Blog

  • বিতর্কিত রানআউটে ক্ষোভ, সালমান আলী আগাকে তিরস্কার ও ডিমেরিট পয়েন্ট

    বিতর্কিত রানআউটে ক্ষোভ, সালমান আলী আগাকে তিরস্কার ও ডিমেরিট পয়েন্ট

    মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঘটেছে বিতর্কিত এক রানআউট ও তার তীব্র প্রতিক্রিয়া। শুক্রবার (১৩ মার্চ) পাকিস্তানের ইনিংসের ৩৯তম ওভারেই ঘটনাটি ঘটে।

    মেহেদী হাসান মিরাজের ওই বলে মোহাম্মদ রিজওয়ান সোজা ব্যাটে খেলেন। বল বোলারের দিকে ফেরার সময় মিরাজ পা দিয়ে বলটিকে থামান। নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা সালমান আলী আগা বলটি তুলে মিরাজকে ফেরত দিতে হাত বাড়ান, কিন্তু মিরাজ দ্রুত বলটি তুলে আন্ডারআর্ম থ্রো করে সরাসরি স্টাম্প ভাঙেন। তৃতীয় আম্পায়ারের তদারকিতে দেখা যায় সালমান ক্রিজের বাইরে ছিলেন, ফলে তাকে রানআউট ঘোষণা করা হয়।

    এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে সালমান মাঠে হেলমেট ও গ্লাভস ছুড়ে ফেলে উচ্চস্বরে প্রতিবাদ করেন এবং মিরাজের সঙ্গে তীব্র বাক্যবিনিময় শুরু করেন। বাংলাদেশের ওপেনার লিটন দাসের সঙ্গেও তার বাক্যালাপ হয়। সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পথে বাউন্ডারির কাছে আবার নিজের সরঞ্জাম মাটিতে আছড়ে মারেন।

    এই আচরণের জন্য ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশীদ সালমানকে আনুষ্ঠানিক তিরস্কার করেন এবং ‘ক্রিকেট সরঞ্জামের অপব্যবহার’ এর অভিযোগে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়া হয়। সালমান বিরোধিতা না করে নিজের দোষ স্বীকার করায় কোনো শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। এটাই গত দুই বছরে তার প্রথম ডিমেরিট পয়েন্ট।

    খেলার ফলাফলে পাকিস্তান দল বাংলাদেশকে ১২৮ রানের বড় ব্যবধানে হারায় এবং সিরিজ ১-১ এ পৌঁছে যায়। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে নির্ধারিত রয়েছে আগামীকাল একই ভেন্যুতে, যা অঘোষিত ফাইনালের মর্যাদা পেয়েছে।

  • ‘রাক্ষস’–এর আইটেম গানে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    ‘রাক্ষস’–এর আইটেম গানে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    চলচ্চিত্রের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গ্রুপ ও পেজগুলোতে সম্প্রতি একটি ছবি দ্রুত ছড়িয়েছে। অনেকেই বলছেন এটি চলচ্চিত্র ‘রাক্ষস’‑এর আইটেম গানের শুটিংয়ের দৃশ্য। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রিয়েল এনার্জি ছবিটি সম্পর্কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    রিয়েল এনার্জির অন্যতম কর্ণধার আজিম হারুন জানান, ‘‘হ্যাঁ, এটি আমাদের ছবির আইটেম গানের একটি শুটিং দৃশ্য। কীভাবে সেট থেকেই ছবি লিক হয়েছে তা আমরা ঠিক জানি না। যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক। তিনি এই গানে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে নাচছেন। আমার ধারণা তিনি সম্ভবত প্রথমবার বাংলা ছবিতে কাজ করছেন।’’

    নাতালিয়া একজন ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত অভিনেত্রী, যিনি বলিউডের পাশাপাশি কিছু ছবিতে হলিউডেও কাজ করেছেন। তাকে দেখা গেছে ‘হাউজফুল ৫’, ‘মাস্তি ৪’ ও ‘৩৬৫ ডেইজ’‑এর মতো ছবিতে। এছাড়া তিনি জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস’-এও অংশ নিয়েছেন, যা সালমান খান উপস্থাপন করেছেন।

