Blog

  • বিহার নির্বাচনের ফলাফল বিস্ময়কর, শুরু থেকেই সুষ্ঠু নয় : রাহুল

    বিহার নির্বাচনের ফলাফল বিস্ময়কর, শুরু থেকেই সুষ্ঠু নয় : রাহুল

    বিহার নির্বাচনের ফলাফলে শোচনীয় পরাজয়ের পর প্রশ্ন উঠছে ভোটের সুষ্ঠতা নিয়ে। ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান নেত্রী রাহুল গান্ধী এই ফলাফলের পিছনে নানা ধরনের অসুস্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে শংকা প্রকাশ করেছেন। তিনি সরাসরি অভিযোগ না দিলেও, ভোট চুরির কথাটি এড়ায়নি। রাহুল জানান, যারা মহাগাঠবন্ধন জোটের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “বিহারের লাখ লাখ ভোটার, যারা আমাদের প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন, তার জন্য আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে কৃতজ্ঞ। এই বিস্ময়কর ফলাফল আমাদের জন্য এক ধরনের বিপদফুল হয়েছে। শুরু থেকেই এই নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়ে শঙ্কা ছিল।”

    বিহার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় দুই দফায়। প্রথম দফায়, ৬ নভেম্বর, ১২১ আসনে ভোটগ্রহণ হয় যেখানে ভোট পড়ে ৬৫ শতাংশের বেশি। এরপর ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় ১২২ আসনে ভোটগ্রহণ হয়, যেখানে ভোট পড়ে ৬৮ শতাংশের বেশি। মোট মিলিয়ে প্রায় ৬৭% ভোটার অংশগ্রহণ করে এই নির্বাচনে। এই নির্বাচনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল বিজেপি–জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট বনাম কংগ্রেস–আরজেডি নেতৃত্বাধীন মহাগাঠবন্ধনের। ফলাফল জানা যায়, ২৪২ আসনের মধ্যে এনডিএ জোট পেয়েছে ২০২টি আসনে জয়, যেখানে মহাগাঠবন্ধনের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে ৩৫টিতে।

    বিজেপি জেতার সংখ্যা ৮৯টি আসনে, জেডিইউ ৮৫টি। অন্য জরুরি অংশীদার হিসেবে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জেডিইউ তার জয়ে অগ্রগতি করেছে। চিরাগ পাসওয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি ১৯টি আসনে জয় লাভ করে, এবং জিতেন রাম মাঝির নেতৃত্বাধীন আওয়াম মোর্চা পার্টি ৫টি আসনে জয়ী হয়েছে।

    দ্বিতীয় দফা ভোটের তুলনায়, ২০২০ সালের লোকসভা নির্বাচনের চেয়ে কংগ্রেসের ফলাফল বেশ খারাপ। তখন তাদের ৭০ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল এবং ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছিল। এবার, ৬১ আসনে প্রার্থী দিয়ে মাত্র ৬টিতে জয় পেয়েছে। মহাগাঠবন্ধনের আরেক শরিক, আরজেডি, ২০২০ সালে ১৪৪ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল এবং ৭৫টিতে জয়ী হয়েছিল। এবার, ১৪৩ আসনে প্রার্থী দিয়ে তাদের জয় পেয়েছে মাত্র ২৫টি।

    রাহুল গাঁধী বলেছেন, “আমরা লড়ছি সংবিধান ও গণতন্ত্রের রক্ষার জন্য। কংগ্রেস ও ইনডিয়া জোট এই ফলাফল গভীরভাবে বিশ্লেষণ করবে আর গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আমাদের আরও শক্তিশালী হতে হবে।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি সতর্কতা ও প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন ভবিষ্যতের জন্য।

  • ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর সম্ভাব্য তারিখ ২০ মার্চ, শুক্রবার

    ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর সম্ভাব্য তারিখ ২০ মার্চ, শুক্রবার

    ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে জানা গেছে যে এটি হতে পারে শুক্রবার, ২০ মার্চ। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সংস্থার চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন যে, আশা করা যাচ্ছে যে, আরব আমিরাতে ১৪৪৭ হিজরি রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাবে ১৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায়। তবে এক্ষেত্রে চাঁদ চোখে দেখা কিছুটা কঠিন হতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, রমজানের প্রথম দিন হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার। এই বছর রমজান চলতে পারে ৩০ দিন, ফলে সম্ভাব্য ঈদের ছুটি বাড়তে পারে আরও এক দিন। এর ফলে, সংস্থাগুলোর অনুমান অনুযায়ী, ১৯ থেকে ২২ मार्च পর্যন্ত চারদিনের ছুটি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যাকে বলা হয় রীতি অনুযায়ী চার দিনের ঈদ ছুটি। স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে ২৩ মার্চ সোমবার। তবে, আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের তারিখ নিশ্চিত করবে ইউএই মুন-সাইটিং কমিটি। বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০ মার্চই শাওয়াল মাসের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, যা ঈদুল ফিতর উদযাপনের জন্য। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতর মুসলমান সমাজের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এর সঙ্গে গভীর ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকায়, চাঁদ দেখার আগে কোনো সরকার বা কর্তৃপক্ষ এই তারিখ চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করবে না। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, এই সম্ভাব্য তারিখে ঈদ উদযাপন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি: ২৬ বাংলাদেশিসহ ৪ জনের মৃত্যু

    লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি: ২৬ বাংলাদেশিসহ ৪ জনের মৃত্যু

    উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার উপকূলে অবৈধভাবে ইউরোপে যেতে চাচ্ছিলেন এমন অভিবাসীদের জন্য এটি এক হতাহতের দুঃখজনক ঘটনা। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, লিবিয়ার আল-খোমস উপকূলে একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ২৬ বাংলাদেশি সহ কমপক্ষে চার জনের প্রাণহানি হয়। এই ঘটনার মধ্যে অন্য একটি আলাদা নৌকাডুবির ঘটনাও ঘটেছে যেখানে অর্ধশতাধিক সুদানি ও অন্যান্য দেশের অভিবাসী ঝরেছেন প্রাণের ঝুকিতে। তবে সেই ঘটনায় হতাহত হয়নি।

    ঘটনাটি ঘটে রোববার (১৬ নভেম্বর) উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-খোমস শহরের উপকূলে। লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার রাতে এই নৌকাগুলোর উল্টে যাওয়ার খবর তারা পায়। প্রথম নৌকায় ছিল বাংলাদেশের ২৬ নাগরিক, যাদের মধ্যে চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য নৌকাতে ছিল মোট ৬৯ জন; এর মধ্যে দুইজন মিসরীয়, আরও ৬৭ জন সুদানি, যাদের মধ্যে আটজন শিশু। উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জীবিতদের উদ্ধার এবং মৃতদেহের মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ও সহায়তা প্রদান করে।

    লিবিয়া বর্তমানে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য ইউরোপ যেতে অন্যতম প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে এই দেশটি অভিবাসীদের জন্য একটি ট্রানজিট রুটে রূপ নিয়েছে। এখন সেখানে Sাআড়ে ৮ লাখের বেশি অভিবাসী অবস্থান করছেন। গাদ্দাফির পতনের পরে দেশটি নানা মিলিশিয়ার সংঘর্ষে জর্জরিত হয়েছে, এবং যেখানে সাধারণ অভিবাসীরা নিয়মিত নিপীড়ন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন।

    অধিকার সংস্থাগুলো এবং জাতিসংঘ জানায়, লিবিয়ায় শরণার্থীদের এই দুর্দশা অব্যাহত থাকায় মানবাধিকার লঙ্ঘন দিন দিন বেড়ে চলেছে। সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন লিবিয়ার কোস্টগার্ডকে বিভিন্ন সরঞ্জাম ও অর্থের সহায়তা দিলেও, অভিযোগ উঠেছে যে এই কোস্টগার্ডের একজন অংশ ‘নির্যাতন ও অপরাধে জড়িত’ মিলিশিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে। এছাড়াও, ইউরোপের দেশগুলো নিখোঁজ উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে দেওয়ায় সমুদ্রপথে যাত্রা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, উদ্ধার কার্যক্রমের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং দাতব্য সংস্থাগুলোর ওপর নানা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাধা দিয়ে তাদের কার্যক্রম সীমিত করতে হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরো গুরুতর করে তোলা হচ্ছে।

