Blog

  • নির্বাচনে ভুল সিদ্ধান্তে জাতিকে বড় মূল্য দিতে হতে পারে

    নির্বাচনে ভুল সিদ্ধান্তে জাতিকে বড় মূল্য দিতে হতে পারে

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেশের মানুষের ভবিষ্যত এবং গণতান্ত্রিক ইতিহাসের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। যদি এই নির্বাচনে আমরা কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেই, তাহলে ফলে আমাদের জাতিকে অনেক মূল্য দিতে হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশিরা ভুল করবেন না। বুধবার ঠাকুরগাঁও শহরের ইএসডিওর কার্যালয়ে এক সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল জানান, বাংলাদেশের ইতিহাস হলো অভ্যুত্থানের ইতিহাস, প্রতিরোধের ইতিহাস এবং অন্যায়কে না মানার ইতিহাস। ১৯৭১ সালে আমরা যে লড়াই ও যুদ্ধ করেছিলাম, তার মূল লক্ষ্য ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়া। তিনি জানান, তিনি এখনও সেই পথেই আছেন এবং বাংলাদেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষও একই পথ অনুসরণ করছে।

    তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি সত্যের জয় হবে, যার প্রমাণ হলো ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন। এরপর তিনি দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি কার্যালয় উদ্বোধন করেন এবং আলোকসজ্জায় অংশ নেন। সেই সময় তিনি সরকারকে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান, বিশেষ করে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের দ্রুত সাহায্য ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনাগুলোর মূল্যায়ন করা উচিত এবং যদি কেউ জড়িত থাকে, তাদের আইনের আওতায় আনা আবশ্যক।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা কিছু মানুষ গাফিলতির কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। তিনি মনে করেন, যদি সঠিকভাবে আইনের প্রয়োগ হয় এবং যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকে, তাহলে এ ধরনের ঘটনা রোধ করা সম্ভব।

    অতীতের বাউল সম্প্রদায়ের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, বাউলরা মাঠে-ঘাটে গান করেন, তাদের ওপর হামলা উগ্র ধর্মান্ধদের দ্বারা সংঘটিত হয় বলে মনে করে তিনি। এই ধরনের হিংসা ও প্রতিহিংসা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

  • এনসিপির নতুন শাপলা কলি প্রতীকের ছবি প্রকাশ ও ওয়েবসাইটে সংযুক্ত

    এনসিপির নতুন শাপলা কলি প্রতীকের ছবি প্রকাশ ও ওয়েবসাইটে সংযুক্ত

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের নির্বাচনী প্রতীক ‘শাপলা কলি’র অফিসিয়াল ছবি প্রকাশ করেছে। তবে এটি শুধু গণমাধ্যমে নয়, এখন থেকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় এনসিপির পক্ষ থেকে এই প্রতীকের নতুন ছবি সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ছবি বুঝতে গেলে দেখা যায়, একটি অঙ্কুরিত শাপলা ফুলের কলি সরাসরি গোলাকার শাপলা পাতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। দলের মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন জানান, এখন থেকে গণমাধ্যমে এই ছবি বা প্রতীকের অন্যান্য ফুটেজ ব্যবহার করতে হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ইসির কাছ থেকে এই প্রতীকের চূড়ান্ত ছবি পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্জন করেছেন। এরপরই এই ছবি ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। উল্লেখ্য, গত ৯ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন এনসিপিকে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক বরাদ্দ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এই নতুন ছবি ও সংযুক্তি প্রমাণ করে, এনসিপির নির্বাচনী প্রচার ও পরিচিতিতে এবার একটু পরিবর্তন আসছে।

