Blog

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা

    বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংক ও ব্যাংকিং সংস্থার কর্মকর্তাদের শুধুমাত্র খুবই জরুরি ব্যক্তিগত ও কর্ম related কারণে দেশের বাইরে যেতে পারবে, এমন স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে।

    আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এই নির্দেশনা জারি করে বলেছে, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ব্যাংকিং খাতে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি বা প্রশাসনিক ব্যাঘাত না ঘটে, সেজন্য এই সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

    নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন পরিস্থিতিতে ব্যাংকিং কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্নে চালানো যায়, সেজন্য এই সীমিত ভ্রমণনীতির প্রয়োগ। এতে ব্যাংক-অফিসার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অন্যান্য উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের অতি জরুরি প্রয়োজনে ছাড়া দেশের বাইরে যেতে বাধা দেয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারা অনুসারে নেওয়া হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে, যাতে নির্বাচনকালীন পরিস্থিতিতে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকে।

  • বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছল

    বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছল

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে দেশের ব্যাংকগুলো থেকে প্রদানকৃত মোট ঋণের মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরের শেষে এই সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ, মাত্র ৯ মাসের মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেজে গেছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

    আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর), বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালক ও মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ব্যাংকিং খাতে এই খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ার জন্য বিভিন্ন কারণ দায়ী। এর মধ্যে একটার হলো, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নামে-বেনামে অর্থ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যা এখন খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে ঋণ পুনঃনবায়ন ও ঋণ আদায়ে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক ঋণের নবায়নও নিস্পত্তি না হওয়ায় ব্যাংকগুলো খেলাপি হিসেবে তালিকাভুক্ত করছে। এর ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা। এই সব তথ্য স্পষ্ট করে দেয়, দেশে ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণের ঘটনায় উদ্বেগের বিষয়।

  • তারেক রহমানের ভাষণে দেশি-বিদেশি চক্রান্তের الإهতিয়াত

    তারেক রহমানের ভাষণে দেশি-বিদেশি চক্রান্তের الإهতিয়াত

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘‘৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকে সফল করে আমরা নতুনভাবে স্বাধীনতা লাভ করেছি, কিন্তু এমনকি এরপরও আমাদের দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য বিদেশি ও দেশীয় ষড়যন্ত্র থামছে না।’’’ শহীদ ডা. মিলন দিবসের অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য তিনি করেন এক বাণীতে।

    তারেক রহমান বলেন, ‘‘পতিত আওয়ামী সরকার গত ১৬ বছরে তার দুর্বৃত্তশাসনে মানুষের সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে, গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছে। মানুষের স্বাধীনতা ও মর্যাদাকে অকার্যকর করে দেশের মালিকানা থেকে জনগণকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে।’’

    তিনি আরও দাবি করেন, ‘‘আমরা একত্রিত থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হতে পারবে না। শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।’’

    শহীদ ডা. মিলনসহ সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘‘৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের এক সাহসী সৈনিক শহীদ ডা. শামসুল আলম মিলনের স্মৃতিকে আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।’’

    তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার আত্মদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ৯ বছর ধরে স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফলে গণতন্ত্রের বিজয় এসেছে।’’

    তারেক রহমান যোগ করেন, ‘‘স্বৈরাচারকে উৎখাত করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতেই তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তার রক্তের বিনিময়ে দেশের স্বৈরাচার পতনের পাশাপাশি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে। এই ধারাবাহিক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশর গণতন্ত্রের নতুন সূচনা হয়, যেখানে নেত্রীর নেতৃত্বে দেশের স্বৈরাচার পতন ঘটেছে।’’

    বাণীটি বুধবার দুপুরে (২৬ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত হয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

