Blog

  • বাংলাদেশের বাজিমাৎ: শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ গোলে হারালো তরুণ দল

    বাংলাদেশের বাজিমাৎ: শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ গোলে হারালো তরুণ দল

    অপ্রতিরোধ্য ফুটবল ছন্দ ধরে রেখে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ২০২৬ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ আবারও দেখালো দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সঙ্গে বড় জয়। বুধবার চীনের ছংছিংয়ে অনুষ্ঠিত গ্রুপ-এ ম্যাচে বাংলাদেশের তরুণ দল অসাধারণ এক ম্যাচ খেলেছে, যেখানে তারা শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়েছে।

    এর আগে, সিরিজের দুই ম্যাচে টিমোর-লেস্তে (৫–০) এবং ব্রুনেইয়ের (৮–০) বিপক্ষে বড় জয় তুলে নেওয়ার পর, এই জয় মানসিক ও কৌশলগতভাবে দলের আত্মবিশ্বাস আরও বৃদ্ধি করেছে। পুরো ম্যাচ জুড়েই বাংলাদেশের ফুটবলাররা আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে, নিজেদের আক্রমণভেদন দক্ষতার সঙ্গে উপস্থাপন করেছে, যেখানে শ্রীলঙ্কার প্রতিরোধ খুবই দুর্বল বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

    ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে ২৪ মিনিটে, যখন বাংলাদেশের আরিফ নিখুঁত ক্রস দিয়ে ইকরামুলের মাথায় বল দারুণভাবে জোড়ে দেন, এবং তিনি জাল খুঁজে পান। এর পাঁচ মিনিটের মধ্যে, অন্য এক আক্রমণে মানিক অপুর পাস থেকে নিজের কন্ট্রোলে বল নিয়ে নিখুঁত ফিনিশে علیه গোল করেন, ফলে স্কোর হয় ২-০। শ্রীলঙ্কার গোলরক্ষক প্রথম আওয়ারের মধ্যেই বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে খেলোয়াড়দের মনোবল ধরে রাখতে সক্ষম হলেও, কোনো গোল হজম করতে পারেনি।

    দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে, বাংলাদেশের রিফাতের থ্রু পাস ধরে ফয়সাল তার ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠান, ফলে ব্যবধান আরও বাড়ে এবং স্কোর হয় ৩-০। এরপর, শেষ দিকে এসে বাংলাদেশের বায়জিদ ৯০ মিনিটে তৎপর শটে চতুর্থ গোল করে স্কোরলাইন ৪-০ করেন। কিছুক্ষণ পরে, ফয়সাল দুর্দান্ত এক হাফ-ভলি শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন, আলটিমেট স্কোর হয় ৫-০।

    খেলার পুরো সময়জুড়ে বাংলাদেশ বল দখল, গতি ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছে। শ্রীলঙ্কার প্রতিপক্ষের শট বা সুযোগের খুব কমই দেখা গেছে, যা তাদের দুর্বল রক্ষণাভির ও প্রতিরোধের প্রমাণ দেয়। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ এখন উচ্চ প্রত্যাশা নিয়ে এগোচ্ছে, তারা ৩০ নভেম্বরের ‘গ্রুপ ফাইনাল’ ম্যাচে চীনকে টপকানোর লক্ষ্য তৈরি করেছে, যেখানে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকাটাই আসল দরকার।

  • বিপিএলের আসর শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, ফাইনাল ১৬ জানুয়ারি

    বিপিএলের আসর শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, ফাইনাল ১৬ জানুয়ারি

    আগামী ৩০ নভেম্বর বিকেল তিনটায় হোটেল রেডিসন ব্লুতে অনুষ্ঠিত হবে বিপিএল নিলাম। আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি এসব তথ্য জানিয়েছে। এবারের বিপিএলে মোট ৬ দল অংশ নেবে, যার মধ্যে নতুন করে যুক্ত হয়েছে নোয়াখালী দল। এই দলের নাম রাখা হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস, যা ফ্র্যাঞ্চাইজির হিসেবে বিপিএলে অংশ নিচ্ছে।

    বিপিএল নিয়ে আলোচনায় আরও জানিয়েছে যে, বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য ৫০০ এর বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে থেকে বিসিবি নির্বাচিত করেছে ২৫০ জন ক্রিকেটারকে। সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বোর্ডের পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু।

