Blog

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মোবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মোবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে বর্ষবরণের রাতে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। ভক্তের অসংযত উন্মাদনাকে ছাপিয়ে পরিস্থিতি এক সময়ে উগ্র ‘মব’ বা উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবে রূপ নেয়। সৌভাগ্যবশত, তারা প্রাণে বেঁচে গেলেও তাদের বহনকারী গাড়িটি জনতার হামলায় ব্যাপক ভাঙচুরের শিকার হয়।

    নতুন বছরকে ঘরে তুলতে বালুরঘাটের এক জমকালো কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন এই দুই শিল্পী। অনুষ্ঠান শেষের পর ফেরার পথে তাদের গাড়ি ঘিরে নেওয়া হয় শত শত উন্মাদ ভক্তের দ্বারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, জনতা চলন্ত গাড়ির ওপর হামলা চালায়, কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। ফলে গাড়ির পেছনের কাঁচ ভেঙে যায় এবং ভেতর থেকে সাচেত ‘ওহ শিট’ বলে চিৎকার করেন। পাশেই থাকা পরম্পরা আতঙ্কিত হয়ে জনতাকে শান্ত করার জন্য চিৎকার করেন, ‘গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।’ কিন্তু উন্মত্ত জনতার চাপ আর হাত থেকে রক্ষা পাননি তাদের গাড়ি।

    হামলার এই আকস্মিকতার হতভম্ব হয়ে পড়লেও, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনো বলিউডের দুই শিল্পী কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিবৃতি দেননি। তবে তারা নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় নেটিজেনদের মধ্যে ক্ষোভের ঝড় বইছে। অনেকে মনে করছেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বলিউডের তারকাদের ওপর এ ধরনের হামলা দেশের আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন প্রান্তে এই ‘মব কালচার’ এর শিকার হতে দেখেছে জনপ্রিয় তারকারা। কিছুদিন আগে কৈলাস খেরের কনসার্টেও এমন উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবের ঘটনা ঘটে, যখন মঞ্চ छोड़তে বাধ্য হন শিল্পীরা।

  • পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল জমা, চমক রয়েছে যুক্ত

    পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল জমা, চমক রয়েছে যুক্ত

    ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। গতকালই তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে তাদের প্রাথমিক স্কোয়াডের তালিকা জমা দিয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে অভিজ্ঞ তারকা ক্রিকেটারদের পাশাপাশি বেশ কিছু তরুণ ও নতুন মুখ, যা বিভিন্ন পাকিস্তানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আলোচিত হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপের নিয়ম অনুসারে, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে স্কোয়াডে সদস্য পরিবর্তন করলে আইসিসির অনুমোদন লাগবে না। এরপরের সময়ে কোনো বদল করতে চাইলে টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পিসিবি সূত্রে জানা গেছে, শ্রীলঙ্কা সফর শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত দল ঘোষণা করা হবে, এবং এর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের দলও নির্ধারিত হবে।

    প্রাথমিক স্কোয়াডে ফিরেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম, এছাড়াও রয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ ও শাদাব খান। চোট থেকে ফিরে আসা শাদাব খান দলের জন্য বড় স্বস্তি। চলমান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলের বেশ কিছু সদস্যও স্কোয়াডে স্থান পেয়েছেন।

    প্রধান ক্রিকেটার হিসেবে বাবর আজম, শাহিন আফ্রিদি, হারিস রউফ ছাড়াও তালিকায় উল্লেখযোগ্য নাম হলো নাসিম শাহ, ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, সাহিবজাদা ফারহান, উসমান খান, মোহাম্মদ নওয়াজ, আব্রার আহমেদ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, সালমান মির্জা, উসমান তারিক, খাজা নাফে ও আবদুল সামাদ।

    চমকের বিষয় হলো, উসমান তারিক, খাজা নাফে ও আবদুল সামাদের মতো তরুণ ক্রিকেটাররা স্থান পেয়েছেন এই স্কোয়াডে, যাদের পারফরম্যান্স ভক্তদের মাঝে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

    অধিনায়কত্ব বিষয়ে পিসিবির সিদ্ধান্ত স্পষ্ট, সালমান আলি আগা থাকছেন পাকিস্তান দলের নেতৃত্বে ২০২৬ পর্যন্ত। তাঁর অধিনায়কত্বে দলে ইতিবাচক নতুন ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা বিশ্বকাপের জন্য আশার আলো।

