Blog

  • সরকারি চাকরিতে বড় নিয়োগ আসছে, পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা

    সরকারি চাকরিতে বড় নিয়োগ আসছে, পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা

    জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন, দেশের সরকারি দপ্তরগুলোতে শূন্যপদ পূরণের জন্য ৬ মাস, এক বছর এবং পাঁচ বছরের জন্য নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই নিয়োগের বিভিন্ন ধাপ স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য সরওয়ার জামালের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৬ মাসের মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৮৭৯টি, এক বছরের মধ্যে ৪ হাজার ৪৫৯টি এবং পাঁচ বছরের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। এতে সরকারি কর্মচারী নিয়োগে স্বচ্ছতা ও গতি বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    অতিরিক্তভাবে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে শূন্যপদের তথ্য হালনাগাদ ও আপডেট করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত ও আরো স্বচ্ছ হয়।

    সরকারি হিসাবে প্রকাশিত ‘স্ট্যাটিস্টিকস অব পাবলিক সার্ভেন্টস ২০২৪’ অনুসারে, দেশের সরকারি চাকরিতে বর্তমানে মোট শূন্যপদ রয়েছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২২টি। এগুলোর মধ্যে গ্রেডভিত্তিক শূন্যপদ হলো: ১ম থেকে ৯ম গ্রেডে ৬৮ হাজার ৮৮৪টি, ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি, ১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেডে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি, আর ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডে রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি পদ।

    তদ্ব্যতীত, অনারারি, নির্দিষ্ট বেতনভুক্ত ও চুক্তিভিত্তিক ক্যাটাগরিতে আরও ৮ হাজার ১৩৬টি শূন্যপদ আছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

  • আ.লীগ সরকারের রাজনৈতিক হয়রানি মামলাগুলোর প্রত্যাহার নিশ্চিত হবে

    আ.লীগ সরকারের রাজনৈতিক হয়রানি মামলাগুলোর প্রত্যাহার নিশ্চিত হবে

    বিগত এই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলোর প্রত্যাহার নিয়ে সরকার সম্পূর্ণ সচেতন ও অঙ্গীকারাবদ্ধ। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে তারা যেন নিপুণভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি জানানেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. মনোয়ার হোসেনের একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    আইনমন্ত্রী বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যেসব হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছিল, সেগুলোর প্রত্যাহার নিয়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন। সরকার এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

    এছাড়াও উল্লেখ্য, এর আগে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি কমিটি গঠন করেছিল যা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার প্রত্যাহারে উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে, সেই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন পর্যন্ত কোনো হত্যার মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি।

    তিনি আরো জানান, বর্তমান সরকার ২০২৬ সালের ৫ মার্চ একটি সমন্বিত জেলা কমিটি গঠন করে যা জেলার বিভিন্ন দপ্তর ও মহলে এই মামলাগুলোর দ্রুত সমাধানে কাজ করছে। এই কমিটিগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা মামলার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

    আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, সংসদ সদস্য বা অন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত যে কোনো ধরনের রাজনৈতিক, মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা—যদি আবেদন করেন—তবে জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটি মামলা বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। যদি মামলাগুলো রাজনৈতিকভাবে হয়রানি মনে হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো এই ধরনের মামলায় ভুক্তভোগীদের যথাযথ প্রতিকার প্রদান এবং তাদের নিরীহ থাকার স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।

  • মোহাম্মদপুরে ৩ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় যুবক খুনের ঘটনা

    মোহাম্মদপুরে ৩ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় যুবক খুনের ঘটনা

    রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় দুই দিন না পেরোতেই আবারো এক যুবকের হত্যার ঘটনা ঘটলো। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাত সোয়া বারোটার দিকে সাদেক খান ইটখোলা এলাকার একটি রাস্তায় এই হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটে। ওই সময় একজন রক্তাক্ত যুবকের দেহ পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা দ্রুত পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মরদেহের ব্রেস্ট ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রথমে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তবে কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শরীরী Bộ जांचে জানা গেছে, নিহত যুবকের নাম আসাদুল হক, তবে সবাই তাকে ‘লম্বু আসাদুল’ নামে চেনে। তিনি বরিশালের গৌরনদী থানার কালনা এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম জলিল সর্দার। বর্তমানে তিনি মোহাম্মদপুরের মেট্রো হাউজিংয়ের বি-ব্লকে ভাড়া থাকতেন। পুলিশ জানায়, আসাদুলের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদক ও ছিনতাইসহ বেশ কিছু মামলা রয়েছে। এডিসি মো. জুয়েল রানা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে মুন্না, নয়ন ও মিরাজসহ আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ব্যবসা বা পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। এর আগে, গত ১২ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার বটতলা এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে এলেক্স ইমন নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো লম্বু আসাদুলের মৃতদেহের খবর এল। সকলের ধারণা, এ ঘটনার পেছনে অন্য কোনো দ্বন্দ্ব বা মূল্যবোধের বিষয় রয়েছে, যা তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে।

  • মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের মাঝেও দেশের জ্বালানি নিরাপদ: মন্ত্রণালয়

    মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের মাঝেও দেশের জ্বালানি নিরাপদ: মন্ত্রণালয়

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় গত বুধবার বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালির বন্ধ থাকলেও দেশের জ্বালানি সরবরাহে কোনো সংকট হবে না। এই আশ্বাসের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট সকলকে উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও যুগ্ম-সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, যদিও গ্যাস ও তেল সরবরাহের কিছু অসুবিধা দেখা দিয়েছে, তবে এই সমস্যা দ্রুতই নিরসন করা হবে। তিনি আরও বলেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোর মতো এবারও আমরা নিশ্চিতভাবে জানাচ্ছি, আগামী দুই মাসে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে এবং কোন সংকট হয়নি।

    বিশেষ করে তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের তেল সরবরাহ ব্যবস্থা এখনো শক্তিশালী এবং সুরক্ষিত। তিনি বলেন, ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও ফার্নেস অয়েল ক্ষতি বা ঘাটতি ঘটছে না। বাংলাদেশে এখনো যথেষ্ট পরিমাণ জ্বালানি মজুদ রয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও শিল্পকারখানা নিশ্চিন্তে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি ব্যবহার করতে পারবেন।

    তিনি বলেন, সরকার প্রতিটি মাসে জ্বালানি মূল্যের সমন্বয় করছে, যা পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হয়। মার্চ ও এপ্রিল মাসে ক্রুড অয়েল আমদানি কিছুটা বিলম্বিত হয়েছিল, তবে এখন সৌদি আরব থেকে ভিন্ন রুটে অয়েল আসছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

    অভিযানের বিষয়ে মনির হোসেন বলেন, ৩ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ৯ হাজার ১১৬টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩৫০টি মামলা দায়ের, এক কোটি ৫৬ লাখ ৯ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৪৫ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ৩ لاکھ ৬৬ হাজার লিটার ডিজেল, ৩৯ হাজার ৭৭৬ লিটার অকটেন, এবং ৮৭ হাজার ৯৫৯ লিটার পেট্রোল। সম্প্রতি চট্টগ্রাম থেকে আরও ৪৮ হাজার ৫০০ লিটার ফার্নেস অয়েল উদ্ধার করা হয়েছে। মোট ধরে, উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৪২ হাজার ২৩৬ লিটার অবৈধ জ্বালানি।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জে ন্ত্রে জ্বালানি মজুতের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে। মধ্যে রয়েছে, ডিজেল ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন, অকটেন ৩১ হাজার ৮২১ মেট্রিক টন, পেট্রোল ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল ৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন এবং জেট ফুয়েল ১৮ হাজার ২২৩ মেট্রিক টন। এসব তথ্য জনসম্মুখে এনে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার দৃঢ়তা প্রমাণ করা হয়েছে।

  • মহানবীকে কটূক্তি করলে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর আইন চান এমপি হানজালা

    মহানবীকে কটূক্তি করলে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর আইন চান এমপি হানজালা

    মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আবু সায়েদ মোহাম্মদ হানজালা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তি করার দায়ে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তি বিধান করে জাতীয় সংসদে আইন তৈরি করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের চতুর্দশ দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।

    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এই সংসদ সদস্য তার বক্তব্যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন যে তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়াতুল্লাহর বংশধর। হাজী শরীয়াতুল্লাহর অন্যায় ও জুলুমবিরোধী সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় তিনি সংসদে শোষিতদের ও উলামায়ে কেরামের কণ্ঠস্বর হিসেবে দাঁড়িয়েছেন।

