Author: bangladiganta

  • আশা ভোঁসলের রাষ্ট্রীয় বিদায়ে কেন যোগ দেননি সালমান-বছরুখ?

    আশা ভোঁসলের রাষ্ট্রীয় বিদায়ে কেন যোগ দেননি সালমান-বছরুখ?

    সুরসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলের প্রতি শেষ শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে ভারতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। চলচ্চিত্রশিল্পী, গায়ক ও শ্রোতা—সকলেই তার বিদায়ে আবেগে ভাসলেন। রণবীর সিংসহ বহু বলিউড তারকা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন, তবু দুই বড় তারকা—সালমান খান ও শাহরুখ খান সেখানে ছিলেন না, যা অনেকের মধ্যে প্রশ্ন-উত্তেজনা তৈরি করেছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই সময় সৈরভায় মুম্বাইতেই অবস্থান করছিলেন সালমান ও শাহরুখ। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিবেচনায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত ছিলেন না। যদিও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে উভয়ের তরফে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আসে না। অনেকে অনুপস্থিতি নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন, আবার অনেকে নিরাপত্তা-কারণকে বিবেচনা করে তাদের সিদ্ধান্ত বোঝার চেষ্টা করেছেন।

    তবে উভয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আশা ভোঁসলের প্রতি শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেছেন। শাহরুখ লিখেছেন, “এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে আশা ছেড়ে চলে গেলেন। তার কণ্ঠ ভারতীয় সিনেমার এক শক্ত বিন্দু ছিল, যা আগামীর প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করবে।” সালমান লিখেছেন, “এটা ভারতের সংগীত জগতের এক বিশাল ক্ষতি। আশা জির অনবদ্য কণ্ঠ আমাদের ছুঁয়ে যায়—তার গান আগামী প্রজন্মকে প্রেরণা দেবে।”

    আশা ভোঁসল ১২ এপ্রিল মারা যান। এক দিন আগেরই (১১ এপ্রিল) তিনি শারীরিক অস্বস্তিতে আক্রান্ত হয়ে বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন; প্রথমে আশার দ্রুত সেরে ওঠার প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু শেষক্ষণে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।

    অবিভাজ্য করা যায় না—আশার কণ্ঠ ও গান ভারতীয় সংগীত ও সিনেমায় চিরস্মরণীয় ছাপ রেখেছে। শেষকৃত্যের ছোট-বড় সব মুহূর্তই শিল্পীজীবনের বার্তা ও সমবেদনার প্রতিচ্ছবি; অনুপস্থিতি নিয়ে যত প্রশ্নই উঠাক, তার প্রতিভা ও অবদান রয়ে গেছে কোটি শ্রোতার মনে।

  • ফের মাইন বিস্ফোরণ: পাঁচ দিনে দুই রোহিঙ্গা যুবক পা হারালেন

    ফের মাইন বিস্ফোরণ: পাঁচ দিনে দুই রোহিঙ্গা যুবক পা হারালেন

    বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তসন্নিকটে উখিয়ার পালংখালী এলাকায় বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ফের একটি স্থলমাইন বিস্ফোরণ ঘটে, এতে মো. ইউনুছ (২৫) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।

    স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পালংখালী সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের চাকমাকাটা এলাকায় ওই বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউনুছকে উদ্ধার করে প্রথমে কুতুপালং কর্তৃপক্ষের এমএসএফ হাসপাতালে নেয়। পরে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শান্তনু ঘোষ জানান, ইউনুছের ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    এটি ওই সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া দ্বিতীয় মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা। এর পাঁচ দিন আগে, গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একই এলাকায় আরেকটি বিস্ফোরণ ঘটে। ওই ঘটনায় মো. সাদেক (২৫) নামে আরেক রোহিঙ্গা যুবক গুরুতরভাবে আহত হন।

    সাদেক উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবির (ক্যাম্প-১০) এফ-১৩ ব্লকের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে জেলেদের সঙ্গে মাছ ধরতে যাওয়ার পর ফেরার পথে দুর্ঘটনাবশত মাইনের ওপর পা পড়লে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সাদেকের বাঁ পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয় এবং ডান পায়ের হাঁটুর নিচের অংশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    উভয় ঘটনায় স্থানীয়রা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় মাইন ঝুঁকি এখনও বিদ্যমান রয়েছে বলে সতর্ক করেন। তারা দ্রুত মাইন নিষ্কাশন ও নিরাপত্তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

