Blog

  • কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদজামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন

    কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদজামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন

    খুলনা: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন।

    নার-পরিদর্শনে তিনি মাঠের সার্বিক প্রস্তুতি, সিটিং ব্যবস্থা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শন শেষে কেসিসি প্রশাসক জানান, সার্কিট হাউজ মাঠটি ঐতিহ্যবাহী একটি ময়দান যেখানে প্রতিবারই হাজার হাজার নগরবাসী ঈদের নামাজ আদায় করেন। মুসুল্লাদের যাতে সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করতে অসুবিধা না হয় সেটাই বড় লক্ষ্য। তিনি জানান, মাঠের প্রস্তুতির কাজ আজ সন্ধ্যার মধ্যে প্রায় শেষ হবে এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রশাসক আশা করেন, নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপত্তামতো অংশগ্রহণ করে পবিত্র ঈদ উৎসব উদযাপন করবেন।

    পরিদর্শনকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, কেএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, কেসিসি প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, জেলা প্রশাসন, কেসিসি ও কেএমপির অন্যান্য কর্মকর্তা এবং সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ঈদ জামাতের সময়সূচি ও স্থান:

    – খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় এবং তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

    – আবহাওয়া প্রতিকূল হলে খুলনা টাউন জামে মসজিদে সকাল ৮টায় প্রথম জামাত, সকাল ৯টায় দ্বিতীয় এবং সকাল ১০টায় তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    – খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদ ও বয়রা মডেল মসজিদে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    – খালিশপুর ঈদগাহ ময়দান এবং বসুপাড়া ইসলামাবাদ ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    – বায়তুন নূর জামে মসজিদে দুইটি জামাত; সকাল ৮টার প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন খতিব হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান উল্লাহ এবং সকাল ৯টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন।

    – খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়; এবারে এতে মহিলাদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    – খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    কেসিসি প্রশাসক ও সংশ্লিষ্টরা সকল ধর্মপ্রাণ মুসল্লিকে সর্তক ও শান্তিপূর্ণভাবে জামাতে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান এবং অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের কথা নিশ্চিত করেন।

  • দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাসু হত্যায় একজন গ্রেফতার

    দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাসু হত্যায় একজন গ্রেফতার

    দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশিকুল আনাম ‘রাসু’ হত্যা মামলায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার সন্ধ্যায় দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন থেকে ইসমাঈল হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তাকে ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ তৈমুর ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আমরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসছিলাম। তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় গোপন সূত্রও ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় সেনহাটি ইউনিয়ন থেকে ইসমাঈলকে আটক করা হয় এবং কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন, তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই সবকিছু প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

    আটকের পরে হত্যাকাণ্ডের সময় উপস্থিত থাকার সন্দেহ থাকা কয়েক ব্যক্তিকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয় এবং তারা অভিযুক্তকে শনাক্ত করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইসমাঈলকে দৌলতপুর থানা হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও মারামারিসহ ছয়টি মামলা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

  • জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার, সহকারী নির্বাচক নাঈম

    জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার, সহকারী নির্বাচক নাঈম

    বিসিবি জাতীয় দলের নতুন নির্বাচক প্যানেলে প্রধান নির্বাচক হিসেবে হাবিবুল বাশারকে এবং সহকারী নির্বাচক হিসেবে নাঈম ইসলামকে চূড়ান্ত করেছে। গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর মেয়াদ চলতি মাসেই শেষ হওয়া সত্ত্বেও নতুন নির্বাচক ঘোষণা করে বিসিবি। লিপু পাকিস্তান সিরিজ জয়ের পর খেলোয়াড়দের কাছ থেকেও বিদায় নিয়েছিলেন।

    নির্বাচক নিয়োগের আগেই বিসিবি একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। জাতীয় দলের নির্বাচক পদে আবেদন গ্রহণ বন্ধ করা হয়েছিল ৮ মার্চ; মোট ১৬ জন প্রাক্তন ক্রিকেটার এ পদের জন্য আবেদন করেছিলেন। আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে তাদের মধ্যে থেকে নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে।

    সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার, যিনি আগে সহকারী নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছেন, প্রধান নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ পেলেন। সহকারী নির্বাচক পদের ক্ষেত্রে তুষার ইমরান ও নাঈম ইসলাম ছিলেন প্রধান দুই প্রত্যাশী; সূত্রের খবর অনুযায়ী বিসিবি শেষ পর্যন্ত নাঈমকে চূড়ান্ত করেছে। তবে বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি বোর্ড।

    নির্বাচক প্যানেল বাছাইয়ে বিসিবির চার পরিচালক জড়িত ছিলেন—ফারুক আহমেদ, খালেদ মাসুদ পাইলট, নাজমুল আবেদিন ফাহিম ও আব্দুর রাজ্জাক। পারিশ্রমিক সংক্রান্ত খবর অনুযায়ী প্রধান নির্বাচকের মাসিক বেতন রাখা হয়েছে ৪ লাখ টাকা, আর সহকারী নির্বাচকের বেতন হতে পারে ৩ লাখ টাকা। একই বেতন আগেই সহকারী নির্বাচকের দায়িত্বে থাকা হাসিবুল ইসলাম শান্তের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে।

    আধিকারিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে ক্রিকেট ভক্ত ও সংশ্লিষ্টরা; টেকনیکی দল ও নির্বাচক প্যানেলের চূড়ান্ত গঠন সামনে রেখে ভবিষ্যৎ দল নির্বাচন এবং প্রস্তুতি কাজগুলোকে গতি দেওয়ার লক্ষ্য রাখছে বিসিবি।

  • মুস্তাফিজ, শরিফুলসহ পাঁচ বাংলাদেশিকে পেল পিএসএলে খেলার এনওসি

    মুস্তাফিজ, শরিফুলসহ পাঁচ বাংলাদেশিকে পেল পিএসএলে খেলার এনওসি

    পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলতে এবার এনওসি পেয়েছেন বাংলাদেশের পাঁচ ক্রিকেটার। বিসিবি তাদের সবাইকে আগামী ১২ এপ্রিল পর্যন্ত ওই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের অনাপত্তি দিয়েছে।

    আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পিএসএলে বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে সরাসরি দলে ভিড়িয়েছিল লাহোর কালান্দার্স। নিলামে রিশাদ হোসেন, নাহিদ রানা ও পারভেজ হোসেন ইমনকে ডাক পড়ে অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে। সম্প্রতি পঞ্চম বাংলাদেশি হিসেবে শরিফুল ইসলামও প্রথমবারের মতো পিএসএলে সুযোগ পেয়েছেন।

    বিসিবির একটি বিশ্বস্ত সূত্র ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছে, পাঁচজনকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এনওসি দেওয়া হয়েছে। তবে দেশের হয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে এপ্রিলের শুরুর দিকের সিরিজ বিবেচনায় রেখে তাদের ছাড়পত্র কেবল ১২ এপ্রিল পর্যন্ত মঞ্জুর করা হয়েছে। ফলে সবাইকে পাকিস্তান থেকে তার পূর্বনির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরতে হবে।

    বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিমও এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, যেখানে প্রয়োজন সেখানে জাতীয় দলকে অগ্রাধিকারই দেওয়া হবে — বিশেষ করে ওয়ানডে সিরিজে কোনো আপস হবে না। তবে যদি বিবেচনা করা হয় যে খেলোয়াড়টি সেখানে খেললে তার টি-টোয়েন্টি দক্ষতা বাড়বে এবং একই সময়ে তার বিকল্প আমাদের কাছে থাকলে ছাড় দেওয়া হবে।

    শুরুর দিনেই মাঠে দেখা মিলতে পারে দুই বাংলাদেশিকে। ২৬ মার্চের উদ্বোধনী ম্যাচে লাহোর কালান্দার্স নিজেদের প্রতিরক্ষায় নামাবে, যেখানে মুস্তাফিজ ও পারভেজ ইমন একই দলে থাকতে পারেন। অন্যদিকে ২৮ মার্চের ম্যাচে রিশাদ, নাহিদ ও শরিফুল খেলতে নামতে পারেন। ওই দিন নাহিদ ও শরিফুল পেশোয়ার জালমির জার্সিতে থাকলে তাদের বিপক্ষে থাকবে রিশাদের রাওয়ালপিন্ডির দল — ফলে জাতীয় দলে একসঙ্গে খেলা সতীর্থদের একে অন্যের বিরুদ্ধে খেলতে দেখা যেতে পারে।

    ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জেতার পর বাংলাদেশ এখন সাধারণত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তেমন ব্যস্ত নয়, ফলে ক্রিকেটাররা এই সময়ে পিএসএলে অংশ নিতে পারছেন। তবে নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরে জাতীয় দলে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

    এভাবে পিএসএলে খেলায় যুক্ত হওয়া তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের বিদেশি লিগে খেলা তাদের 개인 উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের ক্রিকেটের জন্যও লাভজনক হতে পারে—তবে জাতীয় বাধ্যবাধকতায় মিল রেখে এ ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

  • ১৪ কনসার্টে দিলজিৎ আয় ৯৪৩ কোটি — কনসার্ট হয়ে উঠল বিশাল অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম

    ১৪ কনসার্টে দিলজিৎ আয় ৯৪৩ কোটি — কনসার্ট হয়ে উঠল বিশাল অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম

    কনসার্ট শুধু গান আর বিনোদন নয়—সম্প্রতি দিলজিৎ দোসাঞ্জের ‘ডিল-লুমিনাটি’ ট্যুর সেটা প্রমাণ করল। মাত্র ১৪টি শো ও ১৩টি শহরে অনুষ্ঠিত এই ট্যুর থেকে মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকা, যা লাইভ মিউজিককে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনীতির মতো প্রতিষ্ঠা করেছে।

    টিকিট বিক্রি থেকে আয় হয়েছে ২২১ কোটি, স্পনসরশিপ থেকে ৩৩ কোটি এবং সরাসরি ভ্যাট ও অন্যান্য ফি মিলিয়ে সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে ১১৪ কোটিরও বেশি। প্রতিটি কনসার্ট যেন স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল রাখার একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

    পরোক্ষ আয় সবচেয়ে জমকালো চিত্রটি দিয়েছে—ভক্তদের ভ্রমণ, হোটেল ভাড়া, খাবার-খরচ ও কেনাকাটা মিলিয়ে তৈরি হয়েছে প্রায় ৫৫৩ কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্রভাব। ট্যুরের দর্শকের প্রায় ৩৮ শতাংশই অন্য শহর থেকে এসে কয়েক দিন অতিরিক্ত থাকায় স্থানীয় পর্যটন ও ব্যবসা ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছে।

    পাবলিক রেসপন্সও ছিল তীব্র: ১৪টি শোতে মোট দর্শকসংখ্যা ৩ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি, এবং দিল্লি একক শোতে জমায়েত হয়েছে প্রায় ৫৫ হাজার দর্শক। প্রতিটি অনুষ্ঠানে টিকিট দ্রুত বিক্রি হয়ে হাউসফুল সাইন দেখা গেছে।

    কেবল আয় নয়—ট্যুরটি কর্মসংস্থানও তৈরি করেছে। লজিস্টিকস, নিরাপত্তা, প্রোডাকশন ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার কর্মঘণ্টার সুযোগ সৃষ্টির তথ্য পাওয়া গেছে। অর্থাৎ একেকটি কনসার্ট এখন শুধু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম।

    বিশ্বমঞ্চের বড় তারকাদের সঙ্গে সরাসরি তুলনায় এখনও কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও এই সাফল্য দিলজিৎকে বৈশ্বিক ট্যুরিং মানচিত্রে শক্ত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছে। স্থানীয় অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও বিনোদন—তিন ক্ষেত্রেই এই ধরনের ট্যুরের প্রভাব ক্লিয়ার। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিল্পী ও বড় আকারের শো এ ধরনের আর্থিক ও সামাজিক সুফল বাড়াতে পারে।

  • চাঁদরাতে বাবা-ভাইকে নিয়ে জাহিদ নিরবের প্রথম গান

    চাঁদরাতে বাবা-ভাইকে নিয়ে জাহিদ নিরবের প্রথম গান

    জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী জাহিদ নিরব এবার প্রথমবারের মতো নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি গান প্রকাশ করতে যাচ্ছেন। ঈদুল ফিতরের বিশেষ দিনে, চাঁদরাতে মুক্তি পাবে তাঁর কাওয়ালী ঘরানার গান ‘শুকরিয়া হাসনাহ’—যা ইতিমধ্যে দর্শক ও শ্রোতাদের আগ্রহ জাগিয়েছে।

