Blog

  • খুলনায় অটিজম ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    খুলনায় অটিজম ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২৬-এর আওতায় খুলনা জেলায় অটিজম ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সমাপ্তি টেঁকেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসের ব্যবস্থাপনায় এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

    খুলনা জেলার বিভিন্ন স্পেশাল চাইল্ড স্কুল ও সংস্থা থেকে আগত বালক-বালিকারা উৎসাহের সঙ্গে বিভিন্ন ক্রীড়া কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতার মঞ্চ ছিল উচ্ছ্বাস-আনন্দে ভরপুর; অংশগ্রহণকারীরাও আত্মবিশ্বাস ও আনন্দে দিনটি কাটায়। অনুষ্ঠানে তাদের অভিভাবক ও গার্ডিয়ানরা পাশে থেকে উৎসাহ যুগিয়েছেন।

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা), খুলনা অঞ্চল — মোঃ কামরুজ্জামান। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা, স্পেশাল চাইল্ড স্পোর্টিং এসোসিয়েশন খুলনা — এসএম খালিদ হোসেন পিউ; সমাজসেবক ও ক্রীড়া অনুরাগী মোঃ কাইজার আহমেদ; স্পেশাল চাইল্ড স্পোর্টিং এসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ হেমায়েত উল্লাহ; বিভাগীয় ফুটবল কোচ (বিএফএ) শেখ আশরাফ হোসেন; এবং কোচ খন্দকার আলিমুল, মোঃ আমির আলী, ওবায়দুর রহমান, রুপা মাহমুদ, মৌসুমী খানম, নাসিমা, সীমা আক্তার ও রুমা আশরাফসহ অন্যরা।

    অনুষ্ঠানে খুলনা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। তিনি শিশুদের অংশগ্রহণ ও সাহসের প্রশংসা করে ক্রীড়ার মাধ্যমে তাদের সামাজিক সমন্বয় ও আত্মনির্ভরতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে আনন্দব্যঞ্জক হাসি ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়, এবং উপস্থিত অতিথি-দর্শকরা তাদের কৃতিত্বকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান।

    এই ধরনের ক্রীড়া আয়োজন বিশেষ শিশুদের ক্ষমতা-কোষ্ঠ বাড়াতে, আত্মবিশ্বাস জাগাতে এবং সমাজে তাদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—এটাই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল।

  • চোখের জলে চিরবিদায়: পঞ্চভূতে বিলীন হলেন আশা ভোঁসলে

    চোখের জলে চিরবিদায়: পঞ্চভূতে বিলীন হলেন আশা ভোঁসলে

    নোট: আপনার দেওয়া লেখায় আশা ভোঁসলের মৃত্যু উল্লেখ রয়েছে। আমার শেষ তথ্য (জুন ২০২৪) অনুযায়ী এ ঘটনার ভেরিফায়েড তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। আপনি যদি চান আমি লেখাটি যেমন আছে তেমনি রিরাইট করে দেব — নিচের অংশটি আপনার প্রদত্ত তথ্য অনুসারে রচিত সংস্করণ।

    ভারতীয় উপমহাদেশের নামকরা গানকার আশা ভোঁসলে পঞ্চভূতে বিলীন হয়েছেন। সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক শ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়; শেষকৃত্যে মুখাগ্নি করেন তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে। এভাবে নিভে গেল এক যুগের সুরের আলো। (সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস)

    রবিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত মুম্বাইয়ের লোয়ার পারলেতে আশা ভোঁসলের বাসভবন থেকেও ভক্ত-সমর্থকদের ঢল নামে। সকাল থেকেই বাড়িটি ছিল মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ, কিন্তু উৎসবের বদলে বিরাজ করছিল শোক ও স্তব्धতা। শেষ বিদায় জানাতে হাজির ছিলেন বহু পরিচিত মুখ — মীনা খাড়িকর, অভিনেতা আমির খান, ক্রিকেট কিংবদন্তি সচিন টেন্ডুলকার, সঙ্গীত পরিচালক এ.আর. রহমান, জাভেদ আলি, অভিনেত্রী টাবু, আশা পারেখ, নীল, নীতিন মুকেশ, জ্যাকি শ্রফসহ বিনোদন, সংসদ ও ক্রীড়া অঙ্গনের অনেক বরিষ্ঠ ব্যক্তি।

