Blog

  • বোর্ড সভায় আরও একজন পরিচালকের পদত্যাগ

    বোর্ড সভায় আরও একজন পরিচালকের পদত্যাগ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদত্যাগের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বোর্ডের একটি সভার শেষে দায়িত্ব অবসানের ঘোষণা দেন পরিচালক ফাইয়াজুর রহমান। তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন ডিসিপ্লিনারি কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময়। এছাড়াও তিনি ঢাকা সিসিডিএমে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    পদত্যাগের কারণ জানতে চাইলে ফাইয়াজুর রহমান বলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে আমি পদত্যাগ করেছি। অন্য কোনও কারণ নেই।’ উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে তিনি ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হন। তার এই পদত্যাগের ফলে বর্তমান বোর্ডে পদত্যাগকারী পরিচালকের সংখ্যা দাঁড়াল চারজন। এর আগে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে মনোনীত ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সালও বোর্ড থেকে সরে দাঁড়ালেন। পাশাপাশি, গত মাসের শেষের দিকে বিসিবির পরিচালক হিসেবে থাকাকালীন আমজাদ হোসেনও পদত্যাগ করেন। এর আগে, বিসিবির আরেক পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকও পদত্যাগ করেছিলেন।

    তরফে, সবাই তাদের পদত্যাগের কারণ ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। তবে, এখনো পর্যন্ত বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে কারো পদত্যাগপত্র গ্রহণের ঘোষণা দেয়নি।

  • শিরোপা জয় করে বাংলার যুবারা ফিরলো দেশে

    শিরোপা জয় করে বাংলার যুবারা ফিরলো দেশে

    অনূর্ধ্ব-২০ দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অপরাজিত থেকে ঐতিহাসিক সফলতার স্বর্ণযুগ সৃষ্টি করে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশি ফুটবলাররা। ড্রামাকম্পাসের মতো সাফল্যের গৌরব নিয়ে তারা ফিরে এসেছেন। শনিবার সন্ধ্যা সাতটা চব্বিশ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রফি হাতে চ্যাম্পিয়নরা অবতরণ করেন। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারা দেশে পৌঁছান, যেখানে বিমানবন্দরে স্বাগতম জানান হয় বিশাল উৎসবমুখর পরিবেশে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের উপলক্ষে সেখানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীসহ দেশের ক্রীড়া অঙ্গনের অনেক উঁচু ব্যক্তিত্ব। বিশেষ করে, বাংলাদেশের সাফ জয়ী দলটির প্রথম কৃতিত্বের নায়ক ২০০৩ সালের সাবেক জাতীয় ফুটবল গোলরক্ষক আমিনুল হক নিজে উপস্থিত থেকে দলের নেতৃত্বে থাকা অনূর্ধ্ব-২০ দলের অধিনায়ক মিঠু চৌধুরীকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদীসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা বোশো দিতে দিতেই ট্রফি জয়ী দলের সদস্যদের স্বাগত জানান। দেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি একটি বিশেষ মুহূর্ত, যেখানে পুরুষ দলের প্রথমবারের মতো পুরো দেশে ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা দেওয়া হলো, যা আগে নারী দলের সফলতার পরও দেখা যায়নি। 

  • ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, মধ্যস্থতায় অস্বীকৃতি কাতারের

    ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, মধ্যস্থতায় অস্বীকৃতি কাতারের

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। গতকাল শুক্রবার দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সূত্রের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই প্রস্তাবটি গত বুধবার একটি তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় তেহরানে পাঠানো হয়েছিল।

    সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরান নিজেই যুদ্ধবিরতির জন্য আবেদন করছে। কিন্তু তেহরান সেটি অস্বীকার করে বলেছে যে, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কোনো নতি স্বীকার করবে না। বরং এই প্রস্তাব থেকেই বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান এখন দুর্বল হয়ে পড়ছে, কেননা যুদ্ধের ময়দানে তাদের সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে না ইরান।

    ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত মধ্যস্থতা বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই ভেস্তে গেছে। ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, মার্কিনদের অগ্রহণযোগ্য শর্তাবলি মানতে তারা রাজি নয়। এ কারণে তারা কোনো মার্কিন কর্মকর্তা বা দেশপ্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করবেন না। তেহরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: মধ্যপ্রাচ্যের সমস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর থেকে সেনা প্রত্যাহার; এবং এক মাসের মধ্যে যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল, হাসপাতাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ।

    তুরস্ক, মিসর এবং কাতার দীর্ঘ সময় ধরে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে আসলেও, এই পরিস্থিতিতে নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে কাতার এই মুহূর্তে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। মার্কিন ও আঞ্চলিক দেশগুলো কাতারকে চাপ দিলেও, কাতার এখনো কঠোর অবস্থানে থাকছে।

    মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে সিএনএন জানিয়েছে, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধের মধ্যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করে যে, তারা ইরানের সক্ষমতাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। গোয়েন্দা মূল্যায়ণ অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং কামিকাজে ড্রোনের প্রায় অর্ধেক এখনও অক্ষত এবং ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত।

    সামরিক বিশ্লেষকদের মন্তব্য, ইরান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এর অর্থ, যুদ্ধবিরতির এই প্রত্যাখ্যান এবং কঠোর অবস্থান থেকে বোঝা যায় যে, ইরান বর্তমানে মাঠের লড়াইকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ধ্বংসের হুমকির মুখেও এই অবস্থান ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

  • হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে ইরানে ভয়াবহ সঙ্কট: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

    হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে ইরানে ভয়াবহ সঙ্কট: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন, ইরান যদি আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছায় বা হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে ইরান। ট্রাম্পের মতে, তিনি এই লক্ষ্যে এবার ৪৮ ঘণ্টার мерзিমা দিয়েছেন। থাকছে ভয়ংকর পরিণতি, যা এভাবেই জানান তিনি।

    আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমি ইরানকে ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম—চুক্তি করতে বা হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে। সময় শেষের পথে—আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। এর পরে তাদের জন্য জাহান্নাম অপেক্ষা করছে।’

    হরমুজ প্রণালী, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদীপথ, দিয়ে প্রতি বছর প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং গ্যাস পরিবহন হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে, যা আগে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের হামলার কারণে নিরাপত্তাজনকভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল।

    ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করে, এই প্রণালী তাদের নৌবাহিনীর পুরো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এটি তাদের শত্রুদের জন্য বন্ধ থাকবে। এর ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো এবং বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ সংকটে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ার ওপর।

    ট্রাম্প এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বারংবার ডেডলাইন দিয়েছেন। ২১ মার্চ তিনি জানিয়েছিলেন, যদি ইরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তবে তিনি বড় বড় ইরানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন অবকাঠামোকে ধ্বংস করে দেবেন। পরবর্তীতে ২৩ মার্চ সাময়িকভাবে তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য আলোচনা চলার কথা ঘোষণা করেন, যেখানে যুদ্ধের ঝুঁকি কমানোর জন্য পাঁচ দিন স্থগিত করেন কোনো সামরিক ব্যবস্থা।

    ২৬ মার্চ ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের অনুরোধে সময়সীমা বাড়িয়েছেন—তাদের জন্য একটি চুক্তির সুযোগ দিচ্ছেন। তবে ইরান এই প্রস্তাবকে অপ্রত্যাশিত ও অন্যায্য বলে প্রত্যাখ্যান করে। ট্রাম্পের ভাষায়, এক দিন ইরান প্রথমে ৭ দিনের সময় চায়নি, তবে তিনি সেটা বাড়িয়ে ১০ দিন করেছিলেন। এখনো পর্যন্ত ইরান এই ডেডলাইনের নিষেধাজ্ঞাকে মানতে অপরাগ।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধ হতে পারে। এদিকে, হরমুজের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বাব-এল-মানদেব প্রণালী নিয়েও ইরান সতর্কতা জারী করেছে। এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত, যেখানে বিশ্বব্যাপী কনটেইনার পরিবহনের প্রায় এক চতুর্থাংশই ঘটছে।

    ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের গালিবাফ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে বিশ্বের পরিমাণতালিকা তুলে ধরে প্রশ্ন তোলে, ‘বিশ্বের কত শতাংশ তেল, এলএনজি, গম, চাল ও সার এই প্রণালী দিয়ে যায়?’ এই প্রশ্নের মধ্যেই রয়েছে বড় সতর্কতা—আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেন কতটা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, তা বুঝিয়ে দেয় ইঙ্গিত।

  • আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে একই পরিবারের ৮ সদস্যসহ নিহত ১২

    আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে একই পরিবারের ৮ সদস্যসহ নিহত ১২

    আফগানিস্তানে গত রাতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কম্পিত হয়েছে বেশ কয়েকটি এলাকা, যার ফলে অন্তত ১২ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে এক পরিবারের আট সদস্যও রয়েছেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সরকারি এক কর্মকর্তা এবং আফগান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, যারা স্থানীয় সংবাদসংস্থা এএফপি’কে এ ঘোষণা দিয়েছেন। কাবুল থেকেই এই খবরে জানা গেছে।

    ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ৮টা ৪২ মিনিটে ৫.৮ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর কেন্দ্র ছিল উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বাদাখশান প্রদেশে, এবং এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৮৬ কিলোমিটার।

    সরকারের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, এই ভূমিকম্পে দুর্ভাগ্যবশত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং চারজন আহত হয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, কাবুল, পানজশির, লোগার, নানগারহার, লাগমান ও নুরিস্তান প্রদেশে মোট পাঁচটি ঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, ও ৩৩টি বাড়ির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে প্রায় ৪০টি পরিবার তাদের আশ্রয় হারিয়েছে।

    এএফপি’র প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, এই কম্পনে রাজধানী কাবুলসহ দেশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলেও অনুভূত হয়েছে শক্তিশালী ভূকম্পন।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শরাফাত জামান বলেছেন, কাবুলের গোসফান্দ দারা এলাকায় একটি পরিবারের আট সদস্য এই ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছেন। এই পরিবারে শুধু একটি শিশু জীবিত রয়েছেন, যিনি আহতও হয়েছেন। দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আহত শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    আফগান রেড ক্রিসেন্টের মুখপাত্র আবদুল কাদিম আবরার একই ব্যাপারে জানান, নিহত অন্য চারজনের মধ্যে রয়েছেন কাবুলের পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায়।

    আফগানিস্তানে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে, বিশেষ করে হিন্দুকুশ পর্বতশৃঙ্গের এলাকায়, যেখানে ইউরেশীয় ও ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল রয়েছে। এর আগে, গত আগস্টে পূর্ব আফগানিস্তানে ৬ মাত্রার একটি গভীর ভূমিকম্পে অনেক গ্রাম ধ্বংস হয়ে যায় এবং প্রায় ২,২০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারান, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম প্রাণঘাতী ভূমিকম্প হিসেবে নিয়ে ভাবা হয়।

  • নিখোঁজ মার্কিন পাইলটের সন্ধানে দাবি করলেন ট্রাম্প

    নিখোঁজ মার্কিন পাইলটের সন্ধানে দাবি করলেন ট্রাম্প

    ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই এর নিখোঁজ দ্বিতীয় পাইলটের খোঁজে সফলতার দাবি তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে বলেছেন, গত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ওই পাইলটকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনে। তিনি আরও জানান, পাইলটটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে। খবর সিএনএন ও আল-জাজিরার। এর আগে, ওই জেটটি ধ্বংসের পর প্রথম পাইলটকে দ্রুত উদ্ধার করা হয়েছিল, যিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন। ট্রাম্প দাবি করেন, এটি মিলিটারি ইতিহাসের এক অনন্য কীর্তি, যেখানে এত গভীরে শত্রুর অঞ্চলে একসঙ্গে দুই মার্কিন পাইলটকে পৃথকভাবে উদ্ধার করা হলো।

