Blog

  • কয়রা-পাইকগাছায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেও জনকল্যাণে কোনো কাজ করেননি

    কয়রা-পাইকগাছায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেও জনকল্যাণে কোনো কাজ করেননি

    খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তবে এসব ষড়যন্ত্র কখনোই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। তিনি নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। বাপ্পি আরও বলেন, পাইকগাছা-কয়রা অঞ্চলের আগের জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হলেও তারা এলাকার মানুষের জন্য সত্যিই জনকল্যাণমুখী কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেনি। ফলস্বরূপ, এই অঞ্চলের জনগণ ভোটের গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছে। তিনি তাদের বললেন, আপনারা ভোট কেন্দ্রে আসুন, আমাকে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিন, যেন আমি আপনারাের এলাকার উন্নয়ন করতে পারি। আমি আমার না, আপনারা ও আপনার এলাকাবাসীর উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই। গতকাল বৃহস্পতিবার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের বামিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথাবার্তা বলেন তিনি। ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম সানা সভার সভাপতিত্ব করেন। আসন্ন নির্বাচনে সবাইকে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব বলেন, গত ১৭ বছর ধরে জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এবার নিজ ভোট নিজেকেই দিতে হবে। বিএনপি যদি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পায়, তাহলে উন্নয়ন ও সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবে। সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করা হবে। কাউকে দখলদারি, চাঁদাবাজি বা অত্যাচার করার সুযোগ দেওয়া হবে না। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য আশরাফুল আলম নান্নু, এমএ হাসান, মনিরুজ্জামান বেল্টু, আবু সাঈদ বিশ্বাস, কয়রা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক নুরুল আমিন বাবুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শহিদ, বিএনপি নেতা টিএম মঞ্জুর আলম নান্নু, জিএম আব্দুল গফফার, জিএম সিরাজুল ইসলাম, ওসমান গনি খোকন, সাইফুজ্জামান, মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জি এম গোলাম রসুল, মহতাশিম বিল্লাহ, বুলবুল আহমেদ, বিল্লাল হোসেন, গোলাম মোস্তফা, আব্দুস সোবহান গাজী, নাজমুল হুদা, মোস্তাফিজুর খোকন, হাবিবুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, স্বরোজিত ঘোষ, জামাল জাফরিন, আবুল কালাম কাজল, মেহেদী হাসান সবুজ, সাব্বির রহমান বাবু, মামুন হোসেন, ইমরান হোসেন, শহিদুল ইসলাম, রুহুল আমিন গাজী, সাইদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও ইয়াসিন আরাফাত সহ আরও অনেকে।

  • খুলনা শহরের বায়ু দূষণের স্তর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ কেসিসি প্রশাসকের

    খুলনা শহরের বায়ু দূষণের স্তর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ কেসিসি প্রশাসকের

    খুলনা মহানগরির বায়ু দুষণের মাত্রা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মোখতার আহমেদ। তিনি বলেন, অসংক্রামক রোগের প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন অপরিহার্য৷ তাঁরা এই বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে, তিনি শিক্ষকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনের অনুরোধ জানান এবং খুলনাকে একটি স্বাস্থ্যকর শহরে পরিণত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • দেশের মুক্তির সনদ তারেক রহমানের ৩১ দফা