    বিস্তারিত এই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ফেব্রুয়ারি মাসে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় এই প্রতিযোগিতা হবে, যেখানে পাকিস্তানের সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কায়। তাই এই সিরিজকে প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • আসিফ নজরুলের দাবী: ভারতের থেকে ম্যাচ সরানো ও আইপিএল প্রচার বন্ধের অনুরোধ

    আসিফ নজরুলের দাবী: ভারতের থেকে ম্যাচ সরানো ও আইপিএল প্রচার বন্ধের অনুরোধ

    বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়া উপদেষ্টার আসিফ নজরুলের একটি হৃদয়স্পর্শী প্রতিবাদ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের অশুভ নির্দেশনাটা, যেখানে মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বলেছেন, যেন উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠীর চাপের মুখে ঢুকতে হয়। এই নির্দেশের পর দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা গভীর হতাশা ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন।

    ড. আসিফ আজ রাতে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর চাপের কাছে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়ার জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্সের নির্দেশ দিয়েছে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আমি ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কে বলেছি, তারা যেন আইসিসিকে বিষয়টি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে জানায়। বাংলাদেশে একজন ক্রিকেটার চুক্তিবদ্ধ থাকলেও ভারতে খেলতে না পারার কারণে বিশ্বকাপের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে না জাতি। আমি তাদের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় নঞ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।”

    সিলেটে আজ রাতে বিসিবির নীতিনির্ধারকদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার প্রতি সচেতনতা জানিয়ে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন বলেন, “আগামীকালই আমরা আইসিসিকে লিখিত নোটিশ পাঠাবো নিরাপত্তা বিষয়ে নিশ্চিত হতে। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।”

    উল্লেখ্য, আসিফ নজরুল আরও জানিয়েছেন, তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে অনুরোধ করবেন এবারের আইপিএলের ম্যাচের সম্প্রচার বন্ধের জন্য। তার ভাষ্য, “আমরা কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশের ক্রিকেট, ক্রিকেটার ও দেশের মর্যাদা লঙ্ঘন স্বীকার করব না। গোলামির দিন শেষ!” এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি দেশের ক্রিকেটের স্বাধিকার ও মর্যাদার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • ৩৭তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    ৩৭তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    খুলনার বিভাগীয় কমিশনার অতিরিক্ত সচিব মোঃ মোখতার আহমেদ বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে শুধুমাত্র শিক্ষাই নয়, খেলাধুলাকে igualmente গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের সন্তানদের মানসিক ও শারীরিক উত্কর্ষের জন্য ক্রীড়ার গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বলেন, যে মাঠে শিশুরা দৌড়ায়, সেখান থেকেই জন্ম নেয় শক্তি, শৃঙ্খলা এবং নৈতিকতা। খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি সমাজ গড়ার সবচেয়ে শক্তিশালী উপকরণ। আজকের প্রজন্মের মধ্যে নানা ধরনের আসক্তি থেকে মুক্তি দিতে এবং তাদের সুকুমার বৃত্তির বিকাশে সঠিক পথপ্রদর্শন অত্যন্ত জরুরি।

  • ভারতে নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ দলের IPL ও বিশ্বকাপ প্র silhou মেয় দ্রুত সিদ্ধান্তের আশঙ্কা

    ভারতে নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ দলের IPL ও বিশ্বকাপ প্র silhou মেয় দ্রুত সিদ্ধান্তের আশঙ্কা

    প্রাকৃতিক রাজনীতি এবং অস্থির পরিস্থিতির ছায়া পড়েছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর। সম্প্রতি ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল ২০২৬ থেকে মুক্তি দিতে। এই ঘটনা যেখানে ক্রিকেটের মাঠের বাইরেও রাজনীতি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।

    এদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিশ্বকাপ এবং আইপিএলে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আজ আইসিসিকে একটি চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়, পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দুই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে তারা ঝুঁকি দেখছে। বিসিবি উল্লেখ করে, আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে, ফলে তারা সরাসরি খেলোয়াড় পাঠানোর পরিবর্তে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছে। অর্থাৎ, বিশ্বকাপের ভেন্যু অন্য কোথাও স্থানান্তর হলে, বাংলাদেশ সেটিতে অংশগ্রহণ করতে বিবেচনা করবে।