  • বাংলাদেশে পেপ্যাল চালু করতে কমিটি গঠন: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশে পেপ্যাল চালু করতে কমিটি গঠন: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে পেপ্যালের কার্যক্রম চালু করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, হাই-টেক পার্ক ও আইসিটি সেন্টারগুলোকে কার্যকরভাবে চলমান রাখতে এবং পেপ্যালের কার্যক্রম বাংলাদেশে আনতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি এসব কেন্দ্রের দক্ষ পরিচালনা নিশ্চিত করা এবং পেপ্যালের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার দায়িত্ব নিচ্ছে।

    এর আগে বিভিন্ন সময়ে পেপ্যাল বাংলাদেশে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে এসেছে। বিশেষত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক ওই সংস্থাটি এই বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিল।

    গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আহসান এইচ. মনসুরও জানিয়েছেন যে পেপ্যাল বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করবে। তিনি বলেছিলেন, মূলত ফ্রিল্যান্সার, ই-কমার্স উদ্যোক্তা ও আইটি খাতে সহজ ও নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

    ওই সময় পেপ্যালের দক্ষিণ এশিয়া (সিঙ্গাপুর ভিত্তিক) টিমও বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার ও আইসিটি বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে সহযোগিতার সম্ভাবনা ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে আলোচনা করেছে।

  • ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে বিএনপি মানুষের কথা ভুলে গেছে: নাহিদ ইসলাম

    ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে বিএনপি মানুষের কথা ভুলে গেছে: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে বিএনপি জনগণের কথা ও তাদের ত্যাগ ভুলে গেছে। তিনি এ মন্তব্য করেন শনিবার সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি বক্তৃতায়।

    নাহিদ বলেন, ‘‘এই দেশ মেলে রেখেছে শ্রমজীবী মানুষের রক্ত ও ত্যাগের ওপর ভিত্তি করে। ১৯৪৭-এর স্বাধীনতার সংগ্রাম হোক বা ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ—এমনকি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানেও যারা জীবন দিয়েছে, তাদের অধিকাংশই ছিলেন শ্রমজীবী মানুষ।’’

    তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় এসে বিএনপি মাত্র এক মাসের মধ্যে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ‘‘নতুন যে সরকার গঠিত হয়েছে, তারা শ্রমিকদের রক্তের ওপর ক্ষমতায় বসেছে। কিন্তু এক মাসের মধ্যেই তারা নতুন বাংলাদেশের সঙ্গে বেইমানি করেছে, গণভোটের গণরায়কে অবজ্ঞা করেছে—এই সরকার নাগরিকবিরোধী,’’ বলেন নাহিদ।

    নাহিদ আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি হওয়া অধ্যাদেশগুলো আইন করে সংস্কার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি বিএনপি ভঙ্গ করেছে। তিনি বলেন, ‘‘রাজনীতিতে ওয়াদা ভঙ্গের ফল ভোগ করতে হবে—এই দেশের মানুষ সেটা সহ্য করবে না। প্রয়োজন হলে গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে শ্রমিকসহ সকল নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ চালিয়ে যেতে হবে।’’

    একটি নতুন জাতীয় ঐক্যের কথা উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, ঐক্যে দাঁড়িয়ে তারা একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন। ‘‘রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজ—সব জায়গায় ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নতুন ব্যবস্থায় শ্রমিকদের অংশ নিশ্চিত করতে হবে। সেই লড়াইয়ে আমাদের ঐক্য বজায় রাখতেই হবে,’’ তিনি বলেন।

    নাহিদ বলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জাতীয় শ্রমিক শক্তি—allied সংগঠনগুলো ঐক্যের পথে রয়েছে। তিনি শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের নেতৃত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘‘আপনাদের সম্মিলিত শক্তিতেই দেশের নতুন পথ গড়ে উঠবে—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রূপকথাকে বাস্তবে পরিণত করতে হবে।’’

    শ্রমিকদের রাজপথে নামার প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়ে নাহিদ বলেন, ‘‘এবার যে শুধু সংসদ নয়, রাজপথে নামারও প্রস্তুতি নিতে হবে। গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা বর্তমান সরকারকে বাধ্য করব—জুলাই সনদ, গণভোট ও শ্রমিকদের অথচ প্রদত্ত প্রতিটি দাবিকে বাস্তবায়ন করতে হবে।’’

    সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি অন্য একটি আকর্ষণীয় অনুরোধও জানান: ‘‘ঐক্যবদ্ধ হন, সংগঠিত হন এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিজ দায়িত্ব পালন করুন—এভাবেই আমরা পরিবর্তন আনতে পারব।’’

