Blog

  • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, সম্প্রতি স্বর্ণের দাম মোট ২ হাজার ৫০৭ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকাতে। এই দাম পরিবর্তন সোমবার (১০ নভেম্বর) রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যা আগামী মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বেড়েছে, ফলে সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ১১.৬৬৪ গ্রাম বা একটি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকাতে। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ၃৮ হাজার ৯৪২ টাকায়। এর আগে, অর্থাৎ ১ নভেম্বর, বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৬৮০ টাকা করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছিল, যা ছিল ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা।

  • এক লাফে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধি

    এক লাফে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধি

    এক দিনের ব্যবধানে দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্যবৃদ্ধির খবর এল। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ৪ হাজার ১৮৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে এখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দামের ঘোষণা দিয়েছে। সংস্থাটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং দেশের বাজারের অস্থিরতা বিবেচনা করে আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সব ক্যারেটের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেট শালীন স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ধার্য করা হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য হলো ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্যে ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকা। বাজুস এও জানিয়েছে, রুপার দামেরও সামঞ্জস্য করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে প্রতি গ্রাম ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২২৩ টাকা প্রতি গ্রামে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই দামই কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। গহনার ডিজাইন, মান ও ধরনে অনুযায়ী মজুরিতে ভিন্নতা থাকতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সাবেক ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন জনস্বার্থে ব্যবহারের জন্য সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই গাড়িগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছিল, তবে এই বিষয়টি এখন শুল্ক ও কর পরিশোধের বিলম্বের কারণে নিলামে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি।

    আজ, বুধবার (১২ নভেম্বর), এক বিশেষ আদেশে এনবিআর উল্লেখ করে, এই গাড়িগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে না এবং আমদানিকারকরা স্বাভাবিকহারে শুল্ক-কর পরিশোধ করে গাড়িগুলো খালাস করতে পারবেন। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নির্দেশনা অনুযায়ী, পণ্য খালাসের জন্য শুল্কায়ন এবং কর পরিশোধের নিয়মাবলী যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

    শুল্কেই আমদানি করা এই ৩১ গাড়ির মোট শুল্ক এবং করের পরিমাণ ধরা হয়েছে প্রায় ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। এর মধ্যে একক গাড়ির সর্বোচ্চ শুল্কের পরিমাণ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

    শুল্ক-কর সম্পন্ন হওয়ার পরও, গাড়িগুলোর মূল্যায়ন ও নিলামে অংশগ্রহণকারী কেউ বিড না করায় বিক্রি সম্ভব হয়নি। ফলে, আপাতত এই গাড়িগুলো নিলামে বিক্রি না করে আশু প্রয়োজনে সরকারের কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, অতি মূল্যবান এই গাড়িগুলোর ব্যবহারের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে হস্তান্তর করার জন্য এই বিশেষ আদেশ জারি করা হয়েছে।

    অতঃপর, ভবিষ্যতে যদি আমদানিকারকগণ যথাযথ শুল্ক ও কর পরিশোধ করে গ্লাসগুলো আইনানুগভাবে খালাস করেন, তবে চট্টগ্রাম কাস্টমস শুল্কায়ন ও মূল্য নির্ধারণের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাতে অনুমতি দেবে। এরপর, শুল্ক ও করের সম্পূর্ণ পরিশোধের পর গাড়িগুলো সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে ফেরত দেওয়া হবে।

  • সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা

    দেশের বাজারে বেশ কিছু দিন ধরে ধারাবাহিক বৃদ্ধি শেষে হঠাৎ করে সোনার দামে পতন দেখা গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন থেকে ভরিতে ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা কমে দাঁড়াল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এর আগে, গত ১৩ নভেম্বর এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা।

    বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, এই দাম আগামীকাল রোববার থেকে কার্যকর হবে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমার ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য দাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

    নতুন এই দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম হবে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। অন্য ক্যারেটের সোনার দামগুলো হলো, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরির দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    উল্লেখ্য, গত ১৩ নভেম্বরের দাম অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। অন্য ক্যারেটের দামগুলো ছিল, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৪ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি দাম ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরির ৬ শতাংশ যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে এই মজুরি কিছুটা পার্থক্য হতে পারে।

    অপরদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হয় ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • বাংলাদেশের মোট ঋণ لأولবারের মতো ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাল

    বাংলাদেশের মোট ঋণ لأولবারের মতো ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাল

    দীর্ঘ সময় ধরে দেশের রাজস্ব আয়ে দুর্বলতা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনার কারণে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ২১ ট্রিলিয়ন টাকা বা ২১ লাখ কোটি টাকায় ছুঁয়েছে। বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ঋণ বুলেটিনে জানানো হয়, জুনের শেষের দিকে এই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকায়, যা এক বছর আগে ছিল ১৮ দশমিক ৮৯ ট্রিলিয়ন টাকায়, অর্থাৎ প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ঋণের মধ্যে বৈদেশিক ঋণের অবদান ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত পাঁচ বছর ধরে বৈদেশিক ঋণ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ ঋণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা গত অর্থবছরে ছিল ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা, এবং এখন প্রায় ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা। পরিসংখ্যানগুলো দেখাচ্ছে, বৈদেশিক ঋণ অভ্যন্তরীণ ঋণের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ঋবে বৃদ্ধি হওয়ার পেছনে কারণ হলো, কোভিড-১৯ মহামারির পরে উন্নয়ন সহযোগী দেশ থেকে প্রাপ্ত বাজেট সহায়তা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল, মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ব্যাপক ব্যয়। এই সব প্রকল্পগুলো দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে।

  • জামায়াতের ক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা থাকবে: রফিকুল ইসলাম

    জামায়াতের ক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা থাকবে: রফিকুল ইসলাম

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী महासেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, যদি জামায়াত ক্ষমতায় আসে, তবে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই বিষয়ে দেশে এবং মুসলিম বিশ্বে কোন দ্বিমত নেই। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

    রফিকুল ইসলাম খান জানান, এই সমাবেশে বাংলাদেশের মুসলমানদের পাশাপাশি গোটা মুসলিম বিশ্ব থেকে প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার বিষয়ে সবাই এক মত। তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বহু হাদিসে ঘোষণা করেছেন, তিনি শেষ নবী, ভবিষ্যতে আর কোনো নবী আসবেন না। এই বিশ্বাস ইসলামি উম্মাহর সর্বস্তরে স্বীকৃত। বাংলাদেশের জনগণ যদি আমাদের ভোটে নির্বাচিত হয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ, কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে।

    এখানে সৌদি আরব, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের আলেম-উলামারা উপস্থিত ছিলেন। এই প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, জামায়াতের সহকারী মহাসচিব মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেকসহ দেশের শীর্ষ আলেম ও রাজনীতিবিদরা।

    বিদেশ থেকে আসা অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন— জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পাকিস্তানের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতের সভাপতি মাওলানা সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানি, পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া মহাসচিব মাওলানা হানিফ জালন্দরি, ইন্টারন্যাশনাল খতমে নবুওয়ত মুভমেন্টের ওয়ার্ল্ড নায়েবে আমির শায়খ আব্দুর রউফ মক্কি, পাকিস্তানের ইউসুফ বিন্নুরী টাউন মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম ড. আহমাদ ইউসুফ বিন্নুরী, পাকিস্তানের মাওলানা ইলিয়াছ গুম্মান, মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শায়খ মুসআব নাবীল ইবরাহিম।

    মহাসম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত খতমে নবুয়ত পরিষদের আহ্বায়ক ও খতমে নবুয়ত সংরক্ষণ কমিটির বাংলাদেশের আমির মধুপুরের পীর মাওলানা আবদুল হামিদ।