    বিসিবি মনে করে, বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার আগে সতর্কতার সঙ্গে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তবে, এখনো আইসিসি আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি।

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হবে। ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের অভিযান, এরপর ইংল্যান্ড ও ইতালি দলের সঙ্গে ম্যাচ। অন্যদিকে, শেষ ম্যাচটি হবে মুম্বাইয়ে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নেপাল।

    বিসিবি ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ক্রিকেটারদের মধ্যে অধিনায়ক লিটন দাসের পাশাপাশি সহ-অধিনায়ক হিসেবে সাইফ হাসান থাকছেন। জাকির আলী, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের মতো খেলোয়াড়রা দলে থাকছেন না। তবে, ফর্মে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তকে দলে রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে। অন্যদিকে, বল হাতে দারুণ ফর্মে রয়েছেন রিপন মন্ডল ও আলিস ইসলাম। বিপিএলে যা ভালো করেছেন, তাদের দলে রাখার জন্য নির্বাচকরা নজর দিচ্ছেন।

    এভাবেই, সেপ্টেম্বরজুড়ে চলা এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসন দ্রুত করণীয় নির্ধারণ করছে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই অনুশীলন বা স্কোয়াডে পরিবর্তন করা যাবে। যদি কোনো প্রয়োজন হয়, তবে আইসিসির টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদনও নিতে হবে।

  • শান্ত-জাকেরকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

    শান্ত-জাকেরকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

    বাংলাদেশের ক্রিকেট দল ভবিষ্যত বিশ্বকাপের জন্য ঘোষণা করা হলেও ভারতের প্রতি অংশগ্রহণের বিষয়ে অনিশ্চয়তা এখনও জেঁকে বসেছে। মুস্তাফিজুর রহমানের ইস্যুতে, দেশের লিগ পর্বের চারটি ম্যাচের ভেন্যু শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবিও উঠছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বাংলাদেশ Cricket Board (বিসিবি) ১৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছে।

    তবে এই দলে নেই জাকের আলি অনিক, যিনি মূল দলে সুযোগ পাননি। একইভাবে নির্বাচকদের নজরে আসেনি মাহামুদুল ইসলাম অঙ্কনের নামও। অন্যদিকে, দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

    উল্লেখ্য, বিপিএলের প্রথম কয়েক ম্যাচে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফর্মেন্স দেখিয়ে আলোচনায় এসেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার পাশাপাশি বল হাতে বেশ কিছু ম্যাচে ভালো পারফরমেন্স দেখিয়েছেন রিপন মন্ডল এবং আলিস ইসলাম। এই সব তরুণ ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক পারফরমেন্সের ওপর নজর রাখছে নির্বাচকরা। তবে, ঘোষিত প্রাথমিক দলে যেকোনো পরিবর্তন আনতে চাইলে বিসিবি ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এরপর যদি কোনো পরিবর্তন প্রয়োজন হয়, তবে আইসিসির টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদন নিতে হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে খেলবে। এরপর কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে দুটি ম্যাচ, যেখানে বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ও ইতালির বিপক্ষে লড়বে। শেষ ম্যাচে নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ মুম্বাইয়ে।

    প্রাথমিক স্কোয়াডের খেলোয়াড়রা হলেন: অধিনায়ক লিটন দাস, সহঅধিনায়ক সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান, সাকিব আল হাসান, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম।

  • ভেনেজুয়েলায় নতুন সরকার গঠনের দাবি জানালেন নোবেল বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো

    ভেনেজুয়েলায় নতুন সরকার গঠনের দাবি জানালেন নোবেল বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো

    ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলের নেত্রী ও নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত মারিয়া কোরিনা মাচাদো দেশটির বর্তমান সরকার পরিবর্তনের জন্য কঠোর আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর এই প্রথমবারের মতো তিনি জাতির উদ্দেশ্যে সরাসরি ভাষণ দেন। মাচাদো মন্তব্য করে বলেন, এখন সময় এসেছে জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত করার। তিনি বিশেষ করে নির্বাচনে জয়ী হওয়া গonzalo গঞ্জালেজ উরুতিয়াকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য উত্সাহিত করেন। একটি চিঠির মাধ্যমে তিনি ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “নিকোলাস মাদুরো আজ (শনিবার) আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার মুখোমুখি হচ্ছেন। ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষ এবং অন্যান্য দেশের নাগরিকদের ওপর তিনি যে ভয়ঙ্কর অপরাধ করেছেন, তাকে জবাব দিতে হবে।” তিনি আরো বলেন, “আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে অস্বীকৃতি জানিয়ে মার্কিন সরকার আইন প্রয়োগের জন্য যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, তা বাস্তবায়িত হয়েছে। এখন আমাদের সময়, জনগণের শাসন ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার।” মাচাদো বলেন, “অতীতে দেশকে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনব, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেব এবং একটি সুন্দর, সাধারণ দেশ গড়ে তুলব। আমাদের সন্তানদের আবার তাদের পরিবারে ফিরিয়ে আনব।” তিনি দাবি করেন, গঞ্জালেজ ভেনেজুয়েলার অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও বৈধ প্রেসিডেন্ট, কারণ ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করেছিলেন। তবে ঐ নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ থাকায়, চলতি বছরের শুরুর দিকে মাদুরো আবারো প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গঞ্জালেজকে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য মাচাদো স্পষ্টভাবেই কূটনৈতিক ও সাংবিধানিক পথ মেনে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “এখন সময় এসেছে গঞ্জালেজকে দায়িত্ব গ্রহণের, সেনা কর্মকর্তাদের যেন তাকে প্রধান সেনাপতি বলে স্বীকৃতি দেয়। আমরা এই দায়িত্ব পালন ও ক্ষমতা গ্রহণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। যতদিন পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততদিন আমাদের সবাইকে সতর্ক, সচেতন ও একসঙ্গে থাকতে হবে। এই পরিবর্তনের লড়াইয়ে আমাদের সবাইকে প্রয়োজন।” মাচাদো তার এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টে গঞ্জালেজের সঙ্গে একটি বার্তা শেয়ার করে বলেন, “ভেনেজুয়েলার নাগরিকগণ, এখনই সময় আমাদের পার করার। জানিয়ে রাখি, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।” সূত্র: সিএনএন।

  • ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে কমপক্ষে ৪০ জনের মৃত্যু, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন

    ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে কমপক্ষে ৪০ জনের মৃত্যু, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন

    ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চালানো একটি সামরিক অভিযানে অন্তত ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক ও সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    নিউইয়র্ক টাইমসের সূত্রে জানা যায়, ভেনেজুয়েলার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নাম প্রকাশ না করে বলেছেন, এই হামলায় বহু সাধারণ মানুষ ও সৈন্য নিহত হয়েছে। এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, বন্দুকযুদ্ধের সময় পার হওয়া এই অভিযানটি খুবই লক্ষ্যভেদী এবং সংঘর্ষপ্রধান ছিল।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের প্রথম দিকে ভেনেজুয়েলার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে বিশাল আকারের বিমান অভিযান চালানো হয়। এই অভিযান চলাকালে, ১৫০টিরও বেশি মার্কিন বিমান ভেনেজুয়েলার আকাশে মোতায়েন করা হয়েছিল যাতে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টারগুলো প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর অবস্থানস্থলে সেনা নামাতে পারেন।

    এদিকে, এই অভিযানের জন্য নিহতের সংখ্যা, পরিধি বা পরিস্থিতি নিয়ে হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনের কাছ থেকে এখনো কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার ভোরে একটি নাটকীয় অভিযান চালানো হয়েছিল, যেখানে মার্কিন বাহিনী মাদুরো ও তার স্ত্রীর ওপর অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ব্যাপারে ঘোষণা দেন, ভেনেজুয়েলায় যতক্ষণ পর্যন্ত একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, ততক্ষণ দেশটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

    অপরদিকে, নিউইয়র্কের একটি বিজ্ঞ আদালত মাদুরো দম্পতির বিরুদ্ধে নতুন একটি অভিযোগপত্র দাখিল করে, যেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে টন টন কোকেন পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    তবে এই অভিযানের ব্যাপক সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে উল্লেখ করেছেন যে, এই পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন না নিয়ে এই অপারেশন বাস্তবায়িত হয়েছে। এর ফলে, ভেনেজুয়েলাসহ পুরো অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতা ও অশান্তি ছড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে।