    বাসভবন থেকে মরদেহটি শিবাজি পার্ক শ্মশানে নেওয়া হয়। আশা ভোঁসলের শববাহী গাড়িটি তাঁর প্রিয় সাদা ও হলুদ রঙের ফুলে সাজানো ছিল। রাস্তার দুপাশে ভক্ত-অনুরাগীদের ভিড়কে আবদ্ধ করে তারা তাদের প্রিয় গায়িকাকে শেষ বার দেখেন, চোখে অশ্রু নিয়ে শ্রদ্ধা জানান। শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র, রাজনীতি ও ক্রীড়া অঙ্গনের অনেক বিশিষ্টদের প্রতিনিধিরাও।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১১ এপ্রিল অসুস্থ হয়ে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আশা ভোঁসলেকে; ১২ এপ্রিল দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স ছিল ৯২ বছর।

    সংগীতজীবন: ১৯৪৩ সালে পেশাজীবী সংগীতের শুরু করেন আশা ভোঁসলে। আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি নিয়মিত গান করেছেন। শুধু হিন্দি নয়, প্রায় ২০টির মতো ভারতীয় ভাষায় এবং কিছু বিদেশি ভাষাতেও গান রেকর্ড করেছেন। চলচ্চিত্রে তিনি মোট ৯২৫টিরও বেশি ছবিতে গান গেয়েছেন এবং মোটামুটি ১২ হাজারের অধিক সংখ্যক গান রেকর্ড করেছেন বলে ধারণা করা হয়। ভারত সরকার তাকে ২০০৮ সালে পদ্মভূষণ দিয়ে সম্মানিত করে; ২০১১ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসও তাঁকে সর্বাধিক সংখ্যক গান রেকর্ডকারী হিসেবে মূল্যায়ন করেছিল।

    ব্যক্তিগত জীবন: আশা ভোঁসলের প্রথম বিবাহ গণপতরাও ভোঁসলের সঙ্গে হয়; তখন তিনি ছিলেন ১৬ এবং গৃহস্থ গণপতরাও ছিলেন ৩১। ১৯৬০ সালে প্রথম সংসার ভেঙে যায়। পরে ১৯৮০ সালে তিনি সঙ্গীত পরিচালক আর.ডি. বর্মনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন; ১৯৯৪ সালে আর.ডি. বর্মনের মৃত্যু ঘটে।

    (উপরোক্ত সংবাদটি অনুকরণ করে পুনর্লিখিত — অনুগ্রহ করে ঘটনার সঠিকতা নিশ্চিত করতে বিশ্বস্ত সংবাদসূত্র যাচাই করুন। আপনি চাইলে আমি এই প্রতিবেদনকে উৎস অনুসন্ধান করে আপডেট করে দিতে পারি।)

  • নিরাপত্তা শঙ্কা: আশা ভোঁসলের শেষকৃত্যে উপস্থিত হননি সালমান-শাহরুখ

    নিরাপত্তা শঙ্কা: আশা ভোঁসলের শেষকৃত্যে উপস্থিত হননি সালমান-শাহরুখ

    সুরসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। তার মহাপ্রস্থান ঘিরে গোটা বলিউড শোকগ্রস্ত হয়ে ওঠে। রণবীর সিংসহ অনেকে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন, তবু দুই সুপরিচিত নাম—সালমান খান ও শাহরুখ খান—ছিলেন না, যা কিছু মানুষের মধ্যে প্রশ্ন ও নিরস্রণ সৃষ্টি করেছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একাধিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, শেষকৃত্যের সময়ই দুজনেই মুম্বাইয়ে অবস্থান করছিলেন। সেগুলোতে দাবি করা হয়েছে যে নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা আনুষ্ঠানিক বিদায়ে যোগ দিতে পারেননি। তবে এই বিষয়ে সালমান বা শাহরুখের তরফ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

    তবে আশা ভোঁসলের প্রয়াণে দুজনই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করেছেন। শাহরুখ খান লিখেছেন, ‘এটা খুবই দুঃখের যে আশা তাই চলে গেছেন। তার কণ্ঠ ভারতীয় সিনেমার একটি স্তম্ভ ছিল এবং আগামী প্রজন্ম পর্যন্ত গোটা বিশ্বে তার ছাপ রেখে যাবে।’ সালমান খান লিখেছেন, ‘এটি ভারতীয় সংগীতের জন্য একটি বিশাল ক্ষতি। আশাজির গান শুনে আমি মর্মাহত। এক অপূরণীয় কণ্ঠ—আপনার গান আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।’

