Blog

  • প্রধান উপদেষ্টার urging: জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই আবাসনের জন্য আহ্বান

    প্রধান উপদেষ্টার urging: জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই আবাসনের জন্য আহ্বান

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্প্রতি জাতিসংঘের আবাসন সংস্থাকে (ইউএন-হ্যাবিট্যাট) বাংলাদেশে আরও কার্যক্রম বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে টেকসই ও সাশ্রয়ী আবাসন সমাধান জরুরি। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে, ইউএন-হ্যাবিট্যাটের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এবং নির্বাহী পরিচালক আনাক্লাউদিয়া রসব্যাকের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।

    বৈঠকে নগরায়নে সাশ্রয়ী আবাসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্রঋণ ভিত্তিক আবাসন প্রকল্প এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। ড. ইউনূস বলেন, প্রতি বছর বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙনের কারণে হাজারো ঘরবাড়ি ধ্বংস হচ্ছে। এসব মানুষের জন্য টেকসই, সাশ্রয়ী ও বহুমুখী আবাসনের প্রয়োজন অপরিহার্য। তিনি দুর্যোগপ্রবণ এলাকাগুলোর জন্য এমন নকশা ও মডেল তৈরি করার প্রস্তাব দেন, যা দুর্যোগের সময় নৌকা বা বন্যার ট্রলার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

    প্রস্তাবনায় তিনি উদ্ভাবনী নকশার কথা বলেন, যেখানে ছাদের ডেক বা বরো এমনভাবে নকশা করা হবে, যাতে তা বন্যার সময় নৌকার মতো ব্যবহার করা যায়। এই ধরনের সমাধান ইতিমধ্যেই নাইরোবিভিত্তিক সংস্থাগুলোর মধ্যে প্রস্তাবিত হচ্ছে, যাতে ধূলিধূসর ও অনানুষ্ঠানিক বসতিগুলোর আবাসন, স্যানিটেশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সমন্নিতভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, নারীবান্ধব আবাসন ডিজাইন অনেক জরুরি। এতে নারীদের চাহিদা বিবেচনায় রেখে, তাদের দৈনন্দিন জীবন সহজ করা হবে। এছাড়াও, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য টেকসই ও নিরাপদ আবাসনের স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা জোর দিয়ে তুলে ধরা হয়। তিনি আর বলেন, নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের জাতিসংঘ সম্মেলনে ইউএন-হ্যাবিট্যাটের অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

    অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীলতা ও সাশ্রয়ী আবাসন নকশার জন্য প্রতিযোগিতার আয়োজনের প্রস্তাবও দেন, যা বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে। রসব্যাক এই প্রস্তাবে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তিনি রোহিঙ্গা বিষয়ক এ সম্মেলনে যোগ দিতে আগ্রহী। তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের জন্য ইতিবাচক সাড়া দেন। স্বীকার করেন, বৈশ্বিক জলবায়ু সংকটে বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য ইউএন-হ্যাবিট্যাটের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ।

    রসব্যাক বাংলাদেশকে আগামী ১৭-১৯ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিতব্য ‘জিরো ওয়েস্ট ফোরাম’, এবং আজারবাইজানের বাকুতে আগামী বিশ্ব নগর ফোরামে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

    তিনি আরও বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মহাসচিবের জিরো ওয়েস্ট প্রোগ্রামের সদস্য হিসেবে, তিনি শহর ও বস্তির টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া, আবাসন উন্নয়ন, নগর পরিকল্পনা ও ক্ষুদ্রঋণের সংযোজনের বিষয়গুলোও বৈঠকে আলোচনা হয়।

    উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, ও এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

  • হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    দেশের renomित চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু চোখের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অপারেশন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।

    রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিকমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘দেলোয়ার জাহান ঝন্টু একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তার চোখের অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হলো। সবাই দোয়া করবেন।’

