Blog

  • বিপিএলের আসন্ন মৌসুম শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি

    বিপিএলের আসন্ন মৌসুম শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি

    আগামী ৩০ নভেম্বর বিকেল তিনটায় হোটেল রেডিসন ব্লুতে বিপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আজ, বুধবার, এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য ঘোষণা করে। এ বছরের বিপিএল প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মোট छह দল। নতুন করে যুক্ত হয়েছে নোয়াখালী, যা এবারের লিগে একটি নতুন দলেরূপে অন্তর্ভুক্ত। এই দলটির নাম রাখা হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস এবং তারা একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিরূপে লিগে অংশ নিচ্ছে।

    বিসিবি আরও জানিয়েছে, বিপিএলের জন্য গত কিছুদিনে বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ৫০০ জনের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে থেকে ২৫০ জন ক্রিকেটারকে বেছে নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান।

    বিপিএলের শুরুর তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১৯ ডিসেম্বর, যা নিয়ে বিসিবি নিশ্চিত করেছে। ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি। এর আগে, ১৭ ডিসেম্বর ঢাকাতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

    এর আগে বিসিবি পাঁচটি দল চূড়ান্ত করেছিল। তবে, দল সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের। অবশেষে, নভেম্বরের প্রথম দিকে গৃহীত সিদ্ধান্তে ৬ দলের লিগে রূপ দেওয়া হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর, বিপিএলের আগামী পাঁচটি আসরের জন্য পুরো ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলোর নাম ঘোষণা করা হয়েছে গভার্নিং কাউন্সিলের মাধ্যমে।

    এবারের বিপিএলে অংশ নিচ্ছে রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস, রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স এবং নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিলামের আগে, প্রত্যেক দল দুজন করে দেশীয় ও বিদেশি ক্রিকেটারের সরাসরি চুক্তি করার সুযোগ পেয়েছে।

    প্রতিটি দল তার-নিজস্ব প্রাথমিক দলে কয়েকজন ক্রিকেটার সই করে ফেলেছে। যেমন, ঢাকায় তাসকিন আহমেদ ও সাইফ হাসান, রাজশাহীতে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম, সিলেটে নাসুম আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ, রংপুরে নুরুল হাসান সোহান ও মোস্তাফিজুর রহমান এবং চট্টগ্রামে তানভির ইসলা এবং শেখ মেহেদীর মতো তারকা ক্রিকেটাররা দলবদলের মধ্যে রয়েছেন।

    এ ছাড়াও, বেশ কিছু বিদেশি ক্রিকেটারকেও নিজেদের দলে নিয়েছে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি। সবমিলিয়ে, এই মৌসুমের প্রত্যাশা রয়েছে রোমাঞ্চকর এবং উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ার।

  • বিপিএল নিলামে পাথিরানা, চার্লস ও মেন্ডিসসহ ২৫০ বিদেশি ক্রিকেটার

    বিপিএল নিলামে পাথিরানা, চার্লস ও মেন্ডিসসহ ২৫০ বিদেশি ক্রিকেটার

    অবশেষে, কয়েক দফা পিছিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও অনেক বিদেশি ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছেন, যার সংখ্যা এখন ৫০০ এর বেশি। তবে, যাচাই-বাছাই শেষে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল চূড়ান্ত করেছে ২৫০ জন বিদেশি ক্রিকেটারের নাম।

    নিলামে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ভারতের পিয়ূষ চাওলা, পাশাপাশি রয়েছেন রবী বোপারা, জনসন চার্লস ও পল স্টার্লিং। এছাড়া যুক্ত রয়েছেন রায়ান বার্ল, বাস ডি লিড, সন্দীপ লামিচানে এবং জর্জ মিনজি, সালমান আলী আঘা, উইন পার্নেল ও নিরোশান ডিকওয়াল।

    শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাররাই এই নিলামে সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জন। পাকিস্তানের ৪৫, ভারতের ৩, আয়ারল্যান্ডের ৬, আফগানিস্তানের ১৮ এবং যুক্তরাজ্যের ৫৪ জন ক্রিকেটারও অংশ নিচ্ছেন এই নিলামে।