  • জনপ্রিয় নয় জামায়াত, দেশের মানুষ সহজে ভোট দেবে না: মির্জা ফখরুল

    জনপ্রিয় নয় জামায়াত, দেশের মানুষ সহজে ভোট দেবে না: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভাষ্য জনিয়েছেন, দেশের সাধারণ মানুষ ধর্মপ্রিয়। তারা ধর্মকে ভালোবাসে এবং আল্লাহর নবীকে বিশ্বাস করে। তবে, তারা ধর্মান্ধ বা সাম্প্রদায়িক নয়। তিনি গত নির্বাচনের প্রতি নজর দিয়ে বলেন, জামায়াতে ইসলামীর ভোটের হার কেবল পাঁচ থেকে ছয় শতাংশ ছিল। রাতারাতি ৫১ শতাংশ হয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তাই বাংলাদেশের মানুষ সহজে আপনাদের ভোট দেবে না বলে তিনি মনে করেন। জনগণের বিশ্বাস আপনি হারিয়েছেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে এক গণসমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, পাকিস্তান আন্দোলন মূলত মুসলমানরা করেছিলেন। এটি ছিল মুসলমান ভাইদের স্বার্থ রক্ষার জন্য, কারণ অধিকাংশ মানুষ মুসলিম। কিন্তু,আপনার নেতা মওদুদী এই আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা শুধু বিরোধিতা করেননি, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে গণহত্যাও চালিয়েছেন। তিনি বললেন, তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা, দেশ স্বাধীন করতে যুদ্ধ করেছেন। আজ এই বিষয়ে অবৈধ প্রচার চালিয়ে আমাদের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা তিনি মানতেই নারাজ।

    তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যে আসন্ন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন, সেটি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে। এই নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠানে হবে। এই ভোটের দেরি হলে বাংলাদেশ দুর্বল হয়ে যাবে। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো সরকার সফলতায় শাসন চালাতে পারে না।

    বিএনপি মহাসচিব জামায়াতের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আপনাদের এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে। নির্বাচন অংশগ্রহণের প্রস্তুতি অনেক আগে থেকে শুরু হয়েছে। কেন মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে? সব পোস্টার, বিলবোর্ড দেখছি—অন্য দলের তুলনায় এইগুলো বেশি। তাহলে, কেন মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে? আপনি জানেন, আপনি নির্বাচন করবেন। না করলে আপনার অস্তিত্ব থাকবে না। তখনই বুঝবেন, নির্বাচন এলে আপনি পরাজিত হবেন, তাই নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা করছেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, পানির ন্যায্য হিস্য পাই না তা পর্যন্ত বিএনপির আন্দোলন চালানো হবে। তারা ক্ষমতায় গেলে গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণ করে কৃষকদের ফসল রক্ষা, শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট নিরসন ও নদীগুলো রক্ষা করবে।

    অবশেষে, তিনি বলেন, ভারত চুপি চুপি ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করেছে। এর ফলে পদ্মাসহ অন্যান্য নদীর পানি ব্যবহারে সমস্যা হচ্ছে, এবং হাজারো মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারা ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে।

  • অস্ট্রেলিয়ার এমপিদের গণতন্ত্রের পক্ষের অবস্থানে তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা

    অস্ট্রেলিয়ার এমপিদের গণতন্ত্রের পক্ষের অবস্থানে তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা

    বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে অস্ট্রেলিয়��� এমপিদের স্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার রাতে নিজ ফেসবুক পেজে তিনি এই অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

  • শেখ হাসিনার রায়কে ঘিরে নৈরাজ্য ছড়ানোর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা বিএনপির

    শেখ হাসিনার রায়কে ঘিরে নৈরাজ্য ছড়ানোর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা বিএনপির

    শেখ হাসিনার রায় নিয়ে দেশে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী এই রায়কে কেন্দ্র করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করছে। তিনি রোববার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে গেছে। সময়টা একটি জটিল সংকটে চলে গেছে। একদল বা গোষ্ঠী দেশের রাজনীতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাচ্ছে, যা দেশের সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগের বিষয়। তিনি আরো যোগ করেন, এত হতাশা ও বিভ্রান্তির মধ্যেও ফেব্রুয়ারি মাসে সম্ভাব্য নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এই পরিস্থিতিতে আর দেরি না করে, সবাই মিলে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।

    বিএনপি মহাসচিব দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা এখন ভালো নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলতে গেলে কিছুই দেখা যায় না। দেশের একটি নাগরিক সমাজের স্বার্থে নির্বাচিত সরকার জরুরি। তিনি দাবি করেন, এখনো যদি একটি পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনপ্রক্রিয়া গঠন না হয়, তাহলে দেশের সংকট আরও বেড়ে যাবে। অতএব, অবিলম্বে একটি কার্যকর সরকার গঠন করে দেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হবে।

