Blog

  • ভারতে বাংলাদেশি সন্দেহে হামলা-হত্যা: নিরাপত্তা শঙ্কা বাস্তব, আইসিসিকে দায় দিলেন মোস্তফা সরয়ার

    ভারতে বাংলাদেশি সন্দেহে হামলা-হত্যা: নিরাপত্তা শঙ্কা বাস্তব, আইসিসিকে দায় দিলেন মোস্তফা সরয়ার

    আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচ খেলতে বলা হয়েছিল ভারতের মাটিতে। কিন্তু নিরাপত্তার উদ্বেগ নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) mehrfach আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়ে সেই ম্যাচগুলো স্থানান্তর করার অনুরোধ জানায়। বারবার আলোচনার পরও আইসিসি থেকে সন্তোষজনক সাড়া না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ভারত যেয়ে খেলতে দেখা যাবে না—এ সিদ্ধান্তই নিয়েছে বিসিবি।

    যদিও অতিথি দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নাম এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্ট থেকে সরানো হয়নি, পাল্লা দিলে বলা যায় এবারের বিশ্বকাপে দেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। বিষয়টির দায় আইসিসিকে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    আজ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফারুকী লেখেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়েছে আইসিসি, কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ভিন্ন মনোভাব দেখা গেছে।’ তিনি আরো লিখেছেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে বাংলাদেশি সন্দেহে মানুষকে পিটিয়ে হত্যার একাধিক ঘটনার খবর প্রকাশিত হয়েছে। ঠিক গতকালই পশ্চিমবঙ্গে জন্ম নেওয়া এক মুসলিম—মঞ্জুর লস্কর—কে বাংলাদেশি সন্দেহ করে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছে দ্য টেলিগ্রাফ অব ইন্ডিয়া।’

    বিশ্বকাপ ইস্যুর শুরুটা মূলত আইপিএলে মুস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায়। ভারতের কিছু চরমপন্থী নেতার হুমকির পরে সেখানে মুস্তাফিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা যায় এবং ওই কারণেই তাকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়— এরপরই বিসিবি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতের যাত্রা নিয়ে নিরাপত্তার চিন্তা উত্থাপন করে।

    এইসব ঘটনার প্রেক্ষিতে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘যদি এসব ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে চলমান বাংলাদেশবিরোধী ঘৃণা প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত করা হয় — যার ফলে মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে — তাহলে মানতেই হবে ভারতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য নিরাপত্তা হুমকি বাস্তব ও গুরুতর।’

    বিষয়টি নিয়ে বিসিবি, আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে চলমান যোগাযোগ ও ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত কি হবে, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠছে। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়গুলো এখনই আলোচ্য ও গুরুত্ব পাচ্ছে।

  • মির্জা ফখরুল: জামায়াত অনভিজ্ঞ, বিএনপি পরীক্ষা সইয়ে উত্তীর্ণ দল

    মির্জা ফখরুল: জামায়াত অনভিজ্ঞ, বিএনপি পরীক্ষা সইয়ে উত্তীর্ণ দল

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘‘জামায়াত কখনই সরকারে গিয়ে কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেনি; অন্যদিকে বিএনপি একটি পরীক্ষিত ও অভিজ্ঞ দল।’’

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নের শোল টহরী বাজারে নির্বাচনি গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় তিনি বলেন, ‘‘উন্নয়ন আনতে পারে একমাত্র ধানের শীষ — আর কেউ পারে না। আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সৈনিক, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সৈনিক। আমরা সেই দল, যেগুলোকে মানুষ নিজের মনে করে, ভরসা করে।’’

    ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। তিনি প্রশ্নবোধক কণ্ঠে বলেন, ‘‘কেউ যারা এখন আপনার কাছে ভোট চাইতে এসেছে, তারা কি কখনো সরকারে গিয়ে আপনার জন্য কাজ করেছে? তারা কি দেশটাকে এগিয়ে নিয়েছে?’’ এরপর তিনি দাবি করেন, ‘‘আমরা কাজ করেছি; আমরা পরীক্ষিত দল। আপনারা আমাদের ভোট দিয়েছেন, আমরা সরকারে গিয়ে পরিষেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়েছি।’’

