Blog

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের সোনালী যুগের দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। বহুদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে ৮২ বছর বয়সে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    মৃত্যু সংবাদটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন জাভেদ। পরবর্তীতে পরিবারের সঙ্গে পাঞ্জাবে বসবাস করলেও পরবর্তীতে তাঁর কলাকৌশল ও প্রতিভা তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিয়ে আসে।

    জানা গেছে, দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি এবং নানা রকম শারীরিক জটিলতাও ছিল। গত বছরের এপ্রিল মাসেও তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    সংবাদমাধ্যমকে জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানান, আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থার ব্যাপক অবনতি হয়। গত কিছুদিন ধরে বাসায় রেখে চিকিৎসা চলছিল; হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক ও দুই নার্স এসে দেখাশোনা করছিলেন। ওই সকালে নার্সরা প্রথমে তাঁর শরীর ঠাণ্ডা লক্ষ্য করেন। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    জাভেদের অভিনয়জীবন শুরু হয় নৃত্যনির্দেশক হিসেবে; পরে নায়ক হিসেবে সুবাখ্যাতি পান। ১৯৬৪ সালে উর্দু ছবিতে (নয়ি জিন্দেগি) নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ ছবিতে শাবানার সঙ্গে কাজ করে তিনি বহুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামটি দেন। এরপর একের পর এক ব্যবসাসফল ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের মনে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থায়ী আসন করান। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় অভিনেত্রী ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

    রূপালি পর্দায় তার আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস; ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। সত্তর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল জোরাল নাচ ও অ্যাকশনের অনবদ্য মিশ্রণ। তার প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।

    জাভেদের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

    ইলিয়াস জাভেদের শিল্পীজীবন ও নৃত্যশৈলীর স্মৃতি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন থাকবে। তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

  • চিরবিদায়: চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই

    চিরবিদায়: চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই

    দুই বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়শ্রী কবির আর নেই। ১২ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন; অপমৃত্যু সময় তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

    মৃত্যুসংবাদটি প্রথম জানিয়ে দেন তার ভাগ্নে জাভেদ মাহমুদ। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “আমার মামি জয়শ্রী কবির বিখ্যাত নায়িকা, এককালের ‘মিস ক্যালকাটা’ — লন্ডনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। উনি সত্যজিৎ রায়ের সিনেমা ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’, আলমগীর কবিরের ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রুপালি সৈকতে’, ‘সূর্য কন্যায়’ নায়িকা ছিলেন।” জাভেদ জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে অসুস্থ ছিলেন তিনি।

    জয়শ্রী কবির দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে বসবাস করতেন। সেখানে তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। প্রায় এক দশক আগে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন; সেই পর্বের পরে আর বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা হয়নি।

    জয়শ্রী কবির ১৯৫২ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন; পারিবারিক নাম জয়শ্রী রায়। সাউথ পয়েন্ট স্কুলে তিনি পড়াশোনা করেন। ১৯৬৮ সালে ‘মিস ক্যালকাটা’ নির্বাচিত হওয়ার পর চলচ্চিত্রে জোরাল উপস্থিতি দেখানো শুরু করেন। ১৯৭০ সালে সত্যজিৎ রায়ের পরিচালিত ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ ছবিতে তাঁর চলচ্চিত্র জীবনের সূচনা। পরে উত্তম কুমারের বিপরীতে ১৯৭৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অসাধারণ’ ছবিতেও তিনি অভিনয় করেন।

    পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ করে জয়শ্রী কবির দুদিকের বাংলা চলচ্চিত্রেই পরিচিতি অর্জন করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশী পরিচালক আলমগীর কবিরের several চলচ্চিত্রে তিনি নায়িকা ছিলেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য—‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রুপালি সৈকতে’, ‘সূর্য কন্যা’ ও ‘মোহনা’।

    জয়শ্রী ১৯৭৫ সালে আলমগীর কবিরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন; কিন্তু দাম্পত্য জীবন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। প্রায় তিন বছরের মধ্যে অশান্তির ফলে তারা বিবাহ বিচ্ছেদ করেন। এ সংসabethে তাঁদের একটি পুত্র—লেনিন সৌরভ কবির—আছেন। বিবাহবিচ্ছেদের পর জয়শ্রী প্রথমে কলকাতায় ফিরে যান এবং পরে পুত্রকে নিয়ে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বাস শুরু করেন।

