Blog

  • কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সতর্ক করে বলেছেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে এবং সেটি রুখে দিতে হবে। তিনি সমাজ থেকে ঘृণার শব্দটিকে চিরতরে বিদায় করে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে ভিত্তি করে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

    রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ঘৃণা নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যই হোক আমাদের পথচলার মূল শক্তি।’

    তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের অনন্য উদাহরণ। ‘এ দেশে ইসলাম ধর্ম রয়েছে; তেমনই সনাতন ধর্মাবলম্বী, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরাও এ মাটির অবিচ্ছেদ্য অংশ। অতীতকাল থেকেই আমরা মিলেমিশে বসবাস করে এসেছি,’ তিনি বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু সময় আগে ধর্মের ভিত্তিতে সমাজে বিভাজন তৈরির অপচেষ্টা দেখা গেছে, সেটি থেকে সবাইকে উত্তোরণ করতে হবে। তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, তাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠনে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান তারা।

    চলমান সামাজিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সামাজিক ঐক্য ও শরিকতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি সবাইকে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

  • গণভোট ইস্যুতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ১১ দলীয় ঐক্য

    গণভোট ইস্যুতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ১১ দলীয় ঐক্য

    গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থানের প্রতিবাদ ও তা অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর বায়তুল মোকার্রম প্রাঙ্গণে শনিবার বিকেলে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। জাতীয় মসজিদের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মিছিলপূর্ব সমাবেশে ঐক্যের নেতারা সরকারের সিদ্ধান্তকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা হিসেবে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

    দুপুর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিলে করে সমাবেশস্থলে পৌঁছাতে থাকেন। তাদের হাতে লেখা ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই’, ‘গণভোট মানতে হবে’ মূলক প্ল্যাকার্ড দেখা যায় এবং তারা সরকারের অবস্থানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম। জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতারা পর্যায়ক্রমে বক্তব্যে অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে গণভোটের রায়ের বিরোধী অবস্থান নিয়েছে। তাঁরা বলেন, এই ধরনের আচরণ থেকে সরকার ফ্যাসিবাদী মনোভাব প্রদর্শন করছে এবং এ অবস্থায় জনগণের মৌলিক ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন হয়।

    বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি সরকার ক্ষতিগ্রস্ত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কায়েম করে বা গণভোট রায় বাস্তবায়ন না করে, তাহলে শক্ত ভিত থেকে কঠোর আন্দোলন ছাড়াও বিকল্প পথ বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি বক্তারা সংবিধান সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে জানান, জনগণের ভোটাধিকার ও মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংশোধন দ্রুত কার্যকর করতে হবে।

    সমাবেশে অংশ নেওয়া নেতারা ও কর্মীরা একত্রে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন তীব্র করবে এবং সরকারের এমন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে জনগণের দাবি আদায় করা হবে।

  • ব্যাংক লেনদেন এক ঘণ্টা কমিয়ে নতুন সময়সূচি ঘোষণা

    ব্যাংক লেনদেন এক ঘণ্টা কমিয়ে নতুন সময়সূচি ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় মন্তব্য করে ব্যাংক সময়সূচি নতুন করে নির্ধারণ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় জেলা-মহল্লা নির্বিশেষে ব্যাংকে লেনদেনের সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংকের অফিস সময় রাখা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    এই নির্দেশনা শনিবার (৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক জারি করেছে এবং বলা হয়েছে—সরকার ঘোষিত পরিবর্তিত অফিস সময়সূচি ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আগে ব্যাংকে লেনদেন সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা চলত; ব্যাংকের অফিস সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। অর্থাৎ লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা কমানো হয়েছে, আর অফিস সময়ও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

    সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর সংলগ্ন পোর্ট ও কাস্টমস এলাকায় থাকা ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো আগের মতোই সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ অক্ষুণ্ণ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

    এ সিদ্ধান্তের পটভূমি হিসেবে সরকার গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় নির্ধারণ করে। সার্বিক নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি সব অফিসের সময় ১ ঘণ্টা কমিয়ে দৈনিক ৭ ঘণ্টা—সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা—নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্ধ্যা ৬টার পরে শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখার এবং বিয়েবাড়িতে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সময়সূচি আর সরকারের অন্য সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা জারি থাকার সময় পর্যন্ত প্রযোজ্য থাকবে। জনগণ ও ব্যাংক গ্রাহকদের নমনীয়তা ও সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