  • বঙ্গোপসাগরে ৪ মাত্রার ভূমিকম্প সক্রিয়

    বঙ্গোপসাগরে ৪ মাত্রার ভূমিকম্প সক্রিয়

    মধ্যরাতে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এক শক্তিশালী ভূমিকম্প কক্সবাজার জেলার টেকনাফ শহরসহ আশেপাশের এলাকাগুলোকে কেঁপে উঠে। বুধবার রাত ৩টা ২৯ মিনিটি দিকে এই ভূমিকম্প ঘটে, যখন এর উৎপত্তি ছিল টেকনাফ থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার দূরে। বৈজ্ঞানিক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, এই কম্পনের কারণে টেকনাফে খুব অল্প ঝাঁকুনি অনুভূত হয়, ফলে বেশিরভাগ মানুষই তা হালকা মনে করেছেন। তবে, ইএমএসসি জানিয়েছে যে, এই ভূমিকম্প মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছিল, যা এর শক্তি বোঝাতে সহায়ক। অবশ্য ভলকানো ডিসকভারি এই ভূমিকম্পের উৎপত্তির গভীরতা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেনি। এদিকে, গত শুক্রবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ৫.৭ মাত্রার প্রবল ভূমিকম্প আঘাত হানে যা গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র বলে বিবেচিত। এই কম্পনের ফলে অনেক মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে রাস্তায় নামেন এবং বহু বিস্ময়কর দৃশ্য দেখা যায়—সহকর্ম, বাসাবাড়ি, অফিস ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে এই কম্পন অনুভূত হওয়ার পরে শতাধিক মানুষ আহত হন এবং কমপক্ষে ১০ জন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। ভূকম্পনের ধাক্কার কারণে বেশ কয়েকজন আহত হন। বিশেষ করে নরসিংদীতে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এবারে এই ভূমিকম্পের ফলে বহু মানুষ আতঙ্কে ঘর ছাড়তে বাধ্য হন এবং জনগণ দ্রুত নিরাপদ স্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

  • শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ ছিল: রায়ে বিচারকের পর্যবেক্ষণ

    শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ ছিল: রায়ে বিচারকের পর্যবেক্ষণ

    রাজধানীর পূর্বাচলে রাজউকের প্লট বরাদ্দে অসৎ উদ্দেশ্যে জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুদকের তিনটি মামলায় দীর্ঘ ২১ বছরের কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১১টা ২৩ মিনিটে ঢাকার বিশেষ জজ-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

    বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণে জানান, শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ ছিল। তিনি যদি বরাদ্দ না চান, তাহলে সহজেই কাগজপত্র ছুড়ে ফেলতে পারতেন বা প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে তিনি বরাদ্দের জন্য রাজউক, গৃহায়ন মন্ত্রণালয় এবং নিজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের আশ্রয় নেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রতারণা করেছেন বলে উল্লেখ করেন বিচারক।

    উল্লেখ্য, চার বার ক্ষমতায় থাকলেও কেন শেখ হাসিনার সম্পদ ও টাকাপয়সা এমনভাবে বাড়ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারক আরও বলেন, যদি তিনি কোটা ব্যবস্থার অপব্যবহার না করতেন, তাহলে দেশের সাধারণ নাগরিকেরা পর্যাপ্ত প্লট পেত. সরকারি এই অধিকার তিনি অপব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থের জন্য ব্যবহার করেছেন।

    বিচারপতিদের নথিতে আরও জানা যায়, দুদকের মামলায় শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিরা অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পেয়েছেন।

    এর আগে ২৩ নভেম্বর যুক্তিতর্কশেষে রায়ের দিন ধার্য করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন প্রত্যাশা করলেও, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না কারণ তারা পলাতক। মামলার তিনটি করে আসামি তালিকায় শেখ হাসিনাসহ মোট ১২, ১৭ ও ১৮ জন করে আছেন।

    গত জানুয়ারিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুদক পৃথকভাবে ছয়টি মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে ৩১ জুলাই এই মামলাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগনামায় জানা যায়, সরকারে থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনা ও তার পরিবার ক্ষমতার অপব্যবহার করে, অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারি সম্পদ বরাদ্দ নিয়েছেন। তারা গরীব বলে পরিচয় দিয়ে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তার সঙ্গে যুক্ত ছয়টি প্লট নিজের পরিবারের নামে বরাদ্দ করেন।

    জয় ও পুতুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, জয় নিজের নামে থাকা আবাসিক সুবিধা গোপন করে আইন লঙ্ঘন করে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ নেন, পরে তা রেজিস্ট্রি করেন এবং সরকারি জমি আত্মসাৎ করেন। পুতুলও অবৈধভাবে মাকে প্রভাবিত করে প্লট বরাদ্দ পান। এছাড়া, শেখ হাসিনার একান্ত সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে আঁতাত করে দলিল গায়েব করেন বা নথি নষ্ট করেন।

    উল্লেখ্য, শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এর আগে, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা বেগম খালেদা জিয়ার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাজা হয়েছিল, তবে তিনি অবশেষে খালাস পান। হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদও দুর্নীতির জন্য বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পান।

  • বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, আঘাতের আশঙ্কা বাড়ল

    বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, আঘাতের আশঙ্কা বাড়ল

    দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন শ্রীলঙ্কা উপকূলে অবস্থানরত একটি নিম্নচাপ আরও গভীর হয়ে গভীর নিম্নচাপে রূপান্তরিত হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর অঞ্চল উত্তাল হয়ে উঠেছে, যা দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক এই বিষয়ে বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, গভীর এই নিম্নচাপটি সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ২০৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ১৯৭৫ কিলোমিটার, মোংলা বন্দর থেকে ১৯৪৫ কিলোমিটার এবং পায়রা বন্দর থেকে ১৯৩০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।

    আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের বাইরে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সময়ে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। পাশাপাশি, এর কেন্দ্রের আশেপাশের এলাকাগুলিতে সমুদ্রের ঢেউ ও উত্তাল হয়ে উঠছে।

    অতএব, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে। এছাড়াও, উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতি দেশের উপকূলীয় এলাকাগুলোর জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

  • সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া

    সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বর্তমানে গভীর পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি সর্তকতা ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন চিকিৎসকদের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলছে। দলের পক্ষ থেকে দেশের মানুষের প্রতি তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে।

    এর আগে, মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী জানান, খালেদা জিয়ার বুকের ইনফেকশন হয়েছে এবং হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের জটিলতাও দেখা দিয়েছে। ২৩ নভেম্বর রাতে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে ব্রিফিংয়ের সময় এই তথ্য জানান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুসসহ নানা ধরনের জটিলতা ভালবাসেন।

    গত ৭ জানুয়ারি তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান এবং সেখানে ১১৭ দিন অবস্থান করেন। পরে ৬ মে দেশে ফেরেন। দেশে ফিরে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার অংশ হিসেবে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গুলশানের ফিরোজা বাসভবন থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ভর্তি করা হয়।

    খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আল মামুন জানান, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে, যাতে তার শারীরিক অবস্থা সুস্থ ও যাচাই করে নেওয়া যায়।

  • ১৫৮ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে স্থানান্তর ও বদলি

    ১৫৮ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে স্থানান্তর ও বদলি

    সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ প্রশাসন শক্তিশালী করতে সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এ এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে, লটারির মাধ্যমে ৬৪ জেলায় পুলিশ সুপার ও ১৬৬ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায়, একদিনে ১৫৮ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

    বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, এসব কর্মকর্তাদের আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নিজের বর্তমান কর্মস্থল থেকে বিদায় নিতে হবে। যদি কোনো কর্মকর্তার নতুন নিয়োগের জন্য বদলি ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হয়, তবে তিনি তার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন। অন্যথায়, ওই কর্মকর্তাকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে তার পুরনো কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যদি বদলি হওয়া কর্মকর্তার দফতর বা কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তিত হয়ে থাকে, তবে তিনি নতুন দফতরের নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে দাখিল করবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অতি শিগগির কার্যকর হবে।

  • ধর্মেন্দ্রের বিপুল সম্পত্তি, কিন্তু হেমা মালিনীর জন্য কিছুই থাকছে না?

    ধর্মেন্দ্রের বিপুল সম্পত্তি, কিন্তু হেমা মালিনীর জন্য কিছুই থাকছে না?

    বলিউডের জনপ্রিয় প্রয়াত অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওলের সুস্থ জীবন শেষ হয়ে গেছে দীর্ঘ কালের জন্য। তিনি ক্যারিয়ারে একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে অগণিত ভক্তের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। আর তার বহুমুখী সফলতা শুধু সিনেমায় নয়, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও প্রমাণিত—প্রযোজনা, রেস্তোরাঁ, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি থেকে তিনি ব্যাপক আয় করেছিলেন।

    দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে ছবির মাধ্যমে ১৯৬০ সালে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র। প্রথমে তার পারিশ্রমিক ছিল কেবল ৫১ টাকা, যা তখন ছিল খুবই সামান্য। তবে, প্রথম সিনেমার পর দীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষা করে তাকে স্মরণীয় করে তুলেছে ১৯৬৬ সালের সিনেমা ‘ফুল অর পাত্থর’, যেখানে অভিনয় করে তিনি ‘হি-ম্যান’ উপাধি পান। বেশি দিন নয়, ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বলিউডের অন্যতম শীর্ষ তারকা হিসেবে অবস্থান করেন তিনি।

    অবশেষে, আজ তার মৃত্যুতে আলোচনায় এসেছে তার সম্পত্তির বিশাল পরিমাণ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য বর্তমানে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। তার আয়ের মূল উৎস অবশ্যই সিনেমা, তবে তা ছাড়াও তিনি করেছেন ব্যবসায় বিভিন্ন উদ্যোগ—প্রযোজনা, বিজ্ঞাপন, রেস্তোরাঁ চালানো—এসব থেকে তিনি বিশাল সম্পদ রোজগার করেছেন।