    জয়শ্রী কবিরের চলে যাওয়া বাংলা চলচ্চিত্রে এক যুগপীত আবেগ ও স্মৃতিচিহ্ন রেখে গেল। শোবিজসহ চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে তাঁর অভিনয়, লড়াকু চরিত্রচিত্র ও দুই বাংলার চলচ্চিত্রে অগ্রগতি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

  • জাতিসংঘের দাবি, বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চান

    জাতিসংঘের দাবি, বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চান

    বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সক্রিয়ভাবে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে জাতিসংঘ গুরুত্ব দিয়ে মনোযোগ দিচ্ছে, যাতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং সকলের জন্য অংশগ্রহণের উপযোগী হয়। জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের দপ্তর থেকে এই বিষয়ে মন্তব্য করেন ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক। এক সাংবাদিক বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য হলো দেশটিতে নির্বাচনের প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময় স্পষ্টভাবে বলেছি যে, এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করাই গুরুত্বপূর্ণ যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিরাপদে তাদের ভোটাধিকার ব্যবহার করতে পারবেন এবং ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে।’ এই স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকার নির্বাচনের সময় এবং পরে গণতন্ত্র রক্ষা এবং একে সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকে। জাতিসংঘের এই প্রস্তাবনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি বার্তা, যার মাধ্যমে তারা জানাতে চায় যে, নির্বাচন যেন স্বচ্ছ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য হয়। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলেছে, যেখানে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।

  • Trump হুঁশিয়ারি: পৃথিবী থেকে ইরানকে ‘মুছে ফেলার’ সম্ভাবনা

    Trump হুঁশিয়ারি: পৃথিবী থেকে ইরানকে ‘মুছে ফেলার’ সম্ভাবনা

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতাদের উদ্দেশে শক্ত ভাষায় সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইরানের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি অব্যাহত থাকে, তবে দেশটিকে পৃথিবী থেকে মুছে ফেলা হবে। এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি, যা দ্য হিল নামের একটি মার্কিন গণমাধ্যমও প্রকাশ করেছে।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) নিউজ নেশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের উচিত নয় এমন হুমকি দেওয়া। তিনি আরও জানান, আমি আগেই নির্দেশনা দিয়েছি—যদি আমার কিছু ঘটে, তাহলে পুরো ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

    ট্রাম্প মনে করেন, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন চলাকালে বাইডেন প্রশাসনের গোয়েন্দা কর্মকর্তা ওদের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হত্যার হুমকি সম্পর্কে ব্রিফ করেছিলেন। এ বিষয়ে তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ড জানিয়েছেন, এই ষড়যন্ত্রের পেছনে ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকতে পারে। সোলাইমানির মৃত্যুদণ্ডে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভিযান সফল হয়েছিল।

    এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উচিত ছিল বিষয়গুলোকে জাতির কাছে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা। সাবেক ও বর্তমান প্রেসিডেন্টদের একে অপরের রক্ষা করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। তিনি আরও জানান, আমার স্পষ্ট নির্দেশনা আছে—যদি কিছু ঘটে, তবে ইরান পুরো পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

    পূর্বে ট্রাম্প বলেছিলেন, যদি ইরান তার জীবনবাজি রেখে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করে, তাহলে দেশটিকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। কর্মকর্তাদের নির্দেশের ফলে তিনি এই কথা বলেছিলেন, যা ইরানের জন্য এক ভয়াবহ বিপদ হতে পারে।

    অপরদিকে, ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত তিন হাজার ৩০০ এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর জেরে ট্রাম্প বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের উপর যদি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র মোবাইল সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। তবে বর্তমানে তাকে জানানো হয়েছে যে, এসব হত্যাকাণ্ড আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।

    এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অভিযোগ করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। এক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, তারা ইরানকে ছাড় দিতে চায় না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমরা যুদ্ধ চাচ্ছি না, তবে দেশের অভ্যন্তরীণ অপরাধীদের ও দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