    মির্জা ফখরুল আসন্ন সোমবারের কার্যক্রম স্মরণ করে বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আগামীকাল রায় ঘোষণা হবে। এর ফলে সারা দেশে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল এই পরিস্থিতিকে সরকারি অস্থিরতা বা নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে ব্যবহার করছে। সেই এজেন্ডাকেই রুখে দিতে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    অতীতে মওলানা ভাসানীর অবদান ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, মওলানা ভাসানী একজন নেতা হিসেবে স্বপ্ন দেখতেন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের, তবে তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই তিনি চলে যান। তিনি আরো বলেন, বিএনপির দায়িত্ব রয়েছে ভাসানীর আদর্শকে ধারণ করে দেশের উন্নয়নে কাজ করা। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে তিনি দোয়া করেছিলেন, আর মশিউর রহমান যাদু মিয়াকে তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।

    উল্লেখ্য, সদ্য ঘটে যাওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামী সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এর অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন। ঢাকায় বড় বড় স্ক্রিনে রায় ঘোষণা প্রচার করবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি, এই রায় ট্রাইব্যুনালের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেও দেখা যাবে। এমন উদ্যোগে দেশের মানুষ এই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিশ্চিতভাবে জানতে পারবেন।

  • রাজপথের আন্দোলন চলবে, পর্যন্ত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার

    রাজপথের আন্দোলন চলবে, পর্যন্ত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড গড়ে উঠবে না, ততক্ষণ রাজপথে আন্দোলন চলমান থাকবে। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের তিন উপদেষ্টা নির্বাচন এবং গণভোট প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা পালন করছেন, যার ফলে সব দলই মনে করছে যে, আদর্শ ও বৈষম্যমুক্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এই কারণেই তারা ঘোষণা দিয়েছেন—লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

    মিটিংয়ে তিনি বলেন, সব কিছু প্রকাশ্যে বলা যায় না, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট তিন উপদেষ্টার নামও প্রকাশ করবেন, কারণ তাঁদের বিরুদ্ধে তথ্য ও প্রমাণ রয়েছে। রোববার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    গোলাম পরওয়ার সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সরকারের এখনই সতর্ক হওয়া উচিত, অন্যথায় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের অনেক দপ্তর এখনও দলীয় পক্ষপাতদুষ্ট। পাশাপাশি, তিন উপদেষ্টা যে প্রভাব বজায় রেখেছেন, তার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

    তিনি আরও বলেন, এই অবস্থায় জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে সন্দেহ—নির্বাচন কতটা ফরএবিডল ও সুষ্ঠু হবে। এর জন্য দায়ী সরকারই। তিনি স্পষ্ট করেছেন, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায় বলেই তারা মাঠে আছেন। তবে, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকলে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, তাদের মূল তিনটি দাবির মধ্যে এখনও গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় অপূর্ণ থেকে গেছে: একটি হলো, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড গড়ে তোলা, আর অন্য দুটি হলো, ফ্যাসিবাদের দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা আর প্রশাসনে দলীয় পক্ষপাতদুষ্ট চিত্র বন্ধ করা। এই সব বিষয়ে আট দলীয় জোটের স্টিয়ারিং কমিটি পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করবে এবং ঘোষণা দেবে।

    নেতারা মনে করেন, এই আন্দোলন নির্বাচন বাতিল বা ক্ষুণ্ন করতে না এসে বরং স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ সুপ্রশ্য ও পরিষ্কার করবে। পাশাপাশি, তারা নির্বাচনের বিষয়েও অভিযোগের মধ্যেই গণভোটের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। এমনকি, সংবাদ সম্মেলনে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও মৌলিক সংস্কারের পক্ষে তাঁরা ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়েছেন।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, কমিশনের মূল সংস্কারগুলোর জন্য আমাদের দৃঢ় প্রত্যয় রয়েছে। এগুলো ভোটারদের কাছে সহজ ভাষায় তুলে ধরতে হবে। তিনি দাবি করেন, প্রচারপত্র, জাতীয় মিডিয়া ও ওপেন কনিমিউনিকেশনের মাধ্যমে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট করে বলতে হবে—এসব সংস্কার কেন জরুরি। অন্যথায়, জনগণের বড় অংশ বিষয়টি বুঝতে পারবে না।