    তার মুম্বাইয়ের লোনাভালা এলাকায় অবস্থিত ১০০ একর জমিতে নির্মিতหนึ่ง বিলাসবহুল ফার্মহাউস রয়েছে। এই ফার্ম হাউসের মাঝে রয়েছে সুইমিং পুল, থেরাপি সেন্টার এবং সুদৃশ্য বড়াসবাগান, যেখানে থাকেন স্বস্তি ও আরাম। এই বাড়ির বাজার মূল্য প্রায় ১২০ কোটি টাকা।

    এছাড়াও, মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে আরও অন্যান্য বাড়ি-জমিসহ তার মোট সম্পত্তির মূল্য প্রায় ১৭ কোটি টাকা। এতে অন্তর্ভুক্ত কৃষি জমি ও পরিত্যক্ত জমি-জমির মূল্যাত্মক অংশ।

    তার সংগ্রহে রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি—মার্সিডিজ বেঞ্জ এস-ক্লাস, মার্সিডিজ বেঞ্জ SL500 এবং ল্যান্ড রোভার রেঞ্জ রোভারের মতো জনপ্রিয় গাড়িগুলি।

    অথচ, বলিউড সূত্র অনুযায়ী, ধর্মেন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী বাস্তবায়ন করতে না পারা দুর্ভাগ্যজনক এক বাস্তবতা—প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে ডিভোর্স না দিয়ে ধর্মেন্দ্র হেমার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। এই বিবাহটি অবশ্য হিন্দু ধর্মীয় রীতির অনুসারে বৈধ নয়। তবে, ধর্মেন্দ্রের বেঁচে থাকাকালীন তার দুই কন্যা—এষা ও অহনা—উল্লেখযোগ্যভাবে বাবার সম্পত্তির অংশ পাবেন, যা উত্তরসূরির কাছে অধিকার হিসেবে থাকবে। কেবল এটি নয়, তার সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি, বাড়ি, জমি—সবই তার জীবদ্দশায় কড়া সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত।

  • গায়িকা রোজাকে গুলি, হাসপাতালে মৃত্যু

    গায়িকা রোজাকে গুলি, হাসপাতালে মৃত্যু

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে নর্থরিজ এলাকার একটি অন্ধকার রাস্তায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন জনপ্রিয় ল্যাতিন সংগীতশিল্পী মারিয়া দে লা রোজা। এটি ঘটে ২২ নভেম্বর, যখন তিনি নর্থরিজের ব্রায়ান্ট স্ট্রিটে একটি পরিষ্কার দিন পার করছিলেন। জানা গেছে, এই সময় তিনি একটি পার্ক করা গাড়ির পাশে ছিলেন। হঠাৎই দুর্বৃত্তরা তাদের দিকে ছন্দময় গুলির ঝটিকা ছুড়ে দেয়। গুরুতর আহত হওয়ার পর রোজাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু ডাক্তাররা তখন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, সেই রাতের ঘটনার সময় আড়াইটার বেশ আগে, আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটের দিকে, পুলিশ টাম্পা অ্যাভিনিউয়ের কাছাকাছি ব্রায়ান্ট স্ট্রিটের দিকে গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্দেহভাজন দুই পুরুষ একরত গাড়ির দিকে আসেন এবং সঙ্গে সঙ্গে গুলি ছুঁড়ে।

    ঘটনার বর্ণনা অনুযায়ী, এই হামলায় গায়িকা রোজা গুলিবিদ্ধ হন। এরপর তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অন্য দুইজন আহত হন, তাদের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণ করতে পারেনি বা কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনো চলছে, ঘটনাটিকে বিভিন্ন মহলে শোকের ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

  • অর্থ আত্মসাতের জবাবে তানজিন তিশার বিবৃতি

    অর্থ আত্মসাতের জবাবে তানজিন তিশার বিবৃতি

    সম্প্রতি সিনেমায় নিজের নাম লেখানোর কারণে আলোচনায় আসা তানজিন তিশা বর্তমানে বেশ কিছু অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন এবং তার আগে দুটি ফ্যাশন হাউসের প্রতারণার অভিযোগে তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। এরই মধ্যে ভারতের একজন প্রযোজক তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ‘ভালোবাসার মরশুম’ নামের সিনেমার প্রযোজক শরীফ খান দাবি করেছেন, তিশা তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা নেপথ্যে নিয়ে যান। এ পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অবস্থান ব্যক্ত করতে গিয়ে তিশা একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন।