Blog

  • আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল

    আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল

    আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের নির্বাচন কমিশন আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে। ওইদিন দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দিনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

    মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষর সংঘর্ষের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, হলফনামার সঙ্গে জমা দেওয়া দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষর পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেটি নির্বাচন কমিশনের পাঠানো স্বাক্ষরের সঙ্গে মেলে না। ফলে, মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়।

    নির্বাহী হাকিম হেদায়েত উল্যাহ বলেন, আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর গরমিল থাকায় তাকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে যে গরমিল পাওয়া গেছে, সেটি পরীক্ষা করে দেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    চট্টগ্রাম-৫ আসনে মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার কিনল

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার কিনল

    চলতি বছর বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের বা রেমিট্যান্সের মাত্রা খুবই উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বিপুল অর্থের প্রবাহের কারণে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত পরিমাণে ডলার জমা হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং বিদেশি মুদ্রার চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে ডলার কিনছে। সম্প্রতি এই ধারাবাহিক ক্রমে রোববার তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১১ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ডলার কিনতে মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অংশ নেয়। ওইদিনের এক্সচেঞ্জ রেট ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • টানা আট দফা বৃদ্ধির পরে সোনার দাম কমলো

    টানা আট দফা বৃদ্ধির পরে সোনার দাম কমলো

    বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘ চার মাসে টানা আট দফা সোনার দাম বৃদ্ধির পর অবশেষে দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বাজুসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন দাম ৩০ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর সোনার মূল্য কমে এসেছে। সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দামে দেশের বিভিন্ন শ্রেণির সোনার দাম হবে: ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৩ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন এবং মানের ভিন্নতা অনুযায়ী মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন আসতে পারে।

    উল্লেখ্য, এর আগের দিন ২৮ ডিসেম্বর বাজুস সোনার দাম সমন্বয় করে ভরিতে ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের মূল্য নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা — এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ૯৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৩২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩১ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল।

    বাজুসের হিসাব অনুযায়ী, চতুর্থাংশ বছর (২০২৩) মধ্যে মোট ৯২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২৮ বার কমানো। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৬২, যেখানে ৩৫ বার দাম বৃদ্ধি ও ২৭ বার দাম কমানো হয়েছে।

    অন্যদিকে, দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৩ হাজার ৭৩২ টাকা।

    চলতি বছরে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে ১৩ বার, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছে ও ৩ বার কমেছে। বিগত বছরে এই সমন্বয় ছিল ৩ বার।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবার কমল

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবার কমল

    সরকার সম্প্রতি আবারও জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত সঞ্চয় পরিকল্পনাগুলোর মুনাফার হার হ্রাস করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার হবে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য হলো, গত জুলাই মাসেও মুনাফার হার কমানো হয়েছিল।

    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে, যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এছাড়াও, নতুন আদেশের ফলে বিনিয়োগের পরিমাণ অনুযায়ী মুনাফার হার পরিবর্তিত হবে। কম বিনিয়োগকারীরা বেশি মুনাফা পাবেন, যেখানে লভ্যাংশের হার বেশি হবে; আর বেশি বিনিয়োগে কম হারে মুনাফা দেওয়া হবে। এই পরিমাণ নির্ধারিত হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, এর নিচে থাকলে মুনাফা বেশি হবে এবং এর বেশি হলে কম হবে।

    বিশেষ করে, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্রে এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগের মতো, এ সঞ্চয়পত্রে ৫ বছরের মেয়াদ শেষে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের জন্য মুনাফার হার ছিল ১১.৯৩ শতাংশ, যা এখন কমে ১০.৫৪ শতাংশ হয়েছে। আর, একই মেয়াদে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে এটি ছিল ১১.৮০ শতাংশ; এখন তা কমে ১০.৪১ শতাংশ।

    পেনশনার সঞ্চয়পত্রেও এই হার হ্রাস পেয়েছে। কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ বছরে মুনাফা ছিল ১১.৯৮ শতাংশ, এখন তা ১০.৫৯ শতাংশ। বেশি বিনিয়োগে হার ছিল ১১.৮০ শতাংশ, সেটিও এখন কমে ১০.৪১ শতাংশ।

    বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের জন্যও একই পরিবর্তন হয়েছে। কম বিনিয়োগে (৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে) মুনাফার হার এখন ১০.৪৪ শতাংশ, যেখানে আগে ছিল ১১.৮৩ শতাংশ। বেশি বিনিয়োগে হার এখন ১০.৪১ শতাংশ, আগে ছিল ১১.৮০ শতাংশ।

    অতিরিক্ত, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করলে মুনাফার হারও কমে গেছে। কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এখন মুনাফা হবে ১০.৪৮ শতাংশ, আর বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ১০.৪৩ শতাংশ।

    উল্লেখ্য, ১ জুলাই ২০২৫ সালের আগে জারি হওয়া সমস্ত জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের জন্য এই হার প্রযোজ্য থাকবে। তবে পুনরায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, পুনরায় বিনিয়োগের তারিখের হার অনুযায়ী মুনাফা দেওয়া হবে এবং ছয় মাসের মধ্যে পরবর্তী হার পুনর্নির্ধারণ করা হবে।

  • বছরের প্রথম দিনে সোনার দাম ভরিতে কমলো ১৪৫৮ টাকা

    বছরের প্রথম দিনে সোনার দাম ভরিতে কমলো ১৪৫৮ টাকা

    নতুন বছর শুরুর দিনে দেশজুড়ে আবারও কমেছে সোনার দাম। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম কমে গেছে ১,৪৫৮ টাকা। এর ফলে এখন এই মানের সোনার নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২২২,৭২৪ টাকা।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বেশি মানের সোনার দাম কমার ফলে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন দাম ২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার ১ জানুয়ারি সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে সোনার মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিক্রয়মূল্য হবে ২ লক্ষ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের সোনা ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সোনার বিক্রয়মূল্যতে অবশ্যই সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে।

    গত বছর ৩১ ডিসেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করে বাজুস, যেখানে ভরি প্রতি ২,৭৪১ টাকা কমে ২২ ক্যারেটের মূল্যে ২ লক্ষ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল। অন্যান্য ক্যাটাগরিতে দাম ছিল: ২১ ক্যারেট ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা। এ দাম ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল।

    বছর ২০২৫ সালে, দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছে।

    এদিকে, এবার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার দামও হ্রাস করা হয়েছে। ভরি প্রতি ৫২৫ টাকা কমিয়ে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের রুপার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। অন্যান্য মানের রুপার দাম হল: ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এটি দেশের বাজারে প্রথম রূপার দাম সমন্বয়। এর আগে, গত বছর ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে দাম বাড়ানো হয় ১০ বার ও কমানো হয় ৩ বার।

  • ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে গণনা)। এটি নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের পরিমাণ। এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে রেমিট্যান্সে ছিলো ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬২৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এর আগের অর্থবছরে একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্সে বৃদ্ধি হয়েছে ৬৯ কোটি ডলার, যা প্রায় ৩১ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২২০ কোটি ডলার। এ সময়ে মোট রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পরিমাণ ২৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ১৮ শতাংশের বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কার্যক্রম, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ, বিভিন্ন প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও স্বস্তি ফিরে এসেছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ছিল যথাক্রমে: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

    গত অর্থবছর, ২০২৪-২৫ সালে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ওই বছর দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স ছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার।

  • দেশের স্বার্থে অতীতে একসাথে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব

    দেশের স্বার্থে অতীতে একসাথে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব

    দেশের স্বার্থে বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতে যেমন একসাথে কাজ করেছে, ভবিষ্যতেও একইভাবে একজোট হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও সমবেদনা জানানো শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    সাক্ষাৎকালে জামায়াতের আমির বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, দেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে দাঁড়িয়ে। সামনে একদিকে জাতীয় নির্বাচন ও অন্যদিকে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সংযোজনে তিনি বলেন, গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার, আর সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন—এ দুটি দফতর যাতে নির্বিঘ্ন, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য হয়, সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, আমরা সকলে একত্র হয়ে দেশের স্বার্থে অতীতেও কাজ করেছি এবং আগামীতেও করব। তারেক রহমান সহ বিএনপির নেতারাও একই আশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরাও একই প্রত্যাশা পোষণ করেছি।’

    সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, খালেদা জিয়া তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার পাশাপাশি তিনি ছিলেন এক সংগ্রামী ও আপসহীন নেত্রীর জীবন। তিনি গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নাগরিক অধিকার অর্জনের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই সংগ্রামে গিয়ে তার শেষ সময়টায় তাকে জেলেও একাকী জীবন কাটাতে হয়েছে। তখন তিনি দেশের শাসকদের অবমাননাকর আচরণের শিকার হয়েছিলেন।

    খালেদা জিয়ার চিকিৎসার উপর বিভিন্ন সময় সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যখন তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন, তখন দেশি-বিদেশি নানা চিকিৎসার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল, কিন্তু তখন সরকারের পক্ষ থেকে অবহেলা ও উপহাস করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেন, কিন্তু ততদিনে তার স্বাস্থ্যে বেশ ক্ষতি হয়ে গেছে। ব্রিটেন থেকে ফিরে এসে তার শারীরিক অবনতি ঘটে। বর্তমানে তিনি দেশে থাকাকালীন চিকিৎসা নিচ্ছেন। আল্লাহ তাকে যেন রহমত করেন এবং জান্নাতের অর্ধেক স্থান দিন, এই আর্জি জানালেন ডা. শফিকুর রহমান।

    বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়ে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি যেন জাতির জন্য একজন সংগ্রামী নেতা হিসেবে ইতিহাসের বিরল সম্মান নিয়ে চলে গেলেন। তার বিদায় উপলক্ষে গতকাল যে সংবর্ধনা ও আনুষ্ঠানিকতা হয়েছিল, লোকজন আবেগে ভরে চোখের জল দিয়ে তাকে বিদায় জানিয়েছে। তিনি বলেন, ‘এটি তার অবদান ও সাহসের জন্য প্রাপ্য স্বীকৃতি।’ তার এই অবদান দেখে আমরা উদ্বুদ্ধ হই এবং আশা করি, আমরাও যদি জনগণের জন্য কিছু করতে পারি, তাহলে একদিন আমাদেরও এমন বিদায় ঢের মর্যাদাপূর্ণ হবে।

    ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথে ও দেশের স্থিতিশীলতার জন্য ডা. শফিকুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, পাঁচ বছরের জন্য হলেও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সবাই একত্র হয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু করার পরিকল্পনা করতে পারি। দেশরত্ন নেত্রীর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আবারও বসার জন্য প্রস্তুত থাকবো।

    অন্তিমে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান, তার পরিবারের সদস্যদের এবং চিকিৎসকাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেছেন।

  • বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা

    বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিএনপি একটি ৪১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য ঘোষণা করেন।

    কমিটিতে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বেগম সেলিমা রহমান এবং শামসুজ্জামান দুদু। এছাড়া, প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ। আরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিজন কান্তি সরকার, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার, ড. মওদুদ হোসাইন আলমগীর পাভেল, ড. মাহদী আমিন, সালেহ শিবলী, এ.কে. এম ওয়াহিদুজ্জামান, ড. সাইমুম পারভেজ, রেহান আসাদ, জুবায়ের বাবু, মেজর জেঃ (অবঃ) ফজলে এলাহী আকবর, আব্দুল কাইয়ুম, ব্যারিস্টার গিয়াসউদ্দিন রিমন, হুমায়ুন কবির, এ.বি.এম আব্দুস সাত্তার, ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, মোস্তাকুর রহমান, এডভোকেট বেলায়েত হোসেন মৃধা, মেহেদুল ইসলাম, ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার, প্রফেসর ড. মোর্শেদ হাসান খান, এডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী শোয়েব বাশারী হাবলু, ড. কামরুজ্জামান কায়সার, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, আব্দুল মনায়েম মুন্না, মিসেস আফরোজা আব্বাস, মনির খান, আনম খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, ইয়াসিন আলী, আবুল কালাম আজাদ, ماسুল্লা কাজী মোঃ সেলিম রেজা, রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং আনোয়ার হোসেন।

    বিএনপি সকল সংশ্লিষ্ট সদস্যদের এই দায়িত্ব অত্যন্ত সতর্কতা ও আন্তরিকতার সাথে পালনের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।

  • ইসলামী আন্দোলন Morris সামাবেশ স্থগিত করলো জামায়াতের পর

    ইসলামী আন্দোলন Morris সামাবেশ স্থগিত করলো জামায়াতের পর

    নির্বাচনের আগে রাজধানীতে আগামী ৯ জানুয়ারি ডাকা মহাসমাবেশ স্থগিত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় বৈঠকে, যেখানে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা ও নির্বাচনী পরিবেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই মহাসমাবেশটিকে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় শুক্রবার দুপুরে, দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে।

    এর আগে, ২৫ ডিসেম্বর দলের এক বৈঠকে জানানো হয়েছিল যে, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীকে গ্রেফতার, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের লক্ষ্যে ৯ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে দল। তবে, নানা প্রাকৃতিক ও প্রশাসনিক কারণে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণের নামে এই কর্মসূচি স্থগিত রাখে।

    তবে, নির্বাচনের আগে দলের এই শোডাউন লক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেন। এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর রাজধানীর তিনশ ফিট এলাকায় ব্যাপক জন সমাগম ঘটে যেখানে বিএনপি তাদের শক্তি 보여 দেয়। এরপর, জামায়াতও ঘোষণা দেয় ৩ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে। এর ফলে, ইসলামী আন্দোলনও একই ধরনের কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। তবে জামায়াত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য এই কর্মসূচি স্থগিত করে। এখন, ইসলামী আন্দোলনও তাদের এই কর্মসূচি পিছিয়ে দেয়।

  • তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে নিযুক্ত হলেন আব্দুস সাত্তার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী

    তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে নিযুক্ত হলেন আব্দুস সাত্তার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন নিয়োগ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে জানানো হয়, সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে এখন থেকে তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ এ এম সালেহ শিবলীকে বিএনপির প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দুই কর্মকর্তা আজ থেকে তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। এই নিয়োগের মাধ্যমে বিএনপি নিজেদের দপ্তর ও জনসংযোগ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে চাচ্ছে।