  • গাজায় যুদ্ধাপরাধের জন্য অভিযুক্ত নেতানিয়াহু বোর্ড অব পিসে যোগ দিচ্ছেন

    গাজায় যুদ্ধাপরাধের জন্য অভিযুক্ত নেতানিয়াহু বোর্ড অব পিসে যোগ দিচ্ছেন

    গাজার পরিস্থিতি এখন বিশ্ববোধক এক সংকটের কেন্দ্রে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি নতুন সংগঠন গড়ে উঠছে, যেখানে যোগ দিচ্ছে দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। এই খবরটি বুধবার (২১ জানুয়ারি) ইসরায়েলি সরকারি দপ্তর নিশ্চিত করেছে এবং এটি প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইসরায়েল ও আল-জাজিরা।

    শুরু থেকেই এই বোর্ডের নেতৃত্বে থাকবেন ট্রাম্প নিজে, যিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে এই সংগঠনে যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্পের ভাষ্য, যারা এই বোর্ডে যোগ দিতে ১ বিলিয়ন ডলার দান করবে, তারা আজীবন সদস্য হিসেবে সম্মানিত হবেন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই উদ্যোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী বিকল্প জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবে তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ট্রাম্প নিজেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন, হয়তো এই বোর্ড জাতিসংঘের স্থলাভিষিক্ত হবে।

    এখন পর্যন্ত এই বোর্ডে যোগদান করেছেন আর্জেন্টিনা, আজারবাইজান, বেলারুশ, হাঙ্গেরি, কাজাখস্তান, মরক্কো, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভিয়েতনামসহ অন্যান্য দেশ। সর্বশেষ যোগ দিয়েছেন ইসরায়েল।

    অপরদিকে, আন্তর্জাতিক আদালত (আইসিসি) গাজায় গণহত্যার অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এছাড়া, গত বছর নভেম্বরে গাজায় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের কিছু চরমপন্থী নেতা বিরুদ্ধে তুরস্কও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

    এমন পরিস্থিতিতে, নেতানিয়াহুর মতো একজন যুদ্ধাপরাধীর হাতে এই শান্তির সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়া অনেকের কাছে প্রশ্নের মুখে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ট্রাম্পের ‘শান্তির’ নামে গড়া এই বোর্ডের বিরুদ্ধে অস্পষ্ট নানা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠতে পারে, যা আন্তর্জাতিকভাবে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

  • পাকিস্তানে করাচির গুল প্লাজার অগ্নিকাণ্ডে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার

    পাকিস্তানে করাচির গুল প্লাজার অগ্নিকাণ্ডে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার

    প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করাচির ব্যস্ত শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজায় এখনও নিখোঁজের সংখ্যা বিপুল। গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার এই দুর্যোগের শুরু হয়, যেখানে প্রথম আগুন লাগে প্লাজার বেসমেন্টে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো পাঁচ তলায়। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়।

    ১৯৮০ সালে নির্মিত এই শপিং কমপ্লেক্সটির বিশাল আকার, যা একটি ফুটবল মাঠের থেকেও বড়। এখানে রয়েছে ১ হাজার ২ শতাধিক দোকান, কিন্তু আগুনে অধিকাংশ দোকান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ধরণের বড় অগ্নিকাণ্ড এর আগে করাচিতে ঘটেনি।

    অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে বেশিরভাগই দোকানের মালিক ও কর্মচারী, যারা মরদেহ উদ্ধারের পর ১৫ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় এখন মোট মৃতের সংখ্যা ৬১ জনে পৌঁছায়, তবে নিখোঁজের সংখ্যা এখনো ৪০ জনের বেশি। উদ্ধারকার্য চলাকালে ৩০ জনের দগ্ধ মরদেহ গুল প্লাজার একটি দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে নতুন করে ১৫ জনের পরিচয় জানা গেছে। নিখোঁজের সংখ্যার সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা এভাবেই দ্রুত বাড়ছে বলে ধারণা করছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

    ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গুল প্লাজার মোট ২৬টি গেট ছিল, তবে এর মধ্যে ২৪টি সবসময় বন্ধ থাকত, যার কারণে অগ্নিকাণ্ডের সময় শত শত মানুষ আটকা পড়েছিলেন। মার্কেটের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল অনুপযুক্ত ও নষ্ট, যা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে।

    তদন্তে জানা গেছে, আগুন লাগার পর দোকানগুলো শাটার বন্ধ করে দিয়েছিল, যা তাদের প্রাণহানির কারণ বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা জানিয়েছেন, ঘটনাটি তদন্ত চলছে এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। সিন্ধি সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যারা এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এই ঘটনাটি করাচির ইতিহাসে অন্যতম ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড হিসেবে রেকর্ড হচ্ছে।