    হানজালা বলেন, দেশের ৩০ থেকে ৪০ লাখ উলামায়ে কেরাম সংসদের দিকে তাকিয়ে আছেন যেন তাদের অনুভূতিগুলো জাতীয় সংসদে প্রতিফলিত হয়। তিনি ধর্মীয় অনুভূতির গুরুত্ব উল্লেখ করে বলেন, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ মানুষ মুসলমান; তারা হয়ত নিয়মিত নামাজ না পারলেও মহানবীর শানে ছোটখাটো কটূক্তি হলেও তাদের হৃদয় আহত হয় এবং তারা সড়কে নেমে প্রতিবাদ জানাতে বাধ্য হয়। বারবার নবীকে নিয়ে কটূক্তি ও অশ্লীল গালিগালাজের ঘটনার ফলশ্রুতিতে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন—এই পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান হিসেবে তিনি মৃত্যুদণ্ডের বিধানসহ আইন প্রণয়নের দাবি জানান।

    তিনি আরও বলেন, যারা মহানবীকে শেষ নবী হিসেবে স্বীকার করে না তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করার জন্যও আইন করা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে হানজালা বলেন, ‘‘আপনি যদি চান তবে রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি ইতিহাস রচনা করা যাবে—আইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা উচিত যে, যারা নবীর খতমিয়ত মানবেন না, তারা মুসলিম হিসেবে পরিচয় পাবে না।’’ তিনি মনে করেন এই ঘোষণাটি জাতীয় সংসদ থেকেই আসা উচিত।

    বক্তব্যের শেষ অংশে নিজের নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রত্যাশার কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয়রা তাকে ‘হাদি হত্যা’ মামলার ন্যায্য বিচারের দাবি জানিয়ে আসছেন। হানজালা সংসদকে অনুরোধ করেন যে মহানবীর সম্মান রক্ষা এবং ইসলামের মৌলিক আকীদা সংরক্ষণে সংসদ সক্রিয় ও কার্যকরি ভূমিকা রাখবে।

  • চিফ হুইপ: দুই লাখ টন তেল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করেছে

    চিফ হুইপ: দুই লাখ টন তেল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করেছে

    চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি বন্ধ হওয়া সংবাদটি যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে; তবে দুই লাখ টন তেল নিয়ে দুটি জাহাজ ঘাটে নোঙর করার খবরটিও গুরুত্বসহকারে প্রচার করা উচিত—এমনটাই বলেছেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, গণমাধ্যম নেতিবাচক খবরের পাশাপাশি ইতিবাচক ঘটনাগুলোও পরিবেশন করবে।

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনের বিরতির সময় জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব মন্তব্য করেন চিফ হুইপ।

    নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই দেশের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। মানবিক কল্যাণ, একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখা—এসই তার প্রধান লক্ষ্য। সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করছে বলেও জানান চিফ হুইপ।

    কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার প্রসঙ্গটিও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা চাই মানুষকে বিভিন্ন ভাষায় শিক্ষিত করা হবে যাতে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগে—মধ্যপ্রাচ্যে কাজের জন্য আরবি, চীনে মান্দারিন, ইতালিতে ইতালিয়ান, কোরিয়ায় কোরিয়ান এবং জাপানে জাপানিজ শিখতে হবে। তবুও দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি, কারণ এটি একটি বৈশ্বিক ভাষা। শিক্ষামন্ত্রী সারাদেশ ঘুরে এ বিষয়ে একটি নির্দেশিকা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীকে দেবেন বলে জানান চিফ হুইপ।

    সংবিধান সংশোধন নিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারের এবং বিরোধী দলের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও সময়ের মধ্যে আমরা ঐকমত্যে পৌঁছাব এবং সম্মিলিতভাবে একটি প্রস্তাব আনা হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখা এবং দেশের গঠনমূলক উন্নয়নে কাজ করা। পার্লামেন্টে আলোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ গড়া হবে এবং দেশপ্রেমকে ভিত্তি করে ঐকমত্যে পৌঁছানো কেবল সময়ের অপেক্ষা—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন চিফ হুইপ।

  • ক্ষমতার আস্বাদনে বিএনপি জনগণকে ভুলে গেছে: নাহিদ ইসলাম

    ক্ষমতার আস্বাদনে বিএনপি জনগণকে ভুলে গেছে: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে বিএনপি জনগণের কথা ভুলে গেছে। তিনি এই মন্তব্য ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় করেন। সম্মেলনটি আজ শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

    নাহিদ ইসলাম শ্রমিকদের সংগ্রাম ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘এই দেশের জাতীয় ইতিহাসে আমরা বারবার দেখেছি, শ্রমিকেরা রক্ত দিয়েছে, জীবন দিয়েছে। ১৯৪৭-এর আজাদির লড়াই থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এদেশে যত গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে, এমনকি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের অধিকাংশই শ্রমজীবী মানুষ।’