    নিলামে অংশগ্রহণকারী ক্রিকেটারদের জন্য সুনির্দিষ্ট ক্যাটাগরি নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে মার্কিন ডলারে নির্ধারিত ভিত্তিমূল্য অনুযায়ী মূল্যমান নির্ধারিত হয়েছে। মূল ক্যাটাগরি ‘এ’ এর ভিত্তিমূল্য ৩৫ হাজার ডলার, যেখানে ‘বি’ ক্যাটাগরি ২৬ হাজার, ‘সি’ ২০ হাজার, ‘ডি’ ১৫ হাজার এবং ‘ই’ ক্যাটাগরির মূল্য ধার্য হয়েছে ১৫ হাজার ডলার। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে ডাকে বাড়বে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ।

    বিপিএলের সবচেয়ে সরদ্ধশীল সংক্ষিপ্ত তালিকায় রয়েছেন ৪০ জন ক্রিকেটার, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে থাকছেন পিয়ূষ চাওলা, শোয়েব মালিক, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, জনসন চার্লস, কেসি কার্টি, জর্জ মিনজি, ওয়েন পার্নেল, উসামা মির, মোহাম্মদ হাসনাইন, জামান খান, আব্দুল সামাদ, দাসুন শানাকা, জর্জ ডকরেল, বাস ডি লিড, শান মাসুদ, সালমান আলী আঘা, দীনেশ চান্দিমাল, লাহিরু কুমারা, বিনুরা ফের্নান্দো, নিরোশান ডিকওয়ালা, চামিকা করুণারত্নে, জেফরি ভেন্ডারসি, দুনিথ ভেল্লালাগে, দুশমন্থ চামিরা, কামিন্দু মেন্ডিস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, মাহিশ থিকশানা, মাথিশা পাথিরানা, চারিথ আসালািঙ্কা, মোহাম্মদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ হারিস ও আমের জামাল।

    ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আছেন ২২ ক্রিকেটার, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন সন্দ্বীপ লামিচানে, আসিফ আলি, সালমান মির্জা, রিচার্ড এনগারাভা, স্কট এডওয়ার্ডস, হ্যারি টেক্টর, আলী খান, হাসমতউল্লাহ শহীদি, ইসুরু উদানা, সৌদ শাকিল, রবী বোপারা, সামিত প্যাটেল, সাদিরা সামারাবিক্রমা, শরাফউদ্দিন আশরাফ, নাজিবউল্লাহ জাদরান।

    ‘সি’ ক্যাটাগরিতে মোট ৬০ ক্রিকেটার রয়েছেন, তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নাম হলেন হায়দার আলী, জাহানদাদ খান, শন উইলিয়ামস, সামিউল্লাহ শিনওয়ারি, জেমস ফুলার, লাহিরু মিলান্থা, খুররম শেহজাদ ও উইলিয়াম বসিস্তো। এছাড়া দিলশান মুনাবিরা, প্রমোদ মাদুশান, আশেন বান্দারা, আব্দুল্লাহ শফিক, কেনার লুইস, রেইমন রেইফার, শামার স্প্রিঙ্গার, অ্যাঞ্জেলো পেরেরা, আমির হামজা হোটাক, রস হোয়াইটলি, জশ লিটল, ড্যান পেটারসন, কাসুন রাজিথা, বিজয়কান্ত বিশ্বকান্ত, লাহিরু উদারা, ইনোসেন্ট কাইয়া, অলিক অ্যাথনাজ, অ্যারন জোন্স, আকিলা ধনঞ্জয়া, ইহসানউল্লাহ খান, জশুয়া ডি সিলভা, শেলডন কটরেল, রায়ান বার্ল, কার্টিস ক্যাম্পফার ও পল স্টার্লিং উল্লেখযোগ্য।

    ‘ডি’ ক্যাটাগরির মধ্যে ২৫ জন ক্রিকেটার রয়েছেন, যেমন উসমান কাদির, ব্রায়ান বেনেট, কাশিফ আলী, দীপেন্দ্র সিং আইরে, মির হামজা, ইরফান খান নিয়াজি, শেভন ড্যানিয়েল, ব্র্যাড ইভানস, সালিম সাফি ও আহমেদ দানিয়াল। এর পাশাপাশি ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ৯৮ জন ক্রিকেটার থাকছেন, যেমন নিমেশ বিমুক্তি, জশুয়া বিশপ, আসাদ রাজা, আসিফ শেখ, গুলশান ঝা, সোমপাল কামি, রুম্মন রাইস, মির্জা সাদ বেগ, চন্দরপল হেমরাজ, জনাথন ক্যাম্পবেল ও এডওয়ার্ড বার্নার্ড।