    দেশের মুক্তির সনদ তারেক রহমানের ৩১ দফা

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, পতিত আওয়ামী সরকার বিগত ১৬ বছরে দেশের রাষ্ট্র কাঠামোকে ধ্বংস করে ফেলেছে। এই বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে নতুন করে সুসাজিয়ে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁর মতে, রাষ্ট্রের সংস্কারে আমাদের নেতা তারেক রহমান দুই বছর আগে ৩১ দফা প্রণয়ন করেছিলেন। এই দফাগুলোর মধ্যেই দেশের মূল সমস্যা ও সমাধানের পথ স্পষ্ট হয়েছে। এই ৩১ দফা হচ্ছে দেশের মানুষের মুক্তির মূল পাথেয়। বৃহস্পতিবার খুলনায়Running খুন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে একটি প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই সভাটির আয়োজন করে বিএনপি’র ১৬ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে। মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, যিনি বলেন, ‘জুলাই মাসের অভ্যুত্থান দিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর প্রকৃত চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। ক্ষমতার লোভে তারা কতটা নির্মম হতে পারে, দেশবাসী সেটাই দেখেছে। দেশের স্বনামখ্যাত রাজনৈতিক ইতিহাসকে হার মানান এই দুঃশাসন এক যুগে আইয়ামে জাহেলিয়ার সাথে তুলনা করা যায়। তিনি আরও বলেন, ৩৬ জুলাই ছাত্র-জনতার গণআবেগের মাঝে খুলনার আইনশৃঙ্খলা ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। পঞ্চদশ মাসে খুলনা জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কমপক্ষে ৯৪ জনের খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অসংখ্য খুন মাদক ব্যবসার চক্রান্তে, যারা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। বেপরোয়া কিশোর গ্যাংয়ের দমন না করতে পারা এই নগরীর জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সকলের ঐক্য অপরিহার্য। সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ মোস্তফা কামাল, পরিচালনা করেন শওকাত আলী বিশ্বাস লাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফিজুর রহমান মনি, মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ, মোঃ মুজিবুর রহমান, জাকির ইকবাল বাপ্পি সহ অনেকে। অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী আব্দুল জলিল, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, আলহাজ্ব শেখ হাবিবুর রহমান, শেখ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, মোহাম্মদ কাজী নজরুল ইসলাম, আবুল ওয়ারা, কামরুজ্জামান রুনু, ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার, আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, সাইফুল ইসলাম, কাদের মল্লিক, ইয়াসিন মোল্লা, আবু বক্কার মীর, মনিরুল ইসলাম, সোহরাব মোল্লা, শেখ হায়দার আলী, আল আমিন দেওয়ান ও মোহাম্মদ চঞ্চলসহ আরও অনেকে।

  • অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি

    অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি

    জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত গণঅভ্যুত্থানে অর্জিত বিজয়কে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য নানা ধরনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলছেন, বিএনপি একমাত্র দল যার দীর্ঘ দিনের রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা রয়েছে। জনগণের সমর্থন পেলে, এই অভিজ্ঞতাগুলো দেশের কল্যাণে বৈপ্লবিক পরিবর্তনে কাজে লাগানো হবে। পাশাপাশি অতীতের ভুলমুক্ত শিক্ষা থেকে শিক্ষা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের লড়াইকে বিভ্রান্ত করার অনেক চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু তা সফল হয়নি। সেই অপচেষ্টার মোকাবিলা করতে হবে।’ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনায় বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসে প্রবেশের সময় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সবাই তাকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর নির্বাহী পরিচালকসহ ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তারা এই শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তার পরে তিনি ২১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম জামাল উদ্দিন, হান্নান মোল্লা ও হীরা মিয়ার বাসায় গেছেন এবং পরিবারে খোঁজ-খবর নিয়ে দোয়া কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপকূলের মানুষের সংকট নিরসনে নির্ধারিত প্রতিশ্রুতি ঘোষণার জন্য খুলনা প্রেসক্লাবে নাগরিক সংলাপে অংশ নেন। এছাড়া তিনি সাউথ সেন্ট্রাল রোডস্থ খান-এ-সবুর মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এর পাশাপাশি তিনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার কর্মকর্তাদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতুরাজ্জামান মর্তুজা, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, ইউসুফ হারুন মজনু, আনোয়ার হোসেন, গিয়াস উদ্দিন বনি, মজিবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, ওহিদুজ্জামান খসরু, ইশহাক তালুকদার, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, মাহবুব হোসেন, মেশকাত আলী, রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, আসলাম হোসেন, রিয়াজুর রহমান, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, খান মইনুল ইসলাম মিঠু, জাহাঙ্গীর হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, খান শহিদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম লিটন, মাজেদা খাতুন, ফিরোজ আহমেদ, ওহেদুর রহমান বাবু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শহিদুল ইসলাম লিটন, খান রাজিব, রাজিবুল আলম বাপ্পি, এ আর রহমান, সেলিম বড় মিয়া, শামসুল আলম বাদল, জামাল মোড়ল, তরিকুল আলম, পারভেজ মাড়ল, সাখাওয়াত হোসেন, জাহিদুল ইসলাম খোকন, মোল্লা আলী আহমেদ, মাসুদ রুমী, রবিউল আলম, শফিউদ্দিন আহমেদ, আসমত হোসেন, শামীম রেজা, মামুনুর রহমান রাসেল, ইমতিয়াজ সেজান, সোহেল খন্দকার, নজমা আক্তার ও লাকি আক্তার সহ বিভিন্ন নেতাকর্মী।

  • সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও কেডিএ’র যৌথ উচ্ছেদ অভিযান

    সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও কেডিএ’র যৌথ উচ্ছেদ অভিযান

    খুলনার সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে অবৈধ দখলদারদের দখল মুক্ত করতে বৃহস্পতিবার এক যৌথ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানটি পরিচালনা করে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) এবং খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)। সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে এ অভিযান, যেখানে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং একাধিক পরিবহন কাউন্টার ভেঙে ফেলা হয়। এই কার্যক্রমের সময় কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

    কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হয়েছে, এই সড়কটি শহরে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ হিসেবে বিবেচিত। তবে দীর্ঘদিন ধরে সড়কের এক বড় অংশ দখল থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষে এই সড়কটি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। জনস্বার্থে এই অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং সড়কটি দখলমুক্ত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

    অভিযানে ৩০টিরও বেশি অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, সামনে আরও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেটি চালিয়ে যাওয়া হবে।

    কেসিসির পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আবিরুল জব্বার বলছেন, নগরীর অন্যতম প্রবেশপথ সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কের পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে, কারণ অবৈধ দখলদাররা এই সড়কটি দখল করে রেখেছিল। সড়কের কর্মক্ষম প্রয়োজন ৬০ ফুট প্রশস্ততা হলেও দোকান ও বাস কাউন্টার গড়ে ওঠায় এই কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে জনস্বার্থে দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে এই উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

    তবে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, তারা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ইজারা ও ভাড়া নিয়েই বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। হঠাৎ করে এই উচ্ছেদে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করে, তারা ক্ষতিপূরণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

  • আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বৃদ্ধি পেয়েছে

    আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বৃদ্ধি পেয়েছে

    অর্থনৈতিক উপস্থিতির সুবিধার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এক মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে। করদাতরা এখন আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের রিটার্ন জমা দিতে পারবেন, যেখানে সাধারণত শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। ব্যবসায়ী ও করদাতাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    একজন এনবিআর কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ২০২৫-২৬ করবর্ষের জন্য বিভিন্ন শ্রেণির করদাতা, যেখানে কোম্পানি অন্তর্ভুক্ত নয়, তাদের জন্য রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। করদাতাদের পক্ষ থেকে আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমার বাড়ানো হয়েছে।

    এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, এই বছর ইতিমধ্যেই ১০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে তাদের আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। ৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট www.etaxnbr.gov.bd এর মাধ্যমে এই সুবিধার উদ্বোধন করেন।

    এই বছর, এনবিআর বিশেষভাবে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অসক্ষম বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার পরিবারের সদস্য এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে। তবে, যারা এই বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন, তারাও ইচ্ছা করলে অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারেন।

    বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরা পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে [email protected] এ আবেদন করলে তাদের জন্য OTP ও রেজিস্ট্রেশন লিংক পাঠানো হয়, যার মাধ্যমে সহজে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল সম্ভব। ই-রিটার্ন পদ্ধতিতে কোনো কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না; কেবল আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্বীকৃতি সনদ ও আয়কর সনদ ডাউনলোড করা যায়। ফলে দেশে ও বিদেশে থাকা করদাতাদের মধ্যে এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

    রিটার্ন সংক্রান্ত সহায়তার জন্য এনবিআর একটি কল সেন্টার (০৯৬৪৩ ৭১ ৭১ ৭১) চালু করেছে, যেখানে করদাতারা দ্রুত টেলিফোনিক সহায়তা পাচ্ছেন। পাশাপাশি, www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটের e-Tax সার্ভিস অপশন এবং দেশের প্রতিটি কর অঞ্চল থেকে সরাসরি সেবা দেওয়া হচ্ছে।

  • আগামী জুলাই থেকে সব প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেনের পরিকল্পনা ঘোষণা

    আগামী জুলাই থেকে সব প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেনের পরিকল্পনা ঘোষণা