    প্রযোজনা সংস্থার আরেক কর্ণধার শাহরীন আখতার সুমি বলেন, ‘‘গানের কোরিওগ্রাফি করছেন বলিউডের পরিচিত কোরিওগ্রাফার আদিল শেখ। সুর–সংগীতের কাজ করেছেন জিএম আশরাফ। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন জিএম আশরাফ ও দোলা। আমরা এই আইটেম গানটি বড় বাজেটে তৈরি করছি এবং দেশের বাইরে বড় আয়োজনে এর শুটিং চলছে। দর্শকরা গানটি পছন্দ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।’’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘আমাদের বিশ্বাস, এবারের ঈদে ‘রাক্ষস’ অন্যতম সেরা ছবি হবে।’’

    চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়। ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ ও কলকাতার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জি।

    উল্লেখ্য, রিয়েল এনার্জি পূর্বে শাকিব খান অভিনীত ‘বরবাদ’ প্রযোজনা করেছিল, যা ব্যবসায় সফল হয়েছিল। এখন তারা আবার বড় বাজেটের এই প্রজেক্ট নিয়ে দর্শকের প্রত্যাশা আরও বাড়াতে চাইছে।

  • ৬৬ বছরে নীনা গুপ্তা গর্ভবতী? অভিনেত্রী নিজেই গুজব খণ্ডন

    ৬৬ বছরে নীনা গুপ্তা গর্ভবতী? অভিনেত্রী নিজেই গুজব খণ্ডন

    কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি গুজব — ৬৬ বছর বয়সী অভিনেত্রী নীনা গুপ্তা অন্তঃসত্ত্বা— নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে তুমুল আলোচনা চলছিল। বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে নিজেই মুখ খুললেন নীনা এবং সংবাদভিত্তিহীন বলে তা উড়িয়ে দিলেন।

    জানানো হয়েছে, সম্প্রতি দক্ষিণি তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মন্দানার বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও স্বামী বিবেক মেহরার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নীনা। সেখানে আইভরি রঙের সিল্ক শাড়ি পরা কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে দেখা যায় তিনি পেটের ওপর হাত রেখেছেন এবং ছবিতে তিনি কিছুটা ফুলে ফোলা দেখাচ্ছেন। ঐ ছবি দেখে অনেকে অনুমান করতে শুরু করেন যে তিনি গর্ভবতী।

    তবে নীনা গুপ্তা নিজে সেই গুজবকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে খণ্ডন করেছেন। হালকাভাবে তিনি বলেছেন, বাস্তব জীবনে যদি ‘বাধাই হো’ টাইপ কোনো আনন্দের ঘটনা ঘটত তাহলে তা সত্যিই ভালো হতো — উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জনপ্রিয় ছবিটি তারই এক উল্লেখযোগ্য চরিত্রের জন্য পরিচিত যেখানে তিনি বয়স্ক বয়সে গর্ভবতী নারীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।

    অভিনেত্রী আরও জানিয়েছেন, সেদিনের শাড়ির কাপড়টি বেশ মোটা ও ফুলে দেখা দেওয়ার মতো ছিল, যার কারণে ছবিতে পেটের অংশ কিছুটা বাড়া হিসেবে ধরা পড়েছে। তিনি এই বিষয়ে বিরক্ত হননি বরং মজার ছলে মন্তব্য করে বলেছেন, তার বয়সকে কেন্দ্র করে এমন ইতিবাচক আলোচনা হওয়ায় ভালই লাগছে।

    ব্যক্তিগত জীবনে স্পষ্টভাষী হিসেবে পরিচিত নীনা গুপ্তা ২০০৮ সালে দিল্লির ব্যবসায়ী বিবেক মেহরাকে বিয়ে করেন। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট কিংবদন্তি ভিভিয়ান রিচার্ডসের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। তাদের কন্যা মাসাবা গুপ্তা বর্তমানে ভারতের একজন জনপ্রিয় ফ্যাশন ডিজাইনার।

    এই ঘটনার মাধ্যমে দেখা গেল—সেলিব্রিটিদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ইন্টারনেটে তাড়াহুড়োতে গুঞ্জন ছড়ানো স্বাভাবিক, কিন্তু নিজেই সেসব খণ্ডনে তেমন কোনো সমস্যা দেখালেন না নীনা।