  • মালয়েশিয়ায় কারখানায় অভিযান, ৪৫ বাংলাদেশিসহ ১২৩ বিদেশি আটক

    মালয়েশিয়ায় কারখানায় অভিযান, ৪৫ বাংলাদেশিসহ ১২৩ বিদেশি আটক

    অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে একটি প্লাস্টিক কারখানায় ব্যাপক অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানটির মাধ্যমে মোট ১২৩ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৫ জন বাংলাদেশি। এই অভিযানটি রোববার (১৬ নভেম্বর) চালানো হয়, যা জোহর অভিবাসন বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যা সাতটার দিকে শুরু হওয়া এই সাঁড়াশি অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন জোহর অভিবাসন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের কর্মকর্তা এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা সংস্থার সদস্যরা। এই সময় কারখানায় অপরাধের শিকার বিদেশি শ্রমিকদের বৈধ পাস ছাড়াই কাজে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠেছে।

    আটকদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশি ৪৫ জন, মিয়ানমার থেকে ৭১ জন, ভারতীয় ৪ জন, নেপাল থেকে ২ জন এবং পাকিস্তানের ১ জন নাগরিক। কর্মকর্তাদের দাবি, এই বিদেশিদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে কাজ করাসহ বৈধ কাগজপত্র না থাকা, অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    এছাড়াও, এই অবৈধ নিয়োগের সঙ্গে জড়িত থাকায় স্থানীয় মানবসম্পদ ব্যবস্থাপককেও আটক করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে কারখানায় কিছু শ্রমিক পালানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছেন। দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের পিছু হটানো হয় ও লুকানোর স্থান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    জোহর রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগ কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছে, অবৈধ বিদেশি শ্রমিকদের লুকানোর বা ঢাল করার চেষ্টা যদি হয়, তবে তা রক্ষাকবচ হবে না। আটককৃত সন্দেহভাজন সবাই স্থানীয় সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে, যেখানে তাদের আরও তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    জোহর অভিবাসন বিভাগ উল্লেখ করেছে, দেশের আইন শৃঙ্খলা ও শ্রমিকের অধিকার রক্ষা করতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও জোরদার করা হবে।

  • চীনে ৭০ বছরের মধ্যে বৃহত্তম স্বর্ণের খনি উদ্ধার

    চীনে ৭০ বছরের মধ্যে বৃহত্তম স্বর্ণের খনি উদ্ধার

    চীনে ১৯৪৯ সালের পর সবচেয়ে বড় স্বর্ণভাণ্ডার খুঁজে পাওয়া গেছে। লিয়াওনিং প্রদেশে অবস্থিত এই খনিতে প্রায় ১,৪৪৪ টন স্বর্ণ থাকা প্রত্যক্ষ হয়েছে। মাত্র ১৫ মাসের নিরলস অনুসন্ধান এবং গবেষণার মাধ্যমে এই বিশাল ভাণ্ডার চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে।

    চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় শুক্রবার এ বিষয়ে নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে দাদংগোউ নামের এই খনিটি এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় স্বর্ণের খনি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। কর্মকর্তাদের মতে, এই খনিতে প্রায় ২৫.৮৬ লাখ টন আকরিক রয়েছে, যার প্রতি টনে গড়ে ০.৫৬ গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া যায়। ফলে এই খনিতে মোট স্বর্ণের পরিমাণ প্রায় ১,৪৪৪ টন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বর্তমান বাজার অনুযায়ী, এই স্বর্ণের মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৬৬ বিলিয়ন ইউরো যাকে বলা হয় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মূল্য। আর এই বছর বিশ্বব্যাপী স্বর্ণের দাম রেকর্ড ছুঁয়েছে; প্রতি কিলোগ্রাম স্বর্ণের মূল্য এখন বেশি থেকে বেশি, শতাধিক ইউরো পর্যন্ত পৌঁছেছে।

    এই প্রকল্পটি সম্পন্ন করেছে রাষ্ট্র পরিচালিত লিয়াওনিং জিওলজিক্যাল অ্যান্ড মাইনিং গ্রুপ। তারা প্রায় এক হাজার প্রযুক্তিবিদ ও কর্মী নিয়োগ করে মাত্র ১৫ মাসের মধ্যে অনুসন্ধানের কাজ সম্পন্ন করেছে, যা বর্তমানে আধুনিক স্বর্ণখনির ক্ষেত্রে বিরল একটি ঘটনা।