    বিসিবি আরও জানিয়েছে যে, এবারের বিপিএল শুরুর তারিখ ১৯ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি। এই আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে ঢাকায়, যা ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    অন্যদিকে, এখন পর্যন্ত পাঁচটি দল চূড়ান্ত করেছে বিসিবি, তবে তারা আগেই জানিয়েছিল দল সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। অবশেষে, নিলাম পিছিয়ে দিয়ে একটি নতুন দল যুক্ত করা হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর, গবর্নিং কাউন্সিল আগামী পাঁচ বছরের জন্য নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নাম ও দলগুলো চূড়ান্ত করে।

    এবারের বিপিএলে অংশগ্রহণ করছে রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিলাম শুরু হওয়ার আগে প্রতিটি দল দুজন করে দেশি ও বিদেশি ক্রিকেটারের সরাসরি চুক্তি করার সুযোগ পেয়েছে।

    এই চুক্তির মাধ্যমে ঢাকায় খেলছেন তাসকিন আহমেদ ও সাইফ হাসান, রাজশাহীতে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম, সিলেটে নাসুম আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ, রংপুরে নুরুল হাসান সোহান ও মুস্তাফিজুর রহমান এবং চট্টগ্রাম রয়্যালসে খেলার জন্য থাকছেন তানভির ইসলাম ও শেখ মেহেদী। পাশাপাশি, আরও বেশ কয়েকজন বিদেশি ক্রিকেটারকেও দলে ভিড়িয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।

  • ইমরান খান আদিয়ালা জেলেই আছেন, সুস্থ রয়েছেন: কারা কর্তৃপক্ষ

    ইমরান খান আদিয়ালা জেলেই আছেন, সুস্থ রয়েছেন: কারা কর্তৃপক্ষ

    পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগার কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এখনও সেখানে আছেন এবং তিনি সুস্থ রয়েছেন। রাজনীতিকের মৃত্যু বা কারাগার থেকে সরিয়ে নেওয়ার গুজব সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে তারা জানিয়েছেন। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল, যেখানে বলা হচ্ছিল যে তাঁকে অন্য কোনও স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

    তবে, পাকিস্তানি টেলিভিশন চ্যানেল জিও নিউজের বরাত দিয়ে আরব আমিরাতের গালফ নিউজ জানিয়েছে, কারাগার সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ইমরান খান এখনো আদিয়ালা কারাগারেই রয়েছেন এবং শারীরিকভাবে সুস্থ। রাওয়ালপিন্ডি কারাগার থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তারকথিত বদলির খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি পুরোপুরি সুস্থ ও পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা পাচ্ছেন।’ কর্মকর্তারা আরও বলেন, তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে যে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে, তা ভিত্তিহীন। এ জন্য তাঁর সুস্থতা নিশ্চিত করতে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই তিনি দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবাদসহ একাধিক মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি ২০২২ সালের এপ্রিলে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছিল।

    অন্যদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ দাবি করেছেন, ইমরান খান কারাগারে আগের চেয়ে অনেক বেশি আরাম উপভোগ করছেন। তিনি বলেন, ‘তাঁর জন্য পরিবেশটি এতটাই ভালো যে, সেটা পাঁচতারার হোটেলেও মেলে না।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, কারাগারে তাঁর জন্য টেলিভিশন, ব্যায়াম করার জন্য মেশিন ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এর আগে, তিনি নিজের কারাবাসের অবস্থা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা ঠাণ্ডা মেঝেতে ঘুমাতাম, খাবার মারতাম, জানুয়ারিতে গরম পানি সঙ্গে ছিল না, তখনকার সময়ে আমাদের কাছে মাত্র দুটি কম্বল ছিল।’ อีกমনো কথা বললেন, যেখানে একজন সুপারিনটেনডেন্ট তাঁর সেল থেকে গিজার খুলেও নিয়েছিলেন।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও যোগ করেছেন, ইমরান খানকে ডাবল বেড ও মখমলের গদি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তাঁর জন্য জেলের লাউডস্পিকারে ওয়াশিংটন অ্যারেনার ভাষণ শুনানো হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আল্লাহকে ভয় করো—কারণ সময় কারো হাতে থাকে না।’

