Blog

  • লঘুচাপের কারণে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা বাড়ছে

    লঘুচাপের কারণে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা বাড়ছে

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী মাসের শুরুতেই বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই লঘুচাপের ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল যেমন পশ্চিমবঙ্গ, পশ্চিমবাংলা, বাংলাদেশ উত্তরাঞ্চল এবং আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কা রয়েছে। এরই প্রভাবে দেশের নিম্নাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পূর্ব উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর একটু কম সক্রিয় থাকলেও, উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি সক্রিয় অবস্থানে রয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগরে নতুন করে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকাসহ রাজশাহী, রংপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ এবং খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়া, হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া, কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও দেখা দিতে পারে। এই বৃষ্টিপাতের ফলে দিনের তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে এবং রাতে তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পাবে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ ৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজশাহীতে ৩৯ এবং বগুড়ায় ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের তথ্য পাওয়া গেছে।

    বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চলে ভারী বর্ষণে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ২ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে ৫ অক্টোবর সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদীসহ কিছু বড় নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। এই সময়গুলোতে নদীগুলোর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছতে পারে, ফলে উপকূলীয় ও নিম্নাঞ্চলগুলোতে সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে।

    চট্টগ্রাম বিভাগের নদীগুলোর মধ্যে হালদা, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, গোমতী ও ফেনী নদীর পানি ১ অক্টোবর থেকে ৪ অক্টোবরের মধ্যে কুমিল্লা, লক্ষীপুর, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজারে দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। একই সময়ে, নদীর সেতুমুখে সতর্কতা দেখানো হচ্ছে এবং নিম্নাঞ্চলগুলোতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

    সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের নদীগুলোর মধ্যে সুরমা, কুশিয়ারা, লুভাছড়া, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, জিঞ্জিরাম, সোমেশ্বরী, ভুগাই-কংস, মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানি ১ অক্টোবর সকাল থেকে ৫ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে এই নদীর সংলগ্ন এলাকাগুলোর জলস্তর সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে এবং স্থানীয় নিম্নাঞ্চলগুলো জলমগ্ন হতে পারে।

  • বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়নে জাতিসংঘের wholehearted সমর্থন

    বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়নে জাতিসংঘের wholehearted সমর্থন

    জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও সংস্কার কর্মসূচির প্রতি পুরোপুরি সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছেন। এটি তিনি সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের জাতিসংঘের সদরদপ্তরে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে উল্লেখ করেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে একজন উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়, যেখানে ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, মুখ্যসচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া এবং এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজনৈতিক সংস্কার, ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন, জুলাইয়ে ঘটানো অভ্যুত্থানে গণহত্যার জন্য দায়ীদের জবাবদিহিতা, বিশ্ব বাণিজ্যে সুরক্ষামূলক শুল্কনীতির প্রভাব ও ৩০ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলনের বিষয়গুলো।

    প্রধান উপদেষ্টা মহাসচিবকে জানান, অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যে কিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, আসন্ন কয়েক মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সহযোগিতা চায়। পাশাপাশি, তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষমতাচ্যুত সরকার ও তাদের মিত্ররা দেশের সম্পদ পাচার করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছে।

    তিনি বলেন, তারা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সহায়তা চায় না এবং কিছু আন্তর্জাতিক মহল তাদের পক্ষ নেওয়ার চেষ্টা করছে। এর জবাবে গুতেরেস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কার কর্মসূচিতে জাতিসংঘের অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে জাতিসংঘের অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরেন।

    আলোচনাকালে মহাসচিব গত ১৪ মাসে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের এই কঠিন উত্তরণকালীন আপনাদের নেতৃত্ব আমি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রশংসা করি। তিনি জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই সম্মেলন রোহিঙ্গা সংকটকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের অগ্রাধিকার তালিকায় রাখবে এবং শরণার্থী শিবিরে জরুরি মানবিক সহায়তা ও তহবিল সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    এ সময় মহাসচিব রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

  • সরকারের সতর্কতা: ভোট বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে

    সরকারের সতর্কতা: ভোট বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে

    অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার জন্য দেশ ও বিদেশে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, সরকার বিষয়টি সম্পর্কে পুরোপুরি জানে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

    সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে শফিকুল আলম এই মন্তব্য করেন। তিনি আরও জানান, দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ভোটের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য একটি সুপরিকল্পিত চেষ্টা চলমান রয়েছে। দেশের কয়েকটি ব্যক্তি কোটি কোটি ডলার বিদেশে নিয়ে গিয়ে নানা অপকর্মের মাধ্যমে দেশকে অসস্থিশীল করে তুলছে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

