Blog

  • ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক

    ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবির ক্ষণিক ভিডিও-ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে; অনেকেই দাবি করছেন এটি নতুন চলচ্চিত্র ‘রাক্ষস’এর আইটেম গানের শুটিংয়ের দৃশ্য। প্রযোজনা সংস্থা রিয়েল এনার্জি প্রডাকশন নিশ্চিত করেছেন যে ছবিটিই তাদের শুটিং সেট থেকে অননুমোদিতভাবে লিক হয়েছে।

    রিয়েল এনার্জির অন্যতম কর্ণধার আজিম হারুন জানান, এটি সত্যিই ‘রাক্ষস’ ছবির একটি আইটেম সঙ্গীতের দৃশ্য। তিনি বলেন, “যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক। তিনি এই গানে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে নাচেছেন। সম্ভবত এটি তার প্রথম বাংলা ছবির কাজ।”

    নাতালিয়া জানোসজেক ইউরোপিয়ান বংশোদ্ভূত বহুপ্রতিভাশালী অভিনেত্রী; তিনি বলিউডের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রজেক্টেও কাজ করেছেন। তার চলচ্চিত্র তালিকায় রয়েছে ‘হাউজফুল ৫’, ‘মাস্তি ৪’ ও ‘৩৬৫ ডেইজ’-সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় প্রজেক্ট। এছাড়া তিনি সালমান খান সংবলিত জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’-এও অংশ নিয়েছেন।

    প্রযোজনা সংস্থার আরও এক কর্ণধার শাহরীন আখতার সুমি জানান, গানটির কোরিওগ্রাফি করছেন বলিউডের জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার আদিল শেখ। সংগীত পরিচালনা করেছেন জিএম আশরাফ এবং গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জিএম আশরাফ ও দোলা। তিনি বলেন, “আমরা এই আইটেম গানের জন্য বড় বাজেট রেখেছি। দেশের বাইরে বড় আকারে শুটিং চলছে। আশা করছি দর্শক এটা পছন্দ করবে। আমাদের বিশ্বাস, ‘রাক্ষস’ এবারের ঈদে সেরা ছবির মধ্যে থাকবে।”

    মেহেদী হাসান হৃদয়ের পরিচালনায় তৈরি ছবিটি প্রধান চরিত্রে ছিলেন সিয়াম আহমেদ এবং কলকাতাভিত্তিক অভিনেত্রী সুশ্মিতা চ্যাটার্জি। রিয়েল এনার্জি আগেও ছবি প্রযোজনা করেছে; তাদের আগে করা শাকিব খান অভিনীত ‘বরবাদ’ ব্যবসায় ব্যাপক সফলতা অর্জন করে ব্লকবাস্টার হয়।

    শুভ প্রত্যাশা ও উচ্চ বাজেটগত পরিকল্পনার মধ্যেই ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানটি দর্শকের সামনে আসার অপেক্ষায়। লিক হওয়া কিছু দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার আগুন জ্বালালেও প্রযোজনা দল অনানুমোদিত ফুটেজ লিক হওয়ায় উদ্বিগ্ন এবং পরিপূর্ণ গানটি মুক্তির সময় দর্শকরা কিভাবে গ্রহণ করবেন সে বিষয়ে আশাবাদী।

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইমাম ও পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইমাম ও পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন

    ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করার লক্ষ্যে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধবিহারের ধর্মপ্রধানদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ওপর পাশাপাশি পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের জন্যও সম্মানী প্রদানের কার্যক্রম চালুর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সরকারের বরাত অনুযায়ী, এটি একটি নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

    ঘোষিত নীতিমালার ভিত্তিতে মসজিদের জন্য মোট মাসিক বরাদ্দ ঢুকছে ১০ হাজার টাকা; এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়জ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা। মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধবিহারের জন্য আলাদা বরাদ্দ ধার্য করা হয়েছে মাসিক ৮ হাজার টাকা—মন্দিরে পুরোহিত ৫ হাজার ও সেবায়েত ৩ হাজার টাকা; বৌদ্ধবিহারে অধ্যক্ষ ৫ হাজার ও উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা; গির্জায় যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা।

    উৎসবকালীন ভাতার আয়োজনে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা ও বড়দিনে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রধানদের জন্য উৎসব ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে দুই হাজার টাকা করে।

    সরকার প্রথম ধাপে ‘পাইলট স্কিম’ চালু করবে বলে জানানো হয়েছে এবং তা আসন্ন ঈদের আগেই শুরু হবে। পাইলটের আওতায় প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে একটি করে মোট ৪,৯০৮টি মসজিদ, প্রতিটি উপজেলা থেকে দুটি করে মোট ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহার ও ৩৯৬টি গির্জা নির্বাচিত করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন ধরা হয়েছে ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে নির্বাচিতদের সম্মানী ১৫ মার্চের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।

