Blog

  • জেট ফুয়েলের দাম একলাফে ৮২ টাকা বাড়ল, কার্যকারিতা স্থগিত

    জেট ফুয়েলের দাম একলাফে ৮২ টাকা বাড়ল, কার্যকারিতা স্থগিত

    মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দর বাড়ায় দেশের জেট ফুয়েলের মূল্যও রবিবার হঠাৎ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন (বিইআরসি) এক অনির্দেশিত বৈঠকে জেট ফুয়েলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ৭৩ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়।

    বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচলের জন্য জেট ফুয়েলের মূল্য লিটারপ্রতি ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে বেড়ে ১৯৪ টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে — লিটারপ্রতি বাড়তি ৮১ টাকা ৭৭ পয়সা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক রুটে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের মূল্যও প্রতিলিটার ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে ১.২৬৮৯ ডলার করা হয়েছে।

    তবে সিদ্ধান্তের কার্যকরীকরণ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। প্রথমে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল নতুন মূল্য বুধবার (১৮ মার্চ) রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। পরে কমিশনের সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, তা আজই কার্যকর হচ্ছে না; ২৫ মার্চ কমিশনের পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এরপর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিশনের সহকারী পরিচালক (ট্যারিফ-২) রাজু আহমেদ জানিয়েছেন, ১৮ মার্চের তারিখে ঘোষণা করা সমন্বয়কৃত জেট ফুয়েলের দাম প্রয়োগ স্থগিত করা হয়েছে।

    প্রতিষ্বৎরা বলছেন, জেট ফুয়েলের এই তীব্র মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি বিমানভাড়া বাড়ানোর চাপ তৈরি করবে। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ রুট ও মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইটে টিকিটের মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা বেশি, যা সাধারণ যাত্রীদের জন্য আর্থিক কষ্ট বাড়াতে পারে। এছাড়া এভাবে এভিয়েশন সেক্টরের অপারেটিং খরচ বেড়ে যাওয়ায় কার্গো-পরিবহন, লাইনের জ্বালানি ব্যয়ের প্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে।

    কমিশন ২৫ মার্চের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা না করা পর্যন্ত যাত্রী ও বিমান কোম্পানিগুলোকে অপেক্ষার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি ঠিকঠাক না হওয়া পর্যন্ত সরকারী ও বেসরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শিগগিরই আরও বিস্তারিত নির্দেশনা আশা করা হচ্ছে।

  • বগুড়ায় নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক আহত

    বগুড়ায় নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক আহত

    ঈদুল ফিতরের ছুটিতে বাড়ি ফেরার যাত্রীসমৃদ্ধ নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামের বাগবাড়ী এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। এই দুর্ঘটনায় শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন।

    ঘটনার সময় ট্রেনটিটি ঢাকা থেকে নীলফামারীগামী আন্তঃনগর সার্ভিস হিসেবে দ্রুতগতিতে যাচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ একটি বিকট শব্দ হলে কয়েকটি বগি লাইন থেকে ছিটকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, অনেকে চিৎকার শুরু করেন। দুর্ঘটনার সময় ছাদেও বিপুলসংখ্যক যাত্রী ছিলেন—এ কারণে আহত ও হতাহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার শুরুর ক্ষণে হতাহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেননি। আহতদের উদ্ধার করতে স্থানীয় লোকজন এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত এগিয়ে আসে। আহতদের আদমদীঘি ও নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে, যারা গুরুতর তাদের সঠিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে রেফার করা হবে।

    দুর্ঘটনার পর উত্তরবঙ্গ ও ঢাকার মধ্যে রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক ট্রেন আটকা পড়ে আছে এবং শত শত যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন।

    রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সান্তাহার ও ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। রেলকর্মী ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত লাইন পরিচ্ছন্ন করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন।