    ভোটের প্রতি আস্থাহীনতার প্রসঙ্গ তোলায় তিনি বললেন, ‘‘গত ১৫ বছরে কেউ সঠিকভাবে ভোট দিতে পেরেছেন কি—আপনারা নিজেরাই জানেন।’’ এই প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় ভোটাররা জানান তারা নির্বিচার ও সুষ্ঠু ভোট দিতে পারেননি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘কিছু ক্ষেত্রে ভোটের আগের রাতেই প্রতিফলন হয়ে গেছে, আবার কখনও ভোট ভাংতি হয়ে গেছে—এটাই গত ১৫ বছরের চিত্র। এবার একটি সুযোগ এসেছে, আপনারা সিদ্ধান্ত নিন।’’

    সরকারে থাকার সময় বিএনপির অযোগ্যতাবোধ দূর করার এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি পুনরুচ্চারণ করেন যে, দেশের উন্নয়নে বিএনপির বিকল্প নেই এবং তাই সবাই ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    জাতীয় নেত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‘হাসিনা আপা দেশ ছেড়ে ভারতে চলে গেছেন; কিন্তু যারা তাকে সমর্থন করতেন, তাদের তিনি বিপদে ফেলে গেছেন।’’ পাশাপাশি তিনি আশ্বাস দেন যে, ‘‘যারা নিরপরাধ, তাদের কেউ বিপদে পড়বে না—আমরা তাদের পাশে আছি।’’

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রাখা হলে মির্জা ফখরুল জানান, ‘‘আমার এলাকায় হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাইকে নিয়ে আমি কাজ করি। আমরা সকলকে সমান নিরাপত্তা দিতে চাই।’’ তিনি উদ্বিগ্ন সূত্রে যোগ করেন, ‘‘কিছু লোক হিন্দু-মুসলিম বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়—কিন্তু আমাদের সমাজে বিভাজনের কোনো জায়গা নেই; আমরা সবাই একসঙ্গে বসবাস করি এবং শান্তিতে থাকতে চাই।’’

  • উত্তরবঙ্গ ইচ্ছাকৃতভাবে পিছিয়ে রাখা হয়েছে: শফিকুর রহমান

    উত্তরবঙ্গ ইচ্ছাকৃতভাবে পিছিয়ে রাখা হয়েছে: শফিকুর রহমান

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকেই উত্তরবঙ্গ গরিব নয়—বরং ইচ্ছাকৃতভাবে এই অঞ্চলকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সৎমায়ের সন্তানের মতো আচরণ করা হয়েছে, অথচ এই অঞ্চলই সারাদেশকে খাদ্য ও পুষ্টি সরবরাহ করে।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভূমিকায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।

    শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গের আর কোনো ঘর থেকে বেকারের মুখ দেখতে চান না তারা। প্রত্যেক যুবক-যুবতী ও নাগরিককে মর্যাদার সঙ্গে চাকরি ও কর্মসংস্থানে আনা হবে—এ জন্য বন্ধ হয়ে থাকা চিনিকলগুলো দ্রুত চালু করে শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে ফিরিয়ে আনা হবে।

    তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, “আমাদের কোনো কার্ড নেই, আপনারাই আমাদের কার্ড। আপনাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও দোয়ায় আমরা দয়ার পাত্রমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই।” এ সময় তিনি দেশের জনগণকে বিপদের সময়ে কখনও পরিত্যক্ত করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও তা করা হবে না বলে আশ্বাস দেন।

    স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কথা বলায় তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য উত্তরবঙ্গের মানুষকে ঢাকায় নির্ভর করতে হয়, যা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। জামায়াত সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কোনো জেলায় মেডিকেল কলেজ রাখা হবে না—প্রতিটি জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে এবং পঞ্চগড়েও মেডিকেল কলেজ হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।

    অর্থনৈতিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, বিদেশে পাচার করা চুরি করা টাকা উদ্ধার করা হবে এবং ভবিষ্যতে আর কাউকে লুটপাট করতে দেওয়া হবে না।

    জনসভায় শহীদ পরিবার ও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘‘আমরা তাদের ঋণী; সরকার গঠনের সুযোগ পেলে সেই ঋণ শোধ করার চেষ্টা করা হবে।’’

    ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। দীর্ঘদিন ধরে ভোটে অংশগ্রহণে বঞ্চিত মানুষদের অধিকার রক্ষা করতে হবে এবং বৈষম্য, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও স্বৈরতন্ত্রের অবসান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

    জনসভায় পঞ্চগড়-১ আসনের ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী সারজিস আলমকে শাপলা কলি প্রতীক এবং পঞ্চগড়-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শফিকুল আলমকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন জামায়াতের আমির।