  • বিপিএলের নিলামে ৩ ভারতীয়, সুইডেনের এক ক্রিকেটার

    বিপিএলের নিলামে ৩ ভারতীয়, সুইডেনের এক ক্রিকেটার

    আগামী মাসে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ক্র độiব্যাপার বিপিএলের ১২তম আসর মাঠে গড়ানোর কথা রয়েছে। এর এক দফা প্রস্তুতি হিসেবে, ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটারদের নিলাম অনুষ্ঠান। আজকের দিনেই প্রকাশিত হয়েছে নিলামে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত ক্রিকেটারদের তালিকা। এই তালিকায় দেশের ১৫৬ জন ক্রিকেটার সরাসরি স্থান পেয়েছেন, আর বিদেশি ক্রিকেটার সংখ্যা প্রায় আড়াইশো।

    বিশেষ করে, বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটাররা তিনজন রয়েছেন। সাধারণত ভারতীয় খেলোয়াড়রা বিদেশি লিগে খেলেন না। তবে এ রকম কিছু অন্যথা হলে তাদের জন্য কঠিন কিছু বাধা থাকেন। এইসব বাধা এড়াতে ভারতীয় ক্রিকেটাররা প্রায় সবাই তার দেশের জাতীয় দলের খেলোয়াড় থাকাকালীন দেশের বাইরে খেলতে চাইলে অনেক ক্ষেত্রেই অবসরে যেতে হয়। তবে এই বাধা অতিক্রম করে, সাবেক স্পিনার পিযুষ চাওলা নিলাম সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। পিয়ুষ চাওলা ভারতের হয়ে ৩টি টেস্ট, ২৫টি ওয়ানডে এবং ৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তিনি আইপিএলের গত আসরে খেলেননি। যদিও তার আগের বছরে তিনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জার্সি গায়ে ১১ ম্যাচ খেলেছিলেন এবং ১৩টি উইকেট নেন।

    নিলামের ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছেন তিনি। অন্য দুই ভারতীয় ক্রিকেটার, আরিয়ান সাক্সেনা ও আকাশ গোমেল, রয়েছেন ‘ই’ ক্যাটাগরিতে। তাদের মধ্যে গোমেল অলরাউন্ডার হিসেবে পরিচিত, তবে তিনি শুধুমাত্র একবার টি-২০ খেলেছেন। অন্যদিকে, সাক্সেনা এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে, সেটাও সংযুক্ত আরব আমিরাতের হয়ে।

    বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ব্যাপক সংখ্যায় রয়েছেন ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং উইেস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা সর্বোচ্চ, যেখানে ৫৪ জন রয়েছেন। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও উইسٹ ইন্ডিজের প্রতিনিধির সংখ্যা যথাক্রমে ৫০, ৪৫ ও ৩০। এছাড়া আফগানিস্তান থেকে আছেন ১৮ জন, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ১১ জন ক্রিকেটার।

    আরও আছেন আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও নেপালের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। তবে, নিউজিল্যান্ড থেকে কেউ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন না। এদিকে, সুইডেনের একজন ক্রিকেটার রয়েছেন, তার নাম মো. আরিফ হোসেন।

  • বিপিএল: নোয়াখালী এক্সপ্রেসে সৌম্য-হাসান, কোচ সুজন

    বিপিএল: নোয়াখালী এক্সপ্রেসে সৌম্য-হাসান, কোচ সুজন

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) আবারও নতুন উচ্ছ্বাসে ফিরতে চলেছে। আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ আসরের জমজমাট নিলাম, যা ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য এক আনন্দের অপেক্ষার নাম। শুরুতে পাঁচটি দল নিয়ে গড়া হলেও শেষ মুহূর্তে নতুন এক দল যুক্ত হয়েছে—নোয়াখালী এক্সপ্রেস। এর মধ্যে এ দলটি অভিষেকেই দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণে বাঢ়ে উৎসাহ।