    প্রাথমিক তদন্তে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ উঠতে সময় লাগবে, পুলিশ ও রেল কর্মকর্তারা পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। রোববার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর মেধাবী একটি শ্রেণি এসেছিল, যারা জাসদ গঠন করেছিল। ‘‘বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে দেশ-জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদেরও অনেকেই চলে গেছেন,’’ বলে যোগ করেন মনিরুল হক। তিনি আল্লাহকে প্রার্থনা করে বলেন, যেন এমন সব ঘটনার দিকও নিজেরা হজম করার তৌফিক দেয়।

    মনিরুল হক চৌধুরী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, জামায়াতকে রাজনীতিতে এ পর্যায়ে আনার ক্ষেত্রে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি বলেছিলেন, তখন তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কাজ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘আপনারা যখন প্রশ্ন করেন, মনে হয় দেশে ১৫-২০ বছর বিএনপি ছিল না। কিন্তু দেশনেত্রীর সিদ্ধান্তে অনেক বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করা হয়েছিল। তাদের এ ভূমিকা ভুলে গেলে চলবে না।’’

    সাংসদ মনিরুল হক বিরোধী দল নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতিও জানান। বলেন, ‘‘কখনো কখনো সংসদে দাঁড়িয়ে ভাষা নির্বাচনে দ্বিধা হয়। আগের মত যারা বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলতাম, তাদের চিনতাম; আজকের বিরোধীদের সবাইকে আবার চিনি না।’’ তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, দলের অভিভাবক তারেক রহমান বলেছিলেন যে নির্বাচনের পরিবেশ কঠিন হবে—সেদিন অনেকে তা বুঝতে পারেনি, পরে তারা তা অনুভব করেছেন।

    আরও বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর কাদের দায় নিতে হবে—এ বিষয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত ছিল জামায়াতে ইসলামীকে। তবে এখন আমাদের সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে; মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয় ও মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত ঘটনাবলীর সততা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তিনি যোগ করেন, ‘‘যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বিচার করার নামে অন্যায় হয়েছে, তা আলাদা বিষয়।’’

    শেষে তিনি মহান সংসদে এই প্রশ্ন রেখে জামায়াতকে কিছু বলার পাশাপাশি স্বাধীনতার পরকার ও এনসিপির তরুণ নেতাদের প্রতি সম্মান ব্যক্ত করেন। বলেন, বয়স কম হলে কম—তবু সাহসী নেতারা এই যুগের চাহিদা মেটাচ্ছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।

  • কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনভিত্তিক নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নানা আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর কিছু মন্তব্য দ্রুত ভাইরাল হয় এবং তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পেয়ে যান।

    আজ সকালে প্রকাশ করা এক পোস্টে পাটওয়ারী লিখেছেন, তাঁর কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি আরও জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    পাটওয়ারী বলেন, ‘‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্যের مطابق কাজ করে যেতে চাই।’’

    তিনি আবারও ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনারা যে দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দিচ্ছেন, তা আমার পথচলার শক্তি।’’

    একই পোস্টে তিনি জানান, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে দুদক

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে দুদক

    দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে তিনি যেসব সময় শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন ২,৪৮৬ কোটি টাকার ব্যয়ে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেবল চারটি জাহাজ কেনা হয়। এ ঘটনায় প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক বৈষম্য ধরা পড়েছে বলে দুদকের মত।

    এছাড়া মোংলা বন্দর সংলগ্ন পাগুর (পশুর) চ্যানেল সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পে ১,৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ সংক্রান্ত বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

    দুদকের অনুসন্ধানী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কমিগুলো এই নথি যাচাই, প্রকল্প বাস্তবায়নের খাতগুলো তদন্ত এবং নিয়োগ-প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করবে। অনুসন্ধান চালিয়ে প্রয়োজনে দণ্ডবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দুদক সূত্রে জানানো হয়েছে।