  • শিনজো আবের হত্যায় খুনির আমৃত্যু কারাদণ্ড

    শিনজো আবের হত্যায় খুনির আমৃত্যু কারাদণ্ড

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে গুলি করে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আজীবন কারাদণ্ড দেয় জাপানের আদালত। এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী অর্থনীতির দেশকে স্তব্ধ করে দেওয়ার এই হত্যাকাণ্ডের প্রায় সাড়ে তিন বছর পর বুধবার রায় ঘোষণা করা হয়, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

    ১৯৫৯ সালে জন্ম নেওয়া শিনজো আবেকে ২০২২ সালের জুলাইয়ে পশ্চিম জাপানের নারা শহরে এক নির্বাচনী প্রচারের সময় হত্যা করা হয়। তখন তিনি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন, আর ওই সময় হাতে তৈরি বন্দুক দিয়ে একজন ৪৫ বছর বয়সীতেতসুইয়া ইয়ামাগামি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ ঘটনার পরই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নিহতের বয়স ছিল ৬৭ বছর।

    নারা ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে বিচার শুরুর সময়, অক্টোবর মাসে, প্রথম শুনানিতেই ইয়ামাগামি হত্যার দোষ স্বীকার করে নেয়। এ জন্য তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়, যা আদালতের জন্য এক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ছিল। তখনকারঠা সব চোখ ছিল কেমন ধরনের শাস্তি হবে তা নিয়ে। রায় ঘোষণার সময় বিচারক শিনিচি তানাকা এই গুলির ঘটনায় বলেছেন, এই ঘটনার ভাষা ‘জঘন্য’ এবং তিনি বলেন, “বড় জনসমাগমে বন্দুকের ব্যবহার অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দুষ্কৃতিকারী অপরাধ।”

    রায় ঘোষণার আগে, কৌঁসুলিরা খুনি ইয়ামাগামির জন্য আজীবন কারাদণ্ডের দাবি করেছিলেন। তারা উল্লেখ করেছিল যে, জাপানে এ রকম ঘটনা খুবই বিরল এবং ব্যাপক গুরুত্বের জন্য এই হত্যাকাণ্ডকে ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধপরবর্তী অন্যতম মারাত্মক ও নজিরবিহীন ঘটনা’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়। তবে, ইয়ামাগামির আইনজীবীরা তার জন্য কম করে ২০ বছরের দণ্ডের আবেদন জানায়, মূলত এই ঘটনায় ইউনিফিকেশন চার্চের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে।

    বিচার শেষে জানা যায়, ইয়ামাগামির বিরুদ্ধে আপিলের জন্য সিদ্ধান্ত হলে, তার আইনজীবীরা সেটি ঘোষণা করবে। ভবিষ্যতে এই ব্যাপারে তারা কি করছেন, তা পরে জানানো হবে।

  • পাইকগাছায় ৩ অবৈধ ইটভাটা ও ৫০টি কয়লা চুল্লি উচ্ছেদ

    পাইকগাছায় ৩ অবৈধ ইটভাটা ও ৫০টি কয়লা চুল্লি উচ্ছেদ

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী এলাকায় অনুমোদনবিহীন তিনটি ইটভাটা এবং অর্ধশতাধিক কাঠভিত্তিক কয়লা চুল্লি অবৈধভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। দীর্ঘ দিন ধরে এসব অবৈধ স্থাপনা থেকে নিঃসৃত ধোঁয়া, ছাই ও দূষণ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

    বুধবার দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে চাঁদখালী বাজারের সংলগ্ন এলাকায় থাকা এসব অবৈধ স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়। অভিযানে ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং আনসারসহ প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন সদস্য অংশ নেন। ভেঙে ফেলা ইটভাটাগুলির মধ্যে রয়েছে ফতেপুরের এডিবি ব্রিকস, বিবিএম ব্রিকস এবং স্টার ব্রিকস। অভিযানের সময় এলাকার সাধারণ মানুষ উত্তেজিত হয়ে উপস্থিত থাকেন এবং উৎসুকভাবে দেখেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন অব্যাহতভাবে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো অনুমতিহীন ইটভাটা বা চুল্লি আর পরিচালনা করা যেতে পারে না। এটি একদিনের অভিযান নয়, ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে। সাহায্যকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বি জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যদি কেউ অনুমোদনহীন ভাটা বা চুল্লি চালু করে, তাহলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    স্থানীয় জনগোষ্ঠী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের আশায়, নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চললে পরিবেশের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনও নিরাপদ থাকবে।