    ইনস্টাগ্রাম পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে চলচ্চিত্র জগতের mnog প্রভাবশালী ব্যক্তিরা দোয়া ও শুভকামনা জানিয়েছেন, এর মধ্যে খল অভিনেতা মিশা সওদাগরও রয়েছেন, যিনি লিখেছেন, ‘অনেক দোয়া’। অনেকে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য কামনা করেছেন।

    পোস্টে দেখা গেছে, হাসপাতালে বিছানায় শুয়ে এক চোখে অপারেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন দেলোয়ার হোসেন ঝন্টু।

    দশকের পর দশক ধরে চলচ্চিত্রের এই প্রবীন নির্মাতা প্রায় চার দশকের বেশি সময় ধরে শতাধিক সিনেমা নির্মাণ করেছেন। তিনি তার পরিচালনাক্ষেত্রে প্রথম সাফল্য লাভ করেন ‘লিডার’ সিনেমার মাধ্যমে, আর তার প্রথম পরিচালিত সিনেমা ছিল ‘বন্দুক’। তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলো মধ্যে রয়েছে ‘শিমুল পারুল’, ‘প্রেমগীত’, ‘হারানো প্রেম’, ‘ঝিনুকমালার প্রেম’, ‘বউমা’, ‘সকাল-সন্ধ্যা’, ‘পালকি’, ‘জজ ব্যারিস্টার’, ‘মুজাহিদ’, ও ‘হাতি আমার সাথী’ among others। এই অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় নির্মাতার স্বাস্থ্যের খবর শোয়াক সাংবাদিক ও অনুরাগীদের মধ্যে শোক ও শুভকামনায় ভরপুর।

  • অভিনয়ের পরে এবার গান থেকেও বিরতি নিতে চান তাহসান

    অভিনয়ের পরে এবার গান থেকেও বিরতি নিতে চান তাহসান

    সংগীতজীবনের ২৫ বছর পূর্ণ করলেন জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান। এই বিশেষ মুহূর্তে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিলেন, তিনি সংগীত ক্যারিয়ার থেকে বিদায় নিতে চলেছেন। এই সিদ্ধান্তের কথা কয়েক মাস ধরে নিজের ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে শেয়ার করছিলেন তিনি। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় তার সংগীত সফর চলাকালীন গানের আউটডোর কনসার্টে তিনি এই কথা প্রকাশ করেন।

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ সম্প্রতি ফিলিস্তিনে চলমান হত্যাযজ্ঞের জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এ ঘটনাকে গণহত্যা বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এই অবিচারের জন্য দায়ী করেছেন।

    এ ঘটনা নিয়ে ভারতের বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে একটি ব্যাপক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় তারা। এই সমাবেশে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণ অংশ নেয়।

    অভিনেতা প্রকাশ রাজের সঙ্গে যোগ দেন আরও বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র শিল্পী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যেমন অভিনেতা সত্যরাজ এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন। বার্তায় তিনি বলেন, ‘যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলাকে রাজনীতি বলায়, তাহলে আমি বলব, এটাই আমাদের মৌলিক অধিকার। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধ শেষে সব কিছু মিটে যায়, নেতারা হাত মেলান, কিন্তু এই অমানবিক দমনপাতনের ক্ষতি সব সময় থেকে যায়। একজন মা তার সন্তানের জন্য, স্ত্রী তার স্বামীর জন্য, আর শিশুরা তাদের বাবার জন্য অপেক্ষা করে, এই সত্যিই বাস্তবতা।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ফিলিস্তিনে যে অবিচার চলছে, তার জন্য শুধু ইসরায়েলই নয়, এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকেও দায়িত্ব রয়েছে। বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদির নীরবতাও সমানভাবে দায়ী।’

    অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ ও অমানবিক। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘কীভাবে গাজার উপর বোমা ছোড়া হয়? মানবতা কোথায়? এই নির্মমতা চালিয়ে যাওয়ার পরও কোনভাবে মানুষ শান্তিতে ঘুমোতে পারে?’