    প্রথমে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই স্বর্ণের ভাণ্ডারকে ‘অতি-বিশাল’ বলা হলেও এর মান কম। তবে এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রাথমিক মূল্যায়ন ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই স্বর্ণভাণ্ডারটির নির্দিষ্ট অবস্থান এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে অনুমান করা হচ্ছে, এটি লিয়াওনিং প্রদেশের পূর্ব অংশে অবস্থিত। নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণে এর অবস্থান সচেতনভাবে গোপন রাখা হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।

    বিশ্বব্যাপী স্বর্ণের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে এই সময়ে, যখন মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত। এই বছর স্বর্ণের দাম ৫০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। এর পেছনে রয়েছে দুর্বল মার্কিন ডলার, বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার প্রবণতা। বিশেষ করে, উদীয়মান দেশগুলো তাদের রিজার্ভ শক্তিশালী করতে স্বর্ণ কিনছে।

    চীন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্বর্ণখনির অনুসন্ধান এবং খনিজ সম্পদের খোঁজ বাড়িয়েছে। ২০২৪ সালে হুনান প্রদেশে ১,০০০ টনের বেশি স্বর্ণের ভাণ্ডার খুঁজে পাওয়া গেছে। একই বছর গাড়্সু প্রদেশে ৪০ টনের বেশি স্বর্ণের খনি পাওয়া যায়।

    চীনের স্বর্ণ উৎপাদনও দ্রুত বাড়ছে। ২০২৪ সালে দেশটি প্রায় ৩৭৭.২৪ টন স্বর্ণ উৎপাদন করেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ০.৫৬ শতাংশ বেশি। দেশের অভ্যন্তরীণ স্বর্ণের চাহিদা ছিল প্রায় ৯৮৫.৩১ টন। সাথে সাথে, স্বর্ণের কনসামেশন ও বোর্সের চাহিদাও ২৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্লেষকরা জানান, মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে সম্পদ রক্ষা ও বিনিয়োগের প্রবণতা বাড়ছে। বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার কারণে স্বর্ণের জনপ্রিয়তা সার্বজনীনভাবে বেড়ে চলেছে এবং এটি এখন অন্যতম নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে অনেকে বেছে নিচ্ছেন।

  • নির্বাচিত হলে ডুমুরিয়ার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রধান কাজ হবে: লবি

    নির্বাচিত হলে ডুমুরিয়ার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রধান কাজ হবে: লবি

    খুলনা-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আসগার লবি বলেছেন, তিনি গত ৫ থেকে ৬ মাস ধরে ডুমুরিয়া এলাকায় বিভিন্ন স্থান ঘুরে নির্বাচনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এই সময়ে তিনি এলাকায় বিভিন্ন সমস্যা জানতে পেরেছেন এবং সমাধানের জন্য কার্যকরী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দির সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অর্থ সহায়তা ও অনুদান প্রদান করেছেন। পাশাপাশি রাস্তাঘাটের উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ডুমুরিয়ার বিল ডাকাতিয়ার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করেছেন। তিনি জানান, যদি তিনি নির্বাচিত হয়ে আসেন, তবে বিল ডাকাতিয়া, ডুমুরিয়া উপজেলার খাল ও নদীগুলো খনন করে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কথা তিনি শনিবার সন্ধ্যায় ভান্ডারপাড়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উল্লেখ করেন। এর আগে তিনি বেশ কয়েকটি স্থানে ধানের শীষের গণসংযোগ ও পথসভা পরিচালনা করেন। এই সভার উত্তরোত্তর সভাপতি ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোল্লা ইকরামুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এবাদুল হক রুবায়েত। আরও বক্তব্য দেন মোল্লা কবির হোসেন, জেলা যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল্লাহ হেল কাফি শখা, খুলনা জজকোর্টের এপিপি এড. মুনিমুর রহমান নয়ন, মাকসুদ আহম্মেদ সুমন, শেখ শাহিনুর রহমান, জিয়াউর রহমান জীবন, শ্যামল গোলদার, প্রকাশ বিশ্বাস, প্রণব মন্ডল, মিল্টন মন্ডল, গোবিন্দ মন্ডল, প্রীতিষ মন্ডল, আবুল কাশেম, নিত্যানন্দ মন্ডল ও অন্যান্যরা।