    তিনি বিএনপিকে আক্রমণ করে বলেন, ‘শ্রমজীবী মানুষের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপি এক মাসের মাথায় জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। নতুন যে সরকার গঠিত হয়েছে, তারা শ্রমিকদের রক্তের ওপর ক্ষমতায় বসেছে। কিন্তু এক মাসের মাথায় তারা নতুন বাংলাদেশের সঙ্গে বেইমানি করেছে। গণভোটের গণরায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। এই সরকার গণবিরোধী সরকার। ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে বিএনপি জনগণের রক্তের কথা ভুলে গেছে।’

    নাহিদ আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি হওয়া অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করার এবং সংস্কার বাস্তবায়নের যে ওয়াদা করা হয়েছিল, তা বিএনপি ভঙ্গ করেছে। তিনি বলেন, ‘এ দেশের রাজনীতিতে ওয়াদা ভঙ্গের পরিণতি ভালো হবে না। আমরা গণ-আন্দোলন গড়ে তুলে শ্রমিকের অধিকারসহ সংস্কার বাস্তবায়নে বাধ্য করব।’

    নাহিদ জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা এক নতুন জাতীয় ঐক্যে আবির্ভূত হয়েছি, যেখানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের শ্রমিকদের প্রতি আমাদের যে ওয়াদা ছিল—একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ আমরা গড়ব; রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজ সব জায়গায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করব; নতুন বন্দোবস্তে শ্রমিকের হিস্যা নিশ্চিত করব; সেই লড়াইয়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জাতীয় শ্রমিক শক্তি সেই ঐক্যের পথে আছে।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ শ্রমিকদের কাছে ঐক্যবদ্ধ থাকার অনুরোধ করেন এবং বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের পথে গণ-অভ্যুত্থানের বাংলাদেশকে, জুলাইয়ের বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

    রাজপথে নামার প্রস্তুতির কথাও তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন। নাহিদ বলেন, ‘শুধু জাতীয় সংসদ নয়, এবার আমাদের রাজপথের প্রস্তুতি নিতে হবে। রাজপথের মাধ্যমে, গণ-আন্দোলনের প্রস্তুতির মধ্য দিয়েই আমরা বর্তমান সরকারকে বাধ্য করব যাতে জুলাই সনদ, গণভোটসহ শ্রমিকের অধিকারে প্রতিটি দাবি নিশ্চিত হয়।’

    সম্মেলনে বক্তৃতা চলাকালে নাহিদ শ্রমিক শ্রেণির ঐক্য ও সক্রিয় আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের মৌলিক দাবি বাস্তবায়নের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠিত থাকার আহ্বান জানান।

  • সংস্কার পরিষদ না করলে বিএনপি সরকারের সংকট বাড়বে: নাহিদ ইসলাম

    সংস্কার পরিষদ না করলে বিএনপি সরকারের সংকট বাড়বে: নাহিদ ইসলাম

    বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সতর্ক করে বলেছেন, সরকার দ্রুত সংস্কার পরিষদ না গঠন করলে তার ফল বিএনপি সরকারকেই ভোগ করতে হবে।

    সোমবার (১৩ এপ্রিল) কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজনে ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে দুইটি প্রধান প্রশ্ন সামনে আসে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফ্যাসিবাদ নির্মূলের দাবি করেছিল, বিএনপি নির্বাচনের কথাই বলেছিল, আর আমরা তখন গণপরিষদ পেয়ে গেলে সংস্কার প্রতিষ্ঠা হবে—এই দাবি করেছিলাম। পরে বিএনপি সংস্কার আলোচনায় অংশ নেওয়ার কারণে আমরা গণপরিষদের বদলে সংস্কার পরিষদের দাবি মেনে নিয়েছিলাম।

    তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি এখন কৃত্রিম বিরোধিতা সৃষ্টি করছে। বিএনপি ‘জুলাই সনদ’ ও ‘জুলাই আদেশ’কে আলাদা করার চেষ্টা করছে; কারণ তারা জুলাই সনদকে নিজেদের দলীয় ইশতেহারে পরিণত করেছে। এতে গণভোটের প্রশ্ন উঠেছে—কারণ সংstitution-র ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে থাকা অবস্থায় সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তাই গঠনগত ক্ষমতার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা থেকেই সংস্কার পরিষদের কথা এসেছে। ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় বিএনপি এসব মেনে নিয়েছিল; এখন তারা কথার বরখেলাপ করেছে এবং গণভোটের সিদ্ধান্তকে অগ্রাহ্য করেছে।

    গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যান করলে তার ফল সরকারকে ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, এখন আমাদের যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি বিবেচনা করে আলোচনা করতে হবে—জাতীয় স্বার্থ কীভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে রক্ষা করা যাবে, বড় ধরনের দুর্যোগ কীভাবে মোকাবেলা করা হবে এবং জ্বালানি সংকট মেটাতে কী পরিকল্পনা নেওয়া উচিত। গত ১৬ বছর ধরে যে সংস্কারের কথাই বলতে হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে সংস্কার নিয়ে আলোচনা করেছিল, বিচলিত অবস্থায় আমরা এখনো সেসব নিয়ে বিবর্তিত হচ্ছি; এ দুর্যোগে জাতিকে টেনে এনেছে বিএনপি, ফলে তাদেরকেই দায়ভার ও পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং সেটি সহজ হবে না।

    সংকট সমাধানে দ্রুত সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, সরকারকে আগামীতে দ্রুত সংবিধান সংশোধন ও সংস্কার পরিষদ গঠন করে এই সংকট দূর করার আহ্বান জানাই। জাতীয় ঐক্য টিকিয়ে রাখুন, না হলে এর পরিণতি আপনাদেরই ভোগ করতে হবে।

    সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভার সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা ও প্রতিনিধিরা।

  • ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১,৬০৭ মিলিয়ন ডলার

    ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১,৬০৭ মিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে প্রবাসী প্রেরিত রেমিট্যান্স এসেছে ১,৬০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী এ সংক্রান্ত এটি প্রথমার্ধের মোট পরিমাণ।

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই আপডেটে দেখা গেছে, বিশেষ করে ১৩ ও ১৪ এপ্রিল দুই দিন মিলিয়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭১ মিলিয়ন ডলার।

    তুলনামূলকভাবে গত বছরের একই সময়즙—অর্থাৎ গত বছরের এপ্রিলের প্রথম ১৪ দিনে—রেমিট্যান্স ছিল ১,২৮৪ মিলিয়ন ডলার। এই হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে প্রথম ১৪ দিনের রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়েছে ২৫.২ শতাংশ।

    অন্যদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসে দাঁড়িয়েছে ২৭,৮১৬ মিলিয়ন ডলার। একই সময় গত অর্থবছরে এই সংখ্যা ছিল ২৩,০৬৯ মিলিয়ন ডলার, ফলে অর্থবছর ভিত্তিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২০.৬ শতাংশ।

    রেমিট্যান্সে এ ধরনের প্রবৃদ্ধি সাধারণত বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার ও গৃহস্থালি আয়কে সহায়তা করে—তাই অর্থনীতির জন্য এটি ইতিবাচক সংকেত বিবেচিত হচ্ছে।

  • দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

    দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সংসদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক মূল্য বাড়ায় স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এতে করে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা করা হয়েছে; মঙ্গলবার এই মূল্য ছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা।

    বাজুস ঘোষিত নতুন মূল্য অনুযায়ী সোনার দাম (প্রতি ভরি) হলো— ২২ ক্যারেট: ২,৫০,১৯৩ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৩৮,৮২০ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,০৪,৭০৩ টাকা; সনাতন পদ্ধতি: ১,৬৬,৭৩৭ টাকা।

    সোনার দামের সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে রুপার নতুন মূল্য (প্রতি ভরি) উল্লেখ করা হয়েছে— ২২ ক্যারেট: ৬,০৬৫ টাকা; ২১ ক্যারেট: ৫,৭৭৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ৪,৯৫৭ টাকা; সনাতন পদ্ধতি: ৩,৭৩২ টাকা।

    আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা উদ্বেগজনক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি—ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা—সোনার মূল্য বাড়ানোর এক কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্বস্ত দরোবজারি সাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম এখন ৪ হাজার ৮২৩ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আগের দিকে—২৯ ও ৩০ জানুয়ারিতে মূল্য ওঠা-নামাও দেখা গেছে; ৩০ জানুয়ারি ছিল প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫,৫৫০ ডলারের মতো ওঠাপড়া রেকর্ড করা হয়েছিল।

    গত মাসেই বিশ্ববাজারে সোনার ব্যাপক উত্থানের প্রভাব দেশে পড়েছিল; সেই সময় ২৯ জানুয়ারি একবারে ভরিপ্রতি ১৬,২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস এক দেশীয় রেকর্ড দাম ঘোষণা করেছিল, ফলে ভালো মানের এক ভরি সোনার মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছেছিল—যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।

    বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজার ও পুরাতন-নতুন দরকে খেয়াল করে প্রয়োজনে আরও দর সমন্বয় করা হবে।