    অন্যদিকে, চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন গাজায় চলমান এই আগ্রাসনকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, গাজায় শুধু আবাসিক এলাকাই নয়, স্কুল ও হাসপাতালেও নির্বিচারে বোমা হামলা চালানো হচ্ছে। এমনকি জলপাই গাছগুলোও ধ্বংস করা হয়েছে, যা মানুষের জীবন ও জীবিকা একmaßen ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি এই নৃশংসতা বন্ধের জন্য বিশ্ব সমাজকে সোচ্চার হয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

  • বিতর্কের কারণে পুনমের চরিত্র থেকে বাদ দিলেন রামলীলা কমিটি

    বিতর্কের কারণে পুনমের চরিত্র থেকে বাদ দিলেন রামলীলা কমিটি

    ভারতের রাজধানী দিল্লির একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব, লব কুশ রামলীলা, এবার বেশ বিতর্কের মুখে পড়েছে। মূলত, সম্প্রতি এই অনুষ্ঠানে রামলীলা’র বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করবে বলে যে সমস্ত অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মনোনীত করা হয়েছিল, তার মধ্যে পূনম পাণ্ডে ছিলেন অন্যতম। তবে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ তুলে তাকে এই চরিত্র থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    রামলীলা আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই বছরের প্রধান চরিত্রের জন্য প্রথমে পূনমকে বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েকটি গোষ্ঠীর আপত্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘একজন শিল্পীর পরিচয় তার কাজের মধ্যেই থাকে। অতীতের বিষয় বা ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে কারো বিচার করা ঠিক নয়। তবে, সাধারণ মানুষের অনুভূতি ও ধর্মীয় ভাবাবেগের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    আয়োজকরা আরও বলেন, ‘সমাজে নারীর অবদান স্বীকৃতি পাওয়ার মতো। তারা অপমানের শিকার হওয়া উচিত নয়। আমরা ভাবছিলাম যে, পূনম এই চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। কিন্তু কিছু গোষ্ঠীর প্রতিবাদ ও উষ্মা দেখে আমাদের পুনর্বিবেচনা করতে হয়।’

    পূনমকে অভিনয় থেকে সরিয়ে দিয়ে অন্য কোনও অভিনেত্রীকে এই চরিত্রের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। আয়োজকদের মতে, রামচন্দ্রের জীবনী ও মৈত্রীর বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য। তারা এই অনুষ্ঠানে কোনও বিতর্ক চান না। প্রতি বছর দিল্লিতে এই রামলীলা উৎসব ব্যাপক মানুষের সমাগম হয়, যেখানে বিভিন্নবারই বিভিন্ন অভিনেতা ও অভিনেত্রীর অভিনয় দেখা যায়।

    দিল্লি বিজেপি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা মনে করছে, এই পরিবর্তন ধর্মীয় ভাবাবেগে সম্মান জানানোর জন্যই জরুরি ছিল।

  • পরিচালকের কঠোর আক্রমণ: সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে মন্তব্য

    পরিচালকের কঠোর আক্রমণ: সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে মন্তব্য

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের উপর তোপ Comparingবছর কয়েক আগে থেকেই শুরু করেন ‘দাবাং’ খ্যাত পরিচালক অভিনব কাশ্যপ। তিনি একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেছিলেন, সালমান খান ও তার পরিবারের ব্যাপারে। সম্প্রতি Fernándezলেন আবারও একই ধরনের কথা বলেছেন।

    অভিনব কাশ্যপের মতে, বলিউডে সালমান খানের বাবা সেলিম খান অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন চিত্রনাট্যকার, তবে তাকে বলিউডের সেরা বলা যায় না। তার দাবি, সেলিম খান প্রভাব খাটিয়ে এই শিল্পে জায়গা তৈরি করেছেন।