  • ক্রেডিট কার্ডে নতুন গাইডলাইন: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, অনিরাপদ ঋণ ২০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ডে নতুন গাইডলাইন: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, অনিরাপদ ঋণ ২০ লাখ

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনা আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করার লক্ষ্যে নতুন পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার ব্যাংকটির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

    বলা হয়েছে, দৈনন্দিন খরচ ও মূল্য পরিশোধে নগদ বহন না করে ক্রেডিট কার্ডের ওপর নির্ভরতা বাড়ায় খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমিয়ে নতুন বৈশিষ্ট্য এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সেই প্রয়োজন মেটাতে পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করে এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে।

    নতুন নীতিমালায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অনুশীলন জোরদার, গ্রাহক অধিকার সুরক্ষা করা এবং দায়িত্বশীল ঋণ প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নগদবিহীন আর্থিক লেনদেনকে স্বচ্ছভাবে পরিচালিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহক যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্তে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা থেকে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ (অন-সিকিউর্ড) ঋণের সীমাও ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ডভিত্তিক লেনদেন পরিশোধে উদ্ভব হওয়া জটিলতা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি পর্যালোচনা করে গাইডলাইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এসব পরিবর্তন গ্রাহক নিরাপত্তা বাড়াবে, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করবে ও ক্রেডিট কার্ড সেবা আরও বিশ্বাসযোগ্য ও কার্যকর করবে।

  • ড্রোন প্রশিক্ষণের অভিযোগে ভারতে গ্রেপ্তার ১ মার্কিনি ও ৬ ইউক্রেনীয়

    ড্রোন প্রশিক্ষণের অভিযোগে ভারতে গ্রেপ্তার ১ মার্কিনি ও ৬ ইউক্রেনীয়

    ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ড্রোন ও অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে এক মার্কিন নাগরিক ও ছয় ইউক্রেনীয়কে গ্রেপ্তার করেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। এই ঘটনার তথ্য তদন্তকারীদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর নজর কাড়ছে।

    গ্রেপ্তারকৃত মার্কিন নাগরিক ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইককে কলকাতা থেকে ধাওয়া করে আটক করা হয়। অন্যদিকে ছয় জন ইউক্রেনীয় নাগরিকের মধ্যে তিনজনকে লখনৌ থেকে এবং তিনজনকে দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এনআইএ তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে হাজির করে।

    মিডিয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্যানডাইকের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা প্রশিক্ষণ প্রদানের, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভ্যানডাইক নিজেকে নিরাপত্তা বিশ্লেষক, যুদ্ধ সংবাদদাতা ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি ২০১১ সালের লিবিয়ার গৃহযুদ্ধে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি পান এবং পরে ‘সনস অব লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল’ (এসওএলআই) নামে একটি সংগঠনও গঠন করেন। এই সংগঠনটি ঘিরে আন্তর্জাতিক সঙ্ঘাতে স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সামরিক প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত পরামর্শ দেয়ার সর্বস্বতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    এনআইএ তদন্তের অংশ হিসেবে যে কয়েকটি ধারনা উঠে আসছে তার মধ্যে রয়েছে—কিছু ইউক্রেনীয় পর্যটক ভিসায় ভিন্নভিন্ন সময়ে ভারতে প্রবেশ করেছে, তারা প্রথমে গুয়াহাটিতে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি ছাড়াই মিজোরামে পৌঁছেছে এবং তারপর অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমারে ঢুকেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের উদ্দেশ্য ছিল মিয়ানমারের জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ড্রোন যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়া, যা পূর্বেই পরিকল্পিত ছিল।

    তদন্তকারীরা বলছেন, ইউরোপ থেকে ড্রোনের একটি বড় চালান ভারত হয়ে মিয়ানমারে পাঠানো হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং তা ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহারেই যাবে। এছাড়া মিয়ানমারে সক্রিয় কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ভারতের নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর যোগাযোগ রয়েছে—এদের মাধ্যমে অস্ত্র, সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদি এসব প্রমাণিত হয়, তবে তা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে।