    অপরদিকে, শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও নিজের ভাষণে স্মরণ করেন শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের বিপ্লবী অবদান। তিনি বলেন, ‘‘৮০’র দশকে স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ডা. মিলনের নাম স্মরণীয় হয়ে উঠে।’’ তিনি বলেন, ‘‘১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, তৎকালীন সরকার গুলিতে শহীদ হন ডা. মিলন। তার শাহাদাতের দিনটি প্রতিরোধের ইতিহাসে দাবি করে দাগ কেটে রাখবে। আমি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি।’’

    তিনি আরও বলেন, ‘‘গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন ডা. শামসুল আলম খান মিলন। তার আত্মদান দেশের গণতন্ত্রের জন্য অনুপ্রেরণা।’’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘বিজয়ী গণতন্ত্রের পথে না ফিরতে স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে সংগ্রামে শহীদ ডা. মিলনের ভূমিকা আমরাও স্মরণ করে যাবো। ১৬ বছরের ভয়ঙ্কর দুঃশাসনে ভোট, বাক ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হারিয়েছে দেশের মানুষ।’’

    তিনি বলেন, ‘‘৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কারণে স্বৈরাচার মুক্ত হলেও ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো দেশের অস্থিতিশীলতার চেষ্টা করছে। তবে দেশের জনগণ এখন একত্র, তাই তারা সফল হবে না।’’

    শেষে, তিনি বলেন, ‘‘শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ আমাদের অনুপ্রেরণা, আর গণতন্ত্রের শক্ত ভিত্তি শক্ত করতে পারলেই তার স্বপ্ন সফল হবে।’’

  • নির্বাচনে ভুল সিদ্ধান্ত জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, সচেতন থাকুন

    নির্বাচনে ভুল সিদ্ধান্ত জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, সচেতন থাকুন

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্ত। এই নির্বাচন দেশের ভবিষ্যত ও গণতন্ত্রের বিভিন্ন দিকের জন্য অমূল্য—এটি আমাদের সকলের collective দায়িত্ব। যদি আমরা এই নির্বাচনে ভুল পদক্ষেপ নিই বা অসর্তকতা প্রদর্শন করি, তাহলে আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনমানুষের স্বাধিকার অনেকটাই compromised হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এই ভুলের ফাঁদে পা দেবে না। বুধবার ঠাকুরগাঁও শহরে ন্যাশনাল এসোসিয়েশন অফ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অফিসের (ইএসডিও) কার্যালয়ে এক বিশেষ সুধী সমাবেশে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস হচ্ছে সংগ্রামের, প্রতিরোধের এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ইতিহাস। এদেশের মানুষের সেই ঐতিহ্য আজও একইভাবে জাগরুক। ১৯৭১ সালে যাদের জন্য আমরা লড়াই করেছিলাম, যুদ্ধে ঝাঁপিয়েছিলাম, সেটি ছিল একটি সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের নির্মাণের উদ্দেশ্য। তিনি আরও বলেন, আমরা এখনও সেই পথে অটল আছি এবং এই পথে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষও অনড়।

    তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, সত্যের জয় হবে এবং এর উদাহরণ হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও জানিয়েছেন, এই দিন দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি, তিনি ঢাকা কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকা ও তাদের জন্য সরকারের আরও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানান।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অগ্নিনির্বাপণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা, দায়িত্বশীলতা ও সমন্বয় থাকলে এমন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কমে আসবে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন, সম্প্রতি বাউলদের ওপর হামলার জন্য। এই ঘটনা তিনি উল্লেখ করেন উগ্র ধর্মান্ধ অপশক্তির দ্বারা পরিচালিত একটি বরং অপ্রত্যাশিত দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, বাউলরা মাঠ-ঘাটে গান গেয়ে দেশের সংস্কৃতি বিকাশে অবদান রাখে, তাদের ওপর হামলা অপপ্রচার ও হিংসার ফল। এই ধরনের হামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

    সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

  • এনসিপি প্রকাশ করলো ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের অফিসিয়াল ছবি

    এনসিপি প্রকাশ করলো ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের অফিসিয়াল ছবি

