Blog

  • ট্রাম্পকে সরাতে ‘নো কিংস’: যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ আন্দোলনের ডাক

    ট্রাম্পকে সরাতে ‘নো কিংস’: যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ আন্দোলনের ডাক

    যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারো ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি নিয়ে বড় আন্দোলনের ডাক দিলেন প্রতিবাদকারীরা। আন্দোলনের নাম ‘নো কিংস’।

    আয়োজকরা জানান, এই শনিবার সারাদেশে ৩ হাজারেরও বেশি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে। তারা বলছেন, এটি আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ বিক্ষোভ দিবস হতে পারে।

    অভিযানের লক্ষ্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—তাঁর নীতি ও অবস্থানের বিরুদ্ধে গণপ্রতিবাদ ঘটানো হবে। এবারের প্রতিবাদের প্রধান ইস্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নীতি এবং ইরানের সঙ্গে সংঘাতের আশঙ্কা।

    এর আগে ২০২৫ সালের জুন ও অক্টোবরেও ‘নো কিংস’ কর্মসূচি জোরালো হয়েছিল; আয়োজকদের দাবি তখন জুনে প্রায় ৫০ লক্ষ এবং অক্টোবরে প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষ অংশ নিয়েছে।

    ওয়াশিংটন ডি.সি., মিনিয়াপোলিস, শিকাগো ও সান ফ্রান্সিসকোতে বড় সমাবেশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ছোট অঙ্গরাজ্য ভারমন্টেও মাত্র ৬ লাখ ৪৬ হাজার মানুষের বাসের মধ্যে সত্ত্বেও ৪০টিরও বেশি বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    আয়োজকরা মনে করেন, এই দিনের প্রতিবাদ অনুষ্ঠানগুলো মিলিয়ে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত হতে পারে।

  • লেবাননের পর ইয়েমেনও ইরানের পক্ষে: ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

    লেবাননের পর ইয়েমেনও ইরানের পক্ষে: ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

    ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সংঘাত নতুন মোড় নিয়েছে। লেবাননের পর এবার ইয়েমেন থেকেও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আছড়ে পড়ার হুমকি ও কর্মকা- পরিলক্ষিত হয়েছে, যা যুদ্ধকে আরও জটিল করে তুলেছে।

    যুদ্ধের দ্বিতীয় মাসে পদার্পণের পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইয়েমেন থেকে তাদের ভূখণ্ডের দিকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। রবিবার না—শনিবার (২৮ মার্চ) ভোরে দেওয়া ওই বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, তারা হামলা শনাক্ত করেছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে প্রতিহত করার কাজ করছে। খবরটি প্রথমে দ্য গার্ডিয়ানের রিপোর্টে উঠে আসে।

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সরাসরি সংঘাতে নামার হুমকি প্রকাশ করার সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি তীব্রতা পেয়েছে। যদিও অঞ্চলজুড়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী আগেই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি জানিয়েছিল, সরকারি পর্যায়ে ইয়েমেন থেকে হামলার কথা এটাই প্রথমবার ইসরায়েলের স্বীকৃতি।

    ঘটনার ঠিক এক দিন আগে তেলআবিবে বড় ধরনের হামলার খবর পাওয়া যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান থেকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে অন্তত পাঁচ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছিল তেলআবিব লক্ষ্য করে, যা অঞ্চলজুড়ে এনেকটি উত্তেজনার সঞ্চার করেছে।

    ইয়েমেন থেকে শুরু হওয়া এই নতুন ফ্রন্ট মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধকে আরও জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগও তীব্র হচ্ছে এবং পরিস্থিতি মনিটরিং ও কূটনৈতিক উদ্যোগ দাবি করছে।

  • টানা ১০ দিন বন্ধ থাকার পর ভোমরা স্থলবন্দর পুনরায় চালু

    টানা ১০ দিন বন্ধ থাকার পর ভোমরা স্থলবন্দর পুনরায় চালু

    সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর টানা ১০ দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার (২৮ মার্চ) থেকে আবারও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং সাপ্তাহিক ছুটির কারণে গত ১৮ মার্চ (বুধবার) সকাল থেকে ২৭ মার্চ (শুক্রবার) পর্যন্ত বন্দরের সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থগিত ছিল।

