Author: bangladiganta

  • বাংলাদেশে ভরিতে সোনার দাম ৩ হাজার টাকা বেড়েছে

    বাংলাদেশে ভরিতে সোনার দাম ৩ হাজার টাকা বেড়েছে

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে তারা জানিয়েছে যে দেশের বাজারে ভরের সোনার দাম প্রতি ভরি সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এই যুক্তির ফলে, ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার বাজারমূল্য এখন পৌঁছেছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকায়, যা পূর্বে ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা।

    বাজুসের এই ঘোষণা শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রকাশ্যে আসে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোনার দাম বিশ্ববাজারে বৃদ্ধির প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে এই দাম বাড়ানো হয়েছে।

    বিশেষত, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেশের বাজারে সোনার সামগ্রিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। নতুন নির্ধারিত দামে, ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি বিক্রি হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা, অন্যদিকে ২১ ক্যারেটের ভরি মূল্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের সোনার ভরিের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতিভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায়।

    অপর দিকে, রুপার দামের ক্ষেত্রেও বাড়তি ছাড় দেয়া হয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি এখন বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭۰৭ টাকায়। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের রুপার জন্য নির্ধারিত মূল্য ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।

    বিশ্ব বাজারেও স্বর্ণের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সময় আজ সকাল ১১:২৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ১০৬ ডলার, যেখানে আগের দিন সেটা ছিল ৪ হাজার ৯৭৮ ডলার। আরেকটু পিছনে দেখা যায়, ৩০ জানুয়ারিতে স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার, এবং ২৯ জানুয়ারিতে দাম ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার।

    বিশ্ববাজারে চলমান এই উর্ধ্বগতি দেশের স্বর্ণের দামকেও প্রভাবিত করে। গত মাসের শেষের দিকে যখন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আকাশ ছুঁয়েছিল, তখন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি এক ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বৃদ্ধি করে দেশের বাজারে রেকর্ড করে। ফলে, ভালো মানের স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়। এই দামোৎসুতির মধ্যে একবারের জন্যও এতটা বৃদ্ধি আগে দেখা যায়নি।

  • দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

    দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আবারও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি করেছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ভরি প্রতি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দামটি সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যা কার্যকর হয়েছে সকাল ১০টার পর থেকে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায়, যেখানে ২১ ক্যারেটের জন্য ভরি মূল্য ধার্য হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা। এছাড়াও, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।

    তবে এই মূল্য হিসেবের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরির যোগ হবে। গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থা।

    এর আগে, ২১ ফেব্রুয়ারিতে বাজুস স্বর্ণের দাম পুনরায় সমন্বয় করেছিল। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি মূল্য ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। চলতি বছর মোট ৩২ বার স্বর্ণের দামের পরিবর্তন হয়েছে, তার মধ্যে ২০ বার দাম বাড়েছে এবং ১২ বার কমেছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম পরিবর্তন হয়েছিল, যেখানে দাম বাড়েছে ৬৪ বার এবং কমেছে ২৯ বার।

    অপরদিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকায়, ২১ ক্যারেটের জন্য মূল্য ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮০২ টাকায়।

    সাল সব মিলিয়ে, চলতি বছরে রুপার দাম ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১ দফায় দাম বেড়েছে এবং ৭ দফায় কমেছে। গত বছর মোট ১৩ দফা আমি সমন্বয় হয়েছিল, এর মধ্যে ১০ দফায় মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং ৩ দফায় কমেছিল।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন: মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন: মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন ব্যাংকের কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে, বাংলাদেশের অর্থনীতি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর হিসেবে মো. মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ড. মনসুরের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে এবং তার স্থলে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা আগামী চার বছর পুরোপুরি দায়িত্ব পালনের জন্য চুক্তিভিত্তিক ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য এবং হিরা সোয়েটারের মালিক। তিনি জানান, নিয়োগের জন্য অন্যান্য সব সংস্থার সঙ্গে তার কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ অনুমোদিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এখন থেকে বাংলাদেশের ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করব।’ এর সাথে বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা ব্যাংক থেকেই গ্রহণ করবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এই নিয়োগের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। জনস্বার্থে এ ঘোষণা বাস্তবায়নও দ্রুত হয়েছে।

