আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য নিবন্ধন কার্যক্রম চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা মোট ৯৩,৩৪১ হাজারের বেশি ভোটার অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন।
Blog
-

শীর্ষ সন্ত্রাসী বুনিয়া সোহেলকে গণধোলাই, আটক দুই সহযোগী
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের ‘শীর্ষ মাদক কারবারি’ বুনিয়া সোহেলকে ক্যাম্পের সকল বাসিন্দা গণধোলাই দিয়েছে। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। এই সময় আরও দুইজনকে, তাদের নাম নয়ন (৩০) এবং রাব্বি (২৮), আটক করা হয়। রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র বিগ্রেডের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেনাসূত্রে জানানো হয়, শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে শের-ই-বাংলা আর্মি ক্যাম্পের কাছ থেকে খবর আসে যে, জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী বুনিয়া সোহেলকে চরম গণপিটুনি দেওয়া হচ্ছে। এই খবর পেয়ে তিনটি সেনা টহল দল ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পরপরই হাসপাতাল ও আশপাশে সন্দেহজনকভাবে ঘুরতে দেখা যায় সোহেলের দুই সহযোগী নয়ন ও রাব্বি। সেনারা তাদের শনাক্ত করে আটক করে। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১টার দিকে ছয়টি সেনা টহল দল মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় তারা দুটি মার্কিন তৈরি ৭.৬৫ মিমি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন কর্মকর্তা জানান, বুনিয়া সোহেলের বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন থানায় প্রায় ৩৮ থেকে ৪০টি মামলা রয়েছে। গত এক বছরে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় তার গ্যাং দ্বারা ৭ থেকে ৮টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হওয়ার পর তার গ্যাং তার দমন-পীড়নের প্রতিশোধ নিতে অস্ত্র সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে।
অভিযোগ ওঠে, বুনিয়া সোহেলকে আহত করার ঘটনায় তার দুই সহযোগী অস্ত্রশস্ত্র জোগাড়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। এই পরিস্থিতিতে সেনাদের তৎপরতায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানের শেষে, হাসপাতালে পুলিশ প্রহরায় থাকা অবস্থায় বুনিয়া সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এছাড়া আটক দুই সহযোগী ও উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে—আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য।
-

দেশে ডলার সংকট নেই, আমদানি বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নয়: গভর্নর
আহসান এইচ মনসুর, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের গভর্নর, রমজানে পণ্য আমদানি সংক্রান্ত কোনও শঙ্কা নেই বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, এখন দেশের বাইরে থেকে প্রয়োজন অনুসারে যেমন ইচ্ছা তত ডলার আমদানি করতে কোনও বাধা নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীরা এখন নিশ্চিন্তে তাদের প্রয়োজনমতো পণ্য আমদানি করতে পারবেন। ব্যাংকিং খাতে কোনও বাধা নেই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আমদানির জন্য সব ধরনের গSIGার রয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি উল্লেখ করেন, রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বাজারে কোনও অস্থিতিশীলতা বা শঙ্কা নেই। বরং প্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের আমদানি আগের চেয়ে আরও বেড়েছে। এর আগে অর্থপাচার মোকাবিলায় আমদানির হিসাব ভুল দেখানো হতো, কিন্তু এখন স্পষ্ট এবং সঠিক তথ্য পাওয়া যায়।
গভর্নর আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ডলার বিনিময় হার ভ্যাটিক বাজার ভিত্তিক করা হয়েছে, যা ইতিমধ্যে সফলতা দেখিয়েছে। ব্যাংকিং খাতে এখন কোনো আমদানির বাধা নেই; তবে কিছু ব্যক্তির সমস্যা নিজস্ব কারণে।
খাতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের বিষয়ে তিনি জানান, ব্যাংক খাতে দুরাবস্থা কিছুদিন আগে অনেক বেশি ছিল। স্বাস্থ্যকর ঋণখেলাপি হার প্রত্যাশিত ২০ শতাংশের বদলে একটু বেশি, যা এখন ৩৫ শতাংশে চলে এসেছে। এই পরিস্থিতি ধাপে ধাপে উন্নতি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিদেশি বন্ড, শেয়ার বাজার ও বিমা খাতের সমস্যা ব্যাংকগুলোতেও প্রভাব ফেলছে। এসব আস্থাহীনতা দূর করতে সচেষ্ট থাকতে হবে।
বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের নীতিগত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। সম্প্রতি ডিপোজিট হার ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। সরকারি ব্যাংকে আমানত কমে গেলে ডিপোজিট আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে গত সময়ে ব্যাংক খাতে সংকট সৃষ্টি হয়েছিল, যা এখন কমানোর চেষ্টা চলছে। ভবিষ্যতে এরকম হস্তক্ষেপ ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন আরও শক্তিশালী করতে হবে। ইতোমধ্যে নয়টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান দ্রুত অবসায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
অন্যদিকে, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের একীভূত কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হবে। এই নতুন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম আগামী সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
-

খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা
রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া’র শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনকভাবে অবনতি হয়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তিনি সবাইকে তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে রাষ্ট্রপতি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করেন এবং দেশের সবাই তার জন্য দোয়া করতে আহ্বান জানান। তিনি আরও জানান, তিনি নিয়মিত তার স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারও প্রস্তুত যাতে তার চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি না থাকে।
খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। তার শরীরে সংক্রমণজনিত শ্বাসকষ্টের কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, যেখানে তার নিউমোনিয়ার ধরা পড়ে। পাশাপাশি কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী জটিলতাগুলি তার শারীরিক পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এক রোগের চিকিৎসা অন্য রোগের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও খালেদা জিয়ার জন্য দেশের الجميع দোয়া চেয়েছেন। তিনি তার শারীরিক অগ্রগতি নিয়ে নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই সময়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা খালেদা জিয়া দেশের জন্য বড় এক প্রেরণা। তিনি আরো বলেন, তার সুস্থতা দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটময়’। শুক্রবার বাদ জুমা নয়াপল্টনে দোয়া মাহফিলে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য তিনি সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। নির্যাতন সহ্য করেছেন এবং কারাগারে থেকেছেন। বর্তমানে আবারও অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি, এবং চিকিৎসকদের ভাষায় তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক।
-

খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর প্রার্থনা ও ডাক্তারদের আপসসহীন সতর্কতা
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখন দেশের মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছেন। তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং তিনি জাতির অভিভাবক হিসেবেও বিবেচিত। ২০১৩ সালের ৫ই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরে থেকে তিনি দলের নেতাকর্মীদের জন্য একজন উৎসাহের source হিসেবে এক অসাধারণ প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছেন। এতদূর তিনি দলের প্রধান নেতাদের পাশাপাশি সব শ্রেণীপেশার মানুষের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র। তবে সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় সবার মনোযোগ এখন তার সুস্থতার দিকে কেন্দ্রীভূত। তিনি বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউ তে রয়েছেন, তার ওপর নিশীথে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
-

খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ দোয়া ও সভা
উপদেষ্টা পরিষদের এক বিশেষ সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। অনুষ্ঠানে ধর্ম উপদেষ্টা আলেম আফম খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করেন।
অন্যদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপার্সনের শারীরিক অবস্থার অপ্রত্যাশিত অবনতি ঘটতে থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তিনি দেশের জনগণের কাছে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও রোগ মুক্তির জন্য দোয়া চেয়েছেন। আজ দুপুরে রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিবের মাধ্যমে এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।
সভায় বৈদেশিক অনুদান সংক্রান্ত (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সংশোধনের ফলে আইনটির কিছু ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে, এনজিও নিবন্ধনের নিয়ম সহজ করা হয়েছে এবং অনুদান অনুমোদনের শর্তগুলোও সহজতর করা হয়েছে। এখন থেকে বছরে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদানের ক্ষেত্রে আর নির্ধারিত অনুমোদন নিতে হবে না। এতে আইন আরও অংশীজনবান্ধব করে তোলা হয়েছে।
এছাড়াও, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া আজকের সভায় উপস্থাপন করা হয়। সংশোধিত আকারে ও বিস্তারিতভাবে এই অধ্যাদেশ পরবর্তী সভায় উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সবশেষে, প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল একজন উল্লেখযোগ্য বিবৃতি দেন। তিনি জানালেন, আরব আমিরাতে জুলাইতে সংঘটিত গণআন্দোলনের জন্য অভিযুক্ত বিভিন্ন সময়ে আটক থাকা ২৪ জন প্রায় অচিরেই মুক্তি পাবেন এবং দুই-তিন দিনের মধ্যে তারা দেশে ফিরবেন।
-