    এরপরই তিনি কঠোর ভাষায় সালমানকে সমালোচনা করেন। তার কথায়, ‘সালমান খানও সেইসব বাবার মতোই প্রভাবশালী হয়ে টিকে আছেন। তাকে সত্যিই সুপারস্টার বলা যায় না। কারণ, তিনি নোংরা বাবার নোংরা ছেলে; ফুটপাতে বড় হওয়া এই ব্যক্তির রুচিও accordingly।’

    অভিনব আরও বলেন, ‘সালমানের জন্য অপমানজনক হলেও সত্য, যখন তারা সিনেমায় নবাগত অভিনেতা আহান পাণ্ডের অভিনয় দেখে হিংসা করেন।’

    এই ক্ষোভের পেছনে ব্যক্তিগত কারণও রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। তিনি জানান, ‘দাবাং’ সিনেমার সিক্যুয়েল নির্মাণের সময় তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। তাছাড়া, সম্প্রতি তাকে প্রথম সারির একটি চ্যানেলে সিরিজ পরিচালনার দায়িত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিনব মনে করেন, এর পেছনে সালমানের ঘনিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের হাত রয়েছে। এভাবে তার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি।

  • বিসিবি নির্বাচন: ক্রিকেটারদের বিভিন্ন পোস্ট ও জটিলতা

    বিসিবি নির্বাচন: ক্রিকেটারদের বিভিন্ন পোস্ট ও জটিলতা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে চলছে নানা রকম বিতর্ক এবং নাটকীয়তা। নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে তামিমের প্রার্থীতা নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।

    তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপের বৈধতা নিয়ে আপত্তি তুলেছেন সাবেক ক্রিকেটার হালিম শাহ। তিনি বলেন, তামিম এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নেননি, তাই ক্রিকেট গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনি কাউন্সিলর হতে পারবেন না। এছাড়া অভিযোগ করা হয়েছে, তামিম ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের সদস্য নন এবং ক্লাবের পক্ষ থেকেও কাউন্সিলর করার কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

    অবশ্য বাস্তবতা হলো, ১০ জানুয়ারি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন, যা দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তিনি আরও বলেন, বিসিবিতে দায়িত্ব নিলে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেট থেকেও সরে দাঁড়াবেন। বর্তমানে তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    এই ঘটনার পর থেকে দেশের বেশ কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটার সামাজিক মাধ্যমে একযোগে প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করেছেন। সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, তাইজুল ইসলাম, ইরফান শুক্কুর, মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমানসহ অনেকেই এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, বিসিবি নির্বাচন ঘিরে যা কিছু হচ্ছে, তা কখনোই কাম্য নয়। এগুলো বাংলাদেশের ক্রিকেট এবং ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর। তারা দাবী করেছেন, নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়।

    এসব ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট করছে, বিসিবি নির্বাচন শুধু একটি প্রশাসনিক বিষয় নয়, এটি দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।

  • পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    আজ একই দিনে বাংলাদেশ দুইবার পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে। প্রথমে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে চলমান সাফ অ-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্টে পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও আজ রাতে এশিয়া কাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান, যেখানে জিতলে তারা সরাসরি উঠবে ফাইনালে। তার মানে, দুটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আজ বাংলাদেশের স্বপ্নের ফাইনাল নিশ্চিত করার এক অনন্য দিন।

    শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচটি অনেক জন্য ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের চার মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশের নেতৃত্বের শুরু হয় Medalপুরের সময়, যখন তারা দ্রুত দুটি গোল করে এগিয়ে যায়। প্রথম গোলটি আসে তৃতীয় মিনিটে, যখন পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডার বল দেওয়ার সময় বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড নেন এবং গোল করে দলকে দুর্দান্ত শুরু দেন। এরপর বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সল বাড়তি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ৭ মিনিটে আরও এক গোল করে ব্যবধান বাড়ান।