    প্রেস সচিব বলেন, পতিত স্বৈরাচার, তাদের দোসর এবং আন্তর্জাতিক মিত্ররা মিলে নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি প্রশ্নবিদ্ধ করে ভোটের জন্য অপ্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার কৌশল নিচ্ছে। তবে সরকার এর বিরুদ্ধে কঠোরভাবে সতর্ক এবং সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভুয়া খবর ছড়িয়ে অনেক ধরনের অপপ্রচারণা চলছে। এই বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আন্তর্জাতিক নেতাদের মাধ্যমে তুলে ধরছেন।

    শফিকুল আলম জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অদূর ভবিষ্যতে, অন্তর্বর্তী সরকার একত্রিতভাবে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য কঠোর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার নিজস্ব সতর্কতা ও প্রস্তুতির মাধ্যমে সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করবে বলে আশ্বাস দেন।

  • বুধবার থেকে শুরু টানা চার দিনের সরকারি ছুটি

    বুধবার থেকে শুরু টানা চার দিনের সরকারি ছুটি

    আগামী বুধবার, ১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে সরকারি চাকরি, ব্যাংক এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য টানা চার দিনের ছুটি। এই দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করবেন তারা, কারণ এটি দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির সমন্বয়ে নির্ধারিত।

    সরকারের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১ অক্টোবর বুধবার দুর্গাপূজার মহানবমীর উপলক্ষে বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরের দিন, অর্থাৎ ২ অক্টোবর, বিজয়া দশমী উদযাপন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি দেওয়া হবে। এরপর ৩ ও ৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার নিয়মিত শোকাবহ সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে, এই চার দিনে সরকারি দপ্তর, ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

    বেসরকারি অফিসের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কিছুটা ভিন্ন। অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শনিবারও খোলা রাখতে পারে, ফলে সেখানে কর্মীরা তিন দিনের ছুটি পাবেন। আবার কিছু প্রতিষ্ঠান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ছুটির দিন বাড়তেও পারে।

    শীগ্রই সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দুর্গাপূজায় দুই দিন ছুটি দেওয়া হবে—একটি সাধারণ ছুটি এবং একটি নির্বাহী আদেশে। গত বছরের মতো, এই বছরেও সরকারি চাকরিজীবীরা চার দিনের ছুটি উপভোগ করবেন।

    সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে স্কুল–কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৯ দিন বন্ধ থাকবে, এর সঙ্গে যুক্ত হবে সাপ্তাহিক ছুটিও। এর ফলে, মোট ১১ দিনের ছুটি আসবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা ছুটির সুবিধা আরও বেশি পাবেন। তাদের জন্য পূজার ছুটির সাথে দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে মোট ১২ দিন ছুটি হবে।

    অন্যদিকে, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি সীমিত রাখা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুর্গাপূজার জন্য ছুটি নির্ধারিত হয়েছে মাত্র দুই দিন—১ ও ২ অক্টোবর।

  • ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা, ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা নিহত

    ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা, ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা নিহত

    কক্সবাজার সদর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছাত্রলীগের এক নেতার নেতৃত্বে তিনজনের হামলায় জামায়াতের যুব শাখার ওয়ার্ড সেক্রেটারি আমজাদ হোসেন (২৪) নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নের নতুন মহাল খামার দোকান এলাকায়। নিহত আমজাদ নতুন মহাল এলাকার নুরুল কবিরের ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে লেগেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি রাফি, যার নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রেরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল আমজাদ ও রাফির পরিবারের মধ্যে। এরই জেরেরে বুধবার রাতে রাফি ও তার ভাগনে মোফাচ্ছেলসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী আমজাদকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয়রা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

    আমজাদের ভাই সাদ্দাম হোসেন, তিনি সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বলেন, আমার ভাইকে অমানবিকভাবে হত্যা করা হয়েছে, এটি পূর্বশত্রুতার অংশ। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

    চৌফলদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনজুর আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে చేరে তদন্ত শুরু করেছে। জমি বিরোধানের কারণেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    কক্সবাজার সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আজিজুর রহমান জানান, ছাত্রলীগের রাফি আগে থেকেই জমি দখল ও মামলার মাধ্যমে আমজাদ ও তার পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল। এই ঘটনার পিছনে সেই প্রভাব রয়েছে বলে তিনি ধারণা ব্যক্ত করেন।

    ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানানো হয়, পুলিশ একটি আসামিকে আটক করেছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

  • শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগে নিষিদ্ধ অ্যাপ আর ব্যবহৃত হবে না

    শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগে নিষিদ্ধ অ্যাপ আর ব্যবহৃত হবে না

    সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাংলাদেশে অবৈধভাবে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ ও ভার্চুয়াল বৈঠক চালিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত দুটি জনপ্রিয় অ্যাপ—টেলিগ্রাম ও বোটিম—বন্ধ করে দেওয়া হবে। নির্বাচন তফসিল ঘোষণার পর, এই দুটি অ্যাপের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাউন্সিলের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    অভ্যুত্থানের পর গত বছরের ৫ আগস্ট তারা ভারতে পালিয়ে গিয়ে অবস্থান নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ভারতে থাকা অবস্থায় তারা ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে নানা নির্দেশনা দিচ্ছেন। এই বৈঠকগুলি পরিচালনা করার জন্য তারা বিভিন্ন অনলাইন অ্যাপের ব্যবহার করছেন।

    জানা গেছে, রাজধানীর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন আন্দোলনমূলক মিছিল থেকে গত বুধবার ২৪৪ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়, এর মধ্যে দেড় শতাধিক ব্যক্তি বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ ও বৈঠকে অংশ নিত। এই বিষয়টি এখন শেছে আলেচ্য হয়েছে, রোববারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, রাতে এই দুটি অ্যাপের ব্যবহার কমানোর জন্য নানা উপায় খতিয়ে দেখা হবে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই দুই অ্যাপের মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীরা দেশ বিরোধী কার্যক্রম চালাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে, টেলিগ্রাম ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাপ, যার প্রতিষ্ঠাতা রুশ নাগরিক পাভেল দুরভ। অন্যদিকে, বোটিম হলো একটি জনপ্রিয় আড্ডা ও অর্থ লেনদেনের অ্যাপ, যার মূল কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রে।

    বৈঠকের সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনগুলোতে জব্দ করা হয়েছে অনেক তথ্য। প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে, দেড় শতাধিক নেতা-কর্মী টেলিগ্রাম ও বোটিম ব্যবহার করে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ ও ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। এই অ্যাপগুলো ব্যবহার করে তারা দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    এদিকে, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির ধারণা, নির্বাচন প্রস্তুতির মধ্যে থাকতে এই ধরনের যোগাযোগের মাধ্যমে অর্থবহ পরিকল্পনা চালানো সম্ভব। সেই জন্য, সংশ্লিষ্ট সভায় এই দুটি অ্যাপের ব্যাপক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে জঙ্গি ও অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধির আশঙ্কা কমানো যায়।

  • আসুরের বিনাশে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দুর্গাপূজার মূল संदेश

    আসুরের বিনাশে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দুর্গাপূজার মূল संदेश

    খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালি জাতির হাজার বছরের ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই উৎসব শুধু ধর্মীয় আনন্দের লীলাই নয়, বরং এটি আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী সম্প্রীতির একটি প্রতীক। দুর্গোৎসবের মূল বাণী হলো- অসুর রূপী হিংসা, লোভ ও ক্রোধকে পরাস্ত করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। যেখানে মানবিক মর্যাদা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। যারা নিরীহ মানুষকে নিপীড়ন, নির্যাতন এবং প্রতিহিংসার মাধ্যমে সমাজ ও মানব সভ্যতাকে ধ্বংসের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠাই এই উপাসনার মূল উদ্দেশ্য।

    রোববার রাতে নবতরুণ সংঘের বাগানবাড়ি, রূপসা মহাশ্মশান ও কালী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির মূল ভিত্তি হলো সহাবস্থান ও সম্প্রীতির শিক্ষা। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ যুগযুগ ধরে একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছে। দুর্গোৎসব সেই সহাবস্থানের এক অনন্য উদাহরণ। এই উৎসব আমাদের সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, শ্রমিক দলের মহানগর আহবায়ক মজিবর রহমান, সদর থানা বিএনপির সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবীর, নাসির উদ্দিন, সওগাতুল ইসলাম সগীর, মেহেদী হাসান লিটন, সাগর আকন, শুকুর আলী, জালাল প্রমুখ।

  • শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে এই উৎসব: মঞ্জু

    শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে এই উৎসব: মঞ্জু

    খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশের সব নাগরিকের মধ্যে ধর্মবর্ণের ভেদাভেদ থাকলেও তারা সবাই সমান অধিকার, স্বাধীনতা ও সুরক্ষা ভোগ করছে। বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ, প্রতিটি গোষ্ঠী, গোত্র ও সম্প্রদায় উৎসাহের সঙ্গে তাদের ধর্ম পালন করছে। এই ধর্মীয় উৎসাহ ও সামাজিক মূল্যবোধ আমাদের দেশের সংস্কৃতির এক সুন্দর অনুষঙ্গ। একজন বাংলাদেশি হিসেবে এই সব ধর্ম, গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের ভাব প্রকাশ পাচ্ছে। শারদীয় দুর্গোৎসব এই শৈল্পিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে, প্রতিটি পরিবারে শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।