    এইভাবে এত দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সরকার মোটা অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন। তবে বন্ধ থাকা সময়েও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকে, যদিও সংখ্যাটি ছিল অপেক্ষাকৃত কম।

    ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা জানিয়েছেন, ঈদ উপলক্ষে দুই দেশের ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দের আলোচনার পরে গত ১৮ মার্চ থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। শনিবার সকাল থেকেই বন্দরে পুনরায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ধীরে ধীরে পুরোদমে চালু হয়েছে।

    ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক রাশেদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঈদের দীর্ঘ ছুটির সময়ও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত সুবিধাভোগী ছিল, তবে ছুটির দিনে যাত্রীসংখ্যা ছিল খুবই কম।

    ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মিজানুর রহামন জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঘোজাডাঙা স্থলবন্দর ও ভোমরা স্থলবন্দরের ব্যবসায়ি সমিতির নেতাদের যৌথ সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ১৮ মার্চ থেকে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখা হয়। শনিবার থেকে আবারও বন্দরের সব ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, জেলার শহর থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্থলবন্দরটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক করিডোর হিসেবে বিবেচিত। ভারতের ঘোজাডাঙা থেকে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৬০ কিলোমিটার হওয়ায় ভোমরা বন্দর ব্যবসায়িকভাবে কৌশলগত গুরুত্ব রাখে। গত ঈদের ছুটি ও সরকারি ছুটির কারণে সর্বোচ্চ ১০ দিন বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এখানকার রাজস্ব আহরণে বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে।

    বন্দর চালুর সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন ও পণ্য আমদানি-রপ্তানি ধীরে ধীরে গতিতে ফিরছে এবং বন্দরে কর্মরত ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মধ্যে উৎসাহ দেখায়।

  • জিয়াউর রহমানের নাম উঠবে ভয়ে পূর্বের সরকার খাল খনন বন্ধ রেখেছিল: প্রতিমন্ত্রী

    জিয়াউর রহমানের নাম উঠবে ভয়ে পূর্বের সরকার খাল খনন বন্ধ রেখেছিল: প্রতিমন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান; এই কর্মসূচি পরবর্তীতে কৃষিতে বিপ্লব সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু পরে রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার নাম উঠে আসবে — এমন রাজনৈতিক সংকীর্ণতার কারণে পরবর্তী সরকারগুলো খাল খনন চালিয়ে রাখতে রাজি হননি এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ‘‘শুধু সেই ক্ষুদ্র চিন্তার কারণে খাল খনন বন্ধ রাখার ফলেই জনগণ বঞ্চিত হয়েছে,’’ তিনি বলেন।

    আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বুরুলি খালের তিন কিলোমিটার পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ‘‘বিগত সময়গুলোতে রাজনৈতিক পার্থক্যের কারণে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি স্থগিত থাকায় বহু এলাকার কৃষি ও জীবনযাত্রা প্রভাবিত হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর—প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায়—জনগণের利益ে পুনরায় খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।’’

    অমিত বলেন, সরকার এই অঞ্চলের মানুষের দুঃখ-কষ্টের স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জলাবদ্ধতা কমাতে বর্তমানে ৮১.৫০ কিলোমিটার নদ-নদী পুনঃখননের কাজ চলছে। পাশাপাশি ভবদহ এলাকায় ২১টি অভ্যন্তরীণ খাল পুনঃখননের কর্মকাণ্ডও দ্রুত এগোচ্ছে। বর্ষা আসার আগে ভবদহে মোট ২১টি ভেন্ট-স্লুইসগেটের মধ্যে ১৭টিতে কপাট খুলে পানি নিষ্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    তিনি স্থানীয় প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) বর্ষার আগেই বাঁধ অপসারণ ও স্লুইসগেট সচল করতে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে গতবারের তুলনায় এবারের জলাবদ্ধতা অন্তত ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তিনি সেনাবাহিনী পরিচালিত খননকাজে তরুণ সমাজকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে অংশগ্রহণের অনুরোধ জানান।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যশোর জেলা প্রশাসক আশেক হাসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মামুনুর রশিদ, যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জী, প্রভাষক জুলমত আলী, এম এ আলিম প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানের পর প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বুরুলি খালের মাটি কাটার মাধ্যমে পুনঃখনন কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে উপজেলার বুরুলি, পাথরা, পাঁজিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও কৃষ্ণনগর বিলের পানি সহজেই উপার ভদ্রা নদীতে নিষ্কাশিত হবে। বর্তমানে খালটি পলিতে ভরাট হওয়ায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হয়ে এই এলাকার কৃষকরা ফসল উৎপাদনে হোঁচট খাচ্ছিলেন—এই সমস্যার সমাধানেই পুনঃখনন কাজ করা হচ্ছে।

  • পদ্মা বাসডুবিতে দেশ শোকে—সাকিব, তামিম, লিটনসহ ক্রিকেটারদের সমবেদনা

    পদ্মা বাসডুবিতে দেশ শোকে—সাকিব, তামিম, লিটনসহ ক্রিকেটারদের সমবেদনা

    পদ্মা নদীতে সৌহার্দ্য পরিবহনের বাস ডুবির ঘটনায় পুরো দেশ শোকে ভুগছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্ধারকাজ ও স্বজনদের আহাজারি, মরদেহ উদ্ধারের করুণ চিত্র চোখে পড়ছে। স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনার ছবি এখন অনেকের টাইমলাইনে ছড়িয়ে পড়ে; শোকের তালুপরাই পুরো জাতি স্তব্ধ।

    ক্রিকেটাররাও এই মর্মান্তিক ঘটনার শোকপ্রকাশ করেছেন। তামিম ইকবাল নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সৌহার্দ্য পরিবহনের ডুবে যাওয়া বাসটির একটি ছবিসহ লিখেছেন, “আমরা শোকাহত ও ২০২৬ সালের ২৫ মার্চ তারিখকে স্মরণ করব।” ক্যাপশনে তিনি আরবি ভাষায় দোয়া аяқ করে জানান, ‘‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক মানুষকে দোয়ায় রাখছি। আল্লাহ তাদের পরিবারকে ধৈর্য ও আরোগ্য দান করুন।’’

    সাকিব আল হাসিও ফেসবুকে ডুবে যাওয়া দুর্ঘটনাকে মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকাহত পরিবারদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। তাঁর পোস্টে তিনি দ্রুত নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধার কামনা করেন এবং সকলের নিরাপত্তা ও রক্ষার প্রার্থনা করেছেন।

    নুরুল হাসান সোহানও সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করে লেখেন, ফেরিঘাটে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়; তিনি উল্লেখ করেন যে ওই পথটাই তারও ব্যবহার্য পথ, তাই ঘটনাটি তার কাছে আরো কাছের। বরাবরের মতো তিনি প্রার্থনা করেছেন—আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন ও শোকগ্রস্থ পরিবারেরদের ধৈর্য দিন।

    দেশজুড়ে সাম্প্রতিক সময়ের ধারাবাহিক দুর্ঘটনা—রেল, লঞ্চ ও ফেরি সংক্রান্ত ঘটনাগুলো নিয়েও ক্রিকেটার লিটন দাস ও রুবেল অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। লিটন লিখেছেন, এত মানুষের প্রাণহানি ও কষ্ট হৃদয়বিদারক; তিনি নিহতদের পরিবারগুলোর জন্য প্রার্থনা করেছেন। রুবেল প্রশ্ন করেছেন, ঈদে কেন আমাদের দেশে এত দুর্ঘটনা ঘটে—এটিকে কি অসচেতনতার ফল, নাকি অন্য কোন কারণ?

    দুর্ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাস গতকাল রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে উঠার সময় ফেরির পল্টুন ছিঁড়ে নদীতে পড়ে যায়। অনেক যাত্রী ফেরিতে ওঠার আগে বাস থেকে নেমে দাঁড়ানোর ফলে প্রাণে বেঁচে গেছেন; কেউ কেউ সাঁতরে তীরে উঠেছেন; আবার অনেকের কাছের মানুষ এখনও হারিয়েছেন। এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার ও তদন্ত অভিযান অব্যাহত আছে।

    ঘটনা তদন্ত ও নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধারের দিকে সবই নজর হচ্ছে। শোকস্তব্ধ দেশবাসী ও খেলোয়াড়দের আন্তরিক সমবেদনা ও দোয়া সেইসব পরিবারগুলোর পাশে আছে যারা এই দুর্ঘটনায় প্রিয়জন হারিয়েছেন।

  • ইরান ঘোষণা: শত্রু দেশগুলোতে ক্রীড়াবিদ পাঠানো হবে না

    ইরান ঘোষণা: শত্রু দেশগুলোতে ক্রীড়াবিদ পাঠানো হবে না

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পালটা হামলা শুরু হওয়ার প্রায় এক মাস পরে ইরান কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে — যেসব দেশকে শত্রু মনে করে, সেখানে তাদের কোনো জাতীয় বা ক্লাব ক্রীড়াদল পাঠানো হবে না। ইরানের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘‘যে দেশগুলো শত্রুভাবাপন্ন এবং আমাদের ক্রীড়াবিদ ও প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা দিতে অক্ষম, সেসব দেশে কোনো দল পাঠানো হবে না। এ নির্দেশ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।’’

    মন্ত্রীদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি কোনো নির্দিষ্ট খেলা বা ইভেন্টের জন্য নয়—ফুটবলসহ সব ধরনের ক্রীড়াবিদের ওপর এই নিষেধ প্রযোজ্য হবে। শেষ রাতে প্রকাশিত ঘোষণায় সাফ জানানো হয়েছে যে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে ক্রীড়াবিদদের কোনো আন্তর্জাতিক সফর হবে না।

    আগামী মাসে সৌদি আরবে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব ম্যাচ আয়োজন হওয়ার কথা থাকায় এই সিদ্ধান্তটি বিশেষভাবে তাৎপর্য বহন করে। ইরানের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনকে অনুরোধ করেছে যে, ওই ম্যাচগুলো অন্যত্র সরানো যায় কিনা সে বিষয়ের উদ্যোগ নিক। তবে বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি যে ‘শত্রু দেশ’ বলতে ইরান কোন দেশগুলোকে বুঝিয়েছে।

    এ ইস্যু ফুটবল বিশ্বকাপকেও ছুঁয়ে গেছে। এবারের বিশ্বকাপে ইরানের তিন গ্রুপম্যাচের দুইটি লস অ্যাঞ্জেলেসে ও একটি সিয়াটলে নির্ধারিত। লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রবাসী ইরানির সংখ্যা বেশি থাকায় মাঠ ও এর বাইরেও রাজনৈতিক উত্তেজনার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে এসেছে—বিশেষত যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ক্রমশ উত্থানপতন হচ্ছে।

    এই প্রসঙ্গে বিশ্বকাপ আয়োজক সংস্থা ফিফার সঙ্গে ইরানের কথাবার্তা এবং ভেন্যু পরিবর্তন সংক্রান্ত গুঞ্জনও উঠেছে। ফিফার পক্ষ থেকে প্রথমে এমন খবর আসে যে ভেন্যু বদলানো হতে পারে, পরে ইনফান্তিনো জানিয়েছেন যে সূচি অনুযায়ীই টুর্নামেন্ট চলবে। শেষ সিদ্ধান্তটি সময়ই দিবে—এখনই বলা যাচ্ছে না ইরান অংশগ্রহণ করবে কি না। এবারের বিশ্বকাপেই প্রথমবার ৪৮ দল অংশ নিচ্ছে, আর এ প্রসঙ্গে প্রতিটি দলের নিরাপত্তা ও ভেন্যু সংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

    ইরান ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্কও খারাপ থাকার কথাও উঠে এসেছে। সম্প্রতি নারী এশিয়ান কাপেও ইরানের পথচলা থামলো—৮ মার্চ ফিলিপাইনের কাছে হারার পর ইরান বাংলাদেশে ফিরে আসে না কিভাবে, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সেই সময় অস্ট্রেলিয়ায় থাকা প্রবাসী ইরানিরা তাদের ক্ষতিগ্রস্ত ফুটবলারদের আশ্রয় দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের একজন উর্ধ্বতন ব্যক্তিও অস্ট্রেলিয়ার কাছে একই অনুরোধ করেছিলেন। পরে সাত নারী ফুটবলার আশ্রয় নিলেও পাঁচজনই দেশে ফিরে গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