    ২০২৭ সালের জুলাই মাসের মধ্যেই ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), বীমা এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও সম্পূর্ণ ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা চালু হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এই ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ পদক্ষেপের ফলে আর কোনও প্রতিষ্ঠানে ক্যাশআউটের প্রয়োজন থাকবে না।

    সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। গভর্নর উল্লেখ করেন, লেনদেনে স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণের জন্য ডিজিটাইজেশন অপরিহার্য। এ জন্য আন্তঃলেনদেন ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম। এ ব্যবস্থায় প্রবেশের ফলে লেনদেনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে, দুর্নীতি কমবে এবং রাজস্ব সংগ্রহের প্রক্রিয়া আরও জোরদার হবে।

    নতুন এই আন্তঃলেনদেন প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক গেটস ফাউন্ডেশনের মোজোলুপের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি নিরাপত্তার জন্য ভার্চুয়ালি সম্পন্ন হয়। গভর্নর জানান, এই চুক্তির আওতায় মোজোলুপের প্ল্যাটফর্মের নাম হবে ইনক্লুসিভ ইনস্ট্যান্ট পেমেন্ট সিস্টেম (আইআইএসপি)। এই উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক পরিষরণে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে তুলে ধরা বাংলাদেশের দারিদ্র্য ঝুঁকি ও সমাধানের পথ

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে তুলে ধরা বাংলাদেশের দারিদ্র্য ঝুঁকি ও সমাধানের পথ

    বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি মানুষ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বিশেষ করে অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অপ্রত্যাশিত বিপর্যয়ের সময় এই মানুষগুলো আবারও দারিদ্র্যের গ্লানি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য মূল্যায়ন ২০২৫’ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে দারিদ্র্য হ্রাস করেছে। এই সময়ে দুই কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে, পাশাপাশি ৯০ লাখ মানুষ অতি দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছে। এর ফলে তাদের জীবনমানের উন্নতি হয়েছে; বিদ্যুৎ, শিক্ষাব্যবস্থা, পরিষ্কার পানির সুবিধা এবং স্বাস্থ্যসেবাসহ অন্যান্য জরুরি সেবা সহজে পৌঁছেছে। তবে, ২০১৬ সাল থেকে দারিদ্র্য কমার গতি ধীর হয়ে এসেছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও কমে গেছে, আর তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অন্তর্ভুক্তিমূলক নয়।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চরম দারিদ্র্য ১২.২ শতাংশ থেকে কমে ৫.৬ শতাংশে নেমে এসেছে। পাশাপাশি, মাঝারি দারিদ্র্যও ৩৭.১ শতাংশ থেকে ১৮.৭ শতাংশে অপ্রত্যক্ষভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে, উন্নয়ন এই ধারা অব্যাহত রাখতে হলে নীতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১৬ সালের পর থেকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি অনেকটাই কমে গেছে, যার ফলে ধনী ও নিম্নবিত্তের মধ্যে বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রামীণ এলাকাগুলো এখনো দারিদ্র্য কমাতে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে কৃষিখাতের ভিত্তি শক্তিশালী হওয়ার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনধারা উন্নত হচ্ছে। অন্যদিকে, শহর এলাকায়, বিশেষ করে ঢাকার বাইরে, দারিদ্র্য কমার হার বেশ ধীর হয়ে গেছে। ২০২২ সালের মধ্যে প্রতি চারজনের মধ্যে একজন শহরে বসবাস করছে।

    জঁ পেম, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক, বলেছেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্য দূরীকরণে দীর্ঘ দিন ধরে সফলতা এসেছে, তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও কর্মসংস্থান কমে যাওয়ায় শ্রম আয় কমছে। তিনি বলেন, দারিদ্র্য কমানোর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যুবক, নারী ও ঝুঁকিপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর জন্য। একই সঙ্গে, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য দরিদ্রবান্ধব, জলবায়ু গ্রহণক্ষম ও কর্মসংস্থান কেন্দ্রিক নীতি প্রয়োজন।