    নোয়াখালীর এই দল গঠনে দেশ ট্রাভেলসের মালিকানাধীন অঙ্গনটি বেশ সচেতনভাবে দল সাজাচ্ছে। তারা কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ দক্ষ কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনকে, যিনি জাতীয় দলের সাথে কাজের অভিজ্ঞতাও রাখেন। তাদের দলে ভিড়েছে তারকাখচিত ক্রিকেটার—সৌম্য সরকার ও পেসার হাসান মাহমুদ। সৌম্য খেলেছেন গত মৌসুমে রংপুর রাইডার্সে, আর হাসান ছিলেন খুলনা টাইগার্সের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার।

    নতুন দলটির বিদেশি খেলোয়াড় সংগ্রহেও তারা চোখ রাখছে ভালো মানের ক্রিকেটারদের। ইতোমধ্যে ক্যারিবীয় হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান জনসন চার্লসকে দলে নেওয়ার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায় আছে বলে জানা গেছে।

    এছাড়া, অন্যান্য দলের মালিকানায় বড় পরিবর্তন এসেছে। রংপুর রাইডার্সের মালিক টগি স্পোর্টস (বসুন্ধরা গ্রুপ), ঢাকা ক্যাপিটালসের মালিক চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস (রিমার্ক-হারল্যান), রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মালিক নাবিল গ্রুপ, সিলেট স্ট্রাইকার্সের মালিক ক্রিকেট উইথ সামি এবং চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা ট্রায়াঙ্গাল সার্ভিসেস।

    নিলাম ও টুর্নামেন্টের সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর প্লেয়ার্স ড্রাফট বা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এবারের আসরে অংশগ্রহণের জন্য ৫০০টির বেশি বিদেশি ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন ২৫০ জন। মাঠের লড়াই শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, এবং ফাইনালের মাধ্যমে পর্দা নামবে ১৬ জানুয়ারি। এই দ্বাদশ আসরটি নিশ্চয়ই ক্রিকেট বিশ্বের জন্য নতুন চমক অপেক্ষা করছে।

  • হৃদয়ের লড়াইয়ে মরিয়া বাংলাদেশের প্রতিরোধ, তবে শেষ হাসি আয়ারল্যান্ডের

    হৃদয়ের লড়াইয়ে মরিয়া বাংলাদেশের প্রতিরোধ, তবে শেষ হাসি আয়ারল্যান্ডের

    বাংলাদেশের জন্য প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছিল মোটেও সহজ নয়। স্বাগতিকরা যদি ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়ার রেকর্ড গড়তে পারেন, তবে তারা সেটাই করতে পারেননি। শুরুতেই দারুণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে তারা। ইনিংসের তৃতীয় বলেই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম উইকেট হারান। বাঁহাতি স্পিনার ম্যাথু হামফ্রিসের বলে উড়ানোর চেষ্টায় মিড অনে হ্যারি টেক্টরের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। পরের ওভারে লিটন দাসও যান। মার্ক অ্যাডায়ারের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ৩৯ রানের মধ্যে বাংলাদেশের দুই ওপেনারই ফিরে যান। এটি ছিল বাংলাদেশের জন্য এক বাজে সূচনা।

    অধিনায়ক লিটন দাস মাত্র ১ রান করে আউট হন। পারভেজ হোসেন ইমনও সুবিধাজনক সময়ে ঝড় তুলতে পারেননি; অ্যাডায়ারের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে জর্জ ডকরেলের হাতে ক্যাচ দেন। তিনি ৬ বলে ১ রানের বেশি করতে পারেননি। এর আগে, সাইফ হাসানও পাওয়ার প্লে শেষে ফিরে যান। ব্যারি ম্যাকার্থির বলে পড়ে গেলে তিনি সাজানো ইনিংসের অবসান ঘটান। তিনি ১৩ বলে ৬ রান করে আউট হন।

    এর পর দ্রুত চার উইকেট হারানোর পর হৃদয় ও জাকের জুটি গড়েন। তবে ম্যাকার্থি তাদের জুটিকে খুব বেশি সুবিধা করতে দেননি। ডানহাতি পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে জাকের টেনে খেলতে চেয়েছিলেন তবে ঠিকভাবে টাইমিং করতে পারেননি, বল ব্যাটের কানায় লেগে থার্ড ম্যান এলাকায় চলে যায়। জাকেরের ব্যাটে সম্ভাব্য জোট ভাঙ্গে ২০ রানে। এই পর্যায়ে হৃদয় ও জাকেরের মধ্যে ৪৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি সৃষ্টি হয়।

