেয়াদি রোগের ওষুধ কোনোভাবেই প্রবেশ করতে দিচ্ছে না সরকার। তার মতে, এটা স্পষ্ট যে, এটি কেবল প্রচারণামূলক কৌশল। বর্তমানে গাজায় ক্যানসার চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ওষুধ ও প্রোটোকল সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত। মানবিক এই বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হানি নাঈম নামের এক রোগী জানিয়েছেন, তিনি ছয় বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। আগে পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে চিকিৎসা নিতেন, কিন্তু এখন গাজায় আটকা পড়ে আছেন এবং রেডিওথেরাপি পাচ্ছেন না। মোহাম্মদ আবু নাদা জানান, প্রতিদিন খান ইউনিস এলাকায় দু’ থেকে তিন জন ক্যানসার রোগী মারা যাচ্ছেন। ব্যথানাশক ওষুধের তীব্র সংকটের কারণে এখন মারাত্মক অসুস্থ রোগীদের ব্যথা উপশম করাও সম্ভব নয়। বর্তমানে তিন হাজার ২৫০ জন রোগীর বিদেশে চিকিৎসার দরকার থাকলেও রাফাহ সীমান্ত বন্ধ থাকায় এবং ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা গাজা থেকে বের হতে পারছেন না। চিকিৎসকরা বলছেন, গাজায় ক্যানসার চিকিৎসা প্রায় ৫০ বছর পুরোনো অবস্থায় ফিরে গেছে। সারা শরীরে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়লেও প্রতিরোধের কোনও উপায় নেই। অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গাজা ছেড়ে চলে গিয়েছেন, আর বেঁচে থাকা চিকিৎসকরা শুধুমাত্র চোখের জল ফেলে রোগীদের পাশে থাকছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার চিকিৎসা সরঞ্জাম বা বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানালেও কোনো উন্নতি হয়নি। এই নিঃশব্দ ঘাতক ব্যাধি ও চিকিৎসার কৃত্রিম সংকট হাজারো ফিলিস্তিনির জীবনকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।

  • ইরানে বিক্ষোভের amid হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    ইরানে বিক্ষোভের amid হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    ইরানে চলমান ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারো হুঁশিয়ার করেছেন যে তিনি ক্রমশই সামরিক হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা করছে বেশ কিছু পরিস্থিতির জন্য। তিনি সতর্ক করে বলছেন, দেশটি এখন ‘বড় বিপদে’ রয়েছে এবং সরকারবিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার ভিডিও ও সম্প্রতি ইন্টারনেট বন্ধ করার ঘটনাগুলোর কারণে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকা এখনো আগের মতো জোরালোভাবে হামলা চালানোর নির্দেশ দেয়নি, তবে অচিরেই করেন could করতে পারেন বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

  • পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ‘তুরস্কের যোগদান আগ্রহ’

    পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ‘তুরস্কের যোগদান আগ্রহ’

    পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির মধ্যে এবার অন্তর্ভুক্ত হতে আগ্রহ দেখাচ্ছে তুরস্ক। এই খবর বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যসহ আরও ব্যাপক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সামরিক শক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ত্রিপক্ষীয় জোটে তুরস্কের যোগদান হলে এটি একটি নতুন সুরক্ষা গঠনে অবদান রাখবে এবং এর ফলে অঞ্চলগুলোতে শক্তির ভারসাম্য বদলে যেতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    গত বছরের সেপ্টেম্বরে রিয়াদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান একত্রে স্বাক্ষর করেন একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তিতে, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয় যে, এই চুক্তি লঙ্ঘন হলে তা অন্যদিকে আঘাত হিসেবেই গণ্য হবে।

    সূত্র বলছে, তুরস্কের আগ্রহের বিষয়টি এখন বেশ এগিয়ে গেছে এবং আলোচনা অনেকটাই এগিয়ে এসেছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তি পাকা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

    এখন পর্যন্ত, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শক্তি এই অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি রাখছে। তবে, এই নতুন মৈত্রী গঠনের ফলে রিয়াদ, ইসলামাবাদ ও আঙ্কারার মধ্যে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জোটের ফলে তেল-সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকায় শক্তির স্থানান্তর ঘটবে, যা নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও নিরাপত্তা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্ব শক্তিগুলোর মধ্যে স্বার্থের সংঘাতের জটিল পরিস্থিতিতে এই পরিবর্তন ভবিষ্যতের জন্য কতটা প্রতিক্রিয়াশীল হবে, তা দেখার বিষয়।

    প্রতিষ্ঠানগুলো এখনই এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও আঞ্চলিক ব্যাপক রাজনীতির জন্য একটি নতুন দিক নির্দেশ করতে পারে।

  • ইরানের রাজধানীতে গুলিতে ২০০ থেকে বেশি বিক্ষোভকারী নিহত

    ইরানের রাজধানীতে গুলিতে ২০০ থেকে বেশি বিক্ষোভকারী নিহত

    ইরানে চলমান বিক্ষোভের ঘটনায় মাত্র এক রাতে তেহরানে ২০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে, এই তথ্য জোরেশোরে প্রকাশ করে মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন। গত বৃহস্পতিবার রাতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়, এ সময় বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে উঠলে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক গুলি চালাতে শুরু করে।

    টাইম ম্যাগাজিন শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে তেহরানের এক চিকিৎসক তাদের বলেছেন, শুধুমাত্র তেহরানের ছয়টি হাসপাতালে এই রাতে ২০৬ জনের মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। বেশিরভাগেরই গুলিতে প্রাণ গেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

    সাম্প্রতিক এই তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যদি মৃত্যুর সংখ্যাগুলো নিশ্চিত হয়, তাহলে বোঝা যায় ইরান সরকার বিক্ষোভ দমন করতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কতা উপেক্ষা করা হয়নি, যিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যদি ইরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে তাহলে খামেনি সরকারের জন্য কঠোর মূল্য দিতে হবে।

    ২০১৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখনো ৩১টি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবারের রাতে ওই তীব্র আন্দোলনের পর বৃহস্পতিবার রাতে হাজার হাজার মানুষ তেহরানসহ অন্যান্য শহরে জড়ো হয়েছেন।

    একটি সাক্ষাৎকারে ওই চিকিৎসক জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে হাসপাতাল থেকে মরদেহগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলছেন, উত্তর তেহরানের একটি পুলিশ স্টেশনের বাইরে বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্রাশফায়ার চালানো হয়, যেখানে অন্তত ৩০ জন গুলিবিদ্ধ হন। উল্লেখ্য, নিহতদের বেশিরভাগই তরুণ বলে জানা গেছে।

    তবে, এই হতাহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে না পারলেও, টাইম ম্যাগাজিন সতর্ক করে বলেছে, এ সংখ্যা নিশ্চিত হলে বোঝা যাবে ইরান সরকার কঠোর এবং দমনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

  • খুলনা-২ আসনে ভোটের জন্য বিএনপির প্রস্তুতি: নতুন ১০১ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

    খুলনা-২ আসনে ভোটের জন্য বিএনপির প্রস্তুতি: নতুন ১০১ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