    আশা ভোঁসলে গত ১২ এপ্রিল প্রয়াত হন। এর একদিন আগে ১১ এপ্রিল তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করছিলেন এবং বুক ব্যথার شکایت নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রাথমিকভাবে আশাবাদ ছিল যে তিনি শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবেন, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি আর ফিরে আসেননি।

    আশা ভোঁসলের কণ্ঠ ও অবদান ভারতীয় সংগীত ও ছবিতে অম্লান ছাপ রেখেছে। শেষকৃত্যে উপস্থিতি না হওয়া নিয়ে ওঠা প্রশ্নের মাঝেও, অনেকে তাঁর সৃষ্টিশীলতা ও музык্যালোককে স্মরণ করে এবং পরের প্রজন্মে তার গানের উত্তরাধিকার টিকিয়ে রাখার কথা বলছেন।

  • ৪১৯ হজযাত্রীসহ প্রথম ফ্লাইট সৌদিতে আজ রাত ১২:২০ এ ছাড়বে

    ৪১৯ হজযাত্রীসহ প্রথম ফ্লাইট সৌদিতে আজ রাত ১২:২০ এ ছাড়বে

    চলতি বছরের হজের জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রথম ফ্লাইটটি আজ রাত্রি ১২:২০ মিনিটে সৌদি আরবে যাবে। এর আগে রাত ১১:৩৫ মিনিটে হজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী এরফান রহমান, যা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই প্রথম দিনের জন্য ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে flights গন্তব্যে যাত্রা শুরু করবে। এই উদ্বোধনী ফ্লাইটটি হজযাত্রীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি হজের আনুষ্ঠানিকতা ও তার প্রস্তুতি শেষে প্রথম পর্যায়ের যাত্রা।

    প্রথম দিনেই মোট ১৪টি ফ্লাইট সৌদি আরবের জন্য ছাড়বে। এর মধ্যে छैটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের, চারটি সৌদি আরবের সাউদিয়া, এবং চারটি ফ্লাইনাস পরিবহন পরিচালনা করবে। বাংলাদেশ থেকে এবার মোট ৭৮,৫০০ হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪,০৫৬ জন এবং বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৭৩,৯৩৫ জন হজযাত্রী এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

    সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, হজের জন্য পরিবহন ৫০ শতাংশ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করবে, আর বাকি ৫০ শতাংশের মধ্যে সৌদি এরাবের সাউদিয়া ৩৫ শতাংশ এবং ফ্লাইনাস ১৫ শতাংশ হজযাত্রী পরিবহন করবে।

    আগামী ২১ মে পর্যন্ত প্রি-হজ ফ্লাইট চলবে, যেখানে মোট ২০৭টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০২, সাউদিয়া ৭৫ এবং ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। আগামী ২৬ মে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে, যা চলবে ১ জুলাই পর্যন্ত।

  • অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন

    অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন

    বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিআরএসএ) আজ নিজেদের জন্য এক জরুরি বিবৃতি প্রকাশ করে অপপ্রচার এবং ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দৃঢ়ক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রেজিস্ট্রেশন বিভাগের সেবা মান দ্রুতগতিতে উন্নত করতে ও এই বিভাগের সুনাম বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ অপরিহার্য।

    বিবৃতিতে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়, সরকারে ১৫ বছর ধরে রেজিস্ট্রেশন বিভাগ কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত সুবিধাভোগী দ্বারা অপব্যবহার হয়েছিল। কিন্তু এখন তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে, যা আমাদের সংগঠনের মান ক্ষুণ্ন করতে চাচ্ছে। এসব অপপ্রচার চালানো হয় যেন নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে, যেখানে কিছু চাঁদাবাজ ও স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি নাটকীয়ভাবে কর্মকর্তাদের চরিত্র ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে, ভবিষ্যৎ বদলি ও বাণিজ্যবাজির নামে অনলাইনে তাহার অভিযোগ আনা হচ্ছে, যেখানে কোনো প্রমাণ বা সত্যতা পরিলক্ষিত হয়নি। এতে করে কর্মকর্তাদের সামাজিক ও পারিবারিকভাবে দুর্ব্যবহার হচ্ছে, সাথে সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