    গানটি জাহিদ নিরবের অফিসিয়াল ফেসবুক এবং ইউটিউব চ্যানেলে একসাথে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি প্রাইম ব্যাংক নিবেদিত হিসেবে তৈরি হওয়া এই গানের ভিডিওটি প্রাইম ব্যাংকের অফিসিয়াল চ্যানেল থেকেও উন্মুক্ত করা হবে।

    নিরব বলেন, ‘বাসায় আমরা সবসময় একসঙ্গে গান করি। আব্বা হারমোনিয়াম বাজান, আমি মাইক্রোফোনের সামনে গাই—এভাবেই আমার সংগীতজীবন শুরু হয়েছে। বড় ভাই জুবায়েদ আল নাঈম তবলা, ছোট ভাই হাসিবুল নিবিড় গিটার, আর মেহেদী হাসান তামজিদ রাবাব বাজিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জের সেই মঞ্চের পরিবেশনা এবার গান আকারে সবাইকে শুনিয়ে দিচ্ছি।’ তাঁর কণ্ঠস্বর ও পরিবারের সহযোগিতা গানটিকে আরও ঘনিষ্ঠ ও উষ্ণ করে তুলেছে।

    গানটির কথা ও সুর সাজিয়েছেন মঞ্জুর এলোহী। তিনি বলেন, ‘গানটির রয়েছে একটি বিশেষ ভাবনা—আমরা প্রতিনিয়ত সৃষ্টিকর্তার অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে বেঁচে আছি, তাতে কতোটা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, সেটাই এই গানটির محور।’

    উল্লেখ্য, এই গানটি মূলত প্রাইম ব্যাংকের ‘হাসানাহ’ জিঙ্গেল থেকেই ধারণা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ গান হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। নিরব বলেন, ‘গানের ভাবনা ও কথাগুলো আমার ভালো লেগেছিল, তাই অনুমতি নিয়ে পুরো গানটিকে প্রসারিত করে তৈরি করেছি। ভিডিওর ক্ষেত্রে অনেক দিনের সঙ্গী কাওসার ইসলাম প্রান্ত ও তাঁর টিমের অবদান আছে—তারা আমাদের এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রেখেছেন।’

    নিরবের জন্য এবারের ঈদটি আলাদা—গত বছর তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন, আর এবারই বায়েজিদি জীবনের প্রথম ঈদ। তিনি বললেন, ‘বিয়ে পরের প্রথম ঈদ—সবকিছুই একটু আলাদা অনুভূত হচ্ছে।’ তবু কাজের ব্যস্ততা কমেনি; ঈদের জন্য বহু প্রজেক্ট নিয়ে তিনি ততপর।

    ঈদের নানা কাজের মধ্যে নিরব ছিলেন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ছবির পুরো সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে—যেখানে তানিম নূর সহকর্মী হিসেবে কাজ সহজ করে দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, রায়হান রাফী পরিচালিত ‘প্রেশার কুকার’ ছবিতে একটি গান আছে, গানটি গেয়েছেন অঙ্কন কুমার, যার কথা ও সুরও তারই।

    এছাড়া নাটকগুলোতেও তিনি বেশ কিছুর কাজ করেছেন—’তবুও মন’ নাটকের জন্য ‘এভাবেও হতে পারে প্রেম’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন তারিক তুহিন; সুর ও সংগীত করেছেন নিরব, কণ্ঠ দিয়েছেন সালমান ও মাশা। ‘লিলিথ’ নাটকের ‘পিছু ডেকো না’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দোলা রহমান; কথা লিখেছেন তানিন নিনাত।

    রমজান মাসে নিরব ছিলেন সংগীতের নানা কাজে ব্যস্ত—মোটামুটি একাধিক কাজ প্রকাশ পেয়েছে। ওয়েবফিল্ম ‘মিউ’-র গান ‘কেন এমন হয়’ ও শিশুতোষ গান ‘মিউ মিউ মিউ’ তাঁর করা। প্রবাসীদের নিয়ে তৈরিকৃত প্রাইম ব্যাংকের একটি মিউজিক ভিডিওও করেছেন, যার আনপ্লগড ভার্সন শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