  • সংস্কার পরিষদ না হলে সংকটের ফল বিএনপিকেই ভোগ করতে হবে: নাহিদ

    সংস্কার পরিষদ না হলে সংকটের ফল বিএনপিকেই ভোগ করতে হবে: নাহিদ

    বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সরকার যদি দ্রুত সংস্কার পরিষদ গঠন না করে, তাহলে সেই সংকটের পরিণতি বিএনপিকে মোকাবেলা করতে হবে।

    সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্য ‘‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার আয়োজন করে।

    সেমিনারে নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে দুইটি মূল রাজনৈতিক প্রশ্ন উঠে এসেছিল। ছাত্র আন্দোলন ফ্যাসিবাদের বিলোপ দাবি করেছিল, বিএনপি তখন স্বাধীন নির্বাচন চেয়েছিল, আর তাদের পক্ষে আমরা গণপরিষদ গঠনের দাবি তুলেছিলাম। পরে বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় গিয়ে আমরা গণপরিষদের বদলে সংস্কার পরিষদের প্রস্তাব মেনে নেই।

    তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি এখন কৃত্রিম বিরোধ সৃজন করছে। বিএনপি চেষ্টা করছে জুলাই সনদ এবং জুলাই আদেশকে আলাদা করার, কারণ তারা জুলাই সনদকে নিজেদের দলে আনতে চায় এবং সেটিকে দলীয় ইশতেহারে পরিণত করেছে। ফলে গণভোটের প্রশ্ন উঠেছে। নাহিদ বলেন, সংবিধানের মূল কাঠামো ফ্রেমওয়ার্কের বাইরে পরিবর্তন করা যায় না, তাই গাঠনিক ক্ষমতার সংস্কারের প্রশ্ন এসেছে এবং ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় বিএনপি এসব শর্ত গ্রহণ করেছে। কিন্তু পরে বিএনপি কথাবিরোধিতা করে গণভোটের ফলকে উপেক্ষা করেছে।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, গণভোটের সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করার পরিণতি সরকারের কাঁধে পড়বে। এখন আমাদের যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করতে হবে — কীভাবে জাতীয় স্বার্থ ঐক্যবদ্ধভাবে রক্ষা করা যায়, হঠাৎ কোনো দুর্যোগ বা প্রাকৃতিক-অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবেলা করা যায় এবং জ্বালানি সংকটের মতো সমস্যা সমাধানের উপায় কী হবে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৬ বছরে যে সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে সংস্কার নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছিল, সেগুলো এখনো আবর্তিত অবস্থায় রয়েছে এবং জাতিকে এই সংকটে টেনে আনা হয়েছে, যার দায়ভার বিএনপিকেই বহন করতে হবে।

    সংকট মিটাতে দ্রুত সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে নাহিদ সরকারকে বলেন, সুষ্ঠু ও দ্রুত সংবিধান সংশোধন ও সংস্কারের জন্য ব্যবস্থা নিন এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখুন; তা না হলে পরিণতি আপনাদের ভোগ করতে হবে।

    সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।

  • দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল — প্রতি ভরির নতুন মূল্য

    দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল — প্রতি ভরির নতুন মূল্য

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে, দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক ধাক্কায় প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২,২১৬ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সমন্বয়ের ফলে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার ভরি দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকায়, যা মঙ্গলবারের ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকার থেকে বাড়ছে।

    বাজুস সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় এবং জানায় যে নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনের মতে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারেও মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    বাজুস ঘোষিত নতুন দর অনুযায়ী সোনার প্রতি ভরির দামগুলো হলো: ২২ ক্যারেট—২,৫০,১৯৩ টাকা; ২১ ক্যারেট—২,৩৮,৮২০ টাকা; ১৮ ক্যারেট—২,০৪,৭০৩ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভর—১,৬৬,৭৩৭ টাকা।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন নির্ধারিত রুপার ভরিপ্রতি দামগুলো হলো: ২২ ক্যারেট—৬,০৬৫ টাকা; ২১ ক্যারেট—৫,৭৭৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট—৪,৯৫৭ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি—৩,৭৩২ টাকা।

    আন্তর্জাতিক সূঁচকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনার পর থেকে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বিশ্বস্ত সাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি’র তথ্যমতে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪,৮২৩ ডলারের ওপর উঠে গেছে। একই সূত্রে বলা হয়েছে, এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি দাম ছিল ৫,২০০ ডলার ও ২৯ জানুয়ারি তা ৫,৫৫০ ডলারে পৌঁছেছিল।

    গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম লাফিয়ে বাড়ায় দেশের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়। ২৯ জানুয়ারি সকালে একবারে ভরিপ্রতি ১৬,২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস ২২ ক্যারেট এক ভরির দাম ২ লাখ ৮৬ হাজারটাকে তুলে নিয়ে যায়—এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেই পরিবর্তনটি এক ধাক্কায় করা সবচেয়ে বড় দামের সমন্বয় হিসেবে উল্লেখযোগ্য।

  • বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার

    বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এই তথ্য সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) গ্রহণকৃত বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুসারে সেই হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৯৭৭ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলারে।

    তুলনামূলকভাবে, আগের রিপোর্ট অনুযায়ী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৬৪৫ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ২৯ হাজার ৯৫২ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ গ্রস রিজার্ভে বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৫ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ২৫ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার।

    উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ হিসাব করার সময় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এতে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় (short-term liabilities) বাদ দিলে যে পরিমাণ থাকে তাকে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ বলা হয়।

  • বাংলাদেশিসহ নথিবিহীন প্রায় ৫ লাখকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন

    বাংলাদেশিসহ নথিবিহীন প্রায় ৫ লাখকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন

    স্পেনের প্রগতিশীল জোট সরকার নথিবিহীন প্রায় ৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধ করা শুরু করার জন্য একটি ডিক্রি অনুমোদন করেছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত এই সিদ্ধান্তে উল্লেখ করা হয়েছে, বহু দেশের মতো আমলাতান্ত্রিক কড়াকড়ি বাড়ার সময় স্পেন ঠিক উল্টো পথ বেছে নিচ্ছে।

    অন্তর্ভুক্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও অভিবাসন মন্ত্রী এলমা সাইজ এটিকে বর্তমান প্রশাসনের জন্য একটি ‘‘মাইলফলক’’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘এরা আমাদের সমাজের অংশ—তাদের সন্তানরা আমাদের স্কুলে পড়ে, তারা আমাদের শহর ও রাস্তায় জীবন আনে। আজ তাদের পূর্ণ অধিকার ও নিশ্চয়তা দেওয়া হবে, যাতে তারা দায়িত্বশীলভাবে সমাজের সঙ্গে একীভূত হতে পারে।’’

    ডিক্রির আওতায় শর্ত পূরণ করার পর আবেদনকারীরা আবাসন ও কাজের অনুমতিপত্র পাবেন। পাশাপাশি তাঁদের একটি সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর এবং বসবাস করার অঞ্চলের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কার্ডও দেওয়া হবে। প্রশাসন জানিয়েছে, এই রেগুলারাইজেশন প্রাথমিকভাবে এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে; এক বছর পরে সংশ্লিষ্টরা অভিবাসন বিধিমালার অন্যান্য শ্রেণিতে যেতে পারবেন, ফলে ধাপে ধাপে পুরো ব্যবস্থার সঙ্গে তারা একীভূত হবেন।

    আবেদনের শর্তাবলি স্পষ্ট করা হয়েছে—প্রার্থীদের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে এবং ১ জানুয়ারি, ২০২৬-এর আগে স্পেনে প্রবেশ etmiş থাকতে হবে। আবেদনকারীদের টানা কমপক্ষে পাঁচ মাস স্পেনে বসবাসের প্রমাণ দিতে হবে। যদি পরিবারের প্রথম পর্যায়ের আত্মীয়, জীবনসঙ্গী বা নিবন্ধিত সঙ্গী থাকে, তাদের আবেদনও একসঙ্গে বিবেচনা করা হবে। আবেদন করার সময়সীমা জুনের শেষ দিন, অর্থাৎ ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

    আবেদনকারীদের অপরাধমূলক রেকর্ড যাচাই করা হবে: নিজ দেশে কোনো অপরাধে জড়িত না থাকার সনদ জমা দেওয়ার জন্য তাদের এক মাস সময় দেওয়া হবে। যারা তা জমা দিতে ব্যর্থ হবেন, তাদের ক্ষেত্রে স্প্যানিশ সরকার প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে এসব নথি সংগ্রহ করবে।

    প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ, যারা বর্তমানে চীন সফরে আছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন যে এই উদ্যোগ সংসদে আনা সম্ভব হয়েছে শত শত সংগঠন এবং ৬ লাখেরও বেশি মানুষের প্রচেষ্টার কারণে। উল্লেখ্য, স্পেনে নাগরিক উদ্যোগে কোনো বিল সংসদে তোলার জন্য কমপক্ষে ৫ লাখ স্বাক্ষর প্রয়োজন।