  • খেলাপি ঋণ ও ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

    খেলাপি ঋণ ও ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

    দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি আগে থেকেই শনাক্ত করার লক্ষ্যে তদারকি জোরদার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই প্রেক্ষিতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বতী প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নিরীক্ষা বছরের নবম মাসের ভিত্তিতে একটি অন্তর্বতীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে সেটি নিরীক্ষা বছরের শেষ তারিখের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকে দাখিল করতে হবে। ২০২৫ সালভিত্তিক এবং পরবর্তী সময়ের সব প্রতিবেদনও একই নিয়মে জমা দিতে হবে।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ব্যাংকিং খাতের তদারকি উন্নীত করার জন্য সুপারভিশন কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন (রিস্ক-বেইজড সুপারভিশন বা আরবিএস) চালু করা হয়েছে। এ নীতির ফলে সব ব্যাংককে একভাবে না দেখে ঝুঁকি বেশি যেসব ব্যাংক আছে, সেসব ব্যাংকের প্রতি তৎপর নজরদারি ও তদারকি বাড়ানো হবে।

    জানানো হয়েছে, নতুন ব্যবস্থায় দ্রুত ও সাবধানতার সঙ্গে সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা, অনিয়ম বা ঝুঁকি চিহ্নিত করা সহজ হবে। বিশেষত ঋণঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের প্রবণতা নিয়মিত ও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হলে ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা সুবিধাজনক হবে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নির্দেশনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া যাবে এবং একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। তদারকি কড়াকড়ি ও সময়মত রিপোর্টিং মেনে চললে দ্রুত প্রতিকারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের ও আমানতকারীদের আস্থাও বজায় রাখা সম্ভব হবে।

  • পাইলট উদ্ধার অভিযানে যাওয়ার সময় আরেকটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত: ইরানের দাবি

    পাইলট উদ্ধার অভিযানে যাওয়ার সময় আরেকটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত: ইরানের দাবি

    ইরান তার বিপুল প্রভাবশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে উদ্ধার করতে গিয়ে একটি আরও মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে। এই দাবি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম—আনাদোলু, রয়টার্স ও আল-জাজিরা—আইআরজিসি উদ্ধৃত করে প্রতিবেদন করেছে, কিন্তু এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    আইআরজিসি ও ফার্স নিউজের বরাতে বলা হয়েছে, গত ৩ এপ্রিল ইরানে একটি এফ-১৫ই জেট ভূপাতিত হওয়ার পর উদ্ধার কাজে নিয়োজিত একটি সি-১৩০ মডেলের আমেরিকান বিমানকে ইসফাহানের দক্ষিণাঞ্চলে টার্গেট করে ধ্বংস করা হয়েছে। ফার্স নিউজ তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে ওই ঘটনার একটি ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে মাঠ থেকে ঘন ধোঁয়া তোড়ে উঠছে।

    সংবাদে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় উপস্থিত ছিল ইরানের একটি চৌকষ পুলিশবাহিনী কমান্ডো ইউনিট যা অভিযানে অংশ নেয়। আইআরজিসি ঘটনাটিকে ব্যাখ্যা করে এটিকে ‘একটি বিশাল পরাজয় ঢাকতে ট্রাম্পের মরিয়া প্রচেষ্টা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

    এদিকে, একই মামলা পরিমন্ডলে আইআরজিসি আরও জানায় যে, আগে ৩ এপ্রিল নিকটবর্তী এক উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে একটি মার্কিন এ-১০ বিমানের হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে এবং দুটি ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টারও মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।

    এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার সময় মার্কিন পক্ষ থেকে এসব দাবির সম্পর্কে স্বতন্ত্র মন্তব্য পাওয়া যায়নি; অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যে দাবি করেছেন যে নিখোঁজ ক্রুর একজন সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনা ও দাবিগুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে নিরপেক্ষ তথ্য সংগ্রহ চলছে।

  • ট্রাম্প দাবি: ভূপাতিত এফ-১৫ই’র নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে

    ট্রাম্প দাবি: ভূপাতিত এফ-১৫ই’র নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেছেন যে ইরানে ভূপাতিত এফ-১৫ই বিমানটির নিখোঁজ দ্বিতীয় ক্রু সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী উদ্ধার করেছে। ট্রাম্পের এই দাবি তুলে ধরেছে সিএনএন ও আল-জাজিরা।