চীন থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল পাঠানোর পরিকল্পনা খালেদা জিয়ার জন্য
বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সহায়তা দিতে চীনের একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল বাংলাদেশে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের এক সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ কয়েকটি দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ইতিমধ্যে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিচ্ছেন। এর মধ্যে চীন থেকে আসার এই বিশেষজ্ঞ দল ঢাকায় এসে তার চিকিৎসায় সহায়তা করতে আগ্রহি।
অন্যদিকে, খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ায় তাকে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি এখন আলোচনা হচ্ছে। তবে চিকিৎসকরা জানান, তার বর্তমান অবস্থা এখনও সংকটময়। তিনি বিমান পথে চলাফেরা করার মতো শারীরিক স্থিতিতে এখনো আছেন না। চিকিৎসকেরা বলছেন, বর্তমানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা চালানো হচ্ছে, যার রিপোর্ট পাওয়ার পরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
-

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তানজিন তিশার পক্ষ থেকে বিস্তারিত বিবৃতি
সম্প্রতি তানজিন তিশা নতুন সিনেমায় নাম লিখিয়েছেন। তিনি ইতিমধ্যে তার প্রথম সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন। তবে এর মধ্যেই তিনি নানা ধরনের অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। দুটি ফ্যাশন হাউসের প্রতারণার অভিযোগের পর এবার ভারতীয় এক প্রযোজকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন তিশা। প্রযোজক শরীফ খানের দাবি, তিশা তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তিশা একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন।
তিশা ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমি ভারতের পরিচালক এম এন রাজের সঙ্গে ‘ভালোবাসার মরশুম’ সিনেমা করার পরিকল্পনা করি। তবে এই প্রসঙ্গে কিছু ভুল তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে এবং এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রটানো হচ্ছে। আমি যখন এই সিনেমার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম, তখন আমি আমার আইনজীবীর মাধ্যমে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছিলাম। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল, আমার বিদেশ ভ্রমণের সমস্ত দায়িত্ব ডিরেক্টর এবং প্রডিউসারের। এর মধ্যে ভিসা, ফ্লাইটের টিকিট, থাকা-খাওয়ার খরচ তাদের বহন করতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তারা আমার ভিসা করানো সম্ভব করে না। আমি ব্যক্তিগতভাবেও প্রচেষ্টা করেছি, কিন্তু ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারেনি।
ভিসা জটিলতার জন্য নির্মাতাদের দায়ী করে তিশা বলেন, ‘ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা চুক্তিপত্র অনুযায়ী ডিরেক্টরের দায়িত্ব, তাই এ ব্যাপারে আমার কোনো দোষ হতে পারে না। এটি ডিরেক্টরের ব্যর্থতা। আমি দু’মাস ধরে ভিসার জন্য অপেক্ষা করেছি, কিন্তু ভিসা হয়নি। এর মধ্যে তারা অন্য একজনকে minha জন্য চুক্তিবদ্ধ করে অভিনয় করান। আমি অন্য একটি দেশের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছি, যার শুটিং বর্তমানে চলছে। এই সিনেমা আমার পেশাগত সম্মানের বিষয়, যা আমি কখনোই নষ্ট করতে চাইনি। কিন্তু ডিরেক্টর শিডিউল অনুযায়ী কাজ শুরু করতে না পেরে এবং অন্য কাউকে চুক্তিবদ্ধ করে নেয়ার কারণে আমাকে সেখান থেকে সরে আসতে হয়েছে।
প্রযোজক শরীফ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগে তিশা বলেন, ‘তিনি একবার আমাকে বলছেন, এক-তৃতীয়াংশ টাকা ফেরত দিন, আবার অন্য সময় বলছেন কিছু টাকা ফেরত দিলেই হবে। সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন, যা এক ধরণের অপচেষ্টা।’
তিশা আরও লিখেছেন, ‘আমার চুক্তিপত্রে কোনও শর্ত নেই যে, ডিরেক্টরের দোষের কারণে আমি টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকবো। আমি আইন মান্য মানুষ। যদি তারা প্রমাণ করতে পারেন যে আমাকে টাকা ফেরত দিতে হবে এবং আদালত এমন নির্দেশ দেয়, আমি অবশ্যই তা মানতে প্রস্তুত।’
-