    তবে জাকেরের আউটের মাধ্যমে এই জুটি ভেঙে যায়। তার আগে, জাকেরের লেগে ক্যাচ চলে যায় থার্ড ম্যানের সামনে। এরপর দ্রুতই ফিরে যান সাকিব ও রিশাদও। ব্যাট হাতে মাঠে থাকাকালীন একা লড়াই চালিয়ে যান হৃদয়। তিনি অবিশ্বাস্যভাবে ৮৩ রান করেন, কিন্তু স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ৯ উইকেটে ১৪২ রানে। আয়ারল্যান্ডের হয়ে চারটি উইকেট নেন হামফ্রিস, ম্যাকার্থি ও অ্যাডায়ার তিনটি করে উইকেট নেন।

    এর আগে, টস হারিয়ে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো পাওয়ার চেষ্টা করে। তবে দ্রুতই তারা প্রতিপক্ষের আঘাতের শিকার হয়। অধিনায়ক পল স্টার্লিং ২১ রান করে ফিরে গেলেও, টিম টেক্টর তার সাথে যোগ দেন। তিনি ২২ রান করেন। লরকান টাকার ১৮ ও কার্টিস ক্যাম্ফার ২৪ রান করে আয়ারল্যান্ডের স্কোর এগিয়ে নিয়ে যান। বাংলাদেশের প্রতি আক্রমণ চালিয়ে যান হ্যারি টেক্টর। ৪৫ বলে তিনি ৬৯ রান করে অবদান রাখেন। শেষের দিকে আয়ারল্যান্ড ১০৪ রান যোগ করে শেষ ১০ ওভারে। এর ফলে তারা ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান সংগ্রহ করে। এই স্কোর বাংলাদেশের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করে।

  • হংকংয়ে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি বেড়ে ৪৪, নিখোঁজ ২৭৯

    হংকংয়ে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি বেড়ে ৪৪, নিখোঁজ ২৭৯

    হংকংয়ের উত্তর হংকংয়ের টাই পো জেলায় অবস্থিত ওয়াং ফুক কোর্ট নামের এক বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই অগ্নিকাণ্ডে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এখনও খোঁজ মিলছে না ২৭৯ জনের, যারা সম্ভবত ভবনের ভিতরে আটকা পড়ে রয়েছেন। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন অনেক বাসিন্দা। আহত ও দগ্ধ ২৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যার মধ্যে সাতজনের অবস্থা গুরুতর। খবর আল-জাজিরা সংবাদ সংস্থার।

    বুধবার রাতে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যখন ওই ভবনের ৩১ তলা বিভিন্ন আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আবাসিক ভবনগুলো থেকে প্রচণ্ড কালো ধোঁয়া ও শিখা আকাশে উড়তে দেখা যায়। আগুনের ভয়াবহতায় দমকল বিভাগ ‘লেভেল-ফাইভ অ্যালার্ম’ ঘোষণা করে, যা সর্বোচ্চ সতর্কতা নির্দেশ করে।

    হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি বৃহস্পতিবার সকালে এই অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করেন। এর আগে, ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছিলো ন’জনের মৃত্যুর কথা।

    ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক ডেরেক আর্মস্ট্রং চ্যান জানান, রাতের অন্ধকার ও প্রচণ্ড তাপমাত্রার কারণে আগুনে প্লাবিত ভবন দুটিতে প্রবেশে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। ধসে পড়া স্ক্যাফোল্ডিং ও ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারকাজে বড় বাধা হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, অনেক বাসিন্দা নিজেদের ফ্ল্যাটে আটকা পড়ে থাকতে পারেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। তবে তাদের কাছে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, তা নিশ্চিত করে জানানো হয়নি।

    ১৯৯৬ সালে, কাঁউলুনের গার্লি বিল্ডিংয়ে আগুনে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যা হংকংয়ে এর আগে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড। এই দুর্ঘটনাও নেচে আসে বাঁশের স্ক্যাফোল্ডিং থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে। ধ্বংসাবশেষ পড়ার শব্দে আশপাশের মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। অগ্নিনির্বাপণ কাজের জন্য ১২৮টি ফায়ার ট্রাক ও ৫৭টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পাশাপাশি কাছাকাছি দুটি কমিউনিটি সেন্টারে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