    সামগ্রিকভাবে নিরাপত্তা ও কূটনীতিমূলক বিবাদগুলো ক্রীড়া ইভেন্টের পরিবেশে গভীর প্রভাব ফেলছে। ইরানের এই সিদ্ধান্ত কবে পর্যন্ত চলবে এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে এর প্রতিক্রিয়া কী হবে—সেগুলো সময়ের সঙ্গে পরিষ্কার হবে।

  • স্মৃতিসৌধে শেখ হাসিনার পক্ষে শ্লোগান: মডেল মিষ্টি সুবাসসহ ২ জনের রিমান্ড মঞ্জুর

    স্মৃতিসৌধে শেখ হাসিনার পক্ষে শ্লোগান: মডেল মিষ্টি সুবাসসহ ২ জনের রিমান্ড মঞ্জুর

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষে শ্লোগান দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার মডেল সিমু আক্তার বৃষ্টি (পরিচিত মিষ্টি সুবাস)সহ দুইজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আশুলিয়া থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় এই রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম ওরফে দুর্জয় (২৬) এর তিন দিন এবং মডেল সিমু আক্তার বৃষ্টিকে (মিষ্টি সুবাস, বয়স ৩০) দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তাজুল ইসলাম সোহাগ। পুলিশ তাদের বৃহস্পতিবার আটক করে; ঘটনার বিষয়ে আজ (শুক্রবার) তারা আদালতে হাজির করা হয়।

    ঢাকা জেলা পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিশ্বজিৎ দেবনাথ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার তদন্তকারী ও আশুলিয়া থানার এসআই মোঃ শহিদুজ্জামান আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    রিমান্ড আবেদনে পুলিশ জানিয়েছে, আসামিরা বিক্ষোভ-উত্তেজনা সৃষ্টি করে দেশের আইনশৃঙ্খলায় অবনতি ঘটানোর উদ্দেশ্যে অবৈধ কার্যক্রম চালিয়েছে বলে সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং মূল রহস্য উদ্ঘাটন, অন্য জড়িত অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তকরণ, এবং ঘটনা উসকানিদাতাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহের জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

    মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ বেলা ১টা ১০ মিনিটের সময় আশুলিয়ার নবীনগরের জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে আওয়ামী লীগের প্রায় ২২-২৫ জন নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিসহ প্ল্যাকার্ড বহন করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘অবৈধ নির্বাচনের অবৈধ সরকার মানি না, মানব না’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ ইত্যাদি শ্লোগান দেয়। পরে বেলা দেড়টার দিকে পুলিশের হাতে দু’জনকে আটক করা হয় এবং এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

  • টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে গাইবান্ধার ৫ পোশাক শ্রমিক নিহত

    টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে গাইবান্ধার ৫ পোশাক শ্রমিক নিহত

    টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় রেল লাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে পাঁচজন পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বিষয়টি যমুনা সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সবজেল হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি সবজেল হোসেন জানান, আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি দ্রুত গতিতে ওই এলাকায় গেলে পাঁচজন ট্রেনচাপায় মারা যান। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। পুলিশের ও রেলওয়ে পুলিশের ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে।

    নিহতরা হলেন — নীরব (১২), নার্গিস (৩০), দোলা (৫০), সুলতান (২৮) ও রিফা (২০)। তারা সবাই গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাট এলাকার দুইটি পরিবারের সদস্য এবং টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের গোড়াই এলাকায় একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন।

    পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানা গেছে, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থেকে বনশ্রী পরিবহনের একটি রিজার্ভ বাস ভাড়া করে তারা মির্জাপুরের ওই কারখানায় যাচ্ছিলেন। পথে ধলাটেঙ্গর এলাকায় বাসটির জ্বালানি শেষ হলে বাস থামায়। চালক ও সহকারী জ্বালানি সংগ্রহের জন্য স্থানীয় পাম্পে গেলে যাত্রীরা বাস থেকে নেমে পাশের রেললাইনে বসে অপেক্ষা করতে থাকেন।