    একই সময়ে, ক্ষমতাসীন জোট পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) সভাপতি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বলেছেন, ‘জাহির করা হয়েছিল যে, ইমরান খানকে ক্ষমতায় এনেছিলেন যারা, তাদের মূল অপরাধী।’ তিনি জানান, ‘তাদের সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।’ নওয়াজের মতে, ২০১৮ সালের নির্বাচনে পিটিআই পাকিস্তানের সবচেয়ে বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে উঠে আসে এবং তারা মোট ২৭০ এর মধ্যে ১১৫টি আসন লাভ করে।

    এখন পর্যন্ত, পাকিস্তানের রাজনীতিতে এই ঘটনার প্রভাব ও ভবিষ্যৎ দিক নিয়ে আলোচনা চলছে।

  • হংকংয়ের বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪, নিখোঁজ ২৭৯

    হংকংয়ের বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪, নিখোঁজ ২৭৯

    হংকংয়ের উত্তর টাই পো জেলা অবস্থিত ওয়াং ফুক কোর্ট নামে আটটি বহুতল আবাসিক ভবনের কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এখন পর্যন্ত ৪৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এখনও ২৭৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তার মধ্যে অনেকে আগুনে দগ্ধ ও ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আল জাজিরা।

    বুধবার সকালে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ভবনগুলোতে আগুন লাগার পর বিশাল ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে, শিখা আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় দমকল বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা হিসেবে ‘লেভেল-ফাইভ অ্যালার্ম’ জারি করে।

    হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি বৃহস্পতিবার সকালে আগুনের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা হালনাগাদ করে ৪৪ বলে নিশ্চিত করেন। এর আগে ফায়ার সার্ভিস নয়জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল।

    ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক ডেরেক আর্মস্ট্রং চ্যান বলেন, রাতের অন্ধকার ও উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ভবনে প্রবেশে এখনো অসুবিধা হচ্ছে। ধসে পড়া স্ক্যাফোল্ডিং ও ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার কাজের জন্য বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়, অনেক বাসিন্দা ভবনে আটকা পড়ে থাকতে পারেন। এ ঘটনার সন্দেহে তিনজনকে পুলিশ আটক করেছে, যদিও তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ এখনো জানানো হয়নি।

    এটি হংকংয়ের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড। এর আগে ১৯৯৬ সালে কাওলুনের গার্লে বিল্ডিংয়ে আগুনে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

    অগ্নিকাণ্ডের সময় বাঁশের স্ক্যাফোল্ডিং থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ধ্বংসাবশেষ পড়ার শব্দে আশেপাশের মানুষ আতঙ্কে বিভোর হয়ে পড়ে। অগ্নিনির্বাপণে ১২৮টি ফায়ার ট্রাক ও ৫৭টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পাশাপাশি কাছাকাছি দুটি কমিউনিটি সেন্টারে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়।

    টাই পো জেলার জনসংখ্যা প্রায় তিন লাখ। রেকর্ড অনুযায়ী, এই অগ্নিকাণ্ডে অঙ্কে আটটি ব্লকে প্রায় দুই হাজার ফ্ল্যাটে মোট চার হাজার আটশো বাসিন্দা বসবাস করেন।

  • ইন্দোনেশিয়ায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় ভূমিকম্প

    ইন্দোনেশিয়ায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় ভূমিকম্প

    ইন্দোনেশিয়ায় বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আবারো ভয়ংকর ভূমিকম্প হয়েছে, এটি গত ১২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয়বার البلادকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এই ভূকম্পন উত্তর সুমাত্রার পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে। আশঙ্কা মুক্ত হলেও এ ধরনের কাকতালীয় ঘটনা সবাইকে আতঙ্কিত করে তুলেছে।

    রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আচেহ প্রদেশের কাছাকাছি সুমাত্রা দ্বীপে এই ভূমিকম্পের আঘাত পড়ে, যার গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার। ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা জানিয়েছে, এই শক্তিশালী কম্পনটি এতটাই গভীরে অনুভূিত হয়েছে যে, এর প্রভাব পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করে দেখা হচ্ছে।

    চীনের শিনহুয়া বার্তা সংস্থা জানাচ্ছে, জার্মানির জিওসায়েন্স রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) বলেছে, সুমাত্রার দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে ৬.২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ১০ কিলোমিটার গভীরে, অক্ষাংশ ২.৬৮ ডিগ্রি উত্তর ও দ্রাঘিমাংশ ৯৫.৯৬ ডিগ্রি পূর্বে।