    টাই পো জেলায়, যেখানে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, সেখানে জনসংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। রেকর্ড অনুযায়ী, এই কমপ্লেক্সে প্রায় দুই হাজার ফ্ল্যাটে থাকতেন মোট ৪৮০০ ব্যক্তি। অগ্নিকা-ের কারণে এই এলাকাটি এখন শোকাবহ ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।

  • ইন্দোনেশিয়ায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় ভূমিকম্প, কাঁপল দেশটি

    ইন্দোনেশিয়ায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় ভূমিকম্প, কাঁপল দেশটি

    ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া। এই ভূমিকম্পটি বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) উত্তর সুমাত্রার পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে। আশঙ্কা করা হচ্ছে না সুনামির। একটি প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, আচেহ প্রদেশের কাছাকাছি সুমাত্রা দ্বীপে এই ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে। দেশটির ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা বলছে, ভূমিকম্পের আকর্ষণ ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। একই সময়ে চীনা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, জার্মান গবেষণা কেন্দ্র ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) এর তথ্যে দেখা গেছে, সুমাত্রার পশ্চিম উপকূলে ৬ দশমিক ২ মাত্রার এই ভূমিকম্পও হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এর উৎপত্তিস্থল ছিল ২.৬৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯৫.৯৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে, ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটারের বেশি। এরআগে বড় একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাত ১২টায়, যেখানে নর্থ সুলাওয়েসিতে ৫ দশমিক ১ মাত্রার ভূকম্পন ঘটে। ইউএস জিওলজিকাল সার্ভার (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নর্থ সুলাওয়েসির তন্দানার ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং গভীরতা ছিল ১২০.৯ কিলোমিটার। এদিকে,বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গত শুক্রবার ৫ দশমিক ৭ শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যা বিগত বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত। ভূমিকম্পের সময় বিভিন্ন মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ঘর ছেড়ে রাস্তায় নামতে শুরু করেন। বহুতল ভবনগুলো থেকে মানুষ দ্রুত নিচে নেমে আসেন, যার ফলে শহরে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। নরসিংদীতে এই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। সূত্র: ভলকানো ডিসকভারি

  • হংকংয়ে বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা ৫৫, আটক ৩

    হংকংয়ে বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা ৫৫, আটক ৩

    হংকংয়ের তাই পো এলাকায় একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এ ঘটনার সূত্রপাতের পর বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বার) ভোরে এখনও ধোঁয়া উঁচুতে দেখা গেছে। দেশটির ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, চারটি ভবনের আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে পুরোপুরি নিভাতে তাদের আরও সারা দিন সময় লাগবে বলে ধারণা। ওয়াং ফুক কমপ্লেক্সের আটটি ভবনের মধ্যে চারটি আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে, অন্য তিনটি ভবন আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় আশপাশের ১৩টি স্কুল স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিসের সর্বশেষ আপডেটে নিশ্চিত করা হয়েছে, এই দাহ্য অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন ৫১ জন, আর বাকি চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৪৫ জন, যেখানে আটজন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী রয়েছেন। আরো নিখোঁজ রয়েছেন ২৭৯ জন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন হংকং শহরের প্রধান নির্বাহী জন লি।

    অগ্নিকাণ্ডের প্রথম খবর পেয়ে বুধবার বেলা ২:৫১ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুন লাগার পর শত শত বাসিন্দা দ্রুতই আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরিত হন। যাঁরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য জরুরি পুনর্বাসন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

    বিবিসি জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায়ও ভবনগুলো থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছে। এখনো কোথাও কোথাও ছোট ছোট শিখা দেখা যাচ্ছে, ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

    এদিকে, আগুন লাগার পর থেকেই অনেক বাসিন্দা ঘটনাস্থলে ভিড় করেছেন। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগে তারা দ্রুত ভবন থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন। অনেকে রাতে বন্ধু বা পরিবারের বাড়িতে থাকার কারণে ভোরে এসে নিজের প্রিয় গৃহের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে থাকেন।