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের দলের নির্বাচনী প্রতীক ‘শাপলা কলি’ এর অফিসিয়াল এবং অনুমোদিত ছবি প্রকাশ করেছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এর ওয়েবসাইটে এখন থেকে এই প্রতীকের ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে, যেখানে এনসিপিকে দেশের ৫৮ নম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় এনসিপির পক্ষ থেকে এই প্রতীকের ছবি গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো হয়। ছবিতে একটি অঙ্কুরিত শাপলা ফুলের কলি দেখা যায়, যা গোলাকার শাপলা পাতার ওপর সোজা ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দলের মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন জানান, এখন থেকে গণমাধ্যমে এই ছবি ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ইসির কাছ থেকে দলীয় প্রতীরকের চূড়ান্ত এবং অনুমোদিত ছবি নিশ্চিত হয়ে নিয়েছেন, এবং এরই ফলে এটি ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে, গত ৯ নভেম্বর ইসি এনসিপিকে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়।

  • রিজভী বললেন, এরশাদ ও শেখ হাসিনার চারিত্রিক বৈষম্য নেই

    রিজভী বললেন, এরশাদ ও শেখ হাসিনার চারিত্রিক বৈষম্য নেই

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এরশাদ এবং শেখ হাসিনার চরিত্রের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তিনি এই মন্তব্য করেন আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে। রিজভী বলেন, এই দুই নেতা প্রকাশ্যে মুখোমুখি থাকলেও শেষ মুহূর্তে তারা হাত মিলিয়েছেন, এক হয়ে গেছেন, যা গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। তারা বারবার ইতিহাসের ভয়ঙ্কর অধ্যায়ে গণতন্ত্রকে দমন ও গলা কেটে হত্যা করেছেন। উভয় শাসনামলেও দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছিল।

    রিজভী আরও বলেন, ইকোনোমিক্স শীর্ষক শব্দ থাকলেও শেখ হাসিনার সারে ১৫ বছরের শাসনে যা হয়েছে তা মোটেও উন্নয়ন নয়, বরং এটি বলা যেতে পারে ‘হাসিনোমিক্স’। ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে তা ফেরত না দিলেও কোন বাধা ছিল না—এটাই তার শাসনের মূল নীতির অংশ। পরিশোধ না করেও নতুন ঋণ নেওয়ার যেনো একটি সুবিধা তৈরি হয়ে গিয়েছে তার আমলে।

    তিনি জানান, বর্তমানে দেশ সাড়ে ছয় লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা নিয়ে চলতে বাধ্য হচ্ছে। নতুন সরকারকে এই অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে মুক্তি পেতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। যদিও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছু উদ্যোগ নিয়েছে, তবে একদিকে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে অর্থনীতির পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কর্মসংস্থান কমছে, বেকারত্ব বেড়ে চলেছে, যা সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

    অন্যদিকে, সম্প্রতি ব্যাংকের ভল্টে স্বর্ণের জালিয়াতির ঘটনা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ব্যাংকের দুটি ভল্ট থেকে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে। কীভাবে এই স্বর্ণগুলো এখনো ব্যাংকের ভল্টে রয়ে গেছে, তা নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। এই স্বর্ণ কি শেখ হাসিনা বা তার দলের ঘনিষ্ঠ কারো কাছে থাকতে পারে, এমন ধারণাও উঠছে এবং বিষয়টি শিগগিরই প্রকাশ পাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দীন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলসহ বিভিন্ন নেতা কর্মী।

  • খালেদা জিয়ার জন্য আজ দোয়া ও মোনাজাতের কর্মসূচি বিএনপির

    খালেদা জিয়ার জন্য আজ দোয়া ও মোনাজাতের কর্মসূচি বিএনপির

    বাংলাদেশের বিএনপি নেতা ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এই কর্মসূচি পালনের জন্য শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) জুমার নামাজের পর দেশব্যাপী বিক্ষিপ্তভাবে দোয়া এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় দলীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ আরও সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন। সোমবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে মিডিয়া দলের এক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • নির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী: ম্যাজিস্ট্রেসি ও সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ

    নির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী: ম্যাজিস্ট্রেসি ও সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী, এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাও কার্যকর থাকবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, নির্বাচনের সময় সশস্ত্র বাহিনী তাদের নির্ধারিত ভূমিকা পালন করবে, যা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত হবে। গত বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভার পর ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

    আখতার আহমেদ আরও জানান, ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যানের outline সাজানোর কাজ চলছে; সংশ্লিষ্ট বাহিনী বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করবেন। কেন্দ্রীয়ভাবে নিরাপত্তার জন্য স্ট্যাটিক (স্থায়ী) নিরাপত্তা কর্মী থাকবে, পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানেই মোবাইল চেকপোস্ট ও পর্যবেক্ষণে থাকবে মোবাইল কম্পোনেন্ট। তারা স্থান পরিবর্তন করে প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এই ডেপ্লয়মেন্টের জন্য গাইডলাইন ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব বাহিনী না থাকলেও, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত প্রচেষ্টায় কাজ চালানো হবে, এ ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। তারা প্রথম দিন থেকেই মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে এবং আইনশৃঙ্খলার ওপর তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।

    সেনা বর্তমানে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে এই বাহিনী তাদের ম্যাজিস্ট্রিয়াল ক্ষমতা ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এসব ক্ষমতা আইন ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নাকি নয়, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করেছেন ইসি সচিব।

    ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যানের মূল অংশ তিন ভাগে বিভক্ত: কেন্দ্রভিত্তিক স্ট্যাটিক নিরাপত্তা, বিভিন্ন স্থানে স্থির বা মোবাইল চেকপোস্ট এবং গিরিং বা পর্যবেক্ষণে মোবাইল কম্পোনেন্ট। সংশ্লিষ্ট বাহিনী এই পরিকল্পনা অনুসারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে।

    অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ইসি ভবিষ্যতে সাইবার নিরাপত্তা সেল গঠন করবেন, যাতে অপপ্রচার ও ভুল তথ্য রোধে বিভিন্ন গণমাধ্যমের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার হয়।

    পর্যাপ্ত যোগাযোগের জন্য দ্বিমুখী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—উপর থেকে নিচে এবং নিচ থেকে উপরে—এবং তথ্যের প্রবাহ সঠিকভাবে নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পরিচালনা করতে পারায়, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছে কমিশন।

    বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলে নেটওয়ার্ক সেবা ও ইন্টারনেট নিশ্চিতের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, অপহরণ বা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গোয়েন্দা কার্যক্রম বাড়ানো হবে ও সন্ত্রাসীদের নজরদারি চালানো হবে।

    এছাড়া, বিদেশ থেকে আসা পোস্টাল ভোটের জন্য এয়ারপোর্ট ও ডাকবাছাই কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। সব পর্যায়েই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে অপ্রয়োজনীয় সুবিধা নেওয়া হবে না, এই বিষয়েও স্পষ্ট নির্দেশনা বলেছে ইসি। যানবাহনের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও প্রয়োজনীয় সমাধানও চূড়ান্ত পরিকল্পনার অংশ।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ডিএমপি কমিশনারসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

    এদিকে, নভেম্বরের প্রথম দিকে সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষমতা ৩ মাসের জন্য বাড়ানো হয়। পাশাপাশি, দীর্ঘ মেয়াদে সেনা কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা থাকছে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা কর্মকর্তাদের এই প্রশাসনিক ক্ষমতা মোতায়েন করা হয়েছিল।

    আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাঝামাঝি সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে নির্বাচন শেষে অন্তত ১৫ দিন পর্যন্ত সেনাবাহিনী তাদের ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা রাখবে, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