    পাকিস্তানের জন্য হতাশাজনক ছিল তাদের গোলরক্ষক ও ডিফেন্সের ভুল, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্রুত দ্বিতীয় গোলটি পায়। বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড অপু দারুণ একটি গোল করেন ডান দিক থেকে বক্সে প্রবেশ করে। এই প্রথমার্ধে বাংলাদেশের এই আক্রমণ পুরোপুরি দাপট দেখায়। পুরো ম্যাচে বাংলাদেশ আরও গোলের সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু তারা তা করতে পারেনি। অন্যদিকে, পাকিস্তান তাদের পারফরম্যান্সে কিছুটা উন্নতি করতে না পারায় গোলের দেখা পায়নি। গ্রুপ পর্বে পাকিস্তান দাপটের সাথে খেলেছিল এবং প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল। তবে আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে তারা গোল করতে পারেনি।

    আস্তে আস্তে আজকের এই ভেন্যুরอีก একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ শুরু হবে যেখানে নেপাল ও ভারত মুখোমুখি হবে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী ২৭ সেপ্টেম্বর ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা করবে, যেখানে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছে স্বপ্নের দিন।

  • পাকিস্তানের কাছে হেরে বাংলাদেশের বিদায়

    পাকিস্তানের কাছে হেরে বাংলাদেশের বিদায়

    দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের জয়ের জন্য নির্ধারিত ১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামতেই শুরুটা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ডিপ আউট হন। শাহীন আফ্রিদির শর্ট লেংথের ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে নাওয়াজকে ক্যাচ দেন তিনি। মাত্র দুই বলে রানের খাতা খুলতে পারেননি এই বাঁহাতি ওপেনার। এরপর হারিস রউফের ওভারে সাইফ আলী ছক্কা ও চার মারেন, যা দলের মানসিকতাকে somewhat পুনরুদ্ধার করে। তবে, তৃতীয় ওভারে তওহীদ হৃদয় পয়েন্টে বল ঠেলে দিয়ে রান নিতে চাওয়ার সময় স্ট্রাইক প্রান্তে ফিরলেও, ফিল্ডারের দুর্বল ফিল্ডিংয়ের কারণে জীবন পান। এরপর তিনি আউট হন, তবে সাইফ খেলেছেন আগের চেয়ে বেশি সাবধান ও মারমুখী, পাঁচটি চার ও এক ছক্কায় ১৮ রান করে। পাওয়ার প্লে’তে বাংলাদেশের ব্যাটিং খুবই খারাপ হয়ে যায়; তিন উইকেট পড়ে যায় মাত্র ৩৬ রান তুলতে। প্রমোশন পাওয়া ব্যাটার শেখ মেহেদী ব্যর্থ হন। সোনা জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি, বিশেষ করে সোহান ২১ বলে ১৬ রান করে আউট হন। দলীয় সাফল্য পেতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ, শেষ পর্যন্ত ১২৪ রানে অলআউট হয়। পাকিস্তানের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন শাহীন আফ্রিদি ও হারিস রউফ। এই হার নিশ্চিত করে বাংলাদেশের আসর থেকে বিদায় এবং পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে প্রথমবারের মতো ফাইনাল খেলার সুযোগ তৈরি হয় এশিয়া কাপে।

  • নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে ম্যাচ হারতে হারতে ভারত সুপার ওভারে জয়লাভ

    নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে ম্যাচ হারতে হারতে ভারত সুপার ওভারে জয়লাভ

    চলমান এশিয়া কাপে এবারই প্রথমবারের মতো দুটি দল ২০০ রান পার করে। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামে ভারতীয় দল, যারা পাঁচ উইকেটে রীতিমতো বড় সংগ্রহ করে ২০২ রান। শতকCompleting by পাথুম নিশাঙ্কার ব্যাটে দেখা যায় অসাধারণ দক্ষতা, যা ভারতের জন্য ছিল এক চমৎকার লড়াই। তবে শ্রীলঙ্কার জন্য এই ম্যাচের এক বড় দুঁদে ঘটনা হল শেষ বলে স্কোর সমান হয়, যে মুহূর্তে ম্যাচ গড়াই যায় সুপার ওভারে। সেখানে ভারতের কাছে সহজ জয় হয় এই ম্যাচ।