    প্রাথমিকভাবে কি কারণে অগ্নিকাণ্ডের সূচনা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে, ঘটনা তদন্তে পুলিশ একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের দুই পরিচালক ও একজন প্রকৌশলীকে গ্রেপ্তার করেছে।

    বিশ্লেষকদের ধারণা, আগুন অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অসচেতনতা বা নিরাপত্তা মানের অভাব দেখা দিয়েছে। ভবনের ভিতর পলিস্টাইরিনসহ অন্যান্য দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন আরও দ্রুত বিস্তার করে। এছাড়াও, ভবনের নিরাপত্তা জাল, ক্যানভাস ও প্লাস্টিকের কভারগুলো মান অনুযায়ী না থাকার কারণেও এই বিপর্যয় ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • এবার ভারতের পাশাপাশি ভূমিকম্পে কাঁপলো অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলো

    এবার ভারতের পাশাপাশি ভূমিকম্পে কাঁপলো অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলো

    ভারতে সম্প্রতি ৩.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ভোর ৫টা ৪২ মিনিটে দেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে শক্তিশালী এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে glücklicherweise, এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    এর আগে ভুটান ও বঙ্গোপসাগরেও ক্ষুদ্র মাত্রার আরও দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রাত ২:৫৯ মিনিটে বঙ্গোপসাগরে ৪.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। পাশাপাশি, গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে ভুটানে ঘটে ৩.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প।

    অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়াও মাঝারি শক্তির এক ভূমিকম্পে কাঁপে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাত ১২টায় দেশটির উত্তর সুলাওয়েসি অঞ্চলে ৪.৫ মাত্রার এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর ফলে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভের (ইউএসজিএস) তথ্যমতে, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর সুলাওয়েসির তন্দানার ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণে, যার গভীরতা ছিল ১২০.৯ কিলোমিটার।

    আরও একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্প ঘটে গত রোববার (২৩ নভেম্বর), যেখানে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর মালুকু প্রদেশের হালমাহেরা অঞ্চলে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ভূমিকম্পেও কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া ‘রিং অব ফায়ার’ বরাবর অবস্থিত, যেখানে বেশ কয়েকটি টেকটোনিক প্লেট মিলিত হয়ে অবস্থিত। এই অঞ্চলে প্রায়শই ভূমিকম্প ও অগ্ন্যুৎপাৎ ঘটে থাকে।

  • হংকংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা ৭৫ ছাড়ালো, নিখোঁজ আরও ২৭০ জন

    হংকংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা ৭৫ ছাড়ালো, নিখোঁজ আরও ২৭০ জন

    হংকংয়ের বেশ কয়েকটি উঁচু বিল্ডিংয়ে বিভীষিকাময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৭৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ভয়াবহ ঘটনার মধ্যে শহরটির ইতিহাসে ছয় দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় অগ্নিকাণ্ড বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এখনও প্রায় ২৭০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, অন্যদিকে হাজার হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অনেক ভবনে এখনও আগুন জ্বলছে এবং ঘন ধোঁয়া সীমান্ত পেরিয়ে চীনের আকাশেও ছড়িয়ে পড়ছে।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের বয়স ৫২ থেকে ৬৮ বছরের মধ্যে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে দু’জন একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এবং একজন প্রকৌশল পরামর্শদাতা আছেন। পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, কোম্পানিটির দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার প্রমাণ মিলেছে।

    চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, চীনের রাষ্ট্রপতি শি চিন পিং হতাহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। নিহতদের মধ্যে এক ফায়ারফাইটারও রয়েছেন, যিনি দায়িত্ব পালনের সময় প্রাণ হারিয়েছেন।

    ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুর ২টা ৫১ মিনিটে, হংকংয়ের উত্তরাঞ্চলীয় তাই পো এলাকায় অবস্থিত একটি বৃহৎ আবাসন কমপ্লেক্স ওয়াং ফুক কোর্টে। এই ৩১ তলার আটটি ভবনের এই কমপ্লেক্সে প্রায় ৪,৬০০ জন বাসিন্দা থাকেন, যার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশের বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি।

    বলা হচ্ছে, ১৯৮৩ সালে নির্মিত এই ভবনগুলোর সংস্কার কাজ চলাকালীন সময়েই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত সাতটি ব্লক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার ফলে স্থানীয় কমিউনিটিতে ও দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।