  • টঙ্গীতে ৫ দিনের জোড় ইজতেমা শুরু আজ, আখেরি মোনাজাত মঙ্গলবার

    টঙ্গীতে ৫ দিনের জোড় ইজতেমা শুরু আজ, আখেরি মোনাজাত মঙ্গলবার

    গাজীপুরের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে শুক্রবার চির proper ফজরের পর থেকেই আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়েছে চারপাশের বিশিষ্ট তাবলীগ জামাতের বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের আয়োজনে পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা। এই ইজতেমা সম্পন্ন হবে আগামী মঙ্গলবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের শুরায়ী নেজামের গণমাধ্যম সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান। তিনি জানান, প্রতি বছর এই জোড় ইজতেমা হয় প্রস্তুতি হিসেবে, যাতে তাবলীগের শুরা সদস্যরা বছরের কাজের পরিকল্পনা পেশ করেন এবং মুরুব্বিদের থেকে রাহবারী গ্রহণের সুযোগ পান। এই উপলক্ষে দেশের পাশাপাশি বিদেশের প্রবীণ মুরুব্বিরা ইতিমধ্যে টঙ্গীতে জড়ো হয়েছেন। হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, পাঁচ দিনের এই জোড় ইজতেমা তাবলীগ জামাতের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান, যেখানে দাওয়াতের মূল ভাবনা ও লক্ষ্য স্পষ্ট করে তুলে ধরা হয়। এখান থেকে পরবর্তী সময়ের কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ হয়। এ সময় দাঈদের, দাওয়াতের তরিকা, আমল ও দেশের প্রেক্ষাপটে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট আলেমরা। এই বয়ানগুলি একজন শূরা সদস্যের জীবনাচরণ ও দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনে দিশা দেয়। হাবিবুল্লাহ রায়হান আরও জানিয়েছেন, জোড় ইজতেমায় অংশগ্রহণের জন্য কেবল ৩ চিল্লার এবং কমপক্ষে ১ চিল্লার আলেমরা অংশ নিতে পারেন, যাতে ইজতেমার মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় থাকে। তিনি আরও বলেন, এক সময় এই পাঁচ দিনের জোড়ে মাওলানা সাঈদ আহমদ খান পালংপুরী (রহঃ), মিয়াজী মেহরাব, মাওলানা উমর পালংপুরী (রহঃ), মাওলানা ওবাইদুল্লাহ বালিয়াভী (রহঃ), কারী জহির (রহঃ) সহ বহু মনীষী বয়ান করতেন। এখনো প্রতিবছর বিভিন্ন দেশের প্রবীণ আলেম ও হযরতজী মাওলানা ইউসুফ (রহঃ), হযরতজী মাওলানা এনামুল হাসান (রহঃ) এর সোহবতপ্রাপ্ত মুরুব্বিরা এসে বয়ান করেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই পাঁচ দিনব্যাপী জোড় থেকে দাঈরা সারা বছরের দাওয়াতি কাজের পরিকল্পনা ও দিক নির্দেশনা পাবেন।

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ২ বা ৩ জানুয়ারি হতে পারে

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ২ বা ৩ জানুয়ারি হতে পারে

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা আয়োজনের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে। আসন্ন বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি ইতিমধ্যে জোরদার করা হচ্ছে। আগামী ২ বা ৩ জানুয়ারি একযোগে ছয় বিভাগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আমরা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য চূড়ান্ত পরিকল্পনা তৈরি করেছি। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের উপস্থিত আসন বিন্যাসসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও দ্রুত সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাখাওয়াত এরশাদ জানিয়েছেন, ২ বা ৩ জানুয়ারি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করে তাদের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। তিনি আরও বলেন, আগামি দিনগুলোর জন্য আসন বিন্যাস ও অন্যান্য কাজ দ্রুত এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম আনোয়ার হোসেনও একই নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ নভেম্বর প্রথম ধাপের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এতে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের ১০ হাজার ২১৯টি সহকারী শিক্ষক পদে ৮ থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। এরপর, দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ হাজার ১৬৬টি পদে নিয়োগের জন্য ১২ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ ধাপের আবেদনের শেষ সময় ছিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। এখন নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ শিগগিরই প্রকাশ করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।