    এনআইএকে গ্রেপ্তারের পর ১৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করলেও আদালত ১১ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের যাতায়াতের রুট শনাক্ত, ষড়যন্ত্রের প্রমাণ সংগ্রহ এবং অন্যান্য সহযোগীদের খোঁজ করা হবে। সূত্র জানিয়েছে আগামী ২৭ মার্চ তাদের আবার আদালতে তোলা হবে।

    গ্রেপ্তারের সময় জব্দ করা মোবাইল ফোন ও অন্যান্য জিনিসপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যোগাযোগের নেটওয়ার্ক, অর্থের লেনদেন এবং ড্রোন আনা-পরিবহনের ধরন খতিয়ে দেখছেন। তারা একই সঙ্গে খোঁজ করছেন—ভারতের ভেতরে এই নেটওয়ার্কের কোনো স্থানীয় সংযোগ আছে কি না এবং ভূখণ্ড ব্যবহার করে কিভাবে ড্রোন পাঠানো হচ্ছিল।

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন যে বিদেশি স্পেশাল ফোর্স সদস্য ও ভাড়াটে যোদ্ধারা মিজোরাম হয়ে মিয়ানমারে প্রবেশ করে স্থানীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। বর্তমান গ্রেপ্তার ও তদন্ত সেই সতর্কবার্তাকে ফেরোত দিয়েছে এবং এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে নতুন প্রশ্ন খুলে দিয়েছে।

    এনআইএ ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তদন্তে তৎপর রয়েছেন। তারা বলছে—যতই তদন্ত এগোবে, ততই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে এবং প্রয়োজন পড়লে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও পাচার রুট নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • সৌদিতে চাঁদ দেখা যায়নি; ঈদ উদযাপন শুক্রবার, ২০ মার্চ

    সৌদিতে চাঁদ দেখা যায়নি; ঈদ উদযাপন শুক্রবার, ২০ মার্চ

    ইসলামের পবিত্র ভূমি সৌদি আরবে ১৪৪৭ হিজরির শাওয়াল মাসের চাঁদ আজ দেখা যায়নি। দুই মসজিদভিত্তিক ওয়েবসাইট ইনসাইড দ্য হারামাইন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ফলে দেশটিতে রমজান মাস পূর্ণ ৩০ দিন ধরে সম্পন্ন হচ্ছে এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে আগামী শুক্রবার, ২০ মার্চ।

    দেশটির চাঁদ দেখা কমিটি সন্ধ্যায় বৈঠক করে এবং দেশের কোনও প্রান্তেই নতুন চাঁদ দেখা যায়নি বলে ঘোষণা করে। ইসলামি ঐতিহ্য অনুসারে চাঁদ দেখা না গেলে মাস পূর্ণ ধরা হয়—এবারও সেই নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরপরই সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইংরেজি দৈনিক গালফ নিউজ বিষয়টি প্রতিবেদন করেছে।

    এর আগে, চলতি মাসের শুরুতে সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের কর্মীদের জন্য ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছিল। সৌদি শ্রম আইনের ওপর ভিত্তি করে ওই ছুটি বুধবার (১৮ মার্চ) রাত থেকে শুরু হয়ে চার দিন চলবে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ আল রুজাইকি জানান, ছুটির বিষয়ে নিয়োগকর্তা ও কর্মীদের মধ্যে আগেভাগেই বোঝাপড়া করা হয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কাজের সময়সূচি সামঞ্জস্য করে জরুরি সেবা বজায় রেখে কর্মীরা ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।

    সূত্র: গালফ নিউজ।

  • কালীগঞ্জে অবৈধ মাটি উত্তোলনে একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা; সড়ক আইন ভাঙায় আরও চারজনকে জরিমানা

    কালীগঞ্জে অবৈধ মাটি উত্তোলনে একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা; সড়ক আইন ভাঙায় আরও চারজনকে জরিমানা