    আশ্চর্যজনকভাবে, সুপার ওভারে ভারতের মারকুটে বলয়বাধকদের মধ্যে থেকে দুই রান তুলতেই শ্রীলঙ্কার পাঁচ উইকেট দ্রুত পতনের মুখে পড়ে। প্রথম বলে কুশল পেরেরা ডিপ পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর শানাকা ফিরে যান পঞ্চম বলে। এর মাঝে স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কার স্কোর কেবল দুই রান যোগ করে। ওভারের প্রথম বলের মাধ্যমে উকিল হইয়া উঠেন সূর্যকুমার যাদব, যিনি তিন রান নিয়ে ধানুশা গুণান্তির ওভারে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

    যদিও এই ম্যাচের ফলাফলকে এখন খুব জরুরি মনে করা হচ্ছে না, কারণ ফাইনালে পৌঁছে যাওয়া বা না হওয়া কোন ব্যাপার নয়। তবুও, ভারতের ব্যাটে দেখানো সক্ষমতা প্রশংসার দাবি করে। এই ম্যাচেই দেখা যায় ভারতের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর এই টুর্নামেন্টে, যা তাদের সামর্থ্য প্রমাণ করে। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কাও নিজেদের সর্বোচ্চ দলীয় রেকর্ড গড়ে ফেলেছে, দুই দলের এই রেকর্ড সমানে চলেছে।

    প্রথম ইনিংসে, শ্রীলঙ্কা বেশ ভালোভাবেই শুরু করে। কুশল মেন্ডিসের দ্রুত উইকেটের কারণে সেখানে হোঁচট লাগে। তার করবে হার্দিক পান্ডিয়ার বলে ডিপ স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর নিশাঙ্কা ও পেরেরা ১২৭ রানের জুটি গড়ে দলকে টেনে নেন। পেরেরা ৩২ বলে ৫৮ রান করে স্টাম্পিং হন। এরপর আসালঙ্কা ও কামিন্দু মেন্ডিস দ্রুত ফিরে যান। তারপরও শ্রীলঙ্কা দৃঢ় থাকি, নিশাঙ্কা ১৮ ওভারে সেঞ্চুরি করেন। কিন্তু ২০ ওভারে তিনি ফিরে যান। শেষ পর্যন্ত, ৫৮ বলে সাতটি চার ও ছয়টি ছক্কায় ১০৭ রান করে উঠেন তিনি।

    তবে শেষ বলে শর্ট ফাইন লেগে ধরা পড়েন নিশাঙ্কা। তার আগে তিনি ৫৮ বলে ১০৭ রান করেছিলেন। এরপর, শানাকা ১১ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। এই সময় দলের জয়ের জন্য দরকার ছিল ছয় বলে ১২ রান। স্মার্ট প্লেয়ার হিসেবে ওই ওভারে চার রান নিয়ে ম্যাচ মোটের ওপর শেষ করেন।

    প্রথম ইনিংসে ভারতের জন্যে ভালো সূচনার গল্প এরকম—মাহিশ থিকসানা শুভমন গিলকে দ্রুত আউট করেন। গিল ৪ রান করে ফিরে যান। এরপর অভিষেক শর্মা ও সূর্যকুমার দ্রুত দলের রানে এগিয়ে নিয়ে যান। সূর্যকুমার ১৩ বলে ১২ রান করে আউট হন, তার পর অল্প সময়ের মধ্যে আরও দুজন ব্যাটার ফিরে যান। এরপর তিলক ভার্মা ৩৪ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন, দলের স্কোরে ভারসাম্য রাখতে। এই ম্যাচে ভারতের ব্যাটিংয়ে ছিলেন অন্যরা — সাঞ্জু স্যামসন ২৩ বলে ৩৯ রান করেন, এবং অক্ষর প্যাটেল ২১ বলে ২১ রান যোগ করেন। হার্দিক পান্ডিয়ার মাত্র ২ রান হলেও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।