    অন্যদিকে, মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর, নতুন গভর্নরের দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে, ড. আহসান এইচ মনসুর তার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যালয় ত্যাগ করেন। তিনি কোনও বলেননি, তবে বুঝতে পারা যায় যে তিনি বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন। তিনি জানান, আমি পদত্যাগ করিনি, খবর শুনেছি। এর বাইরে অন্য কোন মন্তব্য করেননি।

    তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত পদত্যাগের খবরে ব্যাংকের মধ্যে তো বটে, সাধারণের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়ে যায়। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, দেশের ক্ষমতা লীগের পরিবর্তনের পর, তখনকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার পদত্যাগ করেছিলেন। এরপর, ১৩ আগস্ট, ড. আহসান এইচ মনসুরকে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই পরিবর্তন দেশে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ঘটলো।

  • নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    সদ্য বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকিং খাতকে খাদের কিনারা থেকে তুলে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর এই উদ্যোগের জন্য তিনি প্রশংসিত হন। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে আশ্বাস দিয়েছেন যে, তিনি পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া প্রগতিশীল সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলোকে অব্যাহত রাখবেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

    তিনি প্রথম দিনই নির্বাহী পরিচালক ও ডেপুটি গভর্নরদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য কিছু দিক নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলোকে চালু করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

    খাতের স্থিতিশীলতা ধরে রাখা এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনতে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রশংসা করেন। দেড় বছরে বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় প্রণোদনা, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় জোরদার করার পরিকল্পনা করেন। এর ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি হিসেবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি উচ্চ সুদের হার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

    নতুন গভর্নর বিশ্বাস ব্যক্ত করেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিয়ম ও বৈষম্যহীন হবে। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনাও তিনি প্রকাশ করেন।

    এছাড়াও, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে ‘মবে’ বা জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জানিয়েছেন, গভর্নর বলেছেন, তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে মানানসই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। যারা এই ‘মবে’ কালচার রচনায় যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধ নিশ্চিত হয়।

  • নতুন গভর্নর কাজের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে চান

    নতুন গভর্নর কাজের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে চান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান কাজের মাধ্যমেই তার সক্ষমতা এবং যোগ্যতা প্রমাণ করার মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, কথায় নয়, আসলে নিজের দক্ষতা দেখানোর জন্য আমি কাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করতে চাই। দেশব্যাপী বলিষ্ঠ ও দৃঢ় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশ করেন। উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ও অন্যান্য কর্মকর্তা-ব্যান্কের কর্মকর্তারা। গভর্নর হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, এখন থেকে কর্মের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে দিতে চান। স্বাভাবিকভাবে, আগে কাজ শুরু করব, তখনই বলা যাবে কি প্রকৃতপক্ষে আমি কতটাই বা দক্ষ।

    গভর্নর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয় গিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে উপস্থিত হন।

    বুধবার বিকেলে তাকে চার বছর মেয়াদে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সরকার ঘোষণা করে। তিনি বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ তাকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এছাড়াও সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়।

    মোস্তাকুর রহমানের জন্ম ১৯৬৬ সালে ঢাকায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি তিনি অর্জন করেন। এর পর তিনি দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড М্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) থেকে এফসিএমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

    অসাধারণ যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতা দিয়ে তাঁর নেতৃত্বে দেশব্যাপী বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ছে। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ২৩তম সদস্য ছিলেন।

    ব্যবসায়ী জীবনে তিনি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সদস্য। পাশাপাশি তিনি নারায়ণগঞ্জের হেরা সোয়েটার্স নামক পরিবেশবান্ধব কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।

  • পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচন জরুরি: গোলাম পরওয়ার

    পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচন জরুরি: গোলাম পরওয়ার

    দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা বিরোধী ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে নির্মূল করতে হলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন একান্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বুধবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহ ও মারাত্মক-নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র লুকানো ছিল। যদি এই রহস্য উন্মোচন না করা যায়, তবে দেশকে আবার কেউ না আবার ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারে। তাই, এই ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখে যারা এর নেতৃত্ব দিয়েছিল, তাদের নাম-পরিচয় 밝혀 না হলে জাতির মুক্তি হবে না। প্রতিটি আসামিকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, শহীদ পরিবারের অশ্রু, আহাজারি অসহ্য বোঝা, যা জাতির জন্য যেন এক অভিশাপ। এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুবিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পরওয়ার আরও বলেন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার আর অপেক্ষা করতে পারে না। এটি দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। যারা বিচার উপলক্ষে আলোর বদলে নাটক সাজিয়ে নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের কারাদণ্ড দিয়েছেন, তাদের মুক্তি ও ক্ষতিপূরণ কার্যকরভাবে দিতে হবে। অনুষ্ঠানে জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ওই সময়ের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের নীরবতা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এক ধরনের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ করে। এর পেছনে মূল লক্ষ্য ছিল দেশের প্রিয় সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেশের স্বার্থ রক্ষা ও আধিপত্য বিস্তার। এই পরিকল্পনায় তারা অনেকটাই সফল হয়েছেন। গভীর আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মাসুদ, নায়েবে আমির হেলাল উদ্দিন, সহকারী সাধারণ সম্পাদক ড. আব্দুল মান্নান ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম।

  • তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা

    তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা

    বিএনপি চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি তার নিজ নির্বাচনী এলাকা বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এই আসনে উপনির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সরকারি চিঠিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, বিএনপির নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে রেজাউল করিম বাদশাকে এই নির্বাচনে মনোনীত করা হয়েছে।

    বিএনপি মিড়িয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, ওই নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

    প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। তিনি ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছিলেন। আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। এজন্য তিনি ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচিত হয়ে থাকায়, বগুড়া-৬ আসন থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেছেন। এর ফলে, বিএনপি এই আসনে উপনির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য রেজাউল করিম বাদশাকে মনোনয়ন দিয়েছে।

  • এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ১০ দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা

    এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ১০ দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। শ্লোগান, ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’, এই বার্তা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হবে। এতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, এর মধ্যেই থাকবেন মুক্তিযুদ্ধের শহীদ পরিবারের সদস্যরা, ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকেরা, অ্যাক্টিভিস্টরা ও জেলার নেতারা। এই ইফতারে উপস্থিত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    এছাড়াও, এই দিন দলটি তাদের গত এক বছরের কার্যক্রমের ওপর একটি ডকুমেন্টারি এবং একটি চিত্র প্রদর্শনীও আয়োজন করবে।

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভাগীয় শহরগুলোতেও বিভিন্ন ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হবে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ২ মার্চ চট্টগ্রামে, ৩ মার্চ কুমিল্লায়, ৪ মার্চ সিলেটে, ৫ মার্চ ময়মনসিংহে, ৬ মার্চ ঢাকায়, ৭ মার্চ ফরিদপুরে, ৮ মার্চ বরিশালে, ৯ মার্চ খুলনা, ১০ মার্চ রাজশাহী এবং ১১ মার্চ রংপুরে এই বিভাগীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

    এছাড়াও, ঢাকা মহানগরী ও এর উত্তর ও দক্ষিণ অংশের জন্য আলাদা আলাদা ইফতার মাহফিলের আয়োজন করবে দল, যা ১২ মার্চ, ১৩ মার্চ ও ১৪ মার্চ সম্পন্ন হবে। এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে দলটি তাদের জন্মদিনকে গণতন্ত্রের স্বপন পূরণের এক নতুনযাত্রার অংশ হিসেবে উদযাপন করবে।

  • জামায়াতের আমিরের নির্দেশ: স্থানীয় নির্বাচনে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নিন