    আল-জাজিরা জানিয়েছে, রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে মার্কিন কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় পাইলটকে উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে একটু পরে স্পষ্ট হয়েছে, এখনও ওই ক্রুকে উদ্ধার সম্ভব হয়নি। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার রাতে নিখোঁজ বিমানের পাইলটের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়, এরপর তাদের উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। কিন্তু সেখানে ব্যাপক বাধার মুখে পড়তে হয় সেনাদের। সহযোগী সূত্রগুলো বলছে, এখনো ওই এলাকা থেকে পাইলট ও তাকে উদ্ধারে নিয়োজিত সেনারা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

    অবশেষে, ইরানের ভূখণ্ডের মধ্যেই এই অভিযান চলে, কারণ সম্ভব হয়নি এখনও ওই পাইলটকে বাইরে আনা। ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকারীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন। বিমানটি মূলত ইরানের দেহদাস্তে ভূপাতিত হয়, এবং রাতভর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেখানে হামলা চালায়। এতে বেশ কিছু মানুষ হতাহত হন।

    গত শুক্রবার, এই বিমান ভূপাতিত হওয়ার পর থেকেই মার্কিন শাখা বাহিনী পাইলটকে খুঁজে বের করতে শুরু করে। পাশাপাশি, ইরানও উদ্ধারকার্য চালায়। এমনকি, তারা সাধারণ মানুষকে এই কাজে যোগ দিতে অনুরোধ জানায়।

  • ইরানের হাতে উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১৮ ব্যালিস্টিক মিসাইল!

    ইরানের হাতে উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১৮ ব্যালিস্টিক মিসাইল!

    অবিশ্বাস্য এক রণকৌশল ও সাহসিকতার মাধ্যমে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পরিস্থিতি পরিবর্তন হচ্ছে। বিশ্ববাসী বিস্মিত হয়ে বাড়ছে প্রশ্ন, কীভাবে এতটা গোপন রেখে ইরান এখন উত্তর কোরিয়ার তৈরি সবচেয়ে শক্তিশালী হোয়াসং-১৮ (Hwasong-18) ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম) অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনাটি এমন এক নজিরবিহীন ও গোপনীয় সামরিক সহযোগিতা, যা এর আগে কখনও প্রকাশ পায়নি, এমনকি বিশ্বের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছেও।স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, উত্তর কোরিয়া থেকে প্রায় ৫০০টি আইসিবিএম এখন ইরানের কাছে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই হোয়াসং-১৮ এর মালিক এখন ইরান, যা এতদিন পর্যন্ত পৃথিবীর কাছে একটি গোপন অস্ত্র ছিল। এই ধরণের অস্ত্রের বাজারে এটি সবচেয়ে আধুনিক। ইরানের নিজস্ব অস্ত্রশক্তির সাথে উত্তর কোরিয়ার এই সমঝোতা সামগ্রিক বিশ্বে আইসিবিএমের মোট সংখ্যা মাত্র ৪০০টিতে পৌঁছেছে।গত ১৪ মাসের মধ্যে উত্তর কোরিয়া থেকে এই অস্ত্রগুলো সরাসরি ইরানে হস্তান্তর হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য সম্পূর্ণ অজানা ছিল। এমনকি পৃথিবীর অন্যতম সেরা নজরদারি ব্যবস্থা এই ব্যাপারে কিছুই জানতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, এই অস্ত্রগুলো চীনের ভূখণ্ড ও মধ্য এশিয়ার দুর্গম পথ পেরিয়ে সরাসরি ইরানের সামরিক গুদামে পৌঁছেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এত বৃহৎ অস্ত্র হস্তান্তর আগে কখনও ঘটেনি। এই মিসাইলগুলো শুধু ইরানেই নয়, ইউরোপীয় রাজধানীগসহ যুক্তরাষ্ট্রেও আঘাত হানতে সক্ষম। এগুলো সলিড ফুয়েলে চলে, অর্থাৎ যেকোনো সময় উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত। এক সেকেন্ডের মধ্যে আকাশে ওড়ার জন্য এই মিসাইলগুলো হিট সিগনেচার সম্পূর্ণ গোপন করে নিয়ে যায়, ফলে শত্রুরা বুঝে উঠতেও পারেন না কোথা থেকে আঘাত আসছে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই হোয়াসং-১৮ মিসাইল পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করে। এগুলি রাডার, জিপিএস বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নয়, বরং আকাশের তারা দেখে পরিচালিত হয়। অর্থাৎ, কোনও প্রযুক্তি দ্বারা এগুলিকে শনাক্ত বা ইলেকট্রনিকভাবে জ্যাম করা সম্ভব নয়। এর নির্ভুলতা প্রায় ১০০-১৫০ মিটার। এই খবর পেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদ মাত্র ৯ ঘণ্টার মধ্যেই জরুরি সভা ডেকেছে।সঠিক তথ্য অনুযায়ী, ইরানের বিভিন্ন অংশে ইতিমধ্যে এই সমস্ত মিসাইল মোতায়েন করা হয়েছে। ইরানের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মোকাবিলায় এখন ইরানের হাতে পাল্টা আক্রমণের সক্ষমতা রয়েছে। এই ঘটনাটি বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা আর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে, কারণ ভবিষ্যতে এই ধরনের অস্ত্রের বিস্তার ও ব্যবহার কেমন হবে তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

  • বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার: গুম, খুন ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার: গুম, খুন ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    জেলা পরিষদের উদ্যোগে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম, খুন ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হওয়া পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে শহীদ পরিবারের ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানিয়ে দেশনেতা তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বিপ্লবী সালাম বর্ষিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশে গুম, খুনের সংস্কৃতি চালু ছিল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষের কণ্ঠস্বর দমন করা। দীর্ঘ দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে আজ মানুষ মুক্তির নিশ্বাস নিচ্ছে, এই মুক্তির পেছনে রয়েছে অসংখ্য ভাই-बहন ও স্বজনের রক্ত ও Tear।

    শনিবার দুপুর ১২টায় খুলনা শহরের হোটেল ওয়েস্টার্ন ইন-এ অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী। অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মমিনুর রহমানের নেতৃত্বে চলছিল। মোট ৭৩টি পরিবার— এর মধ্যে ২৩টি শহীদ পরিবার ও ৫০টি পরিবার নির্যাতনে আহত ও অসুস্থ— তাদের জন্য এই অর্থ সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়।

    বক্তারা বলেন, এই সহায়তা বিএনপি সরকারের দয়া বা করুণা নয়, বরং এটি অভিযুক্ত পরিবারের ন্যায্য অধিকার। তারা ঘোষণা করেন যে, যারা আমাদের মা-বাবাদের কোল খালি করেছে বা সন্তানদের গুম করেছে, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা হবে। তারা উল্লেখ করেন, বিগত সরকার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেউলিয়া করেছে আর জেলা পরিষদকে লুটপাটের কেন্দ্রবিন্দু করে তোলে। এখন যখন জেলা পরিষদ সাধারণ মানুষ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে, তখন দেশের দৃঢ় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গৌরব পুনরুদ্ধার হচ্ছে— এটি একটি বড় প্রেরণা।

    অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বক্তারা এই মানবিক উদ্যোগের জন্য জেলা পরিষদ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে একটি আলোর বাংলাদেশ গড়তে শহীদ ও নির্যাতিত পরিবারের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এই অর্থ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, এবং জেলা ড্যাবের সভাপতি ডাঃ রফিকুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে ২৩ জন শহীদ পরিবারের ও ৫০ জন নির্যাতিত পরিবারের মাঝে মোট ৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে, যা জেলা পরিষদের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রধান অতিথি প্রদান করেন।

  • প্রায় দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে জলদস্যুর হাতে অপহৃত ছয় জেলে ফিরেছে নিজের ঘরে

    প্রায় দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে জলদস্যুর হাতে অপহৃত ছয় জেলে ফিরেছে নিজের ঘরে