    প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সম্পর্কে ৮ মার্চ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, ধাপে ধাপে দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয় এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। পূর্ণমাত্রায় এটি কার্যকর হলে প্রতিবছর প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে এবং প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে চারটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

    সম্মানী প্রদানের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয় কর্মের নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে একটি স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়ন করবে; এই নীতিমালা তৈরির দায়িত্বে থাকবে ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি।

    সরকারি উদ্যোগ সম্পর্কে অংশগ্রহণকারী ধর্মপ্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, নিয়মিত সম্মানী ও প্রশিক্ষণ তাদের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা বাড়াতে এবং বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

  • সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিনে মুক্ত

    সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিনে মুক্ত

    সাংবাদিক আনিস আলমগীর শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    জেল সুপার জানান, আনিস আলমগীরের জামিনের সব কাগজপত্র এক দিন আগে কারাগারে পৌঁছায়। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে শনিবার দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং তিনি স্বজনদের সঙ্গে কারাগার থেকে বের হয়ে যান।

    জানা যায়, গত বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দ্বারা দায়ের করা মামলায় আদালত আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেন। এর ফলে তার বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলাতেই তিনি জামিন পেয়েছেন। তার আইনজীবী তাসলিমা জাহান জানিয়েছেন, আইনগত কোনো বাধা না থাকায় দ্রুতই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মেডনগর পুলিশের গোয়েন্দা ব্যুরো (ডিবি) নিয়ে যায়। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর তাকে উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় এবং রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

    উল্লেখ্য, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় উচ্চ আদালত ৫ মার্চ আনিস আলমগীরকে জামিন দিয়েছেন।

  • সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকা হলে রাজপথে নামবে জামায়াতসহ ১১ দল

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকা হলে রাজপথে নামবে জামায়াতসহ ১১ দল

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন দ্রুত না ডাকার তোড়জোড় না হলে সরকারকে বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন চালাবে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট—এই আশঙ্কা ও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সাধারণ সম্পাদক ড. হামিদুর রহমান আজাদ।

    শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, বৈঠকে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিত এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।

    বৈঠকে এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এলডিপি, এবি পার্টি, ইসলামী পার্টি, লেবার পার্টিসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, বলেও তিনি জানান।

    ড. হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে সরকারের দাবি থাকা সত্ত্বেও জনগণমুখী ভোটাধিকারের পূর্ণ প্রতিফলন দেখা যায়নি—এই অভিমান সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

    তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত একদিনের গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সংবিধান সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। অথচ সংসদ অনুচিত প্রক্রিয়া না মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেই। ‘‘জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদ নেতা বা প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে অধিবেশন ডাকার পরামর্শ দেবেন এবং রাষ্ট্রপতি তা আহ্বান করবেন; কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি,’’ তিনি উল্লেখ করেন।

    ড. হামিদুর বলেন, যদি সরকার দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করে, তাহলে জনগণের প্রত্যাশা ও মর্যাদা রক্ষার্থে বিরোধী দলগুলোকে রাজপথে নামতে বাধ্য হতে হবে। কবে, কোথায় এবং কী ধরনের কর্মসূচি হবে—এ বিষয়ে শীঘ্রই জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    তিনি জানান, জোটের শীর্ষ নেতাদের আগামী ২৮ মার্চ বৈঠকের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে; ওই বৈঠকে ভবিষ্যত আন্দোলনের রূপরেখা নির্ধারণ করা হতে পারে।

    বৈঠকে একাধিক বিষয়কেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়—বিশেষত ছয়টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ এবং প্রশাসনে দলীয়করণের প্রবণতা জনগণের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। ড. হামিদুর দাবি করেন, এসব সিদ্ধান্ত বাতিল করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসন পরিচালনার সুযোগ ফিরিয়ে দিতে হবে।

    সংসদে বিরোধী দলগুলোর ভূমিকাসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী বিরোধী দল both সংসদে সহযোগিতা করবে ও রাজপথেও তাদের দায়িত্ব পালন করবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘জুলাই সনদ আংশিকভাবে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন চাই—কারণ জনগণের রায়ের মাধ্যমে এটি আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে, তাই সরকারকে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।’’

    ব্রিফিংয়ে তিনি কাউকে উদ্দেশ্য করে সরাসরি হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেন যে, সরকার যে বিলম্ব দেখাচ্ছে সেটি সমাধান করা না হলে জনগণের আপেক্ষিক আস্থা ও গণতান্ত্রিক মর্যাদা রক্ষার জন্য তারা পদক্ষেপ নেবে।