    নিয়মিত ব্যস্ততার তালিকায় রয়েছে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ৫—নিরব এই সিরিয়ালের মিউজিক ডিরেক্টর। ঈদে সিরিয়ালের একটি বিশেষ এপিসোডও আসছে। সব মিলিয়ে এই ঈদ জাহিদ নিরবের জন্য কাজ ও আনন্দে ভরা—একদম সোনায় সোহাগা গতকালের মতো স্মৃতি হয়ে থাকছে।

  • খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজিদের নির্দেশে টিকটকার রাকিব খুন: তদন্তে ‘বি কোম্পানি’

    খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজিদের নির্দেশে টিকটকার রাকিব খুন: তদন্তে ‘বি কোম্পানি’

    রাজধানীর শহীদ মিনার এলাকায় নির্মমভাবে নিহত টিকটকার রাকিবুল ইসলাম রাকিব হত্যাকাণ্ডে খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজিদের নির্দেশ ও কুখ্যাত ‘বি কোম্পানি’-র সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে এসেছে। ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।

    পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত থেকে জানা যায়, হত্যাটির মূল নিযুক্তকারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে কাজ করেছে। ঘটনার পেছনে প্রধানত দুইটি নারীসংক্রান্ত বিবাদ ছিল—নিহত রাকিব সাফা নামের এক বিবাহিত নারীকে পুনরায় বিবাহ করার সঙ্গে জড়িত এবং খুলনার সাজিদের স্ত্রী ও জনপ্রিয় টিকটকার জান্নাত মুনের সঙ্গে রাকিবের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছিল। এই অপমানকে কেন্দ্র করে সাজিদ ওই অপরাধী চক্রকে রাকিবকে টার্গেট করে মিশন তৈরির নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ।

    পুলিশ বলছে, কিলিং মিশনটি অত্যন্ত সুসংগঠিত ছিল। ঘটনার কয়েক দিন আগে খুলনা থেকে পেশাদার ভাড়াটে খুনিরা ঢাকায় পৌঁছে ফাইভ স্টার হোটেল সোনারগাঁওসহ রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত হোটেলে অবস্থান করে পরিকল্পনা চূড়ায় পৌঁছে। এরপর তারা রাকিবের গতিবিধি কয়েক দিন নজরদারি করে।

    প্রাথমিক গ্রেপ্তারের সময় সিহাব, রাফিন, জয় ও সাগর ফকিরকে আটক করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্যের ভিত্তিতে অভিযান জোরদার করে মূল সমন্বয়ক ও ‘বি কোম্পানি’-র শীর্ষ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিন ওরফে সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সালাউদ্দিনই এই হত্যাকাণ্ডটি সরাসরি নির্দেশ ও নেতৃত্ব দিয়েছেন।

    তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। সাজিদ ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে পেশাদার খুনিদের ব্যবহার করেছিলেন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও কাউকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে এবং তদন্ত আরও বিস্তারিত হওয়ায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ঈদ কবে জানাবে সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি

    ঈদ কবে জানাবে সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি

    ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণ ও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সংবাদ পর্যালোচনার জন্য আজ সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা হবে।

    সভা বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়েকবাদ।

    কমিটি সারাদেশ থেকে প্রাপ্ত চাঁদ দেখা সংবাদের বিশ্লেষণ করে এখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে যে কবে পালিত হবে মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন সর্বত্র দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য পাওয়ার লক্ষ্যে অনুরোধ জানিয়েছে—দেশের আকাশে কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালে কাজে সুবিধা হবে।

    চাঁদ দেখার তথ্য সরাসরি জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটিকে জানাতে নিম্নলিখিত ফোন নম্বরগুলো ব্যবহার করা যাবে: 02-41053294, 02-226640510 ও 02-223383397। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা নিজ নিজ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও চাঁদ দেখার সংবাদ জানানো যাবে।

    কমিটি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন সকলের প্রতি সহযোগিতা কামনা করেছে যাতে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় এবং ঈদের প্রস্তুতি নির্বিচারে এগিয়ে নেওয়া যায়।

  • মনিরুল হক চৌধুরী: জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন, খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করুন

    মনিরুল হক চৌধুরী: জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন, খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করুন

    জাতীয় সংসদে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার পরে এক মেধাবী শ্রেণি এসেছিল যারা জাসদ (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) গঠন করেছিল; কিন্তু অতিরিক্ত রাজনৈতিক চালসিকতার ফলে দেশ-জাতি অনেক কিছু হারিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের যেন সবকিছুকে সহ্য করার ধৈর্য ও শক্তি দেওয়া হয়।’’

    রোববার সংসদের রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব আলোচনায় অংশ নেয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক চৌধুরী খালেদা জিয়ার ভূমিকাও স্মরণ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘‘৯১ সালের সংসদে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করেছি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। অনেকেই যখন প্রশ্ন করছেন, মনে হয় এই দেশে ১৫–২০ বছর বিএনপি ছিল না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসংখ্য প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেও জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন। আজ রাজনীতিকে যেখানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, তার পেছনে তারও একটা অংশ আছে—এইটুকু স্মরণ করলেই কিন্তু খারাপ হয় না।’’

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে ইতিহাস ও ঘটনাবলীর প্রেক্ষাপট বিচার করার বুদ্ধি সবারই আছে। অতীতের রাজনৈতিক স্তরের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘‘জাসদ একসময় আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ ভাবত—তাই ইতিহাস কীভাবে গড়িয়েছে তা বিবেচনা করা প্রয়োজন।’’

    পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মনিরুল হক বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে এখন কী ভাষায় কথা বলব—এ কথা ভাবতে হয়। আগে যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতাম, তাদের চিনতাম; কিন্তু আজকের বিরোধীদলকে এখনও আমি ঠিকভাবে চিনিনি। তারেক রহমানের কথাও স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের নেতা সতর্ক করেছিলেন—কঠিন নির্বাচন আসবে। তখন অনেকেই তা বুঝেনি, কিন্তু পরে অংশ নিয়ে আমরা উপলব্ধি করেছি কত কঠিন পথ পেরোতে হয়েছে।’’

    সংসদে এসে তিনি অভিযোগ করেন যে এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে আসার পর প্রকৃত কৃতজ্ঞতার যোগ্য হিসেবে যে কোন দলকে ধরা উচিত—তাতে জামায়াতে ইসলামীও অন্তর্ভুক্ত ছিল। একই সঙ্গে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে কিছু জীবিত মুক্তিযোদ্ধার সম্পর্কে আজ অনাকাঙ্ক্ষিত প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘‘মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো সময়ের সংঘাতের সঙ্গে এককাতারে ধরা যায় কি?’’ এবং বলেন, যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বিচার বলে অন্যায় হয়ে থাকে, তা আলাদা বিষয়—তার বিচার হওয়া উচিত।

    শেষে মনিরুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেন, জামায়াত বা এনসিপির নেতা যদিও স্বাধীনতার পরে বয়সে ছোট হতে পারে, তবুও তাদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধাশীল কারণ তাদের মধ্যে সাহস আছে এবং তারা এই সময়ের চাহিদা মেটাতে সক্ষম।

  • কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন প্রসঙ্গকে ঘিরে আলোচিত এবং সমালোচিত হয়ে উঠেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু মন্তব্য দ্রুত ভাইরাল হওয়ায় জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও সমালোচনার ব্যপার দেখা গেছে।

    আজ বুধবার সকালে একটি পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, কোনো কথাবার্তা বা কাজে অনিচ্ছাতেই যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে তিনি তার থেকে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি আরও জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সাথে কিছু আন্তরিক আলোচনা হয়েছে। সবার কাছ থেকেই আমি মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি — ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা এবং গঠনমূলক আলোচনা ও কর্মে বেশি মনোযোগ দেয়া।’’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তিনি ওই পরামর্শগুলো বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করছেন এবং bundan পর আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করবেন। তিনি বলেন, ‘‘রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    নিজের পোস্টে তিনি আবারও সকলের কাছে অনুরোধ করে বলেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। আপনারা আমাকে দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করুন — এটাই আমার পথচলার শক্তি।’’

    তিনি আরও বলছেন, ‘‘গতকাল রাতে ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’