    ট্রাম্পের পোস্টে বলা হয়েছে, গত কয়েক ঘণ্টায় একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ওই ক্রুকে নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে এবং তিনি সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছেন। একই সময় ট্রাম্প আরও বলেছেন, এটি মিলিটারি ইতিহাসে বিরল—শত্রুপ্রবল এলাকায় একই সময়ে আলাদা দুটি উদ্ধার অভিযান চালিয়ে দুটি পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই দাবি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা হয়নি।

    এর আগে বিমান ধ্বংস হওয়ার পর প্রথম ক্রু সদস্যকে দ্রুত উদ্ধার করা হয়; তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন। আল-জাজিরা রোববার সকালে জানিয়েছিল যে ইরানের সরকারি কর্মকর্তারা দ্বিতীয় পাইলট উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন, কিন্তু পরে ওই সূত্র জানায় যে তাকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি।

    আল-জাজিরার উদ্ধৃত সূত্র জানিয়েছে, শনিবার রাতে নিখোঁজ ক্রু অবস্থান শনাক্তের পরে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়, কিন্তু তাতে বাধা পড়ে এবং সেখানে এখনো লড়াই চলায় ক্রুকে ইরান থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে উদ্ধারের চেষ্টা চালানো ব্যক্তিরাও ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।

    বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি অস্থির এবং বিবরণগুলো কিছু ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা সূত্রে ভিন্নভাবে এসেছে। সূত্রগুলো বলছে বিমানটি ইরানে ভূপাতিত হয়েছিল এবং ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ওই এলাকায় হামলা চালায়, যাতে কিছু প্রাণহানি হয়েছে—যার বিবরণও মিশ্র।

    উভয়পক্ষই ওই ক্রুকে খুঁজে বের করতে অভিযান করে চলছে; ইরানও স্থানীয় নাগরিকদের সহায়তায় খোঁজাখুঁজি করার আহ্বান জানিয়েছিল। পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল; অফিসিয়াল ও স্বাধীন সূত্র থেকে আরও নিশ্চিত তথ্য এলে সে অনুযায়ী আপডেট দেওয়া হবে।

  • বাগেরহাটে মাঠ দিবস: মাশরুম চাষে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

    বাগেরহাটে মাঠ দিবস: মাশরুম চাষে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

    বাগেরহাটে মাশরুম চাষে কৃষিতে বৈচিত্র্য আনা ও দরিদ্রতা কমানোকে লক্ষ্য করে মাঠ দিবস ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) সদর উপজেলা মিলনায়তনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে এ কর্মসূচি চালানো হয়। মাশরুমকে কৃষি খাতে আয়ের একটি লাভজনক ও কম খরচের উপায় হিসেবে উজ্জীবিত করতে 이날 তথ্যবহুল প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনী করা হয়।

    অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ১০০ জন মাশরুম চাষি অংশ নেন এবং নিজেরা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে মাশরুমের চাহিদা বাড়ছে; সঠিক প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে মাশরুম চাষকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করা যায়। তিনি আরও বলেন, স্বল্প জমি ও কম বিনিয়োগেই মাশরুম থেকে ভালো আয় সম্ভব হওয়ায় এটি বিশেষ করে যুবসমাজ ও নারী সংগ্রামীদের জন্য আত্মকর্মসংস্থানের বড় সুযোগ।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক (কৃষিবিদ) মোঃ মোতাহার হোসেন, জেলা মৎস্য অফিসার রাজ কুমার বিশ্বাস, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপপরিচালক এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিয়া খাতুন। তারা প্রযুক্তি, রোগনিয়ন্ত্রণ এবং বাজারজাতকরণ সম্পর্কে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেন।

    আলোচনায় আধুনিক মাশরুম উৎপাদন, সঠিকভাবে প্যাকেজিং ও স্থানীয় বাজারে বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। সভার শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হয় এবং ভবিষ্যতে ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং কৃষকদের মধ্যে মাশরুম চাষে আগ্রহ বাড়াবে।

  • ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস: খুলনায় বিশেষ অভিযান

    ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস: খুলনায় বিশেষ অভিযান

    ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সংক্রমণ রোধে দেশব্যাপী ঘোষিত “প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস” কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা নগরে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযানে লোকবল ও যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় শনিবার খালিশপুর এলাকায় মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সকাল সাড়ে ১০টায় ১২নং ওয়ার্ডস্থ প্রভাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় উপস্থিত থেকে এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন। কেসিসি’র কনজারভেন্সি বিভাগ কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করছে।

    কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু স্থানীয় লোকজন ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে বলেন, “নগরবাসীর সমস্যা দূর করাই কেসিসি’র মূল লক্ষ্য। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ শহর গড়তে কাজ করছি। খালগুলো পরিষ্কার করতে দুই মাসের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আসন্ন বর্ষার আগেই ড্রেন-নালা পরিষ্কার করে যাতে কোথাও জলাবদ্ধতা না হয়, সে উদ্যোগ নেয়া হবে।”

    তিনি নগরবাসীর প্রতি বিশেষ করে অনুরোধ করেন ড্রেনে বা রাস্তা-ঘাটে আবর্জনা না ফেলতে এবং নির্দিষ্ট স্থানে আবর্জনা ফেলার মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতা পেলে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার লক্ষ্য সহজেই পূরণ করা সম্ভব।

    কেসিসি ইতোমধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করেছে। ড্রেন, নালা, আবর্জনার স্তূপ এবং মশার প্রজননশীল ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষভাবে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখা, ফুলের গামলা, ড্রাম, অপ্রয়োজনীয় বাসন-পত্র বা পরিত্যক্ত টায়ারে পানি জমতে না দেওয়া সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতেও আহ্বান জানানো হয়েছে।

    কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোঃ মাসুদ করিম, কনজারভেন্সি অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ অহিদুজ্জামান খান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিমসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    পরবর্তীতে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিপরীত গলি, এস লাইনের মসজিদ, গোয়ালখালী থেকে বাস্তুহারা পর্যন্ত ড্রেন, বয়রা হাউসিং এস্টেট-এর ১নং সড়ক ও ক্ষুদে খালের অবশিষ্ট অংশে চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন।

  • আসিফ নজরুল বিতর্কে বিসিবির স্পষ্ট ব্যাখ্যা

    আসিফ নজরুল বিতর্কে বিসিবির স্পষ্ট ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতের অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না যাওয়ার ঘটনাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের ধোঁয়াশা পরিস্কার করেছে। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে শনিবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডের পরিচালকরা বলেন, ক্রিকেটারও বোর্ডও বিশ্বকাপে অংশ নিতে চেয়েছিল; কিন্তু তখনকার অন্তর্বর্তী সরকারের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তই তাদের হাত-পা বেঁধে দেয়।

    সবকিছুর সূত্রপাত হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকে আর) থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে হঠাৎ রিলিজ করে ফেলার ঘটনা থেকে। আইপিএল-২০২৬-এর জন্য কেনা মুস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই নিরাপত্তার অজুহাতে ওই নির্বাচনকালীন সরকার ভারতের উদ্দেশ্যে দলের পাঠানো বন্ধ করে দেয়। তখনকার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি সরব ছিলেন এবং শুরুতে বলেছিলেন ক্রিকেটাররাই ভারতে যেতে চাননি। কিন্তু বিসিবি এখন সেই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

    বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আমরা ক্লিয়ার সিগনাল পেয়েছিলাম। আলাপচারিতাও হয়েছিল।” তার কথায় বোর্ড এবং ক্রিকেটাররা মূলত যাবার পক্ষে ছিলেন।

    নাজমুল আবেদিন ফাহিম পরিস্থিতির বিস্তারিত বলেছেন। তিনি জানান, মুস্তাফিজ ইস্যুর পর বোর্ড প্রথমে কিছু প্রতিক্রিয়া দেখালো এবং বোঝাপড়া, দর-কষাকষি বা ভারতীয় পক্ষ থেকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আশ্বাসের ওপর চিন্তা করছিল। “কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত চলে আসায় আর কোনো পথ খোলা ছিল না,” তিনি বলেন।

    ফাহিম আরও জানান, ‘বিপিএল ফাইনাল ২৩ তারিখে ছিল। চট্টগ্রামে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে সূচিতে পরিবর্তন হয়ে সিলেটে বেশি ম্যাচ খেলতে হয়েছে, তারপর দ্রুত ঢাকা ফিরে আসতে হয়েছে। আমরা চাইলে দুই দিন সময় নিয়ে চট্টগ্রামে খেলা শেষ করে যেতে পারতাম এবং ২৮ তারিখে বিশ্বকাপের উদ্দেশ্যে রওয়া দিতে পারতাম। আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু সরকার যখন নিরাপদ নয় বলল, তখন আমাদের আর কিছু বলার সুযোগ ছিল না।’