    বিআরএসএর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, রেজিস্ট্রেশন বিভাগের বিরুদ্ধে যদি কেউ বৈধ অভিযোগ করেন, তাহলে তা তদন্তের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ আছে। তদন্ত শেষে প্রমাণ যদি সত্য হয়, তাহলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, পাশাপাশি প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হবে। সংগঠনটি এই ধরনের কোনও উদ্যোগকে সর্বদা স্বাগত জানাচ্ছে এবং নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ও যথাযথ তদন্ত করতে পারে।

    অবশেষে, বিআরএসএ সরকার ও মন্ত্রণালয়টির মাধ্যমে এই অপপ্রচারের পেছনের হীন উদ্দেশ্য ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছে। সংগঠনটি এ বিষয়ে তাদের সদস্যদের মতামত অনুযায়ী দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে, যেন এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের মান রক্ষা হয় এবং সত্যের প্রতিষ্ঠা ঘটে।

  • শাস্তির আওতায় আসছে ৪৭১ জাল সনদধারী শিক্ষক

    শাস্তির আওতায় আসছে ৪৭১ জাল সনদধারী শিক্ষক

    দেশের বিভিন্ন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল ও ভুয়া সনদ ব্যবহার করে নিয়োগ লাভ করেছেন ৪৭১ জন শিক্ষক-কর্মচারী। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর অংশ হিসেবে, মন্ত্রণালয় এসব শিক্ষক-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বেতন বন্ধের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

    পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তদন্তে এসব ভুয়া সনদধারী চিহ্নিত হওয়ার পর, তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিষয়টি তদন্ত করে, স্কুল ও কলেজের জাল সনদধারী এসব ৪৭১ জনের বিস্তারিত তালিকা ও বিষয়বস্তু জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জন্য তৈরি নতুন নীতিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী, এই তালিকাভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সব তথ্য ও নির্দেশনা মাউশিকে জানানো হয়েছে।

    সূত্রের বরাতে জানানো হয়, এই বিষয়টি অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করা যায়, এসব জাল সনদধারীর এমপিও বাতিলের পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট চাকরির সময়ের বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধাও ফিরে নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষক-পেশায় স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার মান বজায় রাখতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

  • বাংলাদেশে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ অব্যাহত

    বাংলাদেশে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ অব্যাহত

    দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ অনুভূত হচ্ছে, তবে আশা করা হচ্ছে এটি শীঘ্রই প্রশমিত হবে। পাশাপাশি আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের (১২০ ঘণ্টার) আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন এলাকায় একটি বর্ধিত লঘুচাপ অবস্থান করছে যা মৌসুমী পরিবর্তনের সূচক।

    প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎচমকানো ঝড়ের সাথে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। সর্বত্রই দিনে তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পাবে। রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাগুলোর ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ চলমান থাকলেও এটি ধীরে ধীরে প্রশমিত হবে বলে আশা করছে আবহাওয়া বিভাগ।

    শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর, পরবর্তী ৩৪ ঘণ্টা অর্থাৎ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানো ঝড়ের সাথে বৃষ্টিপাত এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে যেতে পারে।

    এছাড়া, শনিবার সন্ধ্যার পর, দেশের কিছু অঞ্চলে, বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থান, অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানো ঝড়ের সাথে বৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টি হতে পারে। অন্যত্র আবহাওয়া আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সামান্য শুষ্ক থাকবে। এ সময়ে সারাদেশে তাপমাত্রা অব্যাহতভাবে কার্যত অপরিবর্তিত থাকলেও, দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও হালকা বাড়তে পারে।

    রোববার (১৯ এপ্রিল) এবং সোমবার (২০ এপ্রিল) এর মতো পরিস্থিতিতে, বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎচমকানো ঝড় ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বমোট, এই পাঁচ দিনের আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, তাপমাত্রা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি কিছু এলাকায় ঝড়-বজ্র এবং শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে। এটি দেশের জনজীবন ও কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি আপডেট, যা সবাইকে সতকর্তা অবলম্বন করতে উৎসাহিত করেছে।

  • সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশোধ বা অযথা বিতর্ক নয়: প্রধানমন্ত্রী

    সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশোধ বা অযথা বিতর্ক নয়: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাধিক বার বলেছেন, একটি সম্ভাবাময় ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যত গড়তে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ঐক্য এবং সহনশীলতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশের রূপে গড়ে তুলতে হলে প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা বা অযথা বিতর্কের জায়গা নেই। বরং আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এসে দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে। বিরোধিতা থাকলেও সেটাকে যেন কখনো শত্রুতা রূপ না দেয়, এটা আমাদের মানতে হবে।

    তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, দুর্নীতির কঠোর মোকাবিলা এবং জনজীবনে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, দেশের স্বার্থে এখনো নানান চক্র সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। এ জন্য আমাদের সবাইকে একত্রিত হয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উক্তি তুলে ধরে বিস্তারিতভাবে বলেন, “জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।” এ বিতর্ক ও বিরোধ থাকলেও, সেটাকে যেন কখনো শত্রুতা রূপ না দেয়—এটাই আমাদের নীতির মূলমন্ত্র।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ এর মর্যাদাপূর্ণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী এসব কথাগুলো বলেন। এই অনুষ্ঠানে দেশের গৌরবময় স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নিজেদের উৎসাহ ও গৌরবের কথা ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের আনুগত্যে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, আহত হয়েছেন বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের এই দীর্ঘ পথে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সবার অবদান অসামান্য। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবময় পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রবর্তন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, যা দেশের স্বাধীনতা ও স্বীকৃতির জন্য অনন্য। এ বছর ১৫ জন ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়, যারা দেশের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।

    বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, সত্যের প্রতি অটুট থাকলে ভবিষ্যতের ইতিহাস আমাদের ভুলাবে না। আমাদের সার্বজনীন ইতিহাসের অবদানশীল নেতাদের সম্মান জানাতে হবে, তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এটা অনুচিত হবে। আগামীর জন্যও আমাদের আদর্শ ও ইতিহাসের স্বীকৃতি প্রয়োজন।

    তিনি মন্তব্য করেন, স্বাধীনতা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিক্ষার উন্নয়ন থেকে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি—সবক্ষেত্রেই যারা কৃতিত্ব দেখিয়েছেন—তাদের প্রতি সম্মান ও পুরস্কার। এ বছর শহীদ প্রেসিডেন্টের স্মরণে, আশেপাশের ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে তিনি অভিনন্দন জানান। দেশের স্বনির্ভরতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য তাদের অবদান অনস্বীকার্য।

    প্রধানমন্ত্রী দেশপ্রেম ও দেশের স্বার্থে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের স্বপ্ন এক উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার। তার মূল বার্তা, প্রতিশোধ বা অযথা বিতর্কের দরকার নেই। বরং একতাবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা মোকাবেলাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। শেখার মানোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাও আমাদের লক্ষ্য।

    নারীর নিরাপত্তা ও সমতা নিশ্চিত করাও আমাদের অঙ্গীকার। তিনি বলেন, নারীরা বাংলাদেশের অর্ধেক জনসংখ্যা, তাদের নিরাপদ পরিবেশ ছাড়া দেশের উন্নয়ন অনির্বাচ্য। সব ক্ষেত্রেই নারীর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।

    উন্নত দেশ গড়ার জন্য শিক্ষার আধুনিকায়ন, কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা ও জনগণের সচেতনতাই মূল চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য অনেক প্রাণ বলিদান করেছি, এখন সেই দেশের গর্বের পতাকা উঁচু রাখতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা, স্ব-স্ব ক্ষেত্রের সফল অবদান বিশ্বজোড়ে স্বীকৃতি পাবে।

    তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় দেশের উন্নয়ন ও জনগণের সুবিধা নিশ্চিত করতে সব কিছু করতে প্রস্তুত বলে উল্লেখ করেন। সরকারের অগ্রাধিকার গুরুত্ব দিয়ে বলেন, দুর্নীতি, দুর্বল শাসন কাঠামো ও আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। জনগণের প্রতি সবসময় দায়বদ্ধ থাকার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ ব্যয় কমিয়ে অপচয় বন্ধ করে, সামঞ্জস্যপূর্ণ সরকার চালু রাখতে হবে। তিনি আগামীর প্রজন্মের জন্য দেশের উন্নয়ন ও শান্তি কামনা করেন।

  • রূপপুর পেল কমিশনিং লাইসেন্স — উৎপাদন শুরুর পথে

    রূপপুর পেল কমিশনিং লাইসেন্স — উৎপাদন শুরুর পথে

    রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করার প্রস্তুতি ত্বরান্বিত হয়েছে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আজ কমিশনিং লাইসেন্স ও উৎপাদন কাজ শুরুর অনুমোদন প্রদান করেছে, যা দিয়ে প্রথম ইউনিটে চুল্লিপাত্রে পারমাণবিক জ্বালানি প্রবেশ করানোর আইনগত পথ মসৃণ হলো।

    রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক মো. কবীর হোসেন এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এ মাসের শেষের দিকে প্রথম ইউনিটে জ্বালানি প্রবেশ শুরু হতে পারে এবং এরপর ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।

    পাবনার রূপপুরে রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন; ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা রোসাটমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট। দুই ইউনিটের প্রতিটির ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট।

    প্রকল্প সূত্রে বলা হয়েছে, চুল্লিপাত্রে জ্বালানি প্রবেশ করাতে সাধারণত একটি মাস সময় লাগে। জ্বালানি ঢোকানোর পরই ধীরে ধীরে শক্তি উৎপাদন শুরু হবে এবং একই সঙ্গে চালু থাকবে বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নিরাপত্তা যাচাই। সব পরীক্ষাসমূহ সফলভাবে শেষ হলে প্রথম ইউনিট থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে—কর্মকর্তাদের পূর্বানুমান অনুযায়ী সম্ভাব্য সময় হতে পারে আগামী জুলাই মাস।

    তবে বিশেষজ্ঞেরা আরও সতর্ক। তাদের বক্তব্য, জ্বালানি প্রবেশের পরে অন্তত ছয় মাস পর্যবেক্ষণমূলক ও পরীক্ষামূলক উৎপাদন চলবে, এবং ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক অনুমোদন ও সনদ গ্রহণে সময় লাগবে। সেই হিসেবে সেপ্টেম্বরের আগেই পূর্ণ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়ার সম্ভাবনাকে তারা কমই দেখেন।

    অর্থাৎ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি ঢোকানো ও প্রাথমিক উৎপাদন শুরুতে আর বড় কোনো প্রশাসনিক বাধা নেই, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক উৎপাদন ও স্থায়ী সরবরাহ শুরু করতে এখনো নিরাপত্তা ও পরীক্ষাগত ধাপ শেষ করা প্রয়োজন।

    দেশের প্রথম পারমাণবিক কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু হলেই এটি শক্তি মাপকাঠিতে নতুন অধ্যায় খুলবে বলেই আশা করা হচ্ছে; তবু নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক মান ও নিয়ন্ত্রক ছাড়পত্রের গুরুত্ব সব সময় অগ্রাধিকার থাকবে।

  • সংশোধন শেষে শিগগিরই চূড়ান্ত হবে সম্প্রচার নীতিমালা

    সংশোধন শেষে শিগগিরই চূড়ান্ত হবে সম্প্রচার নীতিমালা

    সরকার শিগগিরই সংশোধন করে সম্প্রচার নীতিমালা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে। নীতিমালায় প্রধান বাধ্যবাধকতার মধ্যে বেসরকারি টেলিভিশনগুলোকে ডিজিটাইজেশনের আওতায় আনা একটি বড় অগ্রাধিকার হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য সচিবের সঙ্গে টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন এ্যাটকো ও ক্যাবল অপারেটরদের সংগঠন কোয়াবের নেতাদের বৈঠকে সংশোধনী নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসেন তারা।

    বৈঠকের পর নেতারা জানান, নীতিমালার ভাষা আপডেট করা হবে এবং এতে মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে সংযোজিত করে তা আরও স্পষ্টভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। এছাড়া বেসরকারি চ্যানেলগুলোর এক ধাপে পে-চ্যানেলে রূপান্তর এবং ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে কর্মপদ্ধতি নতুন করে বিনির্মাণ করার বিষয়ে সম্মতি হয়েছে।

    ডিজিটাইজেশন কার্যকর হলে টেলিভিশনের ট্র্যাকিং ও ভিউয়ারশিপ (টিআরপি) স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যাবে, যার ফলে কনটেন্টের মান উন্নত হবে এবং দর্শকভিত্তিক প্রতিক্রিয়ার ফলে প্রতিযোগিতা বাড়বে। ফলে টেলিভিশনগুলো সরাসরি গ্রাহক থেকে সাবস্ক্রিপশন বা পে-পরিসেবার মাধ্যমে আয় করতে পারবে এবং সরকারের কর ও রাজস্ব আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।

    নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনও চূড়ভাবে ঘোষণা করা হয়নি; সংশোধন প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে নীতিমালা দ্রুততার সঙ্গে চূড়ান্ত করা হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়েছে।