    প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে যে, উৎপাদনশিল্পে কর্মসংস্থান কমে গিয়ে কম উপার্জনশীল খাতে কাজের সম্ভাবনা বাড়ছে, যা নারী ও তরুণদের জন্য বেশ চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি পাঁচজন নারীর মধ্যে একজন বেকার, আর শিক্ষিত নারীদের মধ্যে কর্মসংস্থান নেই একটি মারাত্মক সমস্যা। শহরের বাইরে ও ঢাকায় শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ কমে গেছে, ফলে শ্রমশক্তির কার্যকর ব্যবহার ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন বয়সের তরুণদের অর্ধেকই কম মজুরিতে কাজ করছেন, যা শ্রমবাজারে দক্ষতার অভাব ও চাহিদার অসঙ্গতির ইঙ্গিত দেয়।

    অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন বাংলাদেশে দরিদ্রতা থেকে মুক্তির অন্যতম পথ। প্রবাসী আয় দরিদ্র পরিবারগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে সাহায্য করছে, তবে শহরের ঘিঞ্জি এলাকাগুলোর জীবনমান এখনো খুবই নিম্ন। বিদেশে যাওয়ার জন্য pré exige প্রচুর অর্থ, তাই দরিদ্ররা সাধারণত এই সুযোগ নিতে পারেন না। সত্ত্বেও, সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন হলেও এর তদারকি ও কার্যকারিতা এখনও সমস্যা।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালে সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৩৫ শতাংশ ধনী পরিবারের, যেখানে অর্ধেক অতি দরিদ্র সমাজ এই সুবিধায় হিসেবে উপকৃত হয়নি। ভর্তুকির বেশিরভাগটাই ধনী পরিবারগুলোর পক্ষে যায়, যা লক্ষ্যভিত্তিক নয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি subsidies এর ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা যায়।

    নীতিগতভাবে, দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমানোর জন্য চারটি মূল পথ চিহ্নিত করা হয়েছে: উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানো; ঝুঁকিপূর্ণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বেশি কাজের বিকাশ; আধুনিক শিল্পে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি; এবং শক্তিশালী রাজস্ব ও লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু।

    সার্জিও অলিভিয়েরি, বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ও প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক, বলেছেন, বাংলাদেশ পূর্ব-পশ্চিমের আঞ্চলিক বৈষম্য কমানোর পাশাপাশি জলবায়ু ঝুঁকির কারণে শহর ও গ্রাম এলাকা বৈষম্য বাড়ছে। তিনি বলেন, উদ্ভাবনী নীতি, যোগাযোগ উন্নয়ন, গুণগত কর্মসংস্থান ও দরিদ্রবান্ধব মূল্য-শৃঙ্খল নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশ দারিদ্র্য হ্রাসের গতি ত্বরান্বিত করতে পারে এবং সকলের জন্য সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা

    বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংক ও ব্যাংকিং সংস্থার কর্মকর্তাদের শুধুমাত্র খুবই জরুরি ব্যক্তিগত ও কর্ম related কারণে দেশের বাইরে যেতে পারবে, এমন স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে।

    আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এই নির্দেশনা জারি করে বলেছে, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ব্যাংকিং খাতে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি বা প্রশাসনিক ব্যাঘাত না ঘটে, সেজন্য এই সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

    নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন পরিস্থিতিতে ব্যাংকিং কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্নে চালানো যায়, সেজন্য এই সীমিত ভ্রমণনীতির প্রয়োগ। এতে ব্যাংক-অফিসার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অন্যান্য উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের অতি জরুরি প্রয়োজনে ছাড়া দেশের বাইরে যেতে বাধা দেয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারা অনুসারে নেওয়া হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে, যাতে নির্বাচনকালীন পরিস্থিতিতে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকে।

  • বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছল

    বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছল

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে দেশের ব্যাংকগুলো থেকে প্রদানকৃত মোট ঋণের মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরের শেষে এই সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ, মাত্র ৯ মাসের মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেজে গেছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

    আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর), বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালক ও মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ব্যাংকিং খাতে এই খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ার জন্য বিভিন্ন কারণ দায়ী। এর মধ্যে একটার হলো, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নামে-বেনামে অর্থ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যা এখন খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে ঋণ পুনঃনবায়ন ও ঋণ আদায়ে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক ঋণের নবায়নও নিস্পত্তি না হওয়ায় ব্যাংকগুলো খেলাপি হিসেবে তালিকাভুক্ত করছে। এর ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা। এই সব তথ্য স্পষ্ট করে দেয়, দেশে ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণের ঘটনায় উদ্বেগের বিষয়।