    খুলনা বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সংগঠিতভাবে মাঠে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন গুরুত্বপূর্ণ। ভোটারদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং যেকোনো অনিয়ম, বাধা বা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও সতর্ক থাকতে হবে।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় কেডি ঘোষ রোডের বিএনপি কার্যালয়ে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুরের নির্বাচনী কার্যক্রমের জন্য একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত হয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি প্রেসিডেন্ট এড. শফিকুল আলম মনি, এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন সঞ্চালনা করেন। নেতৃবৃন্দ নির্বাচন কমিশনের প্রতি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতের জন্য জোর দাবি জানান, পাশাপাশি প্রশাসনের নিরপেক্ষ, পেশাদার ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    বক্তারা মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ভোটাধিকার হরণের ফলে গণতন্ত্র হরণ হয়ে এসেছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষের বিপক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। এর জন্য নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনিকে। পাশাপাশি উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, কাজী মোঃ রাশেদ, বেগম রেহানা ঈসা,আরিফুজ্জামান অপু, হাফিজুর রহমান মনির, কে এম হুমায়ুন কবির, মাহবুব কায়সার, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মোল্লা ফরিদ আহম্মেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, মজিবর রহমান, আব্দুল আজিজ সুমন, আক্তারুজ্জামান সজীব তালুকদার, মিরাজুর রহমান মিরাজ, মিজানুর রহমান মিলটন, আজিজা খানম এলিজা, শফিকুল ইসলাম শফি, ইশতিয়াক আহম্মেদ ইস্তি, এড. হালিমা আক্তার খানম, শেখ মোহাম্মাদ আদনান, ইউসুফ হারুন মজনু, কে এম এ জলিল, জাকির ইকবাল বাপ্পি, মোঃ নাসির উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম বাবু, নজরুল ইসলাম বাবু, জামাল হোসেন তালুকদার, আবু সাঈদ শেখ, আল আমিন শেখসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনিকে আহবায়ক, সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু ও শফিকুল আলম তুহিনকে সমন্বয়ক এবং মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ ও বেগম রেহানা ঈসাকে সদস্য করে মোট ১০১ সদস্যের এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। নেতৃবৃন্দ আশা ব্যক্ত করেন, গঠিত এসব কমিটি একসাথে কাজ করে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না কোনো শক্তি বা পরাশক্তি

    দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না কোনো শক্তি বা পরাশক্তি

    জনগণ ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে তারা একটি শক্তিশালী এবং সত্যিকার অর্থে ধ্রুপদী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চায়, যেখানে বৈষম্য থাকবে না এবং সব কল্যাণের সমান সুযোগ থাকবে। খুলনা-২ আসনে নির্বাচনী প্রচার করার সময় ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায় যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত থাকবে, সুবিচার নিশ্চিত হবে এবং সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কোনো আপস করেননি, তার অকুণ্ঠ ত্যাগ এবং আপোষহীনতার জন্যই বিএনপির নেতাকর্মীরা এতটা সাহসী। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক চেতনা এখন তারেক রহমানের হাতে সুদৃढ़ভাবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, কোনো শক্তি বা পরাশক্তিই দেশের স্বাভাবিক রাজনীতিকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না। শুক্রবার বাদ আসর, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের যৌথ আয়োজনে হাসনা হেনার সভাপতিত্বে, শাহানা রহমানের পরিচালনায় ও মহিলাদের দক্ষীন সভায় এসব কথা বলেন তিনি। পরে, মরহুম নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫ টায় খুলনা রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় খুলনা সদর থানা শ্রমিক দলের আয়োজনে মরহুম নেত্রীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। একই দিন আসর বাদ, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন মঞ্জু। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা মামুনুর রহমান। এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, এড. গোলাম মওলা, এস এম শাহজাহান, আনোয়ার হোসেন, শের আলম সান্টু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা, রবিউল ইসলাম রবি, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শফিকুল ইসলাম শফি, এড. হালিমা খাতুন, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, হাসান মেহেদী রিজভী, মহিবুল্লাহ শামিম, শরিফুল ইসলাম বাবু, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল জব্বার, মেহেদী হাসান সোহাগ, মেশকাত আলী, মহিউদ্দিন টারজান, আবু সাঈদ শেখ, শামীম খান, আবু বক্কর, মাজেদা খাতুন, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, কামাল উদ্দিন, সুলতান মাহমুদ সুমন, শরিফুল ইসলাম সাগর এবং আল আমিন তালুকদার প্রমুখ।