    এর আগে, বুধবার (২৬ নভেম্বর) দেশের নর্থ সুলাওয়েসি অঞ্চলে রাত ১২টার দিকে ৫.১ মাত্রার এক আরও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইউএস জিওলজিকাল সার্ভের (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, এর উৎপত্তিস্থল ছিল তন্দানোর ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণে, গভীরতা ছিল প্রায় ১২১ কিলোমিটার।

    অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এ ধরনের ভূমিকম্পগুলো সাধারণত ধীরে ধীরে হলেও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য বড় শহরেও এর প্রভাব পড়ে। গত শুক্রবার রাজধানীসহ দেশে একটি বড় ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ৫.৭। এই ভূকম্পন এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। বিস্তারিত জানানো হয়, ভূমিকম্পের কারণে বিভিন্ন ভবন থেকে মানুষ দ্রুত নিচে নেমে আসা শুরু করেন, পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে।

    নরসিংদীতে উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১০ জন নিহত ও বহু আহত হন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও এর প্রভাব পড়ে। এই ঘটনাগুলোর কারণ ও ফলাফল বিশ্লেষণে বিভিন্ন সংস্থা ও জরুরি বিভাগের সমন্বিত চেষ্টা চলছে। সূত্র: ভলকানো ডিসকভারি

  • হংকংয়ের বহুতল ভবনে আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫, গ্রেপ্তার ৩

    হংকংয়ের বহুতল ভবনে আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫, গ্রেপ্তার ৩

    হংকংয়ের তাই পো এলাকায় অবস্থিত ওয়াং ফুক কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ এ পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ভোররাতেও ভবনের ওপর থেকে ধোঁয়া উড়ে যেতে দেখা গেছে। হংকং ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই চারটি ভবনের অগ্নিনির্ভ্বরণে কাজ চলছে এবং পুরোপুরি নিভিয়ে আনতে তাদের পুরো দিন জুড়ে কার্যক্রম চালাতে হবে। জানানো হয়, এই কমপ্লেক্সের আটটি ভবনের মধ্যে চারটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে, আরও তিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ও জনগণের কল্যাণে ১৩টির স্কুল ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট ৫৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মধ্যে ৫১ জন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন, আর বাকি চারজন হাসপাতালে প্রেরণের পর মৃত্যুবোধ হয়। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৪৫ জন, যার মধ্যে আটজন ফায়ার ফোর্সের কর্মী রয়েছেন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২৭৯ জন। এই হতাহতের খবর নিশ্চিত করেন হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি।

    ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার বিকেল ২:৫১ মিনিটে প্রথম অগ্নিকাণ্ডের খবর পায় তারা। এরপর থেকে কমপ্লেক্সের শতাধিক বাসিন্দাকে অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়। যারা পুনর্বাসনের প্রয়োজন তাদের জন্য জরুরি আবাসন ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    বিবিসি জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ভবন থেকে গা darkা কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও ছোট ছোট আগুনের শিখা এখনও দেখা যাচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

    এদিকে, কমপ্লেক্সের অনেক বাসিন্দা ঘটনাস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছেন। যাঁরা অগ্নিকাণ্ডের আগেই ভবন থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন, তারা এখন নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর দেখার জন্য আসছেন। অনেকে রাতে বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে অবস্থান করে ভোরে ফিরে আসেন।

    তবে, এখনো আগুনের সূত্রপাত বা কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ এ ঘটনায় নির্মাণ সংস্থার দুই পরিচালক এবং একজন প্রকৌশলীকে গ্রেপ্তার করেছে।

    অগ্নিকাণ্ডের পর অস্বাভাবিকভাবে এটি ছড়িয়ে পড়ায় অনেককেই বের হয়ে আসতে পারেনি। ভবনের ভিতর পলিস্টাইরিনসহ অন্যান্য দাহ্য পদার্থ পাওয়া গেছে, যা অগ্নিকাণ্ডকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। এছাড়াও, কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা জাল, ক্যানভাস এবং প্লাস্টিকের কভারগুলোর মান সেফটি স্ট্যান্ডার্ডের সঙ্গে অনুরূপ নয় বলে পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