  • আসিফের বিরুদ্ধে মামলা-চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত: নাহিদ ইসলাম

    আসিফের বিরুদ্ধে মামলা-চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের চেষ্টাকে উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয় বলেছেন। তিনি বলেন, এটি জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত।

    আজ শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম জানান, আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে জুলাই বিপ্লব নেতৃত্বদানকারী ওই আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানকালীন ভূমিকার অজুহাতে মামলা দায়েরের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। তবে আদালত শেষ পর্যন্ত ওই মামলা গ্রহণ করেনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদশে এমন অপচেষ্টা একই সঙ্গে উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। এটি কোনো ব্যক্তি-নির্ধিষ্ট বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপ নয়; বরং জুলাই বিপ্লবের আদর্শ, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম ও তার তরুণ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে নেওয়া সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত।

    তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এখন দেশের তরুণ প্রজন্মের সাম্য, ন্যায়ের দাবি, মানবিক মর্যাদা, গণতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের প্রতীক। আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা ছাত্রদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের চেষ্টা এই বিষয়টি স্পষ্ট করে যে ৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি এখনও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, মামলা কিংবা ভয়ভীতির মাধ্যমে এই তরুণ নেতৃত্বকে দমন করা সম্ভব নয়। অতীতেও এ ধরনের অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে।

    সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি নাহিদ ইসলাম আহ্বান জানান, এমন অপচেষ্টা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং পরাজিত অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায়ে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

    খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায়ে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

    বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মিডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বলা হয়েছে, আদালতে মামলা দায়েরের আগে ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করতে হবে।

    সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, তফসিলি ব্যাংকগুলোকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নিষ্পত্তি করতে হবে। এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ব্যাংক খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতি উন্নয়নে নিয়ন্ত্রকের গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এতে বিচার ব্যবস্থায় মামলার চাপ কমবে এবং অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ও দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় পড়তে পারে এমন অনেক বিরোধ আদালতে যাওয়ার আগেই সমাধান সম্ভব হবে।

    নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মধ্যস্থতাকারীর নির্বাচন হবে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বারা গঠিত প্যানেলের মধ্য থেকে। এসব প্যানেলে থাকা যেতে পারে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অন্যান্য অভিজ্ঞ পেশাজীবী।

    মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনে যেসব যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত রাখা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে—প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা, পেশাগত সুনাম, উপযুক্ত দক্ষতা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, মধ্যস্থতা সংক্রান্ত প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, ঋণখেলাপি নন-থাকা এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সক্ষমতা। মোট দশটি শর্ত পূরণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করতে তফসিলি ব্যাংকগুলোর সক্রিয় ভূমিকা নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি এটি জাতীয় পর্যায়ে ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে শক্তিশালী করে ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা ও তাত্ক্ষণিকতার উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • টানা তিনদিনে সোনার দাম নামলো, ২২ ক্যারেট ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকার নির্ধারণ

    টানা তিনদিনে সোনার দাম নামলো, ২২ ক্যারেট ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকার নির্ধারণ

    দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দিনও সোনার দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ হাজার ৬৮৫ টাকা কমিয়ে নতুন করে নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। এই নতুন দাম শনিবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকাসোনার মূল্য কমার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক বৈঠকে দাম সমন্বয় করা হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    নতুন নির্ধারিত মূল্যের বিবরণে দেখা গেছে — ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২,৬৮৫ টাকা করে কমিয়ে দাম হয়েছে ২,৬২,২৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২,৫০,৩৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের দামের তুলনায় ২,৫০৮ টাকা কম। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২,১৪,৬১৮ টাকা — এতে ২,১৫৭ টাকার ঘাটতি এসেছে। একইভাবে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৭৪,৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২,১৫৮ টাকা কম।

    সোনার সঙ্গে সঙ্গেই রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬,০৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫,৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪,৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩,৭৩২ টাকা।

    গতকাল শুক্রবারও বাজুস সোনার দাম প্রতি ভরি ২,১৫৮ টাকা এবং রুপার দাম প্রতি ভরি ৩৯২ টাকা কমিয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২,৬৪,৯৪৮ টাকা এবং ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ছিল ৬,৩৫৭ টাকা।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৭ বার দাম নামানো হয়েছে।

  • দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১২ চিকিৎসাকর্মী নিহত

    দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১২ চিকিৎসাকর্মী নিহত

    দক্ষিণ লেবাননে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১২ জন চিকিৎসাকর্মী নিহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে চিকিৎসক, প্যারামেডিক এবং নার্স রয়েছেন।