    নিহত রিফার ভাই ও এক সহকর্মী বায়জিদ বোস্তামী ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, ‘‘বাস থামায় সবাই নামি। চালক ও সহকারী তেল আনতে গেলে আমরা লাইনে বসে অপেক্ষা করছিলাম। হঠাৎ করে দ্রুতগামী ট্রেন gelip পাঁচজন কাটা পড়ে মারা যায়।’’

    টাঙ্গাইল রেলস্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান বলেন, লাইনে বসে থাকা যাত্রীরা সম্ভবত ট্রেনের আগমন শুনতে পাননি, ফলে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের নিচে কাটা পড়ে তারা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

    পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং নিহতদের পরিবারকে জানানো হয়েছে।

  • পূর্বাচলে রাতভর গোপন ঘোড়া জবাই, ১১টি ঘোড়া উদ্ধার

    পূর্বাচলে রাতভর গোপন ঘোড়া জবাই, ১১টি ঘোড়া উদ্ধার

    নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচল উপশহর, ১০ নম্বর সেক্টরের হারার বাড়ি এলাকায় গভীর রাতে গোপনে ঘোড়া জবাইয়ের একটি ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, নির্জন পরিবেশকে সুযোগ করে নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের কাজ চালিয়ে আসছিল।

    ঘটনার according অনুযায়ী, জবাইয়ের জন্য প্রায় ২০টি ঘোড়া একটি খালি প্লটে এনে রাখা হয়। রাতের অন্ধকারে একের পর এক ঘোড়াগুলো জবাই করা হচ্ছিল। স্থানীয় প্লটের মালিক ঘটনাস্থলে গেলে রাত প্রায় তিনটার দিকে তিনি সরসরি ওই কাজের দৃশ্য দেখতে পান এবং দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন।

    সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও র‍্যাব-১ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আগমনে সেখানকার জবাইকারী চক্রটি পালিয়ে যায়। পরে র‍্যাব-১ ঘটনাস্থল থেকে জীবিত অবস্থায় ১১টি ঘোড়া উদ্ধার ও জব্দ করেছে। জানা গেছে, জবাই হয়ে গেলে মোট নয়টি ঘোড়া ইতোমধ্যেই কাটা হয়ে গিয়েছিল।

    স্থানীয়রা বলছেন, পূর্বাচল এলাকায় মানুষের উপস্থিতি কম এবং অঞ্চলটি বিস্তৃত—এসব সুবিধা ব্যবহার করে চক্রটি নিরাপদ মনে করে এখানে এসব কাজ করছিল। অভিযোগ রয়েছে, জবাই করা ঘোড়ার মাংস পরে বিভিন্ন স্থানে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি করা হত।

    এর আগে কয়েকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালালেও মূল হোতাদের অধিকাংশই প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সফল হয়েছে। মাঝে মাঝে কয়েকজনকে আটক করা হয়েও চক্রটির নেতারা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, গাজীপুর ও নরসিংদীসহ আশপাশের এলাকায় এই চক্রের কার্যক্রম বিস্তৃত।

    স্থানীয়রা দ্রুত মূল সংগঠকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

  • স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    মহান স্বাধীনতা দিবসের সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, তিনি ও দলের প্রতিনিধিরা একটি নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের মনের বিনিময়ে মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এটি রাষ্ট্রীয় একটি সর্বোচ্চ আচার, আমাদেরও সবার মতো এখানে এসে শ্রদ্ধা জানানো উচিত ছিল।’

    জামায়াত আমির জানান, তারা বীর শহীদদের স্মরণ করে আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন। দেশটির সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত থাকবে এবং দেশের ওপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক—এসব মতো উদ্দেশ্য নিয়ে দোয়া করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, সকলেই মিলে একটি অহিংস, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা চালাতে হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মাধ্যমে পুরো দেশবাসীকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান ডা. শফিকুর রহমান।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি। এছাড়া কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি উপস্থিত ছিলেন।