  • ভূমিকম্পে কাঁপলো ভারত ও পরিবেশে আফরন্ত ঘোষণা

    ভূমিকম্পে কাঁপলো ভারত ও পরিবেশে আফরন্ত ঘোষণা

    ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ায় আবারো প্রভাব ফেলল ভূমিকম্পের ঝড়। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ভোর ৫টা ৪২ মিনিটে পশ্চিমাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্যে ৩.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভব করা হয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের ফলে কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এটি ছিল একমাত্র সামান্যই, যা অস্থায়ীভাবে হতাশার সৃষ্টি করেনি।

  • পেশীশক্তি, ভয়ের পরিবেশ, সম্প্রদায়িক প্রচারণা ও প্রশাসনিক কারসাজি মুক্ত নির্বাচন নিশ্চিতে গুরুত্ব

    পেশীশক্তি, ভয়ের পরিবেশ, সম্প্রদায়িক প্রচারণা ও প্রশাসনিক কারসাজি মুক্ত নির্বাচন নিশ্চিতে গুরুত্ব

    বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ঠিকই সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা হওয়া অত্যন্ত জরুরি। মানুষ এ কথা স্পষ্টভাবে জানতে চায়, যাতে তারা ভয়মুক্ত পরিবেশে স্ব自主ভাবে ভোট দিতে পারে। তারা চায়, একাধারে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে এরপর শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্ন হওয়ার পরে, জনসাধারণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়। এজন্য অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য ভোটের পরিবেশ তৈরি অপরিহার্য। একই সঙ্গে ভোটে দাঁড়ানোর ও ভোট দেওয়ার অধিকারের পূর্ণ নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে।

    তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে নজর রেখে গতকাল বুধবার বিকেলে খুলনার ধর্মসভা, সেমেট্রি রোড, শান্তিধাম মোড় এবং সাত রাস্তার মোড়ে গণসংযোগকালে। রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, দেশের কিছু অংশ জনগণের মনোভাবকে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকেও বিতর্কের চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন। পাশাপাশি তারা মব লিষ্ট ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে খুলনায় ঘটে যাওয়া হত্যা, লুটপাট ও অরাজকতা নজিরবিহীন। এই পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান না হলে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিকল্পনাও বাধাগ্রস্ত হবে। এজন্য তিনি প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

    গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সিপিবি’র সভাপতি এইচ এম শাহাদৎ, সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ ঢালী, কেন্দ্রীয় নেতা মিজানুর রহমান বাবু, জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, মহানগর সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান বাবু, সদর থানা সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, টিইউসি নেতা রঙ্গলাল মৃধা, যুবনেতা নাহিদ হাসান, ছাত্র নেতা সুদীপ্ত রায়, টনুশ্রী, ওয়াহিদুজ্জামান, ওয়াহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

  • আধুনিক দাকোপ ও বটিয়াঘাটা গড়তে ধানের শীষের বিকল্প নেই

    আধুনিক দাকোপ ও বটিয়াঘাটা গড়তে ধানের শীষের বিকল্প নেই

    খুলনা-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী জিয়াউর রহমান পাপুল বলেছেন, দাকোপ ও বটিয়াঘাটা অঞ্চলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন কার্যত অপ্রাপ্ত। অবহেলিত পরিকল্পনা ও অগোছালো উন্নয়নের কারণে এই এলাকার বৈকালিক অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছে এবং সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নতিতে কোনো কাজে আসেনি। বুধবার বিকেলে দাকোপের এম এম কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে জেলা বিএনপি সদস্য শাকিল আহমেদ দিলুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নেতৃবৃন্দ।

    জিয়াউর রহমান পাপুল আরও বলেন, তিনি চান দাকোপ উপজেলাকে আধুনিক ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে। এজন্য তিনি দাকোপের নলিয়ান পর্যন্ত চারলেন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা প্রকাশ করেন, যা খুলনা শহরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ নিশ্চিত করবে। এছাড়াও, পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের কথা জানান, যা এখানকার বেকারত্ব কমাতে সহায়ক হবে।