  • গেজেটে ঘোষণা: ডা. শফিকুর রহমান বিরোধীদলের নেতা, সৈয়দ আবদুল্লাহ তাহের উপনেতা

    গেজেটে ঘোষণা: ডা. শফিকুর রহমান বিরোধীদলের নেতা, সৈয়দ আবদুল্লাহ তাহের উপনেতা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি গেজেটে এই সিদ্ধান্তের কথা বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদ সচিবালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২(১)(ট) ধারা ও ‘বিরোধী দলের নেতা এবং উপনেতা (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) আইন, ২০২১’ অনুযায়ী স্পিকার তাদেরকে এই দায়িত্বে স্বীকৃতি দিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে রাজনৈতিক দলে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিরোধী সদস্য নিয়ে গঠিত ক্ষেত্রমত দল বা অধিসঙ্গের নেতা হিসেবে ডা. শফিকুরকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    পূর্বে জামায়াত-জোটের পক্ষ থেকে শফিকুর রহমানকে নেতা ও তাহেরকে উপনেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়, কিন্তু সংসদে স্পিকার না থাকায় তা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত ছিল না। বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে হাফিজ উদ্দিন আহমদকে স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সমাসময়ে বিরোধীদলের নেতা ও উপনেতার নামগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।

    এনারা এখন সংসদের সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার ভোগ এবং বিরোধীদলীয় দায়িত্ব পালন করবেন। গেজেটে প্রকাশিত এই ঘোষণায় সংসদের আনুষ্ঠানিকতা পূরণ হয়ে সেই পরিচয় নিশ্চিত হলো।

  • আজ থেকে জ্বালানি তেলের রেশনিং উঠে যাচ্ছে, বিক্রি স্বাভাবিক

    আজ থেকে জ্বালানি তেলের রেশনিং উঠে যাচ্ছে, বিক্রি স্বাভাবিক

    জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, আজ রোববার (১৫ মার্চ) থেকে দেশজুড়ে যানবাহনের জন্য কার্যকর করা জ্বালানি তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে নেয়া হবে এবং বিক্রি স্বাভাবিকভাবে চলবে। তিনি এই তথ্য শনিবার (১৪ মার্চ) নিশ্চিত করেছেন।

    সরকার গত ৬ মার্চ থেকে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছিল। সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছিল তখনকার বণিক পরিবহন ও সরবরাহ নিরাপত্তা বিবেচনায় — ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হওয়ায় এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল এবং বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল।

    রেশনিং শুরু করার সময় সরকারের নির্দেশনায় বিভিন্ন যানবাহনের জন্য দৈনিক তেলের নির্দিষ্ট সীমা ঠিক করা হয়েছিল। তখন মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০–২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০–৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কন্টেইনার ট্রাকের জন্য প্রতিদিন ২০০–২২০ লিটার বিক্রির সীমা ধরা হয়েছিল।

    পরবর্তীতে কিছু শিথিলতা আনা হয়। রাইডশেয়ারিং চালকদের কথা বিবেচনায় মোটরসাইকেলের তেলের সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়। একই সঙ্গে সারাদেশে কার্যকর করা রেশনিং হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

    মনির হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ইতিমধ্যে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সরকার রেশনিং তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে সামঞ্জস্যপূর্ণ সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা যাবে।

  • অধিবেশন না ডাকা হলে রাজপথে নামবে ১১ দল: জামায়াতের হুঁশিয়ারি

    অধিবেশন না ডাকা হলে রাজপথে নামবে ১১ দল: জামায়াতের হুঁশিয়ারি

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন দ্রুত না ডাকা হলে রাজপথে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ। তিনি বলেছেন, আগামীকালের মধ্যে সরকার এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ না নিলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    শুক্রবার নয়, শুক্রবারের পরিবর্তে শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। বৈঠকে এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এলডিপি, এবি পার্টি, ইসলামী পার্টি, লেবার পার্টিসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    ড. হামিদুর রহমান আজাদ জানান, বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘ইতিহাসের সেরা নির্বাচন’ বলা হলেও পুরো বিষয়টি জনমনে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করেছে। জনগণের ভোটাধিকারের পূর্ণ প্রতিফলন নেই—এমন অভিযোগ বৈঠকে উঠে এসেছে।