    সুন্দরবনে জলদস্যুদের হাতে অপহরণের পর মুক্তিপণের দাবিতে জিম্মিদের পরিবারের সংগ্রাম শেষে ছয় জেলে তাদের পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। শনিবার ভোরে বাড়ি ফিরেছে আনারুল, ইমরান ও সুশান্ত, এবং একদিন আগে শুক্রবার শ্মশানে আসে সাদ্দাম, ইউনুস আলী ও সাইফুল ইসলাম। অপহরণের সময়ে পরিবারের পক্ষ থেকে জলদস্যুদের কাছে মোট দেড় লাখ টাকার মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল, যা পরিশোধের মাধ্যমে জেলেরা মুক্তি পায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সাদ্দামের মুক্তিপণের জন্য ৪০ হাজার, আনারুল, সুশান্ত ও ইমরানের জন্য প্রত্যেকের জন্য ৩৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এছাড়া, ইউনুস আলী ও সাইফুলের জন্য প্রত্যেকের দৌঁড়ে গিয়ে ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। তবে, এনামুল ও হযরতসহ আরও চার জেলের কোনো খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি।

    এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলেরা জানিয়েছেন, ১ এপ্রিল বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার নির্দেশনা দেন। তার নির্দেশে র‌্যাব, কোস্টগার্ড, বিজিবি এবং পুলিশের তৎপরতার ফলে জলদস্যুরা অপহৃত জেলেদের নিশ্চিহ্নে নিচের দিকে সরে গেছে। সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিসার মোঃ ফজলুল হক বলেন, অপহরণের বিষয়টি বা মুক্তি পাওয়ার আপডেট জেলেদের পরিবারের কাছ থেকে এখনো জানানো হয়নি।

    অতীতে, ৩০ মার্চ সুন্দরবনের চুনকুড়ি, মালঞ্চ ও মামুন্দো নদী থেকে ‘ডন’ ও ‘আলিফ ওরফে আলিম’ বাহিনী নামে পরিচিত চক্রের মাধ্যমে আরও চার জেলেকে অপহরণ করা হয়। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনায় জেলেরা সাধারণত নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে চান, কিন্তু জীবনের ঝুঁকির কারণে পুলিশকে তথ্য দিতে চান না। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।

    অপর দিকে, বনবিভাগের এক কর্মকর্তার দাবি, সুন্দরবনের নোটাবেঁকী টহল ফাঁড়ির সংলগ্ন এলাকায় প্রবেশ করে সাতজন মৌয়াল মধু সংগ্রহ করছিলেন। পরে অভিযানের সময় স্মার্ট টহল টিম তাদের আটক করে। তবে, নেটওয়ার্কের সমস্যা থাকায় আটক ব্যক্তিদের নাম বা পরিচয় জানা যায়নি।

  • খুলনায় ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’ এর উদ্বোধন

    খুলনায় ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’ এর উদ্বোধন

    খুলনায় নতুন ও আধুনিক খাবারের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’ এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে। আজ রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) এই রেস্টুরেন্টটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয় নর্দান ইউনিভার্সিটির সামনে, নতুন জেলখানা সংলগ্ন খুলনা সিটি বাইপাস এলাকায়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নর্দান ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার লে: কর্নেল ইমাম আহসান (অবঃ), ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. সেলিম খান, প্রজেক্ট ডিরেক্টর মো. সেলিম চৌধুরী, গণসংযোগ কর্মকর্তা হামিম রাহাতসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ, সোনাডাঙ্গা কাচাবাজারের মালিক সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, এছাড়াও ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, গোনা অতিথি ও স্থানীয় বাসিন্দারা। অতিথিরা ফিতা কেটে এই রেস্টুরেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

    অতিথিরা রেস্টুরেন্টটির আধুনিক নির্মাণ, মনোরম পরিবেশ ও খাবারের মানের প্রশংসা করেন। ব্যবসায়ী আহাদ বিশ্বাস বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের সর্বোচ্চ মানের খাবার ও সেরা সেবা প্রদান করা। তিনি আরও বলেন, এই রেস্টুরেন্ট যেন সবার পছন্দের জায়গা হয়ে দাঁড়ায়।

    ‘মীম রেস্টুরেন্ট এন্ড কফি হাউজ’-এ পাওয়া যাবে বিভিন্ন ধরনের ফাস্ট ফুড, কফি, মিল্কশেক, আইসক্রিম, ডেজার্টসহ সকাল, দুপুর ও রাতের দেশীয় খাবার। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে দোয়া পরিচালনা করেন মদিনা নগর মসজিদের খতিব মুফতি আরিফ বিল্লা।