    জামায়াতের আমিরের নির্দেশ: স্থানীয় নির্বাচনে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নিন

    জামায়াতে ইসলামী সিলেট জেলার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত উপজেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্যদের জন্য শিক্ষাশিবিরে দেশব্যাপী স্থানীয় নির্বাচনে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এই শিবিরে জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিতে এটি জামায়াতের প্রথম বড় অর্জন। এই ঐক্য ধরে রেখে আসন্ন নির্বাচনে নেতাকর্মীদের একযোগ কাজ করতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন, প্লাবিত হচ্ছে দেশের রাজনীতি, যেখানে আমাদের হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে, সেটার ক্ষত অর্জন ও পরিশুদ্ধি প্রয়োজন।

    জামায়াতের আমির উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো জামায়াতের নেতৃত্বে একটি অর্থবহ ঐক্য গড়ে উঠেছে। এটি দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সুসংগঠিত ও আদর্শ মানুষ তৈরি করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি ভবিষ্যত সংগ্রামের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান, পেছনের ঝক্কি ঝামেলা এড়িয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন।

    শিবিরের আয়োজন ছিল সিলেট নগরীর মালঞ্চ কমিউনিটি সেন্টারে। সকাল থেকেই বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা যোগ দিতে শুরু করেন। এই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে নৈতিকতা, সংগঠনের শৃঙ্খলা, আদর্শিক শিক্ষা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, ইউনিয়ন, উপজেলা ও সংগঠনের মধ্যে সংহতি ও জনসম্পৃক্ততা বাড়িয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সংগঠিত ও আদর্শনিষ্ঠ কর্মীদের কোন বিকল্প নেই।

    প্রসঙ্গত, এই শিক্ষাশিবিরে সিলেট জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এখানে অনুষ্ঠিত হয় প্রশিক্ষণমূলক আলোচনা, মতবিনিময় এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তৃতা। আয়োজকরা আশা করেন, এই শিবির সংগঠনের সামর্থ্যকে আরও বৃদ্ধি করে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।

  • ছাত্রদের গণঅভ্যুত্থান, রাজনৈতিক দলগুলো করছে ভোগদখল: নাহিদ ইসলাম

    ছাত্রদের গণঅভ্যুত্থান, রাজনৈতিক দলগুলো করছে ভোগদখল: নাহিদ ইসলাম

    নাহিদ ইসলাম, এনসিপির সভাপতি ও বিএনপির বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ, উল্লেখ করেছেন যে গত বিশ বছর আগে ছয় মাসের গণঅভ্যুত্থান হলেও তার মূল সুবিধা এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ভোগ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, যদিও এই আন্দোলনের মূল অবদান ছাত্রদের, কিন্তু বারবার তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর খামারবাড়িতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের ইস্যু নিয়ে তারা দেখছেন যে নির্ধারিত তারিখে ছাত্ররা শপথ নেননি, কারণ সংশ্লিষ্টরা গণভোট ও জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। উক্ত দিনে হওয়ার কথা থাকলেও তা অমান্য করা হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি সংস্কার পরিষদ তাদের শপথ গ্রহণ না করে, তবে জাতীয় সংসদেও তার কোন মূল্য থাকবে না। কারণ জনগণ ভোট দিয়ে পরিবর্তন চেয়েছেন শুধু ব্যক্তি নয়, বরং স্বৈরাচারী কাঠামোর পতন ও ব্যাপক সংস্কার চেয়েছেন। বর্তমান সরকারের বিচার, সংস্কার ও অর্থনৈতিক লুটপাটের বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশার বিপরীতে অবস্থান নেওয়ারও তিনি সমালোচনা করেন।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের অপসারণের ঘটনায় বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি, ঋণখেলাপিদের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলে সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন তিনি।

    তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সংসদে উচ্চারিত ভাষার পরিবেশ না থাকলে আন্দোলন রাজপথে গড়াবে, যার জন্য তারা প্রস্তুত হচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।