  • আগামী প্রজন্মের সুযোগ না দিলে দেশ নেতৃত্ব হারাবে

    আগামী প্রজন্মের সুযোগ না দিলে দেশ নেতৃত্ব হারাবে

    আমাদের উচিত আগামী প্রজন্মকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সকল ধরনের সুযোগ প্রদান করা। না হলে ভবিষ্যত বাংলাদেশের নেতৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়বে। দৌলতপুরে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দৌলতপুর থানা বিএনপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন থানা বিএনপি’র সভাপতি এম মুর্শিদ কামাল এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন। বকুল বলেন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে যে নতুন প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে, তার জন্য একটি মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত এবং সুন্দর বাংলাদেশ গঠন আমাদের রাজনৈতিক দায়িত্ব। যারা মানুষ গড়ার মূল কারিগর, তারা হলেন শিক্ষক ও বাবা-মা, তাদের সম্মান না করলে জাতি সম্মান পায় না। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদদের অবশ্যই মেধাবী ছাত্রদের জন্য পথ তৈরি করতে হবে। শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয়, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগও দিতে হবে। আমাদের উদ্দেশ্য, সুযোগের অভাবে কোনো মেধাবী সন্তান ঝরে পড়ুক না। বক্তব্যের শেষে তিনি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং সন্তানদের সাফল্য অর্জনে মাতাদের ভূমিকা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে সকল মায়ের প্রতি শুভেচ্ছা জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, মহানগর মহিলা দলের আহŸায়ক নার্গিস আলী, সাবেক ছাত্রনেতা মতিউর রহমান মতি, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী, সংবর্ধিত শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। আলোচনা সভার পরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

  • সময়ের খবর বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অঙ্গীকারবদ্ধ

    সময়ের খবর বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অঙ্গীকারবদ্ধ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনার স্থানীয় দৈনিক ‘সময়রে খবর’ অফিসে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। এই অবস্থান গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় তাকে সময়ের খবর কার্যালয়ে এসে সাংবাদিকদের সাথে কুশল বিনিময় ও শুভেচ্ছা জানান।

    মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পাঠকরা সময়ের খবরকে অত্যন্ত পছন্দ করেন। এই পত্রিকাটি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং সময়ের খবর সবসময় সত্যের পথে অবিচল থেকে প্রকাশ করে থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, গণমানুষের কথা সাহসে তুলে ধরা এবং মানুষের স্বার্থে কাজ করা আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, সময়ের খবর পাঠকদের দৌড় গড়ায় পৌঁছে গেছে এবং জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে।

    মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সময়ের খবরের বার্তা সম্পাদক মাসুদুর রহমান রানা, মফস্বল প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম বাবলু, সিনিয়র রিপোর্টার আশরাফুল ইসলাম নূর, নিজস্ব প্রতিবেদক আল মাহমুদ প্রিন্স, এন আই রকি, ফটোসাংবাদিক রবিউল গাজী উজ্জ্বল, এইচ এ হেলাল ও অনলাইন ইন্টারঅ্যাক্টের মো. ইমরান খান।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, এড. গোলাম মওলা, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, রবিউল ইসলাম রবি ও সেলিম বড় মিয়া প্রমুখ। এই আলোচনা ভবিষ্যতে সাংবাদিকতার অঙ্গনে সময়ের খবরের দায়িত্বশীলতা ও উন্নয়নে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা জাগিয়েছে।

  • বাগেরহাটে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসের শোভাযাত্রা ও চিকিৎসা ক্যাম্প

    বাগেরহাটে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসের শোভাযাত্রা ও চিকিৎসা ক্যাম্প

    বাগেরহাটে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ২০২৫ উপলক্ষে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও ব্রাকের আয়োজনে এক শোভাযাত্রা ও স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৬ নভেম্বর) বাগেরহাট সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক ঘুরে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়। এই অনুষ্ঠানে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও ব্রাকের স্বেচ্ছাসেবকরা অংশ নেন, যাতে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. আ.স.মো: মাহবুবুল আলম, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডা. রিয়াদুজ্জামান ও ডা. নাইমুর রহমান। ব্রাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ইব্রাহিম রেজা, যক্ষণিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শামীম রেজা, ব্রাকের অন্যান্য কর্মকর্তাগণও এতে অংশ নেন।