    জোট সূত্রে বলা হয়, জুলাই সনদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের জন্য একদিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল; তখন প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে ভোট দেন। কিন্তু সংসদ অধিবেশন ডাকা হলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন এখনও আহ্বান করা হয়নি, যে কারণে জোটের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    ড. আজাদ আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদ নেতা বা প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে অধিবেশন ডাকার পরামর্শ দেবেন এবং রাষ্ট্রপতি তা আহ্বান করবেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ হয়নি।’ যদি সরকার দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে জনগণের প্রত্যাশা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বিরোধী দলগুলো রাজপথে নামবে—এটাই তাদের ঘোষণা।

    জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক ডাকার প্রস্তাব ২৮ মার্চের জন্য রাখা হয়েছে। ওই বৈঠকে আগামী আন্দোলনের রূপরেখা নির্ধারণ করা হতে পারে বলে তিনি জানান।

    এ সময় ড. হামিদুর রহমান আজাদ প্রশাসনে দলীয়করণের প্রবণতা ও ছয়টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টিকে জনমনে নতুন করে প্রশ্ন তোলার কারণ হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি এসব সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসন পরিচালনার দাবি জানান।

    সংসদে বিরোধীর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সংসদ ও রাজপথ—উভয়ক্ষেত্রেই বিরোধী দল তাদের দায়িত্ব পালন করবে। ‘জুলাই সনদ আংশিক নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন চাই। জনগণের রায়ে এটি আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে, তাই সরকারকে তা বাস্তবায়ন করতেই হবে,’ যোগ করেন তিনি।

  • আসিফকে লক্ষ্য করে মামলা দায়েরের চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত: নাহিদ ইসলাম

    আসিফকে লক্ষ্য করে মামলা দায়েরের চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে মামলা করবার চেষ্টা উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তিনি এই কাণ্ডকে জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও তরুণ নেতৃত্বকে লক্ষ করে করা সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত বলেও অভিহিত করেছেন।

    শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম জানান, অভিযুক্তদের পরিচয় এবং তাদের ‘অভ্যুত্থানকালীন ভূমিকা’কে উদ্দেশ্য করে মামলা দায়েরের পরিকল্পনা করা হয়। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে আদালত ওই মামলা গ্রহণ করেনি।

    নাহিদ বলেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী এই নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের অপচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়; এটি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্ন হামলা নয়, বরং জুলাই বিপ্লবের আদর্শ, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম এবং সেই সংগ্রামের তরুণ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে নেওয়া পরিকল্পিত রাজনীতি।

    তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এখন দেশের তরুণ প্রজন্মের মাঝে সাম্য, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা, গণতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্দোলনের নেতাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা প্রমাণ করে যে ৫ আগস্ট পরাজিত শক্তিগুলো এখনো ষড়যন্ত্র চালাতে সংকুচিত হয়নি।

    নাহিদ ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, মামলা-ভীতি বা আইনি হুমকির মধ্য দিয়ে এ নেতৃত্বকে দমন করা যাবে না; অতীতে এ রকম চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে। তিনি সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে এ ধরনের অপচেষ্টা বন্ধ করা যায় এবং পরাজিত অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    বিবৃতিতে নাহিদ আরও নিশ্চিত করেন যে, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে তারা সংকল্পবদ্ধ।

  • সোনার দাম কমলো তৃতীয় দিনেও — ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা

    সোনার দাম কমলো তৃতীয় দিনেও — ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা

    দেশের বাজারে সোনার দাম টানা তৃতীয় দিনও নামল। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের সবচেয়ে ভালো মানের সোনার প্রতি ভরি দাম ২ হাজার ৬৮৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। এই নতুন দাম শনিবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস বলেছে, স্থানীয় তেজাবী (পাকা) সোনার দাম কমায় স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    শুরুতে ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতিটি ভরি ২ হাজার ৬৮৫ টাকা কমে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা হয়েছে। ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমে এখন ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা। ১৮ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম ২ হাজার ১৫৭ টাকা কমে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দামও ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমে এখন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা হয়েছে।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৭৩২ টাকা করা হয়েছে।