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও বিক্রির ঘটনায় এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সুন্দরপুর—দুর্গাপুর ইউনিয়নের সুন্দরপুর (পশ্চিমপাড়া) গ্রামে অভিযান চালিয়ে বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী এ জরিমানা করা হয়।

    অভিযানের একইদিনে কালীগঞ্জ পৌরসভার ঈশ্বরবা এলাকায় সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা ও হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোর অপরাধে চারজনকে আলাদাভাবে শাস্তি দেওয়া হয়; তাদের উপর মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    অভিযানটি পরিচালনা করেছেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা নাহিদ। তিনি বলেছেন, অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন পরিবেশ ও স্থানীয় অবকাঠামোর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর; এতে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তলদেশ অনাবাদি হতে পারে এবং উত্তরাধিকারী মধ্যমেয়াদে বন্যা ও মাটিভাঙার ঝুঁকি বাড়ে। তাই প্রশাসন এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

    রেজওয়ানা নাহিদ আরও বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে অভিযান চালানো হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স রাখা এবং হেলমেট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক; চালক-যাত্রীদের উচিত এই নিয়ম মেনে চলা, যাতে দুর্ঘটনা রোধ করা যায়। তিনি জনসাধারণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • সাতক্ষীরায় তরুণ চিকিৎসক সঞ্জীব দত্তের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

    সাতক্ষীরায় তরুণ চিকিৎসক সঞ্জীব দত্তের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

    সাতক্ষীরার নারিকেলতলা এলাকার কাঠিয়া কর্মকার পাড়ায় গলায় রশি দিয়ে এক তরুণ চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন। নিহত চিকিৎসকের নাম ডাঃ সঞ্জীব দত্ত (২৭)। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষ করে পরবর্তীতে এফসিপিএস করার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন।

    পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা যায়, সঞ্জীব সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে লন্ডন থেকে বাড়ি ফেরেন। বুধবার (১৮ মার্চ) ভোর রাত আনুমানিক তিনটার দিকে তিনি নিজের শোবার ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ঘটনা ঘটে কাঠিয়া কর্মকার পাড়ার পৈত্রিক বাড়িতে।

    কাঠিয়া কর্মকারপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির সমিতির সভাপতি গৌর দত্ত জানান, সঞ্জীব দীর্ঘদিন ধরেই পড়ালেখার চাপ ও নানা কারণে মানসিকভাবে হতাশা অনুভব করছিলেন। তিনি বলেন, পরিবারে অনেক চাপের মুখে সঞ্জীব চিকিৎসা পেশায় এসেছিল; নিজে ডাক্তার হতে চাওয়ার বিষয়টি শোনা যায়নি। বিদেশফেরত হওয়ার পর থেকেই তার মনোবস্থা খারাপ ছিল।

    সঞ্জীবের সহপাঠী ও বন্ধু অমিত জানান, সঞ্জীব সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের এসএসসি ব্যাচের একজন মেধাবী ওভদ্যমী ছাত্রী ছিলেন। বন্ধুদের স্মৃতিতে তিনি সদালাপী ও ভদ্র চরিত্রের ছিলেন। অকালপ্রয়াণে সবাই ক্ষতবিক্ষত ও শোকাহত।

    ডাঃ সঞ্জীবের পরিবার বলেছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি ঘরে গিয়েছেন। বুধবার সকালে মা কাঞ্চন দত্ত দূর্লভ সাড়া না পেয়ে ঘরের দরজায় তাকালে ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত জানিয়ে পুলিশকে অবহিত করেন।

    সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মুহাঃ মাসুদুর রহমান ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাহের জন্য দেয়া হয়েছে। ঘটনার আরো বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় মানুষদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জেলা সমাজে এক মেধাবী তরুণ চিকিৎসকের এমন অকালমৃত্যু ব্যাপকভাবে দুঃখ সৃষ্টি করেছে।