    হামলা ঘটেছে শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতের দিকে বিন্ত জবেইল জেলার বুর্জ কালাওইয়াহ গ্রামে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হামলার সময় এসব স্বাস্থ্যকর্মী দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    লেবাননের স্বাস্থ্য খাতে সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘর্ষ আবার শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে মোট ৭৭৩ জন মারা গেছেন; তাদের মধ্যে অন্তত ১৮ জন প্যারামেডিক ছিলেন।

    বৈরুত থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জানান, অনেকস্থানে এখনও নিখোঁজদের খোঁজ চলছে, তাই নিহতদের সংখ্যা এখনও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছেই।

    এদিকে কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে এটি স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় হামলা। এর আগেই দক্ষিণ লেবাননের সুয়ানে গ্রামে একটি প্যারামেডিক কেন্দ্রে হামলায় আরও দুই প্যারামেডিক নিহত হয়েছেন এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

    ঘটনাগুলো এলাকাবাসী, চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক মানবিক সংগঠনের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, কারণ স্থিতিশীল স্বাস্থ্যসেবা বজায় রাখা এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।

  • চীনা ইউয়ানে লেনদেন হলে হরমুজ দিয়ে চলতে পারে কিছু তেলবাহী জাহাজ

    চীনা ইউয়ানে লেনদেন হলে হরমুজ দিয়ে চলতে পারে কিছু তেলবাহী জাহাজ

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ইরান চীনা মুদ্রা ইউয়ানে তেল লেনদেন হলে সীমিত সংখ্যক তেলবাহী জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিতে পারে। সংবাদটিতে দাবি করা হয় যে এটি তেহরানের বৃহত্তর কৌশলের অংশ।

    সিএনএন‑র প্রতিবেদনটি এমন একটি ইরানি কর্মকর্তার উদ্ধৃতি তুলে ধরেছে যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই দাবিকে স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর থেকে কৌশলগত এই জলপথে তেলবাহী জাহাজের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেহরান একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে এবং ইউয়ানে লেনদেন দেওয়া হচ্ছে এমন তেল চালানের ক্ষেত্রে হরমুজ ট্রানজিট অনুমোদনের প্রস্তাব সেই পরিকল্পনারই অংশ।

    বিশ্ববাজারে অধিকাংশ তেল লেনদেন এখনও মার্কিন ডলারে হয়। তবে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া রাশিয়া সম্প্রতি তার অপরিশোধিত তেল বিক্রিতে রুবল কিংবা চীনা ইউয়েনে লেনদেন বাড়াচ্ছে, এবং এ ধারা অন্য দেশগুলোকেও প্রভাবিত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    একই সময়ে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ইরান-সংক্রান্ত ঘটনাগুলো তেলের দাম বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪২ শতাংশেরও বেশি বাড়ার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে এবং মূল্য আরও বাড়ার শঙ্কা আছে।

    এই মুহূর্তে প্রকাশিত তথ্যগুলো অনানুষ্ঠানিক এবং আল জাজিরার মতো স্বাধীন সূত্রগুলো দাবি যাচাই করতে পারেনি, তাই পরিপূর্ণভাবে নিশ্চিত ব্যাখ্যা বা ফলাফল জানতে সময় লাগবে।

  • সাতক্ষীরায় ট্রাকে পিষ্ট হয়ে যুবক মোস্তফা ফরহাদ নিহত

    সাতক্ষীরায় ট্রাকে পিষ্ট হয়ে যুবক মোস্তফা ফরহাদ নিহত

    সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা-পাশ্ববর্তী কুমিরা অভয়তলা এলাকায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোস্তফা ফরহাদ হোসেন (৩২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। জানা যায়, শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মোস্তফা ফরহাদ সাতক্ষীরা শহরের উত্তর কাটিয়া এলাকার ঠিকাদার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, তিনি স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বাসে পাটকেলঘাটায় আসেন এবং সেখানে ভ্যানে চড়ে যশোরের কেশবপুর উপজেলার মহাদেবপুর গ্রামের শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে একই রাতে পাটকেলঘাটা থানাধীন সাতক্ষীরা–খুলনা মহাসড়কের কুমিরা অভয়তলা মোড়ে ভ্যান থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়েন।

    পাঠানদের বর্ণনা অনুযায়ী বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাকে চাপ দেয়। ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোস্তফা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর স্থানীয়রা ঘাতক ট্রাকটি আটক করে; তবে চালক পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. লুৎফুল কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না থাকায় নিহতের মরদেহ পরিবারের দিকে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন ও নিহতের পরিবার শোকাহত।