  • ইতিহাসে সর্বোচ্চ: এক ভরি সোনা এখন দুই লাখ ৪৪ হাজারেরও বেশি

    ইতিহাসে সর্বোচ্চ: এক ভরি সোনা এখন দুই লাখ ৪৪ হাজারেরও বেশি

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশি বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির খবর জানিয়েছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাজারে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত বাড়ার ফলে সবচেয়ে ভালো মানের সোনার দাম দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকার ওপরে উঠে গেছে — যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

    বিজ্ঞপ্তিতে এই তফসিলগত দাম মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জানানো হয় এবং নতুন মূল্য বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে। সংস্থাটি জানায়, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দর বাড়ায় স্থানীয় বাজারে এ ধারা দেখা দিয়েছে।

    গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি’র তথ্যমতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দরও উত্থানশীল; প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম চার হাজার সাতশত পঞ্চাশেরও বেশি ডলারে পৌঁছেছে। এই আন্তর্জাতিক দরবৃদ্ধিই স্থানীয় দামে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে বলে বাজুস উল্লেখ করেছে।

    নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরি দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ চুয়াল্লিশ হাজার একশত আটাশ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি দুই লাখ তেত্রিশ হাজার আটশ আটানব্বই টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি এক লাখ নিনানব্বই হাজার সাতশ ছানব্বই টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ত্রিশ হাজার ছিয়াশি একশ একবিংশ টাকা (এক লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা) নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সোনার সঙ্গে রূপার দামও বেড়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২২ ক্যারেট হিসেবে গণ্য করা এক ভরি রূপার দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা; ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ২৯৯ টাকা; ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এই দরবৃদ্ধি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে—স্বর্ণবাজারে দাম বেড়ে গেলে গহনা কেনাবেচা ও বিনিয়োগ পরিকল্পনায় পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন পড়তে পারে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন দাম কার্যকর হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় দোকান ও জুয়েলারিদের কাছে তথ্য যাচাই করে কেনাবেচা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

  • রেকর্ড—এক ভরি সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা

    রেকর্ড—এক ভরি সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা

    দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে; এক ভরির দাম ছাড়িয়ে গেছে দুই লাখ ৫২ হাজার টাকার সীমাকে, যা দেশে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করেছে, আগের দিন থেকে একদিনের ব্যবধানে সোনার দর বাড়ানো হয়েছে। নতুন এই দাম আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে পিওর গোল্ড (তেজাবি সোনা) ও স্বর্ণের দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৮০০ ডলার ছাড়িয়েছে।

    নতুন দর অনুযায়ী বিভিন্ন মানের সোনার নতুন দামগুলো হলো:

    22 ক্যারেট (সেরা মান): প্রতি ভরি দুই লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা

    21 ক্যারেট: প্রতি ভরি দুই লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা

    18 ক্যারেট: প্রতি ভরি দুই লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা

    সনাতন পদ্ধতির সোনা: প্রতি ভরি এক লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বেড়েছে। রুপার নতুন দামগুলো হলো:

    22 ক্যারেট: প্রতি ভরি ৬ হাজার ৮৮২ টাকা

    21 ক্যারেট: প্রতি ভরি ৬ হাজার ৫৩২ টাকা

    18 ক্যারেট: প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা

    সনাতন পদ্ধতির রুপা: প্রতি ভরি ৪ হাজার ২০০ টাকা

    এই দররূপ পরিবর্তন ভোক্তা ও জুয়েলারি ব্যবসার ওপর প্রভাব ফেলবে; খুচরা ক্রেতারা ও বাজারের ব্যবসায়ীদের আগামীকাল থেকে নতুন দাম অনুসরণ করতে হবে।

  • অন্ধ্রপ্রদেশে ‘বাংলাদেশি’ বলে অভিহিত করে পশ্চিমবঙ্গের মঞ্জুর আলমকে পিটিয়ে হত্যা

    অন্ধ্রপ্রদেশে ‘বাংলাদেশি’ বলে অভিহিত করে পশ্চিমবঙ্গের মঞ্জুর আলমকে পিটিয়ে হত্যা

    পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার এক শ্রমিককে অন্ধ্রপ্রদেশের কোমারোলুতে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের নাম মঞ্জুর আলম লস্কর; তিনি ৩২ বছর বয়সী এবং দীর্ঘ সময় ধরে অন্ধ্রপ্রদেশে জরির কাজ করতেন।

    সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়াকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, মঞ্জুরকে মুসলিম ও ‘বাংলাদেশি’ বলে অভিহিত করে চুরির অভিযোগ তুলে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। স্থানীয় উগ্রবাদী দলের লোকেরা তাকে প্রথমে অপহরণ করে এবং মুক্তিপণ হিসেবে ২৫ হাজার রুপি দাবি করে।

    মঞ্জুরের পরিবার জানায়, গত মঙ্গলবার অজ্ঞাত একটি নম্বর থেকে ফোন করে মুক্তিপণ চাওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা ৬ হাজার রুপি যোগাড়ও করেন, কিন্তু বুধবার তারা জানতে পারেন মঞ্জুরকে হত্যা করা হয়েছে।

    রঙ্গিলাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিষ্ণপুর গ্রামে জন্মভূমি থাকা মঞ্জুর সেখানে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যেই পরিচিত ছিলেন। তবু তাকে বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে সেখান থেকে চলে যেতে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

    মঞ্জুরের পরিবার ক্ষতিগ্রস্থদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে এবং এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহায়তা চেয়েছেন।

    টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাভাষী মুসলিমদের ওপর চলমান সহিংসতায় এটি একটি উদ্বেগজনক ঘটনা। অনুসন্ধান ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দিকে নজর দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া।

  • ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত বিমান থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার

    ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত বিমান থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার

    ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসির প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিধ্বস্ত একটি বিমান থেকে শুক্রবার দশজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের মধ্যে সাতজন কেবিন ক্রু এবং তিনজন যাত্রী রয়েছেন। বিধ্বস্ত বিমানটি এটিআর ৪২-৫০০ ধরনের টারবোপ্রপ উড়োজাহাজ, যা সাধারণত মাঝারি ক্ষমতার স্বল্পসড়ক ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

    এক প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে যে উড়োজাহাজটি ইন্দোনেশীয় এয়ার ট্রান্সপোর্ট (আইএটি) সংস্থার ছিল। রির্পোট অনুসারে বিমানটি গত ২৮ জানুয়ারি জাকার্তা থেকে মৎস্যসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তিন কর্মকর্তাকে নিয়ে দক্ষিণ সুলাওয়েসি দ্বীপে জরিপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। রওনা হওয়ার কিছুক্ষণ পর দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে আইএটির মূল দফতর থেকে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    দক্ষিণ সুলাওয়েসি দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের উদ্ধারকারী কর্মকর্তা অ্যান্ডি सুলতান জানিয়েছেন, বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পরই অনুসন্ধান অভিযান শুরু করা হয়। শুক্রবার সকালে মারোস জেলার বুরুসারাউং পাহাড়ের কাছে ধ্বংসাবশেষ ও মৃতদেহগুলি পাওয়া যায়। ওই স্থানটি জাকার্তা থেকে প্রায় ১,৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

    ইন্দোনেশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    সূত্র: এএফপি, রয়টার্স

  • চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ৪০ বছরের ব্যবসায়ী নিহত

    চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ৪০ বছরের ব্যবসায়ী নিহত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে নুরু মিয়া শেখ (৪০) নামের এক সবজি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুরু মিয়া শেখ উপজেলার আড়-যাবর্নী গ্রামের মৃত মাওলানা কাওছার আলী শেখের ছেলে।

    প্রতক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই দিন বিকেলে কাজ শেষ করে বাজার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন নুরু মিয়া। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উদ্ধারকাজ চলাকালীন মাত্র প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে তিনি মারা যান।

    চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাণী খানম জানান, ছ-placeে তিনি স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার পর অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি প্রাণবায়ু ফিরে আনতে পারেননি।

    নিহত নুরু মিয়া শেখ স্ত্রী ও দুই নাবালক ছেলেসহ বহু অভিভাবক, আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামবাসী রেখে গেছেন। তার নামাজে জানাজা শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় আড়-যাবর্নী চরপাড়া জন্নাতুল বাকী কবরস্থানে অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে সেখানে তাকে দাফন করা হবে।

  • শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ খুলনা গড়াই আমাদের লক্ষ্য: মঞ্জু

    শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ খুলনা গড়াই আমাদের লক্ষ্য: মঞ্জু