    অন্যদিকে পরিচালক মোখসেদুল কামাল বাবু সরাসরি বলেছেন, “বোর্ড অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলার পক্ষে ছিল।” ঐ সম্মেলনে উপস্থিত সব পরিচালকই একেবারেই দলের ভারত যাত্রার বিরোধী ছিলেন না বলে জোর দিয়ে বলা হয়।

    বিসিবি জানিয়েছে, ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি; বরং সরকারের নির্দেশনায় বোর্ডকে তা মেনে নিতে বাধ্য হতে হয়েছে। ফলশ্রুতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতে রাখার অনুরোধ অগ্রাহ্য করে এবং সবশেষে বাংলাদেশকে প্রতিস্থাপিত করে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

    সংক্ষিপ্তভাবে, বিসিবি বলছে—বোর্ড ও খেলোয়াড়রা খেলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তখনকার রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত পুরোপ্রকারে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল। আসিফ নজরুলের বক্তব্য যে ক্রিকেটাররাই যেতে চায়নি—বিসিবি তা সরাসরি বরখাস্ত করেছে।

  • তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

    তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) শেষ নির্বাচন স্বচ্ছভাবে হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। তদন্তটি শেষ করে আজ সংশ্লিষ্টরা তাদের প্রতিবেদন এনএসসিতে জমা দিয়েছে। তবে সেই তদন্ত কমিটির সামনে নিজেকে হাজির করেননি সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    কেন তিনি কমিটির ডাকে সাড়া দেননি, তার ব্যাখ্যা নিজ অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। সেখানে তিনি কয়েকটি কারণ তুলে ধরেছেন। প্রথমত, তিনি মনে করেন যে মন্ত্রণালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বিসিবির ওপর তার এখতিয়ারের বাইরে তদন্ত চালাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, তাঁর অভিযোগ—তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপনে এমনভাবে সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত রয়েছে যে সবকিছু আগেভাগেই টেনে রাখা হয়েছে।

    তৃতীয়ত, তিনি লক্ষ্য করেছেন যে তদন্তটি এমন একটি বিষয়ের ওপর করা হচ্ছে যেটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন; তাই এমনভাবে তদন্ত চালালে তা কখনো কখনো আদালত অবমাননার শামিল হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। চতুর্থত, তিনি অভিযোগ করেছেন যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ড পরিচালকদের ভবিষ্যৎ পদকে প্রলোভন দেখিয়ে বা ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করাচ্ছেন।

    আসিফ আরও লিখেছেন, তদন্ত কমিটি থেকে তাকে বলা হয়েছিল যে সাক্ষাৎকার বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ওপর মন্ত্রণালয় কীভাবে এমন তদন্ত পরিচালনা করতে পারে—এই ব্যাপারে তিনি কোনও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাননি। সরকার পরিচালনা, প্রজ্ঞাপন জারি, কোন প্রতিষ্ঠানকে স্বায়ত্তশাসিত বলা হবে, কোন বিষয় বিচারাধীন এবং কোন কাজ আদালত অবমাননা—এই ধরনের জটিল বিষয়গুলোকে তিনি নিজের জনগণগতভাবে বা সুগঠিতভাবে বোঝা ও মেনে নেওয়া ছাড়া অংশ নেবেন না বলে স্পষ্ট করেছেন। তাই সংশ্লিষ্ট নোটিশে তিনি সাড়া দেননি।

    এনএসসি ১১ মার্চ সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। কমিটির মূল দায়িত্ব ছিল জানুন নির্বাচন প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের সময় দেয়া হলেও তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই রিপোর্ট জমা দিয়েছে।

    গত বছরের ৬ অক্টোবর ঢাকার কিছু ক্লাব সংগঠন বিসিবির নির্বাচন বর্জন করে; সেই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটেই দেশের ক্লাব ক্রিকেট কার্যত থমকে আছে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনও মাঠে না গড়ানোয় ক্রিকেটাররা সামাজিক মাধ্যমে তাদের হতাশা প্রকাশ করেছেন।