    এই ডিক্রি আসে এমন সময় যখন পার্লামেন্টে অনুরূপ একটি বিল আটকে পড়ার পর সরকার অভিবাসন আইন সংশোধনের কাজে ডিক্রি জারি করেছে। প্রধান বিরোধী দল রক্ষণশীল পপুলার পার্টি (পিপি) ইতোমধ্যেই এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার ঘোষণা দিয়েছে, যদিও ২০২৪ সালে পার্লামেন্টে অনুরূপ ধারার জন্য তারা সমর্থন জানিয়েছিল—সেই সময়ে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, কট্টরপন্থী দল ভক্স ছাড়া অধিকাংশ দলই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়।

    পিপির উপ-সাধারণ সম্পাদক আলমা এজকুরা বলেন, ‘‘আইন মেনে চলা ব্যক্তিদের জন্য এটি ক্ষতিকর এবং ভবিষ্যতে আসতে ইচ্ছুকদের উৎসাহিত করবে; একই সঙ্গে নাগরিকরা দেখছেন যে জনসেবা খাতে চাপ বাড়ছে।’’ ভক্স নেতা সান্তিয়াগো আবাসকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেছেন, তিনি স্প্যানিশদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং ‘‘আক্রমণকে’’ ত্বরান্বিত করছেন।

    মন্ত্রী সাইজ এসব সমালোচনার বিরুদ্ধে বলেন, বিশ্বজুড়ে কট্টর ডানপন্থী অভিবাসনবিরোধী ঢেউয়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে স্পেন ‘‘আলোকবর্তিকা’’ হয়ে থাকবে। তিনি যোগ করেছেন, ‘‘আজ আমাদের দেশের জন্য একটি বড় দিন।’’

  • ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস: ইরান চীনের গুপ্তচর স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে

    ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস: ইরান চীনের গুপ্তচর স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে

    ব্রিটিশ সংবাদপত্র ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ইরান গোপনে চীনের একটি গুপ্তচর স্যাটেলাইট ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো পর্যবেক্ষণ ও লক্ষ্য নির্ধারণের ক্ষমতা বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই স্যাটেলাইট প্রযুক্তির সাহায্যে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকান ঘাঁটিগুলোকে চিহ্নিত করে নজরদারি করা সম্ভব হয়েছে।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে স্যাটেলাইট-সমর্থিত গোয়েন্দা তথ্য ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান শনাক্ত করা এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যগুলো নির্ধারণে নতুন সুবিধা দিয়েছে। এই কারণে ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং নজরদারি ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও ইরানের কূটনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা দৃঢ় হয়েছে—বিশেষত স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, তথ্য বিনিময় ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে। এ ধরনের উন্নত নজরদারি সক্ষমতা বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নীতির সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

    ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত দাবিগুলোতে সরকার বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া আলাদা করে তুলে ধরা হয়নি; তাই পূর্ণ চিত্র বোঝার জন্য আরও তদন্ত ও যাচাই প্রয়োজন। তবে রিপোর্টটি অঞ্চলের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত ও কূটনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • চিতলমারীতে স্থগিত ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু; ৬৯৬ পরীক্ষার্থীর ১৯৮ অনুপস্থিত

    চিতলমারীতে স্থগিত ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু; ৬৯৬ পরীক্ষার্থীর ১৯৮ অনুপস্থিত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে নিরাপত্তা বজায় রেখে সুন্দর পরিবেশে ২০২৫ সালে স্থগিত থাকা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা বুধবার (১৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে। প্রথম দিন বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলে। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা পরীক্ষাকেন্দ্রে সতর্ক অবস্থায় ছিলেন।

    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যানুসারে মোট পরীক্ষার্থী ৬৯৬ জন, যার মধ্যে ছাত্রী ৪৩৬ জন এবং ছাত্র ২৬০ জন। প্রথম পরীক্ষাদিন বাংলা বিষয়ে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯৮ জন পরীক্ষার্থী—এদের মধ্যে ছাত্রী ১৩৭ জন এবং ছাত্র ৬১ জন। দুইটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় মোট উপস্থিত ছিলেন ৪৯৮ জন। বাংলা প্রশ্নপত্রে কোনো বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।

    কেন্দ্র কার্যক্রমে চিতলমারী সরকারি এস এম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার খান। একে ফায়জুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান শিক্ষক মোঃ মোহিতুল ইসলাম।

    চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার বলেন, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি জানান, পরীক্ষার নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রগুলোর চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং প্রত্যেক কেন্দ্রেই প্রয়োজনীয় চেয়ারম্যান ও চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী আগামী ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হয়ে আড়াই ঘণ্টা ধরে চলবে।