    এর পাশাপাশি, ব্রাকের উদ্যোগে বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে চালু করা হয় একটি বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প। এই ক্যাম্পে এক দিনেই পাঁচশোটির বেশি রোগীকে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা, পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য করা হয়েছে।

  • ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ রুখতে পারবে না

    ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ রুখতে পারবে না

    আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নেতারা। চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান এবং জনগণের শক্তির ঐক্যের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না। শনিবার বিকেলে খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের পক্ষে খানজাহান আলী থানা শ্রমিক দলের আয়োজনে একটি বিশাল শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে থাকাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গত ১৭ বছর ধরে শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসনের কারণে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে দুর্নীতিগ্রস্ত ও প্রহসনের পর্যায়ে নামানো হয়েছিল। দেশের মালিকানা জনগণের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে এক পরিবারের হাতে কেন্দ্রীভূত করা হয়েছিল। কিন্তু এই দেশের তরুণ ছাত্র-জনতা এই স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সফলভাবে তার পতন ঘটিয়েছে। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারটি আমাদের ১৭ বছরের ত্যাগ ও ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এবং তাদের একমাত্র শক্তির উৎস হলো বিএনপি সহ সকল গণতান্ত্রিক দলের নৈতিক সমর্থন।

    প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্বপন বলেন, ড. ইউনূস জাতিকে আশ্বাস দিয়েছেন যে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। এই ঘোষণা জনগণের মধ্যে আশা ও বিশ্বাস বাড়িয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা করছে, তারা শুধু গণতন্ত্রের শত্রু নয়, দেশের শত্রুও।

    খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলকে একজন যোগ্য নেতা হিসাবে উল্লেখ করে স্বপন বলেন, বকুল শুধুমাত্র আমাদের দলের প্রার্থী নয়, তিনি জাতীয় রাজনীতি ও জনস্বার্থের জন্য কাজ করার সকল যোগ্যতা রাখেন। তাকে পার্লামেন্টে পাঠাতে পারলে ঐক্যবদ্ধভাবে এলাকায় উন্নয়ন হবে এবং জাতীয় পর্যায়েও সম্মান অর্জিত হবে।

    ভোটারদের জন্য বিশেষ আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই নির্বাচনটি শুধু সরকার গঠনের বিষয় নয়, এর ফলাফলের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন উচ্চপদস্থ ব্যক্তির আসন বিতরণ হবে। তাই এখন সময় নয় প্রশ্নে জোটবাজি বা আলোচনা চালানোর। তবে আমাদের লক্ষ্য, ধানের শীষের জয়ে শতকরা ৬০ ভাগ ভোট পাওয়া, এবং এই লক্ষ্য পূরণের জন্য বকুলকে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী করতে হবে।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একজন আপোষহীন নেত্রী, যিনি কখনো রাজপথ থেকে সরে যাননি। তিনি দেশের নেত্রী, জনগণের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের লুটপাটের কারণে খুলনার বন্ধ জুটমিলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে, জনগণের অর্থ লুট করে দেশের বাইরে পাচার করা হয়েছে। নির্বাচনে ষড়যন্ত্র হলে তার ভয়ানক পরিণতি হবে বলে সতর্ক করে তিনি বলেন, যারা ভোট ছাড়া নির্বাচন করেছিল, তাদের অবস্থা কি হয়েছে তা জনগণ জানে। এর থেকে শিক্ষাদেয় যে, ভোটাধিকার লুটের জন্য যে সিস্টেম গড়ে তোলা হয়েছে, তার সন্তোষজনক পরিণতি হয়নি।

    খানজাহান আলী থানা শ্রমিক দলের সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াদুল ইসলাম সঞ্চালনায় এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, খানজাহান আলী থানা বিএনপি সাবেক সভাপতি মীর কায়ছেদ আলী, সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেনসহ আরো অনেকে। জেলা ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় নেতারা এ সমাবেশে অংশ নেন।