  • পাইকগাছায় বিধবা নারীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা

    পাইকগাছায় বিধবা নারীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা

    পাইকगাছায় শ্রীলেখা সানা (৬০) নামে এক বিধবা নারীর ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত শ্রীলেখা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামের মৃত ফণীন্দ্র নাথ সানার স্ত্রী। ঘটনা ঘটে গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে, যখন তার রান্নাঘর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা পুলিশ বা এলাকাবাসীর নজরদারির বাইরে থাকা সুযোগে এ ঘটনা ঘটায়। তারা তার ওপর তরবারি বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাকুপি করে গুরুতর আঘাত করে। তখন সে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রান্না ঘরে পড়ে থাকতো। বুধবার সকাল ১০টার দিকে পরিবারের লোকজন তাকে ডাকাডাকি করে কেউ সাড়া না পেলে দরজা ভেঙে বাইরে থেকে প্রবেশ করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ও সিআইডির একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। ঘটনার তদন্ত করে সিআইডি জানিয়েছে, এটি পূর্ব পরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পুলিশ বলছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী উদ্দেশ্য বা অপরাধীরা কারা সেটি এখনো জানা যায়নি, তবে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান, এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং জড়িতদের খুঁজে বের করতে পুলিশ তৎপর।

  • গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে সবাদের একক প্রচেষ্টা জরুরি

    গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে সবাদের একক প্রচেষ্টা জরুরি

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, ভোটাধিকারভিত্তিক এবং সুরক্ষিত সর্ম্পদে বিশ্বাসী বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বিএনপি’র মূল লক্ষ্য। এই উদ্দেশ্যে খুলনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের সংসদ সদস্য প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে হলে শহীদ সহযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে। তাদের আত্মদান বৃথা যেতে দিতে পারেন না আমরা। বুধবার সকালে তিনি খুলনা মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষকমন্ডলী ও কর্মচারীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। পরে সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক আ স ম জমশেদ খোন্দকারের হাতে ধানের শীষ প্রতীক পেয়ে যান তিনি। দুপুরে হোটেল ক্যাসেল সালামে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিকেলে রূপসা স্ট্যান্ড রোডে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজনে শ্রমিক সমাবেশ ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি মহিলাদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটদানে বিরত ছিল। এখন তারা চায় নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। অতীতে ভোটাধিকার হরণের অপপ্রয়াস দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে; এসবের অবসান ঘটাতে হবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে। বিএনপিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু নেত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে তারা সফল হয়নি; বাংলাদেশে বিএনপি গড়ে উঠেছে। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি মুক্ত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করে জনগণের ইচ্ছানুযায়ী সরকার গঠন করা। এই সভা-সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন তরিকুল ইসলাম জহির, রেহেনা ঈসা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শের আলম সান্টু, মহিবুজ্জামান কচি, অনুয়ার হোসেন, মুজিবর রহমান ও আরও অনেকে। নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেনি। এখন তারা চান, নিরাপদে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। আমাদের আসল কাজ হচ্ছে, অতীতের মত ভোটাধিকার হরণের অপচেষ্টা বন্ধ করে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। ভবিষ্যতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যার পেছনের ফাঁদে অনেককেই ফেলেছিল। যারা এই হত্যার সঙ্গে জড়িত, তারা বিএনপি-কে ধ্বংসের চেষ্ঠা করেছে। কিন্তু নেতা বেগম খালেদা জিয়া তাদের ব্যর্থ করে বাংলাদেশে বিএনপি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন সৃষ্টি করেছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছায় সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েছে। অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত ছিলেন তরিকুল ইসলাম জহির, রেহেনা ঈসা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শের আলম সান্টু, মহিবুজ্জামান কচি ও অনেকে। একই দিনে, মহানগর বিএনপি তাদের নির্বাচনী কার্যক্রমের জন্য একটি উপ-কমিটি গঠনের সভাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আগামী ২২ জানুয়ারি নগরীর ফেরিঘাট মোড় থেকে প্রার্থীর লিফলেট বিতরণের কর্মসূচি নির্ধারিত হয়েছে। সবাইকে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।