    অনুষ্ঠানে চালনা পৌর বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আল আমিন সানা সঞ্চালনা করেন। এতে ভাষণ দেন জেলা বিএনপি’র সদস্য সুলতান মাহমুদ, জি এম রফিকুল হাসান, মনিরুজ্জামান লেলিন, আসাবুর রহমান পাইলট, বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এজাজুর রহমান শামীম, দাকোপ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক গাজী জাহাঙ্গীর আলম, চালনা পৌর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আইয়ুব কाज़ী, বেল্লাল হোসেন মোল্লা, ইমরান হোসেন পলাশ, এস এম ফয়সাল, আব্দুস সাত্তার আকন, সেকেন্দার শেখ, মানস গোলদারসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অমল গোলদার, আনোয়ার হোসেন আনোয়ার, মাসুম বিল্লাহ, রেহানা ইসলাম, কৈশল্যা রায়, রাবেয়া পারভীন, মঞ্জিলা পারভীন ও কানিজ ফাতেমা প্রমুখ।

  • ভোটাধিকার দেশের অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে

    ভোটাধিকার দেশের অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দেশের ভবিষ্যত নিরাপদ করতে নাগরিকদের ভোটাধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাধিকার শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে না, বরং দেশের অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতার পথ সুগম করে। তিনি বলেন, যদি জনগণ সক্রিয়ভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, তবে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং সঠিক পথে অগ্রগতি সম্ভব হবে। বর্তমানে আমরা একটি ট্রানজিশন পর্বে আছি, যেখানে কর্তৃত্ববাদী শাসন থেকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন মহল নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে লিপ্ত হলেও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    গতকাল বুধবার, সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর শেরে বাংলা রোডের জোহরা খাতুন শিশু বিদ্যানিকেতনে সকল শিক্ষিকাদের সঙ্গে মতবিনিময়, ফুলেল শুভেচ্ছা ও আলোচনা করেন। এছাড়াও, সিমেট্রি রোডে আর্চ্য্যপ্রফুল্লচন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    তিনি আরও বলেন, যতটা সম্ভব ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। তিনি বনানী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, এডিবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এবং সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আলোচনা করেন। এর পাশাপাশি, তিনি সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন, ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতির নেতাদের সঙ্গে এবং খুলনা বাজার পোস্ট অফিসসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

    পরে, তিনি মহানগর বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম শাহজালাল বাবলু, মরহুম এম এ সালাম মন্টু এবং অসুস্থ এড. রফিকুল ইসলামের পরিবারের সাথে দেখা করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন। সন্ধ্যায়, তিনি জনতা ব্যাংক কর্পোরেট শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর, তিনি জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রার্থীকে সমর্থন দিতে সবাইকে অনুরোধ করেন।

    এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন, মজনু, মজিবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শমসের আলী মিন্টু, কামরান হাসান, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার, রবিউল ইসলাম রবি, ওমর ফারুক, নাসির খান, মেহেদী হাসান সোহাগ, আব্দুল মতিন, মেশকাত আলী, খায়রুল ইসলাম লাল, মাহবুব হোসেন, মোস্তফা কামাল, আসলাম হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, আলমগীর হোসেন আলম, আবুল বাসার, আল বেলাল, রিয়াজুর রহমান, শামীম আশরাফ, মোল্লা আলী আহমেদ, শরিফুল ইসলাম সাগর, মাজেদা খাতুন, ওহেদুর রহমান বাবু, আসাদুজ্জামান বাদশা, সুলতান মাহমুদ সুমন, কামাল উদ্দিন, মোস্তফা জামান মিন্টু, হুমায়ুন কবির, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, ফিরোজ আহমেদ, সাব্বির হোসেন, খান মঈনুল ইসলাম মিঠু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুশফিকুর রহমান অভি, মোল্লা ফিরোজ আহমেদ, রাজিবুল আলম বাপ্পি, সেলিম বড় মিয়া, পারভেজ মোড়ল, শামীম রেজা, মাহমুদুল হাসান মুন্না, সাখাওয়াত হোসেন, জামাল মোড়ল, ডাঃ আব্দুস সালাম, আশিকুর রহমান, শেখ আক্তারুজ্জামান, খায়রুল বাসার, মিজানুর রহমান মিজান, আসমত হোসেন, এ আর রহমান, রাজু আহমেদ রাজ, জুয়েল রহমান, শফিউদ্দিন আহমেদ, শওকত আলী, মশিউর রহমান, মোহাম্মাদ আলী, ইকবাল শেখ, সাইদ আলম ও তামিম হাসান প্রমুখ।