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, খুলনাকে শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ করে গড়তে চান। তিনি বললেন, খুলনা এক সময় ছিল শিল্প-সমৃদ্ধ—a বন্দর ও শিল্পনগরীর পরিচয়ে খ্যাত। কিন্তু বর্তমানে শিল্পবন্ধের ফলে শহরটি ঐতিহ্যহীন হয়ে পড়েছে। সেই হারানো মর্যাদা ফিরে এনে খুলনাকে পুনরায় উন্নয়নমুখী বানানোই তাদের উদ্দেশ্য।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘‘তরুণদের জন্য আমাদের নানা কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করে আমরা সমৃদ্ধ খুলনা গড়তে চাই। শান্তির, উন্নয়নের এবং নিরাপদ খুলনা তৈরি করা সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।’’

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় খুলনা নিউ মার্কেট কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি। সেই সময় তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের গতানুগতিক নয়, নির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফেরার কথাও উল্লেখ করেন। মঞ্জু জানান, ১৭ বছর পর দেশে এসে তিনি জানান ‘‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’’—এমন উন্নয়ননীতিই তারা সামনে এগিয়ে নিতে চায়।

    তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের কাছে একটি স্বনির্ভর অর্থনীতি উপহার দেবে। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সকল খাতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই তাদের লক্ষ্যমাত্রা। ভবিষ্যতে আরও নানা নির্বাচনী উদ্যোগ নিয়ে দলের নেতৃত্ব নেতৃত্ব দেবে বলে তিনি জানান।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, ‘‘আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ চাই। জুলাই অভ্যুত্থানের পর যে যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই যাত্রায় মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের নেতা তারেক রহমান উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফিরে কয়ের কাজ করছেন এবং মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসছেন।’’ তিনি যুক্ত করেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল; অতীতের অভিজ্ঞতা ও জনসমর্থনের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচনে ভালো ফল হবে এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মীর নামের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব হাসান পিয়ারু, আলমগীর হোসেন আলম, আব্দুল হাকিম, শামীম খান, সুলতান মাহমুদ সুমন, সাইফুল বকসি, দাউদ বকসি, রাজিব খান রাজু, শহিদুল বেল্লাল, মোস্তফা সাব্বির, খোন্দকার সোহেল, শেখ মেহেদী হাসান, সিদ্দিক মাতবর, শামীম রেজা ও নাঈম ইসলাম। এছাড়া এলাকাবাসীও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

  • ফাইনাল শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে মিরপুরে পৌঁছালো বিপিএল ট্রফি

    ফাইনাল শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে মিরপুরে পৌঁছালো বিপিএল ট্রফি

    ২০২৬ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ফাইনালে সন্ধ্যা ছয়টায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স মোকাবেলার অপেক্ষায় ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। ম্যাচ শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজির করা হলো এবারের টুর্নামেন্টের নতুন ট্রফি।

    পূর্ব ঘোশণামতে বিকাল ৪টা ৩৫ মিনিটে হেলিকপ্টার যোগে মাঠে এসে ট্রফিটি আনেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক আকবর আলী এবং দেশের সাবেক নারী দল অধিনায়ক সালমা খাতুন। এরপর ট্রফি উন্মোচন করেন দুই ফাইনালিস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও শেখ মেহেদী হাসান। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ট্রফিটি পিকআপে নিয়ে মাঠে প্রদর্শন করা হয়, দর্শকরা সেটি ঘিরে ভিড় জমান।

    প্রথম দফায় গভর্নিং কাউন্সিল একটি ট্রফি এনেছিল, কিন্তু সেটি গৃহীত হয়নি বলে নতুন করে ট্রফি অর্ডার দেয়া হয়। বিসিবির তথ্য অনুযায়ী এবারের ট্রফিটি দুবাই থেকে তৈরি করে আনা হয়েছে এবং এর জন্য খরচ হয়েছে ২৫ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় সাড়ে ৩০ লাখ টাকা।

    বিপিএলের এবারের পর্ব শুরু হয়েছিল সিলেট টাইটানস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ম্যাচ দিয়ে। ওই উদ্বোধনী দিনে ট্রফি না থাকায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ২৫ হাজার বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেছিলেন। ফাইনালের আগে দর্শক ও গণমাধ্যমকে চমক দেখাতে ট্রফি নিয়ে আলাদা ফটোসেশন ও প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়েছিল, ফলে অবশেষে নতুন নকশার ট্রফি সবাই চোখে দেখলো।

    বিপিএলের ফাইনালের আয়োজনে বিনোদন সরঞ্জামও জোগার করে বিসিবি; ট্রফি উন্মোচন পর্বের শেষে দেশের জনপ্রিয় মডেল তানজিন তিশা স্টেজে পারফর্ম করেন। তিনি উদ্বোধনী দিনেও সিলেটে স্টেজ শো করেন।