  • ট্রাম্পের হুমকির পরে সীমান্তে কলম্বিয়ার সেনা মোতায়েন

    ট্রাম্পের হুমকির পরে সীমান্তে কলম্বিয়ার সেনা মোতায়েন

    ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে শনিবার অপহরণের পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে সতর্ক করেন। এর পরেই কলম্বিয়ার সীমান্তে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট। খবর এএফপি ও সিএনএন।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ভেনেজুয়েলার নেত্রী নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে, যা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার এই দাবিের প্রেক্ষিতে, পেত্রো ভেনেজুয়েলাবিরোধী চাপের মুখে অবস্থান নিয়েছেন এবং নিজ দেশের নিরাপত্তা জোরদার করতে সীমান্তে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেন।

    পেত্রো এ সতর্কতার মাধ্যমে বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই হস্তক্ষেপ লাতিন আমেরিকার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। তার ভাষায়, এর ফলে মানবিক সংকট আরও গভীর হতেই পারে। তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধান সম্ভব হলেও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, নিরাপত্তা বলয় আরও জোরদার করতে দিশা দেখানো হয়েছে।

    অপরদিকে, মাদুরো আটক হওয়ার বিষয়ে কিছু না বললেও, তিনি অঞ্চলটিতে তার সরকারের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। সার্বিক পরিস্থিতিতে, কলম্বিয়ায় মার্কিন সেনা অভিযান চালানোর আভাসও দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতোমধ্যেই ভেনেজুয়েলার নেতাকে গ্রেফতারের জন্য শক্তিশালী সতর্কবার্তায় দিয়েছেন।

    ট্রাম্পের ভাষায়, কলম্বিয়ায় অনেক কারখানা রয়েছে, যেখানে কোকেন তৈরি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা হচ্ছে। তাই, কলম্বিয়াকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এই সকল ঘটনা লইয়ে আন্তর্জাতিক জলতরঙ্গের গভীর উদ্বেগ ও সতর্কতা বাড়ছে।

  • ভয়ঙ্কর কারাগারে নিকোলাস মাদুরো, ফার্স্ট লেডির খোঁজ এখনো নেই

    ভয়ঙ্কর কারাগারে নিকোলাস মাদুরো, ফার্স্ট লেডির খোঁজ এখনো নেই

    ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত মেট্রোপোলিটন ডিটেনশন সেন্টারে (এমডিসি) নিয়ে আসা হয়েছে। এই কারাগারটি পূর্বে ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল ও পিডিডির মতো হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের আটক স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সময় শনিবার ভোরে একটি সামরিক ঘাঁটিতে তাকে স্থানান্তরিত করা হয়। এরপর থেকে তাকে হেলিকপ্টারে করে ব্রুকলিন ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়ার জন্য রওনা করা হয়। এই সময়ের মধ্যে প্রথমে তাকে নিউইয়র্কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ডিইএ) কার্যালয়ে হাজির করা হয়। মাদুরো বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে মাদক পাচার এবং অস্ত্র চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে। তবে তিনি পূর্বে থেকেই এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন, বলছেন তিনি কোনো মাদক চক্রের অংশ নন। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তাকে এবং তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হবে, তবে এখন পর্যন্ত তাদের উপস্থিতির দিনক্ষণ নিশ্চিত হয়নি। জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে ‘এমডিসি’ কারাগারেই তাকে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে, যতক্ষণ না তিনি মাদুরো ও অস্ত্র ও মাদক চুরির মামলায় শুনানির মুখোমুখি হন। মাদুরোসহ তার স্ত্রীর বর্তমান অবস্থা বা কোথায় রাখা হয় তা নিয়ে কোন স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এই কারাগারটি নিউইয়র্কের একমাত্র ফেডারেল কারাগার হিসেবে পরিচিত ও অত্যন্ত ‘ভয়ঙ্কর’ বলে মনোযোগ লাভ করেছে। পরিবেশের অবস্থা খারাপ, সহিংসতা প্রবণতা এবং কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে এই ডিটেনশন সেন্টার বিষয়ে। হোয়াইট হাউসের র‌্যাপিড রেসপন্স অ্যাকাউন্টের পক্ষ থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে দেখা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তারা ভেনেজুয়েলার নেতাকে একটি করিডোরে escort করছেন। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, মার্কিন সেনারা শোবার ঘর থেকে এসে মাদুরো ও তার স্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি চালান করে তুলে নিয়ে যান।