    তিনি রোববার সন্ধ্যায় নগরীর বিভিন্ন স্থান, যেমন বাগমারা সর্বজনীন শ্রীশ্রী গোবিন্দ মন্দির, তেঁতুলতলা মন্দির ও লবণচরা সর্বজনীন পূজামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজামন্দিরের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এই শুভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, মজিবর রহমান ফয়েজ, ইউসুফ হারুন মজনু, নজরুল আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শামীম আশরাফ, হুমায়ুন কবির ও অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

    অতিথিগণ তাদের বক্তব্যে ধর্মের পারিপার্শ্বিক সৌন্দর্য ও এর মাধ্যমে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরেন। তারা বলেন, এই উৎসবের মাধ্যমে আমাদের ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষ একে অপরের কাছাকাছি আসছে, মিলেমিশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রাণবন্ত উদাহরণ তৈরি করছে। এর মাধ্যমে সৃষ্টিশীলতা ও ভ্রাতৃত্ব আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এরকম সুন্দর অনুষ্ঠান ও উৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশে শান্তি ও ঐক্য আরো প্রকৃতিশালী হবে—এমন প্রত্যাশায় সবাই একত্র হয়।

  • কয়লাঘাট মন্দিরে নববস্ত্র বিতরণে এড. মনা

    কয়লাঘাট মন্দিরে নববস্ত্র বিতরণে এড. মনা

    খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, ধর্মের নামে যারা ব্যবসা করে সমাজকে বিভাজনের চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ হবে একটি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। এখানে কেউ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু বলে ভাবার কোনো স্থান নেই। দেশের সমৃদ্ধির জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। রোববার কয়লাঘাট পূজা মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে আয়োজিত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    শফিকুল আলম মনা আরও বলেন, বিএনপি তারেক রহমানের নির্দেশনায় সব সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থেকে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই দেশের আমি এবং আপনারা—সবার জন্ম, সবাই সমান। বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য রয়েছে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন, উন্নত জীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্য করার অধিকার। এখানে কাউকে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু মানা হবে না।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক সৈয়দ রেহেনা ইসা, বদরুল আনাম খাঁন, ২২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি এস.এম নুরুল আলম দীপু, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মহানগর সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, কয়লাঘাট কালীবাড়ি মন্দিরের সভাপতি অভিজিৎ দাস লবি ও সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার দত্তসহ স্থানীয় বিএনপি ও পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। পরে, দুস্থ ও দুঃস্থদের মাঝে নতুন বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

  • বিএনপি’র নেতা বললেন: ক্ষুদের খাল জনগণের জন্য পুনরুদ্ধার হবে

    বিএনপি’র নেতা বললেন: ক্ষুদের খাল জনগণের জন্য পুনরুদ্ধার হবে

    নগরীর দৌলতপুর আড়ংঘাটা এলাকায় ক্ষুদের খালের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধনকালে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, লুটপাটের দিন শেষ। জনগণের জন্য ক্ষুদের খাল পুনরুদ্ধার করতে হবে। অতীতের সরকার খাল পুনঃখননের নামে тен্ডার দিয়ে কাজের নামে অর্থ লুট করেছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কিছুই করেনি। এর ফলে, এই খালগুলো ভরাট হয়ে বর্ষাকালে গ্রামের জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, নদী ও খালগুলোতে জল চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, যদি বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তাহলে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ক্ষুদের খাল পুনঃখনন করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে, যাতে জলজ পরিবেশ ফেরে আর গ্রামগুলো জলমগ্ন না হয়।

    বকুল আরও জানান, বর্তমানে খালের দুই পাশে বসবাসরত মানুষদের সুবিধার্থে কালভার্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, খালের পাশের সড়কও পুনঃনির্মাণ করা হবে। এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্থানীয় সহায়তায়, জলাবদ্ধতা কমানো, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস ব্যক্ত করেন। একসময় এই খালে নৌকা ও ট্রলার চলত, যা এখন অতীত, তবে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী এই খালকে নতুন করে ব্যবহার উপযোগী করার পরিকল্পনা চলছে।

    এ সময় খানিক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি মুর্শিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদল নেতারা।