    আগামীকালের আগে, অর্থাৎ শুক্রবারেও বাজুস সোনার দাম প্রতি ভরি ২ হাজার ১৫৮ টাকা এবং রুপার দাম প্রতি ভরি ৩৯২ টাকা কমিয়ে ঘোষণা করেছিল। ঐ সময় ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা এবং ২২ ক্যারেট রুপার দাম ছিল ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।

    এ বছর এখন까지 দেশের বাজারে সোনার দাম মোট ৪৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৭ বার কমানো হয়েছে। বাজারপ্রবণতা ও আভ্যন্তরীণ চাহিদা-যোগানের হিসেব মেনে বাজুস নিয়মিতভাবে দাম সমন্বয় করে থাকে।

  • খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা জারি

    খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা জারি

    বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ উদ্দেশ্যে একটি সার্কুলার প্রকাশ করেছে যা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতিকে গুরুত্ব দেয়।

    নতুন উদ্যোগটির লক্ষ্য বিচার ব্যবস্থায় মামলার চাপ কমানো এবং এমনসব বিরোধ আদালতে যাওয়ার আগেই সমাধানের সুযোগ তৈরি করা, যেগুলো অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এবং দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সার্কুলারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে যে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ সমাধান করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সময়সীমা নির্ধারণকে ব্যাংক খাতের তারল্য ও আর্থিক অবস্থা শক্তিশালী করার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে। বর্তমান অনাদায়ে ঋণের উচ্চ মাত্রা বিবেচনা করে এই এক শতাংশ লক্ষ্যকে জাতীয় ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের এক সফল সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    নীতিমালায় বিশেষ করে আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তিতে জোর দেয়া হয়েছে এবং এডিআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্যানেলভিত্তিক মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মধ্যস্থতাকারীদের প্যানেলে স্থান পেতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ অন্যান্য অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্তি করা যেতে পারে।

    মধ্যস্থতাকারী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সার্কুলারে ১০টি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতা সম্পর্কে জ্ঞান, প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, কোনো বৈধ অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকা, আর্থিক সততা, ঋণখেলাপি না থাকা এবং যথাযথ আর্থিক সক্ষমতা।

    মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যাংকগুলোকে কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে, এসব মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতন করতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে বলা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, দ্রুত এবং আদালতের বাইরে সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি আইনি ঝামেলা কাটিয়ে উঠা যায় এবং এটি ঋণ পুনরুদ্ধারে একটি কার্যকর বিকল্প গঠন করবে। নতুন নির্দেশনাটি ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্রাক-মামলা পর্যায়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে।

  • ইরানের দাবি: আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা

    ইরানের দাবি: আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত কয়েকটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ধাপে ধাপে হামলা চালানো হয়েছে।

    শনিবার ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরির বরাতে এই দাবি জানায়। তিনি জানিয়েছেন, আল-ধাফরা (সংযুক্ত আরব আমিরাত), আল-আদিরি (কুয়েত) এবং শেখ ঈসা (বাহরাইন) ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ‘পরপর কয়েক দফায়’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

    অ্যাডমিরাল তাংসিরি বলেন, আল-ধাফরা ঘাঁটিতে প্যাট্রিয়ট রাডার সিস্টেম, একটি নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার ও বিমান বিধ্বংসী স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানে এবং সেগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। পাশাপাশি শেখ ঈসা ঘাঁটিও বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে বিস্তৃত হামলায় সরঞ্জাম গুদাম ও হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং প্যাডও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন দাবি করা হয়েছে।

    তবে এই সব ঘটনার বিষয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এবং ক্ষয়ক্ষতির স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্যও জানানো হয়নি।

    পটভূমি হিসেবে জানিয়েছে, আগে খার্গ দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার পর আইআরজিসি ঘোষণা দিয়েছে যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা সকল গোপন মার্কিন আস্তানাকে তারা বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করবে। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকার হিসেবে যে সব মার্কিন শত্রু আশ্রয় নিয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎসস্থল, ব্যবহারকৃত বন্দর ও ডক এবং সৈন্যদের আস্তানাগুলোকে লক্ষ্য করা হবে।

    সূত্র: আলজাজিরা