পুরুষ বাউলরা বিছানায় ডাকে, সাড়া দিলে গান পাওয়া যায়: নারী বাউল শিল্পীর অভিযোগ
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের একটি মামলায় বাউলশিল্পী আবুল সরকারকে গ্রেফতারের পর তার মুক্তির প্রত্যাশায় মানিকগঞ্জে অর্ধশতাধিক বাউলজন তাদের আন্দোলন চালাচ্ছিলেন। এ সময় কিছু দুষ্কৃতকারী তৌহিদি জনতার পক্ষ থেকে হামলার শিকার হন, যা ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার সময় এক নারী বাউল শিল্পী গুরুতর এক অভিযোগ তুলে ধরেন, যেখানে তিনি বলেন, পুরুষ বাউলরা বিছানায় ডাকে। যদি নারীরা এই ডাকে সাড়া দেয়, তবে তারাই গানের প্রোগ্রামে অংশ নেয়। অন্যথায় তারা ডাকে না। তিনি স্পষ্ট করে কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি।
এই বিস্ফোরক অভিযোগটি করেছেন বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার। তিনি এক ভিডিও বার্তায় বাইরের দৃষ্টিকোণে এমন পরিস্থিতির কথা শেয়ার করেছেন, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
হাসিনা সরকার বলেন, আমি এক সময় বলতাম—আমার আর কিছু প্রোগ্রাম থাকছে না, তবে কিছু লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বলতাম। তখন তারা বলতেন—আমাদের কথা শুনতে হবে। আমি প্রশ্ন করতাম—কী হবে? তখন তারা বলে—‘এটা কি খুলে বলতে হবে?’ আমি তাদের বলতাম—মাফ চাই, দোয়া চিচ, তবে আমার এসব প্রোগ্রাম দরকার নেই। আমি চাই না আমার ইজ্জত বিক্রি করে এ ধরনের গান করতে। আমার মতে, এটি আর বাউল গান হিসাবে বিবেচিত হয় না।
তিনি আরও বলেন, পুরুষ বাউলরা অবিবেচনাপ্রসূত প্রস্তাব দিচ্ছেন। তারা বিছানা নেয়, আর তার বদলে গান গাওয়ার সুযোগ দেয়। আমি একজন বাউল শিল্পী হিসেবে বলতে চাই, এখন বাউল সমাজে এরকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আমাকে কেউ ডেকে না শোনানো, আমার কথা কারো কানে পৌঁছায় না—এ všetি কিছু আমার জন্য গুরুত্ব দাবী করে না। আমি স্বয়ং বলছি, অনেক পুরুষ বাউল এ ধরনের কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। তারা বলেন—‘আমাদের কথা শুন, আর তুই বায়না করলেই তোর জন্য সুবিধা হবে।
-

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্ন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘ডিজনিল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথন’।Customize এই দৌড় প্রতিযোগিতা শেষ করার কিছু সময়ের মধ্যেই হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস। গত ২৩ নভেম্বর তিনি দৌড় শেষ করার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুতই স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানে চিকিৎসকরা এক ঘণ্টার মধ্যেই তার মৃত্যু ঘোষণা করেন। তার বয়স ছিল মাত্র ৩৫ বছর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল ভোর ৫টায়। উষ্ণ তাপমাত্রা এবং চ্যালেঞ্জিং আবহাওয়ার মধ্যেও তিনি দৌড় চালিয়ে যান। ফিনিশিং লাইন পার করার পরপরই তিনি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবলোকনকারী এক পর্যবেক্ষক দ্রুত তার জন্য মেডিকেল সুবিধার ব্যবস্থা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার ও রেসকিউ কর্মীরা প্রাথমিকভাবে তার হৃদরোগের আঘাত নিশ্চিত করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু তোড়জোড়ের এক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যু হয়।
ববি গ্রেভস এর আগে এক টিকটক ভিডিওতে জানান, তিনি আগামীদিনের দৌড় নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাল্ফ ম্যারাথনের জন্য আমি কিছুটা চিন্তিত।’ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বর্তমানে অর্চেঞ্জ কাউন্টি করোনারের কার্যালয় ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সঠিকভাবে জানা যাবে।
ববি গ্রেভস এর জন্মজন্মের শিক্ষা ছিল জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে। সেখান থেকে তিনি আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি পেয়েছিলেন। তিনি ‘উইলসন সন্সিনি গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি’ নামক এক আইনি ফার্মের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তার অকাল মৃত্যু সমগ্র সম্প্রদায়ের মধ্যে শোকের